Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুবুনের বাবা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. পথ-কুক্কুর

    ১২. পথ-কুক্কুর

    আব্বা একটা চেয়ারে সোজা হয়ে বসে আছেন। বুবুন আর সুমি আব্বার পিছনে ফ্যাকাশে মুখে দাঁড়িয়ে আছে। খবির উদ্দিনের জন্য একটা গদিওয়ালা চেয়ার আনা হয়েছে, সেখানে সে দুই পা ছড়িয়ে কুৎসিত ভঙ্গিতে বসে আছে। তাকে ঘিরে আটজন মানুষ। মানুষগুলোর একেকজনের চেহারা একেক রকম কিন্তু তবু কোথায় জানি একটা মিল রয়েছে। নিষ্ঠুরতার মনে হয় নিজস্ব একটা রূপ আছে।

    ইঁদুরের মতো চেহারার মানুষটা এইমাত্র ঠিক কী ঘটেছে তার একটা বর্ণনা দিল, তাদেরকে যে কীভাবে বোকা বানানো হয়েছে সেটা গোপন রাখার চেষ্টা করে লাভ হল না, তার গল্প থেকেই সেটা প্রকাশ হয়ে গেল। সবকিছু শুনে খবিরউদ্দিন মুখ শক্ত করে বলল, “কিন্তু এই পোলা আর মাইয়া এইখানে আসল কেমন করে?”

    মানুষটা মাথা চুলকে বলল, “তা তো জানি না!”

    খবিরউদ্দিন খেঁকিয়ে উঠে বলল, “সেটা না জানলে চলবে কেমন করে? সাথে যদি আরও কিছু পোলা-মাইয়া এসে থাকে? তারা যদি এখন পুলিশকে খবর দেয়?”

    ইঁদুরের মতো মানুষটা হলুদ দাঁত বের করে হিহি করে হেসে ফেলল, “হুজুর যে কী বলেন! পুলিশকে বললেই কি আসবে? আমরা তা হলে মাসে মাসে তাদেরকে এত টাকা দেই কেন?”

    “খামোশ!” খবিরউদ্দিন বিকট ধমক দিয়ে বলল, “বাজে কথা বলবি না।”

    রোমশ ভুরুর মানুষটা বলল, “হুজুর যদি অনুমতি দেন তা হলে এদের পেটের মাঝে থেকে কথা বের করে ফেলি।”

    খুব মজার একটা রসিকতা শুনেছে এরকম ভান করে খবিরউদ্দিন হা হা করে হেসে ফেলল। হাসতে হাসতে বলল, “সেটা খারাপ হয় না! নে, বার কর। রক্ত ফক্ত দেখতে হবে না তো?”

    “জে না। শাহবাজ আলির ছুরি চাকু লাগে না।”

    ইঁদুরের মতো মানুষটা চোখ ছোট ছোট করে বলল, “শাহবাজ আলির কাজ এক নম্বর। মনে নাই নির্মূল কমিটির ছেলেটার হাত কবজির কাছে কীরকম আলগা করে ফেলল?”

    শাহবাজ আলি নামের মানুষটা দাড়ির মাঝে আঙুল ঢুকিয়ে কাটতে কাটতে এগিয়ে এল। লাল চোখ একবার বুবুনের দিকে তাকাল, তারপর সুমির দিকে তাকিয়ে ভারী গলায় বলল, “এই শুওরের বাচ্চা হারামখোরেরা। তোরা নিজের থেকে বলবি নাকি এক চড় মেরে চোয়াল ভেঙে সব কয়টা দাঁত আলগা বরে ফেলব?”

    বুবুনের মাথায় হঠাৎ আগুন জ্বলে উঠল। সে তীব্র দৃষ্টিতে মানুষটার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমাদের সাথে কথা বলতে চাইলে ভদ্রভাবে কথা বলবেন।”

    ঘরের মাঝে হঠাৎ একটা আশ্চর্য ধরনের শীতলতা নেমে আসে। শাহবাজ আলির মুখটা ভয়ংকর হয়ে উঠল, সে হিস হিস করে বলল, “যদি না বলি তা হলে কী করবি শুওরের বাচ্চারা?”

    বুবুন কী-একটা বলতে যাচ্ছিল তার আগেই সুমি বলল, “লাথি মেরে দাঁত ভেঙে দেব। কাছে আসো, তোমার দাড়ি যদি আমি টেনে না ছিঁড়ি–”

    শাহবাজ আলি মনে হয় নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিল না, যে এরকম অবস্থায় একটা বাচ্চা তাকে এরকম কথা বলতে পারে! প্রচণ্ড রাগে কী করবে বুঝতে পারছিল না, মনে হল লাফিয়ে পড়ে তাদের টুটি চেপে ধরবে, ঠিক তখন খবিরউদ্দিন হাত তুলে তাকে থামিয়ে দিল। তারপর মাথা ঘুরিয়ে বুবুন আর সুমির দিকে তাকিয়ে বলল, “এই পোলা আর মাইয়া, তোদের বাপ-মা আদব লেহাজ শেখায় নাই তোদের? মুরুব্বির সাথে কথা বলতে জানিস না?”

    বুবুন আর সুমি কোনো কথা বলল না। খবিরউদ্দিন আবার বলল, “এত তেজ কোথা থেকে আসছে? বেশি তেজ যে স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো না সেটা জানিস না?”

    আব্বা হঠাৎ কী-একটা বলতে বলতে উঠে দাঁড়ালেন, তাঁর মুখ দেখে মনে হল কিছু-একটা নিয়ে খুব কষ্ট হচ্ছে। খবিরউদ্দিন হঠাৎ কেমন যে, ভয় পেয়ে গেল, বলল, এই লোকটারে বেঁধে রাখিস নাই কেন?”

    ইঁদুরের মতো দেখতে মানুষটা বলল, “হুজুর, এই মানুষটার বুদ্ধিশুদ্ধি কুত্তা বিলাইয়ের সমান। এরে বেঁধে রাখার কোনো দরকার নাই। এই দেখেন হুজুর—” মানুষটা এগিয়ে এসে আব্বাকে ধমক দিয়ে বলল, “তুমি দাঁড়িয়ে কেন? বসো।”

    আব্বা সাথে সাথে বসে গেলেন। ইঁদুরের মতো মানুষটা বলল, “দেখলেন হুজুর? এই লোকের মেরুদণ্ড নাই। পাগল-ছাগল মানুষ।”

    শাহবাজ আলি তার পাঞ্জাবির হাতা গুটিয়ে এক পা এগিয়ে এসে খবিরউদ্দিনের দিকে তাকিয়ে বলল, “হুজুর যদি অনুমতি দেন।”

    খবিরউদ্দিন হাত নেড়ে অনুমতি দেবার ভান করল। সাথে সাথে শাহবাজ আলি একটা মোষের মতো ছুটে এসে বুবুনের চুল ধরে নিজের কাছে টেনে আনে। তারপর বুবুনের ডান হাতটা ধরে সেটাকে পেঁচিয়ে ধরতেই তার সারা শরীর ঘুরে হাতটা পিছনে চলে এল, প্রচণ্ড যন্ত্রণায় বুবুন চিৎকার করে ওঠে, মনে হয় তার হাতটা বুঝি এক্ষুনি ভেঙে খুলে আসবে।

    সুমি হঠাৎ চিতাবাঘের মতো মানুষটার উপরে লাফিয়ে পড়ল, মানুষটার হাঁটুতে সে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে লাথি মারতেই, “মাগো” বলে মানুষটা বুবুনকে ছেড়ে দিয়ে বসে পড়ে।

    খবিরউদ্দিনকে ঘিরে থাকা অন্য মানুষগুলো শাহবাজ আলির কাছে ছুটে আসে, সে দুইজনের কাছে বন্দুক ছিল তারা বন্দুক দুটি বুবুন আর সুমির দিকে তাক করল, মুখ দেখে মনে হল বুঝি সত্যি সত্যি গুলি করে দেবে।

    আব্বা হঠাৎ আবার উঠে দাঁড়ালেন। বিড়বিড় করে কিছু-একটা বলছেন, কী বলছেন ঠিক বোঝা গেল না। খবিরউদ্দিন আব্বার দিকে তাকিয়ে ধমক দিয়ে বলল, “তুমি দাঁড়িয়েছ কেন? বসো।”

    আব্বা বসলেন না, “দাঁড়িয়েই রইলেন। সবগুলো মানুষের দিকে একবার তাকিয়ে ফিসফিস করে বললেন, “যখনি–”

    “কী?” খবিরউদ্দিন ধমক দিয়ে বলল, “কী বলছ?”

    “যখনি–”

    “যখনি কী?”

    “যখনি দাঁড়াবে তুমি–”

    খবিরউদ্দিন চোখ বড় বড় করে আব্বার দিকে তাকিয়ে রইল, বোঝার চেষ্টা করল আব্বা কী বলছেন। আব্বা আবার বললেন, কবিতা আবৃত্তির সুরে, তাঁর সুন্দর গলা সারা ঘরে হঠাৎ গম গম করে উঠল,

    “যখনি দাঁড়াবে তুমি সম্মুখে তাহার তখনি সে
    পথ কুকুরের মতো সংকোচে সত্রাসে যাবি মিশে।”

    বুবুন চমকে উঠে আব্বার দিকে তাকাল, এ কোন আব্বা? ছেলেমানুষি ভঙ্গি জবুথবু হয়ে বসে থাকা, কিছুই তো নেই তার মাঝে! কী সুন্দর বুক উঁচু করে সোজা হয়ে দাঁড়িয়েছেন, চেহারায় কী আশ্চর্য পৌরুষ, চোখেমুখে কী ভয়ংকর আত্মবিশ্বাস। বুবুন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারে না।

    খবিরউদ্দিন গদিওয়ালা চেয়ার থেকে ছটফট করে ওঠার চেষ্টা করতে করতে বলল, “কী? কী বলছ তুমি?”

    “রবি ঠাকুরের কবিতা। একশো বছর আগে লিখে গিয়েছিলেন।” আব্বা হাত তুলে আঙুল দিয়ে তাদের দেখিয়ে বললেন, “তোমাদের কথা লিখেছেন। তোমরা হচ্ছ পথ-কুকুর! তোমাদের সামনে আমরা যখন দাঁড়াই তখন তোমরা সংকোচে সত্রাসে যাবে মিশে!”

    বুবুন হতচকিত হয়ে তার আব্বার দিকে তাকিয়ে রইল। সুমি বুবুনের হাত ধরে বলল, “চাচা ভালো হয়ে গেছেন! কী দারুণ দেখছিস?”

    খবিরউদ্দিন চিৎকার করে বলল, “ধর এই লোকটাকে। বেঁধে ফেল।”

    আব্বার মুখে একটা বিচিত্র হাসি ফুটে উঠল, খবিরউদ্দিন যেন খুব একটা মজার কথা বলেছে এরকম ভঙ্গি করে বললেন, “আমাকে ধরবে? তোমরা?”

    খবিরউদ্দিন আবার চিৎকার করে উঠল, “দাঁড়িয়ে আছিস কেন বেকুবের দল?”

    বন্দুক-হাতের মানুষ দুইজন এবারে আব্বার দিকে বন্দুক তাক করল, একজন মোটা গলায় বলল, “খামোশ। গুলি করে দেব।”

    আব্বা এবারে সত্যি সত্যি হেসে ফেললেন। তারপর চোখ মটকে বললেন, “গুলি করবে? তুমি? এই চামচিৎকার দল আমাকে গুলি করবে?”

    মানুষগুলো হতচকিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইল, আব্বা বললেন, “তুমি জান আমি যখন মুক্তিযুদ্ধে গেছি আমার বয়স তখন মোলো।” আব্বা তাঁর হাত দুটি উপরে তুলে বললেন”এই হাতে আমি মেশিনগানে গুলি করেছি, পাকিস্তানিদের বাংকারে গ্রেনেড ছুঁড়েছি। শুধু তোমাদের মতো চামচিকা রাজাকাররা না, তোমাদের বাবা পাকিস্তানি মিলিটারিরাও আমাকে মারতে পারেনি। কেন পারেনি জান?”

    মানুষগুলো জানতে চাইছে কি না বোঝা গেল না, আব্বা সেটা লক্ষ্যও করলেন না, বললেন, “পারেনি তার কারণ আল্লাহ্ আমার দিকে ছিলেন! আল্লাহ্ মুক্তিযোদ্ধাদের দিকে ছিলেন। আল্লাহ্ যদি তোমাদের দিকে থাকতেন তা হলে সেভেন্টিওয়ানে তোমরা জিততে। তোমরা জেতনি। তোমরা কোনোদিন জিতবে না–“

    খবিরউদ্দিন দাঁড়িয়ে গেল, কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একজনকে ধাক্কা দিয়ে বলল, “দাঁড়িয়ে আছিস কেন শুওরের বাচ্চা? থামা একে।”

    বন্দুক-হাতের মানুষটা বন্দুক তুলে এবারে চিৎকার করে বলল, “চুপ কর গাদ্দার। গুলি করে দেব।”

    আব্বার চোখ হঠাৎ ধ্বক করে জ্বলে উঠল। টান দিয়ে শার্টের বোতাম ছিঁড়ে আব্বা তার বুকটা বের করে ফেললেন, যে-মানুষটা বন্দুক ধরে রেখেছিল তার দিকে এগিয়ে গিয়ে বললেন, “করো গুলি।”

    মানুষটা নিষ্ঠুর চোখে আব্বার দিকে তাকিয়ে ট্রিগারে হাত দিল। আব্বা আরও এক পা এগিয়ে গিয়ে বললেন, “দেখি তোমার কত বড় সাহস! করো দেখি গুলি!” আব্বা চিৎকার করে বললেন, “করো দেখি!”

    বুবুন নিঃশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে রইল, মানুষটির নিষ্ঠুর মুখ বিচিত্র একধরনের জিঘাংসায়ে কুৎসিত হয়ে যাচ্ছে। আব্বার মুখে এতটুকু ভয় নেই। ভয়ংকর এক আত্মবিশ্বাস নিয়ে আব্বা আরও এক পা এগিয়ে গেলেন। বুবুন দেখতে পেল মানুষটা ট্রিগার টেনে ধরছে, সত্যিই কি গুলি করে দেবে মানুষটা? আতঙ্কে বুবুনের হৃৎস্পন্দন থেমে আসতে চায়। তাকিয়ে থাকতে পারে না সে, আর্তচিৎকার করে চোখ বন্ধ করে ফেলল। ঠিক তখন প্রচণ্ড একটা গুলির শব্দে সমস্ত ঘর কেঁপে উঠল। বুবুন দুই হাতে মুখ ঢেকে রক্ত-শীতল-করা স্বরে চিৎকার করে উঠল। মানুষটা কি মেরে ফেলেছে আব্বাকে? তার দুঃসাহসী আব্বাকে?”

    হঠাৎ করে কে যেন তার কাঁধ স্পর্শ করল, বুবুন শুনল সুমি ডাকছে তাকে, “বুবুন, তাকিয়ে দ্যাখ।”

    বুবুন ভয়ে ভয়ে তাকাল, দেখল তার আব্বা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছেন। এক হাতে বন্দুক অন্য হাতে মানুষটার শার্টের কলার ধরে রেখেছেন। আব্বা তার কলার ধরে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে ময়লা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেললেন দূরে। আরো দুজন মানুষে নিয়ে সে মেঝেতে আছাড় খেয়ে পড়ল। আব্বা তখন ঘুরে তাকালেন বন্দুক হাতে দাঁড়িয়ে থাকা দুই নম্বর মানুষটা দিকে। আব্বা আলগোছে বন্দুকটা ধরে রেখেছেন, কী সহজেই-না সেটা হাতবদল করলেন, কেউ বলে দেয়নি কিন্তু কার বুঝতে এতটুকু দেরি হল না দুই যুগ আগে যেভাবে তাঁর হাতে অস্ত্র গর্জন করেছিল দরকার হলে ঠিক সেভাবে আবার তাঁর হাতে বন্দুক গর্জন করে উঠবে।

    আব্বা পাথরের মতো শক্ত মুখে মানুষটার দিকে তাকিয়ে বললেন, “বন্দুকটা দাও।”

    মানুষটা এক মুহূর্তে দ্বিধা করে আব্বার হাতে বন্দুকটা তুলে দিল। আব্বা সেটা হাতে নিয়ে হঠাৎ বুবুন আর সুমির দিকে ছুঁড়ে দিলেন। তারা প্রস্তুত ছিল না, কিন্তু ঝাঁপিয়ে পড়ে সেটা শূন্যে ধরে ফেলল। বুবুন আর সুমি কখনো বন্দুক ধরেনি, হাতে নিতেই তাদের বুকের মাঝে কেমন যেন করে ওঠে!

    আব্বা আলগোছে বন্দুকটা ধরে রেখে বললেন, “সবাই লম্বা হয়ে মাটিতে শুয়ে পড়। সেভেন্টিওয়ানের রতনপুর ব্রিজে এক ডজন রাজাকার এইভাবে ধরেছিলাম আমরা। কেউ পালানোর চেষ্টা করো না! তোমরা জান আমার হাত থেকে কোনো রাজাকার কখনো পালাতে পারে নাই।”

    মানুষগুলো ইতস্তত করে একজন একজন করে মেঝেতে শুয়ে পড়তে থাকে। খবিরউদ্দিন ফ্যাকাশে মুখে আব্বার দিকে তাকিয়েছিল, আব্বা বন্দুকের বাঁট দিয়ে তার মাথায় টোকা দিতেই সে ধড়মড় করে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ল।

    সুমি দাঁড়িয়ে বলল চাচা, “ওদেরকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলি?”

    আব্বা হেসে ফেলে বললেন, “চাইলে বাঁধতে পার মা। কিন্তু ওরা পালাবে।”

    “কেন পালাবে না চাচা?”

    “কারণ ওদের পালানোর সাহস নেই। ওরা হচ্ছে পথ-কুকুর! পথ কুকুরের সামনে যখন কেউ সাহস করে দাঁড়ায় তখন ওদের সব সাহস উবে যায়।”

    বুবুন বলল, “সুমি, বেঁধে ফ্যালো তবু। আমি বন্দুকটা ধরে রেখেছি, পালানোর চেষ্টা করলেই গুলি।”

    আব্বা এসে বুবুনের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, “আজকের দিনের জন্যে ঠিক আছে কিন্তু বাবা আর কখানো যেন তোর বন্দুক ছুঁতে না হয়। কখানো যেন ছুঁতে না হয়। কখনো কখনো কখনো যেন ছুঁতে না হয়।”

    বাইরে হঠাৎ কয়েকটা গাড়ির শব্দ শোনা গেল। আব্বা জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেই, নিচু গলায় বললেন, “পুলিশ এসেছে বুবুন।”

    “সত্যি? কেমন করে এল! আমরা তো ট্রান্সমিটারের সিগনাল দিতেই পারলাম না।”

    ‘ট্রান্সমিটার?”

    “হ্যাঁ–” বুবুন ট্রান্সমিটারের গল্প শেষ করার আগে সিঁড়িতে ভারী বুটের শব্দ শোনা গেল, দড়াম করে দরজা খুলে হঠাৎ, সেখানে অসংখ্য পুলিশ।

    পুলিশের ভিড় ঠেলে জাহিদ চাচা শঙ্কিত মুখে এগিয়ে এলেন, তার পিছনে পাংশু মুখে আম্মা। বুবুন আম্মার কাছে ছুটে যাচ্ছিল, সুমি খপ করে তার হাত ধরে ফেলল, “চুপ করে দাঁড়িয়ে থাক গাধা! দেখি চাচা-চাচি কী করে!”

    আম্মা প্রথমে বুবুনের দিকে তারপর আব্বার দিকে তাকালেন। আব্বার দিকে তাকিয়েই হঠাৎ ইলেকট্রিক শক খাওয়ার মতো চমকে উঠলেন, বিস্ফারিত চোখে আব্বার দিকে তাকিয়ে থেকে ফিসফিস করে বললেন, “মাসুদ!”

    আব্বা এক পা এগিয়ে এসে আম্মাকে হাত দিয়ে আঁকড়ে ধরে বললেন, “রওশান! তুমি ভালো ছিলে রওশান?”

    আম্মা হঠাৎ দুই হাতে মুখ ঢেকে ভেউভেউ করে কাঁদতে লাগলেন। আব্বার বোতাম-ঘেঁড়া শার্ট ধরে কাঁদতে কাঁদতে ভাঙা গলায় বললেন, “এতদিন তুমি কোথায় ছিলে? কোথায় ছিলে আমাকে ছেড়ে?”

    জাহিদ চাচা বুবুনের দিকে তাকিয়ে চোখ মটকে বললেন, “ইয়ংম্যান! আমি বলেছি না তোমাকে, আমি সবসময় ভুল জায়গায় চলে যাই!”

    বুবুন বলল, “চাচা, এইটা ভুল জায়গা না।”

    জাহিদ চাচা বললেন, “ঠিক বলেছ! এটা ঠিক জায়গা, এটা ঠিক সময়। একেবারে হান্ড্রেট পার্সেন্ট ঠিক সময়।”

    ঠিক এই সময় বুবুন আর সুমি দেখতে পেল, ভিড় ঠেলে গাব্বু আর পিয়াল আসছে। বুবুন আর সুমিকে দেখে তারা ছুটে এল। পিয়াল হেসে বলল, “পুলিশ নিয়ে এসেছি কি না?”

    বুবুন অবাক হয়ে বলল, “তুই? তুই পুলিশ এনেছিস?”

    “হ্যাঁ। আমি আর গাব্ব। যেই রেডিওতে শুনলাম কট কট–”

    “রেডিওতে শুনলি?” বুবুন অবাক হয়ে বলল, “কেমন করে শুনলি আমি তো সিগনাল দিতেই পারলাম না। তার আগেই–”

    সুমি হঠাৎ খিলখিল করে হেসে বলল, “এ বেয়াদব মানুষটা মনে হয় ভুল করে অন করে ফেলেছিল।

    “তাই হবে নিশ্চয়ই!” বুবুনও হাসতে শুরু করে।

    হাসি জিনিসটা সংক্রামক, কিছুক্ষণের মাঝে চারজনই হাসতে শুরু করল। তাদের হাসি দেখে আম্মাও চোখ মুছে হঠাৎ একটুখানি হেসে ফেললেন।

    আম্মা যখন হাসেন তখন তাকে যে কী সুন্দর দেখায়!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাজু ও আগুনালির ভূত – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }