Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)

    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস এক পাতা গল্প707 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রামানুজোৎপত্তিবর্ণন

    ।। রামানুজোৎপত্তিবৰ্ণন।।

    ইদং দৃশ্যং যদা নাসীৎ সদসদাত্মকং চ যৎ। তদাক্ষরময়ং তেজো ব্যাপ্তরূপমচিন্ত্যকম্।।১।। ন চ স্থুলং ন চ সূক্ষ্মং শীতং নোষ্ণং চ তৎপরম্। আদিমধ্যান্তরহিতং মনাগাকারবর্জিতম্।।২।। যোগিদৃশ্যং পরং নিত্যং শূন্যভূতং পরাৎ পরম। একা বৈ প্রকৃতিমায়া রেখা যা তদধঃ স্মৃতা।।৩।। মহত্তত্ত্বময়ী জ্ঞেয়া তদধশ্চোধ্বরেখিকাঃ। রজসসত্ত্বতমোভূতা ত্তোমিত্যেবসুলক্ষণম্।।৪।। নস্তদ্বক্ষা পরং জ্ঞেয়ং যত্র প্রাপ্য পুণর্ভবঃ। কিয়তা চৈব কালেন তস্যেচ্ছা সমপদ্যত।।৫।।

    ।। রামানুজোৎপত্তি বৰ্ণন।।

    এই অধ্যায়ে রুদ্র মাহাত্ম্য বর্ণন তথা শ্রীরামানুজ উৎপত্তি বর্ণন করা হয়েছে। বৃহস্পতিজী বললেন যিনি সৎ এবং অসৎ স্বরূপী দৃশ্য ছিলেন না সেই সময় অক্ষরময় অচিন্তনীয় তেজব্যাপ্ত ছিল।। ১।।

    তিনি না স্কুল না সূক্ষ; না শীত না উষ্ণ এবং আদিমধ্যান্ত হীন ছিলেন। মনাক আকার বর্জিত ছিলেন। তিনি কেবল যোগিগনের দৃশ্য ছিলেন। তিনি পর নিত্য শূন্য ভূত এবং পরাৎপর ছিলেন। একপ্রকৃতিমায়া রেখা তার নীচে ছিল।। ২-৩।।

    তার নীচে এক ঊর্দ্ধ রেখা মহৎ তমোময়ী জানা উচিৎ। তা রাজসত্ত্ব এবং তমোভূত। ওঁম্ হল সুলক্ষণ।। ৪।।

    সেখানে সদ্ ব্রহ্মা জানা উচিৎ যা প্রাপ্ত হলে পুনর্ভব হয়। কিছু কালের জন্য তার ইচ্ছা সমুৎপন্ন হয়েছিল।। তার থেকে অংহকার উৎপন্ন হয়েছিল, পুনরায় অহংকার থেকে পঞ্চ তন্মাত্রা, তার থেকে পঞ্চভূত, জ্ঞান-বিজ্ঞান ইত্যাদি উৎপন্ন হয়। এই সকল ২২ জড়ভূতকে দেখে সেই স্বেচ্ছাময় বিভূ ইন্দ্রভূত হয়ে সগুণ হলেন এবং বুদ্ধি ও জীব সমাগত হল।। ৫-৭।।

    অহংকারস্ততো জাতস্ততস্তন্মাত্রিকাঃ পরাঃ। পঞ্চভূতান্যতোপ্যাসজ্ঞান বিজ্ঞানকান্যতঃ।।৬।। দ্বাবিংশজ্জড়ভূতাংশ্চ দৃষ্ট্বা স্বেচ্ছাময়ো বিভূঃ। দ্বন্দ্বভূতশ্চ সগুণো বুদ্ধিজীবসসমাগতঃ।।৭।। পূর্বাদ্ধাৎসগুণঃ সোসৌ নির্গুণশ্চ পরার্দ্ধতঃ। তাভ্যাং গৃহীতং তৎসর্বং চৈতন্যমভবত্ততঃ।।৮।। সবিরাঙিতি সংজ্ঞো বৈ জীবো জাত সনাতনঃ। বিরাজো নাভিতো জাতাং পদ্মং তচ্ছতয়োজনম্।।৯।। পদ্মাচ্চ কুসুমং জাতং যোজনাযামমুত্তমম্। তৎপদ্মকুসুমাজ্জাতো বিরচিঃ কমলাসনঃ।।১০।। দ্বিভূজসস চতুর্বক্রো দ্বিপাদো ভগবান্বিধিঃ। জ্ঞেয়ং সপ্তবিতত্যঙ্গো মহাচিন্তামবাপ্তবান্।।১১।। কোহ হং কস্মাৎকুত আয়াতঃ কামে জননী কো মে তাতঃ। ইত্যাধিচিন্তয় তং হৃদি দেবং শব্দমহত্ত্বময়েন স আহ।।১২।।

    তার পূর্বাদ্ধ সগুন এবং পরার্দ্ধ নির্গুণ সেই দুই থেকে তিনি সবগ্রহণ করেন এবং তিনি পুনরায় চৈতন্য হয়ে গিয়েছিলেন।। ৮।।

    স্বরচি এই সংজ্ঞাময় জীব সনাতন হলেন। সেই বিরাটের নাভি থেকে এক পদ্ম শত যোজন বিস্মৃত ছিল। সেই পদ্ম কুসুম থেকে কমলাসম ব্রহ্মা উৎপন্ন হন।। ৯-১০।।

    সেই ব্রহ্মার দুই বাহু চারমুখ, দুই চরণ ছিল। তার অংগ সাত বিলস্ত যুক্ত। তিনি মহান্ চিন্তা প্রাপ্ত হয়েছিলেন।।১১।।

    তাঁর হৃদয়ে এই চিন্তা হয়েছিল আমি কে? আমার সত্তা পিতা কে? সেই দেব হৃদয়ে সে কথা চিন্তন করে শব্দ মহত্বময়ের দ্বারা বললেন নিজ সংশয় দূরীকরণের জন্য তোমাকে তপ করতে হবে। এই কথা শ্রবন করে ব্ৰহ্মা সাক্ষাৎ তপস্যা করলেন।। ১২-১৩।।

    তপশ্চৈব তু কর্তব্যং সংশয়স্যাপওয়ে। তদাকর্ণ বিধিসাক্ষাওপস্তেপে মহত্তরম্।।১৩।। সহস্রাব্দং প্রযত্নেন ধ্যাত্বা বিষ্ণুং সনাতনম্।। চতুর্ভূজং যোগগম্যং নির্গুণং গুণবিস্তরম্।।১৪।। সনাধিনিষ্ঠো ভগবান্বভূব কমলাসনঃ। এতস্মিন্নস্তরে বিষ্ণুর্বালো ভূত্বা চতুর্ভূজঃ।।১৫।। শ্যামাঙ্গো বলবানস্ত্রী দিব্যভূষণ ভূষিতঃ। ব্রহ্মণোহঙ্কে হরিস্তস্থৌ যথা বালঃ পিতুস্বয়ম্।।১৬।। তদা প্রবুদ্ধশ্চ বিধিস্তং দৃষ্ট্বা মোহমাগতঃ। বৎসবৎসেতি বচনং বিধিঃ প্ৰাহ প্ৰসন্নধীঃ।।১৭।। বিহস্যাহ তদা বিষ্ণুরহং ব্রহ্মম্পিতা তব। তয়োবিবদতোরেবং রুদ্রো জাতস্তমোময়ঃ।।১৮।।

    একসহস্র বৎসর পর্যন্ত তিনি চতুর্ভূজ স্বরূপ নির্গুণ তথা গুণের বিস্তার স্বরুপ যোগ দ্বারা জ্ঞাত বিষ্ণুর ধ্যান করলেন।। ১৪।।

    ভগবান কমলাসন সমাধি নিষ্ট হলেন। ইতিমধ্যে শ্যামাঙ্গ স্বরূপ বলবান, দিব্যআভূষণ যুক্ত চতুর্ভূজ বিষ্ণু বালস্বরূপ তার ক্রোড়ে স্থিত হলেন। ১৫-১৬।।

    সেই সময় ব্রহ্মার জ্ঞান হল এবং সেই বলিস্বরূপ হরিকে দেখে তিনি স্নেহ প্রাপ্ত হলেন। প্রসন্ন বুদ্ধি ব্রহ্মা সেই বালস্বরূপকে বস বস এরূপ বললেন।। ১৭।।

    তখন ভগবান্ বিষ্ণু সহাস্যে বললেন হে ব্রহ্মণ আমি তো তোমার পিতা। তাদের দুজনের এইরূপ বিচার বিবাদ চলতে লাগল। সেই সময় তমোময় রুদ্র উৎপন্ন হলেন।। এবং ভয়কারী, যোজন বিস্তৃত জ্যোতি লিঙ্গ উৎপন্ন হল। তখন ব্রহ্মা হংসরূপ দেখেছিলেন। ব্রহ্মা এবং ভগবান্ প্রভু বরাহ এই দুই উর্দ্ধ এবং অধোভাগ ক্রম থেকে একশত বছর ছিল। পুনরায় লজ্জিত হয়ে সেই দুইজন প্রসন্নতার সঙ্গে স্তুতি করেছিল।। ১৮- ২০।।

    জ্যোতির্লিঙ্গশ্চ ভয়দো যোজনানন্তস্তিরঃ। হংসরূপং তদা ব্রহ্মা বরাহো ভগবাষ্প্রভুঃ।।১৯।। শতাব্দং তৌ প্রযত্নেন জাতৌ চোধ্বমধঃ ক্ৰমাৎ। লজ্জিতৌ পুনরাগত্য তদা তুষ্টুবতুমুদা।।২০। তাভ্যাং স্তুতো হরঃ সাক্ষদ্ভবো নাম্না সমাগতঃ। কৈলাসনিলয়ং কৃত্বা সমাধিস্থো বভূব হ।।২১।। জাতং পঞ্চযুগং তত্ৰ দিব্যং রুদ্রস্য যোগিনঃ এতস্মিন্নন্তরে ঘোরো দানবস্তারকাসুরঃ।।২২।। সহস্রাব্দং তপঃ কৃত্বা ব্রহ্মণো বরমাপ্তবান্ ভববীযোদ্ভবঃ পুত্রঃ স তে মৃত্যু করিষ্যতি।।২৩।। ইতি মত্বা সুরাজিত্বা মহেন্দ্রশ্চ তদা ভবৎ। তে সুরাশ্চৈব কৈলাসং গত্বা রুদ্রং প্রতুষ্টুবুঃ।।২৪।। বরং ব্রৃহীতি বচনং সুবাম্ৰাহ তদা শিবঃ। তে তু শ্রুত্বা প্রণম্যোচুর্বচণং নম্রকন্ধরাঃ।।২৫।।

    তাদের দুই জনের দ্বারা স্তুতি করলে হরভব এই নামে এসেছিলেন। পুনরায় নিজ স্থান কৈলাস প্রস্তুত করে সমাধিস্থিত হয়ে গেলেন।। ২১।।

    যোগী রুদ্রের দিব্য পাঁচ যুগ স্থিত ছিলেন। ইতিমধ্যে পরমঘোরে দানব তারকাসুর একসহস্র বৎসর তপস্যা করে ব্রহ্মার থেকে বরদান প্রাপ্ত করলেন যে, রুদ্রপুত্র তার মৃত্যুর কারণ হবে।।২২-২৩।।

    এই বরদান অনুসারে তিনি দেবতাদের জয় করে স্বয়ং মহেন্দ্রের আসনে আসীন্ হলেন। সেই দেবগণ কৈলাস পর্বতে গিয়ে ভগবান্ রুদ্রের স্তুতি করেছিলেন।। ২৪।।

    তখন প্রসন্নতাপূর্বক ভগবান শিব দেবতাদের বরদান চাইতে বলেছিলেন। তখন সেই দেবগণ প্রণাম করে বিনম্রভাবে বলেছিলেন, হে ভগবান, ব্রহ্মা অসুর তারককে যে বরদান দিয়েছেন যে, তার মৃত্যু শিবপুত্রের দ্বারা হবে। হে ভগবান,এই কারণে আপনি আমাদের রক্ষা করুন। হে শংকর, আপনি পুত্রোৎ পাদনের জন্য বিবাহ করুন।। ২৫-২৬।।

    ভগবন্ধ্রহ্মাণা দত্তো বরো বৈ তারকায় চ।। শিববীর্যোদ্ভবঃ পুত্র স তে মৃত্যুৰ্ভবিষ্যতি। অতোহস্মাত্রক্ষ ভগবন্বিবাহ করুশঙ্কর।।২৬।। স্বায়ং ভুবেহন্তরে পূর্বং দক্ষশ্চাসীৎপ্রজাপতিঃ। ষষ্টিকন্যাস্ততো জাতাস্তাসাং মধ্যে সতী বরা।।২৭।। বর্ষামাত্রং ভবন্তং সা পাথিবৈঃ সমপুজয়ৎ। তস্যৈ ত্বয়া বরো দত্তঃ সা বভূব তব প্রিয়া।।২৮।। তৎপিত্রা যা কৃতা নিন্দা ভবতোহ জ্ঞান চক্ষুষা। তস্য দোষাসতী দেবী তত্যাজ স্বং কলেবরম্।।২৯।। সতীতেজস্তদা দিব্যং হিমাদ্রৌ ঘোরমাগম‍। পীড়িতস্তেন গিরিরাড বভূব স্মরবিহ্বলঃ।।৩০। পিত্রীশ্বরং স তুষ্টাব কামব্যাকুলচেতনঃ। অর্যমা তু তদা তুষ্টো দদৌ তস্মৈ সুতাং নিজাম্। মেনাং মনোহরাং শুদ্ধাং স দৃষ্টা হৰ্ষিতোহ ভবৎ।।৩১

    প্রথমে স্বায়ম্ভুবের পর দক্ষ প্রজাপতির সাত কন্যা জন্মলাভ করেছিল। সেই কন্যাগণের মধ্যে সতী সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি একবৎসর পার্থিব শিবলিঙ্গ পূজন করেছিলেন। আপনি তাকে বরদান দিয়েছিলেন এবং তিনি আপনার প্রিয়া হয়েছিলেন।। ২৭-২৮।।

    তাঁর পিতা অজ্ঞান চক্ষু হয়ে আপনার নিন্দা করলে সেই দোষে সতী নিজ শরীর ত্যাগ করেন। সেই সময় সতীর ঘোর দিব্যতেজ গিরিরাজ হিমা লয়ে এসে পড়েছিল যারফলে হিমালয় কামবিহ্বল হয়ে পড়েছিল। কামদেব দ্বারা ব্যকুল তিনি পিত্রীস্বরের স্তুতি করেছিলেন। পরম শুদ্ধ এবং অত্যন্ত সুন্দরী মেনকাকে দেখে হিমবান্ প্রভূত হর্ষিত হয়েছিলেন। পুনরায় হিমাচল নিজ নররূপ ধারণ করে মহাবনে চিরকাল পর্যন্ত সেই মেনাকে রমণ করেছিলেন। নয়বৎসর পর মেনা উত্তম গর্ভ ধারণ করেছিলেন। তখন সভ্রু গৌরময়ী সতীকন্যা রূপে সমুৎপন্ন হলেন। জাতমাত্রেই সেই কন্যা নয়বৎসরের হয়েছিল। পুনারায় সেই গৌরী চিরকাল পর্যন্ত শংকরের তপস্যামগ্ন ছিলেন।। ২৯-৩৪।।

    নররূপং শুভং কৃত্বা দেবতুল্যং চ তৎপ্ৰিয়ম্। স রেমে চ তয়া সার্দ্ধং চিরং কালং মহাবনে।।৩২।। গর্ভো জাতস্তদা রম্যো নববর্ষান্তমুত্তমঃ। কন্যা জাতা তদা সুভূগৌরী গৌরময়ী সতী।।৩৩।। জাতমাত্রা চ সা কন্যা বভূব নবহায়িনী। তুষ্টাব শঙ্করং দেবং ভবন্তং তপসা চিরম্।।৩৪।। শতাব্দং চ জলে মগ্নাশতাব্দ বহ্নিসংস্থিতা। তাব্দে চ স্থিতা বায়ো শতাব্দং নভসি স্থিতা।।৩৫।। শতাব্দং চ স্থিতা চন্দ্ৰে শতাব্দং রবিমন্ডলে। শতাব্দং গর্ভভূম্যাং চ স্থিতা সা গিরিজাসতী।।৩৬।। শতাব্দং চ মহত্তত্বে গত্বা যোগবলেনসা। ভবন্তং শঙ্করং শুদ্ধং তত্ৰ দৃষ্ট্বা স্থিতাদ্য বৈ।।৩৭।।

    শতবৎসর ধরে তিনি জলমগ্ন হয়ে, শতবর্ষ পর্যন্ত অগ্নি সংস্থিত হয়ে ছিলেন। শতবর্ষ পর্যন্ত বায়ুতে এবং শতবর্ষ পর্যন্ত আপশে তিনি তপস্যারত ছিলেন।। ৩৫।।

    এক শতাব্দী পর্যন্ত চন্দ্রতে এবং একশত বৎসর রবিমন্ডলে তিনি স্থিত ছিলেন। সেই সতী গিরিজা একশত বৎসর পর্যন্ত গর্ভভূমিতে স্থিত ছিলেন। পুনরায় তিনি যোগবলে শত শত বৎসর পর্যন্ত মহাতত্ত্বে গিয়ে স্থিত ছিলেন এবং শুদ্ধ শংকর আপনাকে দর্শন করে আজও স্থিত আছেন। এই ভাবে ৩০০ বৎসর তিনি সেখানে স্থিত আছেন। এই কারণে আপনি এই শিবাপার্বতীকে প্রসন্নাত্মা হয়ে বরদান দিন।। হে মহাদেব, আপনাকে আমাদের সকলের প্রণাম।। ৩৬-৩৮।।

    ত্রিশতাব্দমতো জাতং তস্মাত্ত্বং পার্বতীং শিবাম্। বরং দেহি প্রসন্নাত্মা মহাদেব নমোহস্তু তে।।৩৮।। ইতি শ্রুত্বা বচো রম্যং শঙ্করো লোকশঙ্করঃ। দেবানাহ তদা বাক্যমযোগ্যং বচনং হি বঃ।।৩৯।। মত্তো জ্যেষ্ঠাশ্চ যে রুদ্রাঃ কুমারব্রতধারিণঃ। মৃগব্যাধাদয়ো মুখ্যা দশ জ্যোতি সমুদ্ভবাঃ।।৪০।। অহং তেষামবরজাভবো নামেব যোগরাট্। মায়ারূপাং শুভাং নারী কথং গৃহামি লোকদাম্।।৪১। নারী ভগবতী সাক্ষাত্তয়া সর্বমিদং ততম্। মাতৃরূপা তু সা জ্ঞেয়া যোগিনাং লোকবাসিনাম্।।৪২ অহং যোগী কথং নারীং মাতরং বরিতুংক্ষমঃ। তস্মাদহং ভবদর্থে স্ববীর্যমাদদাম্যহম্।।৪৩।।

    এই পরম রমনীয় বচন শ্রবণ করে লোক কল্যাণকারী ভগবান্ শংকর দেবগণকে বললেন–আপনাদের এই বচন অযোগ্য। আমার থেকে বড় যে রুদ্র তিনি কুমার ব্রত ধারণ কারী। মৃগব্যাধাদি জ্যোতি সমুদ্ভব তিনি দশমুখযুক্ত। আমি তো সবথেকে ছোট, নামে যোগরাধ, আমি এখন মায়ারূপী শুভনারী, যিনি লোকদা তাঁকে কিভাবে গ্রহণ করব। নারী সাক্ষাত্বঘবতী স্বরূপা, তাঁদের দ্বারা এই জগৎ বিস্মৃত। সেই নারীকে মাতৃরূপা বলে জানা উচিৎ, তিনি লোক বাসী যোগিগণের মাতৃতুল্য।। ৩৯-৪২।।

    আমি তো এক যোগী, সেই মাতৃস্বরূপিনী ভগবতী নারীকে কিভাবে বরণ করব। এই কারণে আপনারা নিজ বীর্য তোমাকে দিচ্ছি।। ৪৩।।

    তদ্বীর্যং ভগবান্বহ্নিঃ প্রাপ্য কার্যং করিষ্যতি। ইত্যুক্ত্বা বহ্নয়ে দেবো দদৌ বীর্যমনুত্তমম্। স্বয়ং তত্র সমাধিস্থো বভূব ভগবান্থরঃ।।৪৪।। তদা শত্রুাদয়ো দেবা বহ্নিনা সহ নিযযুঃ। সত্যলোকং সমাগত্যাব্রুবস্নর্বং প্রজাপতিম্।।৪৫।। শ্রুত্বা তৎকারণং সর্বং স্বয়ম্ভূশ্চতুরাননঃ। নমস্কৃত্য পরং ব্রহ্মা কৃষ্ণধ্যানপরোহ ভবৎ।।৪৬।। ধ্যানমার্গেন ভগবাগ্নত্বা ব্রহ্মা পরং পদম্। হেতুং তদ্বর্ণয়ামাস যথা শঙ্কর ভাষিতম্।।৪৭।। শ্রুত্বা বিহস্য ভগবাস্নমুখাত্তেজ উত্তমম্। সমুৎপাদ্য ততো জাত পুরুষো রুচিরাননঃ।।৪৮।। ব্রহ্মান্তস্য চ্ছবির্যা বৈ স্থিতা তস্য কলেবরে। প্রদ্যুম্মো নাম বিখ্যাতং তস্য জাতং মহাত্মানঃ।।৪৯।।

    সেই বীর্যভগবান্ বহ্নি প্রতপ্ত করে নিজকার্য করবেন। একথা বলে দেব বহ্নিদেকে উত্তমবীর্য প্রদান করলেন এবং স্বয়ং সমাধিস্থ হলেন।। ৪৪।।

    সেই সময় ইন্দ্ৰাদি দেবগণ অগ্নির সাথে সেখানে থেকে চলে গেলেন। সত্যলোকে গিয়ে তিনি সমস্ত বৃত্তান্ত, প্রজাপতি ব্রহ্মাকে বললেন। স্বয়ম্ভূ চতুরানন সেই সম্পূর্ণ কারণ শ্রবণ করে পরব্রহ্মাকে নমস্কার করে কৃষ্ণ ধ্যানে রত হলেন। ধ্যান মার্গদ্বারা ভগবান্ ব্রহ্মার পরমপদ প্রাপ্ত হলেন সেখানে দেবশংকর যেমন বলেছিলেন, সেই সকল হেতু বর্ণন করলেন। ভগবান্ তা শ্রবণ করে সহাস্যে নিজ মুখ থেকে এক অতিউত্তম তেজ সমুৎপন্ন করে পরম সুন্দর, মুখ এক পুরুষের জন্ম দিয়েছিলেন।

    সমস্ত ব্রহ্মান্ডের যে ছবি ছিল তা সেই পুরুষের কলেবরে স্থিত ছিল। তার নাম প্রদ্যুম্না।। ৪৫-৪৯।।

    তেন সার্দ্ধং তদা ব্ৰহ্মা সংপ্রাপ্য স্বং কলেবরম্। দদৌ তেভ্যাস পুরুষং প্রদ্যুম্নং শম্বরাতিন্দম্।।৫০।। তেজসা তস্য দেবস্য নরানার্যসমস্ততঃ। একীভূতাস্ত্রিলোকেষু বভূবুঃ স্মরপীড়িতাঃ।।৫১।। স্থাবরাঃ সৌম্যভূতা বৈ তে তু কামাগ্নিপীড়িতাঃ। সরিপ্তিশ্চ লতাভিশ্চ মিলিতাসসম্বভূবিরে।।৫২।। ব্রহ্মান্ডেশঃ শিব সাক্ষাদ্রুদঃ কালাগ্নিসন্নিভঃ। ত্রিনেত্রাত্তেজ উৎপাদ্য শমযামাস তদ্বযথাম্।।৫৩।। তদা ক্রুদ্ধঃ স কৃষ্ণাংগো গৃহীত্বা কৌসুমং ধনুঃ। দিব্যাম্পঞ্চ শরামোরাম্নহাদেবায় বন্ধবে।।৫৪।। উচ্চাটনেন বানেন গম্ভাভূলোকশঙ্করঃ। বশীকরণবানেন নারীবশ্যঃ শিবোহ ভবৎ।।৫৫।।

    সেই সময় তার সাথে ব্রহ্মা নিজ কলেবর সম্প্রাপ্ত করে তারজন্য শবরার্ত্তিদ প্রদ্যুন্ম পুরুষকে দিয়েছিলেন। সেই দেবের তেজে সকল নর এবং নারী তিন লোকে একীভূত হয়ে কামপীড়িত হয়ে গেল।। ৫০- ৫১।।

    সৌম্যভূত যে স্থাবর ছিল তারাও কামাগ্নিতে উৎপীড়িত হয়ে উঠল। সরিতাগণ এবং লতা সকলও মিলিত ভাবে কামতপ্ত হয়ে গেল।। এই ব্রহ্মান্ডের স্বামী সাক্ষাৎ রুদ্রশিব কালাগ্নি তুল্য তৃতীয় নেত্র থেকে তেজ সমুৎপন্ন করে সেই ব্যথা শাসন করলেন। সেই সময় সেই কৃষ্ণাংঙ্গ ক্রদ্ধ হলেন এবং তিনি পুষ্পধনুষ গ্রহণ করে দিব্য পঞ্চ ঘোর শর বন্ধু মহাদেবের উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করলেন। উচ্চাবর্ণ বাণের দ্বারা লোক শংকর গন্ত হল এবং বশীকরণ বাণের দ্বারা শিব নারী বশ্য হয়ে গেলেন। সতম্ভন বাণের দ্বারা মহাদেব শিবার কাছে গিয়ে স্থির হলেন। আকর্ষণ বাণের দ্বারা ভগবান্ শিবকে আকর্ষণ তৎপর হলেন। মারণ বাণে মহেশ্বর মূর্ছিত হলেন।। ৫২-৫৬।।

    স্তম্ভনেন মহাদেবঃ শিবাপার্শ্বে স্থিরোহ ভবৎ। আকর্ষনেন ভগবাঞ্ছিবাকর্ষণতৎপরঃ। মারণেনৈব বানেন মূর্ছিতোহ ভূন্মহেশ্বরঃ।।৫৬।। এতস্মিন্নস্তরে দেবী মহত্তত্ত্বে স্থিতা শিবা। মূর্ছিতং শিবমালোক্য তত্রৈবান্তদ্ধিমাগম‍।।৫৭।। তদোখায় মহাদেবা বিললাপ ভূশং মহুঃ। হা প্রিয়ে চন্দ্ৰবদনে হা শিবে চ ঘটস্তনি।।৫৮।। হা উমে সুন্দরাভেচ পাহি মাংস্মরবিহ্বলম্। দর্শনং দেহি রম্ভোরু দাসভূতোহস্মিসাংপ্রতম্।।৫৯।। এবং বিলপমানং তং গিরিজা যোগিনী স্বয়ম্। সমাগত্য বচঃ প্রাহ নত্বা তং শঙ্করং প্রিয়ম্।।৬০।।

    ইতি মধ্যে মহত্তত্ত্বে স্থিতা দেবী শিবা মহাদেবকে মূৰ্চ্ছিত দেখে সেখানে অন্তর্হিত হয়ে চলে এলেন। সেই সময় পুনরায় মহাদেব উঠে বার বার অত্যন্ত বিলাপ করতে লাগলেন। হা প্রিয়ে হা চন্দ্র বদনে, হা শিবে, হে ঘটস্তনি, এই প্রকার শিব বার বার বিলাপ করতে লাগলেন।। ৫৮।।

    হে সুন্দর আভাযুক্তা, কামদেব দ্বারা বিহ্বল আমাকে রক্ষা কর। হে রম্ভাতুল্য উরুযুক্তা, তুমি নিজের দর্শন দাও। এখন আমি তোমার দাসভূত হয়ে গেছি। এই প্রকারে বিলাপ কারী সেই শিবের কাছে যোগিনী গিরিজা স্বয়ং সমাগত হয়ে সেই প্রিয় শংকরকে নমস্কার করে বললেন, হে দেব, আমি নিজ মাতা-পিতাকে অনুসরণকারী কন্যা। আপনি তাদের সকাশে আমার পাণি গ্রহণ করুন। প্রদ্যুম্ন পীড়িত মহাদেব ‘তাই হবে’ বলে সপ্তর্ষিগণকে হিমবাসের নিকট পাঠিয়ে ছিলেন। তাঁরা হিমবাণের কাছে গেলে তিনি সংবুদ্ধ হয়ে প্রসন্নতা যুক্ত হয়ে বিবাহ বিধি সম্পাদন করলেন। ব্রক্ষান্ডের যে দেবতা তার স্বামী মহেশ্বর। অতএব তাঁর বিবাহে সমস্ত দেবগণ সম্মিলিত ও হয়েছিল।। ৫৯-৬৩।।

    কন্যাহং ভগবন্দেব মাতৃপিত্রনুসারিনী। তয়োসকাশদ্ভগবন্মম পাণিং গৃহাণ ভোঃ।।৬১।। তথোতি মত্বা স শিবঃ প্রদ্যুম্নশরপীড়িতঃ। সপ্তর্ষীশ্রেষয়ামাস তে তু গত্বা হিমাচলম্। সম্বোধ্য চ বিবাহস্য বিধিং চক্ষুমুদান্বিতাঃ।।৬২।। ব্রহ্মান্ডে যে স্থিতা দেবাস্তেষাং স্বামী মহেশ্বরঃ। বিবাহে তস্য সংপ্রাপ্তে সর্বে দেবাসমাযযুঃ।।৬৩।। অনন্তাশ্চ গণাশ্চৈব সুরাদৃষ্টাব হিমাচলঃ। গিরিজাং শরণং প্রাপ্ত তস্থৌ পর্বতরাট স্বয়ম্।।৬৪।। তদা তু পার্বতী দেবী নিধীস্নিদ্ধীঃ সংন্ততঃ। চকার কোটিশস্তত্র বহুরূপা সনাতনী।।৬৫।। দৃষ্ট্বা তদ্বিস্মিতা দেবা ব্রাহ্মণা সহ হর্ষিতাঃ। তুষ্টুবুঃ পার্বতীং দেবীং নারীরত্নং সনাতনীম্।।৬৬।।

    হিমাচল অনন্তকে, গণকে এবং সুরগণকে দেখে স্বয়ং গিরিজা শরণে গিয়ে স্থিত হলেন। সেই সময় পার্বতী দেবী সব নিধিগণ ও সিদ্ধিগণকে সেখানে অনেক রূপী এবং সনতনী মন্ত্র দিলেন।। ৬৪-৬৫।।

    তা দেখে সমস্ত দেব প্রচন্ড বিস্মিত হলেন তথা দেব এবং ব্রাহ্মণ প্রভূত হর্ষিত হলেন। তাঁরা নারীরত্ন সনাতনী পার্বতী দেবীর স্তুতি করলেন। দেবগণ বললেন- ‘উ’ এই শব্দ বিতর্কে এসেছিল এবং ‘মা’ শব্দে বহুরূপ লক্ষী বহুরূপা দৃশ্য হয়েছিল এই কারণে তুমি ‘উমা’ এই নামে প্রসিদ্ধ হবে। হে দেবী উমা তোমাকে আমাদের সকলের বারংবার প্রণাম।। ৬৬- ৬৭।।

    উ বিতর্কে চ মা লক্ষ্মীবহুরূপা বিদৃশ্যতে। উমা তস্মাচ্চ তে নাম নমস্তস্যৈ নমোনমঃ।।৬৭।। কতিচিদয়নান্যেব ব্রহ্মান্ডেহ স্মিঞ্ছিবে তব। কাত্যায়নী হি বিজ্ঞেয়া নমস্তস্যৈ নমোনমঃ।।৬৮।। গৌরবর্ণাচ্চ বৈ গৌরী শ্যামবর্ণাচ্চ কালিকা রক্তবর্ণাদ্বেমবতী নমস্তস্যৈ নমোনমঃ।।৬৯।। ভবস্য দয়িতা ত্বং বৈ ভবানী রুদ্রসংযুতা। দুর্গা ত্বং যোগি দুষ্প্রাপ্যা নমস্তস্যৈ নমোনমঃ।।৭০।। নান্তং জবয়ং তে বৈ চন্তিকা নাম বিশ্ৰুতা। অম্বা ত্বং মাতৃভূতা নো নমস্তস্যৈ নমোনমঃ।।৭১।।

    হে শিবে, এই ব্ৰহ্মান্ডে তোমার কত অয়ন (স্থান) তাই তোমার নাম কাত্যায়নী। হে কাত্যায়নী দেবী, আপনাকে বার বার প্রণাম।। ৬৮।।

    আপনি অত্যন্ত গৌরবর্ণ এই কারণে আপনি গৌরী এই শুভ নামে পরিচিতা। আপনার শ্যামবর্ণের জন্য কালিকা নামে খ্যাতা। আপনার বর্ণ কখনও রক্তবর্ণ তাই আপনি হেমবতী। এই ত্রিবনী দেবী আপনাকে বার বার প্রণাম।। ৬৯।।

    আপনি ভবপত্নী এই কারণে আপনি ভবানী আপনি যোগিগণের দ্বারা দুষ্প্রাপ্য সুতরাং আপনি দুর্গা। দুর্গাদেবী আপনাকে আমাদের বারংবার নমস্কার।। ৭০।।

    আপনার অনন্ত নামের কারণে আমরা আপনাকে অন্তপর্যন্ত প্রাপ্ত হয়নি। আপনার চন্দ্রিকা এই নাম পরম প্রসিদ্ধা। আপনি আমাদের মাতৃভূজা অম্বা, এই কারণে অম্বা দেবী আপনাকে আমাদের প্রণাম।। ৭১।।

    ইতি শ্রুত্বা স্তবং তেষাং রদা সর্বমঙ্গলা। দেবানুবাচ মুদিতা দৈত্য ভীতিং হরামি বঃ।৭২।। স্তোত্রেণানেন সংপ্রীতা ভবামি জগতীতলে।।৭৩।। ইত্যুক্ত্বা শম্ভুসহিতা কৈলাসং গুহ্যকালয়ম্। গুহায়াং মিথুনীভূয় সহস্রাব্দং মুমোদ বৈ।।৭৪।। এতস্মিন্নন্তরে দেবা ভীরুকা লোকনাশনাৎ। ব্রহ্মাণং চ পুরস্কৃত্য তুষ্টুবুর্গিরিজাপতিম্।।৭৫।। লজ্জিতৌ তৌ তদা তত্ৰ পশ্চাত্তাপং হি চক্রতুঃ। মহাক্রোধস্তয়োশ্চাসীত্তেন বৈ দুদ্রুবুঃ সুরাঃ।।৭৬।। প্রদ্যুম্নো বলবাস্তত্র সংতহ্লে গৌরিবাচলঃ। রুদ্রকোপাগ্নিনা দগ্ধো বভূব বলবত্তরঃ।।৭৭।। প্রদ্যুম্নঃ স্থূলরূপং চ ত্যক্ত্বা ভস্মময়ং তদা। সূক্ষ্মদেহমুপাগম্য বিশ্রুতোহ ভূদনঙ্গকঃ। যথা পূর্বং তথৈবাসীৎকায়ং কৃত্বা স্মরোবিভুঃ।।৭৮।।

    এই প্রকার স্তুতি শ্রবণ করে সর্বমংগলা বরদা পরম প্রসন্ন হয়ে দেবগণকে বললেন–আমি আপনাদের দৈত্য ভয় দূরকরব। একথা বলে ভগবান্ শম্ভূর সংগে গুহ্যকআলয় কৈলাসে চলে গেলেন। সেখানে গুহা তে দুইজন একত্র হয়ে একসহস্র বর্ষপর্যন্ত আনন্দোপভোগ করলেন। ইতি মধ্যে লোকনাশের ভয়ে ভীত হয়ে দেবগণ ব্রহ্মার সঙ্গে গিরিজাপতি স্তুতি করতে লাগলেন। তখন সেই দুইজন অত্যন্ত লজ্জিত হয়ে প্রচন্ড পশ্চাত্তাপ করলেন। তাদের দুজনের ক্রোধে দেবগণ পলায়ন করলেন।। ৭২-৭৬।।

    প্রদ্যুম্ন অত্যন্ত বলবান্ ছিলেন। অচল গভীর ন্যায় তিনি সেখানে সংস্থিত ছিলেন। মহাবলবান্ তিনি রুদ্র কোপাগ্নিতে দগ্ধ হয়ে গেলেন।। ৭৭।।

    প্রদ্যুম্ন স্থলরূপ ত্যাগ করে সেই সময় ভষ্মরূপ হয়ে গেলেন পুনরায় সূক্ষ স্বরূপ প্রাপ্ত করে অনঙ্গ এই নামে সংবার মধ্যে প্রসিদ্ধ হলেন। পূর্বে তিনি যেমন ছিলেন তেমন কায়া গ্রহণ করে থর বিভু হলেন।। ৭৮।।

    স্থলরূপা রাতিদেবী শতাব্দং শঙ্করং পরম্। ধ্যানেনারাধয়ামাস গিরিজাবল্লভং ব্রতৈঃ।। তদা দদৌ বরং দেবস্তস্যৈ রত্যৈ সনাতনঃ।।৭৯।। রতিদেবি শৃণু ত্বং বৈ লোকানাং হৃৎসুজায়সে। যৌবনে বয়সি প্রাপ্তে নৃণাং দেহৈঃ পতিং স্বকম্।। ভজিষ্যসি মদধেন প্রদ্যুম্নং কৃষ্ণসংভবম্।।৮০।। স্বারোচিষান্তরে প্রাপ্তে হ্যষ্টাবিংশতমে যুগে। দ্বাপরান্তে চ ভগবাঙ্কষ্ণঃ সাক্ষাজ্জনিষ্যতি।।৮১।। তদা তস্য সুতং দেবং প্রদ্যুম্নং মেরুমূর্দ্ধনি। ভজিষ্যসি সুখং রম্যে বিপিনে নন্দনে চিরম্।।৮২।। অন্যেষু দ্বাপরান্তেষু স্বর্ণগর্ভো হি তৎপতিঃ। জন্মবান্বর্ততে ভূমৌ যথা কৃষ্ণস্তথৈব সঃ।।৮৩।।

    স্থূলরূপী রতি দেবী শতবর্ষ পর্যন্ত পরম শংকরের ধ্যান পূর্বক আরাধনা করলেন এবং ব্রতদ্বারা গিরিজা বল্লভকে পূর্ণরূপে উপসনা করলেন। তখন সনাতনদেব সেই রতিকে বরদান দিলেন, হে দেবি, হে রতি, তুমি শ্রবণ কর, আমি তোমাকে এই বরদান দিচ্ছি যে, মানবের যৌবন অবস্থাতে তুমি লোকের হৃদয়ে উৎপন্ন হবে এবং নরের দেহে নিজপতির সেবন করবে। আমার অর্ধভাগ থেকে কৃষ্ণ সম্ভূত প্রদ্যুম্নের সেবন তুমি অবশ্যই করবে।। ৭৯-৮০।।

    আজও সেই সমর বিষ অন্তরে সুপ্রিয় কাল ধরে বর্তমান। বৈবস্বত অন্তরে অষ্টবিংশতি তম যুগে দ্বাপর যুগান্ত ভগবান কৃষ্ণ এই ভূমন্ডলে জন্ম গ্রহণ করবে। সেই সময় তার পুত্র দেবপ্রদ্যুম্নকে মেরুশিখরে সেবন করবে, এবং পরম রম্য নন্দন কাননে চিরকাল বাস করবে। দ্বাপরান্তে স্বর্ণগর্ভা তোমার পতি কৃষ্ণের ন্যায় ভূমিতে জন্মবান্ হবে। অব্যক্ত জন্মা ব্রহ্মার মধ্যাহ্নে এবং সন্ধ্যা কল্পে হরিসাক্ষকে জনমঙ্গল করবে।। ৮১- ৮৪।।

    মধ্যাহ্নে চৈব সন্ধ্যায়াং ব্রহ্মণোহ ব্যক্তজন্মনঃ। কল্পে কল্পে হরি সাক্ষাৎ করোতি জনমঙ্গলম্।।৮৪।। ইত্যুক্ত্বা ভগবাঞ্ছস্তুস্তত্রৈবান্তদ্ধিমাগম‍। রাজা বভূব রুদ্রাণী গিরিজাবল্লভো ভবঃ।।৮৫।। ইতি শ্রুত্বা ভবঃ সাক্ষাৎস্বমুখাৎস্বাংশমুত্তমম্। সমুৎপাদ্য তদা ভূমৌ গোদাবৰ্যাং বভূব হ।।৮৬।। আচার্যশমণো গেহে পুত্ৰো জাতো ভবাংশকঃ। রামানুজস বৈ নাম্না নুজোহ ভূদ্রামশমণঃ।।৮৭।। একদা রামশর্মা বৈ পতঞ্জলিমতে স্থিতঃ। তীর্থাত্তীর্থান্তরং প্রাপ্ত পুরীং কাশীং শিবপ্রিয়াম্।।৮৮।। শঙ্করাচার্যমাগম্য শতশিষ্যসমন্বিতঃ। শাস্ত্রর্থং কৃতবান্নম্যং কৃষ্ণপক্ষো হরিপ্রিয়ঃ।।৮৯।।

    রতিকে একথা বলে ভগবান্ শম্ভু সেখানে অন্তর্হিত হলেন। রুদ্রানী গিরিজা বল্লভ ভব রাজা হয়েছিলেন।। ৮৫।।

    সূতজী বললেন, একথা শ্রবণ করে ভব সাক্ষাৎ নিজমুখ থেকে নিজ উত্তম অংশ সমুৎপাদিত করে ভূমিতলে গোদাবরীতে প্রবাহিত ছিলেন। সেখানে আচার্য শর্মার গৃহে ভবের অংশ পুত্র স্বরূপ সমুৎপন্ন হন। তার নাম রামানুজ তিনি রাম শর্মার অনুজ ছিলেন। পতঞ্জলি পন্থী রামশর্মা তীৰ্থাটন করতে করতে শিবপ্রিয় কাশীপুরীতে উপস্থিত হন। তিনি নিজ শতশিষ্য সমন্বিত হয়ে শংকরা চার্যের কাছে গেলেন। সেখানে হরিপ্রিয় কৃষ্ণপক্ষ তাঁর সাথে সুন্দর শাস্ত্রার্থ করেছিলেন। সেই শাস্ত্রার্থে শংকরাচার্য বিজিত হয়ে পরম লজ্জায় রাত্রে ভীরু হয়ে নিজ গৃহে ফিরলেন। কেননা শাস্ত্রার্থে শংকর শরের দ্বারা হত হলেন।। ৮৬-৯০।।

    শঙ্করাচার্যবিজিতো লজ্জিতো নিশি ভীরুকঃ। স্বগেহং পুনরায়াতঃ শঙ্করৈবা শরৈহতঃ।।৯০। রামানুজস্তু তচ্ছ্বত্বা সর্বশাস্ত্রবিশারদঃ। ভ্রাতৃশিষ্যৈশ্চ সহিতঃ পুরীং কাশীং সমাযযৌ।।৯১।। বাদো বেদান্তশাস্ত্রে চ তয়োশ্চাসীন্মহাত্মনোঃ শঙ্করঃ শিবপক্ষশ্চ কৃষ্ণপক্ষসস বৈ দ্বিজঃ।।৯২।। মাসমাত্রেন বেদান্তে দর্শিতস্তেন বৈ হরিঃ। মাসদেবস বৈ নাম সচ্চিদানন্দবিগ্রহঃ।।৯৩।। বসুদেবস বৈ জ্ঞেয়ো বসুম্বংশেন দীব্যতি। বসুদেবস বৈ ব্রহ্মা তস্য সারো হি যঃ স্মৃতঃ।।৯৪।। বাসুদেবো হরি সাক্ষাচ্ছিবপূজ্যঃ সনাতনঃ। শঙ্করো লজ্জিতস্তত্র ভাষ্যশাস্ত্রে সমাগতঃ।।৯৫।।

    রামানুজ একথা শ্রবণ করে সমস্ত শাস্ত্রে পারদর্শী নিজ ভ্রাতাকে শিষ্যগণের সাথে নিয়ে কাশীপুরীতে গেলেন। সেখানে বেদান্ত শাস্ত্রে সেই দুই পক্ষের মহাত্মার বাদ হয়েছিল, ভগবান শংকরাচার্যের পক্ষে শিব এবং দ্বিজ রামানুজের পক্ষে কৃষ্ণ ছিলেন। এক মাস ব্যাপী বিবাদের পর তিনি বেদান্তে কৃষ্ণকে দেখিয়েছিলেন। সেই সচ্চিদানন্দ বিপ্রহের নাম বাসুদেব। সেই বাসুদেবকেই জানা উচিৎ। বসুগণের অংশে তিনি প্রকাশিত হন। সেই ব্রহ্মা বসুদেবের সার। বাসুদেব সাক্ষাৎ হরি এবং সনাতন তথা শিবের পরমপূজ্য। ভগবান শংকরাচার্য এতে ভীষণ লজ্জিত হলেন এবং পুনরায় ভাষ্যশাস্ত্রে ফিরে এলেন রামানুজ সেই ভাষ্যও হরিকে দেখালেন।

    পক্ষমাত্রং শিবৈ সূত্রৈবর্ণয়াংমাস বৈ শিবম্। রামানুজেন তত্রৈব ভাষ্যে সন্দর্শিতো হরিঃ।।৯৬।। গোবিন্দো নাম বিখ্যাতো বৈয়াকরণদেবতা। গাংপরাং বিন্দতে যস্মাদগোবিন্দো নাম বৈ হরিঃ।।৯৭ গিরীশস্ত্র ন গোবিন্দো গিরীনামীশ্বরো হি সঃ। গোপালস্তু ন বৈ রুদ্রো গবারূঢ় প্রকীর্তিতঃ।।৯৮।। জ্ঞেয়ঃ পশুপতিঃ শম্ভুগোপতির্নৈব বিশ্রুতঃ। লজ্জিতঃ শঙ্করাচার্যো মীমাংসাশাস্ত্রমাগতঃ।।৯৯।। তয়োদর্শদিনং শাস্ত্রে বিবিাদ সুমহানভূৎ। যস্তু বৈ যজ্ঞপুরুষো রামানুজমতপ্রিয়ঃ।।১০০।। বিচ্ছিন্নঃ শঙ্করেনৈব মৃগভূতঃ পরাজিতঃ। আচারপ্রভবো ধর্মো যজ্ঞদেবেন নির্মিতঃ।।১০১।। ভ্রষ্টাচারস্তদা জাতো যজ্ঞে দক্ষপ্রজাপতেঃ। ইতি রামাজঃ শ্রুত্বা বচনং প্ৰাহ নম্ৰধীঃ।।১০২।।

    বৈয়াকরণের দেবতা গোবিন্দ এবং তিনি হরিও। এই কারণে তার নাম গোবিন্দ।। গিরীশ কদাপি গোবিন্দ হবেন না। তিনি হলেন গিরিগণের ঈশ্বর। রুদ্র কদাপি গোপালও হবেন না কারণ তিনি গোগণের পালক নন, কেবল গবারূঢ় হয়ে তিনি প্রকীর্তিত হন।। ৯১-৯৮।।

    শম্বুর পশুপতি নামে পরিচিত। কদাপি গোপতি নামে তিনি প্রসিদ্ধ নন। এই প্রকার প্রবল অকাট্য যুক্তিতে শংকরাচার্য লজ্জিত হলেন এবং পুনরায় তিনি মীমাংসা শাস্ত্রে বাদ আরম্ভ করলেন।। দুই পক্ষের বিবাদ দশদিন পর্যন্ত চলেছিল। সকল যজ্ঞ পুরুষের রামানুজের মতই প্রিয় ছিল। শংকরের দ্বারা বিচ্ছিন্ন হয়ে মৃগভূত পরাজিত হলেন। আচার প্রভবো ধৰ্ম যজ্ঞদেবের দ্বারা বিনির্মিত।। ৯৯-১০১।।

    কর্মণে জনিতো যজ্ঞো জ্ঞেয়ো বিশ্বপালনহেতবে। কর্মব্রহ্মোদ্ভবং বিদ্ধি ব্রহ্মাক্ষরসমুদ্ভবম্।।১০৩।। অক্ষরোহয়ং শিবঃ সাক্ষাচ্ছব্দব্রহ্মণি সংহিতঃ। পুরাণ পুরুষো যজ্ঞো জ্ঞেয়োহ ক্ষরকরো ভুবি। অক্ষরাস্ত তু বৈ শ্রেষ্ঠঃ পরমাত্মা সনাতনঃ।।১০৪।। অক্ষরেণ ন বৈ তৃপ্তাপ্তোভূদ্যজ্ঞকর্মণি। নাম্না স যজ্ঞপুরুষো বেদে লোকে হি বিশ্রুতঃ।।১০৫। প্রপৌত্রস্য তদা বৃদ্ধিং দৃষ্ট্বা স্পর্দ্ধাতুরঃ শিবঃ। মৃগভূতশ্চ রুদ্রোহসৌ দিব্যবাণৈরতপয়ৎ।।১০৬।। সমর্থো যজ্ঞপুরুষো জ্ঞাত্বা গুরুময়ং শিবম্। পলায়নপরো ভূতো ধর্মস্তেন মহাস্কৃতঃ।।১০৭।। লজ্জিতঃ শঙ্করাচার্যৌ ন্যায়শাস্তে সমাগতঃ। ভবতীতি ভবো জ্ঞেয়ো মৃড়তীতি স বৈ মৃড়ঃ।।১০৮।।

    দক্ষ প্রজাপতির যজ্ঞে সেই সময় ভ্রষ্টাচার হয়েছিল।

    রামানুজ শ্রবণ করে নম্রবুদ্ধি হয়ে বললেন-যজ্ঞকার্যের জন্য জনিত এবং বিশ্বপালনের জন্য সেই কর্ম ব্রহ্মোদভব এবং ব্রহ্ম অক্ষর সমুদভব। সেই অক্ষয় সাক্ষাৎ শিব। যিনি শব্দ ব্রহ্মেসংস্থিত। পুরাণ পুরুষ হরেন যজ্ঞ যিনি ভূতলে অক্ষর কর। অক্ষর থেকে সেই সনাতন পরমাত্মা শ্রেষ্ঠ। অক্ষর দ্বারা যজ্ঞকর্মে তিনি তৃপ্ত হয়না। সেই যজ্ঞা পুরুষ নাম দ্বারা বেদ এবং লোক বিশ্রুত।।১০২-১০৫।।

    স্পর্ধাতুর প্রপৌত্রের বৃদ্ধি দেখে মৃগভূত রুদ্র সেই সময় দিব্য বাণের দ্বারা তৃপ্ত করেছিলেন।। ১০৬।।

    সমর্থ যজ্ঞপুরুষ গুরুময় শিবকে জেনে তারা দ্বারা মহান্ কৃত ধর্ম পলায়ন হলেন এই মীমাংসা শাস্ত্রেও লজ্জিত হয়ে শংকরাচার্য ন্যায় শাস্ত্ৰ বাদে প্রকৃত হলেন। শংকরাচার্য বললেন -’ভবতীতি ভব’ অর্থাৎ যিনি হন তিনিই ভব’-এই ব্যুৎপত্তি দ্বারা এই ব্যুৎপত্তি দ্বারা মৃত বলে পরিচিত। ।। ১০৭-১০৮।।

    লোকান্তরতি যো দেবঃ স কর্তা ভর্গ এব হি হরতীতি হরো জ্ঞেয়ঃ স রুদ্রঃ পাপরাবণঃ।।১০৯।। স্বয়ং কর্তা স্বয়ং ভর্তা স্বয়ং হর্তা শিবঃ স্বয়ম্। শিবাদ্বিষ্ণুমহীং যাতো বিষ্ণোব্রহ্মা চ পদ্মভূঃ।।১১০।। ইতি শ্রুত্বা তু বচনং প্রাহ রামানুজস্তদা। ধন্যোহয়ং ভগবাঞ্ছম্ভুর্যস্যায়ং মহিমা পরঃ।।১১১।। সত্যং সত্যং মমাজ্ঞেয়ং কর্তা কারয়িতা শিবঃ। রামনাম পরং নিত্যং কথং শম্ভুর্জপেদ্ধরিম্।।১১২।। অনন্তাঃ সৃষ্টয়ঃ সর্বা উদভূতা যস্য তেজসা। অনন্তঃ শেষতঃ শেষার মন্তে যোগিনো হি তম্।।১১৩। স চ বৈ মৎপভোধাম সচ্চিদানন্দবিগ্রহঃ। ইতি শ্রুত্বা তদাবাক্যং লজ্জিতঃ শঙ্করোহ ভবৎ।।১১৪

    যিনি দেবলোকে ভরণ করেন তিনি ভর্তা। যিনি হনন করেন তিনিই হব। তিনিই রুদ্র যিনি পাপের রাবন করেন।। ১০৯।।

    শিব স্বয়ং কর্তা-ভর্তা এবং হর্তা। শিবের থেকে বিষ্ণু মহীকে প্রাপ্ত করেন এবং বিষ্ণুর থেকে পদ্মভূ মহীতে গিয়েছিলেন।। ১১০।।

    শংকর ভগবানের এই বচন শ্রবন করে রামানুজ বললেন- আপনার ভগবান্ শম্ভূর মহিমা অপার, তিনি ধন্য।। ১১১।।

    সত্য এবং ধ্রুব সত্য হল শিব হলেন আমার আজ্ঞেয় তিনিই কর্তা এবং তিনি কারয়িতা। রাম রাম পর এবং নিত্য। শম্ভু সর্বদা সেই হরির জয় করেন।। ১১২।।

    এই সমস্ত সৃষ্টি অনন্ত। এই সকল যার তেজে উদ্ভূত, তিনি শেষনাগ অনন্ত। শেষ যোগিগণ তার রমণ করেছিলেন।। সেটি সচ্চিদানন্দ বিগ্ৰহ আমার প্রভুর ধাম।। রামানুজ এই বাক্য শ্রবণ করে শংকরাচার্য প্রভূত লজ্জিত হলেন।। ১১৩-১১৪।।

    যোগশাস্ত্রপরো দেবঃ কৃষ্ণস্তেনৈব দশিতঃ। কালাত্মা ভগবানকৃষ্ণো যোগেশো যোগতৎপরঃ।।১১৫ সাংখ্যশাস্ত্রে চ কপিলস্তস্মৈ তেনৈব দর্শিতঃ। কং বীর্যং পতি যোবৈ স কপিস্তং চৈব লাতিযঃ। কপিলসস তু বিজ্ঞেয়ঃ কপীরুদ্রঃ প্রকীর্তিতঃ।।১১৬। কপিলো ভগবান্বিষ্ণুঃ সর্বজ্ঞ সর্বরূপবান্। তদা তু শঙ্করাচার্যো লজ্জিতো নম্রবন্ধরঃ।।১১৭।। শুক্লাম্বরধরো ভূত্বা গোবিন্দো নাম নির্মলম্ জজাপ হৃদি শুদ্ধত্মা শিষ্যো রামানুজস্য বৈ।।১১৮।। ইতি তে রুদ্রমাহাত্ম্যং প্রসঙ্গেনাপি বর্ণিতম্। ধনবাষ্পুত্রবান্বাগ্মী ভবেদ্যঃ শৃণুয়াদিদম্।।১১৯।।

    যোগ শাস্ত্রে অপর দেব কৃষ্ণই আছেন, তাও তিনি দেখালেন। ভগবান্ কৃষ্ণ কালাত্মা যোগেশ এবং যোগ তৎপর।। সাংখ্য শাস্ত্রে কপিল তাই দেখিয়েছিলেন। কপি সামবীর্ষ যিনি রক্ষা করেন তিনিই কপি, সেই কপি যিনি নিয়ে আসেন তিনিই কপিল। সেই কপি এবং কপিল হলেন রুদ্র।। কপিল ভগবান বিষ্ণু যিনি সর্বজ্ঞ এবং সর্বরূপী। তখন ভগবান শংকরাচার্য পরম লজ্জিত হয়ে নতমস্তক হলেন।। ১১৫-১১৭।।

    গোবিন্দ শুক্ল বস্ত্র ধারণ করে নির্মল নাম জপ করতে লাগলেন। হৃদয় রামানুজের শিষ্য ছিলেন।। ১১৮।।

    সেই রুদ্র মাহাত্ম্য প্রসঙ্গ ক্রমে তোমাদের নিষ্ঠা বর্ণনা করলাম। যে ব্যক্তি এই মাহাত্ম্য শ্রবণ করেন তিনি ধন-পুত্রবান্ তথা বাগ্নী হন।। ১১৯।।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত
    Next Article দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }