Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)

    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস এক পাতা গল্প707 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ধাতুগত বিষ লক্ষণ সমূহ

    ।। ধাতু গতবিষলক্ষণানি।।

    সবিষা দংষ্টয়োমধ্যে যমদূতী তু বৈ ভবেৎ। ন চিকিসা বুধৈঃ কার্যাতং গতায়ুং বিনির্দিশেৎ।।১।। প্রহরাধং দিবারাত্রবেকৈকং ভুজ্ঞতে বহিঃ। একস্য চ সমানং চ দ্বিতীয়ং ষোড়শং তথা।।২।। নাগোদয়ো সমুদ্দিশ্য হতো বিদ্ধো বিদারিতঃ। কালদষ্টং বিজানীয়াৎকস্যপস্য বচো যথা।।৩।। যন্মাত্রং পত্ততে বিদুবালাগ্রং সলিলোদধৃতম্। তন্মাত্রং সবতে দ্রংষ্টা বিযং সর্পস্য দারুণম্।।৪।। নাড়ীশতে তু সম্পূর্ণে দেহে সংক্ৰমতে বিযম। সাবৎসংক্রাময়েদ্বাহুং কুঞ্চিতং বা প্রসারয়েৎ।।৫।।

    ।। ধাতুগত বিষলক্ষণ।।

    দশনের মধ্যে সবিষ অর্থাৎ বিষযুক্ত যে দশন তা যমদূতী হয়। তার চিকিৎসা জ্ঞানী জনের কখনও করা উচিত নয়। ঐ দাঁত দিয়ে যাকে কেটেছে তার আয়ুসমাপ্ত হয়ে যাবে তা নির্দিষ্ট করা উচিত।।১।।

    দিন রাতে অর্ধেক প্রহর পর্যন্ত এক এক’কে বাহির ভোগ করতে হয়। সেই ভাবে একের সমান দ্বিতীয় এবং য়োড়শ হয়।।২।।

    নাগাদি যাকে উদ্দেশ্য করে কামড়ায় সে হতবিদ্ধ এবং বিদারিত হয়। এই পুরুষকে তো কাল দ্বারা দষ্ট বুঝতে হবে। কাশ্যপের এই কথা সত্য।।৩।।

    জল দ্বারা উদ্ধৃত চুলের অগ্রভাগ থেকে যতটা জলবিন্দু পড়ে সাপের দাঁত ততটাই দারুন বিষ স্রবণ করে।।৪।।

    বাহু সংক্রমণ বা আকুঞ্চল-প্রসারণের অল্প সময়েই শত নাড়ীযুক্ত সম্পূর্ণ শরীরে ঐ বিষ সংক্রামিত হয়ঃ ৫।।

    অনেন ক্ষনমাত্রেণ বিযং গচ্ছতি মস্তকে। বেপতে বিযবেগে তু শতশোহ্য সহস্রশঃ।।৬।। বর্ধতে রক্তমাসাদ্য ততো বা তৈঃ শখী যথা। তৈলবিন্দুজলং প্রাপ্য যথা বেগেন বৰ্ধতে।।৭।। শিখন্ডী আশ্রয়ং প্রাপ্য যথা মারুতেন সমীরিতঃ। ততঃ স্থানশতং প্রাপ্য ত্বচাস্থানঃ বিচেষ্টিতম্।।৮।। ত্বচাসু দ্বিগুণং বিদ্যাচ্ছোনিতে চতু গুণম্। পিত্তে তু ত্রিগুণং যাতি শ্লেষ্মে বৈ যোড়শং ভবেৎ।।৯। বায়ো ত্রিংশদূগুণং চৈব মজ্জাষষ্টিগুণং তথা। প্রাণো চৈকাণবীভূতে সর্বগাত্রানিসন্ধয়েৎ।।১০।। শ্রোত্রে নিরুদ্ধমানে চ যাতি দষ্টসাধ্যতাম। ততোহসৌ ম্রিয়তে জন্তুনিঃশ্বাসোচ্ছবাসবজিতঃ।।১১

    এর থেকে এক মুহূর্তে বিষ মস্তকে চলে যায়। বিষের বেগে মানুষ শত- সহস্রবার কম্পিত হয়।।৬।।

    বায়ুর দ্বারা এক ময়ুরের সমান ঐ বিষ রক্ত পেয়ে বেড়ে যায় যেমন ভাবে তৈলবিন্দু জলে পড়ে জলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।।৭।।

    বায়ুতাড়িত শিখন্ডী আশ্রয়প্রাপ্ত হয়ে যেমন শতস্থানের প্রাপ্তি করে তেমনই বিষ ত্বকে প্রভাব বিস্তার করে।।৮।।

    চামড়ায় দ্বিগুণ জানতে হবে এবং রক্তে চতুর্গুণ হয়ে যায়। পিত্তে তিনগুণ হয় এবং কফে ষোড়শগুণ হয়।।৯।।

    বায়ুতে যখন বিষ পৌঁছে যায় তখন তা ত্রিশগুণ এবং মজ্জাতে ষাট গুণ হয়ে যায়। একার্ণবীভূত প্রাণে পৌঁছানোর পর সমস্ত গাত্রকেপীড়িত করতে লাগে।।১০।।

    কর্ণ নিরুধ্যমান হয়ে গেলে দষ্ট পুরুষ সাধ্যায়ত্ত দশায় পৌঁছে যায়। এরপর ঐ জীব প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গিয়ে মারা যায়।।১১।।

    নিষ্ক্রান্তে তু ততো জীবো ভূতে পঞ্চত্ব মাগতে। তানি ভূতানি গচ্ছন্তি যস্যযস্য যথাতথম।।১২।। পৃথিব্যাপস্তথা তেজো বায়ুরাকাশমেব চ। ইত্যেযামের সংখাতঃ শরীর মভিধীয়তে।।১৩।। পৃথিবী পৃথিবীং যাতি তোয়ং তোয়েষু লীয়তে। তেজো গচ্ছতি চাদিত্যং মারুতো মারুতং ব্রজেৎ।।১৪ আকাশং চৈব মাকাশে সজ তেনৈব গচ্ছতি। স্বস্থানং তে প্রপদ্যন্তে পরস্পরনিয়োজিতাঃ।।১৫।। ন জীবেদাগতঃ কশ্চিদিহ জন্মনি সুব্রত। বিযাতং ন উপেক্ষেত ত্বরিতং তু চিকিৎসয়েৎ।।১৬।। একমস্তি বিযং লোকে দ্বিতীয়ং চোপপদ্যতে। যথা নানাবিধং চৈব স্থাবরং তু তথৈব চ।।১৭।।

    জীবাত্মা বেরিয়ে যাবার পর এবং ভূতের পঞ্চত্ব প্রাপ্তির পর এই পাঁচ ভূত যার যার স্থানে বিলীন হয়।।১২।।

    পৃথিবী, জল, তেজ, বায়ু এবং আকাশ —এই পাঁচটির যে একত্র সংঘাত হয় তাই শরীর নামে অভিহিত হয়।।১৩।।

    পৃথিবী পৃথিবীতে যায়, জল জলে মিশে যায়, তেজ সূর্যে চলে যায়, বায়ু বায়ুতে মিলে যায় এবং আকাশ মহাকাশে মিশে যায়। জীবাত্মার সাথেই পরস্পরের জন্য নিয়োজিত ভূতবৃন্দ নিজ নিজ স্থানে গিয়ে বিলীন হয়।।১৪-১৫।।

    হে সুব্রত! এ জন্মে কেউই এসে ইহসংসারে সর্বদা জীবিত থাকতে পারে না। ইহা বুঝে বিষ দ্বারা আক্রান্ত মানবের কখনও উপেক্ষা করা উচিত নয় এবং শীঘ্রই তার চিকিৎসা অবশ্য করতে হবে।।১৬।।

    এই বিষ একজনের হয় এবং অপরেরও তা প্রাপ্তি হয়। এই প্রকারে এই বিষ স্থাবর এবং নানা প্রকারের হয়।।১৭।।

    প্রথমে বিযবেগে তু রোমহষোহ ভিজায়তে। দ্বিতীয়ে বিষবেগে তু স্বেদোগাত্রেষু জায়তে।।১৮।। তৃতীয়ে বিযবেগে তু কম্পো গাত্রে জায়তে। চতুর্থে বিষবেগে তু শ্রোত্রান্তরনিরোধকৃৎ।। ১৯।। পঞ্চমে বিযবেগে তু হিক্কা গাত্রেষু জায়তে। ষষ্ঠে চ বিষবেগে তু প্রাণোভ্যোঽপি প্রমুচ্যতে।।২০।। বচঃ স্থানে বিষে প্রাপ্তে তস্য রূপানি মে শৃণু। অংগানি তিমিরায়ন্তে তপন্তে চ মুহুর্মুহঃ।।২১।। এতানি সস্য চিহ্নানি তস্য ত্বচি গতং বিযম্। তস্যাগদং প্রবক্ষামি যেন সম্পদ্যতে সুখম্।।২২।। অর্কমূলমপার্মাগ প্রিয়ংগুং তগরং তথা। এতদালোড়া দাতব্যং ততঃ সংপদ্যতে সুখম্।।২৩।।

    প্রথম বিষের বেগে রোমহর্ষ হয়, দ্বিতীয় বিষের বেগে শরীরে ঘাম হয়, তৃতীয় বিষের বেগে হয় শরীরের কম্পন, চতুর্থ বিষের বেগে শ্রোত্রান্তরের নিরোধ হয়ে যায়।।১৮-১৯।।

    পঞ্চম বিষের বেগ হলে শরীরে হিক্কা শুরু হয়। ষষ্ঠ বিষের বেগে মানুষ নিজের প্রাণ থেকেও বিমুক্ত হয়ে যায়। এই বিষ সাত ধাতুতে পৌঁছে যায় এমনভাবে যেমন বৈনতেয় বলেছিলেন।।২০।।

    বাণীস্থানে বিষ প্রাপ্ত হবার পর তার রূপ আমার থেকে শোনো। ওই সময় সমস্ত অঙ্গ তিমিরময় হয়ে যায় এবং বারবার তপ্ত হয়।।২১।।

    যার এইসব চিহ্ন (লক্ষণ) হয় তার ত্বক বিষযুক্ত। তার ঔষধ সম্পর্কে বলবো যার দ্বারা সুখ সম্পন্ন হয়।।২২।

    অর্কমূল, অপামার্গ, প্রিয়ংগু এবং তগর এই সবগুলি আলোড়িত করে দষ্টকে দিতে হবে। এতে সুখ উৎপন্ন হবে।।২৩।।

    ততস্তস্মিনকৃতে বিপ্র নিবতেণ চেদ্বিংমম্। ত্বচঃ স্থাণং ততো ভিত্তা রক্তস্থাণং প্রধাবতি।।২৪।। বিযে চ রক্তং সম্প্রাপ্তে তস্য রূপানি মে শৃণু। দহ্যতে মুহ্যতে চৈব শীতলং বহু মন্যতে।।২৫।। এতানি যস্য রূপানি তস্য রক্তগতং বিযম্। তত্রাগদং প্রবক্ষানি যেন সম্পদ্যতে সুখম্।।২৬।। উশীরং চন্দনং কুষ্টমুৎপলং তগরং তথা। মহাকালস্য মূলানি সিন্দুবাহন গস্য চ। হিংগুলং মরিচং চৈব পূর্ববেগে তু দাপয়েৎ।।২৭।। বৃহতী বৃশ্চিকা কালী ইন্দ্রবারুণি মূলকম্। সপ্তগন্ধঘৃতং চৈব দ্বিতীয়ে পরিকীর্তিতম্।।২৮।। সিন্দুবারং তথা হিংগু তৃতীয়ে কারয়েদবুধঃ। তস্য প্ৰাণং চ কুবীত অঞ্জনং লেপনং তথা।।২৯।।

    হে বিপ্র! এই প্রকারে করার পর বিষ নিবৃত্ত গেলেও তবে আবার ত্বক ভেদ করে রক্তে তা পৌঁছাতে পারে।।২৪।।

    যখন বিষ রক্তে পৌঁছে যায় তখন তার যে রূপ হয় সেইরূপ এখন তুমি আমার থেকে শ্রবণ করো। সে দাহযুক্ত এবং মোহাচ্ছন্ন হয়ে যায় এবং শীতলতা কামনা করে।।২৫।।

    এই যার রূপ তার বিষ রক্তগত হয়ে যায়। সেই সময়ের ঔষধ বলছি যার দ্বারা সুখ সম্পাদিত হয়।।২৬।।

    উশীর, চন্দন, কুষ্ঠ, উৎপল, তগর, মহাকালের মূল এবং সিন্ধুবার নগের মূল, হিংগুল, মরিচ এই সব দিতে হবে কিন্তু পূর্ববেগে দেওয়া উচিত।।২৭।। দ্বিতীয় বেগে বৃহতী, বৃশ্চিকা, কালী, ইন্দ্র-বারুণীর মূল এবং সপ্তগন্ধ ঘৃত এই দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।।২৮।।

    তৃতীয় বেগেজ্ঞানী পুরুষদের সিন্ধুবার এবং হিঙ্গু করাতে হবে। তা পান করতে হবে এবং অঞ্জন লেপন করতে হবে।।২৯।।

    এতেনৈবোপচারেণ ততঃ সম্পদ্যতে সুখম্। রক্তস্থানং ততো গত্বা পিত্তস্থানং প্রধাবতি।।৩০।। পিত্তস্থানগতে বিপ্র বিমরূপানি মে শৃণু। উত্তিষ্ঠতে নিপততেদহ্যতে মুহ্যুতে তথা।।৩১।। গত্ৰাতঃ পীতকঃ স্যাদ্বৈ দিশঃ পশ্যতি বিজানতে। বিষক্রিয়াং তস্য কুৰ্যাদ্যয়া সম্পদ্যতে সুখম্।।৩২।। পিত্তস্থানমতিক্রয্য শ্লেষ্মস্থানং চ গচ্ছতি।।৩৩। পিপপল্যো মধুকং চৈব মধুখন্ডং ঘৃতং তথা। মধুসারমলাবূং চ জাতিং শংকর বালুকাম্।।৩৪।। ইন্দ্র বারু নিকামূলং গবাং মূত্রেণ পেষয়েৎ। নস্যং তস্য প্রযুজ্ঞীত পানমালেপনাজ্ঞণম। এতেনৈবোপচারেন ততঃ সম্পাদ্যতে সুখম্।।৩৫।।

    এই উপাচারেই আবার সুখ উৎপন্ন হব। এরপর রক্তে পৌঁছে আবার ঐ বিষ পিত্তস্থানে ধাবন করে।।৩০।।

    হে বিপ্ৰ! যখন বিষ পিত্তস্থানে পৌঁছায় তখন বিষের যে রূপ হয় তা আমার কাছ থেকে শোনো। দষ্ট ব্যক্তি কখনও উঠে দাঁড়ায়, কখনও নিচে পড়ে যায়। তার সমস্ত শরীর দাহ এবং মোহপ্রাপ্ত হয়ে যায় অর্থাৎ অচৈতন্য হয়ে যায়।।৩১।।

    সে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সমস্ত দর্শনীয় বস্তুকে হলুদ দেখে। তার বড় রকম মোহগ্রস্ততা হয় যার ফলে স্বয়ং নিজেকে জানতে পারেনা। ঐ সময় তার বিষের দমনের কাজ করতে হবে যাতে সুখ উৎপন্ন হয়।।৩২।।

    পিত্তস্থান অতিক্রম করে আবার ঐ বিষ কফস্থানে চলে যায়।।৩৩।।

    পীপল, মধুক, মধুসার, ঘৃত, মধুসার, অলাবু, জাতিশঙ্কর, বালুকা এবং ইন্দ্রবারুণীর মূল–এই সব গরুর প্রস্রাব দিয়ে পেষণ করাতে হবে।।৩৪।।

    ওর নস্য-এর প্রয়োগ করতে হবে এবং পান, আলেপন ও অঞ্জনও করতে হবে। এই সব থেকে সুখ উৎপন্ন হব।।৩৫।।

    শ্লেযমস্থানং ততঃ প্রাপ্তে তস্য রূপানি মে শূনু। গাত্রানি তস্য রুধ্যন্তে নিঃশ্বাসশ্চ ন জায়তে। লালা চ সবতে তস্য কন্টো ঘুরু ঘুরায়তে।।৩৬। এতান্ যস্য রূপানি তস্য শ্লেযমগতং বিষম্। তস্যাগদং প্রবক্ষামি যেন সম্পদ্যতে সুখম্।।৩৭।। ত্রিকটুকী শ্লেষ্মাতকো লোঘ্রংচ মধুসারকম্। এতানি সমভাগানি গবাং মূত্রেণ প্রেষয়েৎ।।৩৮।। তস্য প্রাণং চ কুবীত অঞ্জনং লেপণং তথা। এতেনৈবোপচারেন ততঃ সম্পদ্যতে সুখম্।।৩৯।। শ্লেষ্ম স্থানমতিক্রম্য বায়ুস্থানং চ গচ্ছতি। তত্র রূপানি বক্ষামি বায়ুস্থানগতে বিষে।।৪০ । আত্মায়তে চ জঠরং বান্ধবাংশ্চ ন পশ্যতি। ইদৃশং কুরুতে রূপং দৃষ্টিভংগশ্চ জায়তে।।৪১।।

    বিষ যখন শ্লেষাস্থানে পৌঁছাবে তখন বিষের প্রভাবে যে রূপ হবে তা আমি এখন বলছি, তুমি শ্রবণ করো। ওই সময় দষ্ট ব্যক্তির গাত্র রুদ্ধ হয়ে যাবে এবং নিঃশ্বাস নিতে পারবে না। তার মুখ থেকে লালা পড়বে এবং কণ্ঠ থেকে ঘরঘর শব্দ হবে।।৩৬।।

    এই প্রকার রূপ যার হয় তার শ্লেষ্মা বিষপ্রাপ্ত হয়েছে। তার ঔষধ এখন আমি বলবো যা করলে সুখ উৎপন্ন হবে।।৩৭।।

    শ্লেষ্মাতক, ত্রিকুটী, লোধ, মধুমারক এই সব বস্তুর সমভাগ নিয়ে গরুর মূত্রের সাথে পেষণ করতে হবে। এটি পান করতে হবে এবং এর অঞ্জন লেপনও করতে হবে। এসব করলে সুখ উৎপন্ন হব।।৩৮-৩৯।।

    শ্লেষ্মাস্থান অতিক্রম করে আবার বিষ বায়ুস্থানে পৌঁছায়। বায়ুস্থানে বিষ পৌঁছানোর পর তার রূপ কেমন হবে তা আমি এখন বলবো।।৪।।

    ঐ অবস্থায় পেট আধ্যায়মান হয়ে যায় এবং ঐ ব্যক্তি নিজ বন্ধনকেও দেখতে পায় না। এই প্রকার রূপ ঐ বিষ করে দেয় এবং তার দৃষ্টি ভঙ্গও হয়ে যায়।।৪১।।

    এতানি যস্য রূপানি তস্য বায়ুগতং বিষম। তস্যাগতং প্রবক্ষামি যেন সম্পাদ্যতে সুখম্।।৪২।। শোণামূলং প্রিয়ালং চ রক্তং চ গজপিপ্পলূম্। ভাঙ্গী বচাং পিপ্পলীং চ দেবদারুং মধুকরম্।।৪৩।।

    মধুকসারং সহসিন্দুবারং হিংগুং চ পিষ্টাগুটিকাং চ কুর্যাৎ। দদ্যাচ্চ তস্যাজনলেপনাদি এ যোহগদঃ সর্পবিযানি হন্যাৎ।।৪৪।। অঞ্জনং চৈব নস্যং চ ক্ষিপ্ৰং দদ্যাদ্বিযান্বিতে। বায়ুস্থানং ততোমুক্তা মজ্জাস্থানং প্রধাবতি।।।৪৫।। বিযে মজ্জাগতে বিপ্র তস্য রূপানি মে শুনু। দৃষ্টিশ্চ হীয়তে তস্য ভূশমংগানি মুঞ্চতি।।৪৬।। এতানি যস্য রূপানি তস্য মজ্জাগতং বিযম। তস্যাগদং প্রবক্ষামি যেন সম্পাদ্যতে সুখম্।।৪৭।।

    এই লক্ষণ যার প্রকাশ পায় তার বুঝে নেওয়া উচিত যে বিষ বায়ুস্থানে পৌঁছে গেছে। এখন তার ঔষধও বলে দেব যার দ্বারা সুখ উৎপন্ন হবে।।৪২।।

    শোনামূল, প্রিয়াল, রক্ত, গজ, পিপ্পলী, ভারঙ্গী, বচ, পীপল, দেবদারু, মধূকক, মধুকসার, সহসিন্ধু, শর এবং হিং এই সবগুলি পেষণ করে গুচিকা . তৈরী করতে হবে এবং থেকে হবে এবং এর কাজল লেপনও করতে হবে। এটি এমনই ঔষধ যে সবরকম বিষ হনন করতে পারে।।৪৩-৪৪।।

    এর অঞ্জন এবং নস্য বিষান্বিতকে খুব তাড়াতাড়ি দেওয়া উচিত। ঐ বিষ না হলে বায়ু স্থান ছেড়ে মজ্জায় প্রবেশ করবে।।৪৫।।

    হে বিপ্ৰ! বিষ মজ্জাগত হলে যে রূপ প্রকট হয় তা আমার থেকে শোনো। তার দৃষ্টি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায় এবং অনেক অঙ্গ বিকশ হতে থাকে।।৪৬।।

    এই প্রকার লক্ষণ যার দেখা যায় তার বিষ মজ্জাগত হয়েছে বুঝতে হবে। এখন ঐ অবস্থার যে ঔষধ আছে তার বর্ণনা করছি। যা করলে সুখ

    ঘৃতমধুশর্করান্বিত মুশীরং চন্দনং তথা। এতাদালোড়া দাতব্যং পানং নস্যং চ সুব্রত।।৪৮।। ততঃ প্রণশ্যতে দঃখং ততঃ সম্পাদ্যতে সুখম্। অথ তস্তিণকৃতে যোগে বিযং তস্য নিবতর্তে।।৪৯। মজ্জাস্থানং ততো গত্বা মর্মস্থানং প্রধাবতি। বিযে তু মম সম্প্রাপ্তে শৃণু রূপং যথা ভবেৎ।।৫০।। নিশ্চেষ্টঃ পততে ভূমৌ কর্ণাভ্যাং বধিরো ভবেৎ। বারিণা সিচ্চ মাণস্য রোমহযো ন জায়তে।।৫১।। দন্ডেন হন্য মানস্য দন্ডরাজী ন জায়েত। শস্ত্রেণচ্ছিমাণস্য রুবিরং ন প্রবতর্তে।।৫২।। যস্য কর্ণো চ পাশ্চে চ হস্তপাদং চ সন্ধয়ঃ। শিথিলানি ভবন্তীহ স গতাসুরিতি শ্রুতিঃ।।৫৩।।

    ঘৃত, মধু, শর্করা দিয়ে যুক্ত উশীর এবং চন্দন মেশাতে হবে। হে সুব্রত! তা পান এবং নস্য রূপেও নিতে হবে।।৪৮।।

    এগুলি করলে দুঃখ দূর হয়ে যাবে এবং আবার স্বাস্থ্যসুখ উৎপন্ন হবে। এই প্রকারে এই যোগ করলে পীড়িতের বিষ দূর হয়ে যাবে।।৪৯।।

    মজ্জা স্থান থেকে গিয়ে আবার ঐ বিষ মর্মস্থানর দিকে ধাবিত হয়। যখন ঐ মর্মস্থানে পৌঁছায় তখন তার যে দশা হয় তা শ্রবণ করো।।৫০।।

    সেই ব্যক্তি চেষ্টাহীন হয়ে ভূমিতে পড়ে যায় এবং কর্ণ বধির হয় যায়। ওই অবস্থায় তার উপর জলের ছিটে দিলেও তার রোমাঞ্চ হয় না।। ৫১।।

    যদি তাকে দন্ড দিয়ে আঘাত করা হয় তবে তার শরীরে দন্ডের দাগ পড়ে না, যদি কোন অস্ত্র দিয়ে আঘাত হয় তব তার শরীর থেকে রক্তও পড়ে না।।৫২।।

    যদি তার কেশও মুষ্টি করে ধরা হয় তাহলেও তার কোনও অনুভব হবে না। যার কান, পার্শ্বদেশ, হাত, পা এবং সমস্ত সন্ধি শিথিল হয়ে যায় এবং এখানে তাকে মৃত বলে মনে করা হয়।। ৫৩।।

    এতানি যস্য রূপানি বিপরীতানি গৌতম। মৃতং তু ন বিজানীয়াৎ কশ্যপস্য বচোযৰ্থা।।৫৪।। বৈদ্যাস্তস্য ন পশ্যন্তি যে ভবন্তি কুশিক্ষিতাঃ। বিচক্ষণাস্তু পশ্যন্তি মন্ত্রৌ সাধকমন্বিতাঃ।।৫৫।। তস্য গদং প্রবক্ষামি স্বয়ং রুদ্রেণ ভাষিতম্। ময়ূরপিতং মার্জারপিতং গন্ধনাড়ীমূলমেব চ।।৫৬।। কুক্কুমং তগরং কুষ্ঠং কাসমদত্বচং তথা। উপলস্য চ কিংজলকং পদ্মস্য কুমুদস্য চ।।৫৭।। এতানি সমভাগানি গোমূত্ৰেন তু পেষয়েৎ। এমোহগদো যস্য হস্তে দষ্টো ন ম্রিয়তে স বৈ। কালাহিনাপি দষ্টেন ক্ষিপ্রং ভবতি নির্বিযঃ।।৫৮।। ক্ষিপ্রমেব প্রদাতব্যং মৃতসজ্ঞবনৌষধম। অঞ্জনং চৈব নস্যং চ ক্ষিপ্ৰং দদ্যাদ্বিচক্ষণঃ।।৫৯।।

    হে গৌতম! যার এর পুরোপুরি বিপরীত রূপ হয় তাকে মৃত নয় এরূপ বুঝে নিতে হবে কেননা কশ্যপ মুণি এরকমই বলেছেন।।৫৪।।

    যে বৈদ্য এই কথা বুঝতে পারে না, সে কুশিক্ষিত, যে বিচক্ষণ বৈদ্য হয় এবং মন্ত্র ও ঔষধ জানে সে এই অবস্থাকে ভালভাবে দেখেন।।৫৫।।

    এখন আমি এই দশায় (অবস্থায়) যে ঔষধ আছে তা বলছি। যা কিনা স্বয়ং ভগবান রুদ্র বলেছিলেন।।৫৬।।

    ময়ূরের পিত্ত, বেড়ালের পিত্ত, গন্ধনাড়ীর মূল, কুমকুম, তগর, কুষ্ঠ, কাসমর্দের ছাল, পদ্মের এবং কুমুদের কিঞ্জল্ক এই সমস্ত বস্তু সমান ভাগে নিয়ে গোমূত্রের সাথ সবগুলি পেষণ করতে হবে। এই ঔষধ যার হাতে থাকবে সে দষ্ট ব্যক্তিও মারা যাবে না। সে শীঘ্রই বিষহীন হয়ে যাবে।।৫৭-৫৮।।

    যে মৃতসঞ্জীবনী ঔষধ আছে তাকে শীঘ্র দিত হবে। এর অঞ্জন এবং নস্যও বিচক্ষণ বৈদ্য তাকে শীঘ্র তাকে দেবেন।।৫৯।।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত
    Next Article দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }