Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)

    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস এক পাতা গল্প707 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্রাহ্মণ লক্ষণ তথা ব্রাহ্মণ কর্তব্য বর্ণন

    ।। ব্রাহ্মণলক্ষণ তথা ব্রাহ্মণকর্তব্যবর্ণনম্।।

    ।। ব্রাহ্মণ লক্ষণ তথা ব্রাহ্মণ কর্তব্য বর্ণনা।।

    এই অধ্যায়ে ত্রৈবর্ণিকের প্রশংসা করে ব্রাহ্মণের লক্ষণ এবং কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।

    ত্রয়ানামেব বণানাং জন্মতো ব্রাহ্মণঃ প্রভুঃ। সংসৃষ্টা ব্রাহ্মণাঃ পূর্ব তপস্তপ্তবা দ্বিজোত্তমাঃ।।১।। হব্যানামিহ কব্যানাং সর্বস্যাপি চ গুপ্তয়ে। অশ্বস্তি চ মুখেনায্য হব্যানি ত্রিদিবৌকম্।।২।। কব্যানি চৈব পিতরঃ কিং ভূতমধিকং ততঃ। জন্মনা চোত্তমোহয়ং চ সর্বাচা ব্রাহ্মনোহইতি।।৩।। স্বকীয়ং ব্রাহ্মনো ভুঙক্তে বিদধাতি দ্বিজোত্তমাঃ। ত্রয়াণামিহ বণানাং ভাবাভাবায় বৈ দ্বিজা।।৪।। ভবেদ বিপ্ৰ ন সন্দেহস্তষ্টো ভাবায় বৈ ভবেৎ। অভাবায় ভবেৎ ক্রদ্ধস্তস্মাৎপূজ্যঃ সদা হি সঃ।।৫।।

    শ্রী সুতহী বললেন, তিনবর্ণের মধ্যে ব্রাহ্মণই হল প্রভু। হে দ্বিজোত্তম, তপস্যা করে প্রথমে ব্রাহ্মণের সৃষ্টি হয়।।১।।

    এই লোকে হব্য এবং কাব্যের রক্ষার্থে দেবতা ব্রাহ্মণদের মুখ দিয়ে খাদ্যগ্রহণ করেন। সুতরাং ব্রাহ্মণজনক সর্বোত্তম এবং ব্রাহ্মণ সকলের পূজা গ্রহণের যোগ্য।।২-৩।।

    ব্রাহ্মণ স্বয়ং খাদ্যগ্রহণ করেন এবং তিনবর্ণের ভাব ভাবের জন্য তাদেরও দান করেন।।৪।।

    বিপ্র ভাবের জন্য তুষ্ট থাকেন এবং অভাব পরিলক্ষিত হলে তিনি ক্রুদ্ধ হন। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।। এই জন্য ব্রাহ্মণ সর্বদা পূজনীয়।।৫।।

    গভাধানাদয়শ্চেহ সংস্কার যস্য সত্তমাঃ চত্বারিশংস্তথা চাষ্টো নিৰ্বতা শাস্ত্ৰতো দ্বিজাঃ। স যাতি ব্রহ্মনাঃ স্থানং ব্রাহ্মণত্বেন দ্বিজাঃ।।৬।। সংস্কারপূতং প্রথমো বেদপুতো দ্বিতীয়কঃ। বিদ্যাতত্ত্বতীয় স্যাত্তীর্থপূতত্ত্বনন্তরম্।।৭।। ক্ষেত্রপূতম প্রবিজ্ঞায় বিপুতং পূজয়েদ দ্বিজাঃ। স্বগাপকাফলদমন্যথা শ্ৰমতায়িয়াৎ।।৮।। পূতানাং পরমঃ পূতো গুরুণাং পরমো গুরুঃ। সর্বসত্বান্বিতো বিপ্রো নিমিতো ব্রহ্মণ পুরা।।৯।। পূজয়িত্বা দ্বিজান্দেবাঃ স্বর্গং ভূজ্ঞত্তিচাক্ষয়ম্। মনুষ্যাশ্চাপি দেবত্বং স্বং স্বং রাজ্যংগতেন চ।।১০।।

    হে দ্বিজবর্গ, এই লোকে গর্ভাধানাদি আটচল্লিশ সংস্কার যে ব্রাহ্মণ শাস্ত্রানুসারে পূর্ণ করেন, তিনি ব্রহ্মস্থান প্রাপ্ত হন এবং তিনি ব্রাহ্মণত্ব সংযুক্ত হন।।৬।।

    যে ব্রাহ্মণ সংস্কার দ্বারা পবিত্র হন তিনি প্রথম, যিনি বেদাধ্যয়ন এবং অধ্যাপনের দ্বারা পূত হন তিনি দ্বিতীয়। বিদ্যা-জ্ঞান দ্বারা পূত ব্রাহ্মণ তৃতীয় স্থানপ্রাপ্ত হন। অনন্তর তীর্থের দ্বারা নিজেকে পূত করতে হয়। ক্ষেত্রপূত ব্রাহ্মণকে বিশেষরূপে জ্ঞাত হয়ে তাঁকে পূজা করতে হয়। অন্যথ্য স্বর্তাপকা ফল প্রদানকারী ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়।।৭-৮।।

    পূতগণের মধ্যে পরমপূত গুরুগণের মধ্যে পরমগুরু এবং সর্বসত্ত্বের দ্বারা অঙ্কিত বিপ্রকে ভগবান ব্রহ্মা প্রথমে সৃষ্টি করেছেন।।৯।।

    দ্বিজগণকে পূজা করে দেবতা অক্ষয় স্বৰ্গ উপভোগ করেন। মনুষ্যগণও ব্রাহ্মণ অর্চনের দ্বারা নিজ নিজ রাজ্য লাভ করে দেবত্ব প্রাপ্ত হন।। ব্রাহ্মণের অর্চনের দ্বারাই এইসব সম্ভব।।১০।।

    যস্য বিপ্রা প্রসীদন্তি তস্য বিষ্ণু প্রসীদতি। তস্মাদ ব্রাহ্মণপূজায়াং বিষ্ণুস্তয্যতি তৎক্ষণাৎ।।১১।। যস্মাদ বিষ্ণুমুখাদ বিপ্ৰ সমুদ্ভূত পুরাদ্বিজা। বেদান্তত্রৈব স জ্ঞতা সৃষ্টি সংহারহেতব।।১২।। তস্মাদ বিপ্রপ্রমুখে বেদাশ্চাপিতা পুরুযেন হি। পূজার্থং ব্রহ্মলোকানাং স্বজ্ঞানথতো ধ্রুবম।।১৩।। পিতৃযজ্ঞবিবাছে বহ্নিকাযেযু শান্তিষু। প্রশস্তা ব্রাহ্মণা নিত্যং সর্বস্ব স্ত্যয়নেষু চ।।১৪।। দেবাভুজ্ঞপ্তি হব্যানি বলিং প্রেতাদয়োহ সুরাঃ। পিতরো হব্যানি বিপ্রস্যৈব মুখাদ ধ্রুবম্।।১৫।। দেবেভ্যশ্চ পিতৃভ্যশ্চ যো দদ্যাদ্যজ্ঞকর্মসু। দানং হোমং বলিং চৈব বিনা বিপ্রেন নিষসালম্।।১৬।

    ব্রাহ্মণ যার উপর প্রসন্ন হন, ভগবান বিষ্ণুও তার উপর প্রসন্ন হন। এই কারণে ব্রাহ্মণপূজন করলে বিষ্ণু তৎক্ষণাৎ প্ৰসন্ন হন।।১১।।

    হে দ্বিজগণ, ভগবান বিষ্ণুর যে মুখ থেকে প্রথমে ব্রাহ্মণ উৎপন্ন হয়েছেন, বেদসকল সেখান থেকে উৎপন্ন হয়েছে যা জগৎ সৃষ্টির ও সংহারের হেতু। এই কারণে প্রথমে পুরুষ দ্বারা বিপ্রের মুখে বেদকে তিনি অর্পিত করেন। সকলের জ্ঞানার্থে নিশ্চিতরূপে বেদের সমর্পণ ব্রহ্মলোকের পূজা জন্য।। ১২-১৩।।

    পিতৃযজ্ঞ, বিবাহ, বহ্নিকার্য, শান্তিকার্য এবং সমস্ত স্বস্ত্যয়ন কর্মে ব্রাহ্মণগণ প্রশস্ত।।১৪।।

    ব্রাহ্মণের মুখ দিয়ে দেবগণ হব্য, প্রেতাদি অসুরগণ বলি এবং পিতৃগণ কব্য ভোগ করে থাকেন।।১৫।।

    যে ব্যক্তি যজ্ঞকর্মে দেবগণের জন্য এবং পিতৃগণের জন্য দান, হোম এবং বলি প্রদান করেন তিনি ব্রাহ্মণের মাধ্য·ে দান করে সফল বন, অন্যথা সকল দান নিষ্ফল হয়।।১৬।।

    বিনা বিপ্ৰং চ যো ধর্ম প্রয়াসফলমাত্রকঃ। ভূজ্ঞতে চাসুরাস্তত্র প্রেতা ভূতাশ্চ রাক্ষসা।। ১৭।। তস্মাদ ব্রাহ্মণমাহুয় তস্য পূজাচ কারয়েৎ।

    কালে দেশে চ পাত্রে চ লক্ষকোটি গুনং ভবেৎ।।১৮।। শ্রদ্ধয়া চ দ্বিজং দৃষ্টা প্রকযাদ অভিবাদনম্। দীর্ঘায়ুস্তস্য বাক্যেন চিরঞ্জীবী ভবেন্নরঃ।।১৯।। অনভিবাদিনাং বিপ্রে দ্বেষাদ শ্রদ্ধয়াপি চ। আয়ু ক্ষীনং ভবেৎ পুংসা ভূমি নাশশ্চদুগতিঃ।। ২০।। আয়ুবৃদ্ধিযশোবৃদ্ধি বৃদ্ধি বিদ্যা মস্য চ। পূজয়িত্বা দ্বিজশ্রেষ্ঠান ভবেন্নাস্ত্যত্র সংশয়ঃ।।২১।। ন বিপ্ৰপাদোদক কদমানি/ ন বেদশাস্ত্রপ্রতিগজিতানি। স্বাহাস্বধাস্বস্তি বিরাজিতানি/ শ্মশানতুল্যানি গৃহানি তানি।। ২২।।

    ব্রাহ্মণ ব্যতীত যিনি ধর্মকার্য করেন, তাতে কেবল চেষ্টাই সার হয়, অন্য সবকিছু নিষ্ফল হয়। সেখানে অসুর, প্রেত, ভূত এবং রাক্ষস সেই ফল ভোগ করে। এই কারণে ব্রাহ্মণের আবাহন করে, তাঁকে পূজা করতে হয়। দেশ কাল এবং পাত্রে লক্ষকোটিগুণ ফল প্রাপ্ত করা যায়। অর্থাৎ সমুচিৎ সময়, পবিত্র স্থান এবং পরমযোগ্য ব্রাহ্মণের পূজা অনেক গুণ ফল প্রদান করে।।১৭-১৮।।

    ব্রাহ্মণকে শ্রদ্ধার সংগে দর্শন করতে হয়, এবং বিধিবৎ অভিবাদন করতে হয়। তিনি যে আশীর্বাণী প্রদান করেন, তাতে প্রণামকারী ব্যক্তি দীর্ঘায়ু হন এবং চিরকাল জীবিত থাকেন।১৯।।

    কোন প্রকার দ্বেষ বা হিংসাবশতঃ যে ব্যক্তি ব্রাহ্মণকে অভিবাদন করেন না তিনি ক্ষীণায়ু হন এবং তাঁর ভূমিনাশ হয় ও তিনি দুৰ্গতিপ্রাপ্ত হন।।২০।। এই লোকে দ্বিজশ্রেষ্ঠগণের পূজার্চনা করলে আয়ু, যশ এবং ধন সম্পদ বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।।২১।।

    যড়বিংশতি দোষমাহুনরা নরকভীরব। বিমুচৈব্য বসেতীর্থ গ্রামে বা পত্তনে বনে।।২৩।। তে স্বগে পিতৃলোকে চ ব্রহ্মলোকেম্ববস্থিতাঃ২৪।। অন্যথা ন বসেদ বাসস্তস্মাৎস্তেয়ী ন পালয়েৎ। অর্ধমো বিমমশ্চৈব পশুশ্চ বিশুনস্তথা।।২৫।। পাপিষ্ঠো নষ্ট কষ্টো চ রুষ্টো দুষ্টশ্চ পুষ্টক। হৃষ্টঃ কুণ্ঠশ্চ অন্ধশ্চ কানশ্চৈব তথাপবঃ।।২৬।। চন্ড খন্ডশ্চ বক্তাং চ দত্তস্যাপহরস্তথা। নীচঃ খলশ্চ বাচাল কদমশ্চপল স্তৰ্থা।।২৭।। মলীমসশ্চ তে দোসা ষড়বিংশতিরমী মতাঃ। এতেষাং চাপি বিপ্রেন্দ্রা পশ্চাশীতিনিগদ্যতে।।২৮।। শৃত্বং দ্বিজশাদূলা শাস্ত্রে স্থিনধ্রুবত ক্ৰমাৎ। অধমোহত্র ত্রিধা বিদ্যাদ্বিযম স্যাদ্বিধোচিতঃ।।২৯।।

    যে ব্যক্তির গৃহ ব্রাহ্মণের পাদোদকে কর্দমাক্ত হয়নি, যে ব্যক্তির গৃহ বেদ ব্রাহ্মণ লক্ষণ তথা ব্রাহ্মণ কর্তব্য বর্ণন এবং শাস্ত্রমন্ত্র দ্বারা ধ্বনিত হয়নি, যে ব্যক্তির গৃহ স্বাবাও স্বধা তথা স্বস্তি বচনে রহিত সেই গৃহ শ্মশানতুল্য।।২২।।

    নরকভীত মনুষ্য ছাব্বিশ (ষড়বিংশ) প্রকার দোষের কথা বলেন। এই দোয় থেকে নিবৃত্ত হতে তীর্থে, আশ্রমে, নগরে, বনে নিবাস করা উচিৎ। এই রকম মনুষ্য স্বর্গে, পিতৃ-লোকে, ব্রাহ্মলোকে অবস্থান করেন।।২৩-২৪।।

    এতদ্‌ভিন্ন অন্য কোনো প্রকার নিবাস করা উচিৎ নয়। স্তেয়ী অর্থাৎ চোরকে পালন করা অনুচিত। অধর্মী, বিষম, পশু, পিশুন, পারিষ্ট, নষ্ট। কষ্ট, রুষ্ট, হৃষ্ট, পুষ্টক, দুষ্ট, কুষ্ট অন্ধ, কাণা এবং চন্ড, বক্তা, দত্তাপহারক নীচ, খল, বাচাল, কদর্য, চল, মলীমস–এইগুলি ষড়বিংশতি দোষের অন্তর্গত।। হে বিপ্ৰেল, এই সকল দোষকে পৈশাচী বলে।।২৫-২৮।।

    পশুশ্চতুবিধশ্চৈব কৃপনোপি হি বৈ দ্বিধা। দ্বিধাযাপি চ পাপিষ্ঠো নষ্টা সপ্তবিধ স্মৃত।।৩০॥ কষ্ট স্যাৎপঞ্চধা জ্ঞেয়ঃ রুষ্টোপি স্যাদদ্বিধা দ্বিজা। দুষ্ট স্যাদ যড়বিধো পুষ্টশ্চৈবভবেৎ দ্বিবা।।৩১।। হৃষ্টচাষ্টবিধং প্রোক্তাং কুষ্ঠাশ্চৈব ত্রিধোদিতঃ।

    অন্ধঃ কানশ্চ তৌ দ্বৌ দ্বৌ স্যাদ্বৌ চ সগুণোহগুণঃ।।৩২ দ্বৌ চড়ৌ চপলশ্চৈকাবন্ডচন্ডৌ দ্বিগুভবেৎ। দন্ডপন্ডৌ তথা জ্ঞেয়ৌ খলনীচৌ চতুদ্বয়ম্।।৩৩। বাচালশ্চ কদৰ্যশ্চ ক্রমাত্রিভিরুদাহাতঃ। কদর্যশ্চপলশ্চৈব তথা জ্ঞেয় মলীমসঃ।।৩৪।। দ্বাবেকৌ চতুরশ্চৈব স্তেয়ী চৈকবিধো ভবেৎ। পৃথগলক্ষণমেতেষা শুনুধ্বং দ্বিজসত্তমাঃ।।৩৫।। সম্যগ্যস্য পরিজ্ঞাং নরো দেবত্বমাপুয়াৎ। উপানচ্ছত্রধারী চ গুরুদেবাগ্রতশ্চরন্।।৩৬।।

    হে দ্বিজ শার্দুল, অতঃপর আপনি শাস্ত্রানুসারে ঐ সকল দোষ ক্রমানুসারে শ্রবণ করুন। অধম তিন প্রকার, বিযম দুই প্রকারের হয়। পশু চার প্রকার, কৃপণ দুই প্রকারের বলা হয়। পাপিষ্ট দুই রকমের এবং নষ্ট সাত প্রকারের হয়।।২৯-৩০।

    কষ্ট পাঁচ প্রকার রুষ্ট দুই প্রকার এবং দুষ্ট ছয় প্রকার, পুষ্ট দুই প্রকার, হৃষ্ট আট প্রকার ভেদ বিশিষ্ট। কুন্টের ভেদ তিন প্রকার, অন্ধ ও কাণা দুই প্রকারের এবং সগুণও অগুণ দুই প্রকারের হয়।।৩১-৩২।।

    চন্ড ও চপল দুই প্রকারের। দন্ড ও পন্ড এক প্রকারের এবং খল ও নীচ চার প্রকার বিশিষ্ট হয়।।৩৩।।

    বাচাল ও কদর্য ক্রমান্বয়ে তিন প্রকারের হয়। মলীমসও তিনপ্রকারের হয়।। এগুলি এক, দুই ও চার প্রকারেরও হয়, স্তেয়ী এক প্রকারেরই হয়। হে দ্বিজশ্রেষ্ঠ, এবার এর পৃথক লক্ষণ শ্রবণ কর।।৩৪-৩৫।।

    উচ্চাসনং গুরোরগ্রে তীর্থযাত্রং করোতিযঃ। যানমারুহ্য বিপ্রেন্দ্রা সোপ্যেকত্রাধমো মতঃ।।৩৭।। নিমজ্জ্য তীর্থে বিধিবদগ্রাম্যধমেন বর্তয়ন্। দ্বিতীয়শ্চাধম প্রোক্তা নিন্দিত পরিকীতিত।।৩৮।। বাকচৈব মধুরাশলক্ষনা হৃদি হলাহলং বিষম্। বাদতন্যরোত্যন্যদবাবেতৌ বিষমৌ স্মৃতৌ।।৩৯। মোক্ষচিন্তামতিক্রয্য মোহন্যচিত্তাপরিশ্রমঃ। হরিসেবা বিহীনো য স পশুমোনিতঃ পশুঃ। ৪০ । প্রয়াগে বিদ্যমানেঽপি যোহন্যত্র স্লামমাচরেৎ। দৃষ্টং দেবং পরিত্যজ্য অদৃষ্টং ভজতে তুর্যঃ।।৪১।। আয়ুযস্তু ক্ষায়াথায় শাস্ত্রেয়মূষিসম্মতঃ। যোগাভ্যাসং ততো হিত্বা তৃতীয়শ্চাধম পশুঃ।।৪২।।

    সম্যক্ রূপে পরিজ্ঞাত মনুষ, দেবত্বপ্রাপ্ত হন। যে ব্যক্তি উপানৎ ও ছত্রধারণপূর্বক গুরু এবং দেবতার অগ্রে চলেন এবং যিনি গুরুদেবের থেকে উচ্চাসনে উপবিষ্ট হন তথা তীর্থযাত্রাকালে যানারূঢ় হন, হে বিপ্রেন্দ্ৰ তিনি মনুষ্য হয়েও অধমরূপে পরিচিত হন।।৩৬-৩৭।।

    তীর্থে নিমজ্জন করে যিনি গ্রাম্যধর্ম আচরণ করেন তিনি দ্বিতীয় প্রকার অধমরূপে পরিচিত হন এবং তিনি নিন্দিত হন।।৩৮।।

    যে ব্যক্তির বচন মধুর কিন্তু হৃদয়ে হলাহল, যার বচন এবং কর্মের মধ্যে সঙ্গতি নেই তাকে বিষম বলা হয়।।৩৯।।

    যে ব্যক্তি সংসারের জন্মমৃত্যু-বন্ধন থেকে মুক্তির কথা চিন্তা না করে অর্থাৎ মোক্ষ চিন্তা না করে অন্য চিন্তায় নিমগ্ন হন, তিনি পশুযোনি থেকে পশুত্ব প্রাপ্ত হন।।৪০।।

    প্রয়াগে বিদ্যমান থেকেও তিনি অন্যত্র স্নান করেন এবং ইষ্ট চিন্তা ত্যাগ করে অদৃষ্ট চিন্তা করেন এবং আয়ুক্ষয়ের জন্য ঋষিপ্রোক্তা সমস্ত যোগাভ্যাস ত্যাগ করেন তিনি তৃতীয় প্রকার অধমরূপে এবং পশুরূপে পরিগণিত হন।।৪১-৪২।।

    বহুনি পুস্তকানীহ শাস্ত্রানি বিবিধানি চ। তস্য সারং ন জানাসি স এব জম্বুক পশুঃ।।৪৩।। বলেনচ্ছলছঘেন উপায়েন প্ৰবন্ধনম্। সোহপি স্যাৎপশুনঃ খ্যাত প্রনয়া দ্বিতীয়কঃ।।৪৪।। মধুরান্নং প্রতিষ্ঠাপ্য দৈবে পিত্রে চ কর্মানি। ম্লানং চাপি চ তিত্তগন্নং য প্রযচ্ছতি দুর্মতিঃ।।৪৫।। কৃপনঃ স তু বিজ্ঞেয়ো ন স্বগী ন চ মোক্ষভাবং কুদাতা চ মুদ্রা হীন সক্রোধস্তযজেত য।।৪৬।। স এব কৃপন খ্যাত স্বধমবহিস্কৃতঃ। অদোযেন শুভত্যাগী শুভ কাযোপবিক্রয়ী।।৪৭।। পিতৃমাতৃগুরুত্যাসী শৌচাচারবিবজিতঃ। পিত্রোরগ্রে সমম্মাতি স পাপিষ্ঠতমঃ স্মৃতঃ।।৪৮।।

    এই সংসারের প্রভূতগ্রন্থরাশি এবং শাস্ত্র দর্শন করেও তার সার গ্রহণ করেন না যে ব্যক্তি তিনি জম্বুক তুল্য পশুরূপে পরিচিত।।৪৩।!

    ছল, বল বা কৌশলের দ্বারা যিনি প্রকৃষ্টরূপে বন্ধন করেন তিনি পিশুন বা প্রণয় রূপে খ্যাত।।৪৪।।

    দৈব এবং পিতৃকর্মে যিনি মধুরান্ন প্রতিষ্ঠা করেও ম্লান এবং তিক্তান্ন প্রদান করেন, সেই দুর্মতিকে কৃপণ বলা হয়। তিনি স্বর্গের অধিকারীও হননা আবার মোক্ষপ্রাপ্তও হননা। কুৎসিৎ বস্তু প্রদানকারী আনন্দ এবং প্রসন্নতারহিত ও ক্রোধী–এইরূপ যজনকারী ব্যক্তিও কৃপণ হন। তিনি স্বধর্ম থেকে বহিস্কৃত হন। অদোষের দ্বারা তিনি শুভত্যাগী এবং শুভকার্যের উপবিক্রয়ী হন। মাতা, পিতা এবং গুরুত্যাগী তথাশৌচও আচারবর্জিত এবং মাতা-পিতার পূর্বে ভোজনকারী পাপিষ্টতম হন।।৪৫-৪৮।।

    জীবৎপিতৃপরিত্যক্তং সুতং সেবেন্ন বা ক্বচিৎ। দ্বিতীয়স্তু স পাপিষ্ঠো হোমলোপী তৃতীয়ক।।৪৯।। সাধ্বাচারং চ প্রচ্ছাদ্য সেবনং চাপি দশয়েৎ। স নষ্ট ইতি বিজ্ঞেয় ক্রয়ক্রীতং চ মৈথুন্য।।৫০।। জীবদ্দেলবৃতির্য ভার্যাবিপনজীবকঃ। কন্যাশুলেকন জীবেদ্বা স্ত্রীধনেন চ বাক কচিৎ।।৫১।। বড়েব নষ্টা শাস্ত্রে চ ন স্কামোক্ষভাগিনঃ। সদাক্রদ্ধং মনো যস্য হীনং দৃষ্টবা প্রকোপবান্।।৫২।। ভ্রুকুটীকুটিল ক্রুদ্ধো রূষ্ট পঞ্চবিধোদিতঃ। অকামে ভ্রমতে নিত্যং ধর্মানে ব্যবস্থিতঃ।।৫৩।। নিদ্রালুব্যসনাসক্তো মদ্যপ স্ত্রীনিযেবক্। দুষ্টৈ সহ সদালাপ স দুষ্ট সপ্তধাস্মৃতঃ।।৫৪।

    কোনো সময়েই পিতৃপরিত্যক্ত পুত্রের সেবা করা উচিত নয়। যে ব্যক্তি তাঁর জীবিত পিতা-মাতাকে ত্যাগ করেন তিনি দ্বিতীয় প্রকার পাপিষ্ঠ।। যিনি হোম লোপ করেন তিনি তৃতীয় প্রকার পাপিষ্ঠ।।৪৯।।

    সাধু আচার প্রচ্ছাদনপূর্বক যিনি সেবা করেন তিনি ‘নষ্ট’ রূপে পরিচিত হন। যিনি ক্রয়ের দ্বারা মৈথুন করেন তিনিও নষ্ট হন।।৫০।।

    যিনি দেবপূজনপূর্বক জীবিকা নির্বাহ করেন বা ভার্যার বিপণের দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করেন, বা যিনি কন্যা শুল্কের দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করেন বা যিনি স্ত্রীধনের দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করেন–এই প্রকার মনুষ্য নষ্ট হন। তাঁরা স্বর্গতথা মোক্ষ প্রাপ্ত হন না। শাস্ত্রে এঁদের নষ্ট বলা হয়। যাদের মন সদা ক্রোধে পরিপূর্ণ এবং নিজ অপেক্ষা হীনদের দেখে ক্রুদ্ধ হন এবং যারা সর্বদা তির্যক ভ্রুকুটিযুক্ত হন এবং ক্রুদ্ধ হন এই পাঁচপ্রকার ব্যক্তি ‘রুষ্ট’ নামে পরিচিত হন। এরা সর্বদা অধর্ম এবং অকার্য করে থাকেন।।৫১-৫৩।।

    নিদ্রালু, ব্যসনাসক্ত এবং স্ত্রীনিষেক, দুষ্টের সংগে বার্তালাপকারী এইরূপ দুষ্ট সাত প্রকার।।৫৪।

    একাকী মিষ্টমশ্নাতি বঞ্চকঃ সাধুনিন্দকঃ। যথা সূকরঃ পুষ্টঃ স্যাত্তথা পুষ্টঃ প্রকীতিতঃ।।৫৫।। নিগমাগমতনন্ত্রানি নাধ্যাপয়তি যো দ্বিজঃ। ন শৃনোতি চ পাপাত্মা স দুষ্ট িিত চোচ্যতে।।৫৬।। শ্রুতিঃ স্মৃতিশ্চ বিপ্ৰাণাং নয়নে দ্বে বিনিমিনে একেন বিকল কানো দ্বাভ্যামন্ধ প্রকীতিতঃ।।৫৭।। বিবাদ সোদরৈ সাদ্বং পিত্রোরপ্রিয়কৃদ্বদেৎ। দ্বিজাধম স বিজ্ঞেয়ঃ স চন্ড শাস্ত্রনিন্দিতঃ।।৫৮।। পিশুনো রাজগামী চ শূদ্রসেবক এব চ। শূদ্রাংগনাগমো বিপ্র স চন্ডশ্চ দ্বিজাধর্মঃ।।৫৯।। পঞ্চান্নং শূদ্রগেহে চ যো ভুংক্তে সকৃদেব বা পঞ্চরাত্রং শূদ্রগেহে নিবাসী চন্ড উচ্যতে।।৬০।।

    একাকী মিষ্ট দ্রব্য ভক্ষণকারী, বঞ্চক, সাধুব্যক্তির নিন্দাকারী পুষ্ট বলে পরিচিত।।৫৫।।

    নিগম, আগম ও তন্ত্র যে দ্বিজ পাঠ করেন না বা শ্রবণ করেন না সেই পাপাত্মা ‘দুষ্ট’ নামে পরিচিত।।৫৬।।

    শ্রুতি ও স্মৃতি— এই দুই প্রকার ব্রাহ্মণের নেত্র। যিনি এই দুই প্রকারের মধ্যে কোনো এক প্রকার রহিত হন তিনি ‘কাণা’ বা যিনি দুই প্রকারই রহিত হন তিনি ‘অন্ধ’ বলে পরিচিত হন।।৫৭।।

    সোদরের সংগে বিবাদকারী ব্যক্তি, মাতা-পিতাকে অপ্রিয় বচন প্রদানকারী দ্বিজ শাস্ত্রনিন্দিত এবং নরাধম হন। তাকে ‘চন্ড’ বলা হয়।।৫৮।।

    যে বিপ্র পিশুন, রাজগামী, শূদ্রসেবক, শূদ্রাঙ্গনাগমনকারী সেই দ্বিজাধম ‘চন্ড’ বলে কথিত।।৫৯।।

    শূদ্র গৃহে একবার পক্কান্ন ভোজনকারী এবং পাঁচরাত্রি বাসকারী বিপ্রকেও ‘চন্ড’ বলা হয়।।৬০।।

    অষ্টকুষ্ঠান্বিতঃ কুষ্ঠী ত্রিকুষ্ঠী শাস্ত্রনিন্দিত। এতৈ সহ সদালাপ স ভবেত্তৎ সমোধমঃ।।৬১।। কীটবদ ভ্রমনং যস্য কুব্যাপারী কুপন্ডিত। অজ্ঞানাচ্চ বদেদ্ধর্মগ্রবৃত্তি প্ৰধাবতি।।৬২।। অবিমুক্তং পরিত্যজ্য যোহন্যদেশে বসেচিচরম্ স দ্বিধা শূকরপশুনিন্দিতঃ সিদ্ধসম্মতঃ।।৬৩।। কপোলেন হি সংযুক্তো ভ্রুকুটীকুটিলাননঃ। নৃপবদ দন্ডয়েদ্যস্তু স দন্ড সমুদাহৃত।।৬৪।। ব্রহ্মস্বহরণং কৃত্বা নৃপদেবস্বমেব চ। ধনেন তেন ইতরং দেবং বা ব্রাহ্মণানপি।।৬৫।। সম্ভপয়তি যোহশ্নাতি য প্রযচ্ছতি বা ক্বচিৎ। স খরশ্চ পশুশ্রেষ্ঠ সর্ববেদেষু নিন্দিত।।৬৬।। অক্ষরাভ্যসনিরতঃ পঠতেব ন বুধ্যতে। পদশাস্ত্রপরিত্যক্ত স পশু স্যান্ন সংশয়।।৬৭।।

    অষ্টকুষ্ঠী, কুষ্ঠী, ত্রিকুষ্ঠী শাস্ত্রনিন্দিত। এদের সঙ্গে সদাবার্তালাপকারীও সমান নিন্দিত।।৬১।।

    যিনি কীটবৎ ভ্রমণ করেন, কুব্যাপারী ও কুপন্ডিত, যিনি অজ্ঞতার দ্বারা ধর্মব্যাখ্যা করেন এবং অগ্রবৃত্তি হয়ে প্রধাবন করেন, এ ছাড়া যিনি অবিযুক্তকে পরিত্যাগ পূর্বক অন্য দেশে ভ্রমণ করেন তিনি দুই প্রকার শূকর পশুর ন্যায় — একথা সিন্ধ সম্মত।।৬২-৬৩।।

    কপোল দ্বারা সংযুক্ত, ভ্রুকুটি প্রদানকারী এবং কুটিলানন নৃপতুল্য দন্ড প্রদানকারী, তাকে ‘দন্ড’ বলা হয়।।৬৪।।

    ব্রহ্মস্ব হরণ করে বা নৃপ ও দেবধন হরণ করে ইতর, দেবতা বা ব্রাহ্মণের তৃপ্তি বিধান করেন বা নিজে ভোগ করেন বা দান করেন তিনি বেদ নিন্দিত হন।।৬৫-৬৬।।

    যিনি অক্ষরাভ্যাস থেকে নিরত বা যিনি কেবল পাঠ করেন অর্থ বোঝেন না তিনি পদশাস্ত্র পরিত্যক্ত পশুতুল্য–এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।।৬৭।।

    বদত্যন্যৎ করোত্যন্যদগুরুদেবাগ্রতো যত। স নীচ ইতি বিজ্ঞেয়ো হ্যানাচারস্তথাপরঃ।।৬৮।। যড় গুণালং কৃতে সাধোদোষানমৃগয়তে খল। বনে পুষ্পফলাকীনে কালভ কন্টকানিব।।৬৯।। দৈবেন চ বিহীনো য কুসং ভাষাং বদেতু য। স বাচাল ইতি খ্যাতো যো হ্যাপত্ৰ পতায়ুত।।৭০।। চান্ডলৈ সহ আলাপ পক্ষিণং পোষণ্যেরত। মাজারৈশ্চাপি সংভুঙক্তে যৎকৃত্যং মকটোদিতম্।।৭১ তুনচ্ছেদী লোষ্টমদী বৃথা মাংসাশনশ্চ য। চপল সতু বিজ্ঞেয় পরভাষারতস্তথা।।৭২।। স্নেহোদ্বর্তনহীনো যো গন্ধচন্দন বজিতঃ। নিত্যক্রিয়া অকুবানো নিত্যং স চ মলীমসঃ।।৭৩।।

    যে ব্যক্তি গুরু ও দেবতার সম্মুখে যা বলেন তা আচরণ করেন না তিনি নীচ এবং অনাচারী।।৬৮।।

    ছয়প্রকার গুণে বিভূষিত সাধুব্যক্তিকেও যিনি ‘খল’ মনে করেন তিনি নিজে ‘খল’। তিনি পুষ্প ও ফলে সমাকীর্ণ বনে শলভ কন্টক অন্বেষণকারী।।৬৯।।

    দেববিহীন ও কুভাষা উচ্চারণকারী বাচাল লজ্জা রহিত হন।।৭০।।

    চন্ডালের সংগে আলাপকারী, পক্ষী পোষণে রত, বিড়ালের সংগে যিনি ভোজন করেন, মর্কটের ন্যায় কৃত্যকারী ও যিনি তৃণ ছেদনকারী, বৃথা লোষ্টসদী এবং মাংস ভোজনকারী তথা পরস্ত্রীতে রত ‘চপল’ নামে পরিচিত।।৭১- ৭২।।

    যিনি স্নেহ তৈলাদি ও বর্তনহীন ও গন্ধচন্দনবর্জিত এবং নিত্য ক্রিয়া রহিত তিনি নিত্যমলীমস।।৭৩।।

    অন্যায়েন গৃহং বিন্দেদন্যায়েন গৃহান্ধনম্। শাস্ত্রাদন্যগৃহং মন্ত্রং স স্তেয়ী ব্রহ্মঘাতকঃ।।৭৪।। দেবপূস্তকরত্নানি মনিমুক্তাষচমেব চ। গোভূমি স্বর্ণহরন স স্তেয়োতি নিগদ্যতে।।৭৫।। দেবোঽপি ভাবয়েৎ পশ্চান্মানুযোঽপি ন সংশয়। অন্যোন্যভাবনা কাযা স স্তেয়ী যোন ভাবয়েৎ।।৭৬।। গুরো প্রসাদাজয়তি পিত্রোশ্চাপি প্রসাদতঃ। করোতি চ মথাহ চ স চ স্বর্গে মহীয়তে।।৭৭।। ন পোষয়তি দুষ্টাত্মা স স্তেয়ো চাপর স্মৃতঃ।।৭৮।। উপকারিজনং প্রাপ্য ন করোতি পরিযিক্রয়াম্। স তপ্তনরকে শেতে শোনিতে চ পতত্যর্ধঃ।।৭৯।। সর্বেষাং চ সবনানাং ধমতো ব্রাহ্মণপ্ৰভু। পৃথিবীপালকো রাজা ধর্ম চক্ষুরুদায়ঃ।।৮০।।

    অন্যায়ভাবে গৃহপ্রাপ্তকারী, অন্যায়পূর্বক ঘর ও ধনসম্পদ লাভ, শাস্ত্রবিরুদ্ধ গৃহ ও মান যিনি প্রাপ্ত হন তিনি ব্রহ্মঘাতক স্তেয়ী হন।।৭৪।।

    দেবতা, পুস্তক, রত্ন, মণিমুক্তা, অশ্ব, গো ভূমি এবং সুবর্ণ হরণকারী স্তেয়ী।।৭৫।।

    দেবতাভাবনাপূর্বক মনুষ্য ভাবনা করা উচিৎ–এতে কোনো সংশয় নেই। অন্যান্য ভাবনা বা একাগ্রচিত্তে ভাবনা করা উচিৎ।।৭৬।।

    দেবতাভাবনাপূর্বক মনুষ্য ভাবনা করা উচিৎ–এতে কোনো সংশয় নেই। অন্যান্য ভাবনাও করা উচিৎ। যিনি যথাযথ তা করেন না তিনিও স্তেয়ী।।৭৭-৭৮।।

    যিনি উপকারীজনপ্রাপ্ত হয়েও তাদের পরিস্ক্রিয় করেন না অর্থাৎ তাদের প্রত্যুপকার করেন না তিনি তপ্ত নরকে পতিত হন এবং রক্তে তাদের অধঃপতন ঘটে।।৭৯।।

    সমগ্র সবর্ণধর্মে ব্রাহ্মণ প্রভু। পৃথিবী পালনকারী রাজা ধর্মের চক্ষুস্বরূপ।।৮০।।

    প্রজাপতেমুখোড়ুতো হোরাতন্ত্রে যথোদিতম্। তদ্বিদো গননাভিজ্ঞা অন্যবিপ্রাঃ প্রচক্ষতে।।৮১।। গঙ্গাহীনো হতো দেশো বিপ্ৰহীনা যথা ক্রিয়া। হোরাজ্ঞপ্তিবিহীনো যো দেশোহসৌ বিপ্লবপ্লব।।৮২।। অপ্রদীপা যথা রাত্রিরনাদিত্যং যথা ণভঃ। তথাহসাংবৎসরো রাজা ভ্রমত্যন্ধ ইবাধ্বনি।।৮৩।। স্থাপয়েদ্ধমতো বিপ্রং ভাবয়েক্তমবৃদ্ধয়ে। শ্মশ্রুযুক্তো দ্বিজঃ পূজ্য সূযোবিপ্ৰস্তু শ্মশ্রুলঃ।।৮৪।। প্রত্যেক প্রদর্শণাৎপুন্যং ত্রিদিং কল্মষাপহম্। দশনে ব্রাত্যবিপ্রস্য সূর্যং দৃষ্টা বিশুধ্যতি।।৮৫।। ন ব্রাত্যত্বং সূর্যবিপ্রে পূজয়েদ্যজ্ঞসিদ্ধয়ে। জ্যোতিবেদস্যাধিকরঃ সূর্যবিপ্রস্য বৈ দ্বিজা।।৮৬।।

    প্রজাপতির মুখ থেকে ব্রাহ্মণ উদ্ভূত হন–হোৱাতন্ত্রে এরূপ বলা হয়েছে। তাকে যিনি জ্ঞাত হন তিনি গণনাতে অভিজ্ঞ হন।।৮১।।

    যে দেশ গঙ্গাহীন, বিপ্রহীন এবং ক্রিয়াহীন এবং যে দেশ হোরাক্রিয়াহীন সেই দেশ বিপ্লবের দ্বারা প্লাবিত হয়।।৮২।

    অপ্রদীপ রাত্রি ও আদিত্যহীন আকাশ যে দেশে সেখানে রাজা অন্ধের ন্যায় ভ্রমণ করেন।।৮৩।।

    ধর্মের দ্বারা বিপ্রকে স্থাপনা করে কার্যবৃদ্ধির জন্য ভাবনা করতে হয়। শ্মশ্রুযুক্ত দ্বিজ পূজনীয় হন। তিনি সূর্যতুল্য।।৮৪।।

    তাঁকে প্রত্যক্ষ দর্শন করলে পুণ্য হয় এবং ত্রিশ দিন পর্যন্ত প্রত্যক্ষ করলে কলুষ দূরীভূত হয়। ব্রাত্য বিপ্রকে সূর্যের ন্যায় দর্শন করে বিশুদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়া যায়।।৮৫।।

    সূর্য বিপ্রে ব্রাত্যত্ব নেই। যজ্ঞের সিদ্ধির জন্য পূজা করা উচিৎ। হে দ্বিজ, বিপ্রের জ্যোতির্বেদে অধিকার আছে।।৮৬।।

    জাতিভেদাশ্চ চত্বারো ভোজকঃ কথকস্তথা। শিববিপ্রঃ সূর্যবিপ্রশ্চতুর্থঃ পরিপঠ্যতে।।৮৭।। কথকো মধ্যমস্তেষাং সূৰ্যবিপ্ৰস্তথোত্তমঃ। শিবলিঙ্গাচণরতঃ শিববিপ্ৰস্তু নিন্দিতঃ।।৮৮। সূর্যবিপ্রস্য বৈদ্যস্য চ নৃপস্য চ। প্রবাসয়েদক্ষতেন সপুত্রপশুবান্ধবঃ। অবধ্যঃ সর্বলোকেষু রাজা রাজ্যেন পালয়েৎ।।৮৯।। বসুভির্বস্ত্ৰগন্ধাদ্যৈমালৈশ্চ বিবিধৈরপি। দেশচক্রবিদঃ পূজ্যা হোরাচক্রবিদঃ পরাঃ।।৯০।। সূর্যচক্রবিদঃ পূজ্যা নাবমন্যেৎকথঞ্চন। সিদ্ধ্যদ্ধিং চ ধনদ্ধি চ য ইচ্ছেদায়ুষা সমম্। গনবিপ্ৰসমঃ পূজ্যো দৈবজ্ঞ সমুদাহৃতঃ।।৯১।।

    জ্ঞাতিভেদ চার প্রকার। যথা ভোজক, কখক, শিববিপ্ৰ এবং সূৰ্যবিপ্ৰ।।৮৭।।

    এই চারপ্রকারের মধ্যে কত্থক মধ্যম এবং সূর্য বিপ্র উত্তম বলা হয়। শিবলিংগ অর্চনেরত শিববিপ্র নিন্দিত হন।।৮৮।।

    সূর্যবিপ্র, বৈদ্যবিপ্র এবং নৃপতি সপুত্র, সবান্ধব এবং অবধ্য। তিনি রাজ্যপালন করবেন।।৮৯।।

    দেবচক্র ও হোরাচক্রজ্ঞাত বিদ্বান্ বহুবিধ ধনসম্পদ, বস্ত্র, গন্ধ ও মাল্যের দ্বারা পূজার যোগ্য।।৯০।।

    সূর্যচক্রবিদ্ পূজনীয় হন। তাঁকে কদাপি অবমাননা করা উচিৎ নয়। ধনসম্পদ, সিদ্ধি ইত্যাদি আয়ুর তুল্য প্রার্থনা করলে তাঁকে পূজা করা আবশ্যক।। গণ বিপ্রতুল্য দেবজ্ঞ বিপ্ৰ পূজ্য — একথা বলা হয়।।৯১।।

    জাতে বালে নিরূপ্যে চ লগ্নগ্রহ নিরূপনম্। সংস্থানং সূর্যবিপ্রো যঃ সূর্যবিপ্রস্য সতমাঃ। দ্বিমাত্রিকাং সমভ্যস্য সর্ববেদফলং লভেৎ।।৯২।।

    বালক জন্মগ্রহণ করলে তার লগ্ন, গ্রহ নিরূপণ করতে হয়। হে শ্রেষ্ঠবর্গ, সূর্য বিপ্রের যে সংস্থান তাও সূর্য বিপ্র। দ্বিমাত্রিকা সম্যরূপে অভ্যাস করে সমস্ত বেদের অধ্যয়ন অধ্যাপন করলে ফলপ্রাপ্ত হওয়া যায়।।৯২।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত
    Next Article দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }