Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)

    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস এক পাতা গল্প707 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আকবর বাদশাহ বৰ্ণন

    ।। অকবর বাদশাহ বৰ্ণন।।

    ইতি শ্রুত্বা বলিদৈত্যো দেবানাং বিজয়ং মহৎ। রোষণং নাম দৈত্যেন্দ্রং সমাহৄয় বচোহব্রবীৎ।।১।। সুতস্তিমিরলিঙ্গস্য সরূষো নাম বিশ্রুতঃ। ত্বং সি তত্র সমাগম্য দৈত্যকার্যং মহৎকুরু।।২।। ইতি শ্রুত্বা স বৈ দৈত্যো হৃদি বিপ্রাপ্তরোষণঃ। ন নাশ বেদমার্গস্থাদেহলীদেশমাস্থিতঃ।।৩।। পঞ্চবর্ষং কৃতং রাজ্যং তৎসুতো বাবরোহ ভবৎ। বিংশদব্দং কৃতং রাজ্যং হোমায়ুস্তৎসুতোহ ভবৎ।।৪।। হোমায়ুষা মদান্ধেন দেবতাশ্চ নিরাকৃতাঃ। তে সুরাঃ কৃষ্ণচৈতন্যং নদীহোপবনে স্থিতম্।।৫।।

    ।। আকবর বাদশাহ বৰ্ণন।।

    এই অধ্যায়ে তিমির নিংগপুত্র মরুষাদির দেহলীতে রাজ্য বৃত্তান্ত তথা আকবর রাজ্য বৃত্তান্ত বর্ণন করা হয়েছে।

    সূতজী বললেন–দৈত্য রাজবলি দেবতাদের বিজয় বার্তা শ্রবণ করে রোষণ নামক দৈতকে আহ্বান করে বললেন–তৈমুরলঙ্গের পুত্র সরুষ নামে প্রসিদ্ধ। তুমি সেখানে এসে দৈত্যদের মহান্ কার্য সম্পন্ন কর।।১- ২।।

    একথা শ্রবণ করে দৈত্য হৃদয়ে বিশেষ রূপে রোষ প্রাপ্ত হয়ে দেহলীতে আস্থিত হয়ে বেদমার্গে স্থিতগণকে নাশ করে ৫ বছর পর্যন্ত তিনি সেখানে রাজ্য শাসন করেছিলেন। পুনরায় তার পুত্র বাবর জাত হন, তিনি ২০ বছর রাজত্ব করেন। তার পুত্র হুমায়ুন মদমত্ত হয়ে দেবতাদের নিরাদর করেছিলেন। দেবগণ কৃষ্ণচৈতন্য স্তুতি করতে লাগলেন। তিনি নদীয়ার উপবনে স্থিত ছিলেন। তাদের বহুস্তুতি শ্রবণ করে হরি স্বয়ং ক্রুদ্ধ হন। তিনি নিজ তেজ প্রভাবে তার রাজ্যকে বিঘ্নভূত করলেন।। ৩-৬।।

    তুষ্টবুবহুধা তত্র শ্রুত্বা ক্রুদ্ধো হরিঃ স্বয়ম্। স্বতেজসা চ তদ্ৰাজ্যং বিঘ্নভূতং চকার হ।।৬। তৎসৈন্যজনিতৈলোকৈহোমায়ুশ্চ নিরাকৃতঃ। মহারাষ্ট্রেস্তদা তত্র শেষশাকঃ সমাস্থিতঃ।।৭।। দেহলীনগরে রম্যে ম্লেচ্ছো রাজ্যং চকার হ। ধর্মকার্যং কৃতং তেন তদ্ রাজ্যং পঞ্চহায়নম্।।৮।। ব্রহ্মচারী মুকুন্দশ্চ শংকরা চার্যগোত্রজঃ। প্রয়োগ চ তপঃ কুর্বন্ বিংশচ্ছিষ্যৈযুতঃ স্থিতঃ।।৯ বাবরেণ চ ধূর্তেন ম্লেচ্ছরাজেন দেবতাঃ। ভ্রংশিতাঃ স তদা জ্ঞাত্বা বহ্নৌ দেহং জুহাব বৈ।।১০। তস্য শিষ্যা গতা বহ্নৌ ম্লেচ্ছনাশনহেতুনা। গোদুগ্ধে চ স্থিতং রোম পীত্বা স পয়সা মুনিঃ।।১১।। মুকুন্দস্তস্য দোষেণ ম্লেচ্ছযানৌ বভূব হ। হোমাযুষশ্চ কাশ্মীরে সংস্থিত স্যৈব পুস্তকঃ।।১২।।

    তার সেনাকে জনিত নিরাকৃত করলেন। সেই সময় মহারাষ্ট্রের দ্বারা শেষশাক সমাস্থিত হয়েছিল।। ৭।।

    রম্য দেহলী নগরে ম্লেচ্ছগণ রাজ্য করেন। তারা ধর্মকার্য করেছিলেন। ৫ বৎসর পর্যন্ত তাদের রাজ্য ছিল। ব্রহ্মচারী মুকুন্দ শংকরাচার্যের গোত্র জাত হয়ে প্রয়াগে নিজ ২০শিষ্যগণের সঙ্গে তপ করেছিলেন।। ৮-৯।।

    অত্যন্ত ধূর্ত ম্লেচ্ছ রাজা বাবর দেবতাগণকে ভ্রংশিত করেছিলেন। তিনি সেকথা জেনে নিজ শরীর অগ্নিতে হবন করেছিলেন।। ১০।।

    জাতমাত্রে সুতে তস্মিন্ বাগুবাচাশরীরিণী। অকস্মাৎ চ বরো জাতঃ পুত্ৰোহয়ং সর্বভাগ্যবান্।।১৩। পৈশাচে দারুণে মার্গে ন ভূতো ন ভবিষ্যতি। অতঃ সোকবরো নাম হোমায়ুস্তনয়স্তব।।১৪।। শ্রীধরঃ শ্রীপতিঃ শম্ভুবরেণ্যশ্চ মধুব্রতী। বিমলো দেববান সোমো বর্দ্ধনো বর্তকো রুচিঃ।।১৫।। মান্ধাতা মানকারী চ কেশবো মাধবো মধুঃ। দেবাপিঃ সোমপাঃ শূরা মদনো যস্য শিষ্যকাঃ।।১৬।। স মুকুন্দো দ্বিজঃ শ্ৰীমান্ দৈবাত্ত্বদ্‌হেমাগতঃ। ইত্যাকাশবচো শ্রুত্বা হোমায়ুশ্চ প্রসন্নধীঃ।।১৭।। দদৌ দান ক্ষুধার্তেভ্যঃ প্রোস্না পুত্রমপালয়ৎ। দশাব্দে তনয়ে জাতে দেহলীদেশমাগতঃ।।১৮।। শেষশাকং পরাজিত্য স চ রাজা বভুব হ। অব্দং তেন কৃতং রাজ্যংতৎপুত্রশ্চ নৃপো ভবৎ।।১৯।।

    তাঁর শিষ্যগণ ম্লেচ্ছগণকে নাশ করতে বহ্নিতে গেলেন। গোদুগ্ধে স্থিত রোমকে মুনি পায়ের সঙ্গে পান করলেন। তার দোষের ফলে মুকুন্দ ম্লেচ্ছ যোনিকে প্রাপ্ত হলেন।। হোমায়ু কাশ্মীরে ছিলেন। সেখানে তার পুত্র জাত হন।। তার পুত্র জাত হলে আকাশবানী হয়েছিল। এই পুত্র অকশা‍ বর এবং সে ভাগ্যবান। সে দারুণ পৈশাচমার্গে এবং আগে থাকবে। এই কারণে হোমায়ু তোমার পুত্র আকবর নামে প্রসিদ্ধ হবে।। ১১-১৪।।

    শ্রীধর -শ্রীপতি -শম্ভু-বরেন্য-মধুব্রতী বিমল-দেববান্ সোমবৰ্দ্ধন বর্ত্তক রুবি মান্ধাতা মানকারী কেশব মাধব মধু দেবাপি সোময়া শূর মদন এই নামধারী ধীমান মুকুন্দের শিষ্যগণ বশহয়ে তোমার গৃহে আসবে। এই প্রকার আকাশবানী শ্রবণ করে হোমায়ু অত্যন্ত প্রসন্ন হন। সেই হোমা ক্ষুধা পীড়িতকে দান করলেন এবং নিজ পুত্রকে সপ্রেমে পালন করলেন। সেই পুত্র দশবৎসর হলে দেহলী নগরীতে এলেন। তিনি শেষশাককে পরাজিত করে সেখানের রাজা হলেন। এক বর্ষ পর্যন্ত সেখানে রাজত্ব করে তার পুত্র রাজা হন। আকবর রাজ্য প্রাপ্ত হলে তার সাত পরমসুখ্য শিষ্যগণ এই সময় রাজার কাছে উপস্থিত হলেন। কেশব-মানসেন-বৈজবাসক-মাধব ম্লেচ্ছ ছিলেন। সেখানে হরিদাস তথা মধু মধ্বাচার্যের কুলে জাত তথা সমস্ত রাগের জ্ঞাতা ছিলেন। পূর্ব জন্মে যিনি দেবাপি নাম্নী ছিলেন, সেই বীরবল নাম্নী হয়ে সমুৎপন্ন হন।। ২১-২২।।

    সম্প্রাপ্তেহকবরে রাজ্যং সপ্তশিষ্যাশ্চ তৎপ্রিয়াঃ। পূর্বজন্মনি যে মুখাস্তে প্রাপ্তা ভূপতিং প্রতি।।২০।। কেশবো মানসেনশ্চ বৈজবাস্ক তু মাধবঃ। ম্লেচ্ছাস্তে চ স্মৃতাস্তত্র হরিদাসো মধুস্তথা।।২১।। মধ্যাচাৰ্যকুলে জাতো বৈষ্ণবঃ সর্বরাগবিৎ। পূর্বজন্মনি দেবাপি স চ বীরবলোহভবৎ।।২২।। ব্রাহ্মণঃ পাশ্চিমাত্যো বৈ বাগদেবীবরদাপিতঃ। সোমপা মানসিংহশ্চ গৌতমান্ বয়সম্ভবঃ।।২৩।। সেনাপতিশ্চ নৃপতেরার্য ভূপনিরোমণেঃ। সুরশ্চৈব দ্বিজো জাতো দক্ষিণ শ্চৈব পন্ডিতঃ।।২৪।। বিল্বমংগল এবাপি নাম্না তনৃপতেঃ সখা। নায়িকাভেদনিপুনো বেশ্যানাং স চ পারগঃ।।২৫।। মদনো ব্রাহ্মণো জাতঃ পৌবাৰ্ত্য স চ নৰ্তকঃ। চন্দনো নাম বিখ্যাতো রহঃ ক্রীড়াবিশারদঃ।।২৬।।

    তিনি পশ্চাত্ত্য ব্রাহ্মণ ছিলেন এবং বাগদেবীর বর দানে তিনি দর্পযুক্ত ছিলেন। সোম্পা এবং মানসিংহ গৌতম বংশ জাত হয়েছিলেন। সেই আর্যভূপ শিরোমণি নৃপতির সেনাপতি ছিলেন। যে সকল শূর ছিলেন তাঁরা দ্বিজ থেকে উৎপন্ন হন এবং দক্ষিণ দিকের পন্ডিত ছিলেন।। ২৩-২৪।।

    অন্যদেশে গতাঃ শিষ্যাস্তেষাং পূর্বস্ত্রয়োদশ। অনপস্য সুতো জাতঃ শ্রীধরঃ শত্রুবেদিতঃ।।২৭।। বিখ্যাত স্তুলসীশর্মা পুরাণনিপুনং কবিঃ। নারী শিক্ষাং সমাদায় রাঘবানন্দ মাগতঃ।।২৮।। শিষ্যো ভূত্বা স্থিতঃ কাশ্যাং রামানন্দমতেস্থিতঃ। শ্রীপতিঃ স বভূবান্ধো মধ্বাচার্যমতে স্থিতঃ।।২৯।। সূরদাস ইতি জ্ঞেয়ঃ কৃষ্ণলীলাকরঃ কবিঃ। শম্ভুবৈ চন্দ্ৰভট্টস্য কুলে জাতো হরিপ্রিয়ঃ।।৩০।। রামানন্দমতে সংস্থো ভক্তকীর্তিপরায়ণঃ। বরেণ্য সোগ্রভূভ্ নামা রামানন্দ মতে স্থিতঃ।।৩১।। জ্ঞানধ্যানপরো নিত্যং ভাষাছন্দকরঃ কবিঃ। মধুব্রতী স বৈ জাতো কীলকো নাম বিশ্রুতঃ।।৩২।। রামলীলা করো ধীমান রামানন্দমতে স্থিতঃ। দেববান্ কেশবো জাতো বিষ্ণুস্বামীমতে স্থিতঃ।।৩৪।

    বিল্বমঙ্গল ছিলেন বাজার সখা। তিনি নায়িকা ভেদ পন্ডিত ছিলেন তথা বেশ্যাগণের পারগামী ছিলেন। মদন নামক যিনি ছিলেন তিনিও এই জন্যে ব্রাহ্মণ হয়ে জাত হন। তিনি সৌবত্য এবং নর্তক ছিলেন। চন্দন নামে যে বিখ্যাত ছিলেন তিনি রহস্য ক্রীড়াতে মহা পন্ডিত ছিলেন। অন্যদেশে যে শিষ্য গিয়েছিলেন তারা সংখ্যায় তের ছিলেন। অনপাপ নামক পুত্ৰ শত্ৰু বেদিত শ্রীধর ছিলেন।। ২৫-২৭।।

    তুলসী শর্মা ছিলেন পুরানে পরম পন্ডিত এবং কবি। রারী শিক্ষা গ্রহণ করে রাঘবানন্দের কাছে এসেছিলেন।। ২৮।।

    তিনি রমানন্দের শিষ্য ছিলেন এবং কাশীতে রামানন্দ মতানুযায়ী হয়ে স্থিত হলেন। সেই শ্রীপতি অন্ধ হয়ে মধ্বাচার্যের মতে স্থিত হন। সুরদাস নামক যে ছিলেন তিনি ছিলেন কবি এবং তিনি কৃষ্ণলীলা পদ রচনা করেন। শম্ভু ছিলেন তিনি চন্দ্রভট্টের কুলে উৎপন্ন তিনি হরিপ্রিয় ছিলেন। ২৯-৩০।।

    কবিপ্রিয়াদিরচনাং কৃত্বা প্রেতত্বমাগতঃ। রামজ্যোৎস্নাময়ং কৃত্বা স্বর্ণমুপাযযৌ।।৩৫।। সোমো জাতঃ স বৈ ব্যাসো নিস্বাদিত্যমতে স্থিতঃ। রহঃ ক্রীড়াময়ং গ্রন্থং কৃত্বা স্বৰ্গমুপাযযৌ।।৩৬।। বৰ্দ্ধনশ্চ স বৈ জাতো নাম্না চরণদাসকঃ জ্ঞানমালাময়ং কৃত্বা গ্রন্থং রৈদাসমার্গগঃ।।৩৭।। বর্তকঃ স চ বৈ জাভো রোপণস্য মতে স্থিতঃ। রত্নভানুরিতি জ্ঞেয়ো ভাষাকর্তা চ জৈমিনেঃ।।৩৮।। রুচিশ্চ রোচনো জাতো মধ্বাচার্যমতে স্থিতঃ। নানাজ্ঞানময়ীং লীলাং কৃত্বা স্বৰ্গমুপাযযৌ।।৩৯।। মান্ধাতা ভূপতিনাম কায়স্থঃ স বভূব হ। মধ্যাচার্যো ভাগবতং চক্রে ভাষাময়ং শুভম্।।৪০।।

    অগ্রভূজ রামানন্দের মতানুযায়ী ছিলেন, তিনি ভক্তকীর্তি বর্ণন পরায়ণকারী ছিলেন। তিনি বরেণ্য জ্ঞানের ধ্যান পরায়ণ ছিলেন এবং নিজ ভাষা ছন্দো রচনাকারী কবি ছিলেন। মধুবতী থেকে সমুৎপন্ন কীলক নামে প্রসিদ্ধ ছিলেন। সেই বুদ্ধিমান্ রামানন্দের মতে স্থিত হয়েরামলীলা করেছিলেন। বিমলজাত তিনি দিবাকর নামে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনিও স্বামী রামানন্দের মতানুসারী ছিলেন এবং সীতালীলা করেছিলেন। দেববান্ কেশব বিষ্ণুস্বামীর মতানুসারী ছিলেন, সেই কেশব কবি কবিপ্রিয়া প্রভৃতি গ্রন্থ রচনা করেন, যাতে করে এই স্বর্গ প্রাপ্তি ঘটে।

    সোম ব্যাস হয়ে উৎপন্ন হন। তিনি নিম্বার্কাচার্যের মতানুযায়ী ছিলেন। তিনি রহস্য ক্রীড়ায় পরিপূর্ণ গ্রন্থ রচনা করেন এবং স্বর্গলোক প্রাপ্ত হন। বর্দ্ধন চরণদাস জ্ঞানমালাময় গ্রন্থ রচনা করেন এবং তিনি রৈদাস মতানুযাসারী ছিলেন। বর্তক ছিলেন রোষণ মতানুসারী, রত্নভানু জৈমিনি ভাষ্য গ্রন্থ রচনা করেন। রুচি রোচন মধ্বাচার্যের মতানুসারী ছিলেন। তিনি অনেক প্রকার জ্ঞানময়ী লীলা রচনা করেন এবং অন্তে স্বর্গলোকে চলে যান। মান্ধাতা নামক ভূপতি কায়স্থ জাত হন। মধ্বাচার্য ভাগবত রচনা করেন।।৩১-৪০।।

    মানকারো নারিভাবান্নারী দেহমুপাগতঃ। মীরানামেতি বিখ্যাতা ভূপতেস্তনয়া শুভা।।৪১।। মা শোভা চ তনৌ যস্যা গতিগর্জসমা কিল। সামীরা চ বুধেঃ প্রোক্তা মধ্বাচার্যমতে স্থিতা।।৪২।। এবং তে কথিতং বিপ্র ভাষাগ্রন্থ প্রকারণম্। প্রবন্ধ মংগলকরং কলিকালে ভয়ং করে।।৪৩।। স ভূপোহ কবরে নাম কৃত্বা রাজ্যমকটকম্। শতাৰ্দ্ধেন চ শিষ্যৈশ্চ বৈকুণ্ঠ ভবনং যযৌ।।৪৪।। সলোমা তনয়স্তস্য কৃতং রাজ্যং পিতুঃ সমম্। খুদকস্তনয়াস্তস্য দশাব্দং চ কৃতং পদম্।।৪৫।। চত্বারস্তনয়াস্তস্য নবরংগো হি মধ্যমঃ। পিতরং চ তথা ভ্রাতৃজ্ঞিত্বা রাজ্যমচীকরৎ।।৪৬।।

    মানবার নারীভাবে ছিলেন এবং মেই কারণে তিনি নারী দেহ প্রাপ্ত হন। সেই নারী মীরা নামে বিখ্যাত হন, তিনি এক রাজপুত্রী ছিলেন। তার দেহ শোভাময় ছিল এবং তারগতি গজসমান ছিল তিনি বিদ্বান গণের দ্বারা মীরা নামে কথিত ছিল এবং তিনি মধ্বাচার্যের মতানুসারী ছিলেন।। ৪১-৪২।।

    হে বিপ্ৰ, সেই ভাষাগ্রন্থের সমস্ত প্রকরণ আমি তোমাদের বর্ণনা করলাম। এই ভয়ংকর কলিযুগে সেটি মংগলকারী গ্রন্থ।। ৪৩।।

    ভূপ আকবর নিষকন্টক রাজ্য করেন এবকং ৫০ বছর রাজ সুখ উপভোগ করেন শিষ্যগণের সঙ্গে বৈকুন্ঠে গমন করেন। তার পুত্রের নাম সলোমা। তিনিও পিতার ন্যায় রাজ্য পালন করেন। তার পুত্র খুর্দক দশবৎসর রাজত্ব করেন। তাঁরবার পুত্র ছিল, তন্মধ্যে নবরংগ (ঔরঙ্গজেব) মধ্যমপুত্র ছিলেন। তিনি পিতা এবং ভ্রাতাকে পরাজিত করে স্বয়ং রাজত্ব করেন।। ৪৪-৪৬।।

    পূর্বজন্মনি দৈত্যোহ য়মন্ধকো রাজ্যমচীকরৎ। কর্ম ভূম্যাং তদংশেন দৈত্যরাজজ্ঞয়া যযৌ।।৪৭। তেনৈব বহুধা মূর্তীভ্ৰং শিতাশ্চ সমস্ততঃ। দৃষ্ট্বা দেবাস্তদাগত্য কৃষ্ণচৈতন্যমত্ৰুন্।।৪৮।। ভগবন্ দৈত্যরাজাংশঃ স জাতশ্চ মহীপতিঃ। ভ্রংশয়িত্বা সুরান্ বেদৈত্যপক্ষং বিবৰ্দ্ধতে।।৪৯।। ইতি শ্রুত্বা স যজ্ঞাংশো নদীহোপবনে স্থিতঃ। শশাপ তং দুরাচারং যথা বংশোক্ষয়ো ভবেৎ।।৫০।। রাজ্যমেকোন পঞ্চাশৎ কৃতং তেন দুরাত্মনা। সেবাজয়ো নাম নৃপো দেবপক্ষবিবৰ্দ্ধনঃ।।৫১।। মহারাষ্ট্রদ্বিজস্তস্য মুদ্ধবিদ্যাবিশারদঃ। হত্বা তং চ দুরাচারং তৎ পুত্রায় চ তৎপদম্।।৫২।।

    পূর্ব জন্মে যিনি অন্ধক নামক দৈত্য ছিলেন তিনি এই বঙ্গভূমিতে দৈত্যরাজের আজ্ঞাতেই এসেছিলেন। তিনি অনেক দেব মূর্তি খন্ডন করেন। তখন দেবগণ তাঁর অত্যাচার দেখে কৃষ্ণ চৈতন্যের কাছে গিয়ে বলেছিলেন –হে ভগবান্, দৈত্যরাজাংশ মহীপতি দেবগণকে ভ্রংশ করে দৈত্য পক্ষকে বর্ধিত করছে।। ৪৭-৪৯।।

    নদীযোপবনে স্থিত যজ্ঞাংশ সেকথা শ্রবণ করে দুরাচারী তাকে শাপ দিলেন যে, তোমার বংশ ক্ষয় হবে।। ৫০।।

    সেই দুরাত্মা ৪৯ বছর রাজত্ব করেন সেবাজয় নামক যিনি ছিলেন তিনি দেবপক্ষ বৃদ্ধি করতে লাগলেন। তার এক মহারাষ্ট্র দ্বিজ ছিল, যিনি যুদ্ধ বিদ্যায় কুশল পন্ডিত ছিলেন। তিনি সেই দুরাচারীকে হনন করলেন এবং তার পুত্রকে সেই পদ দিলেন।। ৫১-৫২।।

    দত্ত্বা যযৌ দাক্ষিণাত্যে দেশে দেববিবৰ্দ্ধনঃ। আলোমানামতনয়ঃ পঞ্চাদ্বং তৎপদং কৃতম্।।৫৩।। তৎপশ্চান মরণং প্রাপ্তো বিদ্রধেন রুজা মুনে বিক্রম্যগতে রাজ্যে সপ্তত্যুক্তরকং শতম্।।৫৪।। জ্ঞেয়ং সপ্তদশং বিপ্ৰয়দালোমা নৃতিং গতঃ। তালনস্য কুলে জাতো ম্লেচ্ছঃ ফলরুষোবলী।।৫৫।। মুকুলস্য কুলং হত্বা স্বয়ং রাজ্যং চকার হ। দশাব্দং চ কৃতং রাজ্যং তেন ভূপেন ভূতলে।।৫৬।। শত্রুভিমরণং প্রাপ্তো দৈত্যলোকমুপাগম‍। মহামদস্তনয়ো বিংশত্যব্দং কৃতং পদম্।।৫৭।। তদ্রাষ্ট্রে নাদরো নাম দৈত্য দেশ উপাগমৎ হত্বাচার্যংশ্চ সুরাজ্জিত্বা দেশং খুরজমাযযৌ।।৫৮।।

    তাকে রাজপদে বসিয়ে তিনি দক্ষিণাত্য দেশজয় করতে চলেগেলেন। তার পুত্রর নাম লালোমা। তিনি ৫বছর পর্যন্ত রাজ্যভোগ করেন। হে মুনে, অতঃপর বিদ্রধরোগে তিনি মৃত্যুলাভ করেন। রাজা বিক্রম ১৭০ বছর রাজত্ব করেন, আলোমা মৃত্যু কালে আলোমা ৭০বৎসর বয় প্রাপ্ত ছিলেন। তালনের কুলে বলবান ফলরুষ জাত হন।। ৫৩-৫৫।।

    তিনি মুকুন্দের কুল হনন করে স্বয়ং রাজ্যশাসন করেন। তিনি দশবৎসর পর্যন্ত রাজত্ব করেন।। ৫৬।।

    অতঃপর তিনি শত্রুদের দ্বারা মৃত্যু প্রাপ্ত হলে দৈত্যলোকে চলে যান। তার পুত্র মহামদ ২০ বৎসর রাজত্ব করেন।। ৫৭।।

    তার রাষ্ট্রে নাদর (নাদিরশাহ) নামক এক দৈত্য এসেছিলেন, তিনি সুরগণকে জয়করে তথা আর্যগণকে হনন করে অত্যন্ত অত্যাচার করেছিলেন। পুনরায় তিনি খুরজ দেশে আগত হলেন।। ৫৭-৫৮।।

    মহামৎস্যো হি মদস্য তনয়স্তৎপিতুঃ পদম্। গৃহীত্বা পঞ্চবর্ষান্তং স চ রাজ্যং চকার হ।।৫৯।। মহারাষ্টেহতো দুষ্টস্তালনান্বয় সম্ভবঃ। দেহলীনগরে রাজ্যং দশাব্দং মাধবেন বৈ।।৬০।। কৃতং তত্ৰ তদা ম্লেচ্ছ আলোমা রাজ্যমাপ্তবান্ তদ্রাষ্টে বহবো জাতা রাজনো নিজদেশজাঃ।।৬১।। গ্রামপা বহবো ভূপা দেশেদেশে বভূবিরে। মন্ডলীকপদং তত্রাক্ষয়ং জাতং মহীতলে।।৬২।। ত্রিংশদব্দমতো জাতং গ্রামে গ্রামে নৃপে নৃপে তদা তু সকতলাদেবাঃ কৃষ্ণচতৈন্যমাযযুঃ।।৬৩।। যজ্ঞাংশশ্চ হরিঃ সাক্ষাজ জ্ঞাত্বা দুঃখং মহীতলে। মুহূর্তং ধ্যানমাগখ্য দেবান্ বচনমব্রবীৎ।।৬৪।।

    মহামৎস্য নামক তার মদপুত্র জাত হন। তিনি নিজ পিতার পদগ্রহণ করেছিলেন। এবং পাঁচবৎসর রাজত্ব করেন। সেই দুষ্টতালনের বংশে জাত হন এবং মহারাষ্ট্রের দ্বারা মারা যান। পুনরায় দেহলী নগরীতে মাধব দশবৎসর পর্যন্ত রাজত্ব করেন। সেখানে সেই সময় ম্লেচ্ছ আলোমা রাজ্য শাসন করেছিলেন। তার রাজ্যে নিজ দেশজ অনেক রাজা ছিলেন।। ৫৯-৬১।।

    গ্রামপালনকারী ভূপ দেশে দেশে জাত হন। এই মহীতলে সেখানে অক্ষয় মন্ডলীপদ সৃষ্টি হল।। গ্রামে গ্রামে এবং নৃপদের মধ্যে ত্রিশবসৎসরের ব্যতীত হয়েছিল। সেই সময় সমস্ত দেবগণ মহাপ্রভু কৃষ্ণ জৈচতন্যের কাঝে গিয়েছিল।। ৬২-৬৩।।

    পুরা তু রাঘবো ধীমাজ্জীত্বা রাবাণরাক্ষসম্। কপীনুজ্জীবয়ামাস সুধাবৰ্ষৈ সমস্ততঃ।।৬৫।। বিকটো বৃজিলো জালো বরলীনা হি সিংহলঃ। জবঃ সুমাত্রশ্চ তথা নাম্না তে ক্ষুদ্রবানরাঃ।।৬৬।। রামচন্দ্রং বচঃ প্রাহুদেহি নো বাঞ্ছিতং প্রভো। রামো দশরথিঃ শ্রীমাজ জ্ঞাত্বা তেষাং মনোরথম্।।৬৭ দেবাংগনোদ্ভবা কন্যা রাবনাল্লোকরাবণাৎ।

    দত্ত্বা তেভ্যো হরিঃ সাক্ষাদ্ বচনং প্রাহ হৰ্ষিতঃ।।৬৮।। ভগবান্নান্না চ মে দ্বীপা জালন্ধরবিনির্মিতাঃ। তেষু রাজ্ঞো ভবিষ্যন্তি ভবন্তো হিতকারিনঃ।।৬৯।। নন্দিন্যা গোশ্চরুন্ডাৎ বৈ জাতা ম্লেচ্ছা ভয়ানকাঃ। গুরুন্ডা তাতয়স্তেষাং তাস্তু তেষুসদা স্থিতাঃ।।৭০।। জিত্বা তাংশ্চ গুরুন্ডান্ বৈ কুরুধ্বং রাজ্যমুত্তমম্। ইতি শ্রুত্বা হরিং নত্বা দ্বীপেষু প্রযযুমুর্দা।।৭১।।

    যজ্ঞাংশ সাক্ষাৎহরি এই মহীতলে যে দুঃখ ছিল তা জেনে এক মুহুর্ত ধ্যান করে দেবগণকে বলেছিলেন- প্রথমে ধীমান রাক্ষস রাজ সরাবণকে জয় করে মৃতবানরদের সুধাদৃষ্টি দ্বারা উজ্জীবিত করেছিলেন। সেই বানরদের নাম বিকর বৃজিল জাল বরলীন সিংহল জব সুমাত্র এবং তারা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বানর ছিল। তাঁরা ভগবান্ রামচন্দ্রকে বললেন–হে ভগবান্, হে প্রভো, আপনি আমাদের বাঞ্ছিত বরদান দিন। দশরথপুত্র রামচন্দ তাদের মনোরথ জেনেছিলেন। লোকের জন্য ভয়ানক রাবণ দ্বারা এক দেবাঙ্গনা জাত হন। ভগবান্ শ্রীরামচন্দ্র তাকে দেখে পরমহর্ষিত হয়েছিলেন। সাক্ষাৎ হরি বললেন- আপনার নামে জ্ঞালঙ্কার দ্বারা নির্মিত দ্বীপে আপনাদের হিকারী রাজা জাত হবেন। নন্দিনী গৌ থেকে খন্ড ভয়ানক গুরুন্দ্র জাতির ম্লেচ্ছ জাত হন। তিনি দ্বীপে সদা স্থিত ছিলেন। আপনারা সেই গুরানোকে জয় করে সেখানে উত্তম রাজ্য করুন। শ্রীরামচন্দের কথা শ্রবণ করে তারা সকলে প্রসন্ন হয়ে সেখানে চলে গেলেন।। ৬৪-৭১।।

    বিকটান্ বয়সম্ভূতা গুরুন্ডা বানরাননাঃ। বাণিজ্যার্থমিহায়াতা গৌরুন্ডা বৌদ্ধমাগিঃ।।৭২।। ইশেপুত্রমতে সংস্থাস্তেষাং হৃদয়মুত্তমম্। সত্যব্ৰতং কামজিতমক্রোধং সূর্যতৎ পরম্।।৭৩।। যুয়ং তত্রোষ্য কার্যং চ নৃণাং কুরুতে মা চিরম্। ইতি শ্রুত্বা তু তে দেবাঃ কুর্যুরাচিকমাদরাৎ।।৭৪।। নগৰ্য্যাং কলিকাতায়াং স্থাপয়ামাসুরুদ্যতাঃ। বিকটে পশ্চিমেদ্বীপে তৎপত্নী বিকটাবতী।।৭৫।। অষ্টকৌশালমার্গেন রাজমন্ত্রং চাকার হ। তৎপতিত্ত্ব পুলোমাচিঃ কালিকাতাং পুরীং স্থিতঃ।।৭৬।। বিক্রমস্য গতে রাজ্য শতমষ্টদশং কলৌ। চত্বারিংশং তথাব্দং চ তদা রাজা বভূব হ।।৭৭।।

    বিকর বংশে জাত গুরন্দ বানর সমান মুখী ছিলেন। তিনি বানিজ্য করতে স্বয়ং সেখানে এসছিরেন এবং তিনি বৌদ্ধ ধর্ম বিশ্বাস করতেন।।৭২।।

    পুনরায় তিনি ইশুর মত সংস্থিত হলেন। তাঁর হৃদয় অত্যন্ত উত্তম ছিল। সত্যব্রত কামজয়ী ক্রোধরহিত এবং সূর্য তৎপর ছিলেন। আপনি সেখানে বাস করে মনুষ্যকার্য করুন। এখন বিলম্ব করবেন না। একথা শ্রবণ করে তারা দেবকে আদর অর্চিক করলেন।। ৭৪।।

    কলিকাতা নগরী স্থাপন করতে উদ্যত হলেন। পশ্চিমদ্বীপে বিকর রাজত্ব করতেন, তার পত্নী বিকটাবতী।। ৭৫।।

    তিনি অষ্ট মার্গ থেকে রাজ মন্ত্র করেছিলেন। তার পতি পুলোমার্চি কলিকাতা পুরীতে স্থিত ছিলেন।। ৭৬।।

    কলিযুগে বিক্রমের রাজ্য অষ্টাদশ শত চল্লিশ বর্ষ হলে তিনি রাজা হন।। ৭৭।।

    তদন্বয়ে সপ্তনৃপা গুরুন্ডাশ্চ বভূবিরে। চতু ক্ষাষ্টিমিতং বর্ষং রাজ্যং কৃত্বালয়ং গতাঃ।।৭৮।। গুরুন্ডে চাষ্টমে ভূপে প্রাপ্তেন্যায়েন শাসতি। কলিপক্ষো বলিদৈত্যো মুরং নাম মহাসুরম্।।৭৯।। আরুহ্য প্রেষয়ামাস দেবদেশে মহোত্তম। স মুরো বার্ডিলং ভূপং বশীকৃত্য হৃদি স্থিতঃ।।৮০।। আর্যধর্মবিনাশায় তস্য বুদ্ধিং চকার হ। মূর্তিং সংস্থাস্তদা দেবাগত্যা যজ্ঞাংশযোগির্ণম্।।৮১।। নমস্কৃত্যা ব্রৃবসর্বে যথা প্রাপ্তো মুরোহ সুরঃ। জ্ঞাত্বা শশাপ কৃষ্ণাংশো গুরুন্ডান্ বৌদ্ধমার্গিণঃ।।৮২। ক্ষয়ং মাস্যন্তি তে সর্বে মুরস্য বশং গতাঃ। ইত্যুক্তে বচনে বস্মিন্ গুরুন্ডাঃ কালনোদিতাঃ।।৮৩।। স্বসৈন্যৈশ্চ ক্ষয়ং জবর্যমাত্রান্তরে খলাঃ। সর্বে ত্রিংশৎ সহস্রাশ্চ প্রযযুযমমন্দিরে।।৮৪।।

    সেই বংশে সাতগুরুন্দ নৃপ ছিলেন। ৬৪ বৎসর পরিমাণ পর্যন্ত রাজ্য করে সবলয় প্রাপ্ত হল। গুরুন্দ পর্যন্ত আট জন রাজা হওয়ার পর ন্যায়ানুসারে শাসনকারী কলিপক্ষে বলি দৈত্য সুর নামক মহাসুরকে আরোহণ করে তাকে দেবদেশে পাঠিয়েছিলেন। সেই সুর বার্ডিল ভূপতিকে নিজ বশে নিয়ে এসে তার হৃদয়ে স্থিত হন। আর্যধর্ম বিশেষ রূপে নষ্টকারী বুদ্ধি তিনি করলেন। সেই সময় মূর্তিতে সংস্থিত দেবগণ যজ্ঞাংশ যোগীর কাছে গেলেন।।৭৮-৮১।।

    তারা সকলে যজ্ঞাংশকে প্রণাম করে সুর অসুরের সকল কথা বললেন। কৃষ্ণাংশ সকল বৃত্তান্ত জ্ঞাত হয়ে বৌদ্ধ মাৰ্গানুসারে গুনুন্ডকে শাপ দিলেন। যেসকল সুর অসুরের বশে চলেগেছে তারা সকলে ক্ষয় প্রাপ্ত হবে। তারা এই কথা শ্রবণ করে কাল দ্বারা প্রেরিত খল গুরুন্ড নিজ সেনাগণের সাথে এক বর্ষের মধ্যে ক্ষয় প্রাপ্ত হলেন। তারা ত্রিশ সহস্র যমরাজ মন্দিরে চলে গেলেন।। ৮২-৮৪।।

    বাগন্ডৈঃ স চ ভূপালো বার্ডিলো নাশমাপ্তবান্। গুরুন্ডো নবমঃ প্রাপ্তো ভেকলো নাম বীর্যবান্।।৮৫।। ন্যায়েন কৃতবান্ রাজ্যং দ্বাদশাব্দং প্রযত্নতঃ। আর্যদেশ চ তদ রাজ্যং বভূব ন্যায়শাসতি।।৮৬।। লার্ডলো নাম বিখ্যাতো গুরুন্ডো দশমোহিতঃ। দ্বাত্রিংশাব্দং চ তদ রাজ্যং কৃতং তেনৈব ধর্মিণা।।৮৭। লার্ডলে স্বগর্তে প্রাপ্তে মকরন্দকুলোদ্ভবাঃ। আর্যাঃ প্রাপ্তস্তদা মৌনা হিমতুংগনিবাসিনঃ।।৮৮।। বহুবর্ণাঃ সূক্ষ্মনসৌ বর্তুলা দীর্ঘমস্তকাঃ। এবং লক্ষণশ্চ সংপ্রাপ্তা দেহল্যাং বৌদ্ধমার্গিণঃ।।৮৯। আর্জিকো নাম বৈ রাজা তেষাং তত্র বভূব হ। তস্য পুত্রো দেবকনো গংগোত্রগিরি মর্দ্ধনি।।৯০।। দ্বাদশাব্দং তপো ঘোরং তেপে রাজ্যবিবৃদ্ধয়ে। তদা ভগবতী গংগা তপসা তস্য ধীমতঃ।।৯১।।

    সেই বার্ডিল রাজা বাগদন্ডের দ্বারা নাশ প্রাপ্ত হলেন। এরপর নবমগুরুন্ড ভেকল চন্ডবীর্যবান ছিলেন। তিনি ন্যায়ানুসারে ১২ বৎসর পযূত রাজ্য মাসন করেন। আর্যদেশে ন্যায় শাসিত রাজ্য হয়েছিল।। ৮৫-৮৬।।

    দশমগুরুন্ড পরম হিতকারী লার্ডল নামে বিখঅত ছিলেন। সেই ধর্মাত্মা ও ৩২ বৎসর পর্যন্ত সেখানে রাজ্য শাসন করেন। লার্ডল স্বর্গে গমন করলে মকরন্দ সেই বংশে জাত হন। তিনি মৌন ও হিমতুঙ্গ বাসী ছিলেন। তিনি বক্রবর্ণ, ছোট নাকযুক্ত বৌদ্ধমার্গানুরাগী গেহলীতে ছিলেন। সেখানে তাদের আর্চিক নামক রাজা ছিলেন। তাঁর পুত্র দেবকর্ণ গংপোত্র গিরিশি ঘরে ছিলেন।। ৮৭-৯০।।

    স্বরূপং স্বেচ্ছয়া প্রাপ্য ব্রহ্মলোকং জগাম হ। কুবেরশ্চ তদাগত্য দত্ত্বা তস্মৈ মহৎ পদম্।।৯২।। আর্মাণাং মন্ডলীকং চ তত্রৈবান্তরধীয়ত।। মন্ডলীকো দেবকনো বভূব জনপালকঃ।।৯৩।। ষষ্টয়ষ্ঠং চ কৃতং রাজ্যং তেনরাজ্ঞা মহীতলে। তদন্বয়েহষ্ট ভূপাশ্চ বভূবুদেবপূজকাঃ।।৯৪।। দ্বিশতাব্দং পদং কৃত্বা স্বৰ্গলোকমুপাযযুঃ। একাদশশ্চ যো মৌনঃ পত্রগারিরিতি শ্রুতঃ।।৯৫।। চত্বারিংশচ্চবর্ষানি রাজ্যং কৃত্বা প্রযত্নতঃ। স্বর্গলোকং গতো রাজা পন্নগৈমরণং গতঃ।।৯৬।। এবং চ মৌনজাতীয়ৈ কৃতং রাজ্যং মহীতলে।।৯৭।।

    সেখানে সেই পর্বত চোটীতে নিজরাজ্য বিশেষ বৃদ্ধির জন্য ১২ বর্ষ ঘোর তপস্যা করেছিলেন। তখন তার তপস্যাতে ভগবতী গংগা তুষ্ট হন। তখন তিনি নিজ ইচ্ছাতে স্বরূপ প্রাপ্ত হয়ে ব্রহ্মলোকে চলে যান। সেই সময় কুবের এসে তাকে আর্যগণের মন্ডলীক মহৎপদ প্রদান করেন। তখন মন্ডলীক দেবকর্ণ জনপালক হয়েছিলেন। সেই রাজা ৭ বর্ষ পর্যন্ত মহীতলের রাজত্ব করেন। তার বংশে ৮ রাজা অনেক দেব পূজা কারী ছিলেন। তারা সকলে ২০০ বছর নিজ পদ প্রাপ্ত হয়ে স্বর্গলোকে চলে যান। একাদশ যিনি মৌন ছিলেন তিনি পন্নগারি নামে প্রসিদ্ধ হন।। তিনি ৪০ বছর রাজ্যসুখ উপভোগ করেন এবং প্রযত্নের সঙ্গে রাজ্য শাসন করে পন্নগগনের সঙ্গে স্বর্গলোকে চলে যান।। এই প্রকারে মৌন জাতি গণ এই মহীতলে রাজত্ব করেন।। ৯১-৯৭।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত
    Next Article দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }