Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)

    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস এক পাতা গল্প707 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সর্বসংস্কার বর্ণন

    ।। সর্ব-সংস্কার বর্ণন।।

    জাতকর্মাদি সংস্কারান্বর্ণানামনু পূৰ্বশঃ। আশ্রমাণাং চ যে ধর্ম কথয়স্য দ্বিজোত্তম।।১।। গর্ভাধানং পুংসবনং সীমান্তোন্নয়নং তথা। জাতকর্মান্ন প্রাযাশ্চ চূড়া মৌঞ্জীবন্ধনম্।।২।।

    সর্বসংস্কার বর্ণন

    সর্ব-সংস্কার বর্ণন অধ্যায়ে গর্ভাধানাদি সংস্কার সংক্ষেপে করা হয়েছে এবং আচমনবিধিও উক্ত হয়েছে।।১।।

    রাজা শতানীক বললেন, হে দ্বিজোত্তম! সকল বর্ণের জাতকর্মাদি সংস্কার তথা যে সকল আশ্রমধর্ম বর্ত্তমান তা কৃপাপূর্বক আনুপূর্বিক বর্ণনা করুন।।২।।

    বৈজিকং গাভিকং চৈনো দ্বিজানামপসৃজ্যতে। স্বাধ্যায়েন ব্ৰতৈহো মৈস্ত্রৈবিদ্যেনেজ্যয়াশ্রুতৈঃ।।৩।। মহাযঞ্জৈশ্চ ব্ৰহ্মীয়ং যজ্ঞৈশ্চ ক্রিয়তে তনুঃ। শৃণুম্বৈকমনা রাজন্যযা সা ক্রিয়তে তনুঃ।।৪।। প্রানাভিকর্তনাৎ পুংসৌ জাতকর্মবিধীয়তে। মন্ত্রবৎপ্রাশনং চাস্য হিরণ্য মধুসপির্যাম্।।৫।। নামধেয়ং দশম্যাং তু কেচিদিচ্ছন্তি পার্থিবঃ। দ্বাদশ্যামপরে রাজনমাসি পূর্ণাতথাপরে।।৬।। অষ্টাদশোহনি তথাহন্যে বদন্তি মনীষিণঃ। পুণ্যে তিথৌ মুহূর্তে চ নক্ষত্রে চ গুণান্বিতে।।৭।। মংগলং তাত বিপ্ৰস্য শিবশর্মেতিপার্থিব। রাজন্যস্য বিশিষ্টং তু ইন্দুবৰ্মেতি কথ্যতে।।৮।।

    মহর্ষি সুমন্ত বললেন, গর্ভধান, পুংসবন, সীমন্তোয়ন, জাতকর্ম, অন্নপ্রাশন, চূড়াকরণ, মৌঞ্জী নিবন্ধন, বৈজিক এবং গার্ভিক এই সকল দ্বিজের মনকে অপমৃজ্য করে। স্বাধ্যায়, ব্রত, হোম, দান, শ্রুত দ্বারা এবং মহাযজ্ঞ দ্বারা তনু ব্রহ্মীয় করতে হয়।। হে রাজন্, তুমি একাগ্রচিত্তে তা শ্রবণ কর বিপ্রকারে দেহ ব্রহ্মীয় করা হয়।।৩-৪।।

    নাভিকর্তনের পূর্বাবস্থা থেকেই জাতকর্ম আরম্ভ হয়। হিরণ্য-মধু এবং ঘৃতের প্রাশন মন্ত্রযুক্ত করতে হয়। কোনো কোনো বিদ্বান ব্যক্তি নামকরণ সংস্কার দশমী তিথি বা জন্মের পর দশম দিনে করতে হয়, আবার কোনো ব্যক্তি দ্বাদশ দিনে আবার কোনো বিদ্বান ব্যক্তি একমাস পূর্ণ হওয়ার পর নামকরণ করা উচিত বলে মনে করেন। আবার অন্য পন্ডিতগণ জন্মের পর আঠারো দিনে নামকরণ করা উচিত বলে মনে করেন। পূণ্যতিথি, সঠিক মুহূর্ত এবং গুণবান্ নক্ষত্র বিচার পূর্বক নামকরণ করা উচিত বলে সেই সকল বিদ্বান্তর্গ মনে করেন।।৫-৭।।

    বৈশস্য ধনসংযুক্তং শূদ্রস্য জুগুন্সিতম্। ধনবর্ধনেতি বৈশস্য সর্বদাসেতি হীনজে।।৯।। মনুনা চ তথা প্রোক্তং নান্মৌ লক্ষণামুত্তমম্। শর্মবদ্ ব্রাহ্মণস্য স্যাদ্রাজ্ঞো রক্ষাসমন্তিতম্।।১০।। বৈশস্য পুষ্টিসংযুক্তং শূদ্রস্য প্রেষ্য সংযুতম্। স্ত্রীণাং সুখোদ্যমক্রূরং বিস্পষ্টার্থ মনোরমম্।।১১।। মংগলং দূর্ঘবর্ণান্ত মাশীর্বাদাভিধানবৎ। দ্বাদশোহহানি রাজেন্দ্র শিশোনিষ্ক্রমণং গৃহাৎ।।১২।। চতুর্থে মাসি কর্তব্যং তথান্বেষাং মতং বিভো। যষ্ঠেহন্নপ্রাশনং মাসি যথেষ্টং মংগলং কুলে।।১৩।। চূড়াকর্ম দ্বিজাতীনাং সর্বেষামনুপূর্বশঃ। প্রথমেহ দ্বে তৃতীয়ে বা কর্তব্যং কুরুনন্দনঃ।।১৪।।

    হে বিপ্র, নামকরণ সংস্কারে দ্বিজগণের ‘শিবশর্মা’ ইত্যাদি নামকরণ করা উচিত। ক্ষত্রিয়গণের বিশেষত্বযুক্ত ইন্দুধর্মা ইত্যাদি নাম রাখা উচিত। বৈশ্যবর্গের ধনসম্পদের সংগে সংযুক্ত কোনো নাম এবং শূদ্রের জগুপ্সা বাচক নামকরণ করা উচিত।। যেমন বৈশ্যগণের নাম ধনবর্ধন এবং শূদ্রের নাম সর্বদাস হওয়া উচিত।।৮-৯।।

    ভগবান্ মনু বলেন, প্রত্যেক বর্ণের নামের উত্তম লক্ষণ হওয়া প্রয়োজন। ব্রাহ্মণের নাম ‘শর্মা’ ইত্যাদিযুক্ত, ক্ষত্রিয়বর্ণের নাম ‘রক্ষার’ সংগে সংযুক্তা, বৈশ্যগণের নাম ‘পুষ্টি’ সংযুক্ত এবং শূদ্রবর্ণের নাম ‘দাস’ সংযুক্ত হওয়া উচিৎ।। স্ত্রীগণের নাম সুখ এবং উদ্যম দ্বারা পরিপূর্ণ–স্পষ্ট অর্থ যুক্ত এবং সুন্দর হওয়া উচিৎ।। ১০-১১।।

    নাম মংগলসূচক, অন্তে আশীর্বাদ সূচক শব্দযুক্ত দীর্ঘবর্ণ হওয়া প্রয়োজন। হে রাজেন্দ্র, দ্বাদশ দিনে শিশুকে গৃহ থেকে বহিঃনিস্ক্রমণ করাতে হয়।।১২।। অন্য পন্ডিতগণ চতুর্থমাসে এই নিস্ক্রমণের কথা বলেন। ষষ্ঠমাসে অন্নপ্রাশন দ্বারা কুলগত অন্যান্য কর্ম করা উচিৎ।।১৩।।

    দ্বিজগণের চূড়ারর্ম সংস্কার আনুপূর্বিক প্রথম বা তৃতীয় বর্ষে করা প্রয়োজন।।১৪।।

    গর্ভাষ্টমেহবেদ কুর্বীত ব্রাহ্মাণস্যোপনায়নম্। গর্ভাদেকাদশো রাজক্ষত্রিয়স্য বিনির্দিশেৎ।।১৫।। দ্বাদশোহদ্বেপি গর্ভাত্তু বৈশ্যস্য ব্রতমাদিশেৎ। ব্রহ্মবর্চ,কামেন কার্যং বিপ্ৰস্য পঞ্চমে।।১৬।। বলার্থিনা তথা রাজঃ যষ্টেহব্দে কার্যমেব হি অর্থকামেন বৈশ্যস্য অষ্টমে কুরুনন্দন।।১৭।। আষোড়শাদ্‌ ব্রাহ্মণস্য সাবিত্রী ণাতিবর্ততে। দ্বাবিংশতেঃ ক্ষত্রবন্ধোরাচতুর্বিংশতে বিংশঃ।।১৮।। অত ঊর্দ্ধং তু যে রাজণ্যথা কালমসংস্কৃতাঃ। সাবিত্রীপতিতা ব্রাত্যা ব্রাত্যস্তোমাহতে ক্রতোঃ।।১৯।। ন চাপ্যেভিরপুতৈস্তু আপদ্যপি হি কহিচিৎ। ব্রাহ্মং যৌনং সম্বন্ধমাচরেদ ব্রাহ্মণৈঃ সহ।।২০।। ভবস্তি রাজংশ্চর্মানি ব্রতিনাং ত্রিবিধানি চ। কাঞ্চারৌবব বাস্তানি ব্রহ্মক্ষত্রবিশাং নৃপ।।২১।।

    ব্রাহ্মণগণের উপনয়ন সংস্কার গর্ভষ্টমে করা শাস্ত্র সম্মত। গর্ভ থেকে একাদশ বর্ষে ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্যগণের দ্বাদশ বর্ষে উপনয়ন সংস্কার করা প্রয়োজন। ব্রহ্মাচর্য পালনকারী ব্রাহ্মণের পঞ্চমবর্ষে উপনয়ন সংস্কার করা উচিৎ, রক্ষাকারী ক্ষত্রিয়ের ষষ্ঠ বর্ষে এবং অর্থকামী বৈশ্যের অষ্টমবর্ষে উপনয়ন সংস্কার করাই শাস্ত্রীয় বিধান।।১৫-১৭।।

    ব্রাহ্মণে সাবিত্রীব্রত বা উপনয়ন সংস্কার ষোড়শবর্ষ অতিক্রম করা উচিৎ নয়। ক্ষত্রিয়বর্ণের দ্বাবিংশ এবং বৈশ্যগণে চতুর্বিংশ বয়ঃক্রম অতিক্ৰম না করে উপনয়ন সংস্কার করা উচিৎ।।

    দ্বিজাতীয়গণের মধ্যে যে সকল ব্যক্তি এই অবস্থা স্বীকার না করে যথা সময়ে উপনয়ন দ্বারা সংস্কৃত হন না তাঁরা সাবিত্রীপতিত হয়ে ব্রাত্য হন। তাদের স্তোম নামক ত্রুতু ব্যতীত ব্রাহ্ম এবং গার্হস্থ্য সম্বন্ধ না করা উচিৎ।। না করা হলে ব্রাহ্মণগণ ব্রাহ্মণ ইত্যাদি বর্ণভুক্ত হন না। হে নৃপ, ব্ৰত পালনকারীদের তিন প্রকার চর্ম দ্বারা ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্যগণের যথাক্রমে কার্ফ, রৌরব ও বাস্তু কৰ্ম।।১৮-২১।।

    বসীরংশ্চানুপূর্বের্ণ বস্ত্রানি বিবিধানি তু ব্রহ্মক্ষত্রবিশো রাজঞ্ছাণক্ষৌমাদিকানি চ।। ২২।। মৌজ্ঞী হিবুৎসা কার্যা বিপ্ৰস্য মেখলা। ক্ষত্রিয়স্য চ মৌবীজ্যা বৈশ্যস্য শণতান্তবী।।২৩।। মুঞ্ছালাভে তু কর্তব্যা কুশাশ্ম তকবল্কজৈঃ। ত্রিবৃতা গ্রন্থিনৈকেন তিথিঃ পঞ্চভিরেব চ।।২৪।। কার্পাস মুপবীতং স্বাদ্বিপ্রস্যেধ্ববৃতং ত্রিবৃৎ। শণসূত্রময়ং রাজ্ঞো বৈশ্যস্যাবিকসৌত্রিকম্।।২৫।। পুস্করানি তথা চৈমাং ভবন্তি ত্রিবিধানি তু। ব্রহ্মণো বৈল্বপালাশৌ তৃতীয়ং প্লক্ষজং নৃপ।।২৬।। বাটখাদিরৌ ক্ষত্রিয়স্তু তথাণ্যং বেতসোদ্ভবম্। পৈলবোদুম্বরৌ বৈশ্যস্তথাশ্বহুজমেব হি।।২৭।।

    ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্যগণ ক্রমান্বয়ে শন, এবং ক্ষৌম ইত্যাদি বিবিধপ্রকার বস্ত্রধারণ করবেন।।২২।।

    ব্রাহ্মণের ত্রিদন্ডী উপবীত হওয়া উচিৎ এবং মৌজীতৃণ নির্মিত মেখলা, ক্ষত্রিয়গণের মুঠাতৃণ নির্মিত মেখলা এবং বৈশ্যবর্ণের শনতন্ত্র নির্মিত মেখলা হওয়া প্রয়োজন।।২৩।।

    মুঞ্জাতৃণ প্রাপ্ত না হলে কুশ দ্বারা বা উপলতৃণ দ্বারা মেখলা বানানো কর্তব্য। একগ্রন্থিযুক্ত ত্রি বা পঞ্চ উপবীত পরিধান করা উচিৎ।।২৪।।

    বিপ্রগণের উপবীত কার্পাসসূত্র নির্মিত, ক্ষত্রিয়গণের শন নির্মিত এবং বৈশ্যগণের মেষলোম নির্মিত হবে।।২৫।।

    ব্রাহ্মণাদি ত্রিবর্ণের দন্ডও তিনপ্রকার হবে। ব্রাহ্মণের বিল্বদন্ড বা পলাশ বৃক্ষের দন্ডহবে। যদি এই দুই দন্ড প্রাপ্ত না হয় তাহলে প্লক্ষদন্ড ধারণ করা উচিৎ। ক্ষত্রিয়গণের বটবৃক্ষের দন্ড বা খদির দন্ড বা বেতসদন্ড ধারণ করা কর্তব্য এবং বৈশ্যগণ পীলুবৃক্ষ দন্ড বা ডুমুরবৃক্ষদন্ড বা অশ্বত্থদন্ড ধারণ করবেন।।২৬-২৭।।

    দন্ড নেতান্মহাবাহো ধর্মতোহ ইতি ধারিতুম্। কেশান্তিকো ব্রহ্মণস্য দন্ডঃ কাৰ্যঃ প্ৰমাণতঃ।২৮।। ললাটসন্মিতো রাজ্ঞঃ স্যাত্ত্ব নাসান্তিকোবিশঃ। ঋজবস্তে তু সর্বে সাব্রাহ্মণাঃ সৌম্যদর্শনাঃ।।২৯।। অনুদ্বেগকরা নৃণাং সত্ত্বচো নাগ্নিদূষিতাঃ। প্রগৃহ্য চেপিসতং দন্ডমুপস্থায় চ ভাস্করম্।।৩০।। সম্যগগুরু তথাপূজ্য চরেদ্ভৈক্ষ্যং যথবিধি। ভবৎপূর্ব চরেদ্ভৈক্ষ্যপনীতো দ্বিজোত্তমঃ।।৩১।। ভবণ মধ্যং তু রাজন্যো বৈশ্যস্য ভবদুত্তরম্। মাতরং বা স্বসারং বা মাতুর্বা ভগিণীং নিজাম্।।৩২।।

    হে মহাবাহু, ত্রিবর্ণের পুরুষগণ উক্তপ্রকার দন্ড ধারণের যোগ্য। ব্রাহ্মণগণ কেশ পর্যন্ত লম্বদন্ড ধারণ করবেন। ক্ষত্রিয়গণ কপালপর্যন্ত উচ্চ দন্ড ধারণ করবেন। বৈশ্যগণ নাসিকা পর্যন্ত দীর্ঘ দন্ড ধারণ করবেন। এই তিনপ্রকার দন্ডই ঋ জু হওয়া আবশ্যক।। ব্রাহ্মণের দন্ড সুন্দর, দর্শনীয় হওয়া উচিৎ।।২৮-২৯।।

    দন্ডসকল মানুষের উদ্বেগের কারণ যেন না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। এছাড়া দন্ডটি ছালযুক্ত এবং অগ্নিদগ্ধ না হওয়া উচিত। এইরূপে দন্ডগ্রহণ পূর্বক দন্ডমধ্যে ভাস্কর ভগবানের উপস্থাপনা করতে হয়।।৩০।।

    নিজগুরুকে সম্যকরূপে অর্চনা করে উপনীতগণ ভিক্ষা প্রার্থনা করবেন। ব্রাহ্মণগণ ভিক্ষা প্রার্থনা করার সময় আদিতে ভবৎ শব্দ প্রযুক্ত করে “ভবতি ভিক্ষাং দেহি” ইত্যাদি বাক্য উচ্চারণ করবেন। ক্ষত্রিয়গণ ‘ভবৎ’ শব্দ মধ্যে প্রযুক্ত করে “ভিক্ষাং ভবতি দেহি” ইত্যাদি বলবেন এবং বৈশ্যগণ ‘ভবৎ’ শব্দ অন্ডে প্রযুক্ত করে “ভিক্ষাং দেহি ভবতি” ইত্যাদি রূপে ভিক্ষা প্রার্থনা করবেন। মাতা, ভগিনী অথবা মাতৃস্বসার নিকট ভিক্ষা প্রার্থনা করতে হয়। মাতাকে “ভো মাতঃ” এই প্রকার সম্বোধনপূর্বক ভিক্ষা প্রার্থনা করা বিধেয়।।৩১-৩২।।

    ভিক্ষেৎ ভৈক্ষ্যং প্রথমং যা চৈণং নাবমানয়েৎ। সুবণং রজতং চান্নং সা পাত্রেহস্য বিনির্দশেৎ।।৩৩।। সমাহৃত্য ততৌ ভৈক্ষং যাবদর্থমমায়। নিবেদ্য গুরুবেহস্ত্রীয়াদাচম্য প্রঙ্ মুখঃ শুচিঃ ৩৪।। আয়ুষ্যং প্রাখো ভুঙক্তে যশস্যং দক্ষিণামুখঃ। শ্রিয়ং প্রত্যখো ভুঙক্তে ঋঙক্তে উদয়খঃ।।৩৫।। উপস্পৃশ্য দ্বিজো রাজন্নন্নমদ্যাৎ সমাহিতঃ। ভুক্ত্বা চোপস্পৃশোৎ সম্যগপ্তিঃ খানিচ সংশৃশেৎ।।৩৬।। তথান্নং পূজয়েন্নিত্যংদ্যাচ্চৈতদকুৎসয়ন্। দর্শাণাত্তস্য হৃষ্যেদ্বৈ প্রসীদেচ্চাপি ভারত।।৩৭।। অভিনন্দ্য ততোহশ্ৰীয়াদিত্যেবং মনুব্রবীৎ। পূজিতং ত্বশণং নিত্যং বলভোজশ্চ যচ্ছতি।।৩৮।।

    ব্রহ্মচারী সর্বপ্রথম যাঁর কাছে ভিক্ষা প্রার্থনা করেন, তাঁর ব্রহ্মচারীকে অপমান করা উচিৎ নয়। তিনি ব্রহ্মচারীর ভিক্ষাপাত্রে সোনা, রূপা অথবা অন্ন ভিক্ষা দেবেন।।৩৩।।

    ব্রহ্মচারী যা কিছু ভিক্ষা প্রাপ্ত হন এবং যা যা ভিক্ষার প্রয়োজন সকল কিছুই তিনি আচার্যদেবকে নিবেদন করবেন।। অতঃপর গুরু আজ্ঞা প্রাপ্ত হয়ে মুখ হস্ত পদাদি ধৌত করে, আচমনপূর্বক ভোজন করবেন।।৩৪।।

    যিনি পূর্বমুখে ভোজন করেন তিনি দীর্ঘায়ু প্রাপ্ত হন। দক্ষিণ মুখ হয়ে ভোজন করেন তিনি যশ লাভ করেন। পশ্চিম মুখে ভোজনকারী শ্রী অর্থাৎ সম্পদ লাভ করেন এবং উত্তর মুখে ভোজন করলে সত্য লাভ করে।।৩৫।।

    হে রাজন, দ্বিজগণের আচমনপূর্বক ভোজন করা উচিৎ এবং ভোজন সমাপনান্তে আচমন করা একান্ত কর্তব্য।।৩৬।।

    প্রত্যহ অন্নের পূজনপূর্বক কোনোরূপ অশুচি না করে প্রফুল্লতা লাভ করা কর্তব্য।।৩৭।।

    অপূজিতং তু তদ্ভুক্তমুয়ং নাশয়েদিদম্। নোচ্ছিষ্টং কস্যচিদদ্যান্নাদ্যাচ্চৈতও যান্তরা।।৩৯।। যত্ত্বন্নমন্তরা কৃত্বা লোভাদপি নৃপোত্তম। বিনাশং যাতি স নর ইহ লোকে পরত্র চ। যথাভবৎপুরা বৈশ্যো ধনবৰ্দ্ধনং সংজ্ঞিতঃ।।৪০।। স কথামন্তরং পূর্বমত্রস্য দ্বিজসত্তম্। কিমন্তরং তথান্নস্য কথা বা তৎকৃতং ভবেৎ।।৪১।। পুরা কৃতযুগে রাজনবৈশ্যো বসতি পুস্করে। ধনবর্ধণামাবৈ সমুদ্বৌ ধন ধান্যতঃ।।৪২।। নিদাঘকালে রাজেন্দ্র স কৃত্বা বৈশ্বদেবিকম্। সুপুত্র ভাতৃভিঃ সার্ধং তথা বৈ মিথবন্ধভিঃ। আচারং কুরুতে রাজভক্ষ্যভোজ্য সমন্বিতম্।।৪৩।।

    ভগবান মনু বলেছেন, প্রথমে অন্নের অভিনন্দন করে ভোজন করা উচিৎ। যে অন্নকে প্রত্যহ এইরূপে পূজা ও সংস্কার করে ভোজন করা হয় সেই অন্ন বল ও তেজ প্রদান করে। আর যে অন্ন পূজিত হন না সেই অন্ন বল ও তেজ উভয়কেই নিবষ্ট করে। উচ্ছিষ্ট অন্ন বা তৎসদৃশ কোনো প্রকার অন্ন ভক্ষণ করা উচিৎ নয়।।৩৮-৩৯।।

    যে ব্যক্তি লোভ বশতঃ উচ্ছিষ্টান্ন ভোজন করে সেই ব্যক্তি পীড়াকালে বিনাশপ্রাপ্ত ও ধনবর্দ্ধন নামক বৈশ্যের ন্যায় ইহলোক ও পরলোক উভয় জায়গায় বিনাশ প্রাপ্ত হয়।।৪০।।

    রাজা শতানীক বললেন, হে দ্বিজশ্রেষ্ঠ ধনবর্দ্ধন কিভাবে অন্নের ব্যবধান কি এবং তা কি প্রকারে হয় তা বলুন।।৪১।।

    মহর্ষি সুমন্ত বললেন, প্রাচীনকালে সত্যযুগে পুস্কর নামক স্থানে ধন- ধান্য-সম্পদে পূর্ণ ধনবর্দ্ধন নামে এক বৈশ্য বাস করতেন।।৪২।।

    হে রাজেন্দ্র, গ্রীষ্মকালে তিনি বিশ্ব দৈবিক করেছিলেন এবং নিজ পুত্র ও ভ্রাতাদের সংগে তথা মিত্রদের সংগে বহুভোজযুক্ত হয়ে ভোজন করছিলেন।।৪৩।।

    অথ তদ্ভুঞ্জস্তস্য অন্নং শদ্বো মহানভূৎ। করুণঃ কুরুশার্দূল অথ তংস প্রধাবিতঃ।।৪৪।। ত্যক্ত্বা স ভোজনং যাবন্নিষ্ক্রান্তো গৃহবাহ্যতঃ। অথ শব্দস্তিরোভূতঃ স ভূয়ো গৃহমাগতঃ।।৪৫।। তমেব ভোজনং গৃহ্য আহারং কৃতবানৃপ। ভূক্তশেযং মহাবাহো আহারং সতু ভূক্তবান্।।৪৬।। ভূক্তা স শতধা জাতস্তসিমম্মেব ক্ষণো নৃপ তসমাদং ন রাজেন্দ্র অশীয়াদত্তরা ক্বচিৎ।।৪৭।। ন চৈবাত্যশানং কুর্যান্ন চোচ্ছিষ্টঃ কচিজেৎ। রসৌ ভবত্যত্যনশানাদ্রসাদ্রোগঃ প্রবর্ততে।।৪৮।। স্নাণং দানং জাপো হোমঃ পিতৃদেবাভিপূজনম্। ন ভবন্তি রসে জাতে নারাণাং ভরতমভ।।৪৯।। অনারোগ্যমনায়ুষ্যস্বর্গ্যং চাতিভোজনম্। অপুণ্যং লোকবিদ্বিষ্টং তৈসমাত্তৎপরিবর্জয়েৎ।।৫০।।

    অতঃপর তিনি যখন ভোজন করছিলেন তখন এক মহাশব্দ উৎপন্ন হয়। হে কুরুশার্দূল, তিনি তখন সেই শব্দের অনুসরণ করে অত্যন্ত করুণভাবে ধাবন করলেন।। ৪৪।।

    ভোজন ত্যাগপূর্বক তিনি যখন ঘর থেকে বাইরে নির্গত হলেন তখন সেই শব্দ তিরোহিত হয়ে গেল। তিনি পুনরায় ঘরে পিরে এসেছিলেন।।৪৫।।

    হে নৃপ, সেই ত্যক্ত্ব পাত্র থেকে তিনি অবশিষ্ট খাদ্য খেয়েছিলেন।।৪৬।।

    হে নৃপ, সেই খাদ্য গ্রহণ করে তিনি শত ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। সুতরাং হে রাজেন্দ্র ঐরূপ ত্যক্ত অন্ন কদাপি ভক্ষণ করা উচিৎ নয়।।৪৭।।

    অত্যধিক ভোজন করাও কখনও উচিৎ নয়। আবার উচ্ছিষ্ট ভোজন করাও অনুচিৎ। অতিরিক্ত ভোজন থেকে রস উৎপন্ন হয় এবং রস থেকে রোগ সৃষ্টি হয়।।৪৮।।

    যক্ষভূতপিশাচানাং রক্ষসাং চ নৃপোত্তম। গম্যো ভবতি বৈ বিপ্ৰ উচ্ছিষ্টো নাত্র সংশয়ঃ।।৫১।। শুচিত্বমাশ্রয়েওসমাচ্ছচিত্বানেমাদতে দিতি সুখেন চেহ রমতে ইতীয়ং বৈগিকীশ্রুতিঃ।।৫২।।

    স্নান, দান, জপ, হোম, পিতৃগণ ও দেবপূজন করলে মানুষের ম্যধ্য রস উৎপন্ন হয় না। হে ভরতর্যভ, অতি ভোজনে অনারোগ্য, অনামুষ্য, অপুণ্য, লোকদ্বেষ তথা স্বর্গহানি ঘটে। সুতরাং তা বর্জন করা উচিৎ, শুচিতার আশ্রয় গ্রহণ করলে সুখে পৃথিবীতে রমণ করা যায়–এই হল বৈদিক মত।।৪৯-৫২।।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত
    Next Article দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }