Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভালোবাসি তোমাকেই – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভালোবাসি তোমাকেই – ২

    ২

    তন্ময় মাকে অত্যন্ত ভালবাসে। এত ভালবাসে যা আজ কালের ছেলেমেয়েরা বিশ্বাস করাতো দূরের কথা, কল্পনাও করতে পারবে না। তার ধারণা, যে মেয়েকে বিয়ে করবে, সে যদি কোনো কারণে মায়ের মনে ব্যথা দেয়, তা হলে তা সহ্য করা তার পক্ষে সম্ভব হবে না। ফলে তাদের দাম্পত্য জীবন যেমন অশান্তিময় হয়ে উঠবে তেমনি মাও অশান্তি পাবে। তাই সে বিয়ে করতে চায় না। তার উপর বন্ধু রাসেলের বিবাহিত জীবন অশান্তিময় জানার পর থেকে তার ঐ ধারণা আরো দৃঢ় হয়েছে। সেই জন্যে যখন তার মা বিয়ের কথা তুলল, তখন সে তার মতামত জানাল। মায়ের কাছ থেকে নিজের রুমে এসে ঐ সব ভাবতে ভাবতে এক সময় ঘুমিয়ে পড়ল।

    ফিরোজা বেগম কাগজে বিজ্ঞপ্তী দেখে যেখানে চিঠি দিয়েছিলেন, সেখান থেকে মেয়ের ফটো ও ফোন নাম্বারসহ চিঠি দিয়ে তারা ফোনে যোগাযোগ করতে বলল। মেয়ের ফটো দেখে ফিরোজা বেগমের পছন্দ হল। বিকেলে অফিস থেকে তন্ময় ফিরে এসে যখন চা নাস্তা খাচ্ছিল তখন চিঠি ও ফটোটা ছেলের হাতে দিয়ে বললেন, দেখ, মেয়েটা কি সুন্দরী।

    তন্ময় ফটো দেখে বলল, হ্যাঁ, সুন্দরী। কিন্তু মা আমি যে এখন বিয়ে করব না, সে কথা তো তোমাকে সেদিন বললাম।

    কখন তা হলে করবি?

    যখন করব তখন জানাব।

    ফিরোজা বেগম ভিজে গলায় বললেন, সেই যখনটা কখন, আজ তোকে বলতেই হবে। এত সুন্দরী মেয়ে তোর পছন্দ হচ্ছে না?

    তন্ময় মায়ের চোখে পানি দেখে জড়িয়ে ধরে বলল, মা, তুমি অবুঝ হয়ো না। সাধারণতঃ সুন্দরী মেয়েরা অহংকারী হয়। তারা স্বামীকে রূপের জালে গ্রাস করে সংসারে অশান্তি আনে। মাগো, আমি সব কিছু সহ্য করতে পারব; কিন্তু আমার স্ত্রী তোমার মনে ব্যথা দিবে, কষ্ট দিবে, এটা কিছুতেই সহ্য করতে পারব না। তারপর মায়ের মন রাখার জন্য বলল, যদি সেরকম মেয়ের সন্ধান পাই, যে নাকি আমার চেয়ে তোমাকে বেশি ভক্তি শ্রদ্ধা করবে, আমার মনে কষ্ট দিলেও তোমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবে না, তা হলে বিয়ে করব। তুমি সেরকম মেয়ের সন্ধান কর, আর আমিও করব।

    ফিরোজা বেগম ছেলের মাতৃভক্তির কথা শুনে সেদিনের মতো আজও খুশী হলেন। কিন্তু সেই সাথে চিন্তিতও হলেন এই ভেবে যে, তেমন মেয়ে কখনও পাওয়া যাবে কি? কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, এদেরকে কি বলব?

    তন্ময় বলল, আমি যা বলার ফোন করে বলে দেব, তোমাকে ভাবতে হবে না।

    এরপর আরো এক বছর পার হয়ে গেল। ফিরোজা বেগম ছেলেকে না জানিয়ে ঘটকের দ্বারা অনেক মেয়ের সন্ধান নিয়েছেন। কয়েক জায়গায় নিজে গিয়ে মেয়ে দেখে এসেছেন। কিন্তু মনের মতো মেয়ে পান নাই। তাই মাঝে মাঝে ছেলেকে জিজ্ঞেস করেন, তুই কি তোর মনের মতো মেয়ের খোঁজ পাস নি?

    তন্ময় বলে, আমি ব্যবসার কাজ নিয়ে থাকি; মেয়ের খোঁজ করব কখন? তুমি এত ব্যস্ত হচ্ছ কেন?

    ফিরোজা বেগম ছেলের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে আরো বেশি চিন্তিত হয়ে পড়লেন। চিন্তায় চিন্তায় তিনি কঠিন অসুখে পড়ে গেলেন।

    তন্ময় বড় বড় ডাক্তার নিয়ে এসে চিকিৎসা করাতে লাগল। কিন্তু আরোগ্য হওয়া তো দূরের কথা, ফিরোজা বেগম দিন দিন শয্যাশায়ী হয়ে পড়লেন। ডাক্তাররা কোনো রোগ ধরতে পারছেন না। অথচ রুগী ক্রমশঃ কাহিল হয়ে যেতে লাগল। শেষে ফিরোজা বেগম যখন মৃত্যুশয্যাশায়ী হয়ে পড়লেন তখন একদিন ডাক্তারদের সামনে ছেলেকে বললেন, আমি মরেই যাচ্ছি; এবার তুই বিয়ে কর। তুই তো বলেছিলি, আমি মরে যাওয়ার পর বিয়ে করবি। এখন যদি করিস, তা হলে তোর বৌ দেখে শান্তিতে মরতে পারতাম।

    রোগীর কথা শুনে ডাক্তাররা এতদিনে রোগ ধরতে পারলেন। তারা তন্ময়কে পাশের রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন, আপনার মাকে যদি বাঁচাতে চান, তা হলে অতি শিঘ্রী বিয়ে করুন। নচেৎ আপনার মাকে বাঁচান যাবে না।

    তন্ময়ও বুঝতে পারল, সে বিয়ে করেনি বলে মা মৃত্যুপথ যাত্রী। বলল, এত তাড়াতাড়ি মেয়ে পাব কোথায়?

    ডাক্তারদের একজন বললেন, আপনি যে তাড়াতাড়ি বিয়ে করবেন, সে কথা আপনার মাকে বুঝিয়ে বলুন। তারপর মেয়ে দেখে বিয়ে করুন।

    ডাক্তার রহিম এই সময় দেশে ছিলেন না। সরকারী কাজে বিদেশ গিয়েছেন। তিনি থাকলে ফিরোজা বেগমের এরকম অবস্থা হত না।

    ডাক্তাররা চলে যাওয়ার পর তন্ময় মাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে কেঁদে বলল, মা, আমি বিয়ে করিনি বলে তুমি মৃত্যু কামনা করছ, তা আগে বুঝতে পারলে এতদিন কবে বিয়ে করে ফেলতাম! তুমি আমাকে মাফ করে দাও মা। এই তোমাকে জড়িয়ে ধরে প্রতিজ্ঞা করছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিয়ে করে বৌ এনে তোমার সেবা করাব। বল মা মাফ করে দিয়েছ?

    ফিরোজা বেগম জীর্ণ হাতে ছেলের মাথা টেনে নিয়ে চুমো খেয়ে বললেন, মা কি কখনও ছেলের অন্যায় মাফ না করে পারে, আল্লাহ তোকে মাফ করুক।

    মায়ের অসুখের পর থেকে তন্ময় ম্যানেজারের উপর অফিসের ভার দিয়ে বেশিরভাগ সময় মায়ের কাছে থাকে। মাঝে মাঝে কিছুক্ষণের জন্য গিয়ে একটু ঘুরে আসে। অফিস স্টাফরাও সাহেবের মায়ের কঠিন অসুখের কথা শুনেছে।

    কয়েকমাস আগে তন্ময় এজাজ নামে একজন এম. এ. পাস ছেলেকে নিজের পি. এ. পদে নিযুক্ত করেছে। এজাজ খুব স্মার্ট, সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান। আচার ব্যবহারও খুব মার্জিত। তন্ময় তার প্রতি খুব সন্তুষ্ট। সেও মালিকের মায়ের কঠিন অসুখের কথা জানে। সে মালিককে সন্তুষ্ট রাখার জন্য সর্বদা সচেতন থাকে।

    এজাজের এক বন্ধু ছিল। তার নাম মজাহার। মজাহার চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছেলে। তার বাবার আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো নয়। দু’জনে একসঙ্গে ভার্সিটি থেকে বেরিয়েছে। এজাজ চাকরি পেলেও মজাহার পায়নি। তাই হতাশায় ভুগছে। বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে চরিত্র হারিয়েছে। তাদের সঙ্গে মদ খায়। মাঝে মাঝে নিষিদ্ধ পল্লীতেও যায়। সেখানকার একটা মেয়ের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠে। মেয়েটার নাম তমসা। তমসা দেখতে খুব সুন্দরী। যেমন রূপসী তেমনি ফিগার। তমসার কাছে প্রথম দিন গিয়ে মজাহার বুঝতে পারে, সে ভালো বংশের শিক্ষিত মেয়ে। হয়তো কোনো দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে এখানে এসে পড়েছে। তার আসল পরিচয় জানার জন্য অনেক চেষ্টা করে, কিন্তু তমসা তাকে মিথ্যে পরিচয় দিয়ে বলেছে, এখানকার বেশিরভাগ মেয়ে ভদ্র ঘরের। ভাগ্যের ফেরে এই নরকে বাস করতে হচ্ছে। তমসার রূপে ও ব্যবহারে মজাহার তার প্রতি খুব আকৃষ্ট হয়ে নিজের পরিচয় দিয়ে বলেছে, কিছু একটা রোজগারের ব্যবস্থা করতে পারলে তাকে এখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করবে। প্রায় দু’বছর হতে চলল সে তাকে একই কথা শুনিয়ে আসছে। মজাহারকে তমসারও খুব ভালো লাগে। অন্য খদ্দেরদের চেয়ে সে অনেক ভালো ব্যবহার করে।

    এর মধ্যে মজাহার বিদেশ যাওয়ার একটা সুযোগ পেল। কিন্তু টাকার জন্য সুযোগটা কাজে লাগাতে পারছে না। কারণ এন. ও. সি’র জন্য পঁচাত্তর হাজার আর অন্যান্য খরচসহ মোট একলাখ টাকার দরকার, দেশে গিয়ে বাবা মাকে সে কথা জানাল, তার বাবা ভবিষ্যৎ সুখের আশায় সামান্য যা জমি জায়গা ছিল, তা বিক্রি করে ছেলের হাতে ষাট হাজার টাকা দিল। মজাহার বাকি টাকার জন্য ঢাকায় এসে বন্ধুদের কাছে হন্নি হয়ে ঘুরল। কিন্তু কেউ তাকে টাকা দিল না। শেষে হতাশ হয়ে যখন কি করবে না করবে ভেবে ঠিক করতে পারছিল না তখন হঠাৎ এজাজের কথা মনে পড়ল। ভার্সিটিতে পড়ার সময় এজাজ তাকে অনেক সময় আর্থিক সাহায্য করত। খারাপ বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে অনেক দিন তার খোঁজ খবর রাখেনি। এখন তার কথা মনে পড়তে একদিন তাদের বাসায় গিয়ে হাজির হল। বাসায় সবাইয়ের সঙ্গে মজাহারের পরিচয় ছিল। এজাজের ছোটভাই আজিজুল বলল, ভাইয়া বাসায় নেই, অফিসে গেছে। তার কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে অফিসে গেল।

    মজাহারকে দেখে এজাজ সালাম বিনিময় করে বসতে বলে বলল, কেমন আছিস?

    বেকারদের আবার কেমন থাকা। তা তুই তো বেশ ভালো চাকরি পেয়েছিস।

    হ্যাঁ, আল্লাহপাকের মর্জি। এতদিন তুই বেকার রয়েছিস জেনে দুঃখ পেলাম। কোথাও ঢুকে পড়তে পারলি না?

    তোর মতো তো সকলের ভাগ্য না, যাকগে, আমি কিন্তু তোর কাছে খুব বড় আশা নিয়ে এসেছি।

    বল কি তোর আশা। সাধ্যমতো পূরণ করার চেষ্টা করব।

    মজাহার বিদেশ যাওয়ার কথা বলে ত্রিশ হাজার টাকার ব্যবস্থা করে দিতে বলল।

    এজাজ বলল, বন্ধু হয়ে যদি বিপদের সময় উপকার না করি, তা হলে বন্ধু কিসের। তবে আমার কাছে এখন দশহাজার টাকা আছে দিচ্ছি। তারপর ড্রয়ার টেনে চেকবই বের করে সই করে দেয়ার সময় বলল, আপাততঃ এটা রাখ। কয়েকদিন পরে আসিস, বাকিটা জোগাড় করে দেয়ার ব্যবস্থা করব।

    মজাহার তার দুটো হাত ধরে ভিজে গলায় বলল, ধন্যবাদ দিয়ে তোকে ছোট করব না। শুধু এটুকু বলব, তোর মতো বন্ধু এ দুনিয়ায় অতি বিরল।

    এমন সময় টেলিফোন বেজে উঠতে এজাজ রিসিভার তুলে কানের কাছে নিয়ে ঈশারা করে তাকে চুপ করতে বলল। তারপর রিসিভার রেখে বলল, একটু অপেক্ষা কর আমি আসছি। কথা শেষ করে পাশের দরজা পুশ করে চলে গেল।

    মিনিট তিনেক পরে মুখ ভার করে ফিরে আসতে দেখে মজাহার জিজ্ঞেস করল, কিরে কি ব্যাপার, তোর মন খারাপ কেন?

    এজাজ বলল, সাহেবের মায়ের আজ সিরিয়াস অবস্থা। সে কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল। জানিস, আমাদের সাহেব ইয়ং কিন্তু অত্যন্ত সৎ।

    মজাহার জিজ্ঞেস করল, তোর সাহেবের মায়ের কি হয়েছে?

    উনি মানষিক রোগে ভুগছেন।

    বড় লোকদের আবার মানষিক রোগ হতে যাবে কেন?

    রোগ কি আর গরিব বড়লোক বিচার করে হয়।

    তা অবশ্য ঠিক। ওনার মানষিক রোগের কারণটা জানিস নাকি?

    জানি। বলছি শোন, সাহেবের মা সাহেবের বিয়ে দিতে চান। কিন্তু সাহেব বিয়ে করতে চাচ্ছেন না। অনেক দিন থেকে ছেলের বিয়ে দিতে না পেরে চিন্তায় চিন্তায় মৃত্যুশয্যায় এসে পৌঁছেছেন।

    সাহেবের বাবা কিছু বলেন না?

    সাহেবের মা ছাড়া আর কেউ নেই।

    সাহেব বিয়ে করতে চান না কেন, তুই কিছু জানিস?

    জানি। সাহেব মাকে ভীষণ ভালবাসেন। বিয়ে করলে স্ত্রী যদি তার মাকে কষ্ট দেয়, সেই কথা ভেবে করেন নি।

    মা মৃত্যু শয্যায় জেনেও বিয়ে করছেন না?

    না, তবে এখন চাচ্ছেন। তাই একটা ভালো মেয়ের সন্ধান জানি কিনা জিজ্ঞেস করার জন্য ডাকলেন। আরো বললেন, যদি সন্ধান না থাকে, তা হলে যেন দু’একদিনের মধ্যে সন্ধান করে ওনাকে জানাই। আচ্ছা তুইই বল, এত তাড়াতাড়ি ভালো মেয়ের সন্ধান কোথায় পাই?

    মজাহারের মাথায় তখন একটা বুদ্ধি খেলে গেল। বলল, তুই আমাকে তোর সাহেবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দে। আমার হাতে একটা ভালো মেয়ে আছে।

    তাই নাকি? তা হলে তো খুব ভালই হল। তুই একটু বস, আমি সাহেবের সঙ্গে কথা বলে আসি। তারপর সাহেবের রুমে গিয়ে বলল, স্যার, যদি অনুমতি দেন, তা হলে মেয়ের ব্যাপারে কথা বলতে চাই।

    তন্ময় বলল, বেশ তো বলুন।

    এজাজ মজাহারের কথা বলল।

    উনি আপনার কি রকম বন্ধু?

    আমরা এক সঙ্গে ভার্সিটি থেকে এম. এ. পাস করেছি। আমি ওদের গ্রামের বাড়িতে না গেলেও সে আমাদের বাসায় অনেক বার এসেছে।

    ঠিক আছে, তাকে পাঠিয়ে দিন।

    এজাজ ফিরে এসে মজাহারকে যেতে বলল।

    মজাহার দরজা পুশ করে ভিতরে গিয়ে সালাম জানাল।

    তন্ময় সালামের উত্তর দিয়ে বলল, বসুন। মজাহার বসার পর বলল, আমি ভূমিকা পছন্দ করি না। সরাসরি কথা বলতে ভালবাসি। আপনি এজাজকে যে মেয়ের কথা বলেছেন, তার পরিচয় বলুন।

    মজাহার বলল, মেয়েটা আমার চাচাতো বোন, নাম তামান্না। বি. এ. পাশ। দেখতে অপরূপ সুন্দরী না হলেও সুন্দরী। আপনি দেখতে চাইলে দেখাতে পারি। আমার আত্মীয় বলে বলছি না, যে কেউ তাকে দেখবে সেই পছন্দ করবে। তবে বলে থেমে গেল।

    তন্ময় বলল, থেমে গেলেন কেন বলুন।

    আমার চাচার অবস্থা তেমন ভালো নয়। অনেক কষ্ট করে মেয়েকে লেখাপড়া করিয়েছেন। বড় ঘরে ভালো ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিতে চান। অনেক জায়গা থেকে ভালো ছেলের সম্বন্ধ এলেও টাকার অভাবে বিয়ে দিতে পারেন নি। তাই বলছিলাম, মেয়ে দেখে যদি আপনার পছন্দ হয়, তা হলে বিয়ে খরচ বাবদ অগ্রিম ত্রিশ হাজার টাকা দিতে হবে।

    তন্ময় এজাজের বন্ধু জেনে মজাহারের কথা বিশ্বাস করে ফেলল। বলল, সবকিছু খোলাখুলি বলে আপনি ভালো করেছেন। এবার আমিও আপনাকে দু’একটা কথা বলব। আপনি জানেন কিনা জানি না, আমার মা ছাড়া আর কেউ নেই। আমি চাই না আমার স্ত্রী মায়ের মনে কোনো কারণে কষ্ট দিক। তাই বিয়ে করতে চাই নি। আমার মা আমি বিয়ে করিনি বলে আজ মৃত্যুশয্যায়। তাকে বাঁচাবার জন্য আমি বিয়ে করতে চাচ্ছি। কিন্তু মায়ের এই অবস্থায় বিয়ে করি কি করে। তাই বলছিলাম, আপনি যদি আমাকে এ ব্যাপারে একটু সাহায্য করেন, তা হলে বড় উপকৃত হতাম।

    মজাহার বলল, বেশ তো বলুন, আপনার সাহায্য করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করব।

    তন্ময় বলল, আমি বিয়ের কাজটা মা ভালো হওয়ার পর ধুমধামের সঙ্গে করব। এখন আমার মাকে সুস্থ করার জন্য আপনার বোনকে আমাদের বাসায় নিয়ে গিয়ে স্ত্রী বলে পরিচয় দেব। আপনার বোন আমার সঙ্গে এমনভাবে স্বামী স্ত্রীর মতো ব্যবহার করবে, যাতে করে আমার মা এবং বাসার সবাই যেন বুঝতে পারে আমারা সত্যিকার স্বামী স্ত্রী। অবশ্য আমি তাকে মর্যাদার সঙ্গে রাখব। আপনার বোন যদি আমার মাকে শাশুড়ীর মতো মনে করে সেবা শুশ্রূষার দ্বারা আরোগ্য করে তুলতে পারে এবং তাকে যদি আমার পছন্দ হয়, তা হলে মা আরোগ্য হওয়ার পরপরই বিয়ের কাজ সেরে ফেলব।

    মজাহারের চিন্তা শুধু কি করে ত্রিশ হাজার টাকা বাগানো যায়। একটু চিন্তার ভান করে বলল, ঠিক আছে, সে ব্যবস্থা আমি করতে পারব। এবার আমার একটা অনুরোধ আপনাকেও রাখতে হবে। ত্রিশ হাজার টাকাটা আমার বোনকে যেদিন আপনাদের বাসায় নিয়ে যাব, তার আগের দিন আমাকে দিয়ে দেবেন। চাচার হাতে টাকাটা দিয়ে বুঝিয়ে সব কথা বলে তামান্নাকে নিয়ে আসতে হবে। আর এই টাকার ব্যাপারটা তামান্নাকে অথবা অন্য কাউকে জানাবেন না। এমনকি আমার বন্ধু এজাজকেও না।

    তন্ময় বলল, তাই হবে। আপনি আপনার বোনকে তাড়াতাড়ি আনার ব্যবস্থা। করুন। তারপর বিশ হাজার টাকার চেক কেটে তার হাতে দিয়ে বলল, বাকিটা ঐদিন পেয়ে যাবেন।

    মজাহার চেকটা পকেটে রেখে বলল, আমার চাচারা ঢাকায় থাকেন। আজ রাত আটটা/নটার সময় আমি তামান্নাকে নিয়ে আসতে পারব। কোথায় আসব বলুন।

    তন্ময় একটা ভিজিটিং কার্ডে হোটেলের নাম ঠিকানা ও সময় লিখে দিয়ে বলল, আমি এই সময়ে এখানে থাকব। রিসেপসানে খোঁজ নিয়ে আমার রুমে আসবেন। তারপর চা নাস্তা খাইয়ে বিদায় দিল।

    মজাহার এজাজের কাছে ফিরে এলে জিজ্ঞেস করল, কিরে কি হল?

    সব কিছু গোপন রেখে মজাহার বলল, সাহেব মেয়েকে দেখতে চেয়েছেন।

    এজাজ বলল, তাই দেখা। আল্লাহ আল্লাহ করে মেয়ে যেন সাহেবের পছন্দ হয়।

    মজাহার বলল, মেয়ে পছন্দ হবে না মানে, দেখবি মেয়ে দেখে তোর সাহেবের মাথা ঘুরে যাবে। এখন আসি, মেয়ের বাবার সঙ্গে দেখা করতে হবে। বাকি টাকাটা তুই কবে দিবি বল।

    এজাজ বলল, আরে বস বস, অত ব্যস্ত হচ্ছিস কেন? এক কাপ চা অন্তত খেয়ে যা। এক সপ্তাহ পরে এসে নিয়ে যাস।

    মজাহার দাঁড়িয়ে বলল, তোর সাহেব খাইয়েছে। এখন আর খাব না, আমি এক সপ্তাহ পরে আসব। কথা শেষ করে বেরিয়ে এসে তমসার কাছে যাওয়ার জন্য রওয়ানা দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশেষ উপহার – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article জোঁকা – কাসেম বিন আবু বাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }