Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারতের নারী – ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প663 Mins Read0
    ⤷

    ০১. ব্যাসদেব প্রদত্ত কুরু-পাণ্ডব বংশের কুলপঞ্জিকা

    বৈশম্পায়ন রাজা জনমেজয়ের কাছে বিচিত্রবীর্যের দুই বিধবা পত্নীর গর্ভে বেদব্যাস কখন এবং কীভাবে ধৃতরাষ্ট্রের এবং পাণ্ডুর জন্ম দিলেন এবং শূদ্রা দাসীর গর্ভে বিদুরের জন্ম দিলেন, বলতে শুরু করেন, তখন অধৈর্য ও অসহিষ্ণ জনমেজয় তাঁকে অনুরোধ করেন যে, সৃষ্টির প্রথম থেকেই তাঁর বংশের কুলপঞ্জিকা আগে সংক্ষেপে তাঁর কাছে বর্ণনা করে তারপর বৈশম্পায়ন বিশদভাবে বর্ণনা দিন। রাজাদেশ শিরোধার্য করে বৈশম্পায়ন বলতে আরম্ভ করলেন, “যিনি প্রলয় পর্যন্ত থাকেন, যাঁকে নিত্য বলা হয়, যার শারীরিক ক্ষয় হয় না এবং যিনি স্বয়ং নারায়ণ থেকে উৎপন্ন, সেই ব্রহ্মা থেকে মরীচি ও দক্ষ জন্মগ্রহণ করেন। ব্রহ্মা নিজের অঙ্গুষ্ঠ থেকে দক্ষকে এবং দুই নয়ন থেকে মরীচিকে সৃষ্টি করেন; সেই মরীচির পুত্র কশ্যপ এবং দক্ষের কন্যা অদিতি বিশ্বের প্রথম স্বামী-স্ত্রী।

    কশ্যপ থেকে অদিতির গর্ভে সূর্য, সূর্য থেকে মনু, মনু থেকে ইলা, ইলা থেকে পুরুরবা, পুরুরবা থেকে আয়ু, আয়ু থেকে নহুষ, নহুষ থেকে যযাতি জন্মেছিলেন।

    যাতির দুই ভার্যা ছিল; একজন শুক্রাচার্যের কন্যা দেবযানী, অপরজন অসুররাজ বৃষপর্বার কন্যা শর্মিষ্ঠা। দেবযানীর গর্ভে যদু ও তুর্বসু, এবং শমিষ্ঠার গর্ভে দ্রুহ্য, অনু ও পুরু জন্মেছিলেন।

    তাঁদের মধ্যে যদু থেকে যাদব বংশ এবং পুরু থেকে পৌরববংশ সৃষ্টি হয়েছে। পুরুর ভার্যা ছিলেন কৌশল্যা; তাঁর গর্ভে পুরুর ঔরসে জনমেজয় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তিনটি অশ্বমেধ যজ্ঞ করেন এবং একটি বিশ্বজিৎ যজ্ঞ করে তপোবন গমন করেন। জনমেজয় অনন্তা নাম্নী মগধরাজ কন্যাকে বিবাহ করেন। সেই অনন্তার গর্ভে জনমেজয়ের প্রাচীণ্বান নামে এক পুত্র জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অপর সর্যোদয়ের পূর্বে পূর্বদিক জয় করেছিলেন এবং সেইজন্যেই তার নাম হয়েছিল ‘প্রাচীণ্বান’।

    প্রাচীণ্বান অস্মকী নাম্নী যদুবংশীয় একটি কন্যাকে বিবাহ করেন; তাঁর গর্ভে, প্রাচীণ্বানের সংযাতি নামে পুত্র জন্মগ্রহণ করেন। সংযাতি দৃশদ্বান রাজার কন্যাকে বিবাহ করেন; সেই কন্যার নাম ছিল বরাঙ্গী। বরাঙ্গীর গর্ভে সংবাতির ঔরসে ‘অহংযাতির’ জন্ম হয়। অহংযাতির ‘সার্বভৌম’ নামক পুত্র জন্মে।

    সার্বভৌম যুদ্ধ জয় করে কেকয়দেশের রাজকন্যা সুনন্দাকে অপহরণ করেন ও তাঁকে বিবাহ করেন। সেই সুনন্দার গর্ভে সার্বভৌমের পুত্র ‘জয়সেন’ জন্মলাভ করেন।

    জয়ৎসেন বিদর্ভ-রাজকন্যা সুশ্রবাকে বিবাহ করেন; তাঁর গর্ভে জয়ৎসেনের ঔরসে ‘অর্বাচীন’-এর জন্ম হয়। অর্বাচীনও বিদর্ভরাজের ‘মর্যাদা’ নাম্নী অপর কন্যাকে বিবাহ করেন। সেই মর্যাদার গর্ভে অর্বাচীনের পুত্র ‘অরিহ’-এর জন্ম হয়।

    অরিহ অঙ্গদেশীয় রাজকন্যার অঙ্গীর পাণিগ্রহণ করেন। তাঁর গর্ভে ‘মহাভৌম’ নামে অরিহের পত্র উৎপন্ন হয়। মহাভৌম প্রসেনজিৎ রাজার কন্যা ‘সুযজ্ঞা’কে বিবাহ করেন; তাঁর গর্ভে মহাভৌমের যে পত্র হয়, তাঁর নাম ছিল ‘অযুতনারী’। যিনি অযুত পরুষমেধ যজ্ঞ করেছিলেন। সেই জন্যই তাঁর নাম হয়েছিল ‘অযুতনারী’। অযুতনারী পৃথুশ্রবা রাজার কন্যা কামার পাণিগ্রহণ করেন। কামার গর্ভে অযুতনারীর অক্রোধন নামে এক পুত্র জন্মগ্রহণ করে। অক্ৰোধন কলিঙ্গ রাজকন্যা করম্ভাকে বিবাহ করেন এবং তাঁর গর্ভে ‘দেবাতিথি’ নামে পুত্র জন্মগ্রহণ করে।

    দেবাতিথি মর্যাদা নাম্নী বিদেহ রাজকন্যার পাণিগ্রহণ করেন, তাঁর গর্ভে দেবাতিথির একটি পুত্র হয়। তাঁর নাম হয়েছিল (দ্বিতীয়) অরিহ। অরিহ অঙ্গরাজকন্যা সুদেবাকে বিবাহ করেন এবং তাঁর গর্ভে ‘ঋক্ষ’ নামে এক পুত্র উৎপাদন করেন।

    ঋক্ষ তক্ষক রাজার কন্যা জিক্ষলার পাণিগ্রহণ করেন এবং তাঁর গর্ভে ‘মতিনার’ নামক পুত্র উৎপাদন করেন। মতিনার সরস্বতী নদীর তীরে সর্বাঙ্গসম্পন্ন দ্বাদশ বর্ষ ব্যাপক একটি যজ্ঞ করেন; সেই যজ্ঞ সমাপ্ত হলে, সরস্বতী এসে মতিনারকে পতিরূপে বরণ করেন। মতিনার তাঁর গর্ভে ‘তংসু’ নামে একটি পুত্র উৎপাদন করেন। সেই তংসু আবার ভার্যা কালিন্দীর গর্ভে ‘ঈলিন’ নামক একটি পুত্র উৎপাদন করেন (কালিন্দীর অন্য নাম জালিঙ্গী)।

    ঈলিন ভার্যা রথন্তরীর গর্ভে দুষ্মন্ত প্রভৃতি পাঁচ পুত্র উৎপাদন করেন। দুষ্মন্ত বিশ্বামিত্র মুনির কন্যা শকুন্তলাকে বিবাহ করেন। সেই শকুন্তলার গর্ভে ভরতের জন্ম হয়। দুষ্মন্ত কর্তৃক ভরতের গ্রহণ বিষয়ে দুটি দৈববাণী হয়। “মাতা তো চর্মকোষের মতো; কিন্তু পুত্র পিতারই বটে। যেহেতু পিতাই পুত্র হয়ে জন্মগ্রহণ করেন। অতএব দুষ্মন্ত! পুত্রটির ভরণপোষণ করো; শকুন্তলার অবমাননা কোরো না।” “মহারাজ। বংশরক্ষক পুত্র পিতৃলোককে নরক থেকে উদ্ধার করে। বিশেষত তুমিই এই বালকটির জনক; সুতরাং শকুন্তলা সত্যই বলেছে।” এই দৈববাণীর কারণেই শকুন্তলার পুত্রের নাম হয়েছিল ‘ভরত’।

    ভরত কাশীরাজ সর্বসেনের কন্যা সুনন্দাকে বিবাহ করেন; সেই সুনন্দার গর্ভে ‘ভূমন্য’ নামে ভরতের একটি পুত্র জন্মে। ভূমন্য যথাসময়ে যদুবংশজাত বিজয়া নাম্নী একটি কন্যার পাণিগ্রহণ করেন এবং তাঁর গর্ভে ‘সুহোত্র’ নামের এক পুত্রের জন্ম হয়। সুহোত্র ইক্ষ্বকুবংশীয় সুবর্ণা নাম্নী একটি কন্যাকে বিবাহ করেন। সেই সুহোত্রের গর্ভে হস্তীর ‘বিকুণ্ঠন’ নামে এক পত্ৰ জন্মায়।

    ‘বিকুণ্ঠন’ যদুবংশীয় সুদেবাকে বিবাহ করেন, তাঁর গর্ভে বিকুণ্ঠনের যে পুত্র জন্মায় তার নাম ছিল ‘অজমীর’। অজমীরের চার স্ত্রী ছিল। তাঁদের নাম— কৈকেয়ী, গান্ধারী, বিশালা ও ঋক্ষা। এই চার স্ত্রীর গর্ভে অজমীরের একশো চব্বিশজন পুত্র জন্মগ্রহণ করে। সেই পুত্রগণ যথাসময়ে ভিন্ন ভিন্ন দেশের রাজা হয়ে ভিন্ন ভিন্ন বংশ স্থাপন করে গিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সংবরণ রাজা পাণ্ডবদের বংশ স্থাপন করে গিয়েছেন।

    সংবরণ বিবস্বানের কন্যা তপতীকে বিবাহ করেন; সেই তপতীর গর্ভে সংবরণের যে পুত্র জন্মে, তাঁর নাম ছিল ‘কুরু’। ‘কুরু’ যদুবংশজাত সুভাঙ্গী নাম্নী একটি কন্যার পাণিগ্রহণ করেন, তাঁর গর্ভে ‘বিদূরথ’ নামে কুরুর একটি পুত্র হয়। বিদূরথ মধুবংশীয়া সম্প্রিয়া নাম্নী একটি কন্যাকে বিবাহ করেন। সেই সম্প্রিয়ার গর্ভে বিদূরথের যে পুত্র জন্মেছিল, তাঁর নাম ছিল ‘অনশ্বা’। অনশ্বা মগধবংশীয়া অমৃতা নাম্নী কোনও কন্যার পাণিগ্রহণ করেন, তাঁর গর্ভে অনশ্বার ‘পরিক্ষিৎ’ নামে পুত্র জন্মে। পরিক্ষিৎ বাহুদরাজার কন্যা সুযশাকে বিবাহ করেন, সেই সুযশার গর্ভে পরিক্ষিতের যে পুত্র জন্মায়, তাঁর নাম ছিল ভীমসেন। ভীমসেন কেকয় রাজকন্যা কুমারীর পাণিগ্রহণ করেন। তাদের পুত্রের নাম হয় ‘প্রতিশ্রবা’।

    প্রতিশ্রবার পুত্র প্রতীপ। প্রতীপ শিবি রাজার কন্যা সুনন্দাকে বিবাহ করেন। পুত্রদের নাম ছিল দেবাপি, শান্তনু ও বাহ্লীক। তাঁদের মধ্যে দেবাপি বাল্যকালেই তপোবন গমন করেন আর শান্তনু রাজা হন। শান্তনুর বিষয়ে প্রসিদ্ধি আছে যে তিনি হস্তযুগল দ্বারা যে-যে বৃদ্ধ ব্যক্তিকে স্পর্শ করতেন সেই সেই বৃদ্ধ ব্যক্তিই অত্যন্ত আনন্দ অনুভব করতেন এবং পুনর্বার যুবক হয়ে যেতেন। এই জন্যই লোকে তাঁকে শান্তনু বলে জানত।

    শান্তনু গঙ্গাদেবীকে বিবাহ করেন এবং গঙ্গার গর্ভে তাঁর ‘দেবব্রত’ নামে একটি পুত্র হয়। তাঁকে সকলে ভীষ্ম বলত। ভীষ্ম পিতা শান্তনুকে সন্তুষ্ট করার ইচ্ছায় ব্যাসজননী সত্যবতীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ দিয়েছিলেন। সে সত্যবতীকে সকলে ‘গন্ধকালী’ বলত। কুমারী অবস্থায় সেই সত্যবতীর গর্ভে প্রথমে পরাশর থেকে বেদব্যাসের জন্ম হয়।

    তারপরে আবার সেই সত্যবতীর গর্ভেই শান্তনুর আর দুটি পুত্র জন্মে। তাঁদের নাম ছিল ‘চিত্রাঙ্গদ’ও ‘বিচিত্রবীর্য’। তাঁদের মধ্যে চিত্রাঙ্গদ যৌবন সীমায় উপস্থিত হতে না হতে গন্ধর্ব কর্তৃক নিহত হন, আর বিচিত্রবীর্য রাজা হন। বিচিত্রবীর্য কোশল দেশাধিপতি কাশী রাজার কন্যা অম্বিকা ও অম্বালিকাকে বিবাহ করেন। কিন্তু তিনি নিঃসন্তান অবস্থাতেই মৃত্যুমুখে পতিত হন।

    তখন সত্যবতী চিন্তা করলেন, দুষ্মন্তের বংশ লোপ না পায়। তিনি মনে মনে বেদব্যাসের চিন্তা করলেন। তাতে বেদব্যাস তাঁর সম্মুখে দাড়িয়ে বললেন, “মা, আমাকে কী করতে হবে?” তখন সত্যবতী বেদব্যাসকে বললেন, “তোমার ভ্রাতা বিচিত্রবীর্য নিঃসন্তান অবস্থাতেই পরলোক গমন করেছেন; সুতরাং তুমি তাঁর উৎকৃষ্ট সন্তান উৎপাদন করো।”

    “তাই হোক”, এই কথা বলে বেদব্যাস তিনটি পুত্র উৎপাদন করলেন। তাঁদের নাম ‘ধৃতরাষ্ট্র’, ‘পাণ্ডু’ ও ‘বিদুর’। তাঁদের মধ্যে ধৃতরাষ্ট্র রাজা হলেন এবং বেদব্যাসের বরে গান্ধারীর গর্ভে তাঁর একশত পুত্র হল। ধৃতরাষ্ট্রের সেই একশত পুত্রের মধ্যে দুর্যোধন, দুঃশাসন, বিকর্ণ ও চিত্রসেন প্রধান ছিলেন।

    পাণ্ডুর দুই স্ত্রী ছিল; প্রথম স্ত্রীর নাম ছিল ‘কুন্তী’ এবং ‘পৃথা’ আর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম ছিল ‘মাদ্রী’। তাঁরা দু’জনেই স্ত্রীরত্ন ছিলেন। পাণ্ডু কোনও এক সময়ে মৃগয়া করার জন্য বনে গিয়ে দেখলেন একটি হরিণ একটি হরিণীর সঙ্গে রমণে প্রবৃত্ত হয়েছে। সে হরিণ তখনও কামসুখ পাচ্ছিল না, কিংবা তাতে তৃপ্তিলাভ করছিল না; অথচ পাণ্ডু সেই অবস্থায় সেই অদ্ভুত হরিণকে বাণদ্বারা আঘাত করলেন। তখন সেই মৃগরূপধারী মুনি বাণবিদ্ধ হয়ে পাণ্ডুকে বললেন, “রাজা! কামসুখ না পাওয়া অবস্থায় আমাকে বধ করলে অথচ তুমি নিজেও কামরসে অভিজ্ঞ। তুমিও মৈথুনে প্রবৃত্ত হয়ে কামসুখ না পাওয়া অবস্থাতেই মৃত্যুলাভ করবে।”

    পাণ্ডু এর ফলে অত্যন্ত বিষণ্ণ থাকতেন, শাপের বিষয়ে মৈথুন পরিত্যাগ করার জন্য ভার্যাদের কাছে যেতেনই না। সেই অবস্থায় একদিন বললেন, “কুন্তী, আমি নিজের অবিমৃশ্যকারিতা দোষে এই দুঃখভোগ করছি। অথচ শুনে থাকি যে, নিঃসন্তান লোকের গতি হয় না; অতএব তুমি আমার জন্য পুত্র উৎপাদন করো।” পাণ্ডু একথা বললে কুন্তী তিনটি পুত্র উৎপাদন করলেন— ধর্ম থেকে যুধিষ্ঠির, বায়ু থেকে ভীমসেন এবং ইন্দ্র থেকে অর্জুনকে।

    তাতে পাণ্ডু সন্তুষ্ট হয়ে কুন্তীকে বললেন, “তোমার সপত্নী এই মাদ্রীরও সন্তান হয়নি; সুতরাং এর গর্ভেও পুত্র উৎপাদন করাও।” “তাই হোক” এই বলে কুন্তী মন্ত্রটি মাদ্রীকে দিলেন। অশ্বিনীকুমারদ্বয় এসে মাদ্রীর গর্ভে নকুল ও সহদেবকে উৎপাদন করলেন।

    কিছুদিন পরে মাদ্রীকে অলংকৃত দেখে পাণ্ডু রমণের ইচ্ছা করে তাঁকে স্পর্শ করলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুমুখে পতিত হলেন। মাদ্রী কুন্তীর নিকট নকুল সহদেবকে সমর্পণ করে পাণ্ডুর চিতাগ্নিতে সহমরণে গেলেন।

    তপস্বীগণ কুন্তী এবং পাণ্ডুর পাঁচ পুত্রকে নিয়ে হস্তিনাপুর গেলেন। দুর্যোধন বাল্যকাল থেকেই পাণ্ডবগণের প্রতি বিদ্বেষভাব পোষণ করত। সে পাণ্ডবদের বিনাশের ব্যবস্থা করছিল। পিতাকে দিয়ে দুর্যোধন পাণ্ডবদের বারণাবতে পাঠিয়ে অগ্নিতে ভস্মীভূত করার ব্যবস্থা করল। বিদুরের পরামর্শে পাণ্ডবগণ রক্ষা পান। পাঞ্চাল রাজধানীতে গমন করে তাঁরা দ্রৌপদীকে ভার্যা লাভ করেন। দ্রৌপদীর গর্ভে যুধিষ্ঠিরের প্রতিবিন্ধ্য; ভীম সূতসোম, অর্জুন শ্রুতকীর্তি, নকুল শতানীক এবং সহদেব শ্রুতকর্মাকে পুত্ররূপে উৎপাদন করেন।

    যুধিষ্ঠির শিবির বংশীয় গোবাসন রাজার কন্যা দেবিকাকে স্বয়ংবরে লাভ করেন। দেবিকার গর্ভে যুধিষ্ঠিরের যৌধেয় নামের পুত্র জন্মে। ভীম কাশীরাজের কন্যা বলধরাকে যুদ্ধে জয়লাভ করেন। তাঁদের পুত্রের নাম হয় ‘সর্বগ’। অর্জুন দ্বারকায় গিয়ে শ্রীকৃষ্ণের ভগিনী মধুরভাষিণী সুভদ্রার পাণিগ্রহণ করেন। তাঁদের পুত্রে নাম হয় ‘অভিমন্যু’। অভিমন্যু শ্রীকৃষ্ণের অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন। নকুল চেদিরাজের কন্যা করেণুমতীকে বিবাহ করেন এবং তাঁদের ‘নিরমিত্র’ নামের পুত্র জন্মে। সহদেব মদ্ররাজ দ্যুতিমানের কন্যা বিজয়াকে স্বয়ংবরে লাভ করেন, তাঁদের পুত্রের নাম ছিল সুহোত্র।

    আর, ভীমসেন পূর্বেই রাক্ষসী হিড়িম্বার গর্ভে ঘটোৎকচ নামে একটি রাক্ষসপুত্র উৎপাদন করেছিলেন। পাণ্ডবদের এগারোটি পুত্র হয়েছিল, তাঁর মধ্যে কেবলমাত্র অভিমন্যুর বংশধর জীবিত ছিলেন। অভিমন্যু বিরাটরাজার কন্যা উত্তরাকে বিবাহ করেছিলেন। অভিমন্যুর ঔরসে সেই উত্তরার যে গর্ভ হয় সে ছয় মাসে মৃত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয়। কৃষ্ণ কুন্তীদেবীকে মৃত বালকটিকে কোলে নিতে বলেন এবং মৃত সন্তানটিকে জীবিত করেন। কুরুকুল ক্ষয় হয়ে গেলে পুত্রটির জন্ম হয়েছিল বলে কৃষ্ণ তাঁর নাম রাখেন ‘পরিক্ষিৎ’। পরিক্ষিৎ মাদ্রবতীকে বিবাহ করেন এবং তাঁদের পুত্রের নাম ‘জনমেজয়’। জনমেজয়ের ভার্যা বপুষ্টমার গর্ভে জাত পুত্র দুটির নাম ‘শতানীক’ ও ‘শঙ্কু’।

    আপন ভার্যা বিদেহনন্দিনীর গর্ভে শতানীকের একটি পুত্র জন্মেছে, তাঁর নাম অশ্বমেধদত্ত। এই হল পুরুর বংশ ও পাণ্ডব বংশের ক্রমিক বিবরণ।

    পাণ্ডবগণের কুলপঞ্জিকা।*

    পুরুষের নাম স্ত্রীর নাম পুরুষের নাম স্ত্রীর নাম
    ১. নারায়ণ ২৮. তৎসু জালিঙ্গী
    ২. ব্রহ্মা ২৯. ঈলিন রথন্তরী
    ৩. মরীচি ৩০. দুষ্মন্ত শকুন্তলা
    ৪. কশ্যপ অদিতি ৩১. ভরত সুনন্দা
    ৫. বিবস্বান ৩২. ভূমন্যু বিজয়া
    ৬. মনু ৩৩. সুহোত্র সুবর্ণা
    ৭. ইলা ৩৪. হস্তী যশোধরা
    ৮. পুরুরবা উর্বশী ৩৫. বিকুণ্ঠন সুদেবা
    ৯. আয়ু ৩৬. অজমীর কৈকেয়ী
    ১০. নহুষ ৩৭. সংবরণ তপতী
    ১১. যযাতি শর্মিষ্ঠা ৩৮. কুরু শুভাঙ্গী
    ১২. পুরু কৌশল্যা ৩৯. বিদূরথ সম্প্রিয়া
    ১৩. জনমেজয় অনন্তা ৪০. অনশ্বা অমৃতা
    ১৪. প্রাচীণ্বান অশ্মকী ৪১. পরিক্ষিৎ সুযশা
    ১৫, সংযাতি বরাঙ্গী ৪২. ভীমসেন কুমারী
    ১৬. অহংযাতি ভানুমতী ৪৩. প্রতিশ্রবা —
    ১৭. সার্বভৌম সুনন্দা ৪৪. প্রতীপ সুনন্দা
    ১৮. জয়ৎসেন সুশ্রবা ৪৫. শান্তনু সত্যবতী
    ১৯. অর্বাচীন মর্যাদা ৪৬. বিচিত্রবীর্য অম্বালিকা
    ২০. অরিহ অঙ্গী ৪৭. পাণ্ডু কুন্তী
    ২১. মহাভৌম সুযজ্ঞা ৪৮. অর্জুন সুভদ্রা
    ২২. অযুতনারী কামা ৪৯. অভিমন্যু উত্তরা
    ২৩. অক্রোধন করম্ভা ৫০. পরিক্ষিৎ মাদ্রবতী
    ২৪. দেবাতিথি মর্যাদা ৫১. জনমেজয় বপুষ্টমা
    ২৫, অরিহ সুদেবা ৫২. শতানীক বৈদেহী
    ২৬. ঋক্ষ জিক্ষলা ৫৩. অশ্বমেধদত্ত (বালক)
    ২৭. মতিনার সরস্বতী

    তালিকাটি এক নজরে দেখলেই দেখা যাবে যে বিশিষ্ট নারীচরিত্র এই তালিকায় নেই। যেমন গঙ্গা, অম্বিকা, অম্বা, মাদ্রী, দ্রৌপদী, গান্ধারী, চিত্রাঙ্গদা, উলূপী, হিড়িম্বা, জরা, দুঃশলা, দেবিকা, কালী ইত্যাদির নাম।

    এই কুলপঞ্জিকায় কেবলমাত্র সেইসব নারীর উল্লেখ আছে, যারা সম্রাট কিংবা রাজার বিবাহিতা স্ত্রী ছিলেন এবং যাদের গর্ভজাত পুত্র অথবা বংশধর এই বংশের সিংহাসনে আরোহণ করেছেন।

    আমরা যেমন এই তালিকার অন্তর্গত নারীদের সম্পর্কে মহাভারতের বিবরণ অবশ্যই উল্লেখ করব, কিন্তু যাঁদের নাম উল্লিখিত নেই, তাঁদের সম্পর্কেও বিশদ আলোচনা করব।

    দেবী সরস্বতী আমাদের সহায় হোন।।

    তালিকায় উল্লিখিত সকল নারী সম্পর্কেও সবিশেষ আলোচনা মহাভারতে নেই। কেবলমাত্র সেই নারীদের উল্লেখ আছে যাঁরা আপন বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। যাঁদের প্রভাব কেবলমাত্র প্রজাপুঞ্জের উপরে নয়— ভাবীকালের উপরেও পড়েছে। প্রাতঃস্মরণীয় পঞ্চকন্যার সকলেই পাণ্ডব বংশের অন্তর্গতা নন, কাজেই সকলের নাম অনুসন্ধান করা সমীচীন হবে না। অহল্যা, তারা, মন্দোদরী বাল্মীকির রামায়ণের শ্রেষ্ঠ নারী চরিত্র। আমাদের আলোচ্য মহাভারতের নারী চরিত্র। কেউ কেউ সাবিত্রীকে মহাভারতের চরিত্র হিসাবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সত্যবানের স্ত্রী সাবিত্রী মহাভারতের চরিত্র নন। দ্রৌপদীর দুর্দশার বর্ণনা প্রসঙ্গে মার্কণ্ডেয় মুনি যুধিষ্ঠিরকে সাবিত্রীর কথা বলেছেন। সাবিত্রী সমান্তরাল কাহিনি। যেমন যুধিষ্ঠিরের দুর্দশার কথা বলতে গিয়ে নল-দময়ন্তীর কথা বলা হয়েছে। যুধিষ্ঠিরের বনবাসের কাহিনি বর্ণনা প্রসঙ্গে রাম-সীতার কাহিনি এসেছে, হরিশ্চন্দ্র ও শৈব্যার কাহিনি এসেছে। সেইরকম সাবিত্রী-সত্যবানের কাহিনিও সমান্তরাল কাহিনি। মহাভারতে আর-এক তারার উল্লেখ আছে। এই তারা বৃহস্পতির স্ত্রী, বৃহস্পতি শিষ্য সোমের ঔরসে ইনি বুধের জন্ম দেন। ইনিও চরিত্র বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। প্রাতঃস্মরণীয় পঞ্চকন্যায় কোন তারার কথা বলা হয়েছে, তার উল্লেখ নেই।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারতের একশোটি দুর্লভ মুহূর্ত – ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    মহাভারতের একশোটি দুর্লভ মুহূর্ত – ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }