Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    বিশ্বরূপ মজুমদার এক পাতা গল্প132 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সমুদ্র সাক্ষী ● উস্রি দে

    সমুদ্র সাক্ষী – উস্রি দে

    সমুদ্রের ঢেউ ভাঙছে, সাদা সাদা ফেনা যেন নীল শাড়ির সাদা পাড়। এখন জোয়ার চলছে। তাই বেশ বড় বড় ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে সৈকতে। সন্ধে নেমেছে কিছুক্ষণ আগে। সমুদ্রের কাছাকাছি এই সৈকতেই আমি ঘোরাঘুরি করি বেশি, কী এক অদ্ভুত টান! এই জায়গাটা একটু পাথুরে। হঠাৎ নজরে পড়ল লোকটাকে। একটা পাথরে বসে আছে সমুদ্রের দিকে মুখ করে। আশ্চর্য লাগল! এই সময়ে সব পর্যটক তো সাধারণত নিজেদের হোটেল রুমে ঢুকে পড়ে। সারাদিনের দাপাদাপি সাগরবেলায়, রাত বাড়লে শ্রান্ত দেহ আরাম চায়, তাই কোটরে ঢুকে পানাহার সহযোগে ফুর্তি চলে। এই তো দেখে আসছি এতদিন ধরে। এই লোকটিই ব্যতিক্রম! কী ব্যাপার! সঙ্গে কেউ নেই, একদম একা নাকি! লোকটিকে ছাড়িয়ে অনেকটা চলে গিয়েছিলাম উলটো দিকে। ততক্ষণে চাঁদ বেরিয়ে এসেছে মেঘের আড়াল থেকে। চারপাশের অনেক কিছুই এখন দৃশ্যমান। ফিরে আসার সময় হাঁটতে হাঁটতে কখন যে লোকটির পেছনে চলে এসেছি, খেয়াল নেই। খেয়াল হল যখন সমুদ্রের গর্জন ছাপিয়ে একটা ভাঙা ভাঙা কণ্ঠস্বর আমার কানে পৌঁছল।

    ‘এক্সকিউস মি, আপনার কাছে কোনও লাইটার হবে?’

    আমি ভাবলাম, লোকটা বাংলায় কথা বলল কী ভেবে? আমি তো বাঙালি নাও হতে পারতাম!

    ‘সরি, আমি স্মোক করি না।’

    ‘ওহ!’ লোকটা বোধহয় একটু হতাশ হল।

    ‘আপনি কি বেড়াতে?’

    ‘হ্যাঁ, ওইরকমই।’

    মানেটা ঠিক বুঝলাম না। হয় বেড়াতে, না হয় কোনও কাজে, মাঝামাঝি কিছু হয় বলে তো আমার জানা নেই। আমি আবার পা বাড়াতেই লোকটি বলে উঠল – ‘আপনি?’

    ‘আমি এখানেই থাকি।’

    ‘আচ্ছা! আমি নীলাঞ্জন সান্যাল। যদি কিছু মনে না করেন, এখানে বসতে পারেন। আলাপ করা যাবে।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    PDF বই
    বই ডাউনলোড
    বাইশে শ্রাবণ
    লাইব্রেরি
    PDF
    বাংলা সাহিত্য
    Library
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    প্রস্তাবটা খারাপ লাগল না। লোকটার থেকে কিছুটা দূরে একটা পাথরের ওপর বসে পড়লাম। চাঁদের সঙ্গে মেঘেদের লুকোচুরি চলছে। যেমন এই মুহূর্তে মেঘেদের হালকা চাদর সরে গিয়ে ছেঁড়া ফাটা চাঁদের আলোয় লোকটার মুখ কিছুটা হলেও স্পষ্ট। মুখে কেমন যেন উদ্বেগের ছাপ। আমার দিকে তাকিয়ে বলল – ‘আচ্ছা আপনার কি মনে হয় দাম্পত্য জীবনের দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাটানোর পরেও একজন আর একজনকে পুরোপুরি চিনে উঠতে পারে?’

    একটুক্ষণ চুপ করে থেকে বললাম – ‘দেখুন, আমার মনে হয়, কোনও মানুষের পক্ষেই আর একজন মানুষকে সবটা জানা বোধহয় কখনওই সম্ভব না।’

    ‘কেন বলুন তো?’

    ‘কারণ, প্রতিটি মানুষের আলাদা আলাদা সত্তা, আলাদা প্রকৃতি, আলাদা মন।’

    ‘তবু বহুদিন একসঙ্গে পাশাপাশি থাকলে তো কিছুটা আন্দাজ করা যায়, নাকি?’

     

    আরও দেখুন
    ডিকশনারি
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুকস্টোর
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

     

    ‘আন্দাজ হয়তো করা যায়, তবে তার সঙ্গে সত্যিটা মেলে না সবসময়।’

    ‘হুঁ, ঠিকই। সত্যিটা মেলানো খুব মুশকিল!’

    লোকটির গলায় বিষণ্ণতার ছোঁয়া। এদিকে আমার কৌতূহল বাড়লেও ভদ্রতার খাতিরে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারছি না। একজন অপরিচিতের দাম্পত্যে তো নিজে থেকে নাক গলানো যায় না। কিছুক্ষণ চুপচাপ। হঠাৎ লোকটি কেমন যেন আচ্ছন্নের মতো বলে উঠল – ‘কিন্তু আমি তো করবীকে ছাড়া অন্য কিছু ভাবিনি কখনও! বিগত পনেরো বছর ধরে, তিল তিল করে গড়ে ওঠা আমাদের সংসারে, আমি তো সারাক্ষণ শুধু ওকেই খুশি রাখতে চেয়েছি! ওর পছন্দের সব, সবকিছু এনে দিয়েছি, যতটা আমার সাধ্যে কুলিয়েছে!’

    আমি নীরব থাকাই শ্রেয় মনে করলাম। লোকটি বলে চলল – ‘জানেন, এতদিন আমারও মনে হত, করবী আমাকে নিয়েই খুশি আছে। যদিও আমাদের কোনও সন্তান নেই, তবুও সেই শূন্যতা আমাদের মধ্যে কোনও দূরত্ব তৈরি করতে পারেনি। আমরা ছিলাম দু’জনেই দু’জনের পরিপূরক। অফিসের সময়টুকু বাদ দিলে, আমি সবসময়ই করবীকে সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। একসঙ্গে সিনেমা দেখা, রেস্টুর‍েন্টে খাওয়া, বছরে দু’বার নিয়ম করে বাইরে ঘুরতে যাওয়া। কিন্তু, এত সবের পরেও, আজ আমি একজন ব্যর্থ মানুষ! আমার সমস্ত জীবন জুড়ে যে মানুষটি জড়িয়ে আছে, সে… সে যে গোপনে অন্য কারওর সঙ্গে…’

     

    আরও দেখুন
    লেখকের বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বই ডাউনলোড
    Books
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    অনলাইনে বই

     

    শেষের কথাগুলো ভাঙা ভাঙা স্বরে বলে লোকটা দু’হাত দিয়ে মুখ ঢাকল। আমি দেখলাম ওর নুয়ে থাকা শরীরটা কেঁপে কেঁপে উঠছে। লোকটা কাঁদছে। আমার কিছু বলা উচিত কি না বুঝতে পারছি না। মনে হল, থাক – কাঁদলে লোকটার মনটা কিছুটা হালকা হবে। কিছুক্ষণ বাদে মুখ তুলে চাইল লোকটা। একটু বিব্রত মনে হল।

    ‘কিছু মনে করবেন না, আমি এভাবে…’

    ‘না না, ঠিক আছে।’

    আমি তাড়াতাড়ি বলে উঠলাম – ‘আসলে কী জানেন, বহুদিন ধরে নিজের মনেই কষ্ট গিলতে চেষ্টা করেছি, কাউকে কিছু বলতে পারিনি। কী বলব বলুন তো? নিজের থুথু ওপরের দিকে ছুড়লে তো নিজের গায়েই লাগবে, তাই না? কিন্তু, এখন দিন কে দিন সহ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে। তাই আর নিজেকে সামলে রাখতে পারছি না!’

    লোকটার জন্য মায়াই হচ্ছিল। যেভাবে একজন অচেনা লোকের কাছে একান্ত ব্যক্তিগত কথাগুলো উজাড় করে দিচ্ছিল, মরিয়া না হলে মানুষ সাধারণত সেটা করে না। একসময় আমি বললাম – ‘আচ্ছা, আপনার কোথাও কোনও ভুল হচ্ছে না তো?’

     

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বুক শেল্ফ
    PDF
    পিডিএফ
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা অডিওবুক

     

    ‘ভুল! আমিও প্রথম প্রথম এই বলেই মনকে সান্ত্বনা দিতাম। কিন্তু, যেদিন নিজের চোখে…। নিজের চোখকে তো আর অবিশ্বাস করতে পারি না, তাই না?’

    ‘না, তবুও… অনেকসময় আমরা যেটা দেখি চোখের সামনে, সেটা সত্যি মনে হলেও আসল সত্যিটা থাকে আড়ালে। যখন সেটা জানা যায়, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। এরকমও হয়।’

    ‘না, আমার কোনও ভুল হয়নি। বেশ কয়েকবার দেখে তবেই আমি এই সিদ্ধান্তে এসেছি।’

    আবার কিছুক্ষণের নীরবতা। একসময় লোকটি বলে উঠল – ‘সেদিন অফিস থেকে একটু তাড়াতাড়িই বেরিয়ে পড়েছিলাম। ট্রামে করে ফিরছি, বেশ ফুরফুরে হাওয়া দিচ্ছে। ভেবেছিলাম অসময়ে বাড়িতে ফিরে করবীকে একটা সারপ্রাইজ দেব। বাড়িতে ঢুকে তেতলায় উঠে ডোর বেলটা বাজালাম। উত্তর কলকাতার সাবেক আমলের বাড়িতে ভাড়া থাকি আমরা। বেল বাজানোর পর কিছুক্ষণ কেটে গেল। কোনও সাড়া শব্দ নেই। মনে মনে অবাক হলাম। তাহলে কি করবী গা ধুতে বাথরুমে ঢুকেছে? আবারও বাজালাম বেলটা। এবারে দরজা খুলল করবী। আমায় দেখে নিরাসক্ত ভাবে বলে উঠল – ‘ও, তুমি?’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Books
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বুক শেল্ফ
    রেসিপি বই

     

    আমার বেশ অদ্ভুত লাগল ওর ওই নির্লিপ্ততা। বললাম – ‘হ্যাঁ, আজ আর কাজ করতে ইচ্ছে হচ্ছিল না। তাই পালিয়ে এলাম। বাইরে বেশ হাওয়া দিচ্ছে, চলো কোথাও থেকে ঘুরে আসি। সাধারণত, এরকম প্রস্তাবে করবী আনন্দে উচ্ছসিত হয়ে উঠত। তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নিত বেরোবার জন্য। কিন্তু সেদিন সেসব কিছুই না করে একটু উষ্মার সঙ্গেই বলল – ‘এভাবে যখন তখন অপ্রয়োজনে টাকা ওড়ানোটা কি ঠিক হচ্ছে? ভবিষ্যতের কথাও তো ভাবা উচিত, তাই না?’ করবীর এইরকম প্রতিক্রিয়ায় আমি হতবাক হয়ে গেলাম। করবী বলল – ‘তোমার জলখাবার আনছি, তুমি ফ্রেশ হয়ে নাও।’ এরপর সন্ধের দিকে ছাদে উঠব বলে সিঁড়িতে পা দিয়ে দেখি, ছাদের দরজাটা হাট করে খোলা। ভাবলাম, বিকেলে শুকনো জামাকাপড় ছাদ থেকে তুলে এনে বোধহয় দরজাটা দিতে ভুলে গেছে করবী। কিন্তু ছাদে পা দিয়েই আর একটা জিনিস আমার নজর কাড়ল। ছাদের এক কোণে সিগারেটের স্টাব ইতস্তত ছড়ানো। আমি বিস্মিত হয়ে ভাবলাম এই ছাদে তো আমি আর করবী ছাড়া আর কারওর আসার কোনও সুযোগ নেই। আর আমি তো প্রায় এক সপ্তাহ বাদে ছাদে এলাম। তাহলে!’

    ‘তারপর?’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বইয়ের
    স্বাস্থ্য টিপস
    অনলাইনে বই
    বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

     

    এবারে আমার কৌতূহল উত্তরোত্তর বাড়ছে।

    ‘আমি খুব চেষ্টা করছিলাম সবকিছু ভুলে স্বাভাবিক আচরণ করতে। কিন্তু কোথায় যেন একটা কাঁটা বিঁধে রইল। অস্বস্তিটা রয়েই গেল। করবীকেও আমার দিনদিন বেশ নিরুত্তাপ লাগছিল। এরমধ্যে একদিন আমার এক আত্মীয়ের সিভিয়ার হার্ট অ্যাটাকের খবর পেয়ে অফিস থেকে সোজা ছুটলাম হসপিটালে। যাওয়ার আগে ফোনে করবীকে জানিয়েছিলাম ফিরতে দেরি হবে। আর সেইদিনই এতদিনের গোপনীয়তা আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল।’

    ‘কীরকম?’

    ‘বাড়ি ফিরতে সেদিন বেশ রাত হয়ে গিয়েছিল। সদর দরজা দিয়ে ঢুকতে যাব হঠাৎ আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সক্রিয় হয়ে উঠে জানান দিল ছাদের ওপরে কারওর একটা নড়াচড়া। আবছা আলোয় খুব অস্পষ্ট হলেও আমি যেন কাউকে ছাদের পুব দিকে সরে যেতে দেখলাম। নীচ থেকে অবশ্য তেতলার ছাদের সবকিছু বোঝা সম্ভব নয়, তবুও আমি জানি আমি ভুল দেখিনি। উত্তর কলকাতার এইসব পুরনো বাড়ির ছাদ পাশের বাড়ির সঙ্গে লাগোয়া থাকে, দেখেছেন তো? তাই ছাদ টপকে পালানোটা ওখানে খুব বড় ব্যাপার নয়। তেতলায় উঠে কয়েকবার বেল বাজালাম। করবী এসে দরজা খুলেছে। আলুথালু বেশ, চোখেমুখে একটা বেশ তৃপ্তির আমেজ! বলল – ‘ইস, তুমি অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে আছো না? দ্যাখো কাণ্ড, আমি এমন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম…’ তারপর অনর্গল কথা বলে, এটা-ওটা জিজ্ঞেস করে, আমাকে খাবার বেড়ে দিয়ে যতই স্বাভাবিক থাকার অভিনয় করুক, আমার বেডরুমে সেদিন অন্য কারোর উপস্থিতি আমি আমার সবক’টি ইন্দ্রিয় দিয়ে বুঝে গিয়েছিলাম। বিশেষ করে, ঘরের ভেতর সিগারেটের গন্ধ!’

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বই ডাউনলোড
    বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    নতুন বই
    রেসিপি বই
    PDF বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি

     

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু সেই ব্যক্তির সঙ্গে যে আপনার স্ত্রী’র অবৈধ সম্পর্ক আছে, এমন কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণ তো আপনি পাননি, তাই না?’

    ‘আরে মশাই, আমার বেডরুমে অন্য কারওর উপস্থিতি আর কী জন্য হবে বলুন তো? নাঃ, আমার আর কোনও কিছুতেই বিশ্বাস নেই। কী করে যে এ থেকে মুক্তি পাব, বুঝতে পারি না!’ বলে মাথার চুল খামচে ধরলেন নীলাঞ্জন।

    ‘মুক্তি! সত্যিই মুক্তি পেতে চান?’

    ‘অবশ্যই! আপনার জানা আছে কোনও উপায়? থাকলে বলুন না!’ লোকটির আর্তি শুনে আমার ঠোঁটের কোণে একটু হাসি খেলে গেল।

    ‘মুক্তি পাওয়ার তো অনেক রাস্তা আছে, এবারে আপনি কোনটা বেছে নেবেন সেটা আপনার ওপর।’

    ‘হেঁয়ালি না করে খুলে বলুন না, দাদা!’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    লাইব্রেরি
    Library
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    গল্প, কবিতা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    ডিকশনারি
    অনলাইনে বই

     

    ‘দূরে ওই যে একটা লাল আলো জ্বলছে, দেখতে পাচ্ছেন?’ বললাম আমি।

    নীলাঞ্জন ঘাড় ঘুরিয়ে আলোটা দেখার চেষ্টা করে বলল – ‘হ্যাঁ, দেখছি। ওখানে কী আছে?’

    ‘ওইখানেই তো মুক্তি!’

    ‘মানে?’

    ‘এই বিচটা যে খুব রকি সেটা তো দেখছেন? তো ওই জায়গায় সমুদ্র একটা বাঁক নিয়েছে। ওখানে পাথরের একটা উঁচু টিলা মতন আছে, যেখানে লাল বাতিটা জ্বলছে। ওই টিলাটায় উঠে দাঁড়ালে অনেক নীচে দেখা যায় অসমান পাথরের সারিতে ধাক্কা খেয়ে ঢেউগুলো ভাঙছে। তার কী গর্জন! পূর্ণিমার রাতে ওই ভয়ঙ্কর সৌন্দর্য একবার নিজের চোখে দেখে আসুন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে! মুক্তির আস্বাদ পেয়ে যাবেন।’

    ‘ধুর, ওর সঙ্গ আমার এখন বিষের মতো লাগে!’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    Books
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    লাইব্রেরি
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    নতুন বই
    PDF
    বইয়ের তালিকা
    ডিজিটাল বই

     

    ‘সেইজন্যই তো বলছি, বিষাক্ত সঙ্গ পরিত্যাগ করুন, ঝেড়ে ফেলুন, মশাই! ঝেড়ে ফেলুন!’

    ‘আপনি যে কী বলছেন, কিছুই মাথায় ঢুকছে না!’

    ‘আরও খুলে বলতে হবে? নিশুতি রাত, চারপাশে কেউ নেই, টিলার মাথায় শুধু আপনারা দু’জন। দুরন্ত হাওয়ায় উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে মনে হবে। নীচে ফেনিল জলরাশি উদ্দাম গতিতে ছুটে এসে আছড়ে পড়ছে, বিন্দু বিন্দু জলকণার ঝাপটা এসে লাগছে চোখে মুখে। আকাশ জুড়ে চাঁদের আলো। এই সময়, ঠিক এই সময়…’

    ‘কী? এই সময় কী? থামলেন কেন, বলুন!’

    ‘ঠিক এই সময় আপনি আবেগে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে আপনার স্ত্রীকে পেছন থেকে একটা মৃদু ধাক্কা…। ব্যস, মুক্তি! চিরকালের মতো!’

    শুনতে শুনতে নীলাঞ্জনের চোখদুটো জ্বলে উঠল। ‘কিন্তু, করবী যদি যেতে রাজি না হয়!’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    Books
    বাংলা অডিওবুক

     

    ‘রাজি করাবার দায়িত্ব আপনার। আগামি পরশুই তো পূর্ণিমা! দেখুন!’

    ‘অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আজ চলি।’ বলতে বলতেই হাঁটা দিল নীলাঞ্জন। এখন ও একটা ঘোরের মধ্যে আছে। আমি মনে মনে হাসলাম। ওষুধ ধরেছে!

    হোটেলে ফিরল নীলাঞ্জন বেশ ফুরফুরে মেজাজে। করবী ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ছিল। নীলাঞ্জন পেছন থেকে জড়িয়ে ধরতেই চমকে উঠল। ওকে কাছে টেনে নিতে নিতে বলল – ‘করবী, একটা দারুণ জায়গার খোঁজ পেলাম। পূর্ণিমার রাতে ভীষণ সুন্দর লাগে ওখান থেকে সমুদ্র দেখতে। যাবে? পরশুই তো পূর্ণিমা! চলো যাই! এখান থেকে বেশি দূরে নয়।’ কিছুদিন ধরে যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল দু’জনের মধ্যে একটু একটু করে, হঠাৎ কী এক দুরন্ত আবেগে তা মুছে গেল মুহূর্তে। করবীর মনেও কোথাও জমে থাকা অভিমান চোখের জলের সঙ্গে ধুয়ে যেতে লাগল।

    দু’দিন পর রাতে তাড়াতাড়ি ডিনার সেরে নীলাঞ্জন করবীকে নিয়ে হোটেলের বাইরে এসে একটা অটো নিল। রাত তখন সাড়ে ন’টা হবে। আজ করবীও খুব উচ্ছসিত। যেন আগের দিনগুলো আবার ফিরে এসেছে এমনই মনে হচ্ছিল নীলাঞ্জনের। অভিনয়টা নিখুঁত করছে নীলাঞ্জন। করবী একটুও সন্দেহ করেনি। অবশ্য করবীও কম যায় না! নীলাঞ্জনকে যেন চোখে হারাচ্ছে এমন ভাব! যদিও অভিনয়টা করবীর মজ্জাগত!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    অনলাইনে বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য
    ডিজিটাল বই
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    রেসিপি বই

     

    যে পাথুরে টিলার ওপর লাল আলোটা জ্বলছে, সেটা বেশি দূরে না মনে হলেও এখন যেতে যেতে বোঝা যাচ্ছে জায়গাটা খুব কাছেও নয়। যা হোক, শেষমেশ নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে অটোর ভাড়া মিটিয়ে করবীকে নিয়ে টিলার ওপর উঠতে শুরু করল নীলাঞ্জন। পাথর কেটে সিঁড়ির ধাপ করা আছে। যদিও অসমান। করবী আজ নীলাঞ্জনের পছন্দের আকাশি নীল রঙের শাড়ি পড়েছে। কপালে লাল টিপ। খুব সুন্দর লাগছে ওকে। আর কতক্ষণই বা! এরপর তো ওকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না! আজ রাতে কেউ জানতেও পারবে না। আর কাল সকালে ভোর হওয়ার আগেই নীলাঞ্জন হোটেল লিভ করে যাবে। রাতেই তাই ও সব বিল মিটিয়ে দিয়ে এসেছে। আহা, ভাবতেই কী ভালো লাগছে! মুক্তি!

    ‘এই, একটু হাতটা ধরো। বেশ খাড়া আছে সিঁড়িগুলো!’ করবীর কথাতে চমক ভাঙে নীলাঞ্জনের। হাত বাড়িয়ে টেনে তোলে করবীকে। ব্যস, আর সিঁড়ি নেই। একটা পাথুরে চাতাল মতো। দু’জনে এসে দাঁড়াল ওইখানে। আজ পূর্ণিমা। আলোয় ঝলমল করছে আকাশ। আর সেই আলো প্রতিফলিত হচ্ছে অনেক নীচে সমুদ্রের ঢেউয়ে। পূর্ণ জোয়ার চলছে এখন। নীচের থেকে ফেনিল ঢেউগুলো টিলার গায়ে জেগে থাকা কর্কশ পাথরে ধাক্কা খেয়ে ফুঁসে উঠছে। তাকিয়ে থাকতে থাকতে কেমন একটা ঘোর লেগে যায় চোখে। নীলাঞ্জন আর করবীরও তখন সেইরকমই লাগছিল। খুব জোরে হাওয়া বইছে, নিচ থেকে সমুদ্রের গর্জন, সব মিলিয়ে কেমন একটা অপার্থিব অনুভব! ওরা দু’জনেই তন্ময় হয়ে দেখছিল! হঠাৎ নীলাঞ্জনের কানের পাশে কে যেন ফিসফিসিয়ে বলে উঠল – ‘কী হল, নীলাঞ্জন! মুক্তি চাই না?’ শিউরে উঠল নীলাঞ্জন।

    ‘এ কী? আপনি এখানে? কী করে?’

    আমি বললাম – ‘আমি তো এখানেই থাকি!’

    ‘এখানে? মানে?’

    ‘এখানে মানে এখানে!’ বললাম আমি।

    ‘কিন্তু, আপনি কখন এলেন? আমরা তো উঠছিলাম, আপনাকে দেখিনি তো!’

    ‘কার সঙ্গে কথা বলছ তুমি!’ করবীর ভয়ার্ত স্বরে সচকিত হল নীলাঞ্জন। যাক, করবী তাহলে দেখেনি।

    ‘আর দেরি করবেন না, মুক্তি আপনার হাতের মুঠোয়!’ নীলাঞ্জন আবারও বলল – ‘কিন্তু আপনাকে দেখতে পাচ্ছি না কেন?’

    ‘নীলাঞ্জন, আপনি যে কাজ করতে এসেছেন, সেটা করুন। প্রশ্ন করবেন না।’

    ইতিমধ্যে, হাওয়ার গতি বেড়ে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। চাতালের ওপর নীলাঞ্জন আর করবীর দাঁড়িয়ে থাকতে বেশ অসুবিধে হচ্ছে। হাওয়ায় যেন উড়িয়ে নিয়ে যাবে যে কোনও মুহূর্তে। নীলাঞ্জনের খুব শীত করছে।

    ‘শুনছ, চলো আমরা নীচে নেমে যাই। এখানে থাকব না। আমার খুব ভয় করছে!’ করবীর কথাগুলো কেমন আর্ত চিৎকারের মতো শোনাল।

    ‘নীলাঞ্জন, আর সময় নষ্ট করবেন না! এই তো সুযোগ! তাড়াতাড়ি করুন!’

    নীলাঞ্জন কেমন বিহ্বল, যেন মন্ত্রচালিতের মতো করবীর দিকে হাত বাড়িয়ে ওকে কাছে টেনে নিল। তারপর ওকে জাপটে ধরে চাতালের কিনারের দিকে এগিয়ে চলল।

    ‘কী করছ! ওদিকে যাচ্ছ কেন? ছেড়ে দাও আমাকে!’ করবীর ভয়ার্ত কণ্ঠস্বর সমুদ্রের গর্জন ও হাওয়ার শনশনানি ছাপিয়েও শোনা গেলো। নীলাঞ্জন কিছু না বলে ওকে আরও শক্ত করে ধরে টানতে লাগল।

    ‘তোমার মনে এই ছিল! ছেড়ে দাও, ছেড়ে দাও বলছি!’ ছাড়া পাওয়ার জন্য করবীর ঝটপটানি বেড়ে গেল। ওদিকে নীলাঞ্জনও সর্বশক্তি দিয়ে করবীকে ঠেলে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে, কানের কাছে ফিসফিসানি চলছে – ‘আর একটু, নীলাঞ্জন! আর একটু! এরপরই মুক্তি! চিরজীবনের মতো!’

    ‘আ…আ…আ…!’ একটা তীব্র আর্তনাদ বেড়িয়ে এল করবীর গলা চিরে! রাতের আকাশ বাতাসে ছড়িয়ে গেল।

    নীলাঞ্জনের খুব হালকা লাগছে। শরীরটা যেন পালকের মতো, ভেসে ভেসে বেড়াচ্ছে। মুক্তি! এটাই তো চেয়েছিল ও। কিন্তু ওটা কে পড়ে আছে, ওই পাথরের খাঁজে? কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে যায় নীলাঞ্জন। সামনে গিয়ে চমকে ওঠে – ‘এ কী! এ তো নীলাঞ্জনের থেঁতলে যাওয়া দেহ! তাহলে করবী? করবী বেঁচে আছে!’

    ‘কী যে করলেন, মশাই! সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি!’

    ‘মানে? আপনি কোথা থেকে?’ চমকে ওঠে নীলাঞ্জন।

    ‘আরে মশাই, আপনাকে এত করে বুঝিয়ে দিলাম, তবু শেষ মুহূর্তে সেই গোলমাল করলেন?’

    ‘আপনি কী বলছেন, কিছুই বুঝতে পারছি না।’

    ‘বোঝেননি? তাহলে শুনুন। আপনার মতোই কেসটা ছিল আমার। হুবহু এক। আমার স্ত্রী কাজলও ছিল দ্বিচারিণী, প্রমাণ পেয়েছিলাম হাতে নাতে। তাই এই প্ল্যানটা করি এখানে বেড়াতে এসে। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। কাজলকে ঠেলতে গিয়ে অসতর্ক আমিই নীচে পড়ে যাই। তারপর থেকে এখানেই ঘুরে ঘুরে বেড়াই। বহুদিন বাদে আপনাকে পেয়ে মনে মনে খুব খুশি ছিলাম, যাক এবার একটা সফল হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারব। কিন্তু, কোথায় কী! আপনিও তো দেখি আমারই মতো…! যাক গে, সন্ধেবেলায় বিচে আসুন, দেখা যাক নতুন শিকার পাওয়া যায় কি না।’ বলেই ফিক করে হেসে হাওয়ায় ভেসে গেলাম আমি!

    .

    উস্রি দে

    পেশায় ভারতসঞ্চার নিগম লিমিটেড এরফাইন্যান্স এক্সিকিউটিভ ছিলেন। নেশায় সাহিত্যচর্চা। ছোটবেলা থেকেই এ বিষয়ে আগ্রহ। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখির শুরু। বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনের থেকে প্রকাশিত ‘ভারতবিচিত্রা’ ও অন্যান্য লিটল ম্যাগাজিনে লেখা প্রকাশ পেয়েছে। পরবর্তীতে ‘দেশ’ পত্রিকায় কবিতা ও আনন্দবাজারের ‘রবিবাসরীয়’তে ছোটগল্প প্রকাশ পায়। বর্তমানে কিছু ওয়েবজিন-এ লেখা নিয়মিত প্রকাশ পাচ্ছে – যেমন ‘পরবাস’ (আমেরিকার নিউজার্সি থেকে প্রকাশিত), ‘সাময়িকী’ (নরওয়ে থেকে প্রকাশিত) ইত্যাদি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতিহাস কথা বলে – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার
    Next Article ভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    Related Articles

    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ইতিহাস কথা বলে – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    রহস্য রোমাঞ্চ : সম্পাদনা – বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }