Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)

    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস এক পাতা গল্প707 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ম্লেচ্ছযজ্ঞ বৃত্তান্ত তথা কলিকৃত বিষ্ণু স্তুতি বর্ণন

    ।। ম্লেচ্ছযজ্ঞবৃত্তান্ত বর্ণনম্, কলিকৃতবিষ্ণুস্তুতিঃ।।

    ।। ম্লেচ্ছযজ্ঞ বৃত্তান্ত বর্ণন, কলিকৃত বিষ্ণু স্তুতি।।

    এই অধ্যায়ে ম্লেচ্ছ হননের জন্য প্রস্তুত যজ্ঞ বৃত্তান্ত তথা কলির দ্বারা কৃত স্তুতি বর্ণন করা হয়েছে।

    কথং যজ্ঞঃ কৃতস্তেন প্রদ্যোতেন বিচক্ষণ। সর্বে কথয় মে তাত ত্রিকালজ্ঞ মহামুনে।।১।। একদাহস্তিননিগরে প্রদ্যোত ক্ষেমকান্তজঃ। আস্থিত স কথামধ্যে নারদ্যোহভ্যাগমত্তদা।।২।। তং দৃষ্টাব হমিতো রাজা পূজয়ামাস ধর্মবিৎ। সুখোপবিষ্ট সমুনি প্রদ্যোতং নৃপমব্রতীৎ।।৩।।

    শৌনক বললেন, হে বিচক্ষণ রাজা প্রদ্যোত কিরূপ যজ্ঞ করেছিলেন, হে তাত, হে ত্রিকালজ্ঞ কৃপাপূর্বক আপনি তা বলুন। শ্রীসূতজী বললেন, একবার হস্তিনানগরে ক্ষেমকের পুত্র প্রদ্যোত বসেছিলেন এবং কথা বলতে বলতে তিনি অস্থির হয়ে উঠছিলেন, সেই সময় দেবর্ষি নারদ সেখানে উপস্থিত হন।।১-২।।

    সেই সময় নারদমুনিকে দেখে রাজা পরম হৃষ্ট হয়ে বিধিবদ্ তার পূজন করেন। সুখে আসীন হয়ে নারদমুণি রাজা প্রদ্যোতকে বলেছিলেন, দেখ ম্লেচ্ছগণ তোমার পিতা ক্ষেমককে হত্যা করেছে এবং তিনি যমলোকে চলে গেছেন। এই কারণে ম্লেচ্ছ যজ্ঞ অবশ্য করা উচিত। যার প্রভাবে তোমার পিতার স্বর্গলাভ হবে।।৩।।

    ম্লেচ্ছৈহতস্তব পিতা মমলোক মতো গত। ম্লেচ্ছযজ্ঞ প্রভাবেন স্বৰ্গতিভাবিতা হি সঃ।।৪।। তচ্ছু ত্বা ক্রোধতাম্রাহ্মো ব্রাহ্মনাম্বেদবিত্তমান্। আয় স কুরুক্ষেত্রে ম্লেচ্ছযজ্ঞং সমারভৎ।।৫।। যজ্ঞকুন্ডং চতু যেকানং যোজনান্বেব যোড়শ রচিত্বা দেবতা ধ্যাত্বা ম্লেচ্ছাং শ্চজুহুয়ানুপঃ।।৬।। হারহুণান্ধর্বরাংশ্চ গুরুংডাংশ্চ শকান্থসান্। যবনাপল্লবাংশ্চৈব রোমজান্থরসংভবান্।।।। দ্বীপস্থিতাক্লামরূশ্চ চীনালাগরমধ্যগান্। প্রায় ভস্মসাৎকুর্বন্ধৈদমন্ত্রপ্রভাবতঃ।।৮।। ব্রাহ্মণান্দক্ষিণাং দত্ত্বা অভিষেকমকারয়ৎ। ক্ষেমকো নাম নৃপতি স্বৰ্গলোকং ততোঃ গতঃ।।৯।।

    এই বৃত্তান্ত শ্রবণ করে প্রদ্যোত ক্রোধে রক্তচক্ষু হয়ে দ্রুত বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণগণকে আহ্বান করে ম্লেচ্ছ হননের জন্য যজ্ঞ আরম্ভ করেছিলেন।।৪-৫।।

    ষোড়শ যোজন বিস্তৃত চতুষ্কোণ কুন্ড নির্মাণ করে তিনি দেবগণের ধ্যান করে ম্লেচ্ছদের আহুতি দিতে লাগলেন।।৬।।

    ম্লেচ্ছগণ হার, হূণ, বর্বর, গরুড়, শক, খস, যবন, পহ্লব, রোমক, খর সম্ভব— এই প্রকার ছিলেন। তারা দ্বীপে, কামরুতে, চীন এক সাগরের মধ্যে বাস করতেন। তাদের সকলকে আহ্বান করে বেদ মন্ত্রের প্রভাবে ভস্ম করে দিয়েছিলেন।।৭-৮।।

    এরপর রাজা ব্রাহ্মণগণকে দক্ষিণা দিয়ে অভিষেক করেছিলেন। এর ফলে ম্লেচ্ছগণ বিনষ্ট হয়ে গিয়েছিলেন এবং তাঁর পিতা ক্ষেমক স্বর্গবাসী হয়েছিলেন।।৯।।

    ম্লেচ্ছহন্তা নাম তস্য বিখ্যাতং ভূবি সবত। রাজ্যং দশসহস্রাং কৃতং তেন মহাত্মনা।।১০।। স্বর্গলোকং গতো রাজা তৎপুত্রো বেদবানস্মৃতঃ। দ্বিসহস্রং কৃত রাজ্যং তদা ম্লেচ্ছঃ কলিঃস্বয়ম্। নারায়ণং পূজয়িত্বা দিব্য স্ততিমথাকরোৎ।। ১১।। নমোহনন্তায় মহতে সর্বকাল প্রবতিনে।।১২।। চতুযুগকৃতে তুভ্যং বাসুদেবায় সাক্ষিণে। দশাবতারায় হরে নমস্তুভৎং নমোনমঃ।।১৩।। নমঃ শস্ত্যবতারায় রামকৃষ্ণায় তে নমঃ। নমো মৎস্যাবতারায় মহতে গৌরবাসিনে।।১৪।। নমো ভক্তাবতারায় কল্পক্ষেত্রনিবাসিনে। রাজ্ঞা বেদবতা নাথ মম স্থানং বিনিনাশিতম্। মম প্রিয়স্য ম্লেচ্ছস্য তৎপিত্রা বংশনাশনম্।।১৫।।

    এরপর রাজা প্রদ্যোত জগতে ম্লেচ্ছ হন্তা নামে পরিচিত হয়েছিলেন, সেই মহাত্মা দশ সহস্র বর্ষ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন এবং অন্তে স্বর্গবাসী হয়েছিলেন। তাঁর পুত্র বেদবাস দুই সহস্র বর্ষ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন। সেই সময় কলি স্বয়ং ম্লেচ্ছ ছিলেন। তিনি ভগবান নারায়ণের পূজন স্তুতি আরম্ভ করেন। কলি বললেন সমস্ত কালের প্রবর্তক, মহানন্ত স্বরূপ, চতুর্যুগের সৃষ্টিকারী সাক্ষী স্বরূপ বাসুদেব ভগবান আপনাকে প্ৰণাম।।১০-১২।।

    হে হরি, দশাবতার ধারণকারী আপনাকে বারবার নমস্কার। শক্তাবতার রাম এবং কৃষ্ণ রূপধারী আপনাকে প্রণাম। মৎসাবতার রূপধারণকারী আপনাকে প্রণাম।।১৩-১৪।।

    ভক্তের জন্য অবতারগ্রহণকারী তথা কল্প ক্ষেত্রে নিবাসকারী অপনাকে প্রণাম। হে নাথ, বেদবান্ রাজা আমার স্থান বিনাশ করে দিয়েছেন এবং আমার পরম প্রিয় ম্লেচ্ছগণকে তার পিতা বিনষ্ট করেছেন।। ১৫।।

    ইতি স্তুতস্তু কলিনা ম্লেচ্ছস্য সহ ভাযয়া।।১৬।। প্রাপ্তবাস্ন হরি সাক্ষাদ্ভগবান ভক্তবৎসলঃ। কলিং প্রোবাচ স হরিযুষ্মদথে যুগোত্তমম্।।১৭।। বহুরূপমহং কৃত্বা তবেচ্ছাং পূরযাম্যহম্। আদমো নাম পুরুষঃ পত্নী হব্যবতী তথা।।১৮।। বিষ্ণুকদমতো জাতৌ ম্লেচ্ছবংশপ্রবধনৌ। হরিস্তদর্থে তত্র কলিংরানন্দসংকূলঃ।।১৯।। গিরিং নীলাচলং প্রাপ্য কিঞ্চিৎকালমবাসয়ৎ। পুত্রো বেদবতো জাত সুনন্দো নাম ভূপতিঃ।।২০।। পিতু স্তল্যং কৃতং রাজ্যমনপত্যো মৃতিং গত। আর্যদেশা ক্ষীনবন্তো ম্লেচ্ছবংশা বলন্বিতা।।২১।। ভবিষ্যন্তি ভৃগু শ্রেষ্ঠ তস্মাচ্চ তুহিনাচলম্। গত্বা বিষ্ণুং সমারাধ্য গমিষ্যামো হরেঃ পদম্।।২২।।

    সূতজী বললেন এই প্রকার ম্লেচ্ছ ভার্যার সংগে কলি ভগবান বিষ্ণুর স্তুতি করছিলেন। তখন ভক্তের প্রতি ভালোবেসে ভগবান্ শ্রীহরি প্রকট হয়ে তাকে বলেন, দেখ, তোমার ভালোর জন্য যুগোত্তম বহুরূপ ধারণ পূর্বক তোমার ইচ্ছা পূর্ণ করব। আদম নামক পুরুষ তথা হব্যবতী নামক পত্নী রূপে জন্মগ্রহণ করব।।১৬-১৮।।

    বিষ্ণু কর্দম থেকে ম্লেচ্ছের বংশ প্রবর্ধনকারী উৎপন্ন হয়েছিল। ভগবান শ্রীহরি সেখান থেকে অন্তর্ধান করেন এবং কলি আনন্দিত হন।।১৯।।

    ভগবান বিষ্ণু নীলাচলে কিয়ৎকাল বাস করছিলেন রাজা বেদবানের পুত্র সুনন্দ জন্মলাভ করে এবং তিনি রাজা হন। তিনি পিতৃতুল্য রাজ্যশাসন করতে থাকেন। কিন্তু তার কোনো সন্তান ছিলনা। তিনি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান। আর্য দেশ সেই সময় ম্লেচ্ছ দেশে পরিণত হয়।।২০-২১।।

    ম্লেচ্ছযজ্ঞ বৃত্তান্ত তথা কলিকৃত বিষ্ণু স্তুতি বর্ণন ইতি শ্রুত্বা দ্বিজা সর্বে নৈমিষারন্যবাসিনঃ। অষ্টাশীতসহস্রানি গতাস্তে তুহিনাচলম।।২৩।। বিশালায়ং সমাসাদ্য বিষ্ণুগাথাং প্রচক্ষিরে। ইতি ব্যসনে কথিতং বাক্যং কলিবিশারদম্। শ্রোতারং সঃ মন কৃত্বা ভবিষ্যং সমুদীরয়ৎ।। ২৪।। মনঃ শূনু ততো গাথাং ভাবীং সূতেন বণিতাম্। কলেযুগস্য পূণাং তাং তচ্ছ্বত্বা তৃপ্তিমাবহ।।২৫।। ষোড়শাদ্বসহস্রে চ শেষে তদ্বাপরে যুগে বহুকীতিমতী ভূমিরাযদেশস্য কীতিতা।।২৬।। ক্বচিদ্বিপ্ৰাঃ স্মৃতা ভূপা ক্বচিদ্রাজ ন্যবংশজাঃ। ক্বচিদ্বৈশ্যা কচিচ্ছুদ্রাঃ কুত্রচিদ্বর্ণ সংকরাঃ।।২৭।। দ্বিশতাষ্টসহস্রে দ্বে শেষে তু দ্বাপরে যুগে। ম্লেচ্ছদেশস্য যা ভূমিভবিতা কীতিমালিনি।।২৮।। ইন্দ্ৰিয়ানি দমিত্বা যো হ্যাত্মধ্যানপরায়ন। তস্মাদাদমনামাসৌ পত্নী হব্যবতী স্মৃতা।।২৯।।

    হে ভৃগুশ্রেষ্ঠ, সেই স্থান থেকে তুহিনাচলে শ্রীবিষ্ণু আরাধনা করে হরিপদ প্রাপ্ত হবে সমস্ত দ্বিজ এই কথা শ্রবণ করে নৈমিষারণ্যে বাস করতে থাকেন। তারা বিশালাতে গিয়ে বিষ্ণুগাথা প্রচার করতে থাকেন। সেখানে ব্যাসদেব কলি বিশারদের নিকট এই কথা বলেন। সেখানে তিনি মনকে শ্রোতা করে ভবিষ্য কথন করতে শুরু করেন। ব্যাসজী বললেন, হে মন, তুমি এখন শ্রবণ কর যে ভাবী গাথা সূত বর্ণিত করেছেন। সেটি কলির পূর্ণ গাথা। তা শ্রবণ করে তৃপ্তিলাভ কর।।২২-২৫।।

    সূতজী বললেন, দ্বাপর যুগের শেষ ষোড়শবর্ষের পর আর্যদেশ অনেক কীর্তির দ্বারা ভূষিতা হবে।।২৬।।

    আর্য হাজার দুইশত বর্ষ দ্বাপরের শেষ হলেই এই আর্যভূমি ম্লেচ্ছ দেশে পরিণত হবে। কোথাও বিপ্রগণ, কোথাও ক্ষত্রিয়গণ, কোথাও শূদ্রগণ আবার কোথাও বা বর্ণসংকর রাজত্ব করবেন।।২৭-২৮।।

    ইন্দ্রিয়দমনকারী, ধ্যানপরায়ণ যিনি ছিলেন তিনি হলেন আদম ও তাঁর পত্নী–হব্যবতী।।২৯।।

    প্রদাননগরস্যৈব পূর্বভাগে মহাবনম্। ঈশ্বরেন কৃতং রম্যং চতুঃ ক্রোশায়তং স্মৃতম্।।৩০।। পাপবৃক্ষতলে গত্বা পত্নীদশনতৎপরঃ। কলিস্তত্রাগতস্তনং সপরূপং হি তৎকৃতম্।।৩১।। বঞ্চিতা তেন ধূতেন বিষ্ণবাজ্ঞা ভঙ্গতাং গতা। খাদিত্বা তৎফলম রম্যং লোকমার্গপ্রদং পতিঃ।।৩২।। উদুম্বরস্য পত্রেশ্চ তাভ্যাং বায়শনং কৃতম্। সুতো পুত্ৰাস্ততো জাতাঃ সর্বেস্লেচ্ছা বভূবিরে।।৩৩।। ত্রিংশোত্তরং নবশতং তস্যায়ুঃ পরিকীতিতম্। ফলানাং হবনং কুর্বপত্ন্যা সহ দিবং গতঃ।।৩৪।। তস্মাজ্জাত সুত শ্রেষ্ঠঃ শ্বেতনামেতি বিশ্রুতঃ। দ্বাদশোত্তরবষং চ তস্যায়ু পরিকীর্তিতম্।।৩৫।। অনুহস্তস্য তনয় শতহীনং কৃতং পদম্। কীনাশস্তস্য নয় পিতামহসমং পদম্।।৩৬।।

    পূর্বভাগে মহাবনযুক্ত, চতুক্রোশ বিস্তৃত নগর ঈশ্বর তাঁকে দিয়েছিলেন।।৩০।।

    আদম তার পত্নী হব্যবতীকে পাপবৃক্ষের নীচে দর্শন করতে তৎপর হন। কলি সেখানে সর্পরূপ ধারণ করে চলে আসেন।।৩১।।

    সেই ধূর্ত বিষ্ণুর আজ্ঞাপালন না করে তাদেরকে বঞ্চিত করেছিল। পতি আদম লোকমার্গপ্রদ রম্যফল ভক্ষণ করে। তারা দুজনে উদুম্বর পাতার দ্বারা বায়ুকে অশন করেন। এরপর সূতপুত্র হয়েও সকলে ম্লেচ্ছ হয়ে গেল।।৩২-৩৩।।

    নয়শতত্রিশ বর্ষ তার আয়ু ফলের হবনকারী তিনি পত্নীর সঙ্গে মিলিত হয়ে দিব্যলোকে চলে যান। তার শ্বেত নামক শ্রেষ্ঠ পুত্র জন্মলাভ করে— যিনি পরম প্রতিষ্ঠ এবং তার আয়ু ছিল দ্বাদশোত্তর বর্ষ।।৩৪-৩৫।।

    তার পুত্র অনুহ শতহীন রাজত্ব করেন। তার পুত্র কীনাহা পিতৃতুল্য পদলাভ করেন।।৩৬।

    মহল্ল লস্তস্য সুত পঞ্চহীনং শত নব। তেন রাজ্য কৃতং তত্র তস্মান্মা নগরং স্মৃতম্।।৩৭।। তস্মাচ্চ বিরদো জাতো রাজ্যং ষষ্টাত্তরং সমাঃ। জ্ঞেয়ং নবশতং তস্য স্বনান্না নগরং কৃতম্।।৩৮।। হনুকস্তস্য তনয়ো বিষ্ণু ভক্তিপরায়নঃ। ফলানাং হবনং কুর্বংস্তত্ত্বং হাসি জয়ন্সদা।।৩৯।। ত্রিশতং পঞ্চষষ্টি রাজ্যং বর্ষানি তৎস্মৃতম্। সদেহঃ স্বর্গমায়াতো ম্লেচ্ছ ধর্মপরায়ণঃ।।৪০।। আচারশ্চ বিবেকশ্চ দ্বিজতো দেবপূজনম্। কৃতান্যেতানি তেনৈব তস্মাম্লেচ্ছঃ স্মৃতোবুধৈঃ।।৪১।। বিষ্ণুভক্ত্যগ্নিপূজা চ হ্যহিংসা চ তপো দম্। ধমান্যৈতানি মুনিভিম্লেচ্ছানাং হি স্মৃতানি বৈ।।৪২।। মতোচ্ছিলস্তস্য সুতো হনুকস্যৈব ভাগব। রাজ্যং নবশতং তস্য সপ্ততিশ্চ স্মৃতাঃ সমাঃ।।৪৩।।

    তাঁর পুত্র মহল্লল নয়শতবর্ষের থেকে পাঁচ বর্ষ কম রাজত্ব করেছিল। রাজা মহল্ললের পুত্র বিরদষষ্ঠযুক্ত বর্ষ পর্যন্ত রাজ্য পালন করেন। অর্থাৎ নয়শ সাত বৰ্ষ পর্যন্ত তিনি রাজত্ব করেন। তার নিজের নামে নগরও প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর পুত্র হনুক বিষ্ণু ভক্তি পরায়ণ ছিলেন। তিনি ফল হবন করে সর্বদা তত্ত্ব উৎপন্ন করতেন।।৩৭-৩৯।।

    তাঁর রাজত্ব ছিল তিনশত পয়ষট্টি বর্ষ পর্যন্ত। তিনি স্বদেহে স্বর্গে আসেন, তিনি ম্লেচ্ছ ধর্মপরায়ণ ছিলেন।।৪০।।

    আচার এবং বিবেক, দ্বিজতা এবং দেবপূজন এই সকল তিনিই করেছিলেন। এই পন্ডিতগণ তাঁকে ম্লেচ্ছ বলতেন। বিষ্ণু ভক্তি, অগ্নিপূজা, অহিংসা, তপ, দম এই ধর্ম মুণিগণ ম্লেচ্ছ সৃষ্টি করেন।।৪১-৪২।।

    তাঁর পুত্র মতোচ্ছিল হক নামে পরিচিত ছিলেন। হে ভার্গব, তাঁর রাজত্বকাল নয়শত সত্তর বর্ষ।।৪৩।।

    লোমকস্তস্য তনয়ো রাজ্যং সপ্তশতং সমাঃ। সপ্তসপ্ততিরেবাস্য তপ্তশ্চাৎস্বর্গতিং গতঃ।।৪৪।। তস্মাজ্জাত সুতো ন্যূহো নির্গতস্তুহ এব সঃ। তস্মান্ন্যূহঃ স্মৃতঃ প্রাজ্ঞৈ রাজ্যং পঞ্চশতং কৃতম্।।৪৫। সীমঃ শমশ্চ ভাবশ্চ এয় পুত্রা বভূবিরে। ন্যূহঃ স্মৃতো বিষ্ণু ভক্তসেসাহহং ধ্যানপরায়ন।।৪৬।। একদা ভগবান্বিষ্ণুস্তৎস্বপ্নে তু সমাগতঃ।।৪৭।। বৎস ন্যূহ শূনুষেদং প্রলয় সপ্তমেহহনি। ভবিতা ত্বং জনৈসসার্ধ নবমারুহ্য সত্বরম্।। ৪৮।। জীবনং কুরু ভক্তেন্দ্র সর্বশ্রেষ্ঠো ভবিষ্যসি তথেতি মত্বা স মুনি নাবং কৃত্বা সুপুষ্টিতাম্।।৪৯।। হস্তত্রিশতলম্বাং চ পঞ্চাশদ্বস্তবিস্তৃতাম্। ত্রিংশদ্বস্তোচ্ছ্রিতাং রম্যাং সর্বজীব সমন্বিতাম্।।৫০।।

    তাঁর পুত্র লোমক সাতশতবর্ষ রাজত্ব করেন। রাজত্ব কালের সত্তর বৎসর পর তিনি স্বর্গলাভ করেন। তাঁর ন্যূহ নামক পুত্র জন্মগ্রহণ করে। প্রাজ্ঞগণ তাঁর ন্যূহ নামকরণ করেন। তিনি পাঁচশতবর্ষ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।।৪৪-৪০।।

    রাজা ন্যূহের তিন পুত্র সীম, শম এবং ভাব। তিনি বিষ্ণু ভক্ত ছিলেন এবং সর্বদা ‘সোহহং’ ধ্যান পরায়ণ থাকতেন।। ৪৬।।

    একবার ভগবান বিষ্ণু স্বপ্নে তাঁকে দেখা দেন এবং বলেন, হে বৎস ন্যূহ, তুমি আমার কথা শ্রবণ কর। আজ থেকে সপ্তম দিনে প্রলয় হবে। তুমি মনুষ্যগণকে সংগে নিয়ে শীঘ্র নৌকারোহন করে জীবন রক্ষা করবে। হে ভক্তেন্দ্র, তুমি সর্বশ্রেষ্ঠ হয়ে যাবে। সেই স্বপ্নে প্রদত্ত আজ্ঞা স্বীকার করে তিনি সুপুষ্টিত নৌকা নির্মাণ করেছিলেন যা তিনশ হাত লম্বা এবং পঞ্চাশ হাত বিস্তৃত ছিল। এছাড়া সেটি ছিল ত্রিশ হাত উচ্চ এবং মনোরম ও সমস্ত জীব সমন্বিত।।৪৭-৫০।।

    আরুহ্য স্বকুলৈস্মাদ্ধং বিষ্ণুধ্যানপরোহভবৎ। সাংবতকো মেঘগনো মহেন্দ্ৰেন সমন্বিতঃ।।৫১।। চত্বাবিংশদ্দিনান্যেব মহাবৃষ্টিমকারয়ৎ। সবং তু ভারতং বষং জুলৈ প্লাব্য তু সিন্ধব।।৫২।। চত্বারো মিলিতা সর্বে বিশালায়াং ন চা গতাঃ। অষ্টাশীতি সহস্রাণি মুনয়ো ব্ৰহ্মবাদিন।।৫৩।। ন্যূহশ্চ স্বকুলৈসসাধং শেষাসসর্বে বিনাশিতাঃ। তদা চ মুনয়সসর্বে বিষ্ণুমায়াং প্রতুষ্টুবু।।৫৪।। নমো দেব্যৈ মহাকাব্যৈ দেবক্যৈ চ নমো নমঃ। মহালক্ষৈন্য বিষ্ণুমাত্রে রাধা দৈব্যৈ নমোনমঃ।।৫৫।। রেবত্যে পুষ্পবত্যৈ চ স্বণবত্যে নমোনমঃ। কামাক্ষায়ৈ চ মায়ায়ৈ নমো মাত্রে নমোনমঃ।।৫৬।।

    সেই নৌকায় নিজ কুলের সঙ্গে সমারোহণ পূর্বক তিনি বিষ্ণুর ধ্যানে তৎপর ছিলেন। দেবরাজ ইন্দ্রের দ্বারা সমন্বিত সংবৰ্ত্তক মেঘগণ চল্লিশ দিন মহাবৃষ্টি ঘটিয়েছিলেন। সম্পূর্ণ ভারতবর্ষ জলে প্লাবিত হয়ে মহাসিন্ধুর রূপ ধারণ করেছিল।।৫১-৫২।।

    চার সাগর সেই মহাপ্লাবনে মিলে গিয়েছিল। অষ্টাশী হাজার মুণি সেখানে ব্রহ্মবাদ কথনের জন্য উপস্থিত ছিলেন এবং ন্যূহ নিজ কুলের সংগে সেখানে ছিলেন বাকী সব বিনাশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, তখন সব মুণিগণ ভগবান্ বিষ্ণু মায়ার স্তব করতে লাগলেন।।৫৩-৫৪।

    মুণিগণ বললেন, হে দেবী মহাকালী, আপনাকে আমাদের সকলের প্রণাম হে দেবী দেবকী আপনাকে বার বার নমস্কার। মহালক্ষ্মী বিষ্ণুমাতা, রাধাদেবী আপনাকে বার বার আমাদের সকলের প্রণাম। দেবী রেবতী, পুষ্পবতী, স্বর্গবতী, কামাক্ষা, মায়ামাতা বারবার আপনাকে প্রণাম।।৫৫-৫৬।।

    মহাবাতপ্রভাবেন মহা মেঘরবেন চ। জলধারাভিরুগরাভির্ভয়ং জাতং হি দারুণম্।।৫৭।। তস্মাদ্ভায়াদ্ভৈরবি ত্বমস্মান্সংরক্ষ কিংকরান। তদা প্রসন্না সা দেবী জলং শান্তং তয়া কৃতম্।।৫৮।। অদ্বান্তরে মহী সর্বা স্থলী ভূত্বা প্ৰদশ্যতে। আরাচ্চ শিষিণা নাম হিমাদ্রেস্তট ভূময়।।৫৯।। ন্যূহস্তত্র স্থিতো নাব মারুহ্য স্বকুলৈসসহ। জলান্তে ভূমিমাগত্য তত্র বাসং করোতি সঃ।।৬০।।

    এই মহাবায়ুর প্রভাবে, এই মহামেঘের গর্জনে তথা এই পরম উগ্র জলধারাতে আমাদের মহাভয় উৎপন্ন হচ্ছে, হে ভৈরবি, এই ভয়ের থেকে তুমি এই দাসেদের রক্ষা করো। সেই সময় দেবী প্রসন্ন হয়ে জলবর্ষণ শান্ত করেছিলেন।।৫৭-৫৮।।

    এক বৎসরের মধ্যে সমস্ত পৃথিবী স্থলীরূপে পরিণত হয়েছিল এবং শীঘ্র হিমাদ্রি তটভূমিতে “শিষিণা” নামক এক স্থলে নিজ কুলের সংগে রাজা ন্যূহ অবতরণ করে বাস করতে লাগলেন।।৫৯-৬০।।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত
    Next Article দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }