Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুবুনের বাবা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. ভূত

    ৮. ভূত

    রাতে বিছানায় শুয়ে বুবুন আম্মাকে জিজ্ঞেস করল, “আম্মা, তোমার আজকাল বাসায় আসতে এত দেরি হয় কেন?”

    “বদমাইশগুলো খুব খেপেছে তো, তাই কাজ বেড়ে গেছে।”

    আম্মা বদমাইশ বলতে কাঁদের বোঝাচ্ছেন বুবুন জানে–তারা হচ্ছে খবিরউদ্দিন আর তার দলবল। সে জিজ্ঞেস করল, “কী করে আম্মা?”

    “একটা মেয়েদের স্কুল পুড়িয়ে দেয়, নাহলে কোনো স্কুলে যায় বলে কাফের বলে ফতোয়া দিয়ে দেয়, এইসব ভণ্ডামি।” আম্মা দাঁত-কিড়মিড় করে বললেন, “ইচ্ছে করে সবগুলোর মুখ ছিঁড়ে ফেলি।”

    আম্মা একটা নিঃশ্বাস ফেললেন, কেমন জানি ক্লান্তির নিঃশ্বাস। বুবুনের আম্মার জন্যে এত মায়া লাগল সেটি আর বলার মতো নয়। আম্মা মানুষটি যে এত একা বুবুন সেটা আগে কখনোই টের পায়নি, আব্বা আসার পর বুঝতে পেরেছে। বুবুন যখন কখনো কখনো সুমির বাসায় যায়, দেখে সুমির আব্বা আর আম্মা বসে বসে গল্প করছেন, হাসিঠাট্টা করছেন, মাঝে মাঝে বিকেলবেলা দুজনে গল্প করতে করতে হাঁটতে বের হন। দেখে কী ভালোই না লাগে! অথচ তার আব্বা থেকেও নেই, আম্মা একেবারে একা। আব্বা মানুষটা একেবারে বাচ্চা ছেলের মতো, বুবুন যেসব জিনিস নিয়ে কথা বলে আব্বাও ঠিক একই জিনিস নিয়ে কথা বলেন! আম্মার কথা বলার কোনো মানুষ নেই। রাত দশটা বাজতে -বাজতেই আব্বা দাঁত মেজে বিছানায় শুয়ে পড়েন। যদি কোনোভাবে আব্বার স্মৃতি ফিরিয়ে আনা যেত কী মজাটাই-না হত! আগেরবারের চেষ্টাটা একেবারে মাঠে মারা গেছে, কিন্তু তাই বলে কি হাল ছেড়ে দেওয়া যায়? আবার চেষ্টা করতে হবে, কী দিয়ে চেষ্টা করবে সেটা ঠিক করতে হবে। বুবুন আম্মার গলা জড়িয়ে ডাকল, “আম্মা”

    “ঘুমিয়ে গেছ?”

    “ঘুমুতে দিচ্ছিস কই!”

    “একটা গল্প বলো-না আম্মা!”

    “গল্প? এখন? তোর মাথা-খারাপ হয়ে গেছে?”

    “আব্বার গল্প।”

    আম্মা অন্ধকারেই বুবুনের দিকে তাকালেন, “আব্বার গল্প?”

    “হ্যাঁ, আব্বা যখন ভালো ছিলেন তখন কী করতেন সেই গল্প?”

    “কেন? সেই গল্প এখন কেন?”

    “এমনি শুনতে ইচ্ছা করে। বলো-না!”

    বুবুন ভেবেছিল এই মাঝরাতে আম্মা নিশ্চয়ই গল্প বলবেন না কিন্তু কী ভেবে সত্যি সত্যি গল্প বলতে লাগলেন। আমেরিকায় যখন পিএইচ. ডি. করছেন তখন বাসায় বেড়াতে এসেছে বন্ধুবান্ধব। একজন একটু চালবাজ ধরনের মানুষ, শুধু বড় বড় কথা বলছিল, রাতে আব্বা মুখোশ পরে তাকে কীভাবে ভয় দেখালেন সেই গল্প। শুনে হাসতে হাসতে কুটিকুটি হয়ে গেল বুবুন।

    .

    পরদিন খুব ভোরে জাহিদ চাচা এবং আরও কয়েকজন মহিলা এসে হাজির। তাদের সবারই কিছু-একটা ব্যাপার হয়েছে, আম্মার সাথে চাপা গলায় গম্ভীরমুখে সবাই কিছু-একটা আলোচনা করলেন, তারপর সবাই মিলে নাশতা না করেই বের হয়ে গেলেন।

    বুবুন আব্বাকে আবিষ্কার করল বাসার বাইরে। চারিদিকে অযত্নে কিছু ফুলগাছ লাগানো ছিল, আব্বা সেগুলো ঠিক করতে শুরু করেছেন। আব্বা যখন ডাক্তার রাজীব হাসানের কাছে ছিলেন তখন নাকি শুধু ফুলগাছ নিয়েই থাকতেন। বুবুন বেশ খানিকক্ষণ আব্বার সাথে সাথে ফুলগাছের নিচে মাটি নিড়িয়ে দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার, শুকনো পাতা, মরা ডাল কেটে দেওয়া এইসব দেখল। আব্বা এই কাজগুলো করেন খুব যত্ন করে, দেখে মনে হয় ফুলগাছ নয় যেন একটা ছোট বাচ্চাকে আদর করছেন। আব্বাকে দেখে বুবুন আরও একটা মজার জিনিস আবিষ্কার করল, আব্বা কথা বলতে বলতে কাজ করতে পারেন না। বুবুন যখন কিছু-একটা জিজ্ঞেস করে, আব্বা তখন কাজ বন্ধ করে ঘুরে বুবুনের দিকে তাকান এবং উত্তর দেন। উত্তর দেওয়া শেষ হলে আবার কাজ শুরু করেন। কিন্তু প্রায় সময়েই দেখা যায় আগে কী করছিলেন সেটা এর মাঝে ভুলে গেছেন, নতুন করে অন্য একটা-কিছু করতে শুরু করেছেন! দেখে বুবুনের আব্বার জন্যে ভারি মায়া লাগতে থাকে, সে আব্বাকে একা একা কাজ করতে দিয়ে হাঁটতে বের হল।

    হেঁটে হেঁটে সুমিদের বাসায় কাছে এসে সে দেখতে পেল সুমি বারান্দায় পা ছড়িয়ে বসে আচার খেতে খেতে একটা বই পড়ছে। বুবুনকে দেখে মুখ তুলে বলল, “কোথায় যাচ্ছিস?”

    “কোথাও না। এমনি–”

    ”এমনি কী?””মনটা বেশি ভালো না তাই–”

    “মন ভালো না?” সুমি অবাক হয়ে বলল, “মন আবার ভালো না হয় কেমন করে?” কী হয়েছে?”

    “না, কিছু না।” বুবুন একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “যাই, হেঁটে আসি।”

    বুবুন পকেটে হাত দিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করছিল, সুমি তখন বই বন্ধ করে উঠে এল। হাতের আচারটুকু বুবুনের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, নে খা। আচার খা। মন ভালো হবে।”

    “না।” বুবুন মাথা নাড়ল, “আমার আচার ভালো লাগে না।”

    “আচার ভালো লাগে না?” সুমি চোখ কপালে তুলে বলল, “কী বলছিস

    “দাঁত টক হয়ে যায়।”

    সুমি আঙুল চেটে খেতে খেতে বলল, “সেটাই তো মজা!”

    বুবুন কোনো কথা বলল না, সুমি জিজ্ঞেস করল, “এখন বল তোর মন খারাপ কেন?”

    বুবুন একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “ব্যাপারটা হচ্ছে আম্মাকে নিয়ে।”

    “কী হয়েছে চাচির?”

    “কিছু হয়নি, কিন্তু এই মেয়েদের স্কুল, নারী নির্যাতন, ফতোয়াবাজি এইসব নিয়ে একেবারে সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত ঘুরতে থাকেন। কোনো

    কোনো দিন বাসায় আসতে আসতে রাত দশটা বেজে যায়।”

    “হু।” সুমি মাথা নাড়ল,”চাচির খুব খাটনি হয়।”

    “কিন্তু খাটনিটা তো ঠিক আছে। আম্মা একেবারে মোঘের মতো খাটতে পারে। একজন মানুষ যখন এত পরিশ্রম করে রাতে ফিরে আসে তখন তার কি একটু কথাবার্তা বলার ইচ্ছা করে না?”

    সুমি মাথা নাড়ল। বুবুন বলতে লাগল, “সমান-সমান একজন মানুষের সাথে কথা বলার ইচ্ছা করে। কিন্তু আম্মার সেই কথা বলার মানুষ নেই। বাসায় এসে একা একা গালে হাত দিয়ে বসে বসে দেখেন আমি আর আব্বা কী করছি!”

    কথা বলতে বলতে হঠাৎ বুবুনের চোখে পানি এসে গেল, সে খুব চেষ্টা করল সেটা লুকিয়ে রাখতে, সুমিও এমন ভান করল যেন দেখতে পায়নি। আঙুল চাটতে চাটতে বলল, “তুই মন খারাপ করিস না, চাচার নিশ্চয়ই একসময় সবকিছু মনে পড়ে যাবে। আগের বার এমন ঘাপলা হয়ে গেল–”

    “হুঁ।“

    “আরেকবার চেষ্টা করতে হবে। এইবারে ঠিক করে প্ল্যান করতে হবে। আগেরবারের মতো আউলাঝাউলা করলে হবে না। প্রথমে চাচার জীবনের একটা ঘটনা জানতে হবে। সেখানে যা যা ঘটেছিল হুবহু সেটাই করতে হবে। তা হলে দেখিস ঝপাং করে সব মনে পড়ে যাবে!”

    বুবুন সুমির দিকে তাকিয়ে বলল, “কাল রাত্রে আম্মা একটা গল্প বলেছেন। যখন আমেরিকা ছিলেন তখন কী হয়েছিল সেই গল্প।”

    “কী হয়েছিল?”

    আব্বা কীভাবে মুখোশ পরে তাঁর চালবাজ বন্ধুকে ভয় দেখিয়েছিলেন বুবুন সেই গল্পটা সুমিকে খুলে বলল। শুনে সুমি হাতে কিল দিয়ে বলল, “এই তো চাই! এইটাই করতে হবে?”

    “এইটাই?”

    “হ্যাঁ, বুঝতে পারছিস না এর মাঝে সব আছে। মুখোশ পরে যখন ভয় দেখানো হবে সেই ভয় পেয়ে হঠাৎ করে সবকিছু মনে পড়ে যাবে। ফার্স্টক্লাস! চল গাব্বু আর পিয়ালকে গিয়ে বলি।”

    “এখনই?”

    “এখন নয় তো কখন? দেরি করে লাভ কী?”

    .

    এবারের পরিকল্পনাটা আগেরবার থেকে বেশি যত্ন করে করা হল। গাব্বর একটা রবারের মুখোশ আছে, মুখোশটা পরানো গাল্লুকে, একটা সাদা চাঁদর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হল সারা শরীর, দুই হাত উপরে তুলে যখন সে হেঁটে আসতে লাগল তাকে দেখতে ভয়ংকর দেখাতে লাগল সত্যি, কিন্তু আরে ছোটখাটো হওয়ায় দেখে কেন জানি ভূত না হয়ে ভূতের বাচ্চার মতো মনে হতে লাগল। সুমি মাথা নেড়ে বলল, “আরও লম্বা হতে হবে।”

    গাব্বু বিরক্ত হয়ে বলল, “আমি এখন লম্বা হব কেমন করে?”

    “পিয়াল, তুই পর দেখি।”

    পিয়াল মাথা নেড়ে বলল,”আগে মুখোশটা সাবান দিয়ে ধুয়ে আন। ভিতরে গাব্বুর সব জীবাণু আছে–”

    “ফাজলেমি করবি না। দাবড়ানি দিয়ে একেবারে ছাড়াভ্যাড়া করে দেব।”

    পিয়ালকে মুখোশ পরিয়েও খুব লাভ হল না। বুবুন বলল, “একজনের ঘাড়ে আরেকজন উঠলে হয়।”

    সুমি হাতে কিল দিয়ে বলল, “ঠিক বলেছিস!”

    গাব্বু এবং পিয়াল দুইজনেই মাথা নেড়ে প্রবল আপত্তি করলেও শেষ পর্যন্ত গাবুকে পিয়ালের ঘাড়ে উঠতে হল এবং এবার সাদা চাঁদর দিয়ে ঢেকে দেবার পর সত্যি সত্যি তাদের দুজনকে একটা সত্যিকারের বিদঘুঁটে ভূতের মতো দেখাতে লাগল। সুমি খুশি হয়ে বলল, “ফার্স্ট ক্লাস!”

    বুবুন, সুমি, গাব্বু আর পিয়াল মিলে অনেক সময় নিয়ে পুরো ব্যাপারটা বেশ কয়েকবার প্র্যাকটিস করে নিল। গাব্বু কখন পিয়ালের ঘাড়ে উঠবে, কখন হাঁটবে, তখন সুমি কোথায় থাকবে, বুবুন কী করবে, যদি কোনো-একটা ঝামেলা হয়ে যায় তখন কী করা হবে, বড় মানুষদের এসে গেলে কীভাবে সেখান থেকে উদ্ধার পাওয়া যাবে এইরকম খুঁটিনাটি বাদ দেওয়া হল না। কবে ভূত সেজে আব্বাকে ভয় দেখানো হবে সেটা নিয়েও একটু আলোচনা করা হল, দেখা গেল কেউই বেশি দেরি করতে রাজি না, পারলে এখনই করে ফেলে। কিন্তু একজন মানুষকে তো আর দিনের বেলায় ভূতের ভয় দেখানো যায় না অন্তত সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সন্ধ্যেবেলা বাসা থেকে বের হতে হলে একটা জুতসই কৈফিয়তও দিতে হবে। আগেরবার যে-ঝামেলাটা হয়ে গিয়েছিল সেটা জানজানি হয়নি সেটাই ভরসা, তা হলে আর কোনো কথাই কাজে লাগত না।

    সন্ধ্যেবেলা পিয়াল খবর নিতে এল যে আব্বাকে ভূত সেজে ভয় দেখানোর ঘটনাটি কী আজকেই করা হবে কি না। আম্মা তখনও আসেননি, আব্বা নিজের ঘরে বসে খুব মনোযোগ দিয়ে একটা টিকটিকির দিকে তাকিয়ে আছেন, বাসায় আর কেউ নেই কাজেই মনে হয় ভয় দেখানোর জন্যে এটাই ভালো সময়। পিয়াল খবর নিয়ে চলে গেল, কিছুক্ষণের মাঝেই অন্য সবাইকে নিয়ে চলে আসবে। বুবুনের বুকের ভিতর ধক ধক করতে থাকে–আব্বার মতো এরকম ভালোমানুষকে ভয় দেখানো কি ঠিক হচ্ছে? ভয় পেয়ে যদি কিছু-একটা হয়ে যায়? বুবুন জোর করে চিন্তাটা সরিয়ে দিল, এটা অনেকটা অসুখ হলে ইনজেকশান দেওয়ার মতো বা পেট কেটে অ্যাপেন্ডিক্স বের করার মতো, জিনিসটা করার সময় কষ্ট হয় কিন্তু করার পর তার ফল হয় ভালো।

    বুবুন ঘুরে আরও একবার আব্বাকে দেখে এল, আব্বা এখনও খুব মনোযোগ দিয়ে দেয়ালের টিকটিকির দিকে তাকিয়ে আছেন, টিকটিকি বা ঘাসফড়িঙের মতো জিনিসের মধ্যেই আব্বা কী এত কৌতূহলের ব্যাপার খুঁজে পান কে জানে! কিছুক্ষণের মাঝেই দরজার মাঝে টুকটুক করে শব্দ হল, বুবুন সাবধানে দরজা খুলে দিতেই পিয়াল গাব্বু আর সুমি নিঃশব্দে ঘরের মাঝে ঢুকল। সুমি ফিসফিস করে বলল, “চাচা কোথায়?”

    “ঐ ঘরে।”

    “সবাই রেডি হয়ে যাও।”

    কোনো শব্দ না করে গা মুখোশটা পরে পিয়ালের ঘাড়ের উপরে উঠে গেল। সাদা চাঁদর দিয়ে পুরোটা ঢেকে দেওয়া হল। গাব্বর হাতে একটা মোমবাতি, সেই মোমবাতিটা জ্বালিয়ে দেওয়া হল। সুমি হাতে একটা দুধের খালি টিন নিয়ে এসেছে, ভিতরে মুখ লাগিয়ে কথা বললে থমথমে একটা আওয়াজ বের হয়। সবকিছু ঠিকঠাক আছে দেখার পর বুবুন বাইরের ঘরে গিয়ে মেইন সুইচটা অফ করে দিল সাথে সাথে সারা বাসা অন্ধকার হয়ে যায়, শুধু করিডোরে পিয়ালের ঘাড়ে বসে থাকা গাব্বর হাতে একটা মোমবাতি টিমটিম করে জ্বলছে।

    সবাই নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে আছে, বুবুন শুনতে পেল আব্বা তার ঘরে বসে থেকে নিজের মনে বললেন, “কারেন্ট চলে গেছে।” খানিকক্ষণ কোনো শব্দ নেই, তারপর আব্বা ডাকলেন, “বুবুন!”

    বুবুন কোনো কথা বলল না। সুমি তখন টিনের ভিতরে মুখ ঢুকিয়ে থমথমে গলায় বলল, “আজ থেকে প্রায় এক যুগ আগের কথা। ডক্টর রওশানের স্বামী মাসুদ আহমেদ ফিজিক্সে পিএইচ. ডি, করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটনে।”

    আব্বা ভয়-পাওয়া গলায় বললেন, “কে কথা বলে?”

    ”অতীত কথা বলে। কথা বলে পুরানো দিনের স্মৃতি।”

    “বুবুন!” আব্বা ডাকলেন, “বুবুন, তুই কোথায়?”

    “সেই সময় একদিন মাসুদ আহমেদের বাসায় এল তাঁর এক বন্ধু। বন্ধুকে ভয় দেখাবেন ঠিক করলেন মাসুদ আহমেদ। তার এই কাজে সহযোগী ছিলেন তার স্ত্রী রওশান।”

    আব্বা ভাঙা গলায় ডাকলেন, “বুবুন!”

    সুমি বলল, “মুখে মুখোশ পরে ভূত সাজলেন মাসুদ আহমেদ। ভয়ংকর চেহারার ভূত! কেমন ছিল সেই ভূত? তাকে কি দেখতে চান?”

    আব্বা ঘর থেকে বের হয়ে এলেন, করিডোরে এসে দেখলেন লম্বা সাদা কাপড় পরা ভয়ংকর দর্শন বীভৎস একটি ভূত দাঁড়িয়ে আছে। হাতে মোমবাতি জ্বলছে, মোমবাতির সেই ক্ষীণ আলোতে ভূতটির সমস্ত বীভৎসতা যেন একশো গুণ বেড়ে গেছে। সুমি বলল, “আমি ভয় দেখাতে আসিনি মাসুদ আহমেদ। আমি এসেছি স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনতে। মনে আছে এইভাবে ভূত সেজে আপনি ভয় দেখিয়েছিলেন?”

    আব্বা কোনো কথা না বলে বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে রইলেন। কিছু-একটা বলার চেষ্টা করলেন কিন্তু তার গলা দিয়ে কোনো শব্দ বের হল না। গাব্বকে ঘাড়ে নিয়ে পিয়াল তখন এক পা এগিয়ে এল। সুমি তার থমথমে গলায় বলল, “মনে আছে? মনে আছে আপনার?”

    আগে যেভাবে রিহার্সাল দেওয়া ছিল সেই হিসেবে তখন পিয়ালের আরও এক পা এগিয়ে যাবার কথা, পিয়াল ঠিক সেভাবে সামনে এগিয়ে যেতে চেষ্টা করে তাল হারিয়ে ফেলল, তাল সামলাতে গিয়ে কয়েক পা সামনে এগিয়ে গেল, পায়ের নিচে চাঁদর আটকে গেল হঠাৎ এবং কিছু বোঝার আগে প্রচণ্ড শব্দে গাব্বকে নিয়ে আছাড় খেয়ে পড়ল পিয়াল। হাতের মোমবাতি ছিটকে পড়ল নিচে, নিভে না গিয়ে সেটা জ্বলতে থাকে একটা কাগজের উপরে, দেখতে দেখতে সেখানে আগুন জ্বলে উঠল। গাব্বু চিৎকার করে উঠল যন্ত্রণায়, পিয়াল বিকট স্বরে আর্তনাদ করতে লাগল, আর আব্বা ডাকতে লাগলেন, “বুবুন! বুবুন!” সুমি গলা ফাটিয়ে চাচাতে লাগল, “আগুন! আগুন!”

    বুবুন মেইন সুইচ টিপে আলোটা জ্বালিয়ে দিলেই সমস্যার বড় অংশ মিটে যেত কিন্তু এই বিশাল গোলমালের মাঝে সেটা তার আর মনে পড়ল না, সেও গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে করতে অন্ধকারে দৌড়াদৌড়ি করতে লাগল।

    আগুন নেভানোর জন্যে অন্ধকারে দৌড়াদৌড়ি করতে করতে একে অন্যের সঙ্গে ধাক্কা খেতে লাগল, তার মাঝে বুবুন হাতড়ে বাথরুম থেকে বালতি দিয়ে পানি এনে ঢেলে দিল আগুনের মাঝে, আগুন নিভে ঘুটঘুঁটে অন্ধকার হয়ে গেল সাথে সাথে। ঠিক সেই সময় শুনতে পেল দরজার ধাক্কা দিচ্ছে অনেকে মিলে, বুবুনের মেইন সুইচের কথা মনে পড়ল তখন। অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে মেইন সুইচ অন করার চেষ্টা করার কোনো মানে হয় না, আছাড় খেয়ে পড়ে গাব্বু বা পিয়ালের কী অবস্থা হয়েছে কে জানে–বুবুন আগে পরে কিছু চিন্তা না করে দরজা খুলে দিল। বাইরে অনেক মানুষ–অন্ধকারে দেখা যায় না, গলায় স্বর শুনে বুঝতে পারল সেখানে আম্মা আছেন, জাহিদ চাচা আছেন, গাব্বর বড় ভাই, পিয়ালের আব্বা, পাশের বাসার দারোয়ান, আম্মার অফিসের কিছু লোকজন, গাড়ির ড্রাইভার এমনকি মনে হল দুই-একজন পুলিশও আছে। সবাই মিলে চিৎকার করতে লাগল এবং আম্মার গলা উঠল সবার উপরে, “কী হয়েছে? বুবুন কই? মাসুদ কই? চিৎকার করে কে?”

    বুবুন বুঝতে পারল তারা এখন যে-বিপদে পড়েছে খোদা নিজে যদি উদ্ধার করেন কেউ তাদের উদ্ধার করতে পারবে না। কী করবে বুঝতে না পেরে সে দরজা থেকে সরে দাঁড়াল, সবাই হুড়মুড় করে ভিতরে ঢুকে গেল, আম্মা তখন ভাঙা গলায় কেমন যেন ভয়-পাওয়া গলায় ডেকে উঠলেন, “বুবুন! বাবা তুই কোথায়?”

    “এই তো আম্মা!”

    আম্মা হঠাৎ জাপটে ধরে ফেললেন, তারপর ভেউভেউ করে কাঁদতে লাগলেন, “ভালো আছিস তুই বাবা? ভালো আছিস?”

    বুবুন ঠিক বুঝতে পারল না কেন আম্মা তাকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেলেন। একজন একটা ম্যাচ জ্বালাল এবং তখন বুবুনের মেইন সুইচের কথা মনে পড়ল। সেটা বলার পর জাহিদ চাচা গিয়ে মেইন সুইচটা অন করতেই সারা বাসাটি আলোকিত হয়ে উঠল চারিদিক এক নজর দেখে বুবুনের হঠাৎ মনে হল অন্ধকারই অনেক ভালো ছিল।

    গাঙ্কুর গলা থেকে তখনও সেই ভয়ংকর মুখোশটা ঝুলছে, কপালের খানিকটা কেটে সেখান থেকে রক্ত বের হচ্ছে, পিয়ালের গায়ে সাদা চাঁদরটা লেপটে আছে, সেটা পানিতে ভেজা এবং সে মেঝেতে বেকায়দাভাবে শুয়ে আছে। আব্বা খুব কাছেই উবু হয়ে বসে এই দুজনকে খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছেন, পিছনে দাঁড়িয়ে আছে সুমি, হাতের খালি দুধের টিনটা নিয়ে কী করবে বুঝতে পারছে না। মেঝেতে পোড়া কাগজ এবং পানি থৈথৈ করছে, ঘরের ভিতরে ধোয়ার গন্ধ। সবচেয়ে প্রথমে কথা বললেন, পিয়ালের আব্বা, হুংকার দিয়ে বললেন, “পিয়াল, হারামজাদা উঠে আয়।”

    আব্বা উবু হয়ে বসে থেকে বললেন, “পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে।”

    পিয়ালের আব্বা তখন কয়েক পা এগিয়ে এসে, “আমি ব্যথা পাওয়ার মজা টের পাওয়াচ্ছি।”

    কয়েকজন মিলে তখন পিয়ালের আব্বাকে না থামালে সেখানেই একটা রক্তারক্তি হয়ে যেত। গাব্বর বড় ভাই বলল, “কী হয়েছে এখানে?”

    জাহিদ চাচা বললেন, “সেটা আমরা পরে দেখব। এখন দেখা যাক কেউ বেশি ব্যথা পেয়েছে কি না।”

    পিয়াল ওঠার চেষ্টা করল, আম্মা এবং জাহিদ চাচা এগিয়ে গেলেন, কিন্তু তার আগেই আব্বাকে ধরে পিয়াল উঠে বসেছে। গাব্বও মুখোশটা খুলে পিছনে দাঁড়িয়ে গেল। সুমি দুধের টিনটা হাতে নিয়েই আব্বার গা-ঘেঁষে দাঁড়াল।

    জাহিদ চাচা বললেন, “মনে হচ্ছে কেউ বেশি ব্যথা পায়নি।” গাব্বু কপালের রক্তটা মুছে ফেলে মাথা নাড়ল। আম্মা বললেন, “ব্যথা নয়, এখন যেটা পাচ্ছে সেটা হচ্ছে ভয়।”

    পিয়ালের আব্বা হুংকার দিয়ে বললেন, ‘ভয়ের দেখেছ কী? আমি যখন বাপের নাম ভুলিয়ে দেব তখন বুঝবে ভয় কাকে বলে!”

    আম্মা হাসার চেষ্টা করে বললেন, “বাচ্চা মানুষ, কিছু-একটা অ্যাডভেঞ্চার করতে গিয়ে গুবলেট করে ফেলেছে। আমি দেখছি কী হয়েছে!” পিয়ালের আব্বা বললেন, “বাসায় নিয়ে যাই আমি।”

    আম্মা বললেন, “আপনি ব্যস্ত হবেন না, আমরা ওদের বাসায় পৌঁছে দেব।”

    আব্বা বললেন, “হ্যাঁ। এখন ওরা খুব ভয় পাচ্ছে। আমাকে ভয় দেখাতে গিয়ে নিজেরাই ভয় পেয়ে গেছে।”

    পিয়ালের আব্বা আবার হুংকার দিলেন,”আপনাকে ভয় দেখাতে এসেছিল? আপনাকে?”

    আব্বা তাড়াতাড়ি পিয়াল, গাব্বু এবং সুমিকে জড়িয়ে ধরে বললেন, “না-না, এমনি এমনি মিছিমিছি ভয়।” আব্বা তারপর হাসার চেষ্টা করে বোঝানোর চেষ্টা করলেন পুরো ব্যাপারটিতে ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই। ছোট বাচ্চারা যেভাবে হেসে একটা জটিল ব্যাপারকে সহজ করে দেওয়ার চেষ্টা করে অনেকটা সেরকম।

    আম্মা পিয়ালের আব্বাকে বলল, “আপনি বাসায় গিয়ে শান্ত হন, আমরা ওদের দেখছি।”

    বাসা থেকে সবাই বের হওয়ামাত্র সুমি আম্মার কাছে এসে বলল, “চাচি। আমি সব পরিষ্কার করে দেব। আপনি বুঝতেই পারবেন না কিছু হয়েছে এখানে।”

    আম্মা বললেন, “তোমাকে কিছু করতে হবে না মা। তোমাদের কারও কিছু যে হয়নি তার জন্যেই খোদার কাছে হাজার শোকর।”

    আব্বা মাথা নাড়লেন, “হাজার শোকর।”

    আম্মা খানিকটা তুলো নিয়ে গাব্বর কপাল পরিষ্কার করতে করতে বললেন, “এখন তো কেউ নেই, বলো দেখি ব্যাপারটি কী হয়েছে?”

    কেউ কোনো কথা বলল না। আম্মা মাথা নেড়ে বললেন, “পৃথিবীতে এত মানুষ থাকতে বুবুনের আব্বাকে তোমরা ভয় দেখাতে এসেছিলে কেন?”

    সুমি বলল, “আসলে ভয় দেখাতে আসিনি। চাচার যেন সবকিছু মনে পড়ে যায়–”

    আম্মা ভুরু কুচকে তাকালেন। বুবুন বলল, “মনে নেই, তুমি যে বলেছিলে আব্বা ভূত সেজে ভয় দেখিয়েছিল? ঠিক সেরকম–”

    পিয়াল বলল, “ঠিক সেইরকম করতে যাচ্ছিলাম যেন দেখেই চাচার সবকিছু মনে পড়ে যায়। এই গাধা গাবুটার জন্য”

    গাব্বু ফোঁস করে উঠে বলল, “আমাকে দোষ দিচ্ছিস কেন? নিজে আছাড় খেয়ে পড়েছিস আর দোষ আমার?”

    আব্বা মাথা নেড়ে বললেন, “একজনের ঘাড়ে আরেক জনের ওঠা ঠিক হয় নাই। ওজনের চাপে সাইজ ছোট হয়ে যায়।”

    আম্মা চোখ কপালে তুলে বললেন, “কী বললে? একজনের ঘাড়ে আরেকজন উঠেছিলে?”

    সুমি বোকার মতো একটু হেসে বলল, “বেশিক্ষণের জন্যে তো না, এই একটু সময়ের জন্যে!”

    আম্মা হাল ছেড়ে দেবার চেষ্টা করে বললেন, “তোমরা যে বুবুনের আব্বাকে সবকিছু মনে করানোর চেষ্টা করছ, সেই কাজটা খুবই মহৎ, কিন্তু আর করো না। যদি করতেই চাও অন্যভাবে করো যেখানে কারও ঘাড় ভাঙার ভয় থাকে না, বাড়িতে আগুন লাগার ভয় থাকে না, দুই-চারজন খুন-জখম হওয়ার চান্স থাকে না। ঠিক আছে?”

    সবাই মাথা নাড়ল, বলল, “ঠিক আছে।”

    .

    রাতে ঘুমানোর সময় আম্মা বুবুনকে বললেন, “বুবুন, তোকে একটা কথা বলি।”

    আম্মার গলায় স্বর শুনে ভয় পেয়ে গেল, জিজ্ঞেস করল, “কী কথা আম্মা?”

    “তুই যখন স্কুলে যাবি স্কুল থেকে বাসায় আসবি বা বাইরে খেলবি তখন কখনো কোনো অপরিচিত মানুষের সাথে কথা বলবি না।”

    “কেন আম্মা? কী হয়েছে”

    “খুব সাবধানে থাকবি। কখনো একা থাকবি না, সবাই একসাথে থাকবি। সবসময়। ঠিক আছে?”

    “কেন আম্মা?”

    আম্মা একটা নিঃশ্বাস ফেলেন, তারপর বুবুনের দিকে তাকিয়ে বললেন, “ঐ যে খবিরউদ্দিন আর তার জামাতি দল আছে না, তারা একেবারে খেপে গেছে। আমাকে থামানোর জন্যে এরা যা খুশি করতে পারে। একাত্তর সালে করেছে না! ইউনিভার্সিটির সব টিচারকে মেরে শেষ করে ফেলেছিল। তাই ভাবছিলাম,

    “কী ভাবছিলে?”

    “আমাকে ভয় দেখানোর জন্যে যদি তোকে কিডন্যাপ করে নেয়। তাই বলছিলাম খুব সাবধানে থাকবি। ঠিক আছে?”

    “ঠিক আছে।”

    “আজকে বাসায় এসে যখন দেখলাম এরকম তুলকালাম হচ্ছে আমি ভেবেছিলাম বুঝি তোকে ধরে নিয়ে গেছে, যা ভয়টা পেয়েছিলাম! ওহ!”

    বুবুন আম্মাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল, কেন আজকে এত বড় ঘটনার পরেও আম্মা একটুও রাগ করেননি হঠাৎ করে পরিষ্কার হয়ে গেল বুবুনের কাছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাজু ও আগুনালির ভূত – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }