Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)

    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস এক পাতা গল্প707 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্রাহ্মণদের বিবাহ বৃত্তান্ত

    ।। ব্রহ্মানন্দ কা বিবাহ বৃত্তান্ত।।

    কৃষ্ণাংশেৎষ্টাদশাব্দে তু যথাজাতং তথা শৃণু। মৃতে কৃষ্ণমুরারে তু ভূপতৌ রত্নভানুনা।।১।। মহীরাজঃ সুদুঃখাতো লক্ষচন্ডীমকারয়ৎ। হোমান্তে তু তদা দেবী বাগুবাচ নৃপং প্রতি।।২।। বর্ষেবর্ষে তু তে সপ্ত ভবিষ্যম্ত্যঙ্গ সম্ভবাঃ। কুমারাঃ কৌরবাংশাশ্চ দ্রৌপদ্যংশা সুতা নৃপ।।৩।। ইত্যুক্তে বচনে তস্মিন্নাজ্ঞী গর্ভমথো দধৌ। কর্ণাংশশ্চ সুতো জায়স্তারকো বলবত্তরঃ।।৪।। দ্বিতীয়াব্দে তথা জাতে দুঃশাসনশুভাংশতঃ। গৃহরিরিতি বিখ্যাতস্তৃতীয়াব্দে তু চাভবৎ।।৫।। উদ্বার্ষাংশঃ সরদনো দুর্মুখাংশস্ত মর্দনঃ। বিকর্ণাংশঃ সূৰ্য্যকর্মা ভীমশ্রাংশো বিবিংশতে।।৬।।

    ।। ব্রাহ্মণন্দের বিবাহ বৃত্তান্ত।।

    এই অধ্যায়ে পৃথ্বীরাজের সপ্ত কৌরবাংশ পুত্র প্রাপ্তি বৃত্তান্ত বর্ণন তথা ব্রহ্মানন্দের বিবাহ বর্ণন করা হয়েছে। শ্রীসূতজী বললেন — কৃষ্ণাংশ অষ্টাদশবর্ষীয় হলে কি হয়েছিল তা শ্রবণ কর। রত্নভানুর দ্বারা কৃষ্ণকুমার ভূপতি মৃত হলে সুদুঃখার্ত মহীরাজ লক্ষচন্ডীর অনুষ্ঠান করেছিলেন। হোমের পর রাজাকে দেবী বললেন–প্রত্যেক বর্ষে সপ্ত অঙ্গ সম্ভূত কুমার জন্মলাভ করবে। হে নৃপ, তারা কৌরবাংশ এবং দ্রৌপদ্যংশের পুত্র হবে।।১-৩।।

    রাজাকে এ কথা বলার পর রাণী গর্ভধারণ করলেন। অধিক বলশালী কার্ণাংশ পুত্র তারক সমুৎপন্ন হলেন।। দ্বিতীয় বর্ষে দুঃশাসনের শুভাংশে নৃহরি জন্মলাভ করলেন। তৃতীষবর্ষে উদ্ধার্য্যাংশ সরদন, দুর্মুখাংশমর্দন, বিকৰ্ণাংশ সীর্যবর্ষা এবং ভীমাংশ বিবিংশত উৎপন্ন হলেন।।৫-৬।।

    বৰ্দ্ধনশ্চিত্রবাণাংশো বেলা তদনু চাভবৎ। যথা কৃষ্ণা তথাসৈব রূপচেষ্টাগুণৈমুনে।।৭ ॥ ভূবি তস্যাং চ জাতায়াং ভূকম্পো দারুণোহ ভবৎ। অট্টাট্টহাসমশিবং চামুন্ডা খে চকার হ। রক্তবৃষ্টিঃ পুরে চাসীদ স্থিশর্করয়া যুতা।।৮।। ব্রাহ্মণাশ্চ সমাগত্য জাতকর্মাদিকাং ক্রিয়াম্। কৃত্বা নাম তথা চক্রে শৃণু ভূমিপ সাক্ষরম্।।৯।। ইলা চ শশিনো মাতা বিকাপ্লেনাহ ভবস্তুবি। তস্মাদ্বেলেতি বিখ্যাতা কন্যেয়ং রূপশালিনী।।১০।। জাতায়াং সুতায়াং স পিতা বিপ্রেভ্য উত্তমম্। দদৌ দানং মুদা যুক্তো বাসাংসি বিবিধানি চ।।১১।। দ্বাদশাব্দবয়ঃ প্রাপ্তে সা সুতা বরণিনী। উবাচ পিতরং নম্রা শৃণু ত্বং পৃথিবীপতে।।১২।।

    চিত্রবার্ণাংশ থেকে বিবর্দ্ধন এবং এরপর বেলা সমুৎপন্ন হন। তিনি কৃষ্ণার ন্যায় ছিলেন, তিনি রূপলাবণ্য, চেষ্টা এবং গুণের আধার ছিলেন।।৭।।

    এই ভূমন্ডলে তিনি জন্মগ্রহণ করা কালে এক মহাদারুণ ভূকম্প হয়েছিল এবং চামুন্ডা দেবী আকাশ থেকে অশিব অট্টাট্টহাস্য করেছিলেন। পুরমধ্যে রক্তবৃষ্টি হয়েছিল যা ছিল অস্থি শর্করা যুক্ত।।৮।।

    ব্রাহ্মণগণ তাঁর জাতকর্মাদি ক্রিয়া সম্পন্ন করে তার নামকরণ করেছিলেন। হে ভূমিপ, সাক্ষর সেই নাম শ্রবণ কর। ইলাশশীর মাতা বিকল্পো ভূমি থেকে জন্মলাভ করে বেলা নামে বিখ্যাত হন। এই রূপ শালিনী তোমার কন্যা বেলা নামধারিণী হলেন।।৯-১০।।

    সেই কন্যার জন্মের পর তার পিতা প্রসন্নতার সঙ্গে ব্রাহ্মণদের প্রভূত উত্তমদান তথা প্রচুর বন্ধু দিয়েছিলেন।।১১।।

    মন্ডপে রক্তধারাভির্যো মাং সংস্থাপয়িষ্যতি। দ্রৌপদ্যা ভূষণং দাতা স মে ভর্তা ভবিষ্যতি।।১৩।। স্বর্ণপত্রে তদা রাজা পদ্যং বেলামখোদ্ভবম্। লিখিত্বা তারকং প্রাহ ত্বমন্বেষয় তৎপতিম্।।১৪।। সার্দ্ধং লক্ষত্রয়ং দ্রব্যং গৃহীত্বা লক্ষসৈন্যকঃ। নৃপান্তরং যযৌ শীঘ্রং তারক পিতুরাজ্ঞয়া।। ১৫।। সিন্ধুস্থানে চার্যদেশে ভূপং ভূপং যযৌ বলী। ন গৃহীতং নৃপৈঃ কৈশ্চিত্তদ্বাক্যং ঘোরমুল্বণম্। মহীপতিং স সংপ্রাপ্য মাতুলং তদ্বচোহব্রবীৎ।।১৬।। শ্রুত্বা স আহ ভো বীর ব্রহ্মানন্দো মহাবলঃ। স চ বাক্যং প্রগৃহীয়াদাহ্লাদদৌ সুরক্ষিতঃ।।১৭।। কিং ত্বয়া বিদিতং নৈব চরিতং তস্য বিশ্রুতম্। ভবানষড়বন্ধু সহিতঃ কৃষ্ণাংশাদ্যৈবিবাহিতঃ।।১৮।।

    সেই বরবর্ণিনী কন্যা দ্বাদশবর্ষ প্রাপ্ত হলে বিনম্র হয়ে পিতাকে বললেন–হে পৃথিবীপতে, শ্রবণ করুন মন্ডপে রক্ত ধারার দ্বারা যে ব্যক্তি আমাকে সংস্থাপন করাবেন তিনি দ্রৌপদীকে বস্ত্রদানকারী আমার স্বামী হবেন।।১২-১৩।।

    রাজা তখন সুবর্ণপত্রে বেলার কথিত পদ্য লিখে তারককে তার পতি খুঁজতে নির্দেশ দিলেন।।১৪।।

    তারক তিনলক্ষ ধনসম্পদ এবং একলক্ষ সেনা নিয়ে পিতার আজ্ঞাতে অন্য রাজাদের নিকট শীঘ্র চলে গেলেন। সেই বলবান্ সিন্ধু দেশে, আর্য দেশে প্রত্যেক রাজার কাছে গেলেন কিন্তু রাজাদের কেউই সেই পরম ঘোর উল্বন বাক্য গ্রহণ করলেন না। তিনি পুনরায় মাতুল মহীপতির কাছে গিয়ে সেই বচন বলেছিলেন।।১৫-১৬।।

    সেই কথা শ্রবণ করে তিনি বললেন হে বীর, ব্রহ্মানন্দ মহাবলবান্ তিনি এই বাক্য গ্রহণ করবেন, কারণ তিনি আহ্লাদাদির দ্বারা পূর্ণরূপে সুরক্ষিত। তুমি কি তার বিশ্ব প্রসিদ্ধ চরিত্র সম্পর্কে জান না। তোমরা ছয় বন্ধুগণের সঙ্গে কৃষ্ণাংশাদির দ্বারা বিবাহিত।।১৭-১৮।।

    তে সর্বে বরাগাস্তস্য ব্রহ্মানন্দস্য ধীমতঃ। নাস্তি ভূমন্ডলে কশ্চিত্তদ্বলেন সমো নৃপঃ।।১৯।। ইতি শ্রুত্বা যযৌ তূর্ণং তারকঃ স্ববলৈঃ সহ। তৎপাদ্যং কথয়িত্বাগ্রে হস্তবদ্বস্তদা ভবৎ।। ২০।। কৃষ্ণাংশস্তু গৃহীত্বাশু পদ্যং বাক্যমুবাচ হ। অহং বিবাহয়িষ্যামি ব্রহ্মানন্দং নৃপোত্তমম্।।২১।। তৃষ্ণীং ভূতাস্তদা সর্বে তারকঃ স দ্বিজৈঃ সহ। অভিষেকং তদা কৃত্বা স্বগেহং পুনরাযযৌ।।২২।। মাঘমাসে সিতে পক্ষে ত্রয়োদশ্যাং সুবাসরে। বিবাহলগ্নং শুভদং বরকন্যার্থয়োস্তদা।।২৩।। সপ্তলক্ষবলৈঃ সার্দ্ধং লক্ষণশজচ সতালনঃ মহাবন্তীং পুরীং প্রাপ্তো বলী পরিমলাদিভিঃ।।২৪।। আহ্লাদো লক্ষসৈন্যাঢয়ঃ কৃষ্ণাংশেন সমন্বিতঃ। বলখানিলক্ষসৈন্যঃ সংযুতঃ সুখখানিনা।।২৫।।

    সেই সকল ধীমান্ ব্রহ্মানন্দের বশীভূত, এই ভূমন্ডলে তার তুল্য কোনো নৃপতি নেই।।১৯।।

    একথা শ্রবণ করে তারক নিজ সেনাগণকে সাথে নিয়ে শীঘ্র সেখানে পৌঁছে গেলেন। সেই পত্র নিয়ে কৃতাঞ্জলী পূটে কৃষ্ণাংশের কাছে উপস্থিত হলেন। কৃষ্ণাংশ সেই পত্র গ্রহণ করে পদ্য পাঠ করলেন এবং বললেন, আমি নৃপোত্তম ব্রহ্মাণদের বিবাহ দেব।।২০।।

    সেই কথা শুনে সকলে নিশ্চুপ রইলেন, তখন তারক দ্বিজগণের সাথে অভিষেক করে শীঘ্র গৃহে ফিরলেন।।২১।।

    নেত্ৰসিংহো লক্ষসৈন্যো যোগভোগসমন্বিতঃ। রণজিচ্চ বলী বালো দ্বিলক্ষবল সংযুতঃ।।২৬।। এবং দ্বাদশলক্ষাণাং সৈন্যনামধিপো বলী। তালনঃ সিংহনীসংস্থো বড়বাং প্রযযৌ সহ।।২৭।। সৈন্যৈদ্বদিশলক্ষৈশ্চ সহিতস্তালনো বলী। আযযৌ দেহলীগ্রামে মহৌরাজানু পলিতে।।২৮।। দেবো মনোরথারূঢ়োবিন্দুলস্থঃ স কৃষ্ণকঃ। বড়বামৃতমাসাদ্য স্বর্ণবত্যা সুতো গতঃ।।২৯।। রূপনশ্চ করালস্থ আহ্লাদশ্চ পপীহকে। বলখানিঃ কপোতস্থো হরিণস্থোহনুজস্ততঃ।।৩০।। রণজিন্মলনাপুত্রঃ সংস্থিতো হরিনাগরেঃ। পঞ্চশব্দগজারূঢ়ে মহাবত্যধিপো গতঃ।।৩১।। বিমানবরমারূহ্য ধীবরৈঃ শতবাহিকৈঃ। মণিমুক্তাস্বর্ণময়ং সহস্ৰৈবাদ্যকৈযুতম্।।৩২।।

    মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে সুবাসরে বর ও কন্যার শুভ লগ্ন বিবাহ নিশ্চিত হল। তালনের সঙ্গে লক্ষণ সাতলক্ষ সেনা নিয়ে পরিমলাদি মহাবলীর সঙ্গে মহাবীরপুরীতে উপস্থিত হন। আহ্লাদ একলক্ষ সেনা ও কৃষ্ণাংশকে নিয়ে, বলখানি একলক্ষ সেনা ও সুখখানিকে সঙ্গে নিয়ে এবং একলক্ষ সেনা ও যোগ ও ভোগকে নেত্রসিংহ এবং রণজয়ী বাল দুইলক্ষ সেনা নিয়ে -সাকুল্যে বারলক্ষ সেনার সেনাপতি বলবান্ তালন মহারাজের দ্বারা সুরক্ষিত দেহলীনগরে সিংহিনী নামক ঘোটকী নিয়ে এসে উপস্থিত হন।।২২-২৮

    মনোরথ নামক অশ্বে দেব এবং বিন্দুল নামক অশ্বে কৃষ্ণাংশ সমারোহণ করেছিলেন। স্বর্ণবতীর পুত্র বড়ামৃতে আরোহণ করে সেখানে গিয়েছিলেন। রূপণ করাল নামক অশ্বে এবং আহ্লাদ পপীহক নামক অশ্বে, বলখানি কপোতক নামক অশ্বে, তার অনুজ হরিণ নামক অশ্বে সমারোহণ করেছিলেন। মলনা পুত্র রণজিৎ হরিনাগর বাহনে আরূঢ় হয়েছিলেন। মহাবলীর স্বামী পঞ্চশব্দ নামক বাহনে স্থিত ছিলেন।।২৯-৩১।।

    অযুতৈশ্চ পতাকৈশ্চ বেত্ৰপানিসহক্রকৈঃ। সহস্রৈ শিবিকাভিশ্চ পঞ্চসাহস্ৰকৈ রথৈঃ।।৩৩।। শকটেমহিষোঢ়ৈস্তু তথা পঞ্চসহস্ৰকৈঃ। সর্বতোপস্কৃতং রম্যং ব্রহ্মানন্দং সমাগতঃ।।৩৪।। শ্রুত্বা কোলাহলং তেষাং মহীরাজো নৃপোত্তমঃ। বিস্মিতঃ স বভূবাত্র শিবিরানি মুদা দদৌ।।৩৫।। দুর্গদ্বারি ক্রিয়াং রম্যাং কৃত্বা বিধিবিধানতঃ। দ্রৌপদ্যা ভূষণং দেহি বেলায়ৈ স তমব্রবীৎ।।৩৬।। ইন্দুলস্ত যযৌ স্বর্গং বাসবং প্রতি চাব্রবীৎ। দ্রৌপদ্যা ভূষণং সর্বং দেহি মহ্যং সুরোত্তম্।।৩৭।। কুবেরাস্ত সমানীয় দিব্যমাভূষণং দদৌ। ইন্দুলঃ প্রহরান্তে চ প্রাপ্ত পিত্রে ন্যবেদয়ৎ।।৩৮।। আহ্লাদস্ত স্বয়ং গত্বা বেলায়ৈ ভূষণং দদৌ। প্রাপ্তে ব্রাহ্মে মুহূর্তে তু বিবাহস্তত্র চা ভবৎ।।৩৯।।

    শতবাহিক ধীবরগণের সাথে শ্রেষ্ঠ বিমানে আরোহণ করেছিলেন, যেটি মণি-মুক্তা, সুবর্ণ এবং সহস্র বাদ্যে পরিপূর্ণ ছিল। দশসহস্র পতাকা, সহস্র বেত্রপাণি, একসহস্র শিবিকা তথা পঞ্চসহস্র রথের দ্বারা সমাযুক্ত, মহিষদের দ্বারা সমূঢ় পঞ্চসহস্র শকট যুক্ত সুসংস্কৃত রমণীয় বিমানে ব্রহ্মানন্দ এসেছিলেন। তাদের কোলাহল শ্রবণ করে মহীরাজ প্রভৃত বিস্মিত হয়েছিলেন এবং প্রসন্নতার সঙ্গে তাদের থাকার জন্য শিবির প্রদান করেছিলেন।।৩২-৩৫।।

    দুর্গ দ্বারে পূর্ণ বিধি বিধানের সাথে রম্য ক্রিয়া সম্পন্ন করে মহীরাজ তাদের কাছে কন্যা বেলার জন্য দ্রৌপদী ভূষণ সমূহ প্রার্থনা করলেন। সেই সময় ইন্দুল স্বর্গে গিয়ে দেবরাজ ইন্দ্রের কাছে দ্রৌপদীর সমস্ত ভূষণ প্রার্থনা করলেন।।৩৬-৩৭।।

    দেবরাজ ইন্দ্র সেই সময় কুবেরের থেকে দ্রৌপদীর পরম দিব্যভূষণ প্ৰদান করলেন। ইন্দুল একপ্রহরের মধ্যে প্রত্যাবর্তন করে সমস্ত আভূষণ পিতাকে প্রদান করলেন।।৩৮।।

    আহ্লাদ স্বয়ং বেলাকে সেই আভূষণ দিয়ে এসেছিলেন। পুনরায় ব্রহ্মমুহূর্ত প্রাপ্ত হলে সেখানে বিবাহ হয়েছিল।।৩৯।।

    সংপ্রাপ্তে প্রথমার্বতে তারকঃ খড়্গমাদৌ। আহ্লাদস্তং সমাসাদ্য যুযুধে বহুলীলয়া।।৪০।। নৃহরিস্তু দ্বিতীয়ে চ কৃষ্ণাংশং প্রতি চারূধৎ। তথা সরদনং বীরং বলখানিরূপাযযৌ।।৪১।। মর্দনং সুখখানিস্তু চতুর্থাবর্তকেহ রূধৎ। রণজিৎ সূর্যবর্মানং স ভীমং রূপণো বলী। দেবস্তুবর্ধনং বীরং সপ্তাবর্তে ক্রমাদ্যযৌ।।৪২।। শতভূপানখড়্গা ধরাঙ্গজসেনাদিকাংস্তদা। লক্ষণাদ্যা সমাজমন্ডপে বহুবিস্তুতে।।৪৩।। ভগ্নভূতং নৃপবলং রাজা দৃষ্ট বা রুষান্বিতঃ। মহীরাজো যযৌ রূঢ়ো গজং চারিভয়ঙ্করম্।।৪৪।। জিত্বা তা ন্নেত্রসিংহাদীঞ্ছব্দবেধী নৃপোত্তমঃ। লক্ষণং প্রযযৌ শীঘ্রং বৌদ্ধিনীং হস্তিনীং স্থিতম্।। ৪৫।।

    প্রথমাবর্তে তারক নিজ খড়গ গ্রহণ করলে আহ্লাদ তার কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন এবং বহু প্রকারে যুদ্ধ করেছিলেন। দ্বিতীয়াবর্তে নৃহরি কৃষ্ণাংশের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন। বলখানি বীর সরদনের সাথে যুদ্ধ করেছিল। চতুর্থ আবর্তে সুখখানি মর্দনের সাথে যুদ্ধ করেছিল। এইভাবে রণজিৎ সূর্যবর্মার সঙ্গে এবং বলবান্ রূপণ ভীমের সাথে তথা দেব বীরবর্ধনের সাথে ক্রমান্বয়ে সপ্ত আবর্তে যুদ্ধ করার জন্য গিয়েছিলেন। এই প্রকারে লক্ষণাদি গজসেনাদি শতখড়্গধারী নৃপতিগণকে সেই বহু বিস্মৃত মন্ডপে এসে ঘিরে ফেলেছিলেন এবং যুদ্ধ করতে লাগলেন।।৪০-৪৩।।

    রাজা নিজবল ভগ্ন হতে দেখে রোষান্বিত হয়ে শত্রুর প্রতি মহাভয়ংকর হাতীতে আরোহণ করে স্বয়ং এসে উপস্থিত হন।।৪৪।।

    শিবং মনসি সংস্থাপ্য জিত্বা বদ্ধা রুষান্বিতঃ। অগমত্তমুপগৃহ্য দর্শয়ামাস তং নৃপম্।।৪৬।। শ্রুত্বা পরিমলো রাজা কৃষ্ণাংশং ভীরুকো যযৌ বৃত্তান্তং কথায়মাস চাহ্লাদাদিপরাজয়ম্।।৪৭।। অজিতঃ স চ কৃষ্ণাংশো নভোমার্গেন মন্দিরম্। গত্বা জগর্জ বলবান্যোগিন্যানন্দদায়কঃ।।৪৮।। তদা স লক্ষনো বীরস্ত্যক্ত্বা বন্ধনমুত্তমম্। বিষ্ণুং মনসি সংস্থাপ্য মহীরাজং সমাযযৌ।।৪৯।। গৃহীত্বা চাগমাং দোলাং স্বয়ং শিবিরমাপ্তবান্।।৫০।। এতস্মিন্নন্তরে সর্বে ত্যক্ত্বা মূৰ্চ্ছাং সমস্ততঃ। খড়্গগযুদ্ধেন তচাঞ্জিত্বা বদ্ধা তান্নিগড়ৈদৃঢ়ৈ।। ৫১।। সান্বযাঞ্ছতভূপাংশ্চ হত্বা তদ্রুধিকারবহৈঃ। দ্রৌপদীং স্নাপয়ামাসুবেলারূপাং কলোত্তমাম্।।৫২।। বিবাহান্তে চ তে সৰ্বে শিবিরানি সমাযঃ। সমুৎসৃজ্য সুতাস্নপ্ত সুভোজ্যৈস্তে হ্যভোজয়ন্।।৫৩।।

    সেই রাজা শতভেদী ছিলেন, তিনি নেত্র সিংহাদিকে জয় করে বৌদ্ধিনী হস্তিতে স্থিত লক্ষণের কাছে পৌঁছালেন। মনে মনে ভগবান্ শিবের ধ্যান করে রোষান্বিত হয়ে তাকে জয় করলেন এবং তাকে বেঁধে নিয়ে রাজাকে দেখালেন। রাজা পরিমল ভয়ভীত হয়ে কৃষ্ণাংশের কাছে চলে গেল। সেখানে আহ্লাদাদির পরাজয় বৃত্তান্ত বললেন।।৪৫-৪৭।।

    সেই অজিত কৃষ্ণাংশ আকাশ মার্গে মন্দিরে গিয়ে পুনঃপুনঃ গর্জন করেছিল।।৪৮।।

    সেই সময় বীর লক্ষণ উত্তম বন্ধন ত্যাগ করে মনে মনে বিষ্ণুকে সংস্থাপিত করে মহারাজের কাছে গমন করল। সেখানে অগমদোলা গ্রহণ করে স্বয়ং শিবিরে চলে গেলেন।।৫০।।

    ইতিমধ্যে সকলে মূৰ্চ্ছা ত্যাগ করে খড়্গযুদ্ধে তাকে জয় করে নিগড়ের দ্বারা দৃঢ়ভাবে বেঁধে ফেলল এবং শত নৃপতিকে হত্যা করে তাদের রুধির ধারাতে বেলা স্বরূপে সমাস্থিত দ্রৌপদীর স্নপন করেছিল।।৫১-৫২।।

    বিবাহ সমাপ্ত হলে তারা সকলে নিজ নিজ শিবিরে ফিরে এসেছিল। সাতজন পুত্রকে সুভোজ্যের দ্বারা ভোজন করার জন্য সেখানে রেখে আসা হল।।৫৩।।

    ভুক্তবৎস সুবীরেষু সাহস্ৰাস্তৈঃ সুতৈঃ সহ। রুরুধুঃ সর্বতো জন্ধুরস্ত্রশস্ত্রেঃ সমস্ততঃ।।৫৪।। সহস্রশূরাংস্তাহ্নত্বা পুনর্বদ্ধা মহাবলান্। শিবিরানি সমাজগুস্তেষাং হাস্যবিশারদাঃ।।৫৫।। দশলক্ষসুবর্ণানি গৃহীত্বা নৃপতিবলী। বেলাং নবোঢ়ামাদায় গত্বা নত্বা তমব্রবীৎ।।৫৬।। প্রদ্যোতসুত হে রাজঁল্লক্ষণোহসৌ মহাবলঃ। মম পত্নীং সমাদায় দাসীং কর্তং সমিচ্ছতি।।৫৭।। ইতি শ্রুত্বা পরিমলঃ সর্ব ভূপসমান্বিতঃ। বহুধা বোধিতশ্চৈব ন বুবোধ তদা নৃপঃ।।৫৮।। তদা মহাসতী বেলা বিললাপ ভূশং মুহুঃ! তচ্ছুত্বাস চ কৃষ্ণাংশঃ সহিতো বলখানি না। তামাশ্চাস্য তদা বেলাং নভোমার্গেন চাযযৌ।।৫৯।। লক্ষণং তর্জয়িত্বাসৌ গৃহীত্বা চাগমন্মদা। নভোমার্গেন গেহে তং কৃষ্ণাংশঃ সমপেষয়ৎ।।৬০।।

    সেই সুবীরগণ ভোজন করলে সহস্রবীর তাদের রোধ করল। এবং অস্ত্র- শস্ত্র দিয়ে তাদের মারল। সেই সহস্র শূরদের মেরে এবং মহাবলদের বেঁধে হাস্যবিশারদ শিবিরে সপ্তবীর চলে এলেন।।৫৪-৫৫।।

    বলী নৃপতি দশলক্ষ সুবর্ণ মুদ্রা গ্রহণ করে এবং নবোঢ়া বেলাকে নিয়ে নমস্কার করে বললেন–হে প্রদ্যোত সূত, হে রাজন্, এই লক্ষণ মহাবলবান্। আমার পত্নীকে গ্রহণ করে সে দাসী করতে চায়।।৫৬-৫৭।।

    একথা শ্রবণ করে সমস্ত ভূপতিগণের সঙ্গে পরিমল অনেকভাবে বোঝালেন কিন্তু সেই সময় রাজা বুঝতে পারলেন না। তখন মহাসতী বেলা বারংবার বিলাপ করতে লাগলেন। একথা শ্রবণ করে বলখানির সাথে কৃষ্ণাংশ সেই বেলাকে সমাশ্বাসন করে আকাশমার্গে এসে উপস্থিত হন। তারা লক্ষণকে তর্জন করে তাকে নিয়ে প্রসন্নতাপূর্বক গৃহে ফিরে এসে কৃষ্ণাংশ তার কক্ষে পাঠিয়ে দিলেন।।৫৮-৬০।।

    পুনস্ত্যক্ত্বা সপ্ত সুতানসহি তান্নপতেস্তু তে। শপথং কারয়ামাসুদভং প্রতি মহাবলাঃ। উষিত্বা দশরাত্রান্তে দধ্যগর্তমনো মুনে।।৬১।। মহীরাজস্তু বলবা গৃহীত্বা ভূপতেঃ পদৌ। স উবাচাশ্রুস্ফূর্ণাক্ষস্তদা পরিমলং নৃপম্।।৬২।। মহারাজ বধূস্তে চ বেলেয়ং দ্বাদশাব্দিকা। পিতৃমাতৃবিয়োগং চ ন ক্ষমন্তী তু বালিকা।।৬৩।। তস্মাত্তাং ত্বং পরিত্যজ্য গচ্ছ গেহং সুখী ভব। পতিযোগ্যা যদা ভূতাত্তদা ত্বাং পুনরেষ্যতি।।৬৪।। ইত্যুত্ত্বা চ বচো রাজা স স্নেহাদঙ্কমস্পৃশৎ। চূর্ণীভূতে পরিমলে চাহ্লাদস্তত্র দুঃখিতঃ। মহীরাজং স পস্পর্শ স রাজা চূর্ণতাঙ্গতঃ।।৬৫।। ভগ্নাস্থী ভূপতি চোভৌপাবকীয়ৈশ্চিকিৎসকৈঃ। সুখবতৌ গৃহং প্রাপ্য কৃতকৃত্যত্বমাগতৌ।।৬৬।।

    পুনরায় সপ্তপুত্রকে ত্যাগ করে মহাবলী দম্ভের প্রতি শপথ করালেন। দশরাত্রির পর তারা সেখান থেকে চলে যাবার জন্য মনস্থ করল।৬১।।

    বলবান্ মহীরাজ ভূপতির চরণ গ্রহণ করে অশ্রুপূর্ণ নেত্রে রাজা পরিমলকে বললেন–হে মহারাজ, আপনার বধূ বেলা কেবলদ্বাদশ বৎসরের, সে অল্পবয়স্কা, মাতা-পিতার বিয়োগ সহ্য করতে পারবে না। এইজন্য আপনি তাকে এখানেই ছেড়ে দিয়ে গৃহে চলে যান, সুখী থাকুন। যখন সে পতির যোগ্য হয়ে উঠতে পারবে তখন তাকে আপনার কাছে পাঠিয়ে দেব।।৬২-৬৪।।

    একথা বলে রাজা স্নেহবশতঃ তাকে ক্রোড় গ্রহণ করে চূর্ণীভূত হলেন। রাজা পরিমল চূর্ণীভূত হলে আহ্লাদ অত্যন্ত দুঃখিত হলেন। তিনি মহীরাজকে স্পর্শ করলে মহীরাজও চূর্ণতা প্রাপ্ত হলেন।।৬৫।।

    মলনা স্বসুতং দৃষ্ট্বাদ্বা প্রাপ্তমুহিতং গৃহে। কৃত্বোৎসবং বহুবিধং বিপ্রেভ্যশ্চ দদৌ ধনম্। হোমং বৈ কারয়ামাস চন্ডিকায়া প্রসাদতঃ।।৬৭।। সভায়াং লক্ষণো বীরো যাত্রাকালে তমব্রবীৎ। অগমাং জয়চন্দ্রায় মত্বাজিত্বা হৃতাং তু তাম্। নভোমার্গেন সংপ্রাপ্তৌ যোগিনৌ চ শিবাজ্ঞয়া।।৬৮।। জহতুস্তৌ চ মাংজিত্বা তত্তীনভয়মোহিতম্। অদ্যাহং ধাত গচ্ছামি চিরঞ্জীব নৃপোত্তম। ইত্যুক্তবন্তং তং নত্বা যযুভূপাঃ স্বমালয়ম্।।৬৯।।

    ভগ্ন অস্থি দুই নৃপতির পাবকীয় চিকিৎসকের দ্বারা সুখী করা হল। তারপর তাঁরা গৃহে গিয়ে কৃতকৃতাত্ব হলেন। মলনা নিজপুত্রকে প্রাপ্ত হয়ে বড় উৎসব করলেন এবং বিপ্রদের প্রচুর সম্পদদান করলেন। দেবী চন্ডিকার অনুগ্রহে তিনি হোমানুষ্ঠানও করিয়েছিলেন।।৬৬-৬৭।।

    যাত্রাকালে সভাতে বীরলক্ষণ তাদের বললেন–জয়চন্দ্রের পক্ষে অগমাতাকে জয় করে শিবের আজ্ঞাতে দুইজন যোগী আকাশ মার্গে আকাশ মার্গে বিচরণ করতে থাকলে তাদের ভয়ে আনি ভীত হলাম। আমাকে জয় করে তারা আমাকে ত্যাগ করলেন। হে ধাত, হে নৃপোত্তম আজ আমি চললাম আপনি চিরকাল জীবিত থাকুন। এই কথা বলে তাঁকে প্রণাম করে সেই রাজা চলে গেলেন।।৬৮-৬৯।।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত
    Next Article দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }