Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারতের নারী – ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৭. মণিপুর-দুহিতা চিত্রাঙ্গদা

    মণিপুর-দুহিতা চিত্রাঙ্গদা

    ইন্দ্রপ্রস্থে দেবর্ষি নারদ কর্তৃক পাণ্ডবদের দাম্পত্য জীবনের রীতি প্রতিষ্ঠার প্রথম বৎসরেই এক ব্রাহ্মণের গোধন রক্ষার প্রয়োজনে অর্জুনকে সেই নিয়ম লঙ্ঘন করতে হয়। অস্ত্রাগারে তখন যুধিষ্ঠির-দ্রৌপদী ছিলেন। অস্ত্র গ্রহণের প্রয়োজনে অর্জুনকে সেই অস্ত্রাগারে প্রবেশ করতে হয়। ব্রাহ্মণের গোধন উদ্ধার হয়। কিন্তু অন্য ভ্রাতার সঙ্গে দ্রৌপদী থাকাকালীন সেই কক্ষে প্রবেশের কারণে অর্জুনকে বনবাসে যেতে হয়। তপস্বীগণ পরিশোভিত মহেন্দ্রপর্বত দর্শন করে, সমুদ্রের তীর দিয়ে ধীরে ধীরে অর্জুন মণিপুরে প্রবেশ করেন। এইখানে রাজকুমারী চিত্রাঙ্গদার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘটে।

    অর্জুন-চিত্রাঙ্গদা সংবাদ আলোচনার পূর্বে বিশ্বকবির চিত্রাঙ্গদা নাট্যকাব্যটি পাঠকের স্মরণে আসে। নাট্যকাব্যের চিত্রাঙ্গদা রবীন্দ্রনাথের নিজস্ব সৃষ্টি। কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে রবীন্দ্রনাথ এক নূতন চিত্রাঙ্গদা রচনা করেছেন। নারীর রমণীয়তা যাঁর মধ্যে অনুপস্থিত, পুরুষালি বীর্য তেজে যিনি অনন্যা। ব্যাসদেবের চিত্রাঙ্গদা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের চরিত্র।

    মণিপুরের সমস্ত তীর্থ ও পবিত্র স্থানগুলিতে উপস্থিত হয়ে ক্রমে তিনি চিত্ৰবাহন নামক মণিপুরের ধার্মিক রাজার কাছে উপস্থিত হলেন। সেই রাজার চিত্রাঙ্গদা নাম্নী পরমসুন্দরী একটি কন্যা ছিল। সেই চিত্রাঙ্গদা বাড়ির ভিতরে বিচরণ করছিল। এমন অবস্থায় ঈশ্বরের ইচ্ছানুক্রমে অর্জুন তাকে দেখতে পেলেন, দেখতে পেয়েই তিনি তার প্রতি অভিলাষী হলেন। তারপর অর্জুন রাজা চিত্ৰবাহনের কাছে গিয়ে নিজের আগমনের প্রয়োজন বললেন, “মহারাজ, আমি ক্ষত্রিয় এবং সকুলোৎপন্ন; অতএব আমাকে আপনার এই কন্যাটি দান করুন।” তা শুনে রাজা বললেন, “তুমি কার পুত্র? তোমার নাম কী?” তখন অর্জুন বললেন, “আমি পাণ্ডব, কুন্তীর পুত্র; আমার নাম ধনঞ্জয়।”

    তারপর রাজা শান্তভাবে বললেন, “এই বংশে প্রভঞ্জন নামে এক রাজা ছিলেন। তিনি অপুত্রক বলে সন্তানার্থী হয়ে গুরুতর তপস্যা করেন, তাঁর সেই ভয়ংকর তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে এই বর দেন যে, ‘তোমাদের বংশে এক-এক পুরুষের একটি করে সন্তান হবে।’ সেইজন্যই বহুদিন যাবৎ এই বংশে একটি করে সন্তান জন্মে আসছে। তবে আমার সকল পূর্বপুরুষের পুত্রই জন্মেছিল। কিন্তু আমার এই কন্যাটি জন্মেছিল এবং এই আমার বংশরক্ষা করবে। সুতরাং এইটিই আমার পুত্র এইরূপই আমার ধারণা চলে আসছে। কারণ, আমি পুত্রিকাপুত্র করবার বিধান অনুসারে যজ্ঞানুষ্ঠান করেছি। তাতেই এর ‘পুত্র’ সংজ্ঞা হয়েছে। সুতরাং অর্জুন, তোমার দ্বারা এর গর্ভে যে একটি পুত্র জন্মাবে, সেই আমার বংশধর হবে, এইরূপ শপথ করাই এর পাণিগ্রহণে তোমার শুল্ক হোক এবং এই শপথ করেই তুমি একে গ্রহণ করো।” “তাই হবে” এই শপথ করে অর্জুন চিত্রাঙ্গদাকে গ্রহণ করে তিন বৎসর এই রাজবাড়িতে বাস করলেন। তারপর চিত্রাঙ্গদার গর্ভে পুত্র জন্মালে, অর্জুন তাকে আলিঙ্গন করে এবং রাজার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে দেশভ্রমণের জন্য চলে গেলেন।

    পঞ্চতীর্থকে নিরুপদ্রব করে এবং অপ্সরাদের প্রস্থানের অনুমতি দিয়ে অর্জুন চিত্রাঙ্গদাকে দেখার জন্য পুনরায় মণিপুর গেলেন। সেখানে গিয়ে অর্জুন চিত্রাঙ্গদার গর্ভে বভ্রুবাহন নামে পুত্রকে দেখে রাজা চিত্ৰবাহনকে বললেন, “মহারাজ, চিত্রাঙ্গদাকে গ্রহণ করার শুল্কস্বরূপ এই বভ্রুবাহনকে গ্রহণ করুন, এর দ্বারাই আমি আপনার ঋণ থেকে মুক্তি হব।” অর্জুন আবার চিত্রাঙ্গদাকে বললেন, “ভদ্রে, তুমি এখানেই থাকো। তোমার মঙ্গল হোক, বভ্রুবাহনকে বড় করতে থাকো। পরে আমাদের ইন্দ্রপ্রস্থে গিয়ে আনন্দিত হবে এবং সেখানে কুন্তী, যুধিষ্ঠির, ভীম, আমার কনিষ্ঠ ভ্রাতা নকুল-সহদেব ও অন্যান্য বান্ধবগণকে দেখতে পাবে এবং সেই সকল বান্ধবগণের সঙ্গে মিলিত হয়ে আনন্দ লাভ করবে।

    “মহারাজ যুধিষ্ঠির ধর্মপথেই রয়েছেন এবং তাঁর ধৈর্যও অক্ষুণ্ণ আছে। সুতরাং তিনি পৃথিবী জয় করে রাজসূয় যজ্ঞ করবেন। সেই যজ্ঞে পৃথিবীর ক্ষত্রিয় নৃপতিরা বহুতর রত্ন নিয়ে আসবেন এবং তোমার পিতাও যাবেন। তুমি তখন তোমার পিতার আনুকূল্যে একসঙ্গে সেখানে যাবে, সেই যজ্ঞেই আমি তোমাকে আবার দেখব। তুমি পুত্রটিকে পালন করতে থাকো, শোকার্ত হয়ো না। এটি আমার বভ্রুবাহন নামক বাইরের প্রাণ এবং এই পুরুষটি বংশবর্ধক; সুতরাং পুত্রটিকে তুমি পালন করতে থাকো। এই পুত্রটি পুরুবংশের আনন্দজনক, পাণ্ডবগণের প্রিয়তম এবং ন্যায় অনুসারে মহারাজ চিত্ৰবাহনের উত্তরাধিকারী হবে, সুতরাং তুমি একে সর্বদাই পালন করবে। আর সুন্দরী! তুমি আমার বিরহে দুঃখ কোরো না।” চিত্রাঙ্গদাকে এই কথা বলে অর্জুন শিবের অধিষ্ঠান ভূমি গোকর্ণ তীর্থের দিকে গমন করলেন।

    রবীন্দ্রনাথ মহাভারতের চিত্রাঙ্গদাকে ঢেলে সাজিয়েছেন। মহাভারতের চিত্রাঙ্গদা অপরূপা সুন্দরী, রবীন্দ্রনাথের চিত্রাঙ্গদার তাদৃশ মনোহর রূপ ছিল না। রূপ লাভ করে অর্জুনকে পাবার জন্য তিনি কামদেবের পূজা করেছেন। তিনি বীর নারী। অর্জুন তাঁর বীরত্বের বিবরণে মুগ্ধ। তাই শেষ পর্যন্ত চিত্রাঙ্গদাকে লাভ করে অর্জুন বলেছেন, ‘ধন্য আমি’। ব্যাসদেবের চিত্রাঙ্গদা কখনওই চাননি যে, পুত্র বভ্রুবাহন পিতা অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। বিমাতা উলূপীর জন্য পুত্রের সঙ্গে অর্জুনের যুদ্ধ হয়, চিত্রাঙ্গদা নিহত স্বামীর মৃতদেহের পাশে প্রায়োপবেশনে বসেন। ব্যাসদেবের কাহিনিতে সামঞ্জস্য বেশি। ভীষ্মকে অন্যায়ভাবে বধের প্রায়শ্চিত্ত ঘটিয়ে দিয়েছিলেন ব্যাসদেব।

    এরপর দীর্ঘকাল পাঠকের সঙ্গে চিত্রাঙ্গদার আর সাক্ষাৎ হয় না। ইতিমধ্যে হস্তিনাপুরে কপট দ্যূতক্রীড়ায় পরাজিত হয়ে পঞ্চপাণ্ডব দ্রৌপদীর সঙ্গে বনবাস চলে যান। বনবাস ও অজ্ঞাতবাসের শর্ত পূরণ করে পাণ্ডবরা হৃত রাজ্য পুনরায় দাবি করলে দুর্যোধন তা প্রদান করতে অস্বীকার করেন। কুরুক্ষেত্রের মহারণে কৌরবপক্ষ পরাজিত ও ধ্বংস হলে যুধিষ্ঠির হস্তিনাপুরের রাজচক্রবর্তী হয়ে সিংহাসনে আরোহণ করেন। সিংহাসনে আরূঢ় হয়ে যুধিষ্ঠির পুরোহিত ব্রাহ্মণ ও ব্যাসদেবের আদেশে অশ্বমেধ যজ্ঞ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। যজ্ঞীয় অশ্ব নিয়ে অর্জুন অশ্বের অনুসরণ করতে থাকেন। বহুদেশ পার হয়ে, সমস্ত রাজন্যবর্গকে পরাজিত করে অর্জুন উপস্থিত হন মণিপুর রাজ্যে। অর্জুন-চিত্রাঙ্গদার পুত্র বভ্রুবাহন তখন মণিপুরের রাজা। পিতার আগমন সংবাদ শুনে বভ্রুবাহন তাঁকে বরণ করতে রাজদ্বারে উপস্থিত হন। এই ঘটনায় অর্জুন অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন। তিনি পুত্রকে রূঢ় ভর্ৎসনা করে তার পৌরুষকে ধিক্কার দেন। বভ্রুবাহন অত্যন্ত দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। একদিকে পিতা চাইছেন বভ্রুবাহন তাঁর সঙ্গে যুদ্ধ করে শৌর্যের পরিচয় দিন। অন্যদিকে বভ্রুবাহনেরও এই প্রথম পিতৃসাক্ষাৎ। তাঁর এই দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থায় পাতাল থেকে বিমাতা উলূপী আবির্ভূতা হন এবং তিনি বভ্রুবাহনকে ক্রমাগত যুদ্ধের জন্য প্ররোচনা দিতে থাকেন। বভ্রুবাহন যুদ্ধের জন্য উদ্যোগ করেন। পিতা পুত্রে ভয়ংকর যুদ্ধ হয় এবং শেষ পর্যন্ত বভ্রুবাহন নিক্ষিপ্ত শরে অর্জুন পতিত ও নিহত হন। এই সংবাদ শুনে চিত্রাঙ্গদা রণস্থলে প্রবেশ করেন।

    তখন ভর্তাকে নিহত ও দুঃখকাতর পুত্রকে ভূতলে পতিত দেখে, পরিত্ৰস্তা চিত্রাঙ্গদা রণাঙ্গনে প্রবেশ করলেন।

    ভর্তারং নিহতং দৃষ্ট্বা পুত্ৰঞ্চ পতিতং ভূবি।

    চিত্রাঙ্গদা পরিত্ৰস্তা প্রবিবেশ রণাজিরে।। আশ্বমেধিক : ১০১ : ২৬ ৷৷

    ক্রমে বভ্রুবাহনের মাতা চিত্রাঙ্গদা শোকসন্তপ্ত হয়ে রোদন করতে থেকে অত্যন্ত কম্পিতকলেবরে নিহত পতিকে দর্শন করলেন।

    তারপর পদ্মনয়না চিত্রাঙ্গদা দুঃখে সন্তপ্ত হয়ে বহুতর বিলাপ করে মূৰ্ছিত ও ভূতলে পতিত হলেন। পরে অলৌকিক সুন্দরী চিত্রাঙ্গদা চৈতন্যলাভ করে নাগদুহিতা উলূপীকে দেখে এই কথা বললেন, “উলূপী! দেখো, তোমার জন্যই আমার পুত্র কর্তৃক বাণ দ্বারা নিহত যুদ্ধবিজয়ী ভর্তা রণস্থলে শয়িত রয়েছেন। উলূপী! তুমি আর্যধর্ম জানো এবং পতিব্রতাও বটে। যেহেতু তোমার জন্যই তোমার পতি নিহত হয়ে রণস্থলে পতিত রয়েছেন, সেই হেতু এঁর জীবনের উপায় করা তোমারই উচিত। কিন্তু মূঢ়ে! যদি তোমার এই পতি তোমার কাছে অপরাধী হয়ে থাকেন, তবু তুমি ক্ষমা করো। আমি প্রার্থনা করছি, তুমি এঁকে জীবিত করো। তুমি ত্রিভুবন বিদিত হয়েও ধর্ম জানো না, যেহেতু পুত্র দ্বারা ভর্তাকে নিহত করিয়েও তুমি শোক করছ না। নাগনন্দিনী! আমি নিহত পুত্রের জন্য শোক করি না; কিন্তু এরূপ মৃত্যুদ্বারা যাঁর আতিথ্য করলাম, সেই পতির জন্যই শোক করি।”

    নাগতনয়া উলূপীদেবীকে এই কথা বলে যশস্বিনী চিত্রাঙ্গদা তখন ভর্তার কাছে গিয়ে বলতে থাকলেন, “কৌরবপ্রধান ধর্মরাজের প্রিয়জন শ্রেষ্ঠ! এবং আমার প্রিয় মহাবাহু! উঠুন, আমি আপনার এই অশ্ব মুক্ত করলাম। প্রভু! আপনি ধর্মরাজের যজ্ঞীয় অশ্বের অনুসরণ করবেন, সেই আপনি কী জন্য ভূতলে শয়ন করে রয়েছেন। কৌরবনন্দন! আমার ও কৌরবগণের প্রাণ আপনার অধীন। অন্যের প্রাণদাতা সেই আপনি কেন প্রাণত্যাগ করবেন?

    “উলূপী! বেশ, তুমি দেখো—এই পতি ভূতলে পতিত হয়ে আছেন। তুমি এই পুত্রকে উৎসাহিত করে এর দ্বারা পতিকে বধ করিয়ে শোক করছ না। এই বালক মৃত অবস্থায় ভূতলে শায়িত থাকুক, এ আমার বরং অভীষ্ট কিন্তু এই রক্তনয়ন অর্জুন সম্যক জীবনলাভ করুন। সুভগে! পুরুষগণের বহুভার্যতা দোষ নয়, কিন্তু স্ত্রীগণের বহুপতিকতা দোষই বটে; তোমার এরূপ বুদ্ধি যেন না হয়। কারণ, স্বয়ং বিধাতাই চিরকালীনভাবে ও অনশ্বররূপে এই নিজের নিয়ম করেছেন। এইজন্যই অর্জুনেরও বহুভার্যত্ব বিধাতার অভীষ্ট বলেই অবগত হও। সে যাই হোক, পতির সঙ্গে তোমার সম্মেলন সত্য হোক। উলূপী! তুমি পুত্র দ্বারা এই পতিকে বিনাশ করিয়ে আবার যদি আজ আমাকে জীবিত অবস্থায় তাঁকে না দেখাও, তা হলে আমি আজই জীবন ত্যাগ করব। দেবী! সেই আমি পতিপুত্রহীনা হয়ে অত্যন্ত দুঃখিত হয়েছি। অতএব তোমার সাক্ষাতেই এই রণস্থলে আমি প্রায়োপবেশন করব, এ-বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।” চিত্ৰবাহনতনয়া সপত্নী উলূপীকে এই কথা বলে সেই স্থানেই প্রায়োপবেশন করে নীরব হলেন। তারপর চিত্রাঙ্গদা বিলাপ করতে করতে ভর্তার চরণযুগল ধারণ করে নিশ্বাস ত্যাগের সঙ্গে পুত্রকে দর্শন করতে থেকে শোকার্ত অবস্থায় উপবিষ্ট হলেন।

    তখন রাজা বভ্রুবাহন পুনরায় চৈতন্যলাভ করে রণাঙ্গনে মাতাকে দেখে বলতে লাগলেন, “এর থেকে গুরুতর দুঃখের আর কী আছে? যেহেতু সুখে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত আমার মাতা ভূতলে নিপতিত মৃত বীর পতিকে ধারণ করে আছেন। ইনি যুদ্ধে শত্ৰুহন্তা সর্বশস্ত্রধারীশ্রেষ্ঠ সমরে আমার দ্বারা নিহত অসম্ভাব্যমৃত্যু স্বামীকে দর্শন করছেন।” বভ্রুবাহন দীর্ঘ বিলাপ করছিলেন, তখন উলূপী বভ্রুবাহনকে আশ্বস্ত করে মৃত সর্পগণের জীবনদানকারী সঞ্জীবন মণি স্মরণ করলেন। সেই সঞ্জীবন মণি বভ্রুবাহন অর্জুনের বক্ষে স্থাপন করতেই অর্জুন পুনরায় জীবিত হলেন এবং অর্জুন দেখলেন বভ্রুবাহনের কিছু দূরে উলূপীর সঙ্গে শোকাকুলা চিত্রাঙ্গদা রয়েছেন। অর্জুন চিত্রাঙ্গদা ও উলূপীকে সান্ত্বনা দিয়ে, তাঁদের অনুমতি নিয়ে যজ্ঞীয় অশ্বের সঙ্গে প্রস্থান করলেন।

    অর্জুনের নির্দেশে অনুষ্ঠানে যথাসময়ে বভ্রুবাহন মাতা উলূপী ও চিত্রাঙ্গদার সঙ্গে মিলিত হয়ে হস্তিনাপুর উপস্থিত হলেন। তিনি যথাবিধানে বৃদ্ধ কৌরবগণ ও অন্য রাজগণকে অভিবাদন করে এবং তাদের কাছে আদৃত হয়ে পিতামহী কুন্তীর উত্তম ভবনে গিয়ে প্রবেশ করলেন। অতি সুন্দর ও কোমলবাক্য বলে তিনি পিতামহী কুন্তীদেবীকে নমস্কার করলেন। তারপর চিত্রাঙ্গদা ও উলূপী মিলিত হয়ে কুন্তী, দ্রৌপদী, সুভদ্রা ও অন্য যে-সকল কৌরব-স্ত্রী ছিলেন, তাদের সবিনয়ে ও যথানিয়মে নমস্কার করলেন। তখন কুন্তী, দ্রৌপদী, সুভদ্রা ও অন্য সকল নারী উলূপী ও চিত্রাঙ্গদাকে নানাবিধ রত্ন দান করলেন। স্বয়ং কুন্তীদেবী অর্জুনের হিতকামনায় উলূপী ও চিত্রাঙ্গদাকে বিশেষ আদর করলেন। সেই অবস্থায় তারা মহামূল্য শয্যা ও আসনে অবস্থান করলেন।

    অর্জুন যুধিষ্ঠিরের সঙ্গে মহাপ্রস্থান যাত্রা করা পর্যন্ত চিত্রাঙ্গদা হস্তিনাপুরেই ছিলেন। অর্জুনের মহাপ্রস্থানের পর তিনি বভ্রুবাহনের সঙ্গে মণিপুরেই ফিরে যান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারতের একশোটি দুর্লভ মুহূর্ত – ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    মহাভারতের একশোটি দুর্লভ মুহূর্ত – ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }