Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ব্যাচেলার – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প125 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. ভগবানে বিশ্বাস বা ভক্তি

    ভগবানে বিশ্বাস বা ভক্তি থাকুক বা নাই থাকুক পূজার প্যান্ডেলে দেবী মূর্তি দেখতে বেশ লাগে। একটু আনন্দের ছোঁয়া, একটু পূর্ণতার স্পর্শ নতুনত্বের স্বাদ সবাই পায়। বসন্ত দূরে থাক, কাছে থাক, মনে মনে রঙ লাগে। তারপর হঠাৎ যখন প্যান্ডেলটা খালি হয়, দেবীর বেদী শূন্য তখন বিষণ্ণতার করুণ সুর মনের মধ্যে বেজে ওঠে।

    দেবব্রত আর রঞ্জনা ব্যাঙ্গালোরে চলে যাবার সপ্তাহখানেক পরে ডক্টর চৌধুরী আমাকে ঠিক এই কথাগুলোই বলছিলেন।

    সকালবেলাতেই ওঁর টেলিফোন এলো, আমি দেবতোষ চৌধুরী কথা বলছি।

    বলুন, কেমন আছেন?

    আছি ভালোই তবে মনটা বিশেষ সুবিধের নয়।

    কেন, কি হলো?

    দেবু আর রঞ্জনা চলে যাবার পর কোনো কাজেই ঠিক মন দিতে পারছি না।

    আমি বললাম, বাড়ির নতুন বউ চলে গেলে বড় ফাঁকা ফাঁকা লাগে।

    আজ সন্ধ্যার দিকে আপনি আসবেন?

    আজ?

    হ্যাঁ আজই। একটু গল্পগুজব করে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করা যাবে।

    ডক্টর চৌধুরীর ব্যর্থতার জন্য গিয়েছিলাম, না যেয়ে পারিনি। অনেক গল্প হলো। ঘণ্টার পর ঘন্টা।

    তাসখন্দ এয়ারপোর্টে ওকে দেখেই আমার ভালো লেগেছিল। কথাবার্তা বলার পর আবো ভালো লাগল।

    আমি ডক্টর চৌধুরীকে সমর্থন জানাই, রঞ্জনা ভালো লাগার মতোই মেয়ে।

    আজকালকার ছেলেমেয়েদের মধ্যে শিক্ষা আর আধুনিকতার যত বেশি প্রসার হচ্ছে, মাধুর্য তত বেশি হারাচ্ছে, কিন্তু রঞ্জনা রিয়েলি একটা একসেপসন।

    তা ঠিক।

    এই কদিনের মধ্যেই ও যে কি ভাবে আমাদের আপন করে নিয়েছে তা কি বলব।

    সন্ধ্যার পর পরই অফিস থেকে সোজা গিয়েছিলাম। আশা করেছিলাম গিয়েই এক কাপ চা পাব কিন্তু ডক্টর চৌধুরী আমাদের রমা, ওদের রঞ্জনার প্রশংসায় এমনই ভেসে গেলেন যে চাকরটাকে চা দেবার কথা বলতেও পারলেন না।

    হাজার হোক সুভাষবাবু একজন সিনিয়র ডিপ্লোম্যাট। তার একমাত্র সন্তান নিশ্চয়ই খুব আদরে মানুষ হয়েছে কিন্তু তবুও এই মেয়েটি কিভাবে এত কাজের হলো, ভাবতে অবাক লাগে।

    অনেক দিন হোস্টেলে কাটিয়েছে তো?

    হোস্টেলে থেকে তো ছেলেমেয়েরা আরো বেশি আরামপ্রিয় হয়। এক কাপ চা পর্যন্ত তৈরি করে খেতে হয় না।

    তা ঠিক।

    সুভাষবাবু যদি এখানেই বরাবর থাকতেন তাহলে ছুটিতে বাড়ি এসেও রঞ্জনাকে সংসারের কিছু কাজকর্ম করতে হতো বা ছোট ভাইবোন থাকলে নিশ্চয়ই কিছু দায়দায়িত্ব নিতে হতো কিন্তু এর তো সে সব কিছুই করতে হয়নি…

    আমি আবার সমর্থন জানাই ডক্টর চৌধুরীকে, না, সেসব ঝামেলা ওকে কোনোদিনই সহ্য করতে হয়নি।

    ইনস্পাইট অব দ্যাট ও সংসারের সব রকম কাজ করতে পারে আর ছোটখাট খুঁটিনাটি কোনো কিছুই ওর দৃষ্টি এড়িয়ে যাবে না।

    নো ডাউট সী ইজ এ নাইস গার্ল।

    আমার মন্তব্য ওর কানেই পৌঁছল না। উড ইউ বিলিভ ইট ইফ আই সে যে ও রোজ আমার দুটো ফাউন্টেন পেনে কালি ভরে দিতে পর্যন্ত ভুলে যায় না।

    খাওয়ার সময়ও অনেক কথা হলো। শেষে বললেন, আপনার সঙ্গে তো রঞ্জনা বা ওর বাবা মার খুব ঘনিষ্ঠতা। সুতরাং ইউ আর অলসোপার্ট অব আওয়ার বিগার ফ্যামিলী।

    আমি হাসলাম।

    না, না, হাসি নয়। আপনি নিয়মিত আসবেন। না এলে দুঃখ পাব।

    আসব।

    রেগুলার আসবেন আর এখানে এলেই খাওয়া-দাওয়া করে যাবেন।

    আসব ঠিকই তবে সব সময় খাওয়া-দাওয়া করা বোধহয় সম্ভব হবে না।

    ডক্টর চৌধুরী সঙ্গে সঙ্গে আপত্তি জানালেন, সম্ভব হবে না কেন? আপনি তো এখানে একাই থাকেন?

    একাই থাকি তবে চাকর আছে।

    উনি যেন আমার কথাটা শুনতেই পেলেন না, এইতো সেদিন রঞ্জনা বলছিল ও রান্না না করলে আপনার খাওয়াই হতো না।

    ডক্টর চৌধুরী বললেও নানারকম কাজকর্মের ঝামেলায় ওঁর ওখানে যেতে পারলাম না অনেকদিন। এর মধ্যে দু তিনদিন ওঁকে টেলিফোন করেছি। পাইনি। প্ল্যানিং কমিশনের অ্যাডভাইসার বলে ওঁকে সারা দেশ ঘুরে বেড়াতে হয়। মাস তিনেক পরে হঠাৎ রঞ্জনার একটা চিঠি পেলাম, তিন তারিখে আমরা দুজনেই মাদ্রাজ যাচ্ছি। একদিন ওখানে থাকব। তারপর পাঁচই ডিলক্স। এক্সপ্রেসে আমি দিল্লি রওনা হচ্ছি। মাসখানেক দাদার কাছে থাকব। আপনি নিশ্চয়ই যোগাযোগ করবেন।

    সাত তারিখ সকালে দু তিনবার নয়া দিল্লি স্টেশনে ফোন করে মাদ্রাজ ডিলক্সের খবর নিলাম। ভাবলাম স্টেশনে যাই কিন্তু গেলাম না। মনে হলো রঞ্জনা সম্পর্কে আমার অতটা উৎসাহ বা আগ্রহ। থাকা ঠিক নয়। অন্যায়। তাড়াতাড়ি খাওয়া-দাওয়া করে বেরুবার সময় রাধাকিষণকে বললাম, কেউ আমার খোঁজ করলে বলল আমি এখানে ছিলাম না। আজ দুপুরেই এসেছি।

    জী সাব।

    যদি খুব দরকারি টেলিফোন আসে তাহলে অফিসে টেলিফোন করতে বলল।

    কোন কারণ নেই, যুক্তি নেই, দাবি নেই কিন্তু তবুও একটা প্রত্যাশায় সারাটা দিন কাটালাম। সন্ধ্যা, রাত্রিও। এলো না। কয়েকবার টেলিফোনের রিসিভার তুলে ডায়াল ঘুরাতে গিয়েও পিছিয়ে এসেছি। করিনি। পরের দিন সকালে মার্শাল টিটো দিল্লি এলেন। সারাটা দিন আমি অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যে কাটালাম। যুগোশ্লাভ অ্যাম্বাসেডরের রিসেপসন অ্যাটেন্ড করে, নিউজ ডেসপ্যাঁচ করে বাড়ি ফিরতে অনেক রাত হলো। তার পরের দিনও ব্যস্ত রইলাম। তবে রাষ্ট্রপতি ভবনে ডক্টর চৌধুরীর সঙ্গে দেখা হলো কিন্তু কোনো কথা হলো না। প্ল্যানিং মিনিস্টার, প্ল্যানিং কমিশনের মেম্বার ও অ্যাডভাইসাররা প্রেসিডেন্ট টিটোর সঙ্গে আলোচনা করতে গিয়েছিলেন। তখন ডক্টর চৌধুরীর কথা বলার অবকাশ ছিল না। আমাকে দেখে শুধু একটু হাসলেন। সন্ধ্যার পর বাড়ি ফিরে চা খাচ্ছি এমন সময় টেলিফোন এলো। আমি হ্যালো বলতেই ওদিক থেকে রঞ্জনার গলা শুনতে পেলাম আপনার কি ব্যাপার বলুন তো?

    কেন কি হলো?

    আমার চিঠি পাননি?

    পেয়েছি।

    তবে কি?

    একটা টেলিফোনও করলেন না?

    কি দারুণ ব্যস্ততার মধ্যে দিন কাটছে তা তুমি ভাবতে পারবে না।

    তাই বলে একবার টেলিফোনও করা যায় না?

    ওসব কথা ছাড়ো। তুমি কেমন আছ?

    ভালোই; তবে একলা একলা হাঁপিয়ে উঠছি।

    কেন? দাদা বাড়ি নেই?

    না। টিটো এসেছেন বলে কদিনই খুব ব্যস্ত।

    আজই ওঁর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি ভবনে দেখা হলো।

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ।

    কিছু বললেন?

    না। কথা বলার সময় ছিল না। দেবব্রতর কি খবর?

    ভালোই।

    ব্যাঙ্গালোরে কেমন লাগছে?

    ওখানেও তো সারাদিন একলা কাটাতে হয়।

    আমি হাসলাম, তুমি কি আশা করেছিলে বিয়ের পর স্বামী তোমার কাছে সারাদিন কাটাবে?

    আমি বুঝি তাই বললাম?

    আমি তো সেই রকমই বুঝলাম।

    আপনি সারা জীবনই আমাকে ভুল বুঝবেন। ওর গলার স্বরটা একটু অন্য রকম মনে হলো।

    বোধহয় কথাটা শুনতে ভালোই লাগল, কি বললে রঞ্জনা?

    কিছু না।

    বল না কি বললে?

    বললাম আপনি সব সময়ই আমাকে ভুল বোঝেন।

    তার মানে? কবে আবার তোমাকে ভুল বুঝলাম?

    যাক গে ওসব কথা। আপনি কেমন আছেন?

    যেমন ছিলাম তেমনি আছি।

    খাওয়া হয়েছে?

    না। এক্ষুনি বাড়ি এলাম।

    স্নান করেছেন?

    তোমার টেলিফোন আসার এক মিনিট আগেই এসেছি।

    তাহলে আর আপনাকে বিরক্ত করব না।

    না, না, বিরক্ত হবার কি আছে! বরং এতদিন পরে তোমার সঙ্গে কথা বলতে আমার ভালোই লাগছে।

    বাজে বকবেন না। কথা বলতে ভালো লাগলে আপনিই আগে টেলিফোন করতেন।

    ভালো না লাগলে কেউ এতক্ষণ ধরে কথা বলে?

    সত্যি আপনাকে অনেকক্ষণ আটকে রেখেছি। স্নান করতে যান।

    ব্যস্ত হবার কিছু নেই!

    না থাক। আপনি এবার স্নান করে কিছু খাওয়া-দাওয়া করুন। কাল আবার কথা হবে।

    রঞ্জনা টেলিফোন ছেড়ে দিল। আমিও আস্তে আস্তে রিসিভার নামিয়ে রাখলাম কিন্তু স্নান করতে গেলাম না। বসে রইলাম। ভাবছিলাম রঞ্জনার কথা। আমার সম্পর্কে ওর মনের মধ্যে একটু অভিমান জমা আছে বুঝতে পারি, কিন্তু কেন? আমি কি অন্যায় করেছি? ভুল করেছি? ওর মনে কি কোনো দুঃখ, আঘাত দিয়েছি? কোনো প্রত্যাশা পূর্ণ করিনি? অনেকক্ষণ ধরে ভাবলাম কিন্তু কিছুতেই কোনো কূল-কিনারা পেলাম না।

    রঞ্জনা যখন রমা ছিল তখনকার সমস্ত স্মৃতির খাতা খুলে হিসাব করতে বসলাম। সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের নয় কিন্তু লেনদেন যথেষ্ট হয়েছে। যখন তখন সব জমা-খরচের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়তে পারে না। তবু চুপ করে বসে বসে মনে করার চেষ্টা করলাম। প্রথম থেকেই খুব সহজভাবে আমরা মিশেছি। পোড়া গরু সিঁদুর মেঘ দেখলে ভয় পায়। আমিও পেতাম বলে কোনো মেয়ের সঙ্গেই প্রাণ খুলে মিশতে পারিনি, পারব না কিন্তু ওর সঙ্গে মিশেছি। প্রাণ খুলে মিশেছি। ভালো লেগেছে। মনের অনেক ছোটখাট ক্ষত ঠিক হয়ে গেছে ওর সান্নিধ্যে, সংস্পর্শে। আরো কিছুদিন ওকে কাছে পেলে সব ক্ষত সেরে যেতো কিনা বলতে পারব না। তবে সম্ভাবনা ছিল না, একথা জোর করে বলার ক্ষমতা আমার নেই। হাজার হোক আমি রক্ত-মাংসের মানুষ, আমার হৃৎপিণ্ড ওঠানামা করে, সৌন্দর্য দেখতে ভালো লাগে, প্রিয়জনের সান্নিধ্যে আনন্দ পাই। পাথরের মতো আমি জড় পদার্থ হলে এসব অনুভূতি আমার থাকত না। রমার মতো শত সহস্ৰজনের সারা জীবনের সাধনাতেও আমার কোনো পরিবর্তন হতো না।

    আমি জানি না রমার জন্য আমার কি পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু একথা ঠিক ওর অভাব অনুভব করি। ওর সঙ্গে আলাপ হবার পর থেকেই ওর উপর কিছু দাবি করার স্বাধীনতা আমার হয়। এ অধিকার আমি অর্জন করেছিলাম নাকি ও স্বেচ্ছায় আমাকে দিয়েছিল তা মনে নেই। বলতে পারব না।

    .

    হ্যালো!

    কি ব্যাপার? এই সাত সকালে টেলিফোন করছ? টেলিফোনে আমার গলা শুনেই জয়ন্তী বৌদি জিজ্ঞাসা করলেন।

    আজ রমাকে আমার সংসার সামলাতে হবে।

    তোমার আবার সংসার?

    হঠাৎ আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধব এলে সংসার না করে কি উপায় আছে?

    কেউ এসেছেন নাকি?

    আমার দিদির কলেজ জীবনের দুই বান্ধবী আজ বিকেলের দিকে আগ্রা থেকে আসছেন কিন্তু এদিকে রাধা গিন্নী জ্বরে বেহুঁশ।…

    একটু ধর। রমাকে ডেকে দিচ্ছি।

    রমা টেলিফোন তুলেই বললো, কি ব্যাপার? এত সকালে আমাকে মনে পড়ল?

    সব সময়ই তোমাকে মনে পড়ে কিন্তু জানাই না।

    বাজে বকবেন না। বলুন কি ব্যাপার।

    আজ বিকেলের দিকে আমার দিদির দুই বান্ধবী আগ্রা থেকে আসছে। কাল ভোরের বাসেই সিমলা চলে যাবেন। কিন্তু কাল থেকে রাধাকিষণের ভীষণ জ্বর।…

    আমি আসব?

    সেইজন্যেই তোমাকে টেলিফোন করছি।

    আপনি এসে নিয়ে যাবেন নাকি বাবাকে বলব?

    তুমি কতক্ষণে রেডি হবে বল; আমিই তোমাকে নিয়ে আসব।

    আটটা নাগাদ আসুন।

    ঠিক আছে।

    আমি গাড়ি থেকে নামতেই সুভাষদা জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার দিদির দুই বন্ধু আসছে?

    আমি গাড়ি লক করতে করতে বললাম, হ্যাঁ।

    ওরা তো আমার এখানেও থাকতে পারেন।

    আমার ওখানে থাকার তো কোনো অসুবিধে নেই, শুধু রাধাকিষণের জ্বর হয়েই মুশকিল বাধিয়েছে।

    রমা যখন যাচ্ছে তখন ও সব ব্যবস্থা করে দেবে। তোমায় কিছু ভাবতে হবে না।

    তা জানি।

    রমা তৈরিই ছিল। আমি এক কাপ চা খেয়েই ওকে নিয়ে রওনা হলাম। রওনা হবার আগে সুভাষদা আর বৌদিকে বললাম, রমার ফিরতে রাত হলে চিন্তা করবেন না ওদের খাওয়া-দাওয়া হবার পরই আমি ওকে ফিরিয়ে দিয়ে যাব।

    বৌদি বললেন, তোমার অসুবিধে হলে টেলিফোন করো, ওকে পাঠিয়ে দেব।

    না, না, দাদাকে আর কষ্ট করতে হবে না।

    গাড়ি স্টার্ট করে শান্তি পথ ধরতেই বললাম, এই পথেই বাজার করে নিয়ে যাই, কি বল।

    হ্যাঁ, সেই ভালো।

    মাছ না মাংস কিনব বল তো।

    ওঁরা কি পছন্দ করবেন তা আমি কি করে বলি বলুন।

    দুরকম মাছ কেনার চাইতে মাছ-মাংস দুইই কেনা ভালো, তাই না?

    তা তো বটেই।

    একটু পরে রমা জিজ্ঞাসা করল, যারা আসছেন তারা আপনার দিদির সঙ্গে পড়তেন বুঝি?

    হ্যাঁ। তাছাড়া আমাদের বাড়িতে খুব আসা-যাওয়া ছিল।

    খুব ঘনিষ্ঠতা না থাকলে নিশ্চয়ই আপনার এখানে উঠতেন না।

    এক কালে খুবই ঘনিষ্ঠতা ছিল তবে ইদানীং বেশ কয়েক বছর দেখাশুনা নেই।

    দুই বন্ধুই শুধু আসছেন?

    ওঁরা কেউই বিয়ে করেননি…

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ। তাছাড়া দুজনেই একই কলেজে লেকচারার।

    তাই দুই বন্ধু বেড়াতে বেরিয়েছেন।

    ওঁরা খুব ঘুরে বেড়ান।

    খুব স্বাভাবিক। সংসারধর্ম না করলে কিছু নিয়ে তো থাকতে হবে।

    আমিও তো বিয়ে করিনি; আমি কি নিয়ে আছি? প্রশ্ন করেই রমার দিকে তাকালাম।

    আপনার বিয়ে করার সময় তো চলে যায়নি।

    চলে যায়নি?

    না।

    দেড়টা-দুটোর মধ্যে সমস্ত রান্না শেষ করার পর আমি আর রমা একসঙ্গে খেতে বসলাম। খেতে খেতে ও জিজ্ঞাসা করল, আমি যদি এখন দিল্লিতে না থাকতাম তাহলে কাকে দিয়ে রান্না বান্না করাতেন?

    আমি হাসলাম। বললাম, ভয় নেই। অন্য কোনো সুন্দরী যুবতী এখানে আসে না, আনিও না।

    রমা আর কোনো কথা বলল না। চুপ করে রইল।

    আমি বললাম, তোমাকে ছাড়া আর কাউকেই এভাবে বিরক্ত করার অধিকার আমি পাইনি।

    মুখ নিচু করেই বললো, আমিও আর কারুর হুকুম তামিল করি না।

    তা আমি জানি।

    কিন্তু এ অধিকার আমি কেমন করে পেলাম?রমা দিল কেন?রমাইবা কোনো অধিকারে আমাকে টেলিফোন করে বলতো, ওয়েস্টনগর থেকে আমার দুই বন্ধু দুপুরে আমাদের এখানে আসবে, খাবে। তারপর আমরা তিনজনে প্লাজায় সিনেমা দেখব। আপনাকে ওদের পৌঁছে দিতে হবে।

    আমার সঙ্গে দুটি সুন্দরী মেয়েকে ছেড়ে দেওয়া কি ঠিক হবে?

    ছেড়ে দিলেও আপনার দ্বারা কিছু হবে না, তা আমি জানি।

    জান?

    নিশ্চয়ই জানি। তবে আজ তো আমিও সঙ্গে থাকব। সিনেমা দেখে আমি কি একলা বাড়ি ফিরব?

    আমি শুধু ড্রাইভারী করব নাকি আমারও একটা টিকিট কাটবে?

    ওদের সঙ্গে আপনার সিনেমায় যেতে হবে না। পরে আমি আর আপনি একদিন দেখব।

    সিনেমায় অনেকবারই আমরা গেছি। অনেক সময় জয়ন্তী বৌদি আমাদের সঙ্গে গিয়েছেন। সিনেমা দেখে বেরুবার সময় গাড়ির ল খুলতে গেলেই ও বলতো, এখনই বাড়ি যাবেন? একটু কফি-টফি খাওয়াবেন না?

    জয়ন্তী বৌদি আমাদের সঙ্গে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে বলতেন, ও সিনেমা দেখাল, আবার কফি খাওয়াবে কেন? বরং আমিই…

    তুমি ক্ষেপেছ মা? উনি থাকতে তোমার পয়সায় কফি খাব?

    আমি হাসি। জিজ্ঞাসা করি, এই রকম হ্যাংলামি করে কফি খেতে তোমার লজ্জা করে না?

    ঠোঁট উল্টে, মাথা নাড়তে নাড়তে রমা বলতো, আপনার কাছে চাইতে আবার লজ্জা কিসের?

    .

    প্রত্যেক মাসেই সুভাষদা বাড়িতে দুটো-একটা পার্টি দিতেন।

    প্রায় সব পার্টিতে আমি যেতাম। রমা দিল্লিতে থাকলে আমাকে সকালের দিকে টেলিফোন করে বলতো, আজ আপনি সেই সিল্কের পাঞ্জাবি আর ধুতি পরে আসবেন তো?

    ধুতি-পাঞ্জাবি পরে আসব কেন? বরযাত্রী যাব নাকি?

    ইয়ার্কি না, সত্যি ধুতি-পাঞ্জাবি পরে আসবেন।

    কেন?

    বাবাদের ফরেন সার্ভিসের দুই বাঙালি সাহেব আসবেন…

    তাতে কি হলো?

    ওদের সাহেবীয়ানা দেখলে আমার গা জ্বলে যায়। তাইতো ওরা এলেই বাবাকে ধুতি-পাঞ্জাবি আর মাকে লাল পেড়ে গরদের শাড়ি পরাই।

    আর তুমি?

    আর আমিও খুব সাধারণ তাঁতের শাড়ি পরি।

    সত্যি ধুতি-পাঞ্জাবি পরে আসব?

    অব কোর্স!

    .

    বসে বসে আরো কত কি মনে পড়ল। এতকাল অনেকগুলো টুকরো টুকরো ঘটনা একসঙ্গে দেখতে গিয়ে, বিচার করে মনের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিচ্ছে। সন্দেহ হচ্ছে ও হয়তো সত্যই আমাকে ভালোবাসত, আমাকে চাইত, আমাকে নিয়ে আগামী দিনের মিষ্টি-মধুর স্বপ্ন দেখে। কিন্তু এতো আমার শুধু সন্দেহ। অনুমান। আবছা ধারণা। ও কি প্রত্যাশা করেছিল আমি নিজেই এগিয়ে যাব? অনুরোধ করব বা দাবি করব, রমা, তুমি আমার। আর কাউকে বিলিয়ে দিও না, দেবে না।

    রাধাকিষণের তাগিদে আর বসে বসে ভাবতে পারলাম না। উঠে পড়লাম।

    পরের দিন সকালেই প্রেসিডেন্ট টিটো চলে গেলেন। কাজকর্ম শেষ করে দুপুরের দিকেই আমি বাড়ি এলাম। খেলাম। মুলকরাজ আনন্দের কুলিপড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়লাম।কদিন খুব পরিশ্রম গেছে বলে রাধাকিষণ আমাকে ডাকেনি, চাও দেয়নি। ঘুম ভাঙলো সন্ধ্যা ঘুরে যাবার পর। তখন প্রায় সাড়ে সাতটা বাজে। চা খেতে খেতে রাধাকিষণকে জিজ্ঞাসা করলাম, এ বেলায় কি রান্না করছ?

    এ বেলায় রান্না করিনি।

    বেশ বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, কেন?

    তিন মূর্তি লেনের মেমসাব টেলিফোন করে বললেন, আপনি ওখানে খানা খাবেন…

    তোমাকে বললেই আমি খেতে যাব?

    উনি দুবার টেলিফোন করেছেন…

    আমাকে ডাকলে না কেন?

    আমি ডাকতে চেয়েছিলাম কিন্তু ঘুম ভাঙাতে মানা করলেন।

    আমি বিছানার উপরেই চুপ করে বসে রইলাম। রাধাকিষণও পাশে দাঁড়িয়ে। কিছুক্ষণ পরে ও জিজ্ঞাসা করল, সাব খানা বানাব?

    ওর কথার সোজাসুজি জবাব না দিয়ে বললাম, ও ঘর থেকে টেলিফোনটা নিয়ে এসো।

    রাধাকিষণ টেলিফোন আনতেই ডায়াল ঘুরালাম। ডক্টর চৌধুরী বা রঞ্জনা নয় ওদের চাকরই টেলিফোনটা ধরল। জিজ্ঞাসা করলাম, সাব হ্যায়?

    হায় মাগার বাথরুম গ্যয়া।

    নায়া মেমসাহেব কাহা?

    আপ হোল্ড কিজিয়ে।

    দুএক মিনিট পরে রঞ্জনা টেলিফোন ধরতেই জিজ্ঞাসা করলাম, তুমি টেলিফোন করেছিলে?

    একবার নয় দুবার?

    কি ব্যাপার?

    আজ রাত্রে আপনি আমাদের এখানে খাবেন।

    হঠাৎ কি ব্যাপার?

    কি আবার ব্যাপার?আমি এসেছি, তাই দাদা বললেন আপনাকে যেন আজ রাত্রে খেতে বলি।

    কিন্তু।

    ওসব কিন্তু ছাড়ুন। এক্ষুনি ঘুম থেকে উঠলেন?

    হ্যাঁ।

    তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে চলে আসুন।

    শুধু সেদিন রাত্রে নয় পাঁচ-সাত দিন পর পরই ওদের ওখানে নেমন্তন্ন খেতে যেতাম। যেতেই হতো। রঞ্জনা তত বলতই, তাছাড়া ডক্টর চৌধুরী নিজেও অনুরোধ করতেন, আজ কিন্তু তাড়াতাড়ি আসবেন।

    আমি একটু সঙ্কোচ বোধ করতাম, এইতো সেদিন গিয়ে খেয়ে এলাম। আজ আবার…

    আপনি মশাই বড় লাজুক। খাওয়া-দাওয়া ব্যাপারে ব্যাচেলারের লজ্জা করলে চলে?

    আমি একটু হাসলাম, লজ্জার কিছু নয় তবে।

    ওসব তবে টবে ছাড়ুন। সাতটার মধ্যে নিশ্চয়ই আসছেন।

    আচ্ছা।

    আমাকে যেতেই হতো, না গিয়ে পারতাম না। আর ওখানে যাওয়া মানেই রঞ্জনার প্রশংসা শোনা।

    ডক্টর চৌধুরী হাসতে হাসতে বললেন, রঞ্জনা কি ডেঞ্জারাস মেয়ে তা আপনি জানেন?

    আমি হাসি।

    আমার মতো ঘুম কাতুরে লোককে পর্যন্ত ও ভোর পাঁচটায় উঠিয়ে দেয়।

    কেন?

    মর্নিং ওয়াক করতে পাঠায়।

    আমি বলি, মর্নিং ওয়াক করা সত্যি ভালো।

    ভালো তো বুঝি কিন্তু আপনি করেন?

    দুকাপ কফি নিয়ে রঞ্জনা ড্রইংরুমে ঢুকেই বললো, কি দাদা! আমার প্রশংসা করতে শুরু করেছে?

    ডক্টর চৌধুরী ডান হাত বাড়িয়ে কফির পেয়ালা নিতে নিতে বললেন, প্রশংসা নয়, নিন্দা করছি। সারা জীবনে যে সাড়ে সাতটা-আটটার আগে ঘুম থেকে ওঠেনি, আর তাকে তুমি পাঁচটার সময় মর্নিং ওয়াকএ পাঠাচ্ছ আর আমি তোমার নিন্দা করব না?

    রঞ্জনা গম্ভীর গলায় বললো, দাদা ডোন্ট ফরগেট ইউ আর অ্যাবোভ ফিফটি।

    রঞ্জনা চলে যেতেই ডক্টর চৌধুরী আবার প্রশংসা করতে শুরু করেন, মেয়েটা এসে আমার লাইফের প্যাটার্নই পাল্টে দিয়েছে।

    …রঞ্জনার ঘরেই টাইম পিস থাকে। অ্যালার্ম বাজলেই ও উঠে ডক্টর চৌধুরীর ঘরে যায়। দু একবার পাশে দাঁড়িয়ে ডাক দেয়, দাদা! দাদা।

    একটু চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে।

    আবার ডাকে, দাদা। উঠুন। পাঁচটা বাজে।

    তবুও ঘুম ভাঙে না ডক্টর চৌধুরীর। রঞ্জনা আরো একটু এগিয়ে যায়, একটু ঝুঁকে পড়ে ওঁর মাথায় হাত দিতে দিতে ডাকে, দাদা, উঠবেন না? অনেকক্ষণ অ্যালার্ম বেজে গেছে।

    ডক্টর চৌধুরী একবার এক মুহূর্তের জন্য চোখ মেলেই চমকে ওঠেন, অ্যালার্ম বেজে গেছে?

    হ্যাঁ দাদা।

    ডক্টর চৌধুরী একটু পাশ ফিরে শুতে শুতেই জিজ্ঞাসা করেন, তুমি অনেকক্ষণ ডাকছ?

    না, বেশিক্ষণ না।

    উনি ওপাশ ফিরে আবার একটু ঘুমুতে চেষ্টা করেন কিন্তু রঞ্জনা ওঁর মাথায় কপালে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে আবার ডাকে, দাদা, আর দেরি করবেন না।

    একে রঞ্জনার ডাকাডাকি তার উপর চোখের উপর এমন আলো পড়ে যে ওঁকে উঠতেই হয়। উনি বাথরুমে ঢুকলেই রঞ্জনা আবার নিজের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ে। ঘুমোয়। ডক্টর চৌধুরী বেরুবার সময় চাকরকে ডেকে দেন। ও দরজা বন্ধ করে দিয়েই দিনের কাজ শুরু করে। সাড়ে ছটা-পৌনে সাতটায় উনি মর্নিং ওয়াক করে ফিরে এসেই আবার বাথরুমে যান। স্নান সেরে বেরুতে না বেরুতেই চা হয়। রঞ্জনাও উঠে পড়ে।

    চা খেতে খেতে খবরের কাগজ পড়তে পড়তে দুজনের গল্প হয়।

    চৌধুরী বাড়ির গল্প, দেবব্রতর ছেলেবেলার গল্প, দিল্লির গল্প। কখনও কখনও বেনারসের গল্প, ওয়াশিংটনের গল্প, কায়রো মস্কোর গল্প।

    আচ্ছা দাদা, আপনার এখানে বড় দাদুর ছবি দেখি, কিন্তু আপনার নিজের দাদুর কোনো ছবি তো দেখি না।

    আমার দাদু বিশেষ সুবিধার লোক ছিলেন না। আমার দাদুর চাইতে বড় দাদুই আমাকে বেশি ভালোবাসতেন, আমিও ওঁকেই বেশি ভালোবাসতাম…

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ। তাছাড়া ওঁর জন্যই আমি একটু লেখাপড়া শিখতে পেরেছি। আমার নিজের দাদুর কাছে থাকলে আমার কিছুই হতো না।

    লেখাপড়ার প্রতি বুঝি ওঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না?

    বিন্দুমাত্র না।

    আপনারা আর আহিরীটোলায় যান না?

    আমি দু তিনবার গিয়েছি। একবার কি দুবার দেবুকেও নিয়ে গেছি।

    ওসব সম্পত্তি তো আপনাদেরই?

    ঠিক জানি না। আমার মনে হয় দাদু সব কিছু বেচে দেন।

    এখন ওখানে কারা থাকে?

    খুব দূরসম্পর্কের কিছু আত্মীয় আর কিছু ভাড়াটে।

    ডক্টর চৌধুরী যখন দেবব্রতর ছেলেবেলার গল্প করেন তখনই ভারি মজা হয়।

    তখনও আমরা সিমলায়। দেবু খুব ছোট। বড় জোর পাঁচ-ছ বছরের হবে। পাশের বাড়ির একটা পাহাড়ি মেয়ের সঙ্গে ওর খুব ভাব ছিল। কিছুকাল পরে ওরা সিমলা থেকে চলে গেলে দেবুর কি কান্না।…

    কেন?

    ডক্টর চৌধুরী হাসেন, কেন আবার? ও ঐ মেয়েটিকে বিয়ে করবে বলে পাগল।

    রঞ্জনাও হাসে। বলে, ঐ রকম একটা পাহাড়ি মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হলেই ভালো হতো।

    ডক্টর চৌধুরী হাসতে হাসতে একটু আনমনা হয়ে কি যেন ভাবেন। আমাদের আহিরীটোলার বাড়িতে এক বুড়ি থাকতেন। আমি তাকে বুড়ি পিসিমা বলে ডাকতাম। প্রথম যখন দেবুকে নিয়ে আহিরীটোলার বাড়িতে যাই উনি ওকে দেখে বলেছিলেন ওর সুন্দরী শিক্ষিতা ও বিদেশিনীর সঙ্গে বিয়ে হবে।

    রঞ্জনা বললো, কই বিদেশিনীর সঙ্গে তো বিয়ে হলো না?

    জ্যোতিষ আমি বিশ্বাস না করলেও মাঝে মাঝে বুড়ি পিসিমার কথাটা মনে হতো। বিশেষ করে ওকে লন্ডনে পাঠাবার পর একটু বেশি মনে হতো…।

    রঞ্জনা হাসতে হাসতে প্রশ্ন করে, আপনার ভাই ওখানে কাউকে বিয়ে করে রেখে আসেনি তো?

    ডক্টর চৌধুরী বেশ গর্বের সঙ্গেই জবাব দেন, ভুলে যেও না ও দেবব্রত চৌধুরী।

    একটু নীরবতা।

    জান রঞ্জনা, বুড়ি পিসিমা ঠিকই বলেছিলেন। একদিক দিয়ে তুমিও তো বিদেশিনী।

    আমি বিদেশিনী হবে কেন?

    যখন তোমার বিয়ে হলো তখন তো তুমি মস্কোর বাসিন্দা।

    রঞ্জনা চুপ করে থাকে।

    শুনেছি আমাকে নিয়েও আলোচনা হতো। কোনো না কোনো প্রসঙ্গে হয়তো আমার কথা উঠত। আচ্ছা রঞ্জনা, রিপোর্টার সাহেবের সঙ্গে তোমাদের আলাপ কি অনেক দিনের?

    উনি যখন ডক্টর রাধাকৃষ্ণণের সঙ্গে আমেরিকায় যান তখনই বাবা-মার সঙ্গে ওঁর প্রথম আলাপ।

    তাহলে তো খুব বেশি দিনের আলাপ নয়।

    না, খুব বেশি দিনের না হলেও খুব ঘনিষ্ঠতা হয়ে গেছে বাবা-মার সঙ্গে।

    তোমার বাবা-মা ওঁকে খুব ভালোবাসেন।

    উনিও বাবা-মাকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করেন।

    কোনো কোনো দিন আলোচনা আরো এগিয়ে যায়।

    রিপোর্টার সাহেব আর দেবুর মধ্যেও দারুণ ভাব তা জান?

    রঞ্জনা একটু হাসে, জানি।

    লন্ডনে দেবুর সঙ্গে প্রথম আলাপ হবার পর আমার কাছে ওর খুব প্রশংসা করেছিলেন। তুমি। তো জান যে কেউ দেবুর প্রশংসা করুক তাকে আমার ভালো লাগে।

    এটা ঠিক বললেন না দাদা।

    কেন?

    আপনার ভাইয়ের প্রশংসা করলেই ভালো আর প্রশংসা না করলেই ভালো নয়?

    আমি ঠিক তা বলিনি।

    আপনার কথা শুনে মনে হলো উনি আপনার ভাইয়ের প্রশংসা করেছিলেন বলেই ওকে আপনার ভালো লেগেছে।

    ডক্টর চৌধুরী একটু জিজ্ঞাসুদৃষ্টিতে রঞ্জনার দিকে তাকিয়ে বললেন, ভদ্রলোককে এমনি আমার ভালো লেগেছে। দেখতে-শুনতে আলাপেব্যবহারে বেশ সুন্দর তবে…

    তবে ভাইয়ের প্রশংসা করায় আরো ভালো লেগেছে তাই তো।

    ডক্টর হাসতে হাসতে বললেন, তা ঠিক।

    এরপর আপনার ভাইয়ের সঙ্গে যদি আমার কোনদিন একটু মতবিরোধ বা তর্ক হয় তাহলেই তো আপনি বলবেন, রঞ্জনা মেয়েটা ভালো না।

    না, তা বলব কেন? তবে তোমাদের মধ্যে তর্ক ঝগড়া হবেই না।

    সংসারের অভিজ্ঞতা প্রায় না থাকলেও রঞ্জনা ওঁর কথায় হাসল। দাদা, আপনি চিরকাল ল্যাবরেটারিতে কাটিয়ে মানুষকে বড় সহজ সরল মনে করেন।

    পরে টেলিফোনে ও আমাকে সব কথা জানাত। আমি শুনে হাসতাম।

    ডক্টর চৌধুরী আগে সকালে কিছুই খেতেন না। এখনও বিশেষ কিছু খান না। রঞ্জনার অনুরোধে সামান্য একটু ফল খান। সাড়ে নটাতেই ভাত খেয়ে প্ল্যানিং কমিশনে চলে যান। বিকেলের দিকে এক কাপ চা। তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরলে রঞ্জনার চাপে কিছু খেতেই হয় কিন্তু অধিকাংশ দিনই দেরি করে ফেরেন। সাতটা-সাড়ে সাতটা-আটটা বেজে যায়। মিটিং কনফারেন্স ডেলিগেশনের ঝামেলা থাকলে আরো রাত হয়। অফিস থেকে মাঝে মাঝে বাড়িতে টেলিফোন করে রঞ্জনার খবর নেন। কাজের চাপ বেশি থাকলে তাও ভুলে যান। রঞ্জনা অবশ্য রোজই দু তিনবার ফোন করে বলে, দাদা, বাবার চিঠি এসেছে।

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ। আপনারও চিঠি আছে।

    ওরা কেমন আছেন?

    ভালোই, তবে আপনাকে একবার যেতে লিখেছেন।

    ডক্টর চৌধুরী হাসেন মস্কো যদি বিহার মধ্যপ্রদেশের মধ্যে হতো তাহলে হয়তো একবার চেষ্টা করতাম, কিন্তু…

    কেন আপনি কি মস্কো যেতে পারেন না?

    সরকার পাঠালেই যেতে পারি।

    বাবার তো রিটায়ার করার টাইম হয়ে এলো।

    সে এখনও অনেক দেরি।

    তিন মূর্তি লেন থেকে বাজার অনেক দূরে। সময় কাটাবার জন্য রঞ্জনা আরো দূরের মার্কেটে যায়। কোনদিন আই-এন-এ মার্কেট, কোনোদিন গোল মার্কেট। বেশ খানিকটা সময় লাগে, কিন্তু তবু সারাটা দিন কাটতে চায় না। পারে না। অসহ্য মনে হয়। বরাবর হোস্টেলে থেকে লেখাপড়া করে একলা থাকার অভ্যাস নেই।

    হ্যালো, আমি রঞ্জনা।

    বলো কেমন আছো?

    একবার টেলিফোনও করেন না কেন বলুন তো?

    হঠাৎ টেলিফোন করেই টপ্পা-ঠুংরী গাইতে শুরু করলে কেন?

    সব সময়ই আপনার ঠাট্টা। সত্যি বলুন তো আপনি টেলিফোন করেন না কেন?

    কে টেলিফোন করল তাতে কি আসে যায়? কথা তো হচ্ছে রেগুলারই।

    টেলিফোন করলে কথা না বলে কি করবেন? বাধ্য হয়েই বলতে হয়।

    তোমার মেজাজটা খারাপ কেন বলো তো?

    মেজাজটা খারাপ হবে কেন। তবে সারাটা দিন একলা থাকতে বিশ্রী লাগে।

    আমি কি করতে পারি বল?

    কি আবার করবেন?

    তবে আর এসব কথা বলে লাভ কি?

    ঠিক আছে বলব না। ঝপাং করে টেলিফোনের রিসিভার নামিয়ে রাখল রঞ্জনা।

    মনে হলো একবার টেলিফোন করি, কিন্তু করলাম না। কিছুক্ষণ পরে মাথায় একটু দুষ্ট বুদ্ধি এলো। ডক্টর চৌধুরীকে প্ল্যানিং কমিশনে টেলিফোন করলাম, কেমন আছেন?

    ভালোই। আপনার খবর ভালো তো?

    আমার শরীরটা বিশেষ ভালো নেই।

    স্নেহপ্রবণ ডক্টর চৌধুরী একটু উৎকণ্ঠার সঙ্গে বললেন, কেন, কি হলো? জ্বর নাকি?

    জ্বর হয়নি। গাড়ির দরজা বন্ধ করতে গিয়ে ডান পায়ে দারুণ লেগেছে…

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ। একেবারে শয্যাশায়ী।

    তাহলে তো খুবই মুশকিল।

    চাকরটা না থাকায় আরো বিপদে পড়েছি।

    সেকি? খাওয়া-দাওয়ার কি হচ্ছে?

    সুন্দর নগর মার্কেটের একটা দোকানে টেলিফোন করলে ওরা কিছু পাঠিয়ে দেয়।

    মাই গড! ইউ আর রিয়েলি ইন ট্রাবল!

    রঞ্জনা ভালো আছে?

    হ্যাঁ, ভালোই আছে, কিন্তু আপনিই তো ভাবিয়ে তুললেন।

    আপনি চিন্তা করবেন না। দুএকদিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।

    .

    রাধাকিষণ দুদিনের ছুটি নিয়ে গড়মুক্তেশ্বরের মেলা দেখতে গেছে। আজই ভোরে গেছে। পরশু সন্ধ্যার পর ফিরবে। সকালে ডিম রুটি খেয়ে অফিসে গিয়েছিলাম, আবার বিকেলে খাবো। ফরেন অফিসের ব্রিফিং আছে। দুপুরবেলায় খাওয়া-দাওয়া করে একটা ঘুম দেব ভাবছিলাম, কিন্তু বাড়ি ফিরে রাধাকিষণকে না দেখতে পেয়েই মেজাজ বিগড়ে গেল। তারপর রঞ্জনার টেলিফোন। প্রথমে ভেবেছিলাম রাত্রে খেতে বলবে। নেমন্তন্ন তো করলই না উপরন্তু রাগ করে কথাবার্তা বললো। হঠাৎ বাতিক চাপল ওর হাতের রান্না খেতেই হবে। সেই জন্যই ডক্টর চৌধুরীকে টেলিফোন করে ঐসব মিথ্যে কথা বললাম। আশা করেছিলাম উনি সঙ্গে সঙ্গে রঞ্জনাকে টেলিফোন করবেন। আর তারপরই আমার টেলিফোন বেজে উঠবে।

    পাঁচ, দশ, পনের মিনিট। আধঘণ্টা। একঘণ্টাও পার হয়ে গেল। কিন্তু আমার টেলিফোন বেজে উঠল না। আরো আধঘণ্টা হয়ে গেল তবু টেলিফোন এলো না। হঠাৎ কলিং বেল বাজতেই চমকে উঠলাম। ভাবলাম নিশ্চয়ই পিয়ন এসেছে কোনো রেজিস্টার্ড বুক-পোস্ট ডেলিভেরী দিতে। দরজা খুলে দেখি রঞ্জনা। মিটমিট করে হাসছে। হাতে টিফিন কেরিয়ার।

    এসো। আমারও হাসি পাচ্ছিল, কিন্তু অনেক কষ্টে হাসি চেপে স্বাভাবিকভাবে ওকে ডাকলাম।

    ও ধীর পদক্ষেপে ড্রইংরুমে ঢুকে সেন্টার টেবিলের ওপর টিফিন কেরিয়ার রেখে একটা সোফায় বসল। মিটমিট করে হাসতে হাসতেই আমার দিকে তাকিয়ে রইল। মুখে কোন কথা নেই।

    অমন করে কি দেখছ?

    ঠিক একই রকম ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আস্তে আস্তে বললো, দেখে মনেই হয় না ভিতরে ভিতরে এত দুষ্ট বুদ্ধি।

    ন্যাকামি করে জিজ্ঞাসা করলাম, কেন? আমি কি করেছি?

    ও মাথা দোলাতে দোলাতে বললো, কিচ্ছু না।

    কথার মোড় ঘোরাবার জন্য জিজ্ঞাসা করলাম, টিফিন কেরিয়ার খালি না ভর্তি?

    রাধাকিষণ কোথায়?

    ছুটিতে।

    আবার ছুটিতে?

    দুদিনের জন্য গড়মুক্তেশ্বরের মেলা দেখতে গেছে।

    কবে গেছে?

    আজই ভোরে।

    তাহলে খাওয়া হয়নি?

    খাওয়া হয়নি বলেই গাড়ির দরজায় পাটা এমন বিচ্ছিরিভাবে জখম হলো।

    ও টিফিন কেরিয়ারটা হাতে ভিতরের দিকে যেতে যেতে আপন মনে বললো, এই না হলে জার্নালিস্ট।

    আমি চুপ করে বসে রইলাম।

    একটু পরে ডাইনিং টেবিলে খাবার-দাবার সাজিয়ে রঞ্জনা ডাকল, আসুন!

    ডাইনিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, তুমি খেয়ে এসেছ?

    হ্যাঁ।

    সত্যি বলছ?

    আপনার মতো সাজিয়ে-গুছিয়ে মিথ্যে বলার মতো ক্ষমতা আমার নেই।

    তুমি রাগ করেছ?

    ভাত ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে।

    বসলাম। ভাতে হাত দিতেই অবাক হলাম, ভাত তো দারুণ গরম, তুমি কি এক্ষুনি রান্না করে নিয়ে এলে?

    আমি রান্না করিনি। রান্না করিয়ে নিয়ে এলাম।

    এত গরম ভাত আনার কি দরকার ছিল?

    আমি জানি আপনি ঠাণ্ডা ভাত খেতে পারেন না।

    কিন্তু…

    খেয়ে নিন তো! আর বকবক করতে হবে না।

    আমি আর একটি কথা না বলে মুখ বুজে খেয়ে নিলাম। ডাইনিং টেবিলে বসেই মুখ নিচু করে বললাম, তোমাকে কষ্ট দিলাম ঠিকই, কিন্তু খুব ভালো লাগল।

    এভাবে কতদিন চলবে?

    তুমি যতদিন চালাবে।

    আরো কিছুক্ষণ গল্পগুজব করে রঞ্জনা উঠল, যাচ্ছি। রাত্রে ড্রাইভারকে দিয়ে খাবার পাঠিয়ে দেব।

    আমি হাসলাম, তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে?

    রঞ্জনা হাসতে হাসতে বললো, পায়ের ব্যথা না সারা পর্যন্ত তো দেখাশুনা করতে হবে।

    অনেক হয়েছে। আর না।

    দাদার হুকুম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৌ – নিমাই ভট্টাচার্য
    Next Article বাঙালী-টোলা – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }