Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুবুনের বাবা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. শেয়ালের গর্ত

    ৩. শেয়ালের গর্ত

    বিকেলবেলা খেলতে বের হয়ে বুবুন দেখল গাব্ব, পিয়াল এবং অন্য ছেলেরা ক্রিকেট ব্যাট এবং বল নিয়ে খেলার জন্যে প্রস্তুত হচ্ছে। বুবুন মনে-মনে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল–সে এই খেলাটাতে কিছুতেই সুবিধে করতে পারে না। ছেলেরা যখন বাঁশের কঞ্চি দিয়ে স্ট্যাম্প তৈরি করে মাটিতে গাঁথছে তখন সুমি এসে বলল, “এই, তোমরা এখন ক্রিকেট খেলবে?”

    পিয়াল মুখ ভেংচে বলল, “না আমরা বুড়ি চি খেলব!”

    “ফাজলেমি করবি না বলছি, মুখ ভেঙে দেব।

    পিয়াল কোনো কথা বলল না, সুমি মনে হয় ভুল করে মেয়ে হয়ে জন্মেছে, তার ছেলে হওয়ার কথা ছিল, তাকে সবাই অল্পবিস্তর ভয় পায়। সুমি বলল, “আমরা এখানে আগে খেলতে এসেছি, আমরা খেলব। তোরা অন্য জায়গায় যা।”

    সুমির কথা শুনে পিয়াল মনে হল একটু অবাক হয়ে গেল, বলল, “তোরা খেলবি? মানে মেয়েরা?”

    “হ্যাঁ। তোরা যদি চাস আমাদের সাথে খেলতে পারিস।”

    “কী খেলবি তোরা?”

    “সাত-চাড়া।”

    “সাত-চাড়া?” গাব্বু এবং পিয়াল একসাথে হেসে উঠল।”হাসছিস যে বড়? খেলিসনি কখনো সাত-চাড়া?”

    “খেলব না কেন? কিন্তু সাত-চাড়া কি একটা খেলা হল? কোথায় ক্রিকেট আর কোথায় সাত-চাড়া!”

    “খেলা তো খেলাই। যেটা খেলতে মজা লাগে সেটাই খেলা।”

    “তোকে বলেছে!” পিয়াল মুখ শক্ত করে বলল, “কোনোদিন শুনেছিস সাত চাড়া টুর্নামেন্ট হচ্ছে? শুনেছিস ওয়ার্ল্ড কাপ হচ্ছে সাত-চাড়া খেলায়?”

    গাব্বু হিহি করে হাসতে হাসতে বলল, “সাত-চাড়া ওয়ার্ল্ড কাপ! হি হি হি!”

    পিয়াল বলল, “বুকের পাটা থাকে তো আয় ক্রিকেট খেলতে। টেনিস বল না, একেবারে খাঁটি ক্রিকেট বল!”

    সুমি কোমরে হাত দিয়ে বলল, “কী ভাবছিস? আমি পারব না?”

    সুমির সাথে আরও কয়েকজন মেয়ে ছিল, তাদের একজন বলল, “থাক বাবা দরকার নেই। চল যাই আমরা আমাদের খেলা খেলি।”

    সুমি চোখে আগুন ঢেলে বলল, “আমরা মাঠে আগে এসেছি আমরা খেলব।”

    মেয়েটা নরম গলায় বলল, “থাক সুমি। ছেড়ে দে। ঝগড়া করে কী লাভ? আয়, আমরা ওইপাশে চলে যাই।”

    “ফাজলেমি নাকি? কক্ষনো না।”

    “আয়, আয়। ছেলেদের সাথে ঝগড়া করে কী লাভ! আমাদের তো বেশি জায়গাও লাগবে না!”

    সুমি আরও কী-একটা বলতে যাচ্ছিল কিন্তু অন্য মেয়েরা তাকে টেনে সরিয়ে নিল। গাব্বু হা হা করে হেসে বলল”সাত-চাড়া ওয়ার্ল্ড কাপ! সাত-চাড়া ওয়ার্ল্ড কাপ!”

    পিয়াল চেঁচিয়ে বলল, “সাত-চাড়া চ্যাম্পিওন সুমি!”

    বুবুন একটু অস্বস্তি নিয়ে বলল, “কেন তোমরা ওকে জ্বালাচ্ছ? ও তো ঠিকই বলেছে। ওরা আগে এসেছে ওদেরই তো খেলার কথা!”

    “ধুর! মেয়েরা আবার কী খেলবে?”

    “একসাথে সাত-চাড়া খেললেই হত। আমার তো ভালোই লাগে সাত-চাড়া খেলতে।”

    “ভলো লাগে”

    “ধুর!” গাব্বু হাত নেড়ে উড়িয়ে দিয়ে দল ভাগাভাগি শুরু করে দিল।

    কিছুক্ষণের মাঝেই খেলা শুরু হয়ে গেল। পিয়াল ব্যাট করতে নেমেছে, গাব্বু উইকেট কিপার। ফরসামতন হালকা-পাতলা একটা ছেলে ছুটে এসে বল করল। পিয়াল বড় হয়ে দুর্ধর্ষ ব্যাটসম্যান হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই, শরীর ঘুরিয়ে মারতেই বল উড়ে গেল আকাশে, সবাই অবাক হয়ে দেখল ঘুরতে ঘুরতে নেমে এসে লাগল জানালার কাঁচে। শক্ত জানালার কাঁচ–ক্রিকেট বল পর্যন্ত ধাক্কা খেয়ে ফিরে এল। আতঙ্কে আটকে থাকা নিঃশ্বাসটি মাত্র বুক থেকে বের করেছে ঠিক তখন কথা নেই বার্তা নেই ঝনঝন করে ভেঙে পড়ল জানালার কাঁচ।

    পিয়াল রক্তশূন্য মুখে বলল, “সর্বনাশ!”

    গাব্বু বলল, “পালা।”

    কথা শেষ হবার আগেই ব্যাট ছুঁড়ে ফেলে স্ট্যাম্প তুলে নিয়ে সবাই উধাও হয়ে গেল। দৌড়ে পালাতে বুবুনের কেমন জানি লজ্জা করছিল, কিন্তু যখন অন্য সবাই পালিয়ে গেছে তখন একা দাঁড়িয়ে থাকা মনে হয় বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বুবুন ঠিক যখন দৌড় দেবে তখন ভাঙা জানালা দিয়ে পাহাড়ের মতো একজন মানুষের মাথা উঁকি দিল, মানুষটির পিয়ালের মতো বোচা নাক এবং উঁচু কপাল, দেখেই বোঝা যায় তার বাবা। বুবুন আর দৌড়ানোর সাহস পেল না, যেখানে দাঁড়িয়ে ছিল সেখানেই দাঁড়িয়ে রইল।

    মানুষটি ভাঙা জানালা দিয়ে মাথা বের করে একটা হুংকার দিয়ে বলল, “কে কাঁচ ভেঙেছে?”

    মেয়েদের সবাই কেমন যেন ফ্যাকাশে হয়ে গেল, এই মানুষটাকে শুধু পিয়াল নয়, মনে হয় সবাই ভয় পায়। মানুষটা চোখ পাকিয়ে সবার দিকে তাকিয়ে আরও জোরে হুংহার দিয়ে বলল, “কে ভেঙেছে?”

    সুমি সাত-চাড়া খেলার টেনিস বল হাতে নিয়ে একটু এগিয়ে গিয়ে বলল, “আমরা দেখি নাই চাচা।”

    “দেখ নাই মানে? তোমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছ না?”

    “না চাচা, আমরা তো খেলছিলাম?”

    “পিয়াল হারামজাদা কই? নিশ্চয়ই পিয়াল–ক্রিকেট বল দিয়ে—”

    সুমি জোরে জোরে মাথা নেড়ে বলল, “না চাচা, আজকে কেউ ক্রিকেট খেলছে না। সবাই মিলে সাত-চাড়া খেলছি।” সুমি বুবুনের দিকে তাকিয়ে বলল, “তা-ই বুবুন?”

    বুবুন বোকার মতো মাথা নাড়ল। সুমি জোর করে মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল, “আজকে ছেলের টিম আর মেয়ের টিম খেলা হচ্ছে।”

    “কোথায় গেছে সবাই?”

    “চাড়া ভেঙ্গে লুকিয়ে আছে। সাত-চাড়া খেলার নিয়ম জানেন তো? প্রথমে চাড়া ভেঙে—”

    “তা হলে জানালার কাঁচ ভাঙল কেমন করে?”

    “মনে হয় মডেল স্কুলের ছেলেরা ভেঙেছে।”

    পিয়ালের আব্বা অবাক হয়ে বললেন, “মডেল স্কুলের ছেলেরা?”

    “জি চাচা। ডিবেটে আমাদের স্কুলের টিমের কাছে হেরে গিয়েছিল তো তাই আমাদের উপর খুব রাগ। আমাদের দেখলেই ঢিল মারে।” সুমি কাছাকাছি দাঁড়িয়ে-থাকা একটা মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, “তাই না রে বকুল?”

    বকুল নামের মেয়েটি ফ্যাকাশে হয়ে ঢোক গিলে মাথা নাড়ল। পিয়ালের আব্বা সুমির কথা বিশ্বাস করলেন কি না বোঝা গেল না। নাক দিয়ে ফোঁস করে একটা নিঃশ্বাস ফেলে ভিতরে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।

    কিছুক্ষণের মাঝেই গুটিগুটি পায়ে ছেলের দল এসে হাজির হল–তারা কাছাকাছি কোথায় লুকিয়ে থেকে সুমির সাথে পিয়ালের আব্বার কথাবার্তা শুনেছে। পিয়াল দুর্বল গলায় বলল, “সুমি!”

    “কী হল?”

    “আমি তোকে আচার কিনে-খাওয়াব। খোদার কসম।”

    সুমি মুখ ভেংচে বলল, “আমি তোর আচার খাওয়ার জন্য মারা যাচ্ছি!”

    “সত্যি সুমি। তুই বাঁচিয়েছিস আমাকে–এখনও বিপদ পুরোপুরি যায়নি কিন্তু যদি সত্যি কথাটা বলে ফেলতি একেবারে অবস্থা কেরোসিন হয়ে যেত।”

    গাব্বু মাথা নেড়ে বলল, “একেবারে কেরাসিন!”

    “আব্বা মেরে একেবারে ভর্তা করে ফেলতেন।”

    গাব্বু বলল, “লাশ পড়ে যেত।”

    সুমি মুখ শক্ত করে বলল, “দ্যাখ পিয়াল, অন্য কেউ হলে আমি কখনো এত বড় মিথ্যা কথাটা বলতাম না। কখনো না। শুধু তো আব্বা বলে”

    বুকুল নামের মেয়েটি এগিয়ে বলল, “সত্যি কথাটাই বলা উচিত ছিল। মনে আছে আমাদের সাথে কীরকম ব্যবহার করেছিস?”

    আরেকটি মেয়ে বলল, “মনে আছে?”

    সুমি হাত নেড়ে বলল, “ছেড়ে দে! এরা তো বড় হয়ে পুরুষমানুষ হবে তাই এখন থেকে প্র্যাকটিস করছে।”

    পিয়াল বলল, “আর কখনো করব না, খোদার কসম।”

    বুবুন বলল, “এখানে এরকম দাঁড়িয়ে না থেকে আসলে আমাদের সবাই মিলে এখন সাত-চাড়া খেলা উচিত।”

    গাব্বু মাথা নাড়ল, “ঠিকই বলেছে বুবুন। নইলে সন্দেহ করতে পারে।”

    “হ্যাঁ। চল খেলা শুরু করে দিই।”

    সুমি দাঁত বের করে হেসে বলল, “চল। কে জানে তোরা হয়তো একদিন সাত-চাড়া ওয়ার্ল্ড কাপ খেলতে পারবি!”

    পিয়াল অপরাধীর মতো সুমির দিকে তাকাল, কিছু বলল না।

    সাত-চাড়া খেলা নিয়ে ছেলেদের একটা তাচ্ছিল্যের ভাব থাকলেও দেখতে দেখতে খেলা খুব জমে উঠল। একেবারে সন্ধ্যে না হওয়া পর্যন্ত তারা খেলে গেল। খেলাশেষে সবাই নিজেদের বাসায় ফিরে যাচ্ছে। পিয়াল বিপদ হতে পারে বলে ক্রিকেট ব্যাটটা বুবুনকে রাখতে দিয়েছে, বুবুন ব্যাটটা ঘাড়ে করে হাঁটছে সাথে গাঙ্কু আর সুমি। গাব্বু বলল, “সাত-চাড়া খেলাটা আসলে খারাপ না।”

    বুবুন বলল, “আসলে সবাই মিলে খেললে সব খেলাই মজার।”

    সুমি বলল, “দিনরাত ক্রিকেট খেলে তোরা যে কী মজা পাস।”

    গাব্বু বলল, “খেলিসনি তো, তাই জানিস না।”

    বুবুন হঠাৎ ঘুরে তাকিয়ে বলল, “পিয়ালের আব্বা যদি জানতে পারেন ক্রিকেট বল দিয়ে জানালার কাঁচ ভেঙেছে তা হলে সত্যি সত্যি পিয়ালকে মারবেন?”

    সুমি বলল, “জানে শেষ করে দেবেন।”

    বুবুন বলল, “সত্যি? ইচ্ছে করে তো ভাঙেনি।”

    “তাতে কী হয়েছে?”

    গাব্বু দার্শনিকের মতো বলল, “আসলে আব্বা জিনিসটা হচ্ছে একটা কপালের ব্যাপার। যেমন মনে করো সুমির কপালটা একেবারে ফাস্ট ক্লাস। সুমি যদি একটা মার্ডার করে আসে সুমির আব্বা বলবেন, ভেরি গুড সুমি। কী সুন্দর করে মার্ডার করেছে দেখেছ! আর কেউ এত সুন্দর করে মার্ডার করতে পারবে?”

    গাব্বুর কথা বলার ভঙ্গি শুনে সুমি আর বুবুন দুজনেই হেসে ফেলল। বুবুন জিজ্ঞেস করল, “সত্যি?”

    গাব্বু বলল, “সত্যি না তো মিথ্যা? সুমি যে এইরকম বেড়েছে তার কারণটা কী? আমাদের ছেলেদের যেসব জিনিস করা নিষেধ সুমি সেগুলো পর্যন্ত করতে পারে ওর আব্বা কিছু বলেন না। উলটো উৎসাহ দেন। একেবারে ফার্স্ট ক্লাস আব্বা!”

    “তোমার আব্বা?”

    “আমার আব্বা মাঝামাঝি। পিয়ালের আব্বা হচ্ছে ডেঞ্জারাস। ওর কপালটা খারাপ। এখন মনে করো জানালার কাঁচ ভেঙেছে, সুমি চেষ্টা করছে ওকে বাঁচানোর, কিন্তু তবু মনে হয় মার কিছু খাবে। যদি জানালার কাঁচ না ভাঙত তবু মার খেত–”

    “কেন?”

    “যদি ভেঙে যেত সেজন্যে। পিয়ালের আব্বা সবসময় অ্যাডভান্স কিছু পিটিয়ে রাখেন।”

    সুমি মাথা নাড়ল, বলল, “আসলেই পিয়ালটার কপাল খারাপ।”

    বাসায় ফিরে যেতে যেতে বুবুনের মাথায় একটা প্রশ্ন এল, যদি সুমির কপাল ভালো, গাবুর কপাল মাঝামাঝি এবং পিয়ালের কপাল খারাপ হয়ে থাকে তা হলে তার কপাল কি? কপার কি কখনো নাই’ হতে পারে?

    রাত্রিবেলা বুবুন নিজের ঘরে ঘুমানোর চেষ্টা করছে। অনেক মানুষই আছে যারা শোয়ামাত্রই ঘুমিয়ে যায়, বুবুন ওরকম না,শোয়ার সময় হলেই ঘুরেফিরে তার মাথায় রাজ্যের যত চিন্তা এসে জড়ো হয়। আজকেও শুরু হচ্ছিল কিন্তু সে জোর করে সব ঠেলে সরিয়ে দিল। চেষ্টা করে সে যখন প্রায় ঘুমিয়ে যাচ্ছিল, হঠাৎ করে কে যেন তাদের বাসার খুব কাছে ডাক ছেড়ে কেঁদে উঠল, সাথে সাথে আরও অনেকে। বুবুন ভয় পেয়ে লাফিয়ে উঠে বসল, তারপর তড়াক করে এক লাফে বিছানা থেকে নেমে এক দৌড়ে একেবারে আম্মার কাছে। আম্মা নাকের ডগায় চশমা লাগিয়ে কী-একটা বই পড়ছিলেন, বুবুনকে দৌড়ে আসতে দেখে বললেন, “কী হল, বুবুন?”

    “ওটা কিসের শব্দ?”

    আম্মা হেসে ফেলে বললেন, “কী লজ্জার কথা! বাঙালির ছেলে শেয়ালের ডাক চেনে না!”

    “এটা শেয়ালের ডাক?”

    “হ্যাঁ।”

    “কিন্তু শেয়াল নাকি হুক্কা হুয়া হুক্কা বলে ডাকে? এটা তো সম্পূর্ণ অন্যরকম। মনে হয় কেউ কাঁদছে।”

    “এটাই শেয়ালের ডাক। আগে তো শহরের মাঝখানে ছিলি, শেয়ালের ডাক শুনিসনি। এখন পিছনে টিলা জঙ্গল নদী এসব আগে তা-ই শুনছিস। যা ঘুমা গিয়ে।”

    বুবুন আবার বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। কিছুক্ষণ পরে একটু দূরে থেকে আবার শেয়ালেরা ডেকে উঠল। প্রথমে একটা ডেকে ওঠে তারপর একসাথে অনেকগুলো। আর সবচেয়ে অবাক ব্যাপার শেয়ালের ডাক শুনলেই বুকের ভিতরে কীরকম জানি করতে থাকে। একই সাথে এরকম ভয় আর একরকম খালি-খালি মন-খারাপ-করা ভাব। কেন এটা হয়?

    বুকের মাঝে খালি-খালি এক ধরনের ভাব নিয়ে বুবুন একসময় ঘুমিয়ে পড়ল।

    পরদিন বিকেলে সবাই একত্র হয়েছে, জানালার কাঁচ ভাঙার ঘটনার পর থেকে কয়েকদিন হল ক্রিকেট খেলা আপাতত বন্ধ। কী খেলা যেতে পারে সেটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তখন বুবুন হঠাৎ করে বলল, “কাল রাত্রে তোমরা শেয়ালের ডাক শুনেছিলে?”

    গাব্বু অবাক হয়ে বলল, “কেন? কী হয়েছিল শেয়ালের ডাকে?”

    “কিছু হয়নি। কিন্তু–”

    “কিন্তু কী?”

    “শুনলে কীরকম লাগে না? ভয়-ভয় খালি-খালি–”

    পিয়াল চোখ ছোট ছোট করে বলল, “তুমি আগে কখনো শেয়ালের ডাক শোননি?”

    “না। কীভাবে শুনব? বইয়ে পড়েছিলাম হুক্কা হুয়া–”

    সুমি হি হি করে হেসে বলল, “তুই কি মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছিস নাকি? পরে শুনব কোনদিন মশাও দেখিসনি।”

    এখানে সবাই সবাইকে তুই তুই করে বলে, বুবুন নুতন এসেছে বলে এখনও তুমি তুমি করে বলছে। সুমি অবশ্যি তুই শুরু করে দিয়েছে। সুমির কথা শুনে সবাই হি হি করে হেসে উঠল, বুবুন একটু লজ্জা পেয়ে বলল, “আমাকে নিয়ে হাসছ কেন? খোঁজ নিয়ে দেখো ঢাকা শহরে কয়জন শেয়ালের ডাক শুনেছে!”

    পিয়াল বলল, “তার মানে তুমি শেয়াল দেখওনি!”

    “না। কিন্তু টেলিভিশনে দেখেছি। অনেকটা কুকুরের মতো।”

    গাব্বু বলল, “লজ্জার ব্যাপার। একটা মানুষ কোনোদিন শেয়াল দেখেনি।”

    সুমি বলল, “চল শেয়াল দেখিয়ে আনি।”

    বুবুন অবাক হয়ে বলল, “কেমন করে দেখাবে?”

    গাব্বু বলল, “শেয়ালদের কলেজ আছে, সেখানে গেলেই দেখবে সবাই বই খাতা নিয়ে পড়াশোনা করছে। হি হি হি–” গাব্বু নিজের রসিকতায় নিজেই হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ল।

    পিয়াল বলল, “বেশির ভাগ সময় পড়াশোনা না করে পলিটিক্স করে। শ্লোগান দিতে থাকে হুক্কা হুয়া হুক্কা হুয়া–” এটা শুনে গাবুর মনে হল আরও বেশি আনন্দ হল, হাসতে হাসতে সে এবারে প্রায় মাটিতে গড়িয়ে পড়ল।

    বুবুন বলল, “যাও! ঠিক করে বলল-না–”

    সুমি বলল, “ঐ টিলায় শেয়ালের গর্ত আছে। গর্তের মুখে আগুন দিয়ে ধোঁয়া দিলেই শেয়াল বের হয়ে আসবে।

    “সত্যি?”

    “সত্যি না তো মিথ্যা?”

    “আগে কখনো বের করেছ?”

    “এখনও বের করিনি, চল, আজকে বের করব।”

    “ধোয়া কেমন করে দিতে হয়?”

    “খবরের কাগজ পেঁচিয়ে আগুন ধরালেই ধোঁয়া হবে। আবার কঠিন কী?”

    গাব্বু বলল, “সবচেয়ে ভালো হয় যদি একটা টেম্পো ধরাধরি করে টিলার উপরে নিয়ে যাই। টেম্পোর পিছনে দিয়ে কীরকম কালো ধোঁয়া বের হয় দেখেছিস?”

    গাব্বু আবার নিজের রসিকতায় নিজেই হি হি করে হাসতে শুরু করল। সুমি চোখ পাকিয়ে বলল, “গা! তুই দিনে দিনে দেখি সিনেমার জোকার হয়ে যাচ্ছিস!”

    কিছুক্ষণ পরেই দেখা গেল এই ছোট দলটি টিলার দিকে হেঁটে যাচ্ছে। ধোঁয়া দিয়ে শেয়ালের গর্ত থেকে শেয়াল বের করা হবে শুনে আরও কিছু বাচ্চাকাচ্চা দলে যোগ দিয়েছে। সুমি অন্য মেয়েদের ডাকাডাকি করছিল, কিন্তু তাদের কেউ আসতে সাহস পেল না। বকুল সুমিকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে থামানোর চেষ্টা করছিল কিছু-কিছু কাজ মেয়েদের করতে হয় না সেটা নিয়েও একটা লেকচার দিয়েছিল, কিন্তু কোনো লাভ হল না।

    টিলার নিচে একটা ডোবামতো জায়গা আছে, সেটাকে পাশ কাটিয়ে তারা উপরে উঠে গেল। জায়গাটা বেশ নির্জন, কিন্তু একেবারে উপরে উঠে দেখতে পেল সেখানে একজন মানুষ বসে আছে। মানুষটার চেহারায় একটা ইঁদুর-দুর ভাব, কালচে গায়ের রং, ছুঁচালো মুখ, সরু গোঁফের রেখা। মানুষটা তাদের দিকে খুব সন্দেহের চোখে তাকাল কিন্তু কিছু বলল না। সুমির পিছনে পিছনে অন্য সবাই হেঁটে হেঁটে টিলার অন্যপাশে হাজির হল। খানিকটা জায়গা বেশ খাড়া, পাথর মাটিতে মেশানো, ছোট ছোট ঝোঁপঝাড়ে ঢাকা। সেখানে ছোটবড় অনেকগুলো গর্ত। সুমি থেমে বলল, “এই যে শেয়ালের গর্ত।”

    বুবুন জিজ্ঞেস করল, “তুমি কেমন করে জান?”

    “একদিন শেয়ালকে ধাওয়া করেছিলাম, তখন দেখেছি এখানে এসে ঢুকেছে।”

    গাব্বু বলল, “হতে পারে চা-নাশতা খাওয়ার জন্যে ঢুকেছে, কিন্তু থাকে অন্য জায়গায়।”

    সুমি ধমক দিয়ে বলল, “খালি বাজে কথা বলিস না।”

    খবরের কাগজ পেঁচিয়ে দলা পাকানো হল, ম্যাচ বের করে সেখানে আগুন দেয়া হল, একটু আগুন এবং অনেকখানি ধোয়া হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হল উলটোটা, অনেকখানি আগুন এবং একটুখানি ধোয়া। সেই ধোঁয়া শেয়ালের গর্তে ঢোকার কথা কিন্তু ধোঁয়া ভিতরে না ঢুকে গর্তের মুখে পাক খেতে থাকল। বুবুন মাথা নেড়ে বলল, “ধোঁয়া তো ঢুকছে না!”

    গাব্বু বলল, “যারা সিগারেট খায় তাদের নিয়ে এলে হত, সবাই মিলে। সিগারেটে টান দিয়ে ভিতরে ধোয়া ছাড়ত।”

    সুমি কোনো কথা না বলে বিষদৃষ্টিতে গাব্বর দিকে তাকাল। কিছুক্ষণের মাঝেই যেটুকু খবরের কাগজ আনা হয়েছিল পুড়ে ছাই হয়ে গেল, লাভের মাঝে লাভ হল সবাই কয়েক জায়গায় ছ্যাকা খেল, নাক দিয়ে ধোঁয়া ঢুকে খানিকক্ষণ কাশাকাশি করল, চোখে লেগে চোখ জ্বালা করতে লাগল। যে-শেয়ালকে বের করার জন্যে এত চেষ্টা-চরিত্র তার টিকিটিও দেখা গেল না। সুমি বলল, “পরের বার বেশি করে খবরের কাগজ আনতে হবে।”

    “খবরের কাগজে হবে না–” পিয়াল মাথা নেড়ে বলল, “লাকড়ি নিয়ে আসতে হবে। সাথে বড় টেবিল ফ্যান। ফ্যান দিয়ে ধোঁয়া ভিতরে ঢোকাতে হবে।”

    “ফ্যানটার প্রাগ লাগাবে কোথায়?”

    পিয়াল থতমত খেয়ে বলল, “তাও তো কথা!”

    সবাই মিলে হেঁটে হেঁটে ফিরে যেতে যেতে টিলার চূড়োয় এসে আবার সেই আগের ইঁদুরের মতো মানুষটাকে দেখতে পেল, উদাস-উদাস মুখ করে তাকিয়ে আছে। তাদের এই ছোট দলটাকে দেখে আবার কেমন যেন সন্দেহের চোখে তাকাল। ওরা যখন প্রায় চলে যাচ্ছিল তখন লোকটা বলল, “তোমরা কোথায় থাক?”

    অচেনা সন্দেহজনক মানুষের সাথে কথাবার্তা বলা ঠিক না, কিন্তু একজন মানুষ যখন প্রশ্ন করছে কিছু-একটা তো বলতে হয়। গা অনিশ্চিতের মতো হাত নেড়ে বলল, ঐ তো ওইখানে।”

    মানুষটা দূরে তাদের বাসার দিকে দেখিয়ে জিজ্ঞেস করল, “রওশন মানে একজন মেয়েলোক থাকে তারা বাসা কোনটা জান?”

    বুবুন একটু চমকে উঠল, তার আম্মার নাম রওশন জাহান কিন্তু সবাই ডাকে ডক্টর রওশান। কখনো কেউ তাকে মেয়েলোক’ বলবে না, আরকিছু না হলে অন্ততপক্ষে ভদ্রমহিলা তো বলবে। বুবুনের সাথে সাথে সবাই তখন লোকটার দিকে সন্দেহের চোখে তাকাল। গাব্বু জিজ্ঞেস করল, “কি করবেন তার বাসা দিয়ে?”

    লোকটা এইবার থতমত খেয়ে গেল, ইতস্তত করে বলল, “না, মানে, এমনি জানতে চাচ্ছিলাম।”

    বুবুন একটু এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, “আপনি কী করেন?”

    “আমি?”

    “হ্যাঁ। কী করেন আপনি? নাম কী আপনার? কোথায় থাকেন?”

    লোকটার মুখ হঠাৎ কেমন জানি শক্ত হয়ে যায়, কর্কশস্বরে বলল, “আমি কী করি না-করি সেটা দিয়ে তুমি কী করবে?”

    বুবুন বলল, “আপনি কিছু জানতে চাইলে দোষ নেই, আমরা জানতে চাইলে দোষ?”

    সুমি বলল, “কথা বলে কাজ নই বুবুন, চলে আয়।”

    বুবুন অন্য সবার সাথে ফিরে চলল, যেতে যেতে পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখল মানুষটা চোখ ছোট ঘোট করে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। কেন মানুষটা আম্মা কোন বাসায় থাকেন জানতে চেয়েছিল?

    রাতে আম্মা একটা খাম খুলে একটা চিঠি বের করে পড়তে পড়তে হঠাৎ খুব গম্ভীর হয়ে গেলেন। বুবুন একটু ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে আম্মা?”

    “না, কিছু না।” খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, “এই চিঠিটা কে দিয়েছে তুই জানিস?”

    “না, আম্মা। কিন্তু–”

    “কিন্তু কী?”

    শেয়ালের গর্তে আগুন দিতে গিয়ে যে-মানুষটার সাথে দেখা হয়েছিল তার কথা বলবে কি না চিন্তা করে বুবুন বলেই ফেলল।”আমরা টিলায় গিয়েছিলাম সেখানে একটা লোক তোমার কথা জিজ্ঞেস করেছিল।”

    “কী রকম দেখতে?”

    “ইঁদুরের মতো।”

    আম্মা হেসে ফেলেন, “মানুষের চেহারা আবার ইঁদুরের মতো হয় কেমন। করে?”

    “হয় আম্মা হয়। তুমি দেখলেই বুঝতে পারবে।”

    আম্মা কিছু বললেন না, হাতের চিঠিটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। বুবুন জিজ্ঞেস করল, “কী লেখা আছে চিঠিতে!”

    আম্মা উড়িয়ে দেবার ভঙ্গি করে বললেন, “ঐ তো যা থাকে। ভয়-টয় দেখার আর কি!”

    “কেন ভয় দেখায় আম্মা?”

    “নিজেরা ভয় পায় তো সেইজন্যে ভয় দেখায়। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ তো পড়াশোনা জানে না তাই ধর্মের কথা বলে কাঠমোল্লারা তাদের কন্ট্রোল করে। যখন মানুষ পড়াশোনা করে তখন সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় এই কাঠমোল্লাদের। তাই মানুষজন পড়াশোনা করলে তারা খুব রেগে যায়।”

    “পড়াশোনা করলে ক্ষতি হয় কেন আম্মা?”

    “মনে কর এক জায়গায় ভূমিকম্প হল। তখন এই কাঠমোল্লারা বলবে এখানে আল্লাহর গজব হয়েছে। কিন্তু যদি তারা পড়াশোনা করে তা হলে জানবে আসলে আল্লাহর গজব না, এটা হয় ফল্ট লাইন থেকে টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া থেকে। তখন তো তাদের ধোঁকা দেওয়া যায় না। যারা পড়াশোনা জানে না অসুখ হলে তারা পানিপড়া খায় আর যারা পড়াশোনা করেছে তারা খায় ওষুধ। এই হচ্ছে পার্থক্য।“

    “কিন্তু তোমাকে কেন ভয় দেখায়?”

    “আমার উপরে রাগ বেশি। একে আমি পড়াশোনার কথা বলি, তার উপর মেয়েদের পড়াশোনার–সেইজন্যে যা এখন ঘুমা গিয়ে।”

    বুবুন যেতে ফিরে এসে বলল, “তারা তোমার কিছু করবে আম্মা?”

    আম্মা হেসে বললেন, “ধুর বোকা! কী করবে আবার? এরা হচ্ছে যত রাজাকার আলবদর জামাতিদের দল। সেভেনটি ওয়ানে একবার তাদের টাইট দেওয়া হয়েছে–এখন আবার দেবে!”

    বুবুন নিজের ঘরে ফিরে এল। আম্মা পুরো ব্যাপারটি হেসে উড়িয়ে দেওয়ার ভান করেছেন কিন্তু বুবুন লক্ষ্য করেছে আম্মার মুখে সূক্ষ্ম একটা দুশ্চিন্তার ছায়া।

    ইশ! তার যদি একটা বাবা থাকত! বিশাল শক্তিশালী একটা বাবা। সেই বাবা যদি তাকে আর তার আম্মাকে সমস্ত বিপদ থেকে বুক পেতে রক্ষা করত।

    বুবুন বিছানায় শুয়ে শুয়ে একটা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাজু ও আগুনালির ভূত – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }