Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুবুনের বাবা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. অ্যাডভেঞ্চার

    ১১. অ্যাডভেঞ্চার

    প্রথমে বুবুন এবং তার কয়েক সেকেন্ড পরে সুমি ভিতরে লাফিয়ে পড়ল। দুজনেই খানিকক্ষণ গুটিসুটি মেরে বসে থেকে যখন নিশ্চিত হল কেউ তাদের দেখতে পায়নি তখন তারা গুঁড়ি মেরে ভিতরে বাসাটার দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।

    বাসাটার কাছাকাছি গিয়ে তারা দেয়ালে কান লাগিয়ে ভিতরের কথাবার্তা শুনতে চেষ্টা করল, যদি কোনোভাবে আব্বার গলার আওয়াজ শুনতে পারে তা হলে সাথে সাথে ট্রান্সমিটারের সুইচটা অন করে দিয়ে ঠিক যেভাবে গোপনে এসে ঢুকেছে সেভাবে গোপনে বের হয়ে যাবে।

    বুবুন ফিসফিস করে বলল, “সুমি!”

    “কী হল?”

    “দুজন এক জায়গায় থাক ঠিক না। হঠাৎ করে যদি ধরা পড়ে যাই তা হলে দু’জনেই একসাথে ধরা পড়ে যাব।”

    “ঠিকই বলেছিস।”

    “তুমি এখানে দাঁড়াও, আমি পুরো বাসাটা একবার চক্কর দিয়ে আসি।”

    “ঠিক আছে।”

    বুবুন পুরো বাসাটা একবার চক্কর দিয়ে এল, জানালার নিচে দাঁড়িয়ে ভিতরের কথাবার্তা শোনার চেষ্টা করল, ফাঁকফোকর দিয়ে সাবধানে উঁকি দেওয়ার চেষ্টা করল কিন্তু কোনো লাভ হল না। আগের জায়গায় ফিরে এসে দেখল সুমি সেখানে নেই, বুকটা ছ্যাৎ করে ওঠে বুবুনের। ধরা পড়ে গেল নাকি? তা হলে অবিশ্যি হৈচৈ দৌড়াদৌড়ি হত, কিন্তু সেরকম কিছুই তো শোনেনি। নিশ্চয়ই কোথাও গিয়েছে, এক্ষুনি ফিরে আসবে।

    সত্যি সত্যি কিছুক্ষণের মাঝে সুমি ফিরে এল, কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, “ভিতরে ঢোকার একটা উপায় পেয়েছি।”

    “ভিতরে ঢোকার?”

    “হ্যাঁ।”

    “কীভাবে ঢুকবে?”

    “বৃষ্টির পানির যে পাইপ রয়েছে সেটা বেয়ে ছাদে যাব, তারপর ছাদ থেকে ভিতরের বারান্দায়।”

    বুবুনের পেটের ভিতরে কেমন জানি পাক খেয়ে ওঠে। ঢোক গিলে বলল, “কোনো বিপদ হবে না তো?”

    “হলে হবে। আয়, আর দেরি করিস না।”

    কিছুক্ষণের মাঝেই দেখা গেল প্রথমে সুমি এবং তার পিছুপিছু বুবুন পানির পাইপ বেয়ে ছাদে উঠে যাচ্ছে। এধরনের একটি কাজ যে বুবুন করতে পারবে তার বিশ্বাস ছিল না, কিন্তু সুমি দেখে তার নিজের উপর খানিকটা বিশ্বাস ফিরে আসে। পাইপটা শক্ত করে ধরে রেখে নিচের দিকে না তাকিয়ে হাঁচড়-পাঁচড় করে দুজন উপরে উঠে এল। ছাদে পানির একটা ট্যাংক রয়েছে, দুজনে সেটার আড়ালে দাঁড়িয়ে বাসার ভিতরে উঁকি দেওয়ার চেষ্টা করল। আবছা অন্ধকার, ভিতরে নির্জন সুমসাম, কোনো মানুষ আছে বলেই মনে হল না। দুই পাশে দুটি ঘরে আলো জ্বলছে, সেখানে হয়তো কেউ থাকতে পারে। সুমি ফিসফিস করে বলল, “ছাদে থেকে ভালো করে নিচে তাকিয়ে দেখ।”

    “কী দেখব?”

    “কিছু দেখা যায় কি না। কতজন মানুষ আছে কী সমাচার।”

    দুজনে ছাদ থেকে নিচে উঁকিঝুঁকি দিতে থাকে। বাসাটা কত বড়, কয়টা রুম, কোথায় বারান্দা, কোথায় লুকানোর জায়গা আছে, কোথায় আলো, কোথায় অন্ধকার, হঠাৎ করে কেউ তাড়া করলে কোনদিকে পালিয়ে যাবে এই ধরনের ব্যাপারগুলো ছাদে বসেই আন্দাজ করার চেষ্টা করে। যখন বাসাটা সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা হল তখন সুমি বলল, “চল, নিচে যাই।”

    “কীভাবে যাবে?”

    “কার্নিস ধরে ঝুলে নিচে রেলিঙের উপর নেমে পড়ব।”

    “যদি পড়ে যাই?”

    “পড়ব কেন! যদি ভয় পাস তা হলে উপর থেকে দড়ি বেঁধে ঝুলিয়ে দিই, সেই দড়ি বেয়ে নেমে যাব।”

    “সেইটাই ভালো, তা হলে আবার দরকার পড়লে দড়ি বেয়ে উঠে যাব।”

    দুজনে মিলে লম্বা খানিকটা দড়ি নিয়ে ছাদে পানির ট্যাংকের পাইপের সাথে বেঁধে নিচে ঝুলিয়ে দিল। দুই প্রস্থ দড়ির মাঝে মাঝে গিঁট বেঁধে দেওয়া আছে, তার মাঝে পা দিয়ে বুবুন আর সুমি বেশ সহজেই নিচে নেমে এল। বারান্দা দিয়ে হেঁটে দুজন বাসার এক অন্ধকার কোণায় লুকিয়ে পড়ল। বুবুনের বুক ধ্বক ধ্বক করে শব্দ করছে, সে ফিসফিস করে বলল, “এখন আব্বাকে খুঁজে বের করতে হবে।”

    “হ্যাঁ।”

    “দুজনই একসাথে যাওয়ার দরকার নেই। তুমি এখানে পাহারা দাও, আমি যাই।”

    “ঠিক আছে। চাচাকে কীভাবে খুঁজে বের করবি?”

    “আব্বা যদি থাকেন তা হলে নিশ্চয়ই কোনো ঘরে দরজা বন্ধ করে না হয় তালা মেরে রেখেছে।”

    “তাই যেসব ঘর বাইরে থেকে বন্ধ থাকবে না হয় তালা মারা থাকবে সেখানে টোকা দিয়ে জিজ্ঞেস করব কেউ আছে কি না।”

    “ঠিক আছে। খুব সাবধান কিন্তু!”

    “আমার ব্যাগটা রেখে গেলাম। এর মাঝে সব দরকারি জিনিসপত্র।”

    “ঠিক আছে।”

    বুবুন একটা বড় নিঃশ্বাস ফেলে অন্ধকার কোণা থেকে খুব সাবধানে বের হল। পা টিপে টিপে নিঃশব্দে সে হাঁটতে থাকে। কোনো ঘর বাইরে থেকে ছিটকিনি লাগানো থাকলে সে আস্তে আস্তে দরজায় টোকা দিয়ে চাপা গলায় আব্বাকে ডেকে দেখল। দরজা খোলা থাকলে বাইরে দাঁড়িয়ে কান পেতে শোনার চেষ্টা করল ভিতরে কারও নড়াচড়ার বা নিঃশ্বাস ফেলার শব্দ শোনা যায় কি না। কোনো ঘরে তালা দেওয়া থাকলে সাবধানে দরজা ফাঁক করে উঁকি দিয়ে দেখার চেষ্টা করল। বাসার একেবারে শেষ মাথায় একটা ঘরে বাতি জ্বলছে, ঘরের দরজায় তালা লাগানো, বুবুন দরজা ফাঁক করে উঁকি দেওয়ার চেষ্টা করতেই ভিতর থেকে আব্বার গলার আওয়াজ শুনতে পেল, “কে?”

    বুবুন উত্তেজনায় প্রায় চিৎকার করে উঠছিল, অনেক কষ্টে নিজেকে শান্ত করে দরজায় মুখ লাগিয়ে চাপা গলায় বলল, “আব্বা আমি বুবুন।”

    আব্বা ভিতর থেকে বললেন, “বুবুন, তুই এসেছিস? দরজাটা খোল, বাইরে থেকে কেন জানি বন্ধ করে রেখেছে।”

    বুবুন আবার দরজায় মুখ লাগিয়ে চাপা গলায় বলল, “আব্বা, তুমি কোনো কথা বলো না, শুনতে পেলে বিপদ হয়ে যাবে।”

    “ঠিক আছে বলব না।” আব্বা এক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বললেন, “তোর কোনো বিপদ হয়নি তো?”

    “না আব্বা হয়নি।” উত্তেজনায় বুবুনের সবকিছু গোলমাল হয়ে যেতে থাকে। শব্দ শুনে যদি কেউ চলে আসে? কিন্তু অন্যকিছু করার আগে তাকে তার ট্রান্সমিটারটা অন করতে হবে। সবচেয়ে প্রথমে গাঙ্কু আর পিয়ালকে খবর পাঠাতে হবে যে আব্বা এখানে আছে। তারপর শুধু অপেক্ষা করা।

    বুবুন পকেট থেকে ট্রান্সমিটারটা বের করে সুইচটা অন করতে যাচ্ছিল হঠাৎ তার ঘাড়ের মাঝে বাঘের মতো থাবা দিয়ে কে যেন জাপটে পড়ল, হুংকার দিয়ে বলল, “তুই কে? ভিতরে কীভাবে ঢুকেছিস?”

    বুবুন ভয়ানক চমকে উঠল, মুখ তুলে তাকিয়ে দেখে রোমশ ভুরু কুচকুচে কালো দাড়ি আর লালচোখের একজন মানুষ। বুবুনের হাত থেকে ট্রান্সমিটারটা ছিনিয়ে নিয়ে চিৎকার করে বলল, “এটা কী?”

    বুবুন কোনো কথা না বলে প্রাণপণে চেষ্টা করল মানুষটার হাত থেকে ট্রান্সমিটারটা নিয়ে নিতে কিন্তু পারল না। মানুষটা বুবুনের চুল ধরে হ্যাঁচকা টান দিয়ে সরিয়ে নিয়ে বলল, “তুই ভিতরে ঢুকেছিস কেমন করে?”

    বুবুন কোনো কথা বলল না, যদি কোনোভাবে সুইচটা শুধু অন করে দিতে পারত তা হলেই গাব্বু আর পিয়ালের খবর চলে যেত। কিন্তু সেটা করতে পারল না। দুঃখে হতাশায় তার মরে যেতে ইচ্ছে করছিল, মানুষটা হয়তো তাকে সত্যি সত্যি মেরেই ফেলবে–বুবুন আর কোনো কিছু চিন্তা করতে পারছিল না। রোমশ ভুরু আর কুচকুচে কালো দাড়ির মানুষটা বুবুনের হাত ধরে কীভাবে জানি মোচড় দিতেই সেটা বাঁকা হয়ে পিছনের দিকে চলে গেল প্রচণ্ড যন্ত্রণায় আর্তনাদ করে উঠল বুবুন। আব্বা দরজা ধাক্কা দিয়ে বললেন, “কী হয়েছে বুবুন?”

    বুবুন কোনো কথা বলতে পারল না, মানুষটা দাঁতে দাঁত ঘষে চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, “বল, ভিতরে ঢুকেছিস কেমন করে?”

    কিছু-একটা বলতে হবে এখন, সত্যি কথা বললে সুমিও ধরা পড়ে যাবে, সত্যি কথা বলা যাবে না কিছুতেই। বুবুন কোনোমতে বলল, “একটা জানালা খোলা ছিল।”

    “কোন জানালা?”

    বুবুন অনিশ্চিতের মতো বলল, “ঐ তো ঐদিকে।”

    মানুষটা কী যেন ভাবল এক সেকেন্ড তারপর পকেট থেকে চাবির গোছা বের করে তালা খুলে বুবুনকে ধাক্কা দিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিল। বুবুন তাল হারিয়ে নিচে পড়ে গিয়েছিল, কোনোমতে উঠে বসে আব্বাকে দেখতে পেল। আব্বা খুব অবাক হয়ে বুবুনের দিকে তাকিয়ে আছেন, কাছে এসে তাকে ধরে তুলে তার শরীরের ধুলো ঝাড়তে লাগলেন, আব্বাকে দেখে মনে হতে লাগল এখন শরীর থেকে ধুলো ঝাড়াই সবচেয়ে জরুরি ব্যাপার। আব্বা ধুলো ঝেড়ে জিজ্ঞেস করলেন, “ব্যথা পেয়েছিস বুবুন?”

    বুবুন হাতে প্রচণ্ড ব্যথা পেয়েছে, এখনও কাঁধে এবং কনুইয়ে টনটন করছে। কিন্তু আব্বাকে সেটা বলে কী লাভ? মাথা নেড়ে বলল, “না আব্বা।”

    আব্বা খুব চিন্তিত মুখে বললেন, “এরা কারা বুবুন? আমাকে বলল তোর অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে। আমাকে তাই নিতে এসেছে। আমি তাদের সাথে গেলাম আর তখন এই ঘরে এনে আটকে ফেলেছে। কিছু খেতেও দিচ্ছে না।”

    বুবুন কিছু বলল না, আব্বা আবার জিজ্ঞেস করলেন, “তোর কি অ্যাকসিডেন্ট হয়েছিল?”

    “না আব্বা। তোমাকে ধরার জন্য মিথ্যা কথা বলেছে।”

    আব্বা মাথা নেড়ে বললেন, “এরা মনে হয় খুব খারাপ মানুষ।”

    এত দুঃখেও বুবুনের হাসি পেয়ে গেল, আব্বা এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন যে এরা খুব খারাপ মানুষ! এরা সেই মানুষ যারা একাত্তর সালে রাজাকার আলবদর হয়ে পাকিস্তানিদের সাথে মানুষ খুন করেছে, যখন বুঝতে পেরেছে দেশ স্বাধীন হয়ে যাবে তখন দেশের সব ভালো ভালো প্রফেসর, লেখক, কবি, সাহিত্যিক, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তারকে খুন করেছে। এতদিন পরে আবার সেই একই জিনিস করতে চাইছে?

    আব্বা ঘরের মাঝে খানিকক্ষণ পায়চারি করে ঘরের এক কোণায় চেয়ারে চুপ করে বসে রইলেন, তাকে কেমন জানি দুঃখী দেখাতে লাগল, মনে হতে লাগল কিছু-একটা বুঝতে পারছেন না।

    বুবুন দরজার কাছে দাঁড়িয়ে কান পেতে শোনার চেষ্টা করল বাইরে কী হচ্ছে। সুমি এখনও বাইরে আছে সেটাই একমাত্র ভরসা। রোমশ ভুরুর মানুষটা দূরে কোথাও গিয়ে চিৎকার করে কারও সাথে কথা বলছে, মনে হয় টেলিফোনে কাউকে বুবুনের খবর দিচ্ছে। আরও কিছু মানুষ বাইরে হাঁটাহাঁটি করছে বলে মনে হল। বুবুন খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে ভিতরের দিকে হেঁটে আসছিল হঠাৎ সুমির চাপা গলায় ডাক শুনতে পারল, “বুবুন! শুনে যা!”

    বুবুন ছুটে গেল, “সুমি! এখানে এসেছিস তুই–ধরা পড়ে যাবি তো!”

    সুমি কোনো কথা না বলে দ্রুত তার ব্যাগের ভিতরে হাত ঢুকিয়ে হ্যাঁকস’টা বের করে বুবুনের হাতে দিল। ফিসফিস করে বলল, “নে, এইটা রাখ।”

    “কী করব?”

    “জানালার শিক নাহয় দরজার কড়া কিছু-একটা কেটে ফেল বের হওয়ার জন্যে।” সুমি হঠাৎ দূরে কোথাও তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল, “কেউ আসছে, আমি গেলাম।”

    সুমি গুঁড়ি মেরে সরে গেল, বুবুন হাতের হ্যাঁকস’টা ঘরের কোণায় একটা টেবিলের নিচে লুকিয়ে ফেলল। একটা মানুষ হেঁটে হেঁটে ঘরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ভিতরে উঁকি দিল। বুবুন মানুষটাকে চিনতে পারল, ইঁদুরের মতো দেখতে সেই মানুষটা। দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে মানুষটা তার ময়লা হলুদ দাঁত বের করে হেসে বলল, “পিপীলিকার পাখা উঠে মরিবার তরে। ভেবেছিলাম খালি বড়টারে ধরব এখন দেখি ছোটটাও চলে এসেছে।”

    বুবুন বিষদৃষ্টিতে মানুষটার দিতে তাকাল, কিছু বলল না। ইঁদুরের মতো মানুষটা আরও কিছুক্ষণ দরজার ফাঁক দিয়ে তাদের লক্ষ্য করে চলে গেল। মানুষটা সরে যেতেই বুবুন দরজার কাছে এসে কড়া দুটি লক্ষ করল। দুটি কড়া একত্র করে বাইরে বড় একটা তালা ঝুলছে। হ্যাঁকস দিয়ে বাইরের সেই তারটি কাটা খুব সহজ হবে না। কিন্তু কড়ার যে-অংশটা দরজা দিয়ে ভিতরে এসে একটা বল্টু দিয়ে দিয়ে লাগানো রয়েছে সেটা মনে হয় খুব সহজেই কেটে ফেলা যাবে। তখন কড়াটা ঠেলে বের করলেই ঘর থেকে বের হয়ে আসা যাবে। যদি আশেপাশে কেউ না থাকে তা হলে দরজা খুলে বের হয়ে যাওয়াও কোনো কঠিন ব্যাপার নয়।

    বুবুন কাজে লেগে গেল, হ্যাঁক’সটা দিয়ে কাটতে একধরনের শব্দ হয়। শব্দটা ঝিঁঝিপোকার কর্কশ ডাকের মতে, বাইরের ঝিঁঝিপোকার শব্দের সাথে সেটা বেশ মিলে গিয়েছে। বুবুন কী করছে আব্বা তীক্ষ্ণচোখে সেটা দেখতে লাগলেন কিন্তু সেটা নিয়ে ভালোমন্দ কিছুই বললেন না।

    পাঁচ মিনিটের মাঝেই কড়াটার একটা অংশ খুলে এল, ইচ্ছে করলেই এখন বুবুন তার আব্বাকে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আসতে পারে কিন্তু সে বের হল না। বুবুন কড়াটা ঠিক জায়গায় লাগিয়ে রাখল, বাইরে থেকে কেউ যেন বুঝতে না পারে যে এটা আসলে খুলে নেওয়া হয়েছে।

    কিছুক্ষণের মাঝেই সুমিকে আবার দেখা গেল। সে গুঁড়ি মেরে দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। বুবুন সাথে সাথে কড়াটা ঠেলে বের করে দিয়ে দরজাটা খুলে ফেলল। সুমি চারিদিকে তীক্ষ্ণচোখে তাকাতে তাকাতে ফিসফিস করে বলল, “দরজা খুলে ফেলেছিস?”

    “হ্যাঁ।”

    “চল বের হয়ে আয় এখন। চাচাকে নিয়ে আয়।”

    আব্বা কেমন জানি বিভ্রান্ত চোখে তাকিয়ে আছেন। কী হচ্ছে ঠিক বুঝতে পারছেন না। বুবুন ফিসফিস করে বলল, “আব্বা, কোনো শব্দ করো না। আস্তে আস্তে বের হয়ে আসো।

    আব্বা বাধ্য ছেলের মতো মাথা নাড়লেন। সুমি তার ব্যাগ থেকে একটা বোতল বের করে ভিতর থেকে কী যেন মেঝেতে ঢেলে দিল। বুবুন জিজ্ঞেস করল, “এটা কী?”

    “সাবান পানি। পিছলে করার জন্যে।”

    “পিছলে করে কী লাভ?”

    “দেখবি একটু পরেই।”

    সুমি দরজাটা বন্ধ করে আবার কাটা কড়াটা ফুটো দিয়ে ঢুকিয়ে দিল, বাইরে থেকে দেখে মনে হচ্ছে দরজায় তালা লাগানো রয়েছে।

    কাজ শেষ করে তাড়াতাড়ি তারা বাসার কোণায় সেই অন্ধকার অংশে গিয়ে লুকিয়ে গেল। আব্বা কেমন যেন শান্ত হয়ে গেছেন, মুখ দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা নিয়ে চিন্তা করে কোনো কূলকিনারা পাচ্ছেন না। দুজনে মিলে প্রায় হাত ধরে টেনে তাঁকে সরিয়ে নিতে হল। অন্ধকারে লুকিয়ে গিয়ে বুবুন ফিসফিস করে বলল, “এখন কী করবে?”

    “মানুষগুলিকে এই ঘরে আটকে ফেলতে হবে। তারপর পালাব।”

    “কেমন করে আটকাবে?”

    “যখন এই ঘরে ঢুকবে তখন বাইরে থেকে ছিটকানি লাগিয়ে দেব।”যদি না ঢোকে?”

    “একশোবার ঢুকবে। এই দ্যাখ!” সুমি তার ব্যাগ থেকে একটা বড় ঢেলা বের করে হঠাৎ একটা জানালার দিকে ছুঁড়ে দিল, ঝনঝন করে কাঁচ ভেঙে পড়ল প্রচণ্ড শব্দে সাথে সাথে ঘর থেকে কয়েকজন মানুষ বের হয়ে এল। রোমশ ভুরুর মানুষটি, অন্যটি ইঁদুরের মতো চেহারার মানুষ, বাকি দুজনকে তারা আগে দেখেনি।

    ইঁদুরের মতো দেখতে মানুষটি বলল, “কে? কে কাঁচ ভেঙেছে?”

    “বেকুব ছেলেটা হবে নিশ্চয়ই।”

    “দেখে আয় তো!”

    “যাই।” বলে একজন মানুষ তাদেরকে যে-ঘরে আটকে রেখেছিল সেদিকে এগিয়ে গেল। দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিয়েই সে চেঁচিয়ে উঠে বলল, “ঘরে কেউ নেই।”

    ইঁদুরের মতো মানুষটা খেঁকিয়ে উঠে বলল, “কেউ নেই মানে? দরজায় তালা মারা আছে না?”

    মানুষটা দরজার দিকে ভালো করে তাকাল, তালাটা ধরে একটা ঝাঁকুনি দিল, বুবুন আর সুমি ভয় পাচ্ছিল যে দরজার কড়াটা বুঝি খুলে আসবে, কিন্তু কপাল ভাল, সেটা খুলল না। মানুষটা এবারে হতভম্বের মতো বলল, “দরজায় তালা মারা আছে, কিন্তু ভিতরে মানুষ নাই।”

    “কী বলছিস ছাগলের মতো?” এবারে অন্য তিনজনও দরজার সামনে দাঁড়াল, ভিতরে উঁকি দিল এবং কাউকে না দেখে খুব অবাক হয়ে গেল।

    ইঁদুরের মতো মানুষটা বলল, “তালাটা খুল দেখি!”

    রোমশ ভুরুর মানুষটা পকেট থেকে চাবি বের করে তালাটা খুলে ভিতরে ঢুকল, তার পিছনে অন্যরাও।

    সুমি বুবুনকে খোঁচা দিয়ে বলল, “এখন চল। তুই দরজাটা চেপে রাখবি আর আমি ছিটকানি লাগাব।”

    বুবুন নিঃশ্বাস বন্ধ করে বলল, “ঠিক আছে।” যদি ওরা ঠিকমতো ছিটকানি লাগাতে না পারে তা হলে কী হবে বুবুন এই মুহূর্তে সেটা নিয়ে আর ভাবতে চায় না।

    বুবুন আর সুমি শুনতে পেল ঘরের ভিতর থেকে একজন বলছে, “এখানে পানি ফেলেছে কে?”

    “জানি না। কিন্তু বের হল কোনদিক দিয়ে?”

    “তাজ্জবের ব্যাপার! কুফুরী কালাম জানে নাকি?”

    মানুষগুলো হেঁটে জানালার কাছে গিয়েছে, এই ফাঁকে বুবুন আর সুমি পা টিপে টিপে দরজা দড়াম করে বন্ধ করে দিল, বন্ধ করার আগের মুহূর্তে ইঁদুরের মতো চেহারার মানুষটা বুবুনকে দেখে ফেলে ছুটে আসতে গিয়ে মেঝেতে ঢেলে রাখা-সাবান পানিতে ভয়ংকর শব্দ করে পিছলে পড়ে। বুবুন প্রাণপণে দরজা চেপে রাখল এবং সুমি দ্রুত ছিটকানিটা তুলে দিল। ভিতরে আবার প্রচণ্ড একটা শব্দ হল, আরও কেউ নিশ্চয়ই আছাড় খেয়ে পড়েছে। সুমি আর বুবুন হাত তুলে একজন আরেকজনকে থাবা দিয়ে আনন্দে চিৎকার করে উঠল। বুবুন বলল, “দেরি করে কাজ নেই, পালাও।”

    “হ্যাঁ চল।”

    আব্বাকে নিয়ে তারা যখন বারান্দা ধরে ছুটতে শুরু করেছে তখন শুনল দরজার দমাদম লাথি পড়ছে। শক্ত দরজায় শক্ত ছিটকানি কিন্তু চারজন মানুষের লাথি কতক্ষণ আটকাতে পারবে কে জানে!”

    বাসার বাইরে বের হয়ে সুমি তার ব্যাগ থেকে তালা বের করে দরজায় তালা লাগিয়ে দেয়। এখন দরজা ভেঙে বের হয়ে এলেও ক্ষতি নেই। এখান থেকে বের হবার জন্যে এবারে বাকি রয়েছে গেট। সাথে যদি আব্বা না থাকতেন তা হলে বুবুন আর সুমি দেয়াল টপকে পার হয়ে যেত, কিন্তু আব্বাকে নিয়ে তো আর সেটা করা যাবে না, গেট দিয়েই বের হতে হবে। গেটে যে-মানুষটা রয়েছে সে বাসার ভিতরে কী হয়েছে না হচ্ছে সেসব কিছু জানে বলে মনে হয় না।

    সুমি আব্বাকে বলল, “চাচা, আপনি গেটের দিকে যান। গেট খোলা না থাকলে দারোয়ানকে বলবেন গেট খুলে দিতে।”

    আব্বা কথাটা শুনলেন কি না কিংবা শুনলেও ঠিক বুঝতে পেরেছেন কি না বোঝা গেল না, কিন্তু মাথা নেড়ে রাজি হয়ে গেলেন। সুমি বুবুনকে নিয়ে অন্ধকারে লুকিয়ে গেল। বুবুন জিজ্ঞেন করল, “কী করবি এখন?”

    সুমি ব্যাগ খুলে একটা চাকু বের করে বলল, “দারোয়ান যখন চাচার সাথে কথা বলবে তখন পিছন থেকে দারোয়ানের উপর লাফিয়ে পড়তে হবে, ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে গলায় চাকুটা ধরতে হবে। হিন্দি সিনেমাতে যেরকম করে”

    “যদি ফেলতে না পারি?”

    “ফেলতে হবে। আমরা পিছনে থাকব, দারোয়ান বুঝতেও পারবে না আমরা ছোট না বড়, ভয় পেয়ে শুয়ে থাকবে।”

    বুবুন ঢোক গিলে বলল, “ঠিক আছে।”

    “এত ভয় পাওয়ার কী আছে? গাব্বু আর পিয়াল গেটের ওইপাশে আছে না? ডাক দিলেই গেট টপকে চলে আসবে।

    “তা ঠিক।”

    আব্বা ততক্ষণে গেটের পাশে চলে এসেছেন। আব্বাকে দেখে শুকনোমতন একজন লোক বের হয়ে এল, সে বেশ অবাক হয়ে আব্বাকে দেখছে ঠিক তখন বুবুন আর সুমি পিছন থেকে মানুষটার উপরে লাফিয়ে পড়ল। এ-ধরনের একটা ব্যাপারের জন্যে মানুষটা একটুও প্রস্তুত ছিল না, ভয় পেয়ে ডাক ছেড়ে একটা চিৎকার দিয়ে মাটিতে আছাড় খেয়ে পড়ল। বুবুন চাকুটা গলার কাছে ধরে রেখে গলার স্বর যথা সম্ভব মোটা করে বলল, “খবরদার, নড়াচাড়া করলে কিন্তু জবাই করে ফেলব।”

    সুমি হুংকার দিয়ে বলল, “গেটের চাবি কই?” মানুষটা চিচি করে বলল, “গেটে তালা দেওয়া নাই।”

    বুবুন ব্যাগ থেকে দড়ি বের করে মানুষটার হাত বাঁধতে বাঁধতে বলল, “আব্বা গেট খুলে বাইরে চলে যাও।”

    “বাইরে?”

    “হ্যাঁ। দেখো সেখানে গাব্বু আর পিয়াল আছে।”

    “ও।” আব্বা বেশ কষ্ট করে গেট খুললেন। দারোয়ানকে ততক্ষণে শক্ত করে বেঁধে ফেলা হয়েছে। সুমি বুবুনের দিকে দাঁত বের করে হেসে বলল, “অপারেশান সাকসেসফুল।”

    “চলো পালাই।”

    আব্বা গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। গেটের কাছে গাব্বু আর পিয়ালের দাঁড়িয়ে থাকার কথা ছিল, তাদেরকে দেখা গেল না। বুবুন আব্বার হাত ধরে বলল, “আব্বা চলো যাই।”

    আব্বা আস্তে আস্তে বললেন, “একটা গাড়ি আসছে।”

    বুবুন চমকে উঠে সামনে তাকাল, সত্যি সত্যি একটা গাড়ি ছুটে আসছে এদিকে। সুমি আর বুবুন কী করবে বুঝতে পারছিল না, আব্বাকে নিয়ে লুকিয়ে পড়ার আগেই এদিকে তীব্র হেডলাইট পড়ল তাদের উপর। গাড়ি প্রচণ্ড বেগে কাছে ছুটে এসে হঠাৎ টায়ার পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে ব্রেক করল। কিছু বোঝার আগেই গাড়ির চারটা দরজা খুলে চারজন মানুষ লাফিয়ে নামল। হেডলাইটের তীব্র আলোতে চোখ ধাঁধিয়ে আছে বলে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিল না, কিন্তু মানুষগুলোর হাতে বন্দুক। মানুষগুলো বন্দুক তাক করে আছে তাদের দিকে। গাড়ির পিছনের সিট থেকে আরও একজন মানুষ নামছে, ভালো করে দেখা যাচ্ছে না মানুষটাকে।

    হেঁটে হেঁটে কাছে এল মানুষটা। মুখে দাড়ি মাথায় টুপি। গায়ে লম্বা আচকান, হাতে একটা লাঠি। লাঠিতে ভর দিয়ে মানুষটা কাছে এসে দাঁড়াল। কেউ বলে দেয়নি কিন্তু বুবুন জানে এই মানুষটা খবিরউদ্দিন। মানুষটা খসখসে গলায় বলল, “ধর এইগুলোরে। ভিতরে নে।”

    দুজন মানুষ এসে খপ করে বুবুন আর সুমিকে ধরল, সুমি এক ঝটকায় নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে চেষ্টা করতেই তার মাথায় টুপি খুলে লম্বা চুল বের হয়ে আসে।

    সুমিকে ধরে-রাখা মানুষটা চোখ বড় বড় করে বলল, “নাউজুবিল্লাহ্! এইটা দেখি মাইয়া!”

    খবিরউদ্দিন দাঁতে দাঁত ঘঁষে বলল, “মাইয়া আর পোলা আমি বুঝি না, ভিতরে নে আগে।”

    প্রথমে আব্বা তার পিছনে সুমি এবং সবার পিছনে বুবুনকে ধরে লোকগুলো ভিতরে রওনা দেয়।

    বুবুন মাথা ঘুরিয়ে লোকগুলোকে দেখল। এটা কি সত্যিই ঘটছে নাকি এটা একটা দুঃস্বপ্ন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাজু ও আগুনালির ভূত – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }