Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মনোমুকুর – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প155 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শোভাবাজারের শাইলক

    শোভাবাজারের শাইলক, এই নামেই তাকে সবাই চিনত। চিনত নয়, এখনও তাই চেনে। আর যতদিন বেঁচে থাকবে সে, ততদিনই চিনবে।

    কারণ, এই নামটাই তার আসল পরিচয়। তার চরিত্রের ভিতর এবং বাইরের, সবটুকু মিলিয়েই, এই সার্থক নামটা লোকে তাকে দিয়েছে। লোকেরা তাদের অভিজ্ঞতা থেকেই দিয়েছে।

    কারণ তারা দেখেছে, শেকসপিয়রের নাটকের চরিত্র ইহুদি শাইলক যেমন তার খাতকের দেহের মাংস দাবি করেছিল পাওনা টাকার জন্য, আমাদের শোভাবাজারের শাইলকের চরিত্রে সেই নিষ্ঠুরতাই বর্তমান। যদিও পাওনা টাকার জন্যে সে খাতকের মাংস আর দাবি করতে পারে না, কেন না, যুগটা বদলে গিয়েছে, তবু এটা ঠিক যে, পাওনা টাকার বদলে টাকা না পেলে মাংসতেও সে নারাজ নয়।

    শোভাবাজারে অবশ্য একে আপনারা বড় একটা দেখতে পাবেন না। সেখানে কোনও একটি কানাগলির সুড়ঙ্গের মধ্যে মান্ধাতা আমলের মস্তবড় রাক্ষুসে বাড়িতে সে রাত্রিবাস করে শুধু। যে বাড়িটার ঘরগুলি এখন অজস্র অন্ধ-গহ্বর বলে মনে হয়, আর সব তছনছ করা উচ্ছৃঙ্খলতার মতো যার গায়ে বট অশ্বত্থেরা মাথা তুলেছে, একই পায়রারা বংশ পরম্পরা যার খিলানে-কোটরে জন্ম-মৃত্যুর লীলা-খেলা করে।

    কিন্তু যেহেতু সে শোভাবাজারের বাসিন্দা, সেই-হেতু তাকে শোভাবাজারের শাইলক বলা হয়। যদিও শোভাবাজারের সে আদি বাসিন্দা নয় এবং তার আদি যে কোথায়, সে বিষয়েও সঠিক কোনও সংবাদ কেউ জানে না। তবু শোভাবাজারের সবাই তাকে চেনে। আর চেনেও অনেকদিন থেকেই ; যখন সে বাঁক কাঁধে করে গঙ্গার জল সরবরাহ করত বাড়িতে বাড়িতে।

    তখন এ অঞ্চলের প্রায় সব বিধবা এবং বুড়ি সধবা-গিন্নিরাই তাকে চিনতেন, বিশেষ, যাঁরা ঠাকুরঘরের বাইরের জগতকে চিনতেন না। আর যেটুকু চিনতেন, সেটুকু গঙ্গাজলের ছিটে-দেওয়া চৌহুদ্দিটাকেই চিনতেন।

    তখন তাঁদের মুখে একটি কথা শোনা যেত প্রায়ই, এই মুখপোড়া ঘটে, ছি-চরণের পাঁকগুলো ধুয়ে বাড়ি ঢুকতে তোর কী হয় রে, অ্যাঁ?

    এই ঘটে থেকে তার একটা পুরো নাম আবিষ্কার করা যদিও খুবই মুশকিল, তবু আমার মনে হয়, তার নাম ঘটোৎকচ হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ, এখন যেখানে সে চাকরি করে সেখানে, অবিশ্বাস্য হলেও তার নাম লেখা আছে, রাবণ হালদার। এই নাম এবং পদবি, দুটি জিনিসই অবশ্য খুব গোলমেলে। এই জন্যেই গোলমেলে যে, সে নিজেকে পোদ জাতের লোক বলে পরিচয় দেয়, যাদের আর যাই হোক, বরেন্দ্র ব্রাহ্মণদের হালদার পদবিটা হওয়া অস্বাভাবিক। আর নাম? সে বিষয়ে সবাইকেই এই ভেবেই নীরব থাকতে হয়, পৃথিবীতে কত বিচিত্র নাম-ই না আছে!

    কিন্তু বেছে বেছে, আমাদের শোভাবাজারের শাইলকেরই কি এই নামটা রাখা হয়েছিল? কী বিচিত্র!

    চাকরির কথাটা বলে নেওয়া দরকার। কেন না, প্রশ্ন উঠতে পারে, সুদখোরের আবার চাকরি কীসের? চাকরি একটা সে করে, সেটা তাকে তার আসল ব্যবসায়ে অনেক এগিয়ে দিয়েছে।

    কাছকাছি একটি হাই-স্কুলের সে বেয়ারা। গঙ্গাজলের পুণ্যব্যবসা করতে করতেই এই চাকরিটা সে কোনও এক কালে পেয়েছিল। সেটা এখন কোন এক কালেই পৌঁছেছে এই জন্য যে, পঁচিশ বছরের ওপর সে এই স্কুলে আছে। ইতিমধ্যে তিনবার প্রধান শিক্ষক বদল হয়েছে। অনেক নতুন শিক্ষক এসেছেন, পুরনো শিক্ষক গেছেন। মারাও কিছু কম যাননি।

    তার আগে সে গঙ্গাজল দিত বাড়ি বাড়ি। আর সেই গঙ্গাজলের পুণ্যের ব্যবসার সময়েই সে প্রথম একজনকে ধার দেয়।

    সেটাও খুব অদ্ভুত ব্যাপার, অন্তত শাইলক-জীবনের প্রথম অঙ্কুরোদগম কাহিনীটা জানা যায়।

    সে যে বাড়িটায় তখনও ছিল, এখনও আছে, সেখানে অনেকেই তার মতো। নানা ফিকিরেই তাদের পেট চলত।

    শাইলকের, হ্যাঁ শাইলক বলাই ভাল ; শাইলকের হাতে সেদিন একটি মাত্র টাকা আছে, সেটা ভাঙিয়ে তাকে খেতে হবে।

    ওই বাড়ির পরিচিত একজন তার কাছে একটা টাকা ধার চেয়েছিল। কিন্তু টাকা মাত্র একটি। দেওয়া যায় না। তা ছাড়া টাকা দেবার কোনও ইচ্ছাই তার ছিল না।

    লোকটা তবুও বিরক্ত করছিল কারণ, তার একটু নেশা ভাং-এর ব্যাপার ছিল। লোকটা প্রায় পায়ে পড়ে বলেছিল, চার পয়সাটা বেশি হয়, কিন্তু রাত পোহালেই টাকার সঙ্গে পুরো দুটি পয়সা সুদ দেবে।

    কথাটা তার মনে ধরেছিল এবং মনে মনে ভয় থাকলেও টাকাটা দিয়েছিল সে তাকে। যদিও রাত্রে সে তার জন্য উপোস করেছিল, তবু দেখতে চেয়েছিল, পুরো টাকাটার সঙ্গে তার আরও দুটি পয়সা আসে কি না।

    এসেছিল। পুরো এক ইঞ্চি ডায়ামেটারের রাজা-মার্কা তামার নতুন দুটি পয়সাই পেয়েছিল সে। সেই দিনটা এবং পয়সা দুটি যে কত বড় ঐতিহাসিক ব্যাপার, সেদিন সেটা বোঝা যায়নি। কেউ জানেও না।

    শাইলকের বাড়ি কোথায়, আছে কে কে, বিয়ে থা হয়েছিল কি না, ছেলেমেয়ে আছে কি না, এসব প্রশ্ন শাইলকের জীবনে মৌন সমুদ্রের মতোই নীরব। সেখানে কোনওদিন বুড়বুড়ি কাটার মতো একটি দুর্বোধ্য শব্দও শোনা যায়নি।

    তার এখনকার পরিচিতদের ধারণা, লোকটা আবহমান কাল ধরেই এক রকম দেখতে। রোগা নয়, মোটা নয়, পেটা-পেটা গড়নের একটি শক্ত কালো মানুষ, বয়সের যার গাছপাথর নেই। বয়স পঞ্চাশ হতে পারে, পঁয়ষট্টি হওয়াও কিছুমাত্র বিচিত্র নয়! টাকা নেই, ধূসর বর্ণের ছোট ছোট খোঁচা খোঁচা চুল, যার কখনও যেন বাড় নেই, পরিবর্তন নেই। মোটা স্ফীত নাক, ছোট চোখের ওপরে মোটা লোমশ ভ্রূ-জোড়া হুমড়ি খেয়ে পড়েছে যেন। সেই একই মার্কিন কাপড়ের হাফসার্ট আর আট হাত মিলের ধুতি কোঁচা দিয়ে পরা। পায়ে সে কোনও দিনই জুতো দেয়নি। নেশার মধ্যে শুধু চা।

    স্কুলের অধিকাংশ মাস্টারমশাই তাকে খাতির করেন। মনে মনে রাগ এবং ঘৃণা থাকলেও, ভয়ও করেন। কারণ, তাঁদের মাসের শেষ থেকে নয়, গোড়া থেকেই ধার দেবার লোক এই শাইলক। তাঁদেরই বেয়ারা।

    কবে থেকে তার শাইলক নাম হয়েছে, সেটাও এখন অতীত কালের ঘটনা। সবাই তাকে ওই নামেই ডাকে। সে কিছু মনে করে না।

    কেবল হেডমাস্টারমশাই তাকে রাবণ বলে ডাকেন। শাইলকের নিজেরও ওই নামটা মনে থাকে, তাই জবাব দিতে ভুল হয়ে যায় মাঝে মাঝে। হেডমাস্টার রাবণ বলেন এই জন্যে যে, অন্তত শাইলক তাহলে তাঁকে খাতির করবে। আর বোধহয় সেই জন্যেই, শত প্রয়োজনেও, তিনি কখনও শাইলকের কাছে ধার করেন না।

    শাইলক মাস্টারমশাইদের সব সময়েই প্রায় ধমকে কথা বলে। সে অধিকার তার আছে এবং তার ধমকটা সবাই মেনেও নিয়েছেন।

    যেমন, বাংলার মাস্টার হরেনবাবু হয়তো ক্লাসে না গিয়ে তখনও বিড়িতে সুখ টান দিচ্ছেন, ঘণ্টা বেজে গিয়েছে পাঁচ মিনিটের ওপর।

    শাইলক বলে উঠল কই হরেনবাবু, বিড়ি তো অনেকক্ষণ ধরে খাচ্ছেন, এদিকে এইটের বাঁদরগুলি যে লঙ্কাকাণ্ড করেছে। তাড়াতাড়ি যান।

    হরেনবাবুর রাগ হবার কথা। হেডমাস্টার কিছু বলছেন না। আর বেয়ারা এসে হুকুম করবে? কিন্তু হরেনবাবু রাগ করবেন কেমন করে? আসল দূরের কথা, এ মাসের সুদটা পর্যন্ত দেওয়া হয়নি এখনও।

    কিংবা, ইংরেজির মাস্টার অনিলবাবুকে ডেকে শাইলক হয়তো বলল, ও অনিলবাবু শুনুন, কোঁচাটা যে মাটিতে লুটোচ্ছে মশাই। ওই করেই কাপড় ছেড়েন, আর মাসে মাসে ধার করে তাই কাপড় কিনতে হয়।

    অনিলবাবুর মনের অবস্থা বর্ণনা নিষ্প্রয়োজন।

    কিন্তু তিনি শাইলকের একজন খাতক।

    এসব তো খুবই ভাল কথা। এর চেয়ে অনেক খারাপ খারাপ কথা সে বলে। অঙ্কের মাস্টারমশাই রামকৃষ্ণবাবুকে তো রীতিমতো অঙ্কই শিক্ষা দিয়ে দেয় সে অনেক সময়। বলে, দেনার হিসেবে এত ভুল করেন, রামকেষ্টবাবু, ছাত্রদের আপনি যা পড়াবেন তা আমার জানা আছে। যাক, ভুল করুন আর যা-ই করুন, আমার দুটাকা তেরো আনা এক পয়সা সুদটা দিয়ে তারপরে যা খুশি তাই করুন গে।

    .

    প্রায় অধিকাংশ মাস্টারের ওপরেই তার খবরদারি চলে, হেডমাস্টারকে ছাড়া। তিনি শাইলকের কাছে ঋণ করেন না।

    তবু মাস্টারমশাইদের ওপর খবরদারি করে, সকলের সঙ্গে সমান সমান কথা বলে, এমন একটা পর্যায়ে এসে পড়েছে যে, মনে হয় স্কুলে ওর ওপর কেউ নেই। আর যা খুশি তাই করতে ও বলতে পারে।

    এই তো গত মাসে স্কুলের ইনস্পেক্টর এলেন। শাইলক তো অনেক মাস্টারমশাইকেই সেদিন ধমকালে। তারপর ইনস্পেক্টর যখন এলেন, শাইলক আগে বেড়ে পরিচয় করিয়ে দিল। এই যে, ইনিই আমাদের হেডমাস্টারমশাই। ইনস্পেক্টর নমস্কার করলে, হেডমাস্টারও। কিন্তু রাগে হেডমাস্টার মশাই-এর গা জ্বলতে লাগল। তখন কিছু বলতেও পারলেন না।

    শুধু তাই নয়, শাইলক সব মাস্টাররেরই পরিচয় করিয়ে দিলে। ইনি অঙ্কের মাস্টারমশাই রামকৃষ্ণবাবু, ইনি বাংলার..ইত্যাদি।

    সবশেষে, এই কুদর্শন, উঁচু করে কাপড় পরা, হাফসার্ট গায়ে, খোঁচা খোঁচা চুল শাইলককে ইনস্পেক্টর জিজ্ঞেস করলেন, আপনার পরিচয়টা তো দিলেন না?

    শাইলক খুব গম্ভীর ভাবেই জবাব দিলে, আমি এ স্কুলের বেয়ারা।

    ইনস্পেক্টর অবাক হয়ে তাকালে হেডমাস্টারের দিকে। হেডমাস্টারের মুখ তখন লাল। খালি বললেন, রাবণ, তুমি বাইরে গিয়ে বসো।

    শাইলক বাইরে গিয়ে বসল।

    ইনস্পেক্টর চলে যাবার পর হেডমাস্টার তো প্রায় মারতেই যান শাইলককে, গেট আউট, এখুনি বেরিয়ে যাও তুমি স্কুল থেকে।

    অপরাধটা যে গুরুতর হয়েছে, সেটা বুঝতে পেরে, নরম করেই জবাব দিলে শাইলক, আলাপ করিয়ে দিলে যে অপরাধ হয়, তা জানতুম না। ঠিক আছে, আর এ রকম হবে না কোনও দিন।

    এমন কিছু হাতে পায়ে ধরে বলেনি শাইলক, কিন্তু ওইটুকু বলাই তার পক্ষে যথেষ্ট।

    শুধু সেইদিনটিই কোনও মাস্টারমশাইকে আর সারাদিন সে ধমকায়নি।

    .

    কিন্তু, এ জায়গাটা শাইলকের আসল ব্যবসার স্থান নয়। সেটা অন্যত্র এবং সেইখানেই তাকে সবচেয়ে ভাল করে চেনে সবাই। আর সেখানে কেউ মাস্টারমশায়ও নয়। সকলেই নিচু শ্রেণীর লোক।

    তাই, স্কুলের শেষ ঘণ্টা বাজিয়ে, দারোয়ানের ওপর সব ভার দিয়ে সে গিয়ে বসে খালধারের সেই চায়ের দোকানটায়।

    সেখানে তার একটি নির্দিষ্ট আসন আছে। চায়ের গেলাস নিয়ে সেখানে বসে, তার মোটা ভ্রূর তলায় প্রায় ঢাকা ছোট ছোট চোখে তাকিয়ে থাকে পশ্চিমাকাশের দিকে।

    জায়গাটা সে ইচ্ছে করেই ওখানে বেছে নিয়েছে। কারণ, পশ্চিমদিকটা অনেকখানি খোলা, আর গঙ্গাকে দেখা যায়। গঙ্গার ওপার পর্যন্ত। সেখানে বসে বসে সে সূর্যাস্ত দেখে।

    না, কোনও বিশ্বরহস্যের অনির্বচনীয়তাকে প্রত্যক্ষ করার জন্য এই সূর্যাস্ত দেখা নয়। তার খাতকের দলেরা দেনা মেটাতে আসবে এবং সূর্যাস্ত হলেই সুদ এক পয়সা করে বেড়ে যাবে।

    তার এই আসল খাতকেরা সকলেই বাজারের ফড়ে। আশে পাশে অনেকগুলি বাজারের ফড়েরাই তার দেনাদার। যারা টাকা পিছু প্রতিদিন এক পয়সা করে সুদ দেয়।

    সন্ধ্যাবেলা টাকা নেবে, পরদিন সূর্যাস্তের আগেই সুদসহ টাকা শোধ না হলেই আবার সুদ। ঘড়ি ধরে এখানে কারবার চলে না। গঙ্গার ওপারে, গাছের আড়ালে সূর্য হারিয়ে যাওয়া মানেই দিন শেষ। অতএব এক টাকার শোধ আর এক টাকা এক পয়সা নয়, দু পয়সা।

    ফড়েরা অধিকাংশই রাত্রে পাড়াগাঁয়ের দিকে, দূর গ্রামের হাটে তরিতরকারি কিনতে যায় পাইকারি দরে। তখনই তাদের টাকার প্রয়োজন হয়। পরদিন বাজারের বিক্রিবাটা শেষে লাভ লোকসানের বরাত দেখে তারা।

    যারা শাইলকের কাছে ঋণী, তারাও বেলা চারটে থেকেই আকাশের দিকে তাকাতে থাকে। একবার সূর্য পাটে গেলেই হয়, দশ টাকার সুদ পাঁচ আনা দিতে হবে।

    অবশ্য এর মধ্যে কতকগুলি ফাঁক আছে। যথা, খাতকের ভিড় হয়েছে, সকলের সঙ্গে হিসেব মিটমাট করতে করতেই সূর্যাস্ত হয়ে গেল। যারা তখনও বাকি, তাদের বাড়তি সুদ দিতে হবে না, কারণ তারা সূর্যাস্তের আগেই এসেছে। এসেছে কি না সেটা অবশ্য লক্ষ রাখে সে।

    বেলা দুটোর আগে ব্যাংকে চেক জমা দেবার মতো। এটা শাইলক ওখান থেকে শিখেছে। এইসব খাতকদের মধ্যে মেয়ে-পুরুষ সব রকমই আছে। আর শাইলকের ব্যবহার সকলের সঙ্গেই সমান।

    তাই সে বেলা চারটার সময় এসে, খালধারের চায়ের দোকানে বসে। কোলের ওপরে থাকে তার সেই ময়লা মোটা খাতা, আর সুতো দিয়ে বাঁধা পেন্সিল। যে পেন্সিলের শিসটা তার লেখার চেয়ে, জিভে ঠেকিয়ে ঠেকিয়েই বেশি ক্ষয়েছে।

    খাতা খুলে প্রত্যেকের হিসেব দেখে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে। লেখাগুলি তার নিজেরই এবং সেগুলি সে নিজে ছাড়া কেউ পড়তে পারে না। হিসেবের পাশে নানারকম সাঙ্কেতিক চিহ্নগুলিও সে ছাড়া আর কেউ বুঝবে না।

    প্রত্যেকটি পয়সা সে গুনে নেয়, থু থু দিয়ে খাতার পাতা উলটে বকেয়া সুদের হিসেব দেখে নেয়। আর ঘন ঘন আকাশের দিকে তাকায়।

    আকাশের দিকে চেয়ে চোখ ফিরিয়ে, খাতকের দিকে তীক্ষ্ণ অনুসন্ধানী দৃষ্টি মেলে ধরে। কে কে আসেনি এখনও? মনে থাকে ঠিক। অভ্যাস হয়ে গেছে।

    রেহাই বলে কোনও কথা নেই। মাফ বলে শব্দটা নেই শাইলকের অভিধানে।

    যদি কেউ বলে, দেখো শালিক খুড়ো—

    সেটাও আবার একটা কথা। তাই এইসব খাতকেরা তাকে শালিক বলেই ডাকে। শাইলক কথাটার মানে তারা জানে না। কিন্তু শব্দটা শুনে শুনে, শাইলক তাদের ধারণায় ও উচ্চারণে শালিক হয়ে গেছে।

    তাতে শাইলক কিছু মনে করে না।

    যদি কেউ বলে, শালিক খুড়ো আজকে যদি একটু মাফ করে দাও, অবিশ্যি কালই দিয়ে দেব, তবে আজকের রাতটা ছেলেমেয়ে নিয়ে খেয়ে বাঁচি।

    –তোমার খেয়ে বাঁচার জন্য আমি টাকা দিইনে।

    তা বটে। সূর্যাস্তের পরমুহূর্তে এসে হাতে-পায়ে ধরেও ডবল সুদ থেকে কেউ রেহাই পায় না। দৈবাৎ কারুর বাড়িতে যদি কেউ মারা যাবার জন্যও না আসতে পারে, তাকেও ছেড়ে দিতে দেখা যায়নি শাইলককে। মৃত খাতকের পয়সাও সে আদায় করে ছাড়ে। অবশ্য মৃত্যুর পর প্রতিদিনের বাড়তি সুদটা শাইলক আর ধরে না। একবার পাঁচি ফড়েনি দুটি আস্ত ফুলকপি দিয়েছিল শাইলককে। পাঁচির দেনাটা একটু বেশি ছিল। সুদটাও বেশি। এবং আসতে রাত হয়েছিল। তাই বোধ হয় পাঁচির ফুলকপির উপহার। ফুলকপি নিলেও সুদের একটি আধলাও ছাড়েনি সে।

    মৃত্যু শোক দুর্ঘটনা, কোনও কিছুই এই শোভাবাজারের শাইলককে কোনওদিন টলাতে পারেনি। সূর্যাস্ত দেখতে ভুল করেনি সে কোনও কারণেই কোনওদিন এবং সূর্যাস্তের পর হিসেবের কড়ি একটিও ছাড়েনি।

    যারা তার খাতক, তাদের কোনও উপায় নেই তার কাছে না এসে। কেন না প্রতিদিনের প্রয়োজন মেটাবার মতো লোক পাওয়া বড় কঠিন। তাও আবার ভাল লোক। কিন্তু মনে-প্রাণে সবাই তাকে ঘৃণা করে। পয়সার প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও তার মৃত্যু কামনা করে সবাই। এবং সকলের দৃঢ় বিশ্বাস, নোকটা মরলে, শকুনে ছিঁড়ে খাবে তাকে। আর খুব সম্ভবত লোকটা গলায় রক্ত-উঠেই মরবে।

    তার সেই মৃত-চেহারাটা ভাবতেও অনেকের ভাল লাগে বোধ হয়।

    এ-হেন শোভাবাজারের শাইলক এক অদ্ভুত কাণ্ড করে বসল।

    হাতিবাগান বাজারের তরকারিউলি বিধবা সুখদার বয়স বছর বিয়াল্লিশ হবে। দেখতে সে তেমন ভাল নয়, তবে এ বয়সেও তার দেহের বাঁধুনিটা ছিল ভালই। মুখখানি মোটামুটি যদিও, তবু একটা চটক ছিল! রাস্তা দিয়ে গেলে একবার তাকিয়ে দেখবে সবাই তাকে।

    শাইলকের সে খাতক। যদি বা কোনওদিন সুখদা ভ্রূ নাচিয়ে থাকে শাইলকের দিকে চেয়ে, একটু বেশি হেসে-টেসেও থাকে, তাতে কোনওদিনই তার কিছু যায় আসেনি। এবং সে সব দেখেও একটি আধলাও মাফ করেনি।

    সুখদা একদিন তার ষোলো বছরের মেয়েটিকে নিয়ে এসেছিল সঙ্গে। আর সুখদা সেইদিন লক্ষ করে দেখেছিল, শালিক তার মেয়ে ময়নাকে বারে বারেই দেখছে।

    ময়না বয়সে ষোলোই বটে। কিন্তু একটু বড়সড়ো হয়ে পড়েছে। যে পাড়ায় তারা থাকে, সেটাও ভাল নয়। মেয়েটিকে নিয়ে নানান দুর্ভাবনা সুখদার। শিস্ দেওয়া, গান গাওয়া তো অষ্টপ্রহর আছেই। মেয়েকে কাছে কাছে নিয়ে না ঘুরলে, এক মুহূর্ত সে স্থির থাকতে পারে না। এক মিনিট কারুর দিকে বেশি তাকিয়ে থাকলে, ময়নাকে চিমটি কেটে তার সংবিৎ ফেরায় সুখদা : ওদিকে কী দেখছিস?

    ময়না সুখদার গলার কাঁটা। কিন্তু বিয়ে দেবার যোগ্যতা নেই সুখদার।

    কথাটা শাইলকেরও অজানা নেই।

    কিন্তু, শালিকের দৃষ্টি দেখে সুখদার মনে বিচিত্র ইচ্ছা জেগেছে। শাইলককে জামাই করলে মন্দ হয় না। রূপকথার মতোই যার টাকার আণ্ডিল, তাকে বাঁধবার তবু একটি রাস্তা আছে তার। বয়স? টাকার কাছে কিছু নয় ওটা। পুরুষের আবার বয়স!

    একদিন সে বলেই বসল, মেয়েটাকে আর ঘরে রাখতে পাচ্ছিনে শালিক-দা।

    শাইলক বললে, বে দাও।

    –টাকা?

    কত টাকা?

    সুখদার বুকের মধ্যে বুঝি কাঁপছিল। এরকম জিজ্ঞেস করার মানে? বিনা সুদে তাকে ধার দেবে নাকি?

    সুখদা বলল, তা, একটা বে থা দিতে গেলে আজকালকার দিনে পাঁচশো তো লাগেই।

    হুঁ।

    কথার ফাঁকে একবার সূর্যাস্ত দেখে বলল শাইলক, মেয়ের বে দিতে চাও? ওই ময়নার? ছেলে দেখেছ?

    দেখা ছিল সত্যি। ভাল পাত্র, শিয়ালদহ বাজারে বেশ ভাল দরের দোকানদার। কিন্তু শাইলক যে তাকে ছলনা করছে না, তার প্রমাণ কী? সুখদা কি বোঝে না, ছেলে সে নিজেই হতে চায়। তবু একবার চাবকে দেখতে আপত্তি কীসের?

    বলল, দেখেছি।

    –ভাল?

    -খুব ভাল।

    –হুঁ। মেয়েটি তোমার ভাল সুখদা। দেখতেও ভাল। মেয়েটিকে আমার ভাল লেগেছে।

    কেমন ভাল। সেইটিই জানতে চায় সুখদা। বলল, সে তোমার দেখবার চোখ শালিক-দা।

    হুঁ। মেয়েটি তোমার সুখী হোক, এটা আমি চাই সুখদা।

    কারুর সুখ চায় শাইলক?

    শাইলক হঠাৎ বলল, টাকা তোমাকে দেব সুখদা।

    –এত টাকা ধার, শুধব কেমন করে শালিক-দা?

    শাইলক পশ্চিমাকাশের দিকে তাকাল। ভ্রূ-দুটি তার উঠে গেছে, চোখ দুটি শান্ত আর বড় দেখাচ্ছে। গম্ভীর গলায় বলল, ধার নয়। তোমার মেয়ের বের জন্যে দেব। পাঁচশো টাকা দেব। ছেলেকে পাকা দেখে বের দিন ঠিক করো। এই জৈষ্ঠেতেই লাগাও।

    সুখদা হাঁ করে তাকিয়েছিল শাইলকের দিকে।

    শাইলক বলল, তোমার আজকের টাকা আর সুদটা দাও।

    সুখদা টাকা আর সুদ দিয়ে বলল, ময়নার বের কথাটা মিছিমিছি নয় তো শালিক-দা?

    শাইলকের মুখটা ভীষণ দেখাল। ঝেঁজে উঠে বলল, মিছে কথা কোনও দিন বলতে শুনেছ শালিককে?

    সুখদা ব্যবস্থা করলে মেয়ের বিয়ের। দিন ঠিক হল।

    পাঁচশো টাকা নিজের হাতে রেখে, শাইলক প্রতিদিন সুখদার দরকার অনুযায়ী টাকা দিতে লাগল।

    কেউ সুখদাকে ভয় দেখাতে লাগল। কেউ কেউ খারাপ কথাও বলতে কসুর করল না। আর সেই কলঙ্কের হাত থেকে মা-মেয়ে, কেউই বাদ গেল না।

    তবু, মেয়েমানুষ পাওয়াটা এমন আর কী কঠিন ব্যাপার ছিল শাইলকের পক্ষে? কিন্তু পাঁচ পাঁচশো টাকা?

    শাইলকের দিকে সবাই অবাক চোখে তাকাতে লাগল।

    তারপরে এল সেই বিয়ের দিন। পাঁচশোর সব টাকাই শাইলক দিয়ে দিলে সুখদাকে।

    বিয়ে হল। নিমন্ত্রিতদের মধ্যে সুখদা তার চেনাশোনা অনেক ফড়েকেই নিমন্ত্রণ করেছে। আর তারা সকলেই শাইলকের খাতক।

    বিস্ময় ও সন্দেহের নানারকম ভ্রূকুটি চারদিকে। শাইলককে ঘিরেই। শুধু সুখদা আর ময়নার বিস্ময়ের সীমা ছিল না।

    সকলের সঙ্গে বসে খেল শাইলক। তারপর একখানি সিল্কের শাড়ি বের করে দিল ময়নাকে। বললে, নাও মা।

    সুখদা কেঁদেই ফেললে। ময়না নমস্কার করল।

    যাবার আগে, সুখদাকে আড়ালে ডেকে শাইলক বলল, তিনদিন ধরে তোমার বকেয়া সুদ বাকি রয়েছে কিন্তু, সেই সাড়ে সাত টাকার, মনে আছে?

    অবাক হয়ে সুখদা বলল, হ্যাঁ।

    –দেরি করছ কেন? সুদ রোজ বাড়ছে। কাল দিয়ে দিয়ো।

    লোকটা কিছু ভোলে না ; যে পাঁচশো টাকা দিয়ে সুখদার মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেয়, সেই লোক সাড়ে সাত টাকার সাড়ে সাত আনা সুদের তাগাদা দিতে ভোলে না।

    শাইলক বেরিয়ে যাবার পরেই, কয়েকজন ফড়েও বেরিয়ে গেল।

    তারপর সুখদার বাড়ি থেকে বেশ খানিকটা দূরে, অন্ধকার খালের ধারে, একটি পুলের তলায়, হঠাৎ কারা যেন আক্রমণ করল শাইলককে। প্রচণ্ডভাবে মারল তারা লোকটাকে, আর শুধু এইটুকু শোনা গেল, শালা এতদিনে বুঝেছি, তুমি মাগির পেছনে টাকা খাটাও, গরিবের টাকা মারো।

    পরদিন কথাটা রাষ্ট্র হয়ে গেল ঝড়ের বেগেই যে, শাইলককে নাকি কারা মেরেছে।

    স্কুলের মাস্টারমশাইরা দেখলেন। শাইলকের ফোলা কাটা ক্ষত বিক্ষত মুখ। সে মরেনি। তাঁরা হাসলেন ঠোঁট টিপে।

    সেদিন খালের ধারে চায়ের দোকানে তার খাতকের দলও বিশেষ নজরেই তাকিয়ে দেখল তার দিকে।

    কিন্তু শাইলকের ব্যবহারে কোনও তফাত দেখা গেল না। কেবল জনা পাঁচেক ফড়েকে সে বলল, দ্যাখ, সংসারে পাপ এখনও আছে। তোরা এখনও মুক্তি পাবিনে, আমারও মুক্তি নেই।

    এছাড়া আর কিছু সে বলেনি।

    .

    তারপরে পাঁচ বছর কেটে গেল, সেই একই লোক রয়ে গেছে শাইলক। কোনও পরিবর্তন হয়নি তার।

    শুধু সুখদা এবং সকলের কাছেই, ময়নার বিয়ে দেওয়াটা শাইলকের জীবনের মৌনসমুদ্রে কয়েকটি দুর্বোধ্য বুদবুদের মতোই রয়ে গেল। তবু এক বুদবুদ উঠেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমরশুমের একদিন – সমরেশ বসু
    Next Article বনলতা – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }