Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মন ধোয়া যায় না – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প331 Mins Read0
    ⤶

    হে বৃক্ষনাথ

    ‘জয় বৃক্ষনাথ, তোমার দয়ায় এই পৃথিবী এখনও সন্তান প্রসব করে যেতে পারছে। তোমাকে শত কোটি প্রণাম।’ ভোররাতে ঘুম ভাঙার পর, সেই ঘর— যা পঁচিশ বছর আগে কোনোরকমে মাথা গোঁজার জন্য বানিয়েছিলেন শ্রীপতি, বেরিয়ে এসে সমস্ত শরীর মাটিতে বিছিয়ে প্রণাম করার সময়, মন্ত্র উচ্চচারণের মন নিয়ে শব্দগুলো চারপাশে ছড়িয়ে দিলেন। তখন কয়েকশো পাখি দিন ফোটার আনন্দে লক্ষ লক্ষ গাছের ডাল থেকে ডালে লাফিয়ে লাফিয়ে আনন্দের চিৎকার করে চলেছে। শ্রীপতি খুশি হলেন। ওই পাখিরাও তাঁকে নকল করে বলে চলেছে, ‘জয় বৃক্ষনাথ, জয় বৃক্ষনাথ!’

    বৃক্ষের কোনো লিঙ্গ নেই। তাঁর ইচ্ছেমতো তিনি পিতা হতে পারেন, ইচ্ছে বদলে গেলে, মাতা। তিনি ভগবান! তিনি ফুল দেন, ফল দেন। পাতা, ডাল থেকে শেকড় —সবই তাঁর দান, যা পাখি থেকে মানুষকে সমৃদ্ধ করে। তাঁর শরীর থেকে নির্যাস বের করে মানুষ নিজের দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে মজবুত করে। এখন শ্রীপতির সামনে—পিছনে তিন লক্ষ বৃক্ষ আর তরু। আহা, সব তরু যদি বৃক্ষ হয়ে উঠতে পারত!

    পঁচিশ বছর আগে এই ভূখণ্ড ছিল পাথুরে। মাটি খুঁজতে পাথর সরাতে হত। টাটা থেকে বান্দোয়ান হয়ে গালুডি যাওয়ার পথে এক দুপুরে মনে হয়েছিল, এখানকার পৃথিবী বড় খাঁ—খাঁ। মানুষ নেই কোথাও। তাদের গ্রাম অনেক দূরে। এই সরু পিচের রাস্তার দু’পাশে আদিম কাল যেন অভুক্ত হয়ে নেতিয়ে রয়েছে। কীরকম মায়া লেগে গেল মনে। ঘোরও লাগল। জমির দাম কত? জলের চেয়ে সস্তা। বছরে মাস দেড়েক ছিঁটেফোঁটা ছাড়া বাকি সময় এখানকার আকাশ বাঁজা হয়ে থাকে যে! জল চাও তো হাঁটো তিন ক্রোশ পথ। সেখানে সরকার বাহাদুর দু’—দুটো চাপাকল বসিয়েছে। লাইনে দাঁড়ালে ঘণ্টা দেড়েক পরে জল তো পাবেই। তাই জল বড় মূল্যবান। অন্তত জমির যিনি মালিক তিনি তাঁকে পাগল ভাবছেন। পঁয়তাল্লিশ বছরের আইবুড়ো বোন, যার বিয়ে হয়নি চোখে দেখে না বলে, সংসারের কোনো কাজে না—লাগলেও যাকে অন্তত ভাত আর আলুসেদ্ধ দিতে হয়, তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব নিয়ে যদি কেউ আসে তা হলে লোকটাকে পাগল ছাড়া অন্য কিছু ভাবা যায়? দশ বিঘে জমির মালিক হতে কুড়ি হাজার টাকা দিতে হল। টাটা কোম্পানির চাকরির সুবাদে কিছু টাকা জমানো ছিল, সেটাই কাজে লেগে গেল। তারপরেই একটা টালির ঘর, ইট সাজিয়ে তার ওপর সিমেন্ট ঢেলে সেই ঘরের মেঝের সঙ্গে টাটা থেকে লোক নিয়ে গিয়ে, পাথর সরিয়ে একশো পঁচিশ ফুট নিচে নামতেই পাইপ দিয়ে গলগলিয়ে জল বেরিয়ে এল ওপরে। সেই জলের উচ্ছ্বাস যখন পাথরের ওপর দিয়ে চারপাশে ছড়িয়ে যাচ্ছিল তখন অদ্ভুত দৃশ্যটা দেখতে পেলেন শ্রীপতি। পাথরের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসছে পোকাগুলো। জলের স্রোতে নাকানিচোবানি খাচ্ছে। জীবনে কোনোদিন এমন জলের স্রোত শুধু ওরা কেন, ওদের চোদ্দোশো পুরুষও দেখেনি! এটা মনে আসতেই শ্রীপতি থমকেছিলেন। তাঁর মনে পুরুষ শব্দটি কেন এল? চোদ্দোশো নারী না—থাকলে ওরা এখন কী করে সাঁতার শিখত?

    বিপদ বাড়ল। ভোর হতে না—হতেই জায়গাটা যেন বাজার। কাছাকাছি গ্রাম থেকে মানুষের ঢল নামল তাঁর টালির ঘরের সামনে—জল চাই, জল দাও। তুমি একা মানুষ তোমার এত আছে, আমরা অনেক, আমাদের এক ফোঁটাও নেই। শ্রীপতিরও তাই মনে হল। যেখানে গাছ আছে, শ’য়ে শ’য়ে গাছ, তারা মাটির নিচের জল শেকড় দিয়ে শরীরে টানে। ওই জলের মালিকানা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না।

    শ্রীপতি রাজি হলেন। কিন্তু বললেন, ‘জল যেখান থেকে উঠে আসছে তার ওপর পাথরের চাপ পড়ছে। আপনারা রোজ একটু একটু করে পাথর সরিয়ে দিন। আমি এখানে গাছ লাগাব!’

    এক কথায় সবাই রাজি। কিন্তু গাছ? এখানে গাছ! ওরা এতকাল পাহাড়ের কোলে যে—সব গুল্ম দেখে এসেছে তাকেই গাছ ভেবে নিয়েছে। এখানে গাছ হবে?

    শ্রীপতি স্বপ্ন দেখলেন এবং দেখালেন, ‘হবে, হবে। বড় বড় বৃক্ষ হবে। তার পাতার ছায়া মাটিতে পড়বে। দূরদূরান্ত থেকে পাখিরা উড়ে এসে আর ফিরে যাবে না। তারপর সেই গাছগুলোর আকর্ষণে শুকনো আকাশ একটু একটু করে ভিজে হয়ে উঠবে। সেই ভেজা আকাশ থেকে জল ঝরবে মাটিতে।’

    দু’বেলা জল ভরে নিয়ে অকৃতজ্ঞ হয়নি মানুষরা। শ্রীপতি দেখলেন, তাঁর দশ বিঘে জমির ওপর থেকে ওরা সমস্ত পাথর তুলে সামনের রাস্তায় সুন্দর করে বিছিয়ে দিয়েছে। তারপর সময় পেলেই চাপাকলের হাতল টেপা আর জলের ধারা জমির সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ চলল। কয়েকদিন পর ভোর ভোর নাকে গন্ধটা লাগল। সোঁদা গন্ধ। শ্রীপতি হাসলেন। বুঝলেন, তাঁর জমির মাটি ঋতুমতী হয়েছে!

    টাটা থেকে এল, ঘাটশিলা থেকেও। প্রভিডেন্ট ফান্ডের অনেকটা লেগে গেল সেসব করতে। দশ ভাগ চারা নেতিয়ে গেলেও নব্বই ভাগ তরতর করে মাথা তুলতে লাগল। আর সেই সময় লোকটা এল একটি বালককে নিয়ে। এই জমি একদা যার ছিল তার ভাই ওই লোকটা। বলল, ‘বাবু, আমি সংসার ছেড়ে চলে যাচ্ছি। হিমালয় আমাকে ডাকছে।’

    শ্রীপতি অবাক হলেন, ‘সে কী! কী করে বুঝলে?’

    ‘শয়নে, স্বপনে, জাগরণে ভগবান যেন বলেন, আয় হরিদ্বারে আয়। আমার জমিজমা, ঘরবাড়ি নেই। বউ ছিল, সে—ও মরেছে গলায় দড়ি দিয়ে। দাদার আশ্রয়ে লাথিঝেঁটা খেয়ে ছিলাম। আর নয়, এবার হরিদ্বারে চলে যেতে চাই।’ লোকটা বলল।

    ‘তা আমার কাছে এলে কেন, কী করব আমি?’

    ‘বাবু, এটা আমার ছেলে। ওর মা নাম রেখেছিল দুখী। দুখীরাম। ওর জেঠি ওকে সহ্য করতে পারে না। ওর দোষ হল, কথা বলতে পারে না। আপনি যদি ওকে আশ্রয় দেন, আপনার সব কাজ ও হাতে হাতে করে দেবে, বড় নরম মন ওর। ওকে আপনি আশ্রয় দিলে আমি নিশ্চিন্তে চলে যেতে পারি।’ লোকটা বলল।

    শ্রীপতি তাকালেন ছেলেটির দিকে। বছর ছয়েক বয়স। ছেঁড়া খাকি হাফপ্যান্ট, পাঁজর বের করা খালি গা। তার দিকে করুণ চোখে তাকিয়ে আছে। সব স্থির হয়ে গেল সঙ্গে সঙ্গে। বললেন, ‘এই ছেলে, ওই পলাশ গাছের পাশে গিয়ে দাঁড়া দেখি। কে বেশি লম্বা, তুই না ওটা?’

    ছেলেটা ঘাবড়ে গেল। এরকম আদেশ কেউ তাকে কখনও করেনি। তার বাবা বলল, ‘যা, ওঁর কথামতো কাজ কর।’

    ছেলেটা হেঁটে গেল পলাশ গাছের চারার পাশে।

    শ্রীপতি হাসলেন, ‘বাঃ, একদম মাথায় মাথায়। গাছ যেমন লম্বা হবে তোকেও তার সঙ্গে তাল রেখে লম্বা হতে হবে বুঝলি!’

    লোকটা বলল, ‘হে হে, মানুষ কি গাছের সঙ্গে পারে!’

    মাথা নাড়লেন শ্রীপতি, ‘বেশ, থাক। যতদিন কথা শুনবে ততদিন থাকতে পারবে। তবে হ্যাঁ, ওই নাম এখানে চলবে না। দুখী নয়, এখানে থাকতে হলে ওর নাম হবে সুখী, সুখরাম…’ বলে তাকালেন ছেলেটির দিকে। সুখী তখন পলাশ চারার কচি পাতায় আঙুল বোলাচ্ছে আলতো করে। শ্রীপতির মনে হল, এ থাকবে।

    এক বছরের মধ্যে জমির চারপাশের গাছগুলো যেন বৃক্ষ হওয়ার জন্যে ব্যস্ত হয়ে উঠল। এক বিকেলে কোথা থেকে দুটো ঘুঘু এসে বসল আমগাছের ডালে। বসে অদ্ভুত গলায় ডাকতে লাগল। সুখী ছুটে এল শ্রীপতির কাছে। হাত ধরে টেনে নিয়ে আঙুল তুলে গাছের ডালে প্রায় গায়ে গা মিশিয়ে থাকা পাখিদুটোকে দেখাল। খুশি হলেন শ্রীপতি। বললেন, ‘তোমরা কোন কানন থেকে এলে গো!’ তারপরেই শব্দ করে হেসে উঠলেন। সুখী অবাক হয়ে তাকাল। হাসির কারণ কী? শ্রীপতি যেন নিজের সঙ্গে কথা বললেন, ‘লোকে বলে, সর্বস্বান্ত হলে ভিটেয় ঘুঘু চরে। এত পাখি থাকতে তোরাই নন্দ ঘোষ হয়ে গেলি!’

    সুখী শব্দ করল। ও যখন প্রবলভাবে কিছু বলতে চায় তখন গলা থেকে ওই রকম শব্দ বের হয়। সেটা শোনার পর শ্রীপতি ছেলেটার সামনে হাঁটু মুড়ে বসলেন, ‘ঠিক আছে, এভাবেই বল, অ।’

    সুখী তাকাল। তৃতীয়বার বলার পর সে শব্দ বের করল কিন্তু সেটা অ—এর ধারে কাছে গেল না। তবে শ্রীপতি ছাড়ার পাত্র নন। দশ মিনিট ধরে চেষ্টা করে করে গলার শিরা ফুলে উঠছে দেখে, ছেলেটাকে ছেড়ে দিলেন। বেচারা কোনোদিন অ—আ—ই—ঈ বলতে পারবে না? কোনোদিন অক্ষর চিনবে না? আর তখনই শব্দটা ছিটকে বের হল সুখীর মুখ থেকে, ‘অ! অ!’

    সুখী তাকিয়ে রয়েছে তাঁর পিছন দিকে। ওর চোখ বিস্ফারিত। দৃষ্টি অনুসরণ করে পিছনে তাকালেন শ্রীপতি। তিন ফুট লম্বা হয়ে ফণা তুলেছে কেউটে সাপ। আর—একটু এগোলেই সে শ্রীপতির শরীরে বিষ ঢেলে দিতে পারবে। চকিতে সরে আসতে আসতে দেখলেন সুখী জোরে জোরে হাততালি দিতে দিতে লাফাচ্ছে আর তার মুখে শব্দ ছিটকে আসছে, ‘অ, অ, অ!’

    সেদিনই মাথায় এসেছিল ভাবনাটা। এখানে স্কুল বলতে সেই বান্দোয়ান আর গালুডিতে। দশ থেকে বিশ মাইল হেঁটে বাচ্চচাদের পক্ষে সেখানে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই অনন্তকাল থেকে একে পর এক জন্মে যাওয়া এখানকার শিশুরা হিন্দি, বাংলা অক্ষর চেনে না, ইংরেজি তো স্বপ্নের বাইরে। এরা বড় হয় প্রাকৃতিক নিয়মে। শরীরে শক্তি যতদিন থাকে ততদিন তার বিনিময়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। কেউ দু’মাসের চাষবাস থেকে ফসল তুলে সারাবছর আধপেটা খেয়ে থাকে, দলে দলে চলে যায় বাইরে, কাজের সন্ধানে। গিয়ে ভাবে, শহরের বাবুরা কী আরামে আছে। সেই আরামের কণামাত্র তাদের গ্রামে পৌঁছায়নি। আগের প্রজন্ম এটাকে স্বাভাবিক ভেবে নিয়েছিল, এখন গুমরে উঠলেও এরাও একই পথে হাঁটছে। শ্রীপতির মনে হল, এত গাছ তিনি পুঁতেছেন, গাছগুলো একটু একটু করে বৃক্ষ হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সুখীরামের মতো বাচ্চচাগুলোকে যদি অক্ষর চেনাতে পারতেন, অক্ষর থেকে বাক্য। সেই বাক্য উপুড় হয়ে স্লেটে লিখত আর মুছত। তাই করতে করতে ওদের কেউ সাইকেল চালিয়ে বান্দোয়ানের স্কুলে, সেখান থেকে কলেজে গিয়ে এক—একজন এক—একটা বৃক্ষ হয়ে নতুন পথ দেখাতে পারত। এই পারাটাকে ভাবনায় না—রেখে বাস্তবে নিয়ে এলে কেমন হয়!

    জমির একপাশে বড় একচালা ঘর তৈরি হবে। একা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় তাই টাটানগরের কর্মক্ষেত্রে ফিরে গিয়ে আইনসম্মতভাবে অবসর নিয়ে কিছু ভাতা হাতে পেলেন। তারপর বন্ধু বা পরিচিতদের কাছে হাত পাতলেন। কেউ দিলেন, দিলেন না অনেকেই। কিন্তু খবর ছড়িয়ে গেল। টাটানগরের ভালো চাকরি ছেড়ে দিয়ে শ্রীপতি জঙ্গলমহলের শিশুদের অক্ষর চেনাতে স্কুল খুলতে চান।

    চালাঘর তৈরি হওয়ার পর টাটানগর থেকে একটা গাড়ি এল। নামী বহুজাতিক কোম্পানির অফিসাররা গাড়ি থেকে নেমে ঘুরে ঘুরে দেখলেন। শ্রীপতির সঙ্গে কথা বললেন। তাঁরা ফিরে যাওয়ার তিনদিন পরে চিঠি এল। সেই কোম্পানি এই সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট জানতে চেয়েছে। সংস্থা নেই। তাই টাটানগরের প্রিয় বন্ধুদের নিয়ে একটা সংস্থা তৈরি করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হল। তারপর সেই কোম্পানির চেক এল। এক লক্ষ এক টাকা অনুদান দিলেন তাঁরা। শ্রীপতি তাঁর গাছেদের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘জয় বৃক্ষনাথ! সবই তোমার কৃপা।’

    প্রথমে অনেক অনুরোধের পর, আটটা শিশু এল যাদের পায়ে একটা আধছেঁড়া চটিও নেই। পেট—পিঠ এক হয়ে গেছে!

    আটজনকে নিয়ে এসেছিল তাদের বুড়োবুড়ি অভিভাবকরা। তাদের বিদায় করতে চাইলেও তারা বেশি দূরে গেল না। শিশুগুলোকে প্যান্ট খুলিয়ে দাঁড় করালেন শ্রীপতি। তারপর চাপাকলের মুখে প্লাস্টিকের পাইপ ঢুকিয়ে তাদের স্নান করালেন। স্নানের এমন আনন্দ ওরা বোধ হয় কখনও পায়নি। আবার প্যান্ট পরিয়ে লাইন দিয়ে বসিয়ে সুখীকে ইশারা করলেন। ভোর ভোর ফেনাভাত আর আলুসেদ্ধ করা ছিল, সুখী শিশুদের সামনে প্লাস্টিকের থালায় তা ধরে দিতে ওরা তখন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। সম্বিৎ ফিরতেই ওরা ঝাঁপিয়ে পড়ল থালার ওপর। শ্রীপতি চুপচাপ দাঁড়িয়ে গেলার শব্দ শুনলেন। খাওয়ার পর হাতমুখ ধুইয়ে সুখীকে বললেন ওদের একচালার নিচে নিয়ে যেতে। স্নান সেরে খাওয়া হয়েছে, এখন পড়াশোনা আরম্ভ হবে। নিজের টালির ঘর থেকে বড় স্লেট আর চক নিয়ে চালাঘরের কাছে পৌঁছে শ্রীপতি দৃশ্যটা দেখলেন। আটটি শিশু চালাঘরের নিচে পাটির ওপর পড়ে আছে। প্রত্যেকের চোখ বন্ধ, এর মধ্যেই ঘুমে কাদা হয়ে গেছে সবাই। হয়তো জীবনে এই প্রথমবার পেটভর্তি ভাতের আরাম ওদের শরীর শিথিল করে দিয়েছে। শ্রীপতি দেখলেন, খানিকটা দূরে বসে সুখী ঘুমন্ত শিশুদের দিকে তাকিয়ে আছে। শ্রীপতি ঠিক করলেন, ওরা আজ ঘুমোক। কাল থেকে পড়াশোনার পথ বের করতে হবে।

    জয় বৃক্ষনাথ! মানুষ নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারছে কারণ তাদের কৃতজ্ঞতাবোধ নেই। বৃক্ষনাথ, তুমি না—থাকলে মানুষ পৃথিবী থেকে ধ্বংস হয়ে যেত। মুখ তুলে তাকালেন তিনি। এই পঁচিশ বছরে লক্ষ গাছ আরও লক্ষ গাছের জন্ম দিয়েছে এখানে। তাদের জায়গা দিতে জমি কিনতে হয়েছে শ্রীপতিকে। সন্তানের সংখ্যা বেড়ে গেলে বাড়িতে তো ঘর বানাতেই হয়। সেইসব চারাগাছগুলো এখন বিশাল বৃক্ষ। সেই দুটো পাখি কোথায় হারিয়ে গেছে, এখন নানা জাতের পাখির ভিড় এখানে, কাঠবিড়ালিরা সাহসী হয়ে দৌড়ে বেড়ায় চারধারে। চালাঘরটা নেই। তার জায়গায় দোতলা স্কুলবাড়ি হয়ে গেছে। টাটা থেকে কয়েকজন সব ছেড়ে চলে এসেছেন বাচ্চচাদের পড়াশোনা শেখাবেন বলে। তাঁদের থাকার জন্যে ঘর বানাতে হয়েছে। বিশাল উনুন দিনরাত জ্বলে খাবার তৈরি করার জন্যে। ব্যাঙ্ক বাস দিয়েছে। সেই বাস ভোরের অন্ধকার থাকতে বেরিয়ে যায় পাহাড়ি গ্রাম থেকে বাচ্চচাদের নিয়ে আসতে। তাদের অঙ্গে এখন স্কুলের ইউনিফর্ম। বাস থেকে নেমে গেট দিয়ে লাইন করে ঢোকার সময় তারা কচি গলায় বলে, ‘গুড মর্নিং স্যার।’

    কী করে কোথা থেকে কী হয়ে গেল! পঁচিশ বছর আগে যা ভাবতে পারেননি, তা সম্ভব হল মানুষের ভালোবাসায়। এই যে কালো শিশুরা এসে অ—আ শিখছে, নামতা পড়ছে, বাক্য লিখতে পারছে, কলকাতার এক রিপোর্টার এই এলাকার মাওবাদীদের ইন্টারভিউ করতে এসে জেনে ফেললেন সেকথা। জিজ্ঞেস করেছিলেন, আপনারা সব ভাঙছেন, জ্বালিয়ে দিচ্ছেন, মানুষ মারছেন কিন্তু ওই বৃক্ষনাথের স্কুলকে কিছু বলছেন না কেন? সঙ্গে সঙ্গে কপালে আঙুল ছুঁইয়ে মাওবাদী নেতা বলেছিলেন, ‘আমরা জন্ম দিয়েছি। আমাদের যেমন জন্ম দেওয়া হয়েছিল। আমাদের কেউ মানুষ করার চেষ্টা করেনি। আমাদের বাচ্চচাদের উনি মানুষ করার চেষ্টা করছেন। ওঁর ক্ষতি মানে তো আমাদের বাচ্চচাদের ক্ষতি!’ ব্যস। পরের দিনের কলকাতার নামী কাগজ ছেপে দিল খবরটা। বারুদের বিপরীতে গোলাপ।

    যখন বন্দুকের যুদ্ধে সরকার জিতে গেল, বুকে জ্বলুনি মেটার সুযোগ না—পেয়ে জঙ্গলমহল শান্ত হতে বাধ্য হল, তখন শহরের মানুষ আসতে লাগল নিজের চোখে দেখতে। কেউ কেউ আবেগে আক্রান্ত হয়ে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিল খবরটা। নিঃসম্বল হয়েও মানুষ গড়ে চলেছেন শ্রীপতি। একটু একটু করে সাহায্য আসতে লাগল। শুধু দেশ থেকে নয়, বিদেশ থেকেও বাঙালি টাকা পাঠাচ্ছে এই ভেবে, একটু ভালো কাজ করা যাক।

    শ্রীপতির পক্ষে এখন এসব ঝক্কি সামলানো সম্ভব নয়। তার জন্যে কয়েকজন আছেন। কিন্তু এসব নিয়ে যখনই ভাবেন তখন শ্রীপতির মনে হয়, কিছুই তো করা হল না। সেই যে আট শিশু, যাদের তিনি প্রথম দিনে স্নান করিয়েছিলেন তারা এখন কোথায়? ক্লাস এইট পর্যন্ত পড়ে দু’জন গিয়েছিল বান্দোয়ানে নাইনে ভর্তি হতে। বাকিরা হয় অটো চালায় নয়তো পানবিড়ি অথবা মুদির দোকান করেছে। এখনও অবধি কোনো ছেলে বা মেয়ে এসে তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেনি, ‘আপনি কেন আমাকে অক্ষর চিনিয়েছেন? কেন প্রতিদিন আমাকে গুড মর্নিং বলতে শিখিয়েছিলেন? এমন শিখে আমার কী উপকার হল? যে শেখেনি সে যেমন অটো চালাচ্ছে, আমিও তো তাই চালাচ্ছি! উত্তর দিন!’

    না। কেউ প্রশ্নটা করেনি। একজন সাংবাদিক তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘এই যে বাচ্চচারা এখানে পড়তে এলে আপনি ফেনাভাত, সেদ্ধ বা তরকারি খাওয়ান, এটা এক ধরনের ঘুষ দেওয়া নয় কি?’

    ‘মানে!’ হকচকিয়ে গিয়েছিলেন শ্রীপতি।

    ‘ওরা খাওয়ার লোভে আসে। পড়াশোনার টানে নয়। বাড়িতে হয়তো সকালে কিছুই খেতে পায় না তাই এখানে কামাই করে না। দু’দিন খাবার বন্ধ করে দেখুন তো হাজিরার সংখ্যা ঠিক থাকে কিনা!’ সাংবাদিক বলেছিলেন।

    মাথা নেড়েছিলেন শ্রীপতি, ‘আমি এভাবে ভাবি না। একটা গাছের চারাকে বড় করতে হলে রোজ জল দিতে হয়। সেই জল ওরা বাড়িতে ঠিকঠাক পায় না, তাই আমি চেয়েচিন্তে ভিক্ষে করে আনি ওদের জন্যে। এর বেশি কিছু নয়।’

    জঙ্গলের ফাঁক দিয়ে সুখীর শরীরটা এগিয়ে এল তাঁর সামনে। বছর বত্রিশের যৌবন ওর শরীরে। যে—পলাশ গাছের পাশে দাঁড় করিয়ে ওর দৈর্ঘ্য তিনি জরিপ করেছিলেন, সেই পলাশ এখন আকাশছোঁয়া। হাসলেন শ্রীপতি, সেই সুখী—ই বা কম কীসে! অন্তত ছ’ফুট হয়ে গেছে ওর শরীর।

    ‘কিছু বলবি?’ শ্রীপতি জিজ্ঞেস করলেন।

    মাথা নাড়ল সুখী, তারপর ইশারা করল অনুসরণ করতে। ওপাশের স্কুলবাড়ি আজ চুপচাপ। রবিবারে এদিকে পাখিরা চলে আসে। উলটোদিকের দোতলার ওপরের ঘরদুটো গেস্টরুম। খাওয়া—থাকা সমেত দিনে ছ’শো টাকা। দোতলার পিছনে প্রচুর গাছগাছালি। সেখানে পৌঁছে সুখী ঘাসের বুকে পড়ে থাকা বোতলটাকে দেখাল। মদের বোতল। মুখ তুললেন শ্রীপতি। কোন ঘরের জানালা দিয়ে এটা ছোঁড়া হয়েছে বুঝতে না পেরে বললেন, ‘ওপরে চল।’

    আজকাল সিঁড়ি ভাঙার সময় হাঁটু জানান দেয়। দুটো ঘরের দরজাই ভেতর থেকে বন্ধ। কড়া নাড়লেন তিনি প্রথম দরজার। কোনো সাড়া নেই। তৃতীয়বারে যে দরজা খুলল, তার একমুখ দাড়ি, রুক্ষ চেহারা। খেঁকিয়ে বলল, ‘কেন বিরক্ত করছেন?’

    ‘বাধ্য হয়ে করছি। আপনারা কি মদ্যপান করে জানালা দিয়ে বাইরে বোতল ছুড়ে ফেলেছেন?’ শ্রীপতি জিজ্ঞেস করলেন।

    ‘আমরা এখানে মেয়েমানুষ নিয়ে ফুর্তি করতে আসিনি। যারা করছে তাদের বলুন। আর হ্যাঁ, এভাবে হুটহাট বিরক্ত করতে আসবেন না।’ ছেলেটা মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিল। তারই ফাঁকে শ্রীপতি দেখলেন, ঘরে যে—দ্বিতীয় ছেলেটি খাটের ওপর বসে আছে, সে যেন ভয়ংকর ভয় পেয়েছে। এরা কারা? গতকাল যখন এসেছিল তখন বলেছিল, আদিবাসীদের সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণার কাজ করতে এসেছে। ততক্ষণে দ্বিতীয় দরজার কড়া নেড়েছে সুখী। কোনো সাড়া নেই। তৃতীয়বারেও যখন দরজা খুলল না তখন শ্রীপতি বললেন, ‘দরজা ভেঙে ফেল।’

    দু’মিনিটে কাজটা করে ফেলল সুখী। ঘরে ঢুকে নাকে আঙুল চাপলেন শ্রীপতি। মদ এবং গাঁজার কটু গন্ধ যেন চাপ হয়ে রয়েছে। সামনে বিছানার ওপর দুটো শরীর পড়ে আছে। দু’জনের পরনে হাফপ্যান্ট, ছেলেটির ঊর্ধ্বাঙ্গে কিছু নেই, মেয়েটির আঁটোসাঁটো গেঞ্জি। দু’জনের চোখ খোলা, হাতে হাত, পায়ের ওপর পা। শ্রীপতি এগিয়ে গিয়ে কয়েকবার ডাকলেন। কোনো হুঁশ নেই। তারপর নাকের নিচে আঙুল রাখলেন দু’জনের। না, মারা যায়নি।

    এখানে মোবাইলের লাইন পাওয়ার চেয়ে লটারির পুরস্কার পাওয়া সহজ। একটা কাগজে কয়েকটা লাইন লিখে সুখীকে পাঠিয়েছিলেন বিএসএফের ক্যাম্পে। আধমাইল দূরের সেই ক্যাম্পের ইনচার্জ শ্রীপতির গুণমুগ্ধ। সাইকেলে তাঁকে চিঠি পৌঁছে দেওয়ামাত্র তিনি লোকজন নিয়ে হাজির হলেন দুটো গাড়ি নিয়ে। জ্ঞানহীন শরীরদুটো নিয়ে একটা গাড়ি ছুটল বান্দোয়ানের হেলথ সেন্টারে। ওরা সম্পর্ক লিখিয়েছিল স্বামী—স্ত্রীর, পকেটে যে—আইডেন্টি কার্ড পাওয়া গেল তার সঙ্গে ছেলেটি যে—নাম এখানে ঢোকার সময় বলেছিল তা মিলছে না।

    দ্বিতীয় ঘরের দরজা খুলছিল না। যখন ভাঙার চেষ্টা হল তখন বিকট শব্দে বোমা ফাটল। ভেতর থেকে গুলি ছোড়া শুরু হতেই, বিএসএফের জোয়ানরা পালটা আক্রমণ করলেন। দশমিনিট পরে সব শান্ত হলে ওঁরা মৃতদেহ দুটোর সঙ্গে এক বাক্স অস্ত্র নিচে নামিয়ে আনলেন। শ্রীপতি দেখলেন, সেই দাড়িওয়ালা ছেলেটিকে। মুখের সেই রুক্ষতা এখন এক ফোঁটাও নেই। বান্দোয়ান থানা থেকে পুলিশ এল। সব শোনার পর মৃতদেহ দুটো নিয়ে চলে গেল ওরা।

    সবাই চলে যাওয়ার পর শ্রীপতি তাঁর সহকর্মীদের ডাকলেন। বললেন, ‘অচেনা অজানা কাউকে আর ঘর ভাড়া দেওয়া হবে না। তাতে যদি অভাব বাড়ে তাও সহ্য করতে হবে।’

    সবাই একমত হল। যিনি টাকাপয়সার দায়িত্বে আছেন তিনি বেশ কুণ্ঠার সঙ্গে জানালেন, ‘এই মাসে অনুদানের পরিমাণ খুব কম। কীভাবে সব খরচ চালানো যাবে তা বুঝছি না। খরচ অনেক কমিয়েও সামলানো সম্ভব হয়তো হবে না।’

    দ্বিতীয়জন বলল, ‘আচ্ছা, আমাদের তো অনেক গাছ। তাদের একটা কেটে বিক্রি করলে তো মাসের খরচ উঠে যাবে। আমরা একটা গাছের বদলে দুটো গাছ লাগিয়ে দেব।’

    কথাটা সবার মনে ধরলেও শ্রীমতির মুখ দেখে তাঁর মনের কথা কেউ বুঝতে পারল না। ওরা চলে গেলে সুখী এগিয়ে এসে শ্রীপতির সামনে বসে দু’পাশে মাথা নাড়ল। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে শ্রীপতির হাত ধরে হাঁটতে লাগল। গাছের পর গাছ, শ্রীপতি যাদের পঁচিশ বছর আগে লাগিয়েছেন, বড় করেছেন, তাদের ভেতর দিয়ে ঘুরে ঘুরে সুখী সেই গাছটার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। গত ঝড়ে যে খুব নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল। শেকড় উপড়ে গিয়েছিল অনেকটা। একটু কাত হয়ে রয়েছে বিশাল গাছটা। সুখী আঙুল তুলে সেই গাছটাকে দেখাল।

    মাথা নাড়লেন শ্রীপতি। তারপর এগিয়ে গিয়ে গাছটার শরীরে হাত বোলালেন। ছেলেমেয়েদের বাপ—মা অনেক কষ্ট করে বড় করে, শিক্ষিত করে। বাপ—মা বৃদ্ধ হলে সেই ছেলেমেয়েরা যদি পাশে দাঁড়ায় তো ভালো, না দাঁড়ালে এখন অনেকেই আপশোস করেন না। স্বাভাবিক ভেবে নেন। এইসব গাছ তাঁর সন্তানের মতো। এদের কেউ কেউ যদি আত্মদান করতে প্রাকৃতিক কারণে বাধ্য হয় তা হলে বৃদ্ধ পিতার মতো তিনি উপকৃত হবেন।

    চোখ বন্ধ করলেন শ্রীপতি। নিঃশব্দে বলতে লাগলেন, ‘হে বৃক্ষনাথ, তুমি আমার সহায় হও। এখনও তো ওই বৃক্ষের পাতা সবুজ, এখনও পাখিরা ওর ডালে এসে বসছে। আমি কী করব? যেহেতু আমি মানুষ, প্রয়োজনের সময় আমি যদি চোখ বন্ধ করে থাকি তা হলে আমার বিবেক ঘুমিয়ে থাকবে। হে বৃক্ষনাথ, আমায় তুমি ক্ষমা করো।’

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রজাপতি – সমরেশ বসু
    Next Article জন-যাজক – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }