Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মনোমুকুর – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প155 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মান

    সুখবতীর বড় ছেলে বেরজো অর্থাৎ ব্রজ এ সংসারের এক মহাবিস্ময়। বলতে কী, এমনটি এ কলিকালে দেখা যায় না। লোকে বলে, ছেলে তো নয়, রতন। সে তুলনায়, ব্রজবিহারীর পর বনবিহারী, অর্থে বুনো। নামে, কামে, স্বভাবে, ও বুনোই। বিধবা সুখবতীর আর আর ছোট ছেলেমেয়েদের এখনও বিচারের বয়স হয়নি। সুখবতীর আসল নাম বেরজোর মা।

    ছিল জাতে মালা, এখন জাত নেই। জাতের কাজ থাকলে তো জাত। তা-সে মালার ডিঙ্গি নৌকোও নেই, নেই জাল ঘুনি আটোল। সে সব ঘুচেছে সুখবতীর শ্বশুরের আমল থেকেই, তারা এখন কারখানার মজুর। ব্রজর বাপ মরেছে কারখানার তেলা মেঝেয় পিছলে গড়িয়ে, মেশিনের তলায় পা কোমর গুঁড়িয়ে।

    বড় রাস্তার ধারে আবর্জনা-ভরা পুকুর। তার ধার দিয়ে যে সরু গলিপথটা আরও তিনটে ছায়াঘন অর্ধ কানাগলির মধ্যে হারিয়ে গিয়েছে, সেই পথের ধারে ছিঁটে বেড়া আর খোলার ছাউনির, নসীরামের বস্তি। বার মুখো ঘরের নীচে, স্যাঁতানো সরু পথে যখন ব্রজর মরা বাপকে, সুখবতীর সোয়ামীকে, এনে শোয়ালে, তখন সুখবতী বুক চাপড়ে, চুল ছিঁড়ে কেঁদে চেঁচিয়ে আর বাঁচে না।

    ভোরবেলা উঠে ব্রজ মাকে প্রণাম করে যখন বললে, মা তোমার বেরজো রয়েছে, ভাবনা কী, তখন যেন সুখবতীর পাষাণভার অনেকখানি নেমে গেল।

    হ্যাঁ, এমনি ব্রজ, জাতে মালা, থাকে বস্তিতে, তবু এক মহাবিস্ময় সে। হিরণ্যকশিপুর ঘরে প্রহ্লাদ, অসুরের ঘরে দেব-সূত। সে ভোরবেলা উঠে ভগবানকে স্মরণ করে মায়ের পাদোদক খায়, গঙ্গায় যায় নাইতে ; ফোঁটা দেয় কপালে গঙ্গামাটির, জল দেয় তুলসীতলায়, দিয়ে আবার মাকে প্রণাম করে। সুখবতী মরমে মরে যায়। ভাবে, এ ছেলের মায়ের যুগ্যি নয় সে। নিজেদের জাত বংশে দূরে থাক, এ যে বামুন কায়েতকেও হার মানায়।

    ব্ৰজর নেই নেশা ভাঙ, নেই মুখে দুটো কটু কথা। ছেলে মুখ তুলতে জানে না, হাজার চড়ে সুখবতীর এ ধৰ্ম্মিষ্টি ব্যাটার মুখে রা নেই। বোলতার ঠাস বুনোন চাকের মতো এ বস্তিতে হাজারো ইতরের বাস, হাঁকাহাঁকি, খিস্তিবাজি, নোংরামি, ঝগড়া, যেন গুলজার করা নরক। কিন্তু কেউ কোনওদিন এদের সঙ্গে একটা কথা বলতে দেখেছে ব্রজকে? নাওয়া খাওয়া, শোয়া, এ ছাড়া ব্রজ এ তল্লাটে থাকে না। তার বন্ধুবান্ধব সব ভদ্র-পাড়ায়। বামুন কায়েতের লেখাপড়া-জানা অবস্থাপন্নদের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব।

    বস্তির সবাই সসম্মানে ব্ৰজর কাছ থেকে দূরে থাকে, হিংসে করে সুখবতীর পুত-ভাগ্যিকে। মায়েরা বলে ছেলেদের, ব্ৰজর পাদোদক খেয়ে তোরা মানুষ হ।

    পাওয়ার হাউসের সি, এ, পার্সেনের কন্ট্রাক্টরের আন্ডারে কাজ করে ব্রজ। বাঙালি ফোরম্যান সাহেবও বড় ভালবাসেন ব্রজকে। খালাসি তার ডেজিগনেশান, কিন্তু কাজের বেলায়, ফাইল খাতা বাছগোছ করা মেশিনের নম্বর টোকা। একটু আধটু লিখতে পড়তেও জানে সে। তার অমায়িক ভদ্রতায় ফোরম্যান খুশি, প্রতিদানে মর্যাদাও দিয়েছেন, আশাও দিয়েছেন ভবিষ্যতে তাকে বাবু করে দেওয়ার, মানে কেরানি।

    পার্সেনের ব্রজর সব খালাসি মজুররা এতে অস্বাভাবিক কিছু দেখে না। সত্যি, ব্রজ তাদের তুলনায় বড়ই। সে ভদ্রলোক। ফলে তাদের সঙ্গে পোট খায় না।

    ব্রজ অজাতশত্রু। এক কথায়, দেশে এমন গুণে ছেলে আর হয় না।

    সুখবতী নাম সার্থক এ-সৌভাগ্যে। আবার দুর্ভাগ্যজনিত অশান্তিরও অন্ত ছিল না তার ছোট ছেলে বুনোকে নিয়ে!

    বুনো তার শক্ত রুক্ষ মস্ত শরীরটা নিয়ে দুম্ দাম্ করে আসে গুপগাপ করে খায়, ঘরে বাইরে গলাবাজি করে ঝগড়া করে, মারামারি করে, গলা ফাটিয়ে হাসে, গান করে, মুখ খারাপ করে। তার কোনও কিছুতেই ঢাকাটাকিও নেই, চাপাচাপিও নেই। উদ্ধত অবিনয়ী। মা-ডাকে তার মধু ঝরে না, যেন মাকে খেঁকিয়ে ওঠে। তেলচিটে এক মাথা চুল নিয়ে, মুখে বিড়ি নিয়ে সে কারখানায় যায়, তারপর এখানে সেখানে ঘোরা ফেরা। বস্তির সকলের সঙ্গে তার এ-বেলা ঝগড়া, ও-বেলা ভাব। মর্জিমতো ছোট ভাই-বোনদের কখনও ঠ্যাঙাচ্ছে, আবার কখনও আদরের ঠেলায় অন্ধকার। সুখবতীর সুখ নেই, সারাদিন বুনো রে বুনো রে করে তার পিছে পিছে ফিরছে, কখন কী অনাছিষ্টি বাধিয়ে বসে সেই ভয়ে। হারামজাদা যে যমেরও অরুচি!

    কপালগুণে দোষ পায়। একই পেটে তার দেবাসুর ঠাঁই পেল কেমন করে! সুখবতীর চেঁচামেচির, গালাগালির অন্ত নেই বুনোকে ঘিরে।

    বুনোর বন্ধুরাও সব ডাকাবুকো। তাদের আচার বিচার নেই। কেউ কেউ নেশাভাঙে সিদ্ধহস্ত। ভদ্রপাড়ায় মান দূরে থাক, আনাগোনাও নেই।

    সেও খালাসির কাজ করে পার্সেনে। ব্ৰজর মতো তার খাতির নেই। কি গ্রীষ্মের পোড়া দুপুরে আর কি শীতের ভোরের তুহিন ঠাণ্ডায় সে টুকটাক করে বেয়ে ওঠে ইমারতের লোহার ফ্রেমের উপর। ছ ইঞ্চি রেলিংএর উপর সমস্ত শরীরের ভার দিয়ে পাঁচ পাউন্ড ওজনের রেঞ্জ দিয়ে স্ক্রু আঁটে আর হেঁড়ে গলায় চেঁচিয়ে গান গায় :

    দেখে তোমার চাঁদ মুখ
    পরাণে ধরে না সুখ।

    নীচে থেকে ব্রজ অবাক মানে। এই অবস্থায় সে গান গায় কী করে। আবার মানও যায়। এ-সব যে অসভ্যের অনাচার।

    ব্রজ বাবু হবে। বুনোর কাছে সেটাও বিস্ময়। বলে আমার পেটে বোমা মারলেও নম্বর টোকা ফোকা হবে না বাবা। আমি হব ফিটার।

    ব্ৰজর পাদোদক খাওয়ার কাহিনী এ-অঞ্চলে বিখ্যাত। বুনোকে কেউ যদি বলে, তুইও কেন খাসনে, বুনো খিলখিল করে হেসে বলে, আমার মাইরি লজ্জা করে। বলে, শালা সং-এর ঢঙ।

    মাসের শেষে ব্রজ মাইনে পেয়ে সব মায়ের হাতে তুলে দিয়ে পরে হাত পেতে চেয়ে নেয়, মা দুটো টাকা দেবে গো? বুনোর ও-সব নেই। সে টাকা দুটি পকেটে রেখে বাকিটা মায়ের হাতে ফেলে দেয়। দিয়ে বলে, কিপটেমি কোরো না। আজ এট্টুস মাছ খাইয়ো।

    সে খালি সইতে পারে না ব্ৰজর তুলনা। কিন্তু তার মা পড়ে পড়ে সারা দিন তার পেছনে খালি থোক কাটবে, ব্রজ এই, ব্ৰজ সেই, আর তুই হারামজাদা

    ব্যস, আর বলতে হবে না। আরম্ভ হয়ে যাবে বুনোর বুনো ঝগড়া আর গালাগাল। আর ঝগড়ায় তো সুখবতীও কম নয়। সোয়ামী বেঁচে থাকতে রোজ ঝগড়া ছিল, এখন সেটা বুনোর সঙ্গে। এ ড্যাকরা যে বাপের মতো কুচাল পেয়েছে।

    আর সইতে পারে না বুনো ব্ৰজর শাসন। ব্রজ যদি বলে, বুনো এটা করিসনে, বুনো সটান জবাব দেবে, তোর নিজের চরকায় তেল দিগে যা।

    এই সেদিন এক কাণ্ড ঘটল। পার্সেনের কন্ট্রাক্টরি কাজ মানেই হল পাওয়ার হাউসের মতো ও-সব রাক্ষুসে কারখানা তৈরি করা। আর যত ওচা কাজ হল খালাসিদের। সেদিন একটা খালাসি কী কথায় ফোরম্যানকে বলেছে, শরীরটা তার খারাপ, আজ সে উপরে উঠতে পারবে না।

    অমনি ফোরম্যান খিঁচিয়ে উঠল, হারামজাদা, পারবিনে তো চাকরি ছেড়ে দে।

    সামনে ছিল বুনো। সে হেঁড়ে গলায় গাঁক করে উঠল, গালাগাল দিচ্ছেন কেন মশাই?

    ফোরম্যান তো থ। ছোঁড়া বলে কী? মুখের পরে কথা? সে-খালাসিটাকে উপরে উঠতে হল না বটে, কিন্তু বুনোর চাকরি যায় যায়।

    ব্রজ এসে ভাইকে বুঝিয়ে বললে, দ্যাখ ভাই, ওদের মুখে সব মানায়, তোর মুখে নয়। মাপ চেয়ে নে।

    বুনো এককথায় বললে, দ্যাখ বেরজা, আর একটা কথা বলবি, ঠেঙ্গিয়ে তোর খপড়ি ওড়াব।

    সে-যাত্ৰা ব্ৰজর ভাই বলেই বোধ হয় বুনোর চাকরিটা গেল না। কাটা গেল সাতদিনের রোজ আর জন্মের মত সুখবতীর মুখে রপ্ত হয়ে গেল তার প্রতি এ খোঁটা। তাও খেতে শুতে-বসতে।

    ভোর হয় হয়। আকাশে ফুটেছে নীলের আভাস। তা বলে নসীরামের বস্তিতে অন্ধকার ঘোচে না। আর ঘরের ভিতরে তো অমাবস্যা। দুপুরবেলা কয়েক ঘণ্টা একটু আলো। তারপরেই আবার যে কে-সেই।

    ব্ৰজই সকলের আগে জাগে। ডাকে, মা মাগো।

    গলা যেন মধুভরা। আর কী মিষ্টি ডাক। সে-ডাকে সুখবতী জাগে। ব্রজ ঘটির জলে মায়ের পা ছুঁইয়ে খায়, তারপরে চলে যায় গঙ্গায়।

    আগে আগে সুখবতীর লজ্জা ও ভয় করত এমনি করে জলে পা ছুঁইয়ে দিতে। এখন অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। মনে পড়ে যায় শ্বশুরের কথা। ব্ৰজর ঠাকুদা। ব্ৰজ তার প্রথম নাতি, আদরেরও বটে। সে-ই ব্রজকে হাত ধরে ধরে নিয়ে গিয়েছে সাধু সন্তদের আড্ডায়, বাবু ভদ্রলোকদের সৎ মজলিসে, কথকঠাকুরের সভায়। সেই থেকেই আস্তে আস্তে দেখা দিল ব্ৰজর এমনি মতিগতি। ভয়ও হয় সুখবতীর, ছেলে না তার আবার বিবাগী হয়।

    না, ভাবলে চলে না। সে ডাক দেয় বুনোকে। এক ডাকে তো এ অনামুখো একদিনও জাগবে না। যেন কুম্ভকর্ণের ঘুম। অনেক ডেকে ডেকে যখন সুখবতী খেঁকিয়ে উঠল, ওরে হারামজাদা লবাবপুত্তুর, তোর কোন কেনা বাঁদি আছে রে ডেকে দেওয়ার?

    অমনি লাফ দিয়ে উঠল বুনো। যেন এই কথাগুলো না হলে তার ঘুমন্ত মরমে পশে না। উঠল হাসিখুশি মুখ নিয়ে। কীসের যে এত খুশি তা সে-ই জানে। হয়তো নিদ্রাটি বেশ জমাটি হয়েছে।

    ও মা! তারপরে কথা নেই বার্তা নেই, পা ছড়িয়ে বসে সে গান ধরল :

    আমার সুখ হল না দুখে মরি,
    ওগো, তোমার ঘর করে।

    উনুন ধরাতে গিয়ে সুখবতীর পিত্তি জ্বলে যায়, পিত্তি জ্বলে যায় আশেপাশের ঘরের লোকের, এ-ঘরে ছোট ছোট ভাইবোনগুলোর ঘুম ভেঙে যায়।

    সুখবতী চেঁচিয়ে ওঠে, হারামজাদা, তোর গানের নিকুচি করেছে। সকালবেলা—

    তাতে বুনোর আবেগ বাগ মানে না, হাত জোড় করে গায় :

    সখী, তুমি আগ করো না।

    সুখবতী রাগে ঘৃণায় অন্ধ হয়ে চিৎকার করে ওঠে, শুয়োর, আমি তোর সখী হলুম? বুনো তাড়াতাড়ি নিজের মুখে চাঁটি মেরে বলে, থুড়ি থুড়ি, তুমি আমার মা। আবার,

    মা গো, তুমি আগ করো না।

    ততক্ষণে সুখবতী একটানা বলে চলেছে, তুই মর মর মর—

    বুনো বলে সুর করে,

    যম যে তোমার চোখ-খেগো গা—

    পরমুহূর্তেই তেলের বাটিতে কোনওরকমে আঙ্গুলটা ছুঁইয়ে, সেটুকুন মাথায় ঠেকিয়ে চলে যায় পুকুরের দিকে। কিন্তু রাস্তা দিয়ে যায় না। যায় বস্তির পেছন দিকের ঘাটে ; যায় না, তাকে টানে ওই ঘাটে।

    পুকুরের ধারে, যেখানে বস্তির পেছনটা বেঁকে পড়েছে সেখানে একটা ঘরে থাকে মাদ্রাজি খ্রিস্টান পরিবার। মা বাপ আর বড় মেয়ে কারখানায় কাজ করে। মেজ মেয়েটা সাহেব বাড়ির ঝি। সেই মেয়েটা, কালো বটে, তবু ভারী সুন্দর। আর কাজ কর্ম করে বটে, কিন্তু সব সময়ই থাকে বেশ পরিষ্কার ধপধপে হয়ে। মেয়েটা বুনোর দিকে ঠেরে ঠেরে তাকিয়ে না-হক কেবলি টিপে টিপে হাসে! বুনো প্রথমে চটত, ভাবত বুঝি অবজ্ঞা করে বিবিগিরি দেখাচ্ছে তাকে।

    কিন্তু এখন, বুনো মনে মনে বলে এ আবার শালার কী ফ্যাসাদ, তবু ওই না-হক হাসি না দেখতে পেলে তার প্রাণ মানে না! আর মেয়েটাও ভোলে না ওই এঁদো পুকুরের পাড়ে হাজিরা দিতে।

    বুনোর পক্ষে হৃদয়ের এ আবেগ চাপা মুশকিল। কিন্তু ব্ৰজর কাছে এ ব্যাপার অকল্পিত। একে তো সে এ-যুগের বিত্তহীন, তার আশাটা হল এ-সমাজের মধ্যজীবীর ভদ্র জীবনযাত্রা ও ধর্মের একনিষ্ঠতা। তার চারপাশে ভয় ও সংশয়ের প্রাচীর খাড়া, প্রতিটি পদক্ষেপ নিঃশব্দ নম্র সন্ত্রস্ত।

    .

    ব্রজ এল চান করে। তাদের উঠোন নেই, আছে রান্না করবার এক ফালি বারান্দা। সেখানেই ব্রজ রেখেছে তুলসীগাছের টব। সে এসে জল দিল তুলসীতলায়। প্রণাম করল মাকে। তারপর চা খেতে খেতে বলল, হ্যাঁ মা, তুমি নাকি ঘোষ কর্তাদের দোকানে গে ঝগড়া করে এসেছ?

    সুখবতী কথাটা বোধ হয় চাপতে চেয়েছিল। বলল, তা করেছি বাবা। করব না? ছ পসার তেল, তাও ওজনে মারবে?

    মারুক, ওদের ধম্মো ওদের কাছে।

    কথাটা সুখবতীর মনঃপূত নয়। তবু ব্রজ যখন বলছে! বলল, কিন্তু গাল দিলে যে?

    দিক, তাতে কী।

    নির্বিরোধ ব্রজ, নির্বিকার তার গলা। তার জীবনের কোথাও প্রতিবাদ নেই, আছে মানিয়ে চলা। সুখবতী চুপ করে থাকে।

    বুনো নেয়ে আসতেই ব্ৰজ বলল, হ্যাঁ রে বুনো, কাল তুই মিত্তির ডাক্তারের সঙ্গে ঝগড়া করেছি।

    বুনো বলল গা মুছতে মুছতে হুঁ, ঝগড়া আবার কী! পরের পেছনে কাটি দেওয়া কেন?

    কেন, তোকে কী বলেছে?

    বুনো বলল, কী আবার। কাল সন্ধেয় কারখানা থেকে আসছি, বাড়ির সামনে চার মন কয়লা দেখিয়ে বললে, হেই বুনো কয়লাগুলো এট্টুস বাড়িতে তুলে দে তো। যেন আমি ওর বাপের চাকর। বললুম, নিজেরা তুলে লাও না মশাই। তো ডাক্তার বললে আমাকে, তোর তো হারামজাদা খুব তেল হয়েছে। হাঁকতুম এক ঘুষি। খালি বলে দিলুম, আবার যদি হারামজাদা বলো, তোমার ওই মুখ থুবড়ে দোব।

    কথাটা শুনে যেন আঁতকে উঠল ব্রজ। বুঝি সুখবতীও। ব্রজ বলল, তা কয়লাটা তুলে দিলেই হত। আমাদের বাপ দাদা ও-রকম কত দিয়েছে।

    দিয়েছে তো দিয়েছে। ও-সব ভদ্দর পিরিত তুই করগে যা।

    ব্রজ তবু বললে, তোর মাপ চাওয়া উচিত।

    তোর কথায়। ভেংচে উঠল বুনো। দ্যাখ বেরজা, মন্তর দিসনে। তোর কাজ তুই কর।

    মন্তর মানে উপদেশ। ব্রজ তাকে ছেড়ে মাকে ধরল, ডাক্তার বাবু কত কথা বললেন। তা সে একটা মিলের ডাক্তার। আজকেই ফোরম্যানকে বলে তোর চাকরি খেয়ে দিতে পারে। গরিবের ছেলেকে কত সইতে হয়।

    এ-সব কথায় বুনোর মাথায় আগুন জ্বলে ওঠে। সে চেঁচিয়ে উঠল, গরিব বলে কি মান নেই? এতে যদি চাকরি যায় তো যাক। তবে তোর ফোরম্যানকেও দেখে লোব। আর তুই যদি ফের আমাকে তাতাবি—

    এবার হামলে পড়ে সুখবতী। চাকরি যাওয়ার কথাটা শুনে ভয়টাই তার রাগের চেহারায় দেখা দিল, বলল, তাতে তোর কী আছে রে ড্যাকরা। তোর জ্বালায় কি আমাদের মরতে হবে? চাইবি, ক্ষ্যামা চাইবি পায়ে পড়ে।

    উভয় পক্ষ থেকেই নিরাশ হয়ে বুনো তার মেজাজের শেষ সীমায় পৌঁছুল। চিৎকার করে উঠল, তোমাদের দায় থাকে তো তোমরা চাও গে…আর রইল শালার সংসার আর চাকরি আর ভদ্দরের কুটুম্বিতে।

    বলে সে দুম দুম করে ঘরে ঢুকে জামাকাপড় পরে হন্ হন্ করে বেরিয়ে গেল। না খেল রুটি, না চা।

    ব্রজ কারখানায় এসে দেখল, বুনো সত্তর ফিট উঁচুতে নতুন চিমনির গায়ে বলটু ঠুকছে।

    এই নিয়েই বারোমাস অশান্তি। ব্রজ রোজ এসে বলে, আজ ফোরম্যান এই বলে, কাল কারখানায় এই হয়েছে, বাইরে সেই হয়েছে। আর সুখবতী রাতদিন বুনোকে খিঁচোয়।

    বুনো মাথা নোয়ায় না। সে যেন তাদের খালাসিদের শক্তিতে তোলা ওই একশো ফিট উঁচু চিমনিটার মতো সটান ও উদ্ধত। মেঘ ঝড় বৃষ্টিতে সে অবিচল। বলে, খাটব–খাব ; যেমন আয়নাটি দেখাবে, তেমনি মুখটি দেখবে ; কাজ শিখেছি ফিটারের, তুমি বলবে মাইনে বাড়াব না, ফিটারের কাজ কর। কেন? সে হবে না।

    সে হবে না ঠিক, কিন্তু মনের কোথায় যেন খচ্‌ করে ওঠে। ভাবে, ফোরম্যান শোধ তুলতে পারে। তবু ভাবে, ও যদি শোধ তোলে, আমরা প্রতিশোধ নিতে পারব না?

    ব্ৰজর উন্নতি হয় কাজে। সে সত্যি কেরানির কাজ পায়। তার মান বাড়ে। বাড়ে সুখবতীরও। সে যে বাবু ছেলের মা। এতে বোধ করি বুনোরও একটু গোপন গৌরব-বোধ ছিল, কিন্তু প্রকাশ্যে সে-বোধের অধিকার নেই। নিজের বিবেকের বিরুদ্ধে আপসহীনতা যেন তার কলঙ্ক। ব্রজ যে তার গৌরবের ভাগ তাকে দিতে রাজি নয়।

    এরপর থেকে বুনোকে নিয়ে অশান্তি আরও বাড়ে, ব্ৰজর দাবি তার চেয়েও বেশি। পাড়া বয়ে লোক শোনাতে আসে ব্রজের কথা। সেই সঙ্গে বুনোর কথাটা বলতে কেউ ভোলে না।

    একদিন সেই মাদ্রাজি খ্রিস্টান মেয়েটি ভাঙা বাংলায় বললে, তুমি বড় গোঁয়ার।

    বুনো অমনি হাসি ভুলে মাথা সটান করে দাঁড়াল। এ-মিথ্যে অপবাদ সে মানতে রাজি নয়। বললে, আ মলো, গোঁয়ার কোথা দেখলে?

    মেয়েটি বোধ হয় তার প্রেমের অধিকারেই বলল, সবাই বলে। তোমার দাদা কেমন ভদ্র, কারুর সঙ্গে–ব্যস, আর বলতে হল না। বলে দিল, তা হলে দাদার সঙ্গে পিরিত করলেই পারো।

    বলে গামছাটা কোমরে কষে বাঁধতে বাঁধতে সে আপন মনেই বলতে লাগল, রইল শালার পিরিত, নিকুচি করেছে তোর ভালর। এ মেয়ের জন্য শালা আমি রোজ এঁদো পুকুরে ডুবতে আসি।

    সে হন হন করে চলে গেল বড় রাস্তার মিউনিসিপ্যালিটির জলকলের দিকে।

    মেয়েটা খানিকক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে থেকে তাড়াতাড়ি দাঁত দিয়ে ঠোঁট চেপে ধরল। তার দক্ষিণী টানা চোখে বড় বড় ফোঁটায় জমে উঠল প্রেমের প্রথম অশ্রু।

    সারাদিন বুনোর মনটা দমে রইল কারখানায়। বুকের ভিতরটা কেন যে এরকম করছে, সে বুঝল না। ভেবে পেল না, এ-সংসারে কী ব্যতিক্রমটা সে করেছে।

    বিকেলে ব্রজর পিছন পিছন বাড়ি এল।

    বাড়ি আসতে না আসতেই মিত্তির ডাক্তার প্রায় আধন্যাংটো হয়ে কোমরে কাপড় গুঁজতে গুঁজতে রুদ্রমূর্তিতে ছুটে এল।

    ব্যাপার হয়েছে, তার বাড়ির সামনেই মুখুজ্জেদের দুই পুরুষ আগের একটা ভাঙা ভিটা পড়ে আছে। কিছুই নেই, আছে শুধু ইট বের করা গোটা দুই ঘরের দেয়াল, তাতে ইঁদুর আর সাপের বাস। সেটা মিত্তির কিনেছে। সুখবতীর অপরাধ, সেই দেয়ালে সে ঘুঁটে দিয়েছে, দেয়-ও রোজ। বোধ করি দু একদিন বারণও করেছে। কিন্তু সুখবতী জানে, পড়ো দেয়াল, সে না দিলেও অন্য কেউ দেবেই।

    কিন্তু মিত্তির একবারে উগ্র মূর্তিতে চিৎকার করতে করতে ছুটে এল, কোথায় সে হারামজাদা ছোটলোক মাগি, তাকে একবার দেখি।

    ভীত সন্ত্রস্ত ব্রজ একেবারে মিত্তিরের পায়ে গিয়ে পড়ল, কী হয়েছে কাকাবাবু, আমাকে বলুন।

    বুনো চমকে বন্য বরাহের মতো কাত হয়ে মিত্তিরের দিকে তাকাল। সুখবতী ভয়ে বিস্ময়ে নির্বাক।

    মিত্তির কোনও রকমে তার বক্তব্য বলে আবার চেঁচিয়ে উঠল, এত বড় সাহস ছেনাল মাগির, আমি বারণ করেছি তবু

    এই অভাবনীয় ব্যাপারে ব্রজ অসহায়ের মতো বলে উঠল, এবারটা ছেড়ে দেন, ক্ষমা করেন। মা আমার বুঝতে পারেনি।

    সুখবতী শুধু বলল, ভাঙা পড়ো দেয়াল বাবু, তাই

    মিত্তির রুখে উঠল, হাজার ভাঙা হোক, তোর কী? কথায় বলে, ছোটলোক কখনও

    বুনো আর চুপ করে থাকতে পারল না। বলে ফেললে, ওই ভদ্দর গালাগালগুলোন আর দেবেন না মশাই।

    ব্রজ বলে উঠল, বুনো, চুপ!

    কিন্তু মিত্তিরের রাগ চড়ল। সে চেঁচাতে লাগল, কেন দেব না। যার যেমন, তার তেমন। ছেনালকে ছেনালই বলব।

    ব্রজ দুই হাত জোড় করে বলল, আর নয়, কাকাবাবু, আমি মাপ চাইছি এদের হয়ে, আমি মাপ চাইছি।

    মিত্তিরের এত রাগের অন্তঃস্রোত ধরা মুশকিল ছিল। সে বুনোর দিকে একবার দেখে যেন জেদ করে ব্রজকেই বলল, আমি বলছি, তোর মা–ছেনাল।

    ব্রজ আবার হাত জোড় করার উদ্যোগ করতেই সবাই দেখল, বুনো চকিতে ছুটে এসে ব্ৰজের হাত দুটো মুচড়ে ধরে একেবারে তার পায়ের কাছে আছড়ে ফেলল। হিসিয়ে উঠল সে, তুই হতে পারিস ছেনালের ছেলে, বুনো নয়, বুঝলি।

    তারপর চোখের পলক না পড়তে সবাই দেখল, মিত্তিরের সামনের দাঁত দুটো নেই, আর মুখ দিয়ে ভলকে ভলকে তার রক্ত পড়ছে। মৃত্যু-চিৎকার জুড়েছে সে। তার সামনে ক্ষিপ্ত নির্বাক যমদূতের মতো দাঁড়িয়ে বুনো।

    তারপর সে এক কাণ্ড। সুখবতীর চিৎকার, বস্তির হট্টগোল ও হাহুতাশ, এক এলাহি ব্যাপার।

    ঘণ্টাখানিক পরে, ভাঙা আসর থেকে বুনোকে ধরে নিয়ে গেল পুলিশ। মামলা পরে, এখন হাজতবাস তো হোক। সুখবতী যদি পারে, জামিনের যেন চেষ্টা করে।

    সুখবতী উঠল। বুঝল, বুনোকে ছাড়াতে অক্ষমতা তার কতখানি। তবু ভাঙা গলায় খালি বলল, কতদিন, তোকে কতদিন বলেছি।

    বুনো একবার ফিরল। ব্যাপারটা যেন এখনও তার কাছে পুরো বোধগম্য হয়নি। কেবল বুকের ভিতরটা কেমন করতে লাগল মায়ের দিকে ফিরে। কথা বলল না, কেবলি বুকটার মধ্যে কী হতে লাগল, তবু অনুশোচনার কোনও কারণ নিজের মনে সে খুঁজে পেল না।

    কেবল সেই মাদ্রাজি মেয়েটি ভাবল, আমিই ওর মনটা আজ ভেঙে দিয়েছি, তাই। দক্ষিণের সমুদ্রের অথৈ জোয়ার ওর চোখে।

    .

    ভোর হবো-হবো। আকাশে আলো দেখা দেবে-দেবে করছে। রাস্তায় আলো নিভে গিয়েছে। নসীরামের বস্তি জাগছে।

    ব্রজ জেগেছে। ডান হাতটা তার সত্যি ভেঙে গিয়েছে। সে মাকে ডাকতে গিয়ে থেমে গেল। দেখল, মা জেগেই আছে। জেগে বসে আছে। একলা চুপচাপ।

    ব্রজ রোজকার মতো জলের ঘটি নিয়ে এল। পা ছোঁয়াতে গেল মায়ের।

    হঠাৎ সুখবতী ঘটিটা নিয়ে মেঝেয় ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বলল, ছেনালের পা ধোয়া জল খাবি, তোর মান যাবে না? তোর লজ্জা করে না? আমি যে ছেনাল।

    ব্রজ অবাক। আশ্চর্য, তার মাও সত্যি ছোটলোক, সেই মালা-ঘরনি বস্তিবাসিনী সুখবতী।

    সুখবতী তার রাতজাগা চোখ দুটোতে জল দিয়ে বাইরে এল। গলির মোড়ের দিকে মুখ করে খালি বলল, এ সংসারের ধারা বুঝিসনে,… তোকে কতদিন বলেছি, কতদিন…।

    ব্রজ অপ্রতিভ নেংটি ইঁদুরটার মতো অন্ধকার ঘরের মধ্যে চোখ পিটপিট করতে লাগল।

    কেবল সেই মেয়েটি এঁদো পুকুরের ধারে গিয়ে নির্জন বড় রাস্তাটার দিকে তাকিয়ে রইল। একটু পরেই ওই খালি রাস্তাটাতে কারখানাগামী লোকের আনাগোনা শুরু হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমরশুমের একদিন – সমরেশ বসু
    Next Article বনলতা – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }