Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভালোবাসি তোমাকেই – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভালোবাসি তোমাকেই – ৫

    ৫

    এই কয়েকদিন তন্ময় অফিসের কাজে মন বসাতে পারেনি। কেবলই ভাবছে, তামান্নাকে কোন কথা জিজ্ঞেস করলে কান্নাকাটি করছে কেন? রাতে ঘুমায় না কেন? আজ আসার সময় ডাক্তারকে পাঠিয়েছি। তিনি পরীক্ষা করে কি বললেন, সেইসব কথা চিন্তা করে অফিসে বেশিক্ষণ থাকতে পারল না। সময়ের আগেই বাসায় ফিরল।

    ফিরোজা বেগম ছেলেকে তাড়াতাড়ি ফিরতে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, কিরে, এত তাড়াতাড়ি ফিরলি যে?

    তন্ময় বলল, না, এমনি ভালো লাগছিল না বলে চলে এলাম।

    ফিরোজা বেগম বললেন, ভালো করেছিস। ডাক্তার ভাই এসেছিলেন। বললেন, বৌমার কিছু হয় নি। চাচা চাচির জন্য একটু টেনসন ফিল করছে। তুই এক কাজ কর, আজ বৌমাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যা। সবাইকে দেখিয়ে নিয়ে আয়। আর বৌমা যদি কয়েকদিন থাকতে চায়, রেখে আসবি। বৌমা আলাদা ঘরে থাকে কেন, সে কথা জিজ্ঞেস করতে গিয়েও করলেন না। শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরলে করবেন ভেবে রাখলেন।

    তন্ময় মায়ের কথা শুনে বলল, ঠিক আছে নিয়ে যাচ্ছি। তারপর উপরে এসে কাপড় পাল্টে বারান্দায় চেয়ারে বসে একটা পত্রিকার পাতা উল্টাতে লাগল।

    তামান্না এক কাপ কফি ও কিছু হাল্কা নাস্তা নিয়ে এসে টেবিলের উপর রেখে খেতে বলল।

    তন্ময়ের কিছু খেতে ইচ্ছা করিছল না। তবু তামান্নার দিকে এক পলক তাকিয়ে কফির কাপটা নিয়ে চুমুক দিল।

    তামান্না বলল, আপনি চলে যাওয়ার পর মা হঠাৎ উপরে এসেছিলেন। আমি তখন ঐরুমে ছিলাম। আমাদের আলাদা থাকার ব্যাপারটা মা জেনে গেছেন।

    তন্ময় চমকে উঠে বলল, তাই নাকি?

    তামান্না বলল, জি। মা আমাকে অনেক প্রশ্ন করেছিলেন, আমি কোনোটারই উত্তর দেই নি। শেষে উনি বললেন, আপনাকে জিজ্ঞেস করবেন।

    তন্ময় কফির কাপটা টেবিলের উপর রেখে বলল, তুমি এখানে থাক, আমি আম্মার কাছ থেকে আসছি।

    ফিরোজা বেগম আসরের নামাযের আযানের অপেক্ষায় নামায পাটীতে বসে তসবীহ পড়ছিলেন। ছেলেকে দেখে তসবীহতে চুমো খেয়ে হাতের মধ্যে রেখে বললেন, কিরে, কিছু বলবি?

    তন্ময় বলল, হ্যাঁ, দু’একটা কথা বলব।

    ফিরোজা বেগম বললেন, বেশ তো বল।

    তন্ময় মায়ের কাছে বসতে এলে ফিরোজা বেগম বললেন, তুইতো পেশাব করে পানি নিস না, একটু তফাতে বস।

    তন্ময় বলল, তোমার সবটাতে বাড়াবাড়ি। আমি পেশাব করে পানি নিইনি তুমি জানলে কি করে?

    ফিরোজা বেগম বললেন, নিলে ভালো। যারা নামায পড়ে না তারা পাক নাপাকের দিকে লক্ষ্য করে না। তোকে কতবার নামায পড়ার কথা বলি, তবু পড়িস না। নামাযের গুরুত্ব যদি বুঝতিস তা হলে পড়তিস। ঐ সোফায় বস।

    তন্ময় সোফায় না বসে একটু দূরত্ব রেখে মেঝেয় কাপের্টের উপর বসে বলল, আমি তোমার কাছে একটা অন্যায় করেছি, আমাকে মাফ করে দেবে বল।

    ছেলে কি বলবে বুঝতে না পেরে ফিরোজা বেগম বললেন, মানুষ মাত্রই দোষগুণ থাকে, বল কি করেছিস?

    তন্ময় বলল, তোমার অসুখের সময় ডাক্তারের পরামর্শ মতো তামান্নাকে বিয়ে না করে তোমার বৌমা বলে পরিচয় দিই। অবশ্য তার বড় ভাইয়ের সাথে আমার কথা হয়েছে, তুমি সুস্থ হয়ে গেলেই বিয়ের কাজটা সেরে ফেলব। তাই আমরা প্রথম দিন থেকে আলাদা রুমে থাকি। তুমি তো এখন সুস্থ হয়ে গেছ, ওকে ওর চাচার বাসায় রেখে আসি। তুমি গিয়ে দিনক্ষণ ঠিক করে আসবে।

    সুস্থ হওয়ার পর থেকে ফিরোজা বেগমের বৌমার সঙ্গে ছেলের আচরণ দেখে কেমন যেন একটু সন্দেহ হয়েছিল। তখন ভেবেছিলেন, নতুন বলে হয়তো এরকম করছে। আজ উপরে গিয়ে সেই সন্দেহ আরো দৃঢ় হয়। এখন ছেলের কথা শুনে যেমন খুব অবাক হলেন, তেমনি রেগে গেলেন। বললেন, এ তুই কি সর্বনাশ খেলা খেলেছিস? আমার পেটের ছেলে হয়ে এতবড় অন্যায় কাজ করতে পারলি? এ যে কত বড় গোনাহ, তা তুই যদি জানতিস, তা হলে করতে পারতিস না। তুই তো নামায রোযা করিস না, আর ধর্মীয় বই পুস্তকও পড়িস না। পড়লে বুঝতিস কি জঘন্য অপরাধ করেছিস। ছেলে বলে তোকে না হয় আমি মাফ করে দিলাম; কিন্তু আল্লাহ কি তোকে তওবা ছাড়া মাফ করবে? তুই তওবা করে আল্লাহর কাছে মাফ চা। তাঁর আইন অমান্য করে যা করেছিস, তা আর কেউ কোনো দিন করে নি।

    তন্ময় বলল, আমি নিজের জন্য কিছু করিনি। তোমাকে বাঁচাবার জন্য করেছি। তোমার মুখেই শুনেছি, আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু। এতে যদি আমার অন্যায় হয়ে থাকে, তিনি নিশ্চয় মাফ করবেন। আমি তো এই মেয়েকে বিয়ে করব, তবু গোনাহ হবে?

    ফিরোজা বেগম বললেন, হ্যাঁ হবে। জেনে রাখিস, আল্লাহপাক অত্যন্ত দয়ালু বলে মানুষ শতশত কঠিন অন্যায় করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। তিনি কালামপাকে বলিয়াছেন, “আমি যদি রাহমানুর রহিম না হতাম, তা হলে কোনো নাফরমান বান্দা একটা নিঃশ্বাস নেওয়ার অবকাশ পেত না।” [সূরা কাহাফ, ১৫ পারা, আয়াত-৫৮] তিনি প্রত্যেক বান্দাকে সময় সুযোগ দেন, গোনাহ মাফ চাওয়ার জন্য। যে বদনসীব হয়, সে মাফ না চেয়ে মারা যায়। যাক, ওসব নিয়ে পরে মাথা ঘামাস, এখন ওকে ওর চাচার বাসায় দিয়ে আয়। আর ওদেরকে বলে আসবি, আমি কাল পরশু গিয়ে দিন ঠিক করে আসব।

    তন্ময় বলল, আমি এক্ষুনি যাচ্ছি মা। তারপর উপরে এসে তামান্নাকে মায়ের কথা বলে তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিতে বলল।

    তামান্নার মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। নিজের রুমে এসে দরজা বন্ধ করে কি করবে না করবে ভাবতে লাগল। এক মন বলল, ফ্যানের সাথে শাড়ি পেঁচিয়ে গলায় দিয়ে ঝুলে পড়। আর এক মন বলল, সাহেব তোকে খুব ভালবাসে। তাকে তোর পরিচয় দিয়ে দেখ সাহেব কি করে। আর তা না হলে তোকে সেই পাপপুরীতে ফিরে যেতে হবে। এতদিন ফিরোজা বেগমের সঙ্গে নামায পড়ে এবং তার কাছে ধর্মের কথা শুনে তার মনে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আত্মহত্যা করতে তার মন কিছুতেই সায় দিল না। সেই পাপপুরীতে ফিরে যেতেও সায় দিল না। ভেবে ঠিক করল, সাহেবের সঙ্গে বেরিয়ে পড়া যাক। যেতে যেতে বুদ্ধি করে সাহেবের চোখকে ফাঁকি দিয়ে রাস্তায় নেমে কোথাও পালিয়ে যাবে। তারপর ভাগ্যে যা আছে তা হবে। তন্ময় তাকে মাঝে মাঝে কিছু টাকা দিত। তৈরি হয়ে সেগুলো নিল। তারপর তাড়াতাড়ি করে একটা চিঠি লিখল।

    সাহেব,

    আপনার ভালবাসা ও আপনার মায়ের স্নেহ মমতা ও মহানুভবতার কথা আমার চিরকাল মনে থাকবে। সে জন্যে আপনাদের কাছে শুধু কৃতজ্ঞতা জানান ছাড়া আমার আর কিছু নেই। এ যুগেও আপনাদের মতো যে মানুষ আছে, তা প্রত্যক্ষ না করলে বিশ্বাস করতাম না। আমি এক ভাগ্যবিড়ম্বিত মেয়ে। সবকিছু থেকেও আমার কিছু নেই। তাই ভাগ্যের হাতে নিজেকে সঁপে দিয়ে চলে যাচ্ছি। যদিও জানি এভাবে চলে যাওয়া খুব বড় অন্যায়, তবু ভাগ্যের ফেরে চলে যেতে বাধ্য হলাম। আপনারা যা কিছু দিতে চান, তা নেওয়ার যোগ্যতা আমার নেই। আমার অপরাধ ক্ষমাহীন। তবু আপনাদের ভালবাসা ও স্নেহমমতার কাছে ক্ষমা চাইছি। পারলে ক্ষমা করবেন। একটা ভালো মেয়ে দেখে অতি শিঘ্রী বিয়ে করবেন। নচেৎ আপনার মা আবার কঠিন অসুখে পড়ে যাবেন। আমার কথা কখনো মনে স্থান দেবেন না। আপনি একদিন আপনার ভালবাসার কসম দিয়ে আমাকে কিছু বলেছিলেন। আজ আমিও আমার ভালবাসার কসম দিয়ে বলছি, আমাকে চিরতরে ভুলে যান।

    ইতি

    .

    লেখা শেষ করে চিঠিটা বুকের কাছে ব্লাউজের ভিতরে রাখল। তারপর দরজা খুলে বেরিয়ে এসে বলল, চলুন।

    তন্ময় তৈরি হয়ে এতক্ষণ তার জন্য অপেক্ষা করছিল। তাকে সঙ্গে করে নিচে নেমে এল।

    তামান্না ফিরোজা বেগমকে কদমবুসি করতে তিনি মাথায় চুমো খেয়ে বললেন, তোমার চাচা চাচিকে বলো, আমি দু’একদিনের মধ্যে আসছি।

    গাড়িতে উঠে তন্ময় বলল, বাসার ঠিকানা বল।

    তামান্না ততক্ষণ বুদ্ধি এঁটে ফেলেছে। বলল, গুলিস্তান সিনেমার কাছে চলুন। সেখানে আমার একটা চাচাতো ভাই কাজ করে। তাকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় যাব।

    গাড়ি যখন গুলিস্তান সিনেমার কাছে এল তখন তামান্না বলল, পশ্চিম দিকের রাস্তায় পার্ক করুন। পার্ক করার পর বলল, আপনি একটু অপেক্ষা করুন, আমি ওকে ডেকে নিয়ে আসি।

    তন্ময় গাড়ির দরজা খুলে দেয়ার সময় বলল, আমিও সঙ্গে যাই না?

    তামান্না বলল, না না, আপনাকে আর আসতে হবে না। তারপর গাড়ি থেকে নেমে গুলিস্তান সিনেমার গেট দিয়ে ঢুকে গেল।

    তামান্না যে শাড়ি ব্লাউজ পরে হোটেলে এসে ছিল, সেগুলো নিজের সাইড ব্যাগে করে এনেছিল। ব্যাগটা তার কাঁধে ঝুলান ছিল। গাড়ি থেকে নেমে সোজা সিনেমার লেডিজ বাথরুমে ঢুকে নিজের জামা কাপড় পরে গহনাগুলো খুলে কাপড়ের সাথে জড়িয়ে ব্যাগে ভরে নিল। তারপর বাথরুম থেকে বেরিয়ে যাকে দেখল, তাকে দেখে ভয়ে তার মুখ বিবর্ণ হয়ে গেল। সামলে নিয়ে কোনো রকমে বলল, খালাম্মা কেমন আছেন?

    খালা গম্ভীর গলায় বলল, ভালো। তা নাগরকে ছেড়ে পালাচ্ছ কোথায়? ভেবেছ, নাগরের কাছ থেকে মোটা টাকা কামিয়ে আমাকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যাবে। আরে বাবা, আমি কি এতই বোকা, তোমাকে এক নাগরের সঙ্গে অন্য নাগরের কাছে পাঠিয়ে নিশ্চিন্তে থাকব? তোমার সেই মজাহার নাগর তো কাতারে উড়াল দিছে। এখন তুমিও উড়াল দেয়ার পাঁয়তারা করেছিলে। আমি এত কাঁচা কাজ করিনে। মজাহারের খবর পাওয়ার পর থেকেই তোমার উপর আমার লোক নজর রেখেছে। তারপর তাকে রিকসায় তুলে নিয়ে চলে গেল। বাসায় এসে বলল, এবার বের কর নতুন নাগরের কাছ থেকে কত টাকা বাগিয়েছিস।

    তামান্না বলল, টাকা পয়সার ব্যাপারে মজাহার তো আপনার সংগে চুক্তি মতো মিটিয়ে দিয়েছে।

    খালা বলল, তাতো মিটিয়েছে। তুই নতুন নাগরের কাছ থেকে টাকা পয়সা, সোনাদানা বাগাস নি?

    তামান্না উপায়ন্তর না দেখে ব্যাগটা খালার হাতে দিয়ে বলল, যা এনেছি এতে আছে।

    খালা ব্যাগটা খুলে জামা কাপড়ের সঙ্গে টাকা ও সোনার গহনাগুলো দেখে বেশ আনন্দিত হল। তবু গালে ঠোনা মেরে বলল, মাগী এতদিন ধনী নাগরের ঘর করে এলি আরো বেশি বাগাতে পারলি না? তোর রূপ যৌবন কাজে লাগাতে পারলি না? নে এবার খদ্দেরের জন্য তৈরি হ?

    তামান্না বলল, খালা, আমি আর এই পাপ কাজ করব না। তাতে আমার কপালে যা আছে তাই হবে।

    খালা গর্জে উঠল, মাগীর কথা শোন, নতুন নাগরের কাছে বুঝি সেই রকম ওয়াদা করে এসেছিস? তা সে রোজ আসবে তো? এলে মোটা রোজগার করে আমার হাতে দিবি। মনে রাখিস তা যদি না পারিস, তা হলে তোর কি অবস্থা হবে তখন বুঝবি। তারপর গজর গজর করতে করতে চলে গেল।

    .

    এদিকে তন্ময় অপেক্ষা করতে করতে ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলল। এক সময় গাড়ি থেকে নেমে সিনেমা হলের নিচে ও উপরে অনেক খোঁজা-খুঁজি করল। কিন্তু কোথাও পেল না। শেষে গাড়ির কাছে ফিরে এসে অপেক্ষা করতে করতে বেশ রাত হয়ে গেল। যখন বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে গাড়িতে উঠতে গেল তখন পিছনের সিটে একটা ভাঁজ করা কাগজ দেখতে পেল। হাত বাড়িয়ে কাগজটা নিয়ে পড়ে খুব অবাক হল। সেই সঙ্গে মনে খুব আঘাতও পেল। চিন্তা করল, তা হলে সে কি একটা কলগার্ল? না আরো খারাপ মেয়ে? চিঠিটা আরো কয়েকবার পড়ে তার মনে হল, মেয়েটাকে মজাহার রোজগারের টোপ হিসাবে ব্যবহার করছে। মেয়েটা ঐ দুষ্ট লোকের জালে স্বীকার হয়ে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এই কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। চেষ্টা করেও সেই জাল থেকে বের হতে পারছে না। গাড়িতে বসে আরো কিছুক্ষণ এই সব চিন্তা করল। তারপর রাত নটার দিকে বাসায় ফিরল।

    ফিরোজা বেগম ছেলের ফিরতে দেরি হচ্ছে দেখে চিন্তায় ছিলেন। তাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, কিরে এত দেরি হল কেন? তারপর ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, রাস্তায় কোনো বিপদ হয়নি তো?

    তন্ময় কয়েক সেকেন্ড কোনো কথা বলতে পারল না। তারপর সামলে নিয়ে বলল, না মা কোনো বিপদ হয়নি।

    তা হলে তোর মুখের অবস্থা ও রকম কেন? মেয়ের চাচা চাচির সঙ্গে কোনো গোলমাল হয়েছে?

    না তাও হয়নি।

    তা হলে কি হয়েছে বলবি তো?

    তন্ময় চিঠির কথা না বলে শুধু তামান্নার চলে যাওয়ার কথা বলল। ফিরোজা বেগম যেমন খুব আশ্চর্য হলেন তেমনি আতঙ্কিতও হলেন। কয়েক সেকেন্ড চিন্তা করে বললেন, মনে হয় কেউ ওকে কিডন্যাপ করেছে। তুই থানার সাহায্য নিলি না কেন?

    আমার সে কথা তখন খেয়াল হয় নি। তা ছাড়া এ ব্যাপারে থানায় জানান কি ঠিক হবে?

    থানায় না জানালে তুই তাকে খুঁজে বের করবি কি করে?

    ভেবে দেখি কাল সকালে যা করার করা যাবে। তারপর নিজের রুমে চলে গেল।

    সে দিন তন্ময় সারারাত ঘুমাতে পারল না। চোখ বন্ধ করলেই তামান্নার ছবি ভেসে উঠে। প্রতিজ্ঞা করল, যেমন করে হোক ওকে খুঁজে বের করতেই হবে। দুষ্ট লোকের বেড়াজাল থেকে বের করে এনে বিয়ে করবে। তা যদি করতে না পারে, তা হলে সারাজীবন বিয়েই করবে না।

    পরের দিন অফিসে গিয়ে এজাজকে ডেকে জিজ্ঞেস করল, মজাহার আপনার ক্লাশমেট ও বন্ধু ছিল। তার চরিত্র, আই মিন সে কি ধরনের ছেলে বলতে পারেন?

    এজাজ বলল, সে সময় তাকে ভালো বলে জানতাম। তার চারিত্রিক কোনো দোষ দেখিনি। তবে কয়েকদিন আগে বন্ধুদের কাছ থেকে তার চরিত্রের অবনতির কথা শুনেছি। কেন স্যার, সে কি আপনার সঙ্গে তেমন কিছু করেছে।

    সে কথা থাক। আপনি এখন আসুন।

    এজাজ চলে যাওয়ার পর তন্ময় থানায় যাওয়ার কথা চিন্তা করে দেখল, ও. সি. যখন তামান্নার সঙ্গে তার কি সম্পর্ক এবং তার চাচা চাচির নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করবে তখন কি বলবে? তামান্নার ফটোও চাইতে পারে। তার চাচাতো ভাই মজাহার টাকা নিয়ে তামান্নাকে তাদের বাড়িতে বৌ সাজিয়ে পাঠিয়েছে, তাও বলা যাবে না। মজাহারের দেশের বাড়ির ঠিকানাও জানা নেই। সেও এখন বিদেশে। এইসব সাত পাঁচ ভেবে তন্ময় থানায় গেল না।

    অফিস থেকে বাসায় ফিরে এলে ফিরোজা বেগম জিজ্ঞেস করলেন, থানায় গিয়েছিলি?

    তন্ময় বলল, না। তারপর থানায় জানাতে গেলে যে সব প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে, সেগুলো বলল। মাকে চিন্তা করতে দেখে আবার বলল, তুমি কোনো চিন্তা করো না, আমি নিজেই তার খোঁজ করব।

    ফিরোজা বেগম বললেন, যদি কেউ কিডন্যাপই করে থাকে, তা হলে তুই কি তাকে খুঁজে পাবি? যদিও পাস অথবা সে যদি নিজে ফিরে আসে, তখন কি আমরা তাকে গ্রহণ করতে পারব?

    তন্ময় মায়ের কথা শুনে খুব চিন্তিত হল। বলল, তবু আমি তাকে খুঁজে বের করব। তারপর যা করার ভেবে চিন্তে করা যাবে।

    ফিরোজা বেগম একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বলল, বেশ, তুই যা ভালো বুঝিস কর।

    এরপর থেকে তন্ময় শহরের রাস্তায় রাস্তায় অলিতে গলিতে খুঁজে বেড়াতে লাগল। যেখানে যায় সেখানেই সন্ধানী দৃষ্টিতে মেয়েদের দিকে তাকিয়ে দেখে। এভাবে পাঁচ ছ মাস কেটে গেল।

    একদিন ফিরোজা বেগম ছেলেকে বললেন, আর কতদিন তাকে খুঁজবি? আমার মনে হয় তাকে আর পাওয়া যাবে না। যারা তাকে কিডন্যাপ করেছিল, তারা তাদের মতলব হাসিল করে মেরে ফেলেছে। তুই তার কথা ভুলে যা। আমি অন্য মেয়ের সঙ্গে তোর বিয়ের ব্যবস্থা করি।

    তন্ময় বলল, না মা তা হয় না। তাকে আমি বিয়ে করব বলে কথা দিয়ে তোমাকে বাঁচাবার জন্য এনেছিলাম। তাকে আমি স্টাডি করে দেখেছি, তার মতো মেয়েই এতদিন খুঁজেছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সে তোমাকে ও আমাকে সুখী করতে পারবে।

    ফিরোজা বেগম বললেন, আমারও তাই মনে হয়েছিল। কিন্তু এতদিনেও যখন তার খোঁজ পাওয়া গেল না তখন……।

    তন্ময় মাকে থামিয়ে দিয়ে বলল, তুমি এতদিনের কথা কি বলছ মা, তাকে আমি সারাজীবন ধরে খুঁজে বের করার চেষ্টা করব। দেখে নিও একদিন না একদিন খুঁজে বের করে বিয়ে করে নিয়ে আসবই।

    তামান্নার প্রতি ছেলের ভালবাসা দেখে আর কিছু বললেন না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশেষ উপহার – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article জোঁকা – কাসেম বিন আবু বাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }