Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)

    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস এক পাতা গল্প707 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শুক্ল বংশ চরিত্র

    ।। শুক্ল বংশ চরিত্র।।

    শুক্লবংশ প্রবক্ষ্যামি শৃণু বিপ্রবরাদিতঃ। যদা কৃষ্ণঃ স্বয়ং ব্রহ্ম ত্যক্ত্বা ভূতলে স্বকং পদম্।।১।। দিব্যং বৃন্দাবনং রম্যং প্রযযৌ ভূতলে তদা কলেরাগমনং জ্ঞাত্বা ম্লেচ্ছপা দ্বীপমধ্যগে।।২।। স্থিতা দ্বীপেষু বৈ নানা মনুষা বেদতৎপরাঃ। কলিনামিত্রধমেন দূষিতাস্তে বভূবিরে।।৩।। অষ্টষষ্টিসহস্রাণাং বর্ষাণাং মুনিসত্তম। অদ্য প্রভৃতি বৈ জাতঃ কালঃ কলিসমাগমে।।৪।। ষষ্টিবর্ষসহস্রাণি দ্বীপরাজ্যমচীকরৎ। স কলিল্লৈচ্ছয়া সার্ধং সূর্য পূজনতৎপরঃ।।৫।।

    ।। শুক্লবংশ চরিত্র।।

    এই অধ্যায়ে শুক্ল নামক অগ্নিবংশে জাত ভূপলিকের চরিত্র বর্ণনা করা হয়েছে।

    শ্ৰী সূতজী বললেন –হে বিপ্রবর, এখন শুক্লবংশ বর্ণন করছি, তা তুমি প্রথম থেকে শ্রবণ কর। যে সময় ভগবান স্বয়ং ব্রহ্মা নিজ ভূমি পদ ত্যাগ করে সেই সময় দিব্য এবং রম্য বৃন্দাবনে চলে গেলেন। তিনি দ্বীপ মধ্যে ম্লেচ্ছ এবং কলির আগমন জেনেছিলেন।। ১-২।।

    দ্বীপের অনেক মনুষ্য বেদ তৎপর ছিলেন তারা ধর্ম শত্রু কলির দ্বারা দূষিত হয়েছিলেন।। ৩।।

    হে মুনিসত্তম, আজ থেকে ৩৬৮ হাজার বর্ষের সময় কলির সমাগম হয়েছিল। সেই কলি ম্লেচ্ছ গণের সাথে সূর্য পূজন তৎপর হয়ে ৬০ হাজার বর্ষ পর্যন্ত দ্বীপরাজ্য করেছিলেন। তৎপশ্চাতে ভারতকে লোক পালের দ্বারা পালিত হতে দেখে ম্লেচ্ছগনের সাথে সেই কলি ভারতে এসেছিলেন। শীঘ্র অভীষ্ট এবং ভয়াতুর গন্ধর্বগণের যশকারী সেই কলি সূর্যদেবের সমারাধনা করে সমাধিস্থিত হয়ে গেলেন।। ৪-৭।।

    তৎপশ্চাৎ ভারতে বর্ষে ম্লেচ্ছয়া কলিরাযযৌ। দৃষ্ট্বা তদ্ভারতং বর্ষং লোকপালৈশ্চ পালিতম্।।৬।। ভয়ভীতত্ত্বরাবিষ্টো গন্ধবাণাং যশস্করঃ। স কলিঃ সূর্যমারাধ্য সমাধিস্থো বভূব হ।।৭।। ততো বর্ষশতাব্দান্তে সন্তুষ্টো রবিরাগতঃ। সোংশুভিলোকমাতপ্য মসাবৃষ্টিমকারয়ৎ।।৮।। চতুর্বর্ষসহস্রাণি চতুর্বর্ষশতানি চ। ব্যতীতানি মুনিশ্রেষ্ঠ চাদ্য প্ৰভৃতি সংলপে।।৯।। সম্পন্নং ভারতং বর্ষং তদা জাতং সমস্ততঃ। ন্যুহাস্তো যবনো নাম তেন বৈ পূরিতং জগৎ।।১০।। সহস্রাব্দকলৌ প্রাপ্তে মহেন্দ্রো দেবরাট্ স্বয়ম্। কাশ্যপং প্রেষয়ামাস ব্রহ্মবর্তে মহোত্তমে।। ১১।। আর্যাবতী দেবশক্তিস্তৎকরং চা গ্রহীম্মুদা। দশপুত্রান্সমুৎপাদ্য স দ্বিজো মিশ্রমাগমৎ।। ১২।।

    অতঃপর একশ বর্ষের শেষে রবি সন্তুষ্ট হয়ে নিজ কিরণের দ্বারা লোককে আতপ্ত করে পুনরায় বৃষ্টি দান করেছিলেন।। ৮।।

    হে মুনি শ্রেষ্ঠ, আজ থেকে চার হাজার চারশত বর্ষ ব্যতীত হলে সকলদিক থেকে ভারত বর্ষ পূণরূপে সম্পন্ন হল। ব্যুহনামে এক যবন ছিল তিনি এই সম্পূর্ণ জগৎ পূরিত করেছিলেন।। ৯-১০।।

    এক সহস্র বর্ষ কলি প্রাপ্ত হলে দেবেন্দ্র স্বয়ং মহোত্তম ব্রহ্মাবর্তে কাশ্যবাকে প্রেরণ করলেন।। ১১।।

    আর্যাবতী দেবশক্তি প্রসন্নতা পূর্বক তার কর গ্রহণ করেছিলেন। তার দশপুত্র জন্ম লাভ করেছিল এবং পুনরায় তিনি মিশতে চলেগিয়েলেন।। ১২।।

    মিশ্রদেশোদ্ভবাম্লেচ্ছান্বশীকৃত্যাযুতং মুদা স্বদেশং পুনরাগত্য শিষ্যাংস্তান্সচকার স।।১৩।। নষ্টায়াং সপ্তপূর্যাং চ ব্রহ্মাবর্তং মহোত্তমম্। সরস্বতীদৃষদ্বত্যোমধ্যগং তত্ৰ চাবসৎ।। ১৪।। স্বপুত্রং শুক্লমাহুয় দ্বিজশ্রেষ্ঠং তপোধনম্। আজ্ঞাপ্য রৈবতং শৃঙ্গং তপসে তু পুনঃ স্বয়ম্।।১৫।। নবপুত্রস্তথা শিষ্যান্মনুধর্মং সনাতনম্। শ্রাবয়ামাস ধর্মাত্মা স রাজা মনুধর্মগঃ।।১৬।। শুক্লোপি রৈবতং প্রাপ্য সচ্চিদানন্দবিগ্রহম্। বাসুদেবং জগন্নাথং তপসা সমতোষয়ৎ।।১৭।। তদা প্রসন্নোভগবান্দরকানায়কো বলী। করে গৃহীত্বা তং বিপ্রং সমুদ্ৰান্তমুপাযযৌ।।১৮।। দ্বারকাং দর্শয়ামাস দিব্যশোভাসমন্বিতাম্। ব্যতীতে দ্বিজসহস্রাব্দে কিঞ্চিজ্জাতে ভৃগুত্তম।।১৯।।

    সেই সময় দেশের দশসহস্র ম্লেচ্ছকে তিনি নিজ বশে নিয়ে এসেছিলেন। এরপর তিনি তাদের নিজ দেশে নিয়ে এসে তাদের নিজ শিষ্য করেছিলেন। সপ্তপুরী নষ্ট হরে মহোত্তম সরস্বতী এবং দমন্তীর মধ্যে স্থি ব্রহ্মাবর্তে বাস করতেন। তপোধন দ্বিজ শ্রেষ্ঠ নিজ পুত্র শুক্লকে তিনি ডেকে রৈবত শৃঙ্গকে আজ্ঞা দিলেন, এবং পুনরায় স্বয়ং তপ করতে চলে গেলেন।। ১৩-১৫।।

    সেখানে রৈবত পর্বতে পৌঁছে তিনি সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ রূপ জগৎ স্বামী বাসুদেবকে নিজ তপ দ্বারা পূর্ণরূপে সন্তুষ্ট করলেন। সেই সময় বলবান্ দ্বারকাপতি ভগবান্ পরমপ্রসন্ন হয়ে সেই ব্রাহ্মনের হাত ধরে সমুদ্ৰান্তে আগত হলেন। হে ভূগুত্তম সেখানে তিনি দিব্যশোভা সমন্বিত দ্বারকাকে দেখালেন। বত্রিশ হাজার বর্ষ ব্যতীত হলে সেই শুক্ল অগ্নিদ্বার থেকে অর্বুদ পর্বতে চলে গেলেন। সেখানে নিজ তিন অন্য দ্বিজ বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে বৌদ্ধদের জয় করেছিলেন।। ১৭-২০।

    অগ্নিদ্বারেণ প্রযযৌ স শুক্লোহ বুদপর্বতে। জিত্বা বৌদ্বান্দ্বিজৈঃ সার্ধং ত্রিভিন্যৈশ্চ বন্ধুভিঃ।।২০।। দ্বারকাং কারয়ামাস হরেশ্চ কৃপয়া হি সঃ। তদ্রোষ্য মুদিতো রাজা কৃষ্ণধ্যানপরো ভবৎ।।২১।। পশ্চিমে ভারতে বর্ষে দশাব্দং কৃতবান্মদম্। নারায়ণস্য কৃপয়া বিম্বক্সেনঃ সুতোহ ভবৎ।।২২।। বিংশদব্দং কৃতং রাজ্যং জয়সেনস্ততোহ ভবৎ। ত্রিংশদব্দং কৃতং রাজ্যং বিসেনস্তস্য চাত্মজঃ।।২৩।। শতার্থাব্দং কৃতং রাজ্যং মিথুনং তস্য চ ভবৎ। প্রমেদো মোদসিংহশ্চ বিক্রমায় নিজাং সুতাম্।।২৪।। বিসেনশ্চ দদৌ প্রীত্যা রাষ্ট্রং পুত্রায় চোত্তমম্। পিতুস্তল্যং কৃতং রাজ্যং সিন্ধুবর্মা সুতোহ ভবৎ।।২৫। সিন্ধুকুলে কৃতং রাজ্যং ত্যক্ত্বা তৎপৈতৃকং পদম্। সিন্ধুদেশস্ততো নাম্না প্রসিদ্ধোভূন্মহীতলে।।২৬।।

    তিনি হরি কৃপাতে দ্বারকা বিজয় করে প্রসন্নতা পূর্বক সেখানে বাস করে কৃষ্ণের ধ্যানে মগ্ন হলেন।। ২১।

    পশ্চিমবারতবর্ষে দশবর্ষ পর্যন্ত রাজত্ব করে পুনরায় নারায়ন কৃপাতে বিষ্কসেন নামক পুত্র লাভ করলেন।। তিনি সেখানে ২০ বৎসর রাজশাসন করলেন। তার পুত্র জয়সেন ত্রিশ বৎসর রাজ্য শাসন করেন। তার পুত্র বিসেন ৫০ বছর রাজ্য পালন করেন। তার যমজ পুত্র জাত হয়। তাদের নাম প্রমোদ এবং মোদসিংহ। বিসেন নিজ কন্যাকে রাজা বিক্রমের সঙ্গে বিবাহ দিয়েছিলেন এবং প্রীতি পূর্বক উত্তম রাষ্ট্র পুত্রকে দিয়েছিলেন। তিনি পিতৃতুল্য রাজ্য শাসন করেন। তার পুত্র সিন্ধু বর্মা পৈতৃক পদ ত্যাগ করে সিন্ধু তটে নিজরাজ্য প্রস্তুত করেন। তখন থেকে এই দেশ সিন্ধু নামে পরিচিত।। ২২-২৬।।

    পিতুস্তল্যং কৃতং রাজ্যং রাজা বৈ সিন্ধুবর্মনা। সিন্ধুদ্বীপস্তস্য সুতঃ পিতুস্তল্যং কৃতং পদম্।।২৭।। শ্রীপতিস্তস্য তনয়ো গৌতমান্বয়সংভবাম্। কাচ্ছপীং মহিষীং প্রাপ্য কচ্ছদেশমুপাযযৌ।।২৮।। পুলিন্দান্যবনাঞ্জিত্বা তত্র দেশমকারয়ৎ। দেশো বৈ শ্রীপতিনাম্না সিন্ধুকূলে বভূব হ।।২৯।। পিতুস্তল্যং কৃতং রাজ্যং ভূজবর্মা ততোহ ভবৎ। জিত্বা স শবরাম্ভিল্লাংস্তত্র রাষ্ট্রমকারয়ৎ।।৩০॥

    রাজা সিন্ধু বর্মা পিতৃতুল্য রাজ্য পালন করেন। তার পুত্র সিন্ধুদ্বীপও পিতার ন্যায় রাজ্য ভোগ করেন। তার পুত্র শ্রীপতি গৌতম বংশীয় কাচ্ছপী রানীকে প্রাপ্ত হয়ে পুনরায় কচ্ছপ দেশে এসেছিলেন।। ২৭-২৮।।

    সেখানে পুলিঙ্গ এবং যবনদের জয় করে নিজ দেশ তৈরী করেন। এই কারণে সেই দেশ সিন্ধুতটে শ্রীপতির নামেই পরিচিত। এই শ্ৰীপতি পিতৃতুল্য রাজ্য পালন করেন। তার পুত্র ভুজবর্মা সেখানে শবর এবং ভীলগণকে জয় করে নিজ রাষ্ট্র নির্মাণ করেন। তখন থেকে ঐ মহীতল ভূজ নামে পরিচিতঅ। তিনিও পিতার ন্যায় রাজ্য শাসন করেন। তার পুত্র রণবর্মা পিতৃতুল্য রাজ্য পালন করেন এবং পুত্র চিত্রবর্মা গভীর বনমধ্যে চিত্র নগরী নির্মাণ করেন। তিনিও পিতার মতো রাজ্য ভোগ করেন। তার পুত্র ধর্মবর্মা ও তার বংশধর কৃষ্ণাবর্মা পিতার ন্যায় রাজ্যা ভোগ করেন। পুনরায় তার পুত্র উদয় গভীর বনমদ্যে উদয়পুর নির্মাণ করেন। তিনিও পিতৃতুল্য রাজ্য পালন করেন। তার পুত্র বাপ্য বর্মা অনেক প্রকার চাপী, কৃষা, তড়াগ বিভিন্ন প্রকার হর্ম্য নির্মাণ করেন!। ২৯-৩০।।

    ভূজদেশস্ততৌ জাতঃ প্রসিদ্ধোহ ভূন্মহীতলে। পিতুস্তল্যং কৃতং রাজ্যং রণবর্মা সুতোহ ভবৎ।।৩১।। পিতুস্তল্যং কৃতং রাজ্যং চিত্রবর্মা সুতোহ ভবৎ। কৃত্বা স চিত্রনগরীং বনমধ্যে নৃপোত্তমঃ।।৩২।। পিতুস্তল্যং কৃতং রাজ্যং ধর্মবর্মা সুতোহ ভবৎ। পিতুস্তল্যং কৃতং রাজ্যং রাজ্যমুদয়স্ততোহ ভবৎ।।৩৩। পিতৃস্তল্যং কৃতং রাজ্যমুদয়ম্মুতোহ ভবৎ। কৃত্বোদয়পুরং রম্যং বনমধ্যে নৃপোত্তমঃ।।৩৪। পিতুস্তল্যং কৃতং রাজ্যং বাপ্যকর্মা সুতোহ ভবৎ। বাপীকূপতড়াগানি নানাহৰ্মানি তেন বৈ।।৩৫।। ধর্মার্থে কারয়ামাস ধর্মাত্মা স চ বৈ পুরম্। এতস্মিন্নন্তরে প্রাপ্তো বলদো নাম ভূপতিঃ।।৩৬।। লক্ষসৈন্যযুতো বীরো মহামদমতে স্থিতঃ। তেন সাধম ভূদ্যুদ্ধং রাজ্ঞো বৈ বাপ্যকর্মণঃ।।৩৭।। জিত্বা পৈশাচকানস্লেচ্ছামকৃষ্ণোৎসবমকারয়ৎ। পিতুস্তল্যং কৃতং রাজ্যং গুহিলস্তৎসুতোহ ভবৎ।।৩৮। পিতুস্তল্যং কৃতং রাজ্যং কালভোজঃ সুতোহ ভবৎ। পিতুস্তল্যং কৃতৎ রাজ্যং রাষ্ট্রপালস্ততোহ ভবৎ।।৩৯। স ত্যক্ত্বা পৈতৃকং স্থানং বৈষ্ণবীং শক্তিমাগম‍। তপসারধয়ামাস শারদাং সর্বমঙ্গলাম্।।৪০।।

    এই সকল নির্মাণ তিনি ধর্মার্থে করেন, কারণ সেই পুরীতে অনেক ধর্মাত্মা বাস করতেন। ইতিমধ্যে সেই মহান নৃপতি বলদ প্রাপ্ত হন। সেই বীর একলক্ষ সেনা নিয়ে এসেছিলেন এবং তিনি মুসলমান ধর্মাবলম্বী ছিলেন। তার সাথে বাপ্য বর্মার প্রচন্ড যুদ্ধ হয়। তিনি সেই পৈশাচিক ম্লেচ্ছকে জয় করে পিতৃতুল্য রাজ্য শাসন করেন এবং কৃষ্ণোৎসব করেন। তার পুত্র পৌত্রাদিগণ হলেন গুহিল কালভোজ। তাঁরাও পিতার ন্যায় রাজ্য শাসন করেন। কালভোজ পুত্র রাষ্ট্রপাল পিতৃস্থান ত্যাগ করে বৈষ্ণবী শক্তি স্থানে চলে গেলেন। তৎপর দ্বারা তিনি সর্ব মঙ্গলা শারদা দেবীর আরাধনা করেন।। শারদা দেবী প্রসন্ন হয়ে পুরী রচনা করেন। সেই পুরীতে মহারম্য মহাবতী নাম্নী মনিদেব রক্ষিত নগরী ছিল। সেখানে ধীমান নৃপ নিবাস করে দশবৎসর রাজত্ব করেন। তার দুই পুত্র বিজয় এবং প্রজয়।। ৩০- ৪২।।

    প্রসন্না সা তদা দেবী কারয়ামাস বৈ পুরীম্। মহাবতীং মহারম্যাং মনিদেবেন রক্ষিতাম্।।৪১।। তত্রোষ্য নৃপতিধীমান্দশাব্দং রাজ্যমাপ্তবান্। তস্যোভৌ তনয়ৌ জাতৌ বিজয়ঃ প্রজয়স্তথা।। ৪২।। প্রজয়ঃ পিতরৌ ত্যক্ত্বা গঙ্গাকুলমুপাযযৌ। দ্বাদশাব্দং চ তপসা পূজয়ামাস শারদাম্।।৪৩।। কন্যামূর্তিময়ী দেবী বেনুবাদনতৎপরা। হয়মারুহ্য সম্প্রাপ্তা বিহস্যাহ মহীপতিম্।।৪৪।। কিন্নিমিত্তং ভূপসুত ত্বয়া চরাধিতা শিবা। তৎফলং ত্বং হি তপসা মত্তঃ শীঘ্রমবাস্প্যসি।। ৪৫।। ইতি শ্রুত্বা স হোবাচ কুমারি মধুরস্বরে। নবীনং নগরং মহ্যং কুরু দেবি নমোহুস্তু তে।।৪৬।। ইতি শ্রুত্বা তু সা দেবী দদৌ তস্মৈ হয়ং শুভম্। পুরো ভূত্বা বাদ্যকরী দক্ষিণাং দিশমাগতা।।৪৭।

    প্রজয় নিজ মাতা -পিতাকে ত্যাগ করে গঙ্গাতটে প্রস্থান করেন। সেখানে তিনি বারো বৎসর তপস্যা করে শারদা দেবীর অর্চনা করলেন। কন্যা মূর্তিধারী বংশী বাদনকারী দেবী অশ্বে সমারোহণ করে সেখানে উপস্থিত হলেন এবং সহাস্যে রাজাকে বললেন–হে ভূপ পুত্র, তুমি কি কারণে দেবী শিবার আরাধনা করেছো। এই তপস্যার ফল তুমি শীঘ্র লাভ করবে। একথা শ্রবণ করে সেই রাজা বললেন–হে মধুর স্বরযুক্তা কুমারী, আমার জন্য একটা নতুন নগরী রচনা করেদিন। হে দেবী আপনাকে প্রণাময়। রাজার এই কথা শ্রবণ করে সেই দেবী রাজাকে শুভ অশ্ব দিয়ে দিলেন এবং সম্মুখে বাদ্য বাদন করে দক্ষিণ দিকে চলে গেলেন। সেই রাজাও অশ্বে আরোহন করে নেত্র আচ্ছাদিত করে চলে গেলেন। পুনরায় রাজা পশ্চিম দিকে চলে গেলেন। অনন্তর অকর্ষণ পরীক্ষায় রাজা কাছে গেলেন। রাজা তাতে ভয়ভীত হয়ে নিজ নেত্র উন্মীলন করলেন।। ৪৩-৪৯।

    স ভূপো হয়মারুহ্য নেত্র আচ্ছাদ্য চাযযৌ। পুনঃ স ভূপতিঃ পশ্চাৎ পশ্চিমাং দিশমাগতা।।৪৮।। ততোনুপ্রযযৌ পূর্বমকনো যত্র পক্ষিরাট। ভয়ভীতো নৃপস্তেন সমুন্মীল্য স চক্ষুষী।।৪৯।। দদর্শ নগরং রম্যং কন্যায়া রচিতং শুভম্। উত্তরে তস্য বৈ গঙ্গা দক্ষিণেনাস পান্ডুরা।।৫০।। পশ্চিমে ঈশসরিতা পূর্বে পক্ষী স মর্কণঃ। কুব্জভূতমভূদ্ গ্রামং কান্যকুব্জ ইতি স্মৃতঃ।।৫১।। দশবর্ষং চ তেনৈব জয়পালেন বৈ পদম্। কৃতং তস্য সুতো জাতো বেণুবাদ্য াচ্চ বেণুকঃ।।৫২।। স বেণুশ্চ মহীপালো দেবীদত্তাং মনোহর।হ্ । পত্নীং কন্যাবতীং নাম্না সমুদ্বাহ্য ররাজ হ’।।৫৩।।

    সেখানে দেবী শিবার দ্বারা নির্মিত প্রভূত সুন্দর এবং শুভ নগর দেখলেন যার উত্তর দিকে গঙ্গা এবং দক্ষিণ দিকে পান্ডুয়া ছিল। পশ্চিম দিকে ঈশাসরিতা এবং পূর্বে মর্কণ পক্ষী ছিল। সেই গ্রাম এই প্রকার কুচ্ছভূত ছিল।। ৫০-৫১।।

    সেই জয় পাল দশবর্ষ পর্যন্ত নিজ পদ ভোগ করেছিলেন। তার পুত্র বেনবাদ্যের দ্বারা বেনুক নামে পরিচিত ছিল।। সেই বেনু রাজা মনোহর দেবী কন্যাবতী নাত্নীকে নিজ পত্নীরূপে লাভ করেন। তাঁর দ্বারা তিনি দীপ্তিমান হন।।৫২-৫৩।।

    তস্যাং সপ্ত সুতা জাতা মাতৃণাং মঙ্গলাঃ কলাঃ। শীতলা পার্বতী কন্যা তথা পুষ্পবতী স্মৃতা।।৫৪।। গোবধনী চ সিন্দুরা কালী নান্না প্রকীর্তিতা। ব্রাহ্মী মাহেশ্বরী চৈব কৌমারী বৈষ্ণবী তথা।।৫৫।। বারাহী চ তথৈন্দ্রাণী চামুন্ডাঃ ক্ৰমতোহ ভবন্। একদা ভূপতেঃ পত্নী তন্তুনা মৃত্তিকাঘটম্।।৫৬।। কূপে কৃতবর্তী প্রেন্না যথা পূর্বং তথাদ্য সা। দদর্শ বহুলা নারীনানাভূষণ ভূষিতাঃ।।৫৭।। স্বয়মেকৈব বসনা মনোগ্লানিমুপাযযৌ। তদৈব স ঘটো ভূমৌ ন প্রাপ্তঃ সপ্ৰবৃত্তিকাম্।।৫৮।। দৃষ্ট্বা কন্যাবতী দেবী ঘটহীনা গৃহং যযৌ। তদা তু সপ্ত কন্যাশ্চ শিলাভূতা গৃহে স্থিতাঃ।।৫৯।।

    সেই পত্নী মাতৃকা মঙ্গল কলাযুক্ত সাত পুত্রীর জন্ম দিয়েছিলেন। তাদের নাম শীতলা -পাবৃতী -কন্যা-পুষ্পবতী-গোবর্দ্ধনী-সিন্দুরা এবং কালী। তারা ব্রাক্ষী মাহেশ্বরী কৌমারী বৈষ্ণবী বারাহী ইন্দ্রানী এবং চামুন্ডা এই দেবীর কলা ভূত হয়ে প্রসিদ্ধ লাভ করেন। একবার রাজপত্নী তন্তু দ্বারা পূর্বের ন্যায় মৃত্তিকা ঘট নির্মাণ করে সেখানেই তিনি নানা ভরনে ভূহিতা নারীদের দেখেন।। ৫৪-৫৭।।

    তিনি স্বয়ং এক বস্ত্রধারী ছিলেন বলে মনোগ্লাগিপ্রাপ্ত হন। সেই সময় সেই ঘট ভূমিতে প্রাপ্তহলনা। সপ্রবৃত্তিকাকে দেখে তিনি গৃহত্যাগ করে চলে গেলে সেই সময় সাত কন্যা শিলা রূপ প্রাপ্ত হল।। ৫৮-৫৯।।

    শ্রুত্বা বেনুস্তদাগত্য ভৎর্সয়িত্বা স্বকাং প্রিয়াম্। ব্রহ্মচর্য ব্রতং ত্যক্ত্বা রময়ামাস যোষিতম্।।৬০।। নৃপদ্বৈ বীরবত্যাং চ যশোবিগ্রহ আত্মজঃ। বভূব বলবান্ধমীং চার্যদেশপতিঃ স্বয়ম্।।৬১।। বিংশদ্বর্ষং কৃতং রাজ্যং তেন রাজ্ঞা মহীতলে। মহীচন্দ্ৰস্তস্য সুতঃ পিতুস্তল্যং কৃতং পদম্।।৬২।। চন্দ্রদেবস্তস্য সুতে রাজ্যং তেন পিতুঃ সমম্। কৃতং তস্মাৎসুতো জাতো মন্দপালো মহীপতিঃ।।৬৩। তস্য ভূপস্য সময়ে সর্বে ভূপাঃ সমস্ততঃ। ত্যক্ত্বা তং মন্দপালং চ তদ্দত্তে সংস্থিতা গৃহে।।৬৪।। পিতুরর্দ্ধং কৃতং রাজ্যং কুম্ভপালস্ততোহ ভবৎ। রাজনীয়া চ নগরী পিশাচ বিষয়ে স্থিতা।।৬৫।। তৎপতিশ্চ মহামোদো ম্লেচ্ছপৈশাচধর্মগঃ। স জিত্বা বহুধা দেশাল্লুন্ঠয়িত্বা ধনং বহু।।৬৬।।

    রাজা বেনু যখন শ্রবণ করলেন তখন তিনি এসে নিজ প্রিয়াকে ভৎসনা করলেন এবং পুনরায় ব্রহ্মচর্ম ব্রত ত্যাগ করে মোসিতের সঙ্গে রমন করলেন। সেই রাজা তখন বীরবর্তীতে যশোনিগ্রহ নামক পুত্র লাভ করলেন। সেই বলবান-ধর্মাত্মা স্বয়ং আর্যদেশের রাজা ছিলেন। সেই রাজা কুড়ি বৎসর পৃথিবীতে রাজত্ব করেন। পুন তার মহীচন্দ্র নামক পুত্র জাত হলে তিনি পিতৃতুল্য পদলাভ করলেন। মহীচন্দ্রের পুত্র চন্দ্রদেবও পিতৃতুল্য রাজত্ব করেন। তার পুত্র মন্দপাল মহীপতি ছিলেন। সেই রাজার রাজত্ব কালে সমস্ত রাজগন তাঁকে ত্যাগ করলেন এবং তদ্দত্ত গৃহে গিয়ে স্থিত হলেন। তিনি পিতার অর্ধেক রাজত্ব করেন। তার পুত্র কুম্ভ পাল রাজা হন। তিনি রাজনীয় নগরী পিশাচের দেশে স্থিত ছিলেন। সেই রাজনীয় নগরীর স্বামী মহামোদ পিশাচ ধর্মাবলম্বী ছিলেন। তিনি বহুদেশ জয় করে প্রচুর ধনলুন্ঠন করেন। কুম্ভপাল ম্লেচ্ছ ধর্ম গ্রহণকরেন। হে নৃপ কলি দ্বারা নির্মিত কুম্ভ পালকে মহামোদক দেখে তাকে প্রণাম করেছিলেন তখন ম্লেচ্ছপতি তাকে প্রভূত ধনসম্পদ দিয়েছিলেন। পুনরায় তিনি নিজ রাজনীয় নগরীতে চলে গিয়েছিলেন। ধীমান কুম্ভপাল বিশ বৎসর পর্যন্ত মূর্তি খন্ডক রাজত্ব করেছিলেন। তার পুত্র দেবপাল অনঙ্গ রাজকন্যা চন্দ্রকান্তি র সাথে বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হন এবং তার সাথে আনন্দে জীবন যাপন করেন।। ৬০-৭০।।

    ম্লেচ্ছধর্মকরঃ প্রাপ্তঃ কুম্ভপালো যতঃ স্থিতঃ। কুম্ভপালস্তুতং দৃষ্ট্বা কলিনা নিৰ্মিতং নৃপ।।৬৭।। মহমোদং সমাগম্য প্রণনাম স বুদ্ধিমান্। তদা ম্লেচ্ছপতিঃ শূরো দত্ত্বা তস্মৈ ধনং বহু।।৬৮।। রাজনীয়াং চ নগরীং প্রাপ্তবামূর্তিখন্ডকম্। বিংশদব্দং কৃতং রাজ্যং কুম্ভপালেন ধীমতা।।৬৯।। তৎপুত্রো দেবপালশ্চানঙ্গ ভূপস্য কন্যকাম্ সমুদ্বাহ্য বিধানেন চন্দ্ৰকান্তিং তয়া সহ।।৭০।। কান্যকুব্জ গৃহং প্রাপ্য জিত্বা ভূপাননেকশঃ। পিতৃস্বল্যং কৃতং রাজ্যং তস্যোভৌ তনয়ৌস্যুতৌ।।৭১। জয়চন্দ্রো রত্নভানুদিশং পূর্বাং তথোত্তরাম্। আর্যদেশস্য বৈ জিত্বা বৈষ্ণবো রাজ্যমাপ্তবান্।।৭২।। রত্নভানেশ্চিতনয়ো লক্ষণো নাম বিশ্রুতঃ। কুরুক্ষেত্রে রণং প্রাপ্য ত্যক্ত্বা প্রাণান্দিবং গতঃ।।৭৩।।

    দেবপাল চন্দ্রকান্তিকে সঙ্গে নিয়ে কান্যযুদ্ধে পৌঁছে সেখানে অনেক ভুপতিকে জ্য কের পিততুল্য রাজ্য লাভ করেন। তার দুই পুত্র জয়চন্দ্ৰ এবং রত্নভান। তারা পূর্ব এবং উত্তর দিকের আর্যদেশ জয় করে বৈষ্ণব রাজ্য প্রাপ্ত হন।।৭১-৭২।।

    রত্নভানু পুত্র লক্ষণ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে প্রাণ ত্যাগ করে স্বর্গে গমন করেন।। ৭৩।।

    সমাপ্তিমগমদ্বংশো বৈশ্যপালস্য ধীমতঃ। কুম্ভপালস্য শৌক্লস্য বৈশ্যানাং রক্ষকস্য চ।।৭৪।। বিম্বক্সেনান্বয়ে জাতা বিম্বকেনা নৃপাঃ স্মৃতাঃ। বিসেনস্য কুলে জাতা বিসেনাঃ ক্ষত্রিয়াঃ স্মৃতাঃ।।৭৫। গুহিলস্য কুলে জাতা গৌহিলাঃ ক্ষত্রিয়া হি তে। রাষ্ট্রপালন্বয়ে জাতা রাষ্ট্রপালা নৃপাঃ স্মৃতাঃ।।৭৬।। বৈশ্যপালস্য বৈ বংশে কুম্ভপালস্য ধীমতঃ। বৈশ্যপালাশ্চ রাজন্যা বভূবুবহুধা হি তে।।৭৭।। লক্ষণে মরণং প্রাপ্তে শুক্লং বংশধুরন্ধুরে। সৰ্বে তে ক্ষত্ৰিয়া মুখ্যাঃ কুরুক্ষেত্রে লয়ং গতাঃ।।৭৮।। শেষাস্তু ক্ষুদ্রভূপালা বর্ণসংকরসম্ভবাঃ। ম্লেচ্ছৈশ্চ দূষতা জাতা ম্লেচ্ছরাজ্য ভয়ানকে।।৭৯।।

    ধীমান বৈশ্যপাল বৈশ্যরক্ষক শৌক্লবংশ প্রাপ্ত হন। বিম্বক্ সেনের বংশ জাত বিষকসেনেন নৃপ বলাহয়।। যারা বিসেন কুলেজাত তাদের বিসেন ক্ষত্রিয় বলা হয়।। ৭৪-৭৫।।

    গুহিল কুলিজাত গৌহিল ক্ষত্রিয় এবং রাষ্ট্রপাল বংশজাত রাষ্ট্রপাল নামে প্রসিদ্ধ।। ৭৬।।

    বৈশ্য পাল এবং ধীমান কুম্ভপাল বংশ জাত বৈশ্যপাল ক্ষত্রিয়। শুক্ল বংশের বুরন্ধর লক্ষন মৃত্যু প্রাপ্ত হলে সমস্ত ক্ষত্রিয় সেই কুকুক্ষেত্রে লয় প্রাপ্ত হন।। ৭৭-৭৮।।

    শেষ ক্ষুদ্র রাজা বণসংকর উৎপন্ন এবং তিনি ম্লেচ্ছের দ্বারা সেই অতি ভয়ানক ম্লেচ্ছ রাজ্যে দূষিত হয়েছিলেন।। ৭৯।।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত
    Next Article দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }