Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    বিশ্বরূপ মজুমদার এক পাতা গল্প132 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সে আমার ছোট বোন ● অভিষেক ঘোষ (শিবাঙ্গণ)

    সে আমার ছোট বোন – অভিষেক ঘোষ (শিবাঙ্গণ)

    –              “দাদা, এই দাদা, এদিকে একবার আয় না রে।”

    –              “আসছি।”

    –              “ঠিক আছে।”

    –              “হুমম”

    –              “দাদা, তোর অনেক দেরি হবে, তাই না রে?”

    –              “না রে, আসছি, জাস্ট দু’ মিনিট।”

    –              “দু’… মিনিট, বাবা রে বাবা, এত্ত দেরি…”

    –              “আসছি রে, একটু ওয়েট কর, সুমি, এখুনি আসছি।”

    –              “ঠিক আছে, না মানে দু’ মিনিট বললি তো…”

    –              “এই তো, আসছি।”

    –              “একটু তাড়াতাড়ি, প্লিজ।”

    –              “কেন রে, কী হয়েছে?”

    –              “না, কিছু হয়নি। এ… এমনি, আয়, বলছি।”

    –              “কেন রে? কিছু প্রবলেম?”

    –              “না না, প্রবলেম কিছু নয়…”

    –              “একটু দাঁড়া, আমার এই হয়ে গেছে।”

    –              “জানিস দাদা, সেদিন আমাদের হোস্টেলে একটা বড় সাপ বেরিয়েছিল। গো… গোখরো। সবাই তো ভয় পেয়ে একসা, সঞ্চিতা, রিনি, বিশাখা তো খাটের ওপর উঠে…”

    –              “সে কী রে, বলিসনি তো, সাংঘাতিক ব্যাপার। তারপর…?”

     

    আরও দেখুন
    সাপগুলো
    সাপটাকে
    সাপের
    সাপটা
    সাপ
    Library
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    পিডিএফ

     

    –              “তারপর আর কী? সা… সা… সাপটাকে তো তাড়াতে হবে… তা… তাই না?”

     

    আরও দেখুন
    সাপটাকে
    সাপটা
    সাপ
    সাপগুলো
    সাপের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    ডিকশনারি
    স্বাস্থ্য টিপস

     

    –              “সে তো বটেই, তো তোদের হোস্টেলের দারোয়ান…”

    –              “সে তো ভয়েই কাত, শেষমেশ আমিই…”

    –              “তুই গোখরো সাপ তাড়ালি?”

    –              “হ্যাঁ, তাড়ালাম তো। একটা লাঠি দিয়ে…”

    –              “সে কী রে, এ তো বিশাল সাহসের কাজ, যদি সাপটা তোকে…”

    –              “কে… কেন? আমার কি সা… সাহস নেই, নাকি?”

    –              “না, সেটা নয়, তাও গোখরো সাপ বলে কথা…”

     

    আরও দেখুন
    সাপ
    সাপগুলো
    সাপটা
    সাপের
    সাপটাকে
    Library
    গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    –              “দাদা, তোর হল রে, আর কত দেরি হবে তোর আসতে?”

    –              “এই তো, আসছি রে, একটু দাঁড়া…”

    –              “দ্যাখ, তোর যদি না আসতে ইচ্ছা করে তো ছেড়ে দে। আ… আসতে হবে না।”

    –              “যাচ্ছি, বললাম তো…”

    –              “সে তো, সেই এক ঘণ্টা ধরে বলছিস, আয় না রে, প্লিজ।”

    –              “কী হয়েছে রে?”

    –              “কী আবার হবে, এমনি ডাকছি, আয় না, প্লিজ…”

    –              “যাচ্ছি। তুই কি ভয় পেয়েছিস?”

    –              “ছেড়ে দে, আসতে হবে না তোকে, তোর মনে হচ্ছে, আমি ভয় পেয়ে তোকে ডাকছি। ভুলে যাস না, আমি নিজে…”

    –              “তুই নিজে, কী?”

    –              “গো… গো… গোখরো সাপ তাড়িয়েছি।”

    –              “হ্যাঁ, আমি জানি তো, তুই খুব সাহসী। তো… এখন কী হয়েছে?”

    –              “এই দাদা, আয় না… আয় না রে, তাড়াতাড়ি।”

     

    আরও দেখুন
    সাপ
    সাপের
    সাপটাকে
    সাপগুলো
    সাপটা
    লাইব্রেরি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    অনলাইন বুকস্টোর
    স্বাস্থ্য টিপস

     

    –              “কী জ্বালা রে বাবা, বলছি তো যাচ্ছি।”

     

    আরও দেখুন
    সাপ
    সাপের
    সাপটাকে
    সাপটা
    সাপগুলো
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    অনলাইন বুকস্টোর
    বই পড়ুন
    ডিকশনারি
    ই-বই পড়ুন

     

    –              “সে তো সেই কখন থেকে বলছিস, কিন্তু আসছিস কই, দ্যাখ আমি কিন্তু এবার…” (গলাটা কেঁপে উঠছে সুমির)

    –              “জাস্ট দু’ সেকেন্ড।”

    –              “তুই রাখ তোর দু’সেকেন্ড, আসতে হবে না তোকে, তোর বোন মরে যাক, তাও তুই শুয়ে থাক, ঘুমো। এই আমি বলে দিলাম, আমি মরে যাবার সময় ডাকলেও আর কোনওদিন তুই আসবি না, কোনওদিন না।”

    –              “কীসব আজেবাজে কথা বলছিস? এই তো…”

    –              “থাক তুই তোর ঘরে, দরকার নেই আমার এমন দাদার, তুই জানবি তোর বোন মরে গেছে।”

    –              “এ তো মহাফ্যাসাদ হল।”

    –              “আমি তোর ফ্যাসাদ, তাই না? আমার জন্য তোকে ফ্যাসাদে পড়তে হচ্ছে, তাই না রে?” (কেঁদে ফেলে সুমি)

    –              “আরে না না, সেটা কখন বললাম?”

    –              “শোন, আমি হেব্বি সাহসী। আমি যখন একা গো… গো… গোখরো সা… সাপ তাড়াতে পেরেছি, তখন আমি এবারও পারব। তোর হেল্প আমার লাগবে না। থাক তুই তোর মতো।”

    –              “এই তো এসে গেছি। কী হয়েছে রে?”

    নিজের ঘরে একটু শুয়েছিল রনি, ও এসে সুমির ঘরে ঢোকে। ঘরে ঢুকেই রনি দেখতে পায়, ওর বোনটা একরকম কাঠের মতো বিছানায় বসে আছে, ভয়ে মুখটা সাদা হয়ে আছে, ওকে দেখেই একরকম ঝাঁপ দিয়ে দাদার গলাটা আঁকড়ে ধরে সুমি।

    –              “কী রে, কী হয়েছে, এত ভয় পেয়ে গেছিস কেন?”

     

    আরও দেখুন
    সাপ
    সাপের
    সাপগুলো
    সাপটাকে
    সাপটা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    PDF
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

     

    সুমি ভয়ে ভয়ে হাতের ইশারায় বিছানার কোণে বসে থাকা বাচ্চা আরশোলাটাকে দেখিয়ে দেয়।

     

    আরও দেখুন
    সাপটাকে
    সাপের
    সাপ
    সাপগুলো
    সাপটা
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    রনি নিজেকে সংযত করে, সুমি দুঃখ পাবে ভেবে। সুমি তখনও ভয়ে ফ্যাকাসে হয়ে আছে।

    সুমির কানে ফিসফিস করে রনি, “আচ্ছা সুমি, তুই তো গোখরো সাপ একা তাড়িয়েছিস, তাও এই আরশোলাটার বেলা একটু ভয়-ভয় করে তাই না রে?”

    –              “না রে, দাদা, আসলে এই আরশোলাটা দেখলে আমার কেমন যেন গা গুলোয়, গা-টা ঘিন ঘিন করে, তাই তোকে ডাকলাম, এমনিতে আমি ওটাকে তাড়িয়েই দিচ্ছিলাম। তুই এসে গেলি যখন, তুই না থাকলে তো আমিই…”

    সুমির চোখের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে রনি, “হ্যাঁ, সে তো দেখতেই পেলাম।”

    * * * * *

    –              “দাদা, এই দাদা, এদিকে একবার আসবি রে?”

    ডাকটা এবার যেন অনেক স্পষ্ট করে শুনতে পায় রনি, ধড়মড় করে উঠে বসে বিছানায়, সুমি ডাকছে। ঠিক আগে যেমন ভাবে ডাকে। কোনও সামান্য সামান্য বিষয়ে ভয় পেয়ে যায় সুমি, মাকড়শা, গঙ্গা ফড়িং, ভিমরুল তো দূরের কথা সামান্য আরশোলা দেখলেও ওর ভয়ের শেষ নেই, দাদার ডাক পরবে। রনিকে গিয়ে সেটাকে সুমির চক্ষের আড়ালে না পাঠানো অব্দি, ওর স্বস্তি নেই। বায়না করেই যাবে। আসলে, ভীষণ ভয় পেয়ে যায় সুমি। বাইরে প্রকাশ করে না, এমন একটা ভাব দেখায় যেন কত না সাহস, আসলে ভিতুর ডিম একটা, ওর যত সাহস ওর দাদাকে ঘিরে।

    উঠে পড়ে রনি, বিছানা থেকে নেমে স্লিপারটা পায়ে দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যায়, দরজার দিকে। এবার সুমির গলার স্বরটা আরও একটু স্পষ্ট হয়, “তোর আসতে কি অনেক দেরি হবে রে?” কিছু বলে না রনি, ধীরে ধীরে গিয়ে দাঁড়ায় সুমির ঘরের দরজায়। আলতো চাপ দিতে দরজাটা খুলে যায়, ভিতরে ঢোকে রনি। ওই তো, সুমি বিছানায় বসে, মুখটা আবার সেই সাদা ফ্যাকাসে, তার মানে কিছু একটা দেখে আবার ভীষণ ভয় পেয়েছে।

    একটু থমকে দাঁড়ায় রনি। ও জানে আজ সেকেন্ড ডিসেম্বর। বাইরে বেশ কনকনে ঠান্ডা। জানলার বাইরে বেশ ঘন কুয়াশা জমে আছে, রাত তখন প্রায় একটা।

    –              “দাদা, কেমন আছিস রে?”

    –              “ঘাড় নেড়ে হেসে ওঠে রনি। ভালো, তুই কেমন আছিস?”

    এবার হাসিটা যেন একটু নিষ্প্রাণ। তবু হাসে সুমি, “ভালো। কিন্তু তুই তো এখন আর আমার ঘরে আসিসই না।”

    –              “না মানে, সেরকম কিছু নয়…”

    –              “আমাকে ভুলেই গেছিস বল?”

    –              “না রে, তা নয়, আসলে এত কাজের চাপ?”

    –              “কী এত কাজ রে দাদা, যে তোর একমাত্র বোনটার একটু খোঁজ নিতে পারিস না। আমি রোজ অপেক্ষা করি তুই আসবি, অথচ আসিসই না। আমার কোনও খোঁজই তুই নিস না। আমি কি খেলাম, না খেলাম, কিচ্ছু না।”

    –              “না মানে, তুই খেয়েছিস আজকে?”

    –              “নাহ, ভালো লাগছে না।”

    –              “কেন রে, ভালো লাগছে না বলে খাবি না?”

    মুখটা করুণ করে ওর দিকে তাকায় সুমি। “না রে, দাদা, রোজ ওই একই খাবার খেতে আর ভালো লাগছে না রে। ওরাও আর খেতে চাইছে না।”

     

    আরও দেখুন
    সাপ
    সাপগুলো
    সাপটা
    সাপটাকে
    সাপের
    PDF
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইনে বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বই ডাউনলোড

     

    –              “ওরাও আর খেতে চাইছে না” কথাটা শুনে বুকটা কেমন কেঁপে ওঠে রনির।

    –              “দ্যাখ না, আমার বন্ধুরা, না খেয়ে না দেয়ে, কেমন রোগা হয়ে যাচ্ছে। আমি চেষ্টা করি, ওদের জন্য একটু ভালো কিছু খাবার জোগাড় করতে, কিন্তু রোজ পাই না রে।”

    –              “তুই কিছু খাবি? আমি খাবার এনেছি তোর জন্য, এই দ্যাখ, তোর জন্য তোর ফেবারিট, চিকেন কষা।”

    ‘চিকেন কষা’ কথাটা শুনে সুমির চোখ দুটো যেন জ্বলজ্বল করে ওঠে। সত্যিই ওর ভীষণ খিদে পেয়েছিল, তবু ও নিজেকে নিয়ে ভাবে না, ও ওর বন্ধুদের নিয়েই বেশি চিন্তিত।

    রনি একটু এগিয়ে এসে ওর সঙ্গে করে নিয়ে আসা বড় পাত্রটা সুমির বিছানার একটা কোণে রাখে, যাতে ভর্তি করে রাখা চিকেন কষা। রনি সন্ধেবেলায় সব ব্যবস্থা করে রেখেছিল।

    –              “ওখানে, অত দূরে রাখছিস কেন, দাদা? দে আমার হাতে এনে দে।”

    –              “না মানে, এই তো।”

    –              “দাদা, সত্যি করে একটা কথার উত্তর দিবি?”

    –              “বল না, কেন দেব না?”

    –              “দাদা, তুই আমাকে ভয় পাস, তাই না?”

    কথাটা শুনে বুকটা কেঁপে ওঠে রনির, “না না, কী যে বলিস, ভয় পাব, কেন?”

    –              “সে তুই যাই বল, আমি জানি, তুই আমাকে ভয় পাস, কিন্তু আমি কী করব বল?”

    রনি দেখতে পায়, সুমির চাদরের তলা থেকে এক এক করে ওর বন্ধুরা বেরিয়ে আসছে, ওদের লক্ষ্য খাটের কোণায় রাখা চিকেনের পাত্রটা। এক এক করে তিনটে বিষধর গোখরো সাপ বেরিয়ে আসে। সত্যিই ওই ইঁদুর ছুঁচো ব্যাঙ খেয়ে খেয়ে ওদের আর মন ভরছিল না। কিন্তু সুমি আর তার বেশি কিছু পাবেই বা কোথা থেকে, ওর এই ছোট্ট কুঠুরির মতো ঘরটার বাইরে তো এই দশ বছর বেরোইই না। সেই ২০১২ সালের ২রা ডিসেম্বর থেকে এই ঘরে নিজেকে বন্দি করে রেখেছে ও।

    দিনটার কথা মনে হতে আজও শিউরে ওঠে রনি। ওদের পরিবারের জন্য একটা ভয়ঙ্কর অশুভ দিন ছিল ওই দিনটা। সুমি তখন কলেজের সেকেন্ড ইয়ারে পড়ছে আর রনি সবে কলেজ শেষ করে চাকরির জন্য চেষ্টা শুরু করেছে। ওই দিনটা ছিল, সুমির জন্মদিন। প্রতিবারের মতো ওরা নিজেদের মতো করে জন্মদিনের একটা আয়োজন করেছিল। সুমির ইচ্ছাতেই ওর হোস্টেল থেকে বিশাখা, সঞ্চিতা, রিমিদেরকেও ইনভাইট করেছিল সেদিন। আর ছিল ওদের কলেজের অনীক, রক্তিমরা, সবাই মিলে খুব আনন্দ হই হই করেছিল। তারপর কথা ছিল, নীচে একতলার একটা ঘরে অনীকরা রাতে থেকে যাবে, আর সুমির ঘরের পাশের উল্টোদিকের ঘরটায় বিশাখারা। বেশ অনেক রাত পর্যন্ত ওরা ভীষণ আনন্দ, মজা করেছিল। তারপর প্রায় সাড়ে বারোটা নাগাদ, সব মিটলে ওরা ঘুমোতে চলে যায়। নীচের ঘরে অনীকদের পৌঁছে দিয়ে রনি সেদিন ঘুমোতে গিয়েছিল। সুমির বাবা মাও সেদিন খুব আনন্দ করেছিলেন, সুমিকে আনন্দ করতে দেখে।

    কিন্তু পরদিন সকালে যখন ওদের ঘুম ভাঙল, তখন ওদের জন্য একটা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি অপেক্ষা করে ছিল, যার পূর্বাভাস ওরা কেউ পায়নি। রনিরা সুমির ঘরে গিয়ে দেখতে পেয়েছিল, ওর ছিন্নভিন্ন নিথর শরীরটা মাটিতে লুটিয়ে পরে রয়েছে। সারা শরীরে অজস্র আঘাতের চিহ্ন, কালসিটে পরে যাওয়ার কালো জমাট রক্তের ছোপ আর কোথাও তখনও টাটকা রক্ত চুঁইয়ে পরছে। কী ভয়ঙ্কর কষ্ট সুমি পেয়েছে ভেবে শিউরে উঠেছিল রনি। কিন্তু পাশের ঘরে বিশাখা আর নীচের ঘরে অনীকরা কেউ নেই, সঙ্গে ওরা যে গাড়িটা করে এসেছিল সেটাও ছিল না। কারওর বুঝতে বাকি ছিল না, ওরা সুমির চরম সর্বনাশ করে, ভোররাতে পালিয়েছে। ডাক্তার সুমিকে পরীক্ষা করে বলেছিলেন, ও মারা গেছে, বারংবার ওর ওপর শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। যার জন্য ওর শরীর থেকে অসম্ভব রক্তক্ষরণ হয়েছিল। আর শারীরিক ভাবে নিস্তেজ হয়ে পরলে ওকে গলা টিপে মেরে ফেলা হয়। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট অনুযায়ী ভোররাতের দিকেই ওই নিকৃষ্ট কাজটা করা হয়েছিল।

    সব কাজ মিটিয়ে যখন বিধ্বস্ত বাড়ির লোকজন বাড়ি ফিরে এসেছিল, তখন অনেক রাত হয়ে গেছে। কিন্তু সেদিন অনেকরাতে ফিরে রনি চুপ করে ওর ঘরে বসেছিল। নিজেকে ভীষণ অসহায় অপরাধী মনে হচ্ছিল ওর, ওর এত আদরের বোনকে এভাবে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হল, ও কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না। তারপর কখন যে ওর চোখটা বন্ধ হয়ে এসেছিল, ওর নিজেরও খেয়াল ছিল না।

    হঠাৎ একটা ক্ষীণ কণ্ঠ ওর কানে আসে, “দাদা, এই দাদা, একবার আসবি রে?”

    চমকে ওঠে রনি, এ তো সুমির গলা, কিন্তু…

    ও ছুটে গিয়েছিল সুমির ঘরে, সুমি বিছানায় বসে, ওর মুখটা ফ্যাকাসে সাদা, সাড়া গায়ে রক্তের ছোপ, চোখমুখে অসীম যন্ত্রণার আঁধার। নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিল না, রনি। সুমি সামনে পা দুটো ছড়িয়ে বসে আছে, আর ওর হাতে ধরা সেই সাপলুডো খেলার বোর্ডটা। রনির মনে পড়ে, ও যখন গতকাল রাতে শেষ ওর ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল, তখন ওরা সাপলুডো খেলছিল, ও বলেছিল, ‘দাদা, তুই শুতে যা, আমরা এই শেষ দানটা খেলেই শুয়ে পরব।’

    তারপর থেকে প্রতিবছর একটা করে অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে শুরু হয়, ঠিক ওই ২রা ডিসেম্বর রাতে। রনি, সুমির ঘর থেকে ওর ডাক শুনতে পায়, ওর মনে হয়, সুমি যেন ক্ষীণ কণ্ঠে ডাকছে, “দাদা, এদিকে একবার আসবি রে।”

    * * * * *

    আজ ২০২২ সাল, সেই ২রা ডিসেম্বর। এর মাঝে প্রত্যেক তেসরা ডিসেম্বর সকালে দেখা গেছে, সুমির বন্ধুরা একজন করে মারা গেছে, বিশাখা, সঞ্চিতা, রিমি, অনীক, রক্তিম, প্রত্যেকে। আর ওদের প্রত্যেকের মৃত্যুর কারণ ছিল বিষধর সাপের কামড়। এই ব্যাপারটা জানাজানি হওয়ার পর ওরা সব্বাই সব রকমের প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, গুনীন, ওঝা, তান্ত্রিক সবকিছু। কিন্তু কোনও রক্ষে হয়নি। ঠিক ওই নির্দিষ্ট দিনে কোথাও থেকে ভয়ঙ্কর বিষধর গোখরো সাপ ওদের কামড় দেয়, আর ওরা কয়েকমুহূর্তের মধ্যে বিষক্রিয়ায় মারা যায়। কয়েকজনের বাড়ির লোকেরা পরে জানিয়েছিল, ওই সময় রাতে ওঁদের ঘর থেকে ভয়ঙ্কর একটা হাসির শব্দ নাকি ওঁরা পেয়েছেন। কেউ বিশ্বাস করেছে, কেউ করেনি। কিন্তু তদন্তে সাপের কামড় ছাড়া আর কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু, রনি জানে এসব খুনগুলো সুমিই করেছে, ওর সাপলুডো খেলার বোর্ডের সাপগুলো দিয়ে, যেগুলো ওর নির্দেশ মতো খুন করে, আবার মিলিয়ে গেছে বোর্ডের ছবিগুলোতে। তাই কোথাও ওদের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    * * * * *

    আজ তাই ডাক পেয়েই রনি, এসে দাঁড়ায় সুমির ঘরে, সেই একদৃষ্টি, সেই এক বসার ভঙ্গি। কিন্তু এই এত বছরে আজ প্রথমবার সুমির ডাকে ওর ঘরে আসতে একটু ভয় লাগছে রনির। ওর সব বন্ধুদের তো ও শেষ করে দিয়েছে, রনি তো ভেবেছিল, ওর প্রতিশোধ পূর্ণ করার পর সুমির মুক্তি হয়ে যাবে, ও এবার আর ফিরে আসবে না। কিন্তু ও তো ডাকছে। তাও সুমির বন্ধু গোখরো সাপগুলোর জন্য রনি চিকেনের ব্যবস্থা করে রেখেছিল। সেটা নিয়েই ও এগিয়ে যায় সুমির দিকে। কিন্তু সত্যি বলতে কি ও চেয়েছিল সুমি যেন আর ফিরে না আসে। কিন্তু সেটা বাস্তবে হয়নি, এই লৌকিক জগৎ আর অলৌকিক জগতের দোলাচলে পরে, সুমি এবারেও ফিরে এসেছে।

    –              “কী রে, দাদা, তুই কি ভয় পাচ্ছিস, আমার কাছে আসতে?”

    সুমির কথায় সম্বিত ফেরে রনির, “না না, ভয় পাব কেন? আর তুই আমার নিজের বোন, তোকে আমি ভয়…”

    –              “জানিস তো দাদা, আগে আমি কত ভিতু ছিলাম, তাই না বল? কিন্তু জানিস তো আমি আর কিছুতে এখন ভয় পাই না, এই দ্যাখ…”

    নিজের হাতটা রনির দিকে এগিয়ে দেয় সুমি, তাতে দুটো বিষধর গোখরো সাপ জড়িয়ে রয়েছে। বাইরে কাঁচের জানলা দিয়ে যেটুকু আলো এসে পরছে, তাতে ঘরে একটা অদ্ভুত আলো আঁধারির পরিবেশ, আর তারমধ্যে ওই সাপগুলোর ভয়ঙ্কর শরীরটা কেমন যেন একটা মায়ার আবহ তৈরি করেছে। রনির ভয় করছে, তবু ও ঘর ছেড়ে যেতে পারছে না, ওর হাত পা শিথিল হয়ে আছে।

    –              “দাদা জানিস, আজই আমার শেষ ফিরে আসা, আর আমি তোর কাছে কোনওদিন ফিরে আসব না। আমি ওদের সব্বাইকে ওদের শাস্তি দিয়েছি।”

    –              “তুই?”

    –              “হ্যাঁ রে, আমি, আর আমি সেটা করেছি আমার ওই গোখরো বন্ধুদের সাহায্য নিয়ে, মরে যাওয়ার আগে ওদের যন্ত্রণায় কাতরানো মুখগুলো দেখে আমার ভীষন ভালো লাগত, আমার মনটা আনন্দে ভরে যেত, বিশ্বাস কর।”

    রনি বুঝতে পারে, ওর সন্দেহই সঠিক। সুমিই প্রত্যেক বছর এক এক করে ওদের মেরেছে।

    –              “দাদা, জানিস তো, প্রতিবছর ওরা এক এক করে আমার হয়ে ওদের শেষ করে দিয়েছে ঠিকই কিন্তু, আমি তো ওদের প্রতিদানে কিছু দিতে পারিনি, তাই না? ওই ইঁদুর, ছুঁচো, ব্যাঙ ধরে ধরে এনে ওদের খেতে দিয়েছি, আর ওরাও শুধু মাত্র বন্ধুত্বের জন্য মুখ বুজে আমার কাজ করে দিয়েছে। তবু জানিস তো, আমি বেশ বুঝি এইসব খেয়ে ওদের পেট ভরছে না, ওরা ক্ষুধার্ত। ওদের আরও ভালো খাওয়ার দেওয়া উচিত।”

    –              “তুই বল, ওরা কী খেতে চায়।”

    –              “না রে দাদা, আমার হাতে আর বেশি সময় নেই, আমাকে যে এবার যেতে হবে, সঙ্গে ওদেরও।”

    –              “তাহলে?”

    –              “জানিস দাদা, আমি অনেক ভেবে দেখেছি, সেদিন শুধু ওরাই অন্যায় করেনি। আর একজনও করেছিল।”

    –              “আরেক জন, কে সে?”

    –              “জানিস দাদা, আমি তোর নাম করে সেদিন অনেকবার ডেকেছি, তুই ছাড়া আর কাকে আমি ডাকব বল? কিন্তু তুই সেইদিন, একমাত্র সেইদিনই আমার ডাক শুনলি না।”

    –              “আরে, সেদিন আমি তো ঘরে গিয়ে একদম ঘুমিয়ে…”

    –              “মিথ্যা বলিস না, দাদা।”

    –              “বিশ্বাস কর, সুমি, আমি…”

    –              “আমি তোকে বিশ্বাস করি দাদা, কিন্তু সেইদিন তুই যদি আমার ডাক শুনে আমাকে বাঁচাতে ওপরে আসতিস, তবে তো আমাকে ওভাবে মরতে হত না, বল। তাই দোষ তো তোরও সেদিন ছিল, তাই না বল?”

    –              “কয়েকবার প্রতিবাদ করে, অবশেষে মাথা নিচু করে নেয় রনি। ও জানে, সুমিকে ভুল বোঝানো সম্ভব নয়।”

    –              “দিতাম রে, দাদা, আমি তো সত্যিই চেয়েছিলাম তোকে ক্ষমা করে দিতে, কিন্তু বন্ধুত্বের প্রতিদান আমি তাহলে কী করে দেব, বল?”

    –              “মা… মা… মানে…? কী বলছিস তুই?”

    –              “ওই যে বললাম, আমার গোখরো সাপেরা ভীষণ ক্ষুধার্ত, ওদের জন্য…”

    –              “আমি ওদের জন্য খাবার নিয়ে আসছি, কী আনব বল?”

    হো হো করে হেসে ওঠে সুমি, “ওরা তোর আনা খাবার খাবে না রে, ওদের এখন দরকার তাজা মাংস।”

    একটা তীব্র আর্তনাদ করে রনি পড়ে যায়, ওর সারা শরীরে তখন বিষধর সাপেরা ধীরে ধীরে পেঁচিয়ে ধরছে, ওদের পাশবিক উল্লাসে ছোবলের পর ছোবল বসাতে থাকে রনির গায়ে, বুকে, মাথায়, চোখে। যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠে রনি, ও বুঝতে পারে ওর সারা শরীর জ্বলে যাচ্ছে বিষক্রিয়ায়। দম বন্ধ হয়ে আসছে, ধীরে ধীরে। ভুলের শাস্তি যে এত বিষম হবে, সে কথা ও কল্পনাও করেনি, কোনওদিন।

    সুমির কাজ শেষ, ও চলে যায় বাইরের ঘোলাটে অন্ধকারে, ও ওর বন্ধুদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি, যেমনটা ওর বন্ধুরা ওর সঙ্গে করেছিল। ওর দেওয়া কথামতো ও ওদের জন্য তাজা নরমাংস দিয়ে গেল, না হলে যে, বন্ধুত্বের ওপর থেকে মানুষের বিশ্বাসটাই অবলুপ্ত হয়ে যাবে।

    .

    অভিষেক ঘোষ (শিবাঙ্গণ)

    তিনি চেষ্টা করেন কাগজে কলম দিয়ে কিছু আঁকিবুঁকি কাটতে। বেশিরভাগ পাতাই নষ্ট হয়, তাঁর মধ্যে কোনও কোনওটা, কোনও বিমূর্ত আকৃতি পেলে সেটাই হয়ে যায় গল্প। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর, তারপর ম্যানেজমেন্টের ডিগ্রি। বর্তমানে এক বড় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। লেখক বলেন, “তবু লিখতে ভালোবাসি বলে লেখা, মস্তিষ্কের পুষ্টির আশায়।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতিহাস কথা বলে – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার
    Next Article ভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    Related Articles

    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ইতিহাস কথা বলে – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    রহস্য রোমাঞ্চ : সম্পাদনা – বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }