Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শেষ উপহার – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤷

    শেষ উপহার – ১

    ১

    শিহাব ভাই আপনি এত চুপচাপ থাকেন কেন? বিশেষ করে মেয়েদের সঙ্গে কথাই বলেন না। তাদের দিকে তাকিয়েও দেখেন না।

    শিহাবকে নিয়ে মমতাজ আজ চন্দ্রিমা পার্কে বেড়াতে এসেছে। তারা পার্কের সবুজ নরম দূর্বা ঘাসের উপর পাশাপাশি বসেছে। মমতাজের শরীর থেকে কড়া সেন্টের গন্ধ শিহাবের নাকে এসে লাগছে। মমতাজ ক্লাশ নইনে পড়ে। পনের ষোল বছরের সুরূপা তরুণী হলে কি হবে এরই মধ্যে শরীরে যৌবন এসে গেছে। তার উপর স্যালওয়ার কামীজ পরলেও ওড়না ব্যবহার করে না।

    লাজুক ও ধার্মিক শিহাব তার দিকে তাকাতে পারছে না। বাসায় যখন মমতাজ তাকে বেড়াতে আসার কথা বলে তখন তার পোশাক দেখে রাজি হয় নি। শেষে ফুপু যখন বললেন, আজ ওর বন্ধুরা কেউ আসেনি, তাই তোমাকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে। তা ছাড়া তোমারও ঢাকা শহর দেখা উচিত। আজ দু তিন মাস হল এসেছ। কলেজে যাওয়া ছাড়া কোথাও বের হও না। সব সময় ঘরের মধ্যে বই নিয়ে বসে থাক। এতে স্বাস্থ্য ও মন দুটোই খারাপ হবে। প্রতিদিন কিছু সময় অন্ততঃ বাইরে ঘুরে বেড়ান দরকার। অসুখ বিসুখ হলে তখন তোমার মা আমাকে দুষবে। তারপর মেয়েকে বললেন, তোরা খেলাধুলা করার সময় বা বেড়াতে যাওয়ার সময় প্রতিদিন ওকেও সঙ্গে নিবি।

    মায়ের কথা শুনে মমতাজ হেসে উঠে বলল, তোমার ভাইপো যা লাজুক, আমার বন্ধুদের সঙ্গে গেলে লজ্জায় হয়তো হার্টফেল করবে। ছেলেরা যে এত. লাজুক হয়, তা শিহাব ভাইকে না দেখলে জানতেই পারতাম না। মা-মেয়ের কথা শুনে শিহাব আর না করতে পারেনি।

    শিহাব কিছু বলছে না দেখে মমতাজ আবার বলল, কি হল শিহাব ভাই, কিছু বলছেন না কেন?

    শিহাব এতক্ষণ মা ও বোনের কথা চিন্তা করছিল। সে এখানে রাজপুত্রের মতো আদর যত্নে রয়েছে। কলেজে ভর্তি হয়ে লেখাপড়া করছে। ফুপা-ফুপু নিজের ছেলের মতো স্নেহ করছেন, সমস্ত খরচ দিচ্ছেন। আর ওদিকে মা ও আতিয়া কোনো দিন এক বেলা আবার কোনো দিন উপোষ করে দিন কাটাচ্ছে। অভাবের জন্য হয়তো আতিয়ার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। এ সব কথা ভাবতে ভাবতে বাস্তব জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। মমতাজের কথায় সম্বিত ফিরে পেয়ে বলল, কি যেন বলছিলেন?

    আবার আপনি করে বলছেন? কতবার বলেছি না তুমি করে বলবেন?

    আপনি বললেতো হবে না, আমার মনকে বলতে হবে।

    আপনার মন বলছে না কেন?

    সেটা মনের ব্যাপার, আমি বলব কি করে?

    মমতাজ হেসে উঠে বলল, মন আর মানুষ আবার ভিন্ন বুঝি? আমি তো জানি দু’টোই এক।

    আপনার কথা ঠিক। আমারটা হয়তো ব্যতিক্রম।

    আচ্ছা, আপনিতো বেশ কথা বলতে পারেন, তবু চুপচাপ থাকেন কেন?

    প্রয়োজন ছাড়া কথা বলা কি ঠিক? বেশি কথা বললে লোকে বকমবাজ বলবে।

    মমতাজ আবার হেসে উঠে বলল, বকমবাজ আবার কি জিনিস?

    শিহাব মৃদু হেসে বলল, বকমবাজ বোঝেন না, এটা বিশ্বাস করি না। নিশ্চয় কৌতুক করছেন?

    সত্যি শিহাব ভাই, কথাটার অর্থ আমি বুঝিনি।

    বুঝেছেন ঠিকই, তবু জানতে চেয়ে আমাকে কথা বলাতে চাচ্ছেন। শহরের ছেলে মেয়েরা ভীষণ চালাক।

    আপনি তো দেখছি তাদের চেয়ে বেশি চালাক।

    কি করে?

    কেন, চালাকের চালাকি তারাই ধরতে পারে, যারা বেশি চালাক।

    কিন্তু আপনি তো আরো বেশি চালাক। ভাবতে খুব অবাক লাগছে, এই বয়সে এত চালাক হলেন কি করে।

    থাক, অত আর গুণাগুণ করতে হবে না। এবার বলুন, আপনি মেয়েদেরকে এত এ্যাভয়েড করে চলেন কেন?

    এই সব জানার জন্য কি নিয়ে এসেছেন? ফুপু তো বললেন, বেড়াবার কথা। বেড়ান নাকি স্বাস্থ্যের জন্য উপকার। বসে বসে গল্প করলে বেড়ানোর উপকার হবে কি করে? তার চেয়ে চলুন হাঁটি।

    মমতাজ বলল, তাই চলুন। তারপর হাঁটতে হাঁটতে বলল, যা জিঞ্জেস করলাম উত্তর দিলেন না যে?

    এ্যাভয়েড না করে চলে উপায় নেই বলে।

    ঠিক বুঝলাম না।

    না বুঝলে আমিও বুঝাতে পারব না।

    তা হলে কথাটা বললেন কেন?

    আপনি তো দারুন মেয়ে?

    দারুন মেয়ে মানে?

    মানে, আপনি ভীষন উল্টো পাল্টা কথা বলেন।

    তা হলে সোজা কথা বলি, আমি তো আপনার ফুপাতো বোন, আমাকেও কেন এড়িয়ে চলেন? আমার প্রতি ভালো করে তাকিয়েও দেখেন না? আর সব সময় চুপ করে থাকেন। মনে হয় যেন কিছু চিন্তা করেন।

    শিহাব কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব, তবে তার আগে আপনি বলুন, এসব কথা জানতে চাচ্ছেন কেন?

    মা-একদিন বলল, আপনি পাড়াগাঁয়ের ছেলে। শহরে নতুন এসেছেন। আপনার দিকে যেন লক্ষ্য রাখি। তাই আর কি।

    আপনি কি আমাদের বাড়ির সব খবর জানেন?

    সব জানি না, মায়ের মুখে কিছু কিছু শুনেছি।

    কি কি শুনেছেন?

    মামা, মানে আপনার বাবা কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। আপনি কৃষি কাজ করে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করেছেন। আপনাদের সংসার তেমন স্বচ্ছল নয়। আর আপনি খুব ভালো ছাত্র।

    আমি এসেছি প্রায় তিন মাস। ফুপু নিশ্চয়ই আসার পরপর এসব কথা বলেছিলেন। এত দিন পরে সেসব হঠাৎ আজ মনে পড়ল বুঝি?

    প্রথম যে দিন শিহাব এল, সে দিন মা বাবা যখন তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় তখন মমতাজ মনে করেছিল পাড়াগাঁয়ের গরিব ঘরের বোকা ছেলে। তাই মামাতো ভাই হলেও তাকে ঠিক গ্রহণ করতে পারে নি। দেখা সাক্ষাৎ হলে এড়িয়ে চলতো। দু’দিন পর মা যখন বলল, শিহাব এখানে থেকে লেখাপড়া করবে এবং তোকে ও জাকিয়াকে পড়াবে তখন ঘৃণায় মমতাজের মন কুচকে গিয়েছিল। বলেছিল, আমি ওর কাছে পড়ব না।

    শাফিয়া বেগম বললেন, কেন?

    তোমার ঐ অজ পাড়াগাঁয়ের ভাইপোর কাছে পড়লে বন্ধু বান্ধবীদের কাছে মুখ দেখাতে পারব না। তা ছাড়া ও আনকালচার্ড। আমার প্রেসটিজে বাধবে।

    শাফিয়া বেগম বললেন, ছি মা, এমন কথা বলতে নেই। হাজার হোক তোর মামাতো ভাই। পাড়াগাঁয়ের ছেলেরা একটু আনকালচার্ড হয়ই। এখানে কিছু দিন থাকলে ঠিক হয়ে যাবে। তুই ওকে আমাদের সোসাটির মতো তৈরি করে নির্বি। আর শোন, ওর সঙ্গে যেন কোনো খারাপ ব্যবহার করিস না। পাড়াগাঁয়ের গরিব ঘরের ছেলে হলে কি হবে, লেখাপড়ায় খুব ভালো। কোনো বছর ফার্স্ট ছাড়া সেকেন্ড হয়নি। এরপর মমতাজ ও জাকিয়া প্রতিদিন রাতে তার কাছে পড়ে।

    কয়েকদিন পড়েই মমতাজ বুঝতে পারল মায়ের কথাই ঠিক। সব বিষয়েই শিহাব ভাই জুয়েল। পাড়াগাঁয়েও যে এত ভালো ছাত্র থাকতে পারে ভেবে খুব অবাক হল। তারপর ধীরে ধীরে তার প্রতি মমতাজের মন গলতে শুরু করলেও মেলামেশা করতে রুচিতে বাধতো। তাই শুধু পড়ার সময় ছাড়া তার সঙ্গে কথাবার্তা বলত না। তাদের বাড়ি কলাবাগানে। সে লালমাটিয়া গার্লস স্কুলে পড়ে। হাই সোসাইটির অনেক ছেলে মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব। প্রতিদিন বিকেলে তারা গাড়িতে করে আসে। মমতাজদের বাড়ির সামনে অনেকখানি ফাঁকা জমিতে টেবিল টেনিস ও ব্যাডমিন্টন খেলার ব্যবস্থা আছে। সেখানে বন্ধু বান্ধবীদের নিয়ে মমতাজ খেলাধুলা করে। কোনো দিন দলবেঁধে বেড়াতে যায়।

    শিহাব ঢাকা কলেজে ভর্তি হয়েছে। প্রথম দিন কলেজ থেকে ফেরার সময় তাদের দিকে একবার মাত্র তাকিয়ে দেখেছিল। তারপর আর কোনোদিন তাকায় নি। গেট দিয়ে ঢুকে সোজা নিজের রুমে চলে যায়। তারপর জামা কাপড় পাল্টে হাত মুখ ধুয়ে জানালার ধারে দাড়িয়ে তাদের খেলা দেখে। আয়া নাম নিয়ে এলে খেয়ে পড়তে বসে।

    শিহাব পাড়াগাঁয়ের গরিব ঘরের পরিশ্রমী ছেলে হলেও যেমন চালাক তেমনি মেধাবী। আর যেমন দেখতে তেমনি স্বাস্থ্য।

    ফুপুর বাড়িতে এসে দু’এক দিনের মধ্যে সবাইয়ের কাজ কর্ম ও স্বভাব চরিত্র বুঝে ফেলেছে। তার ফুপা সারাদিন ব্যবসা নিয়ে এবং ফুপু মহিলা সমিতি নিয়ে বক্ত থাকেন। মমতাজ স্কুল আর বন্ধু বান্ধবীদের নিয়ে থাকে। বাড়িতে সব সময় দুজন কাজের মেয়ে ও দু’জন কাজের লোক থাকে। আর থাকে মমতাজের বড় বোন জাকিয়া সুলতানা। তাকে সবাই জাকিয়া বলে ডাকে।

    জাকিয়া জালাল সাহেব ও শাফিয়া বেগমের প্রথম সন্তান। জন্ম থেকেই সে বোবা। জালাল সাহেব তাকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে অনেক দিন চিকিৎসা করিয়েছেন বাকশক্তি আনার জন্য, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। জাকিয়া অত্যন্ত সুন্দরী। এরকম সন্দুরী মেয়ে পৃথিবীতে খুব কম জন্মায়। জাকিয়া বোবা স্কুল থেকে এস.এস.সি. পাশ করেছে। তারপর এইচ.এস.সি. পরীক্ষা দেবে বলে বাড়িতেই পড়ছে। মমতাজ জাকিয়ার চেয়ে দু’বছরের ছোট। মমতাজ সন্দরী; কিন্তু জাকিয়ার তুলনায় কিছুই না। মমতাজ বড় বোনকে রূপের জন্য হিংসা করে। প্রথম দিন জাকিয়াকে দেখে শিহাব খুব অবাক হয়ে ভেবেছিল, কোনো মানবী কি এত রূপসী হতে পারে? তারপর যখন জানতে পারল বোবা তখন কেন জানি তার মন খারাপ হয়ে গেল। ভাবল, আল্লাহপাকের কি মহিমা, জাকিয়াকে সৌন্দর্যের রানী করে গড়লেও তাকে বাকশক্তি দেননি। তখন থেকেই তার প্রতি শিহাবের মনে একটা মমতাবোধ জেগে উঠে।

    জাকিয়া মাঝে মাঝে শিহাবকে খাওয়ায়। অবশ্য কাজের মেয়ে সব কিছু নিয়ে আসে, সে শুধু শিহাবের সামনে বসে এটা সেটা পাতে তুলে দেয়। তাকে দেখলেই শিহাবের মন ব্যথায় ভরে উঠে। শিহাব ডাইনিং টেবিলে সবার সঙ্গে খায় না, নিজের রুমে খায়।

    প্রথম যেদিন শাফিয়া বেগম ভাইপোকে খাওয়ার জন্য ডাকতে এলেন, সেদিন শিহাব বলেছিল, সবার সঙ্গে খেতে আমার খুব লজ্জা করবে।

    শাফিয়া বেগম তখন ভেবেছিলেন, পাড়াগাঁয়ের লাজুক ছেলে, কয়েকদিন যাক তারপর ঠিক হয়ে যাবে। তাই কিছু না বলে আয়ার হাতে তার রুমে খাবার পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।

    শিহাব খুব লাজুক ঠিক কথা, কিন্তু ঐ কারণে শুধু যে খেতে গেল না, তা নয়। সে ধর্মের সব আইন মেনে চলার আপ্রাণ চেষ্ঠা করে। চেয়ার টেবিলে খেলে সুন্নত আদায় হবে না, তাই গেল না। নিজের রুমের মেঝের কার্পেটের উপর ঝাড়ন বিছিয়ে আজও খায়।

    জাকিয়া বেশ কয়েকবার ঈশারায় তাকে চেয়ার টেবিলে খেতে বলেছে; শিহাব ও তাকে ঈশারা করে সুন্নত পালনের কথা বুঝিয়েছে।

    মমতাজ ভীষন চঞ্চল ও খুব প্রগলভ। আর নিজেকে খুব বুদ্ধিমতী মনে করে।

    তার উপর জালাল সাহেব ও শাফিয়া বেগম ছোট মেয়েকেই বেশি স্নেহ করেন। এই সমস্ত কারণে মমতাজ বেশ অহঙ্কারীও। তাই শিহাবকে মোটেই পছন্দ করে না। আজ নিরূপায় হয়ে শিহাবকে নিয়ে পার্কে বেড়াতে এসে তাকে যাতা প্রশ্ন করে জব্দ করতে চায়। কিন্তু শিহাবের সঙ্গে পেরে উঠতে না পেরে ক্রমশ বিরক্ত হয়ে উঠছে। তাই শিহাব যখন বলল, তিন মাস পর বুঝি মায়ের আদেশ মনে পড়ল তখন বেশ রেগে গিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে চিন্তা করল, ছেলেটা তো দেখছি আমার থেকে বেশি চালাক। কি বলবে ভাবতে লাগল।

    শিহাব বলল, কিছু বলছেন না যে?

    মমতাজ রাগের সঙ্গে বলল, আপনি নিজেকে কি ভাবেন বলুন তো?

    শিহাব ম্লান হেসে বলল, কি আর ভাববো, গরিব ঘরের একটা দুঃখী ছেলে। যে অন্যের আশ্রয়ে তাদেরই সাহায্যে লেখাপড়া করছে।

    মমতাজ গরম মেজাজেই বলল, তা হলে আপনার এত অহঙ্কার কেন? ভালো ছাত্র, সুন্দর স্বাস্থ্য আর বুদ্ধিমান বলেই কি আপনি অহঙ্কারী?

    শিহাব বলল, অহঙ্কার কোনো মানুষেরই থাকা উচিত নয়। আজাজিল আল্লাহর ইবাদত করে ফেরেশতাদের সর্দার হয়েছিল। কিন্তু একমাত্র অহঙ্কারের কারণে শয়তান হয়ে গেল। অহঙ্কার আল্লাহপাকের খাস সিফত। কোনো মানুষ অহঙ্করী হলে আল্লাহ তার দিক থেকে রহমতের দৃষ্টি সরিয়ে দেন। অচিরে তার অহঙ্কার চুর্ণ করে দেন। আপনি যে ভাবে প্রশ্ন করেছেন, সে ভাবেই আমি উত্তর দিয়েছি। এতে অহঙ্কার কোথায় দেখলেন? তা ছাড়া আমি তো আপনাদের দয়ায় মানুষ হচ্ছি, অহঙ্কার করব কি নিয়ে? তবু যদি আমার কথায় অহঙ্কার প্রকাশ হয়েথাকে, তা হলে মাফ চাইছি। আসলে কি জানেন, আপনাদের এই উঁচু সমাজকে আমি খুব ভয় পাই। তাইতো সবাইয়ের কাছ থেকে আড়ালে থাকি। সেটাকেই আপনি এড়িয়ে চলা ও অহঙ্কার ভেবেছেন।

    কেন, ভয় পান কেন?

    সে সব শুনলে আপনি আরো রেগে যাবেন। তা ছাড়া মাগরিবের নামাযের সময় হয়ে আসছে, এবার বাসায় ফিরি চলুন।

    তবু না শুনে ফিরব না।

    শিহাব মৃদু হেসে বলল, আপনি যেমন রাগি তেমনি জিদ্দি। ঠিক আছে বলছি।

    মমতাজ এই কথায় খুব রেগে গিয়ে তাকে থামিয়ে দিয়ে বলল, কি বললেন? আমি খুব রাগি আর জিদ্দি? জানেন, মা বাবাকে বলে আজই আপনাকে বাসা থেকে তাড়িয়ে দিতে পারি?

    শিহাব ম্লান মুখে বলল, তা পারেন; তবে যা সত্য তাই বলেছি। রাগ পড়ে গেলে চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন।

    মমতাজ বলল, ঠিক আছে, বাসায় চলুন তারপর টের পাবেন।

    বাসার কাছে এসে শিহাব ড্রাইভারকে গাড়ি থামাতে বলল। গাড়ি থামার পর মসজিদে নামায পড়তে গেল।

    ঐ দিন রাতে মমতাজ পড়তে না গিয়ে মা বাবাকে বলল, আমি আর শিহাব ভাইয়ের কাছে পড়বো না। অন্য একজন মাষ্টার রাখার ব্যবস্থা কর। তাকে তাড়িয়ে দেয়ার কথাটা ইচ্ছা থাকলেও বলতে পারল না।

    স্ত্রী কিছু বলার আগে জালাল সাহেব বললেন, তুই বললে একজন কেন, চার পাঁচজন মাষ্টার রাখব; কিন্তু শিহাবের মতো কি তারা পড়াবে?

    নাই পড়াক, তবু আমি শিহাব ভাইয়ের কাছে পড়বো না। তারপর মাকে বলল, বলেছিলাম না, তোমার ভাইপো পাড়াগাঁয়ের আনকালচার্ড ছেলে; তার সঙ্গে বেড়াতে যাব না। তুমিই তো জোর করে পাঠালে। আর কোনো দিন যদি বেড়াতে যাই, তা হলে আমার নাম মমতাজ নয়। আমাকে রাগি জিদ্দি মেয়ে এবং আরো অনেক কিছু বলে অপমান করেছে। তোমরা যদি তাকে কিছু না বল, তা হলে আমিই যা বলার বলব। তারপর ফুঁপিয়ে উঠে চোখ রগড়াতে লাগল।

    স্বামী কিছু বলতে যাচ্ছে দেখে শাফিয়া বেগম ঈশারা করে থামিয়ে দিয়ে মেয়ের গায়ে মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে বললেন, তুই কাঁদছিস কেন? চুপ কর, আমি এক্ষুনি শিহাবকে শাসন করছি। কথা শেষ করে শিহাবের কাছে গিয়ে বললেন, মমতাজ খুব সেন্টিমেন্টাল মেয়ে, ওকে রাগি জিদ্দি বলা তোমার ঠিক হয়নি। ও তো কেঁদে কেঁদে বলছে, তোমার কাছে আর পড়বে না। যাই হোক, ওর সামনে তোমাকে আমি মিছি মিছি রাগারাগি করব, তুমি মন খারাপ করার ভান করবে। কয়েকদিন যাক, রাগ পড়ে গেলে ঠিকই পড়তে আসবে। তুমি ওর উপর কোনো সময়েই রাগ করবে না। এখন এস আমার সঙ্গে তারপর তার একটা হাত ধরে ফিরে এসে বললেন, তোমার এত বড় সাহস, আমাদের মেয়েকে তুমি যা তা বলে অপমান করো? আমরা তোমাকে খাওয়াচ্ছি, পরাচ্ছি, লেখাপড়া করাচ্ছি আর তুমি কিনা আমাদের মেয়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার কর। প্রথমবারের মতো মাফ করে দিলাম। আবার যদি কোনো দিন কর, তা হলে ঘাড় ধরে বের করে দেব।

    শিহাব কাঁদ কাঁদ স্বরে ফুপুর পায়ে হাত দিয়ে বলল, আমার অন্যায় হয়েছে, আমাকে আপনারা মাফ করে দিন ফুপু। আর কখনও এমন হবে না।

    জালাল সাহেব ব্যাপারটা আঁচ করতে পেরে হাসি চেপে রেখে গম্ভীরস্বরে বললেন, হ্যাঁ, কথাটা মনে রাখবে। এখানে থেকে লেখাপড়া করতে হলে মমতাজের সঙ্গে আর কোনো দিন কোনোরকম খারাপ ব্যবহার করবে না। এবার তুমি যাও।

    শিহাব কান্নার অভিনয় করে চোখ রগড়াতে রগড়াতে চলে গেল।

    শাফিয়া বেগম মেয়েকে বললেন, এরপরও যদি তোকে কিছু বলে, তা হলে তক্ষুনি ওকে তাড়িয়ে দেব। যা মা পড়তে যা।

    শিহাবকে যখন শাফিয়া বেগম ডেকে নিয়ে আসতে যান তখন জাকিয়া সেখানে পড়তে এসেছিল। যারা বোবা হয় তারা কানেও শুনতে পায় না। কিন্তু জাকিয়া খুব বুদ্ধিমতী। কেউ কিছু বললে, তার ঠোঁঠ নাড়া দেখে বুঝতে পারে সে কি বলছে। তাই মা শিহাবকে যা কিছু বলেছে সব কিছু বুঝতে পেরেছে। তারা চলে যাওয়ার পর সে দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়ে ঘটনাটা দেখে পুরো ব্যাপারটা বুঝে ফেলেছে। শিহাবকে আসতে দেখে ফিরে এসে নিজের জায়গায় বসে পড়ল। শিহাব আসার পর হাসি মুখে ঈশারা করে বলল, মমতাজ খুব রাগি। তার উপর যেন মনে কষ্ট না নেয়।

    শিহাবও হাসি মুখে ঈশারা করে বলল, সে কিছু মনে করেনি।

    এত কিছুর পরও মমতাজ দু’দিন শিহাবের কাছে পড়তে এল না। তৃতীয় দিনে মুখ ভার করে পড়তে এল।

    শিহাব তার মুখের অবস্থা দেখে বলল, আমি যে অন্যায় করেছিলাম সে জন্য ফুপু আমাকে কত বকলেন। আমি ক্ষমা চাইলাম; তুব আপনি আমার উপর রাগ করে রয়েছেন। ক্ষমা প্রার্থীকে ক্ষমা করাই তো উচিত।

    মমতাজ গলা ভার করে বলল, উচিত অনুচিত শেখাবার জন্য মা-বাবা এখানে আপনাকে রাখেননি, যে কাজের জন্য রেখেছেন, সেটাই করবেন। তারপর ইংরেজী বইটা খুলে এগিয়ে দিয়ে বলল, পড়াটা বুঝিয়ে দিন!

    শিহাব বলল, আগে বলুন ক্ষমা করেছেন।

    ক্ষমা না করলে ঐ দিনই আপনাকে বিদায় করে দেয়া হত। তবে পরবর্তিতে অন্যায় করলে ক্ষমা পাবেন না।

    ঠিক আছে, কথাটা ইনশাআল্লাহ মনে রাখবো। তারপর পড়া বুঝিয়ে দিল।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারত (কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত)
    Next Article ভালোবাসি তোমাকেই – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }