Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারতের নারী – ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৯. সূর্যকন্যা তপতী

    সূর্যকন্যা তপতী

    জতুগৃহ দাহের পর ভীমসেন অমানুষিক বলের পরিচয় দিয়ে চার ভ্রাতা ও মাতা কুন্তীকে একচক্রাপুর পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেলেন। এইখানে এক ব্রাহ্মণের গৃহে তাঁরা কিছুকাল বাস করেছিলেন। ব্রাহ্মণের গৃহে বিপদ দেখে কুন্তীর আদেশে ভীমসেন পুনরায় অসাধারণ শক্তির পরিচয় দিয়ে বকরাক্ষসকে বধ করলেন। ব্রাহ্মণের বিপন্মুক্তি ঘটল। কিছুকাল পরে ব্যাসদেব এসে পাণ্ডবদের পাঞ্চাল নগরে যাত্রা করবার আদেশ দিলেন। পুরুষশ্রেষ্ঠ ও শত্রুদমনকারী পাণ্ডবগণ হৃষ্টচিত্তে ব্রাহ্মণের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মাতা কুন্তীকে সম্মুখে রেখে উত্তরমুখে যাত্রা করলেন এবং হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত ‘অলকানন্দা’ নদীতীরে উপস্থিত হলেন। পাণ্ডবরা যখন সেখানে উপস্থিত হলেন, তখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছিল। বিশ্রামের প্রয়োজনে পাণ্ডবগণ সমুদ্রের সেই অংশে অবগাহনের আয়োজন করলে, গন্ধর্বরাজ অঙ্গারপর্ণ এসে তাঁদের নিষেধ করলেন। সেই নিষেধ অগ্রাহ্য করায় অর্জুন এবং অঙ্গারপর্ণের মধ্যে ভয়ংকর যুদ্ধ হল। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে অঙ্গারপর্ণ নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘চিত্ররথ’ নাম প্রদান করলেন। তিনি অর্জুনের চিরসখিত্ব প্রার্থনা করে তাকে ‘চাক্ষুষী’ নামক মোহিনী মায়াবিদ্যা দান করলেন। পরবর্তীকালে এই চিত্ররথ অর্জুনের ঘনিষ্ঠ সখা রূপে বাস করতে থাকেন, ইনি পাণ্ডবদের বৈভব দেখাবার ছল করে পত্নীদের নিয়ে যাত্রাকালে কর্ণসহ দুর্যোধনকে পরাজিত করেন ও দুর্যোধনকে বন্দি করে নিয়ে যান। অর্জুনকে তিনি দেবলোকে নৃত্যশিক্ষা দান করেন, যে বিদ্যা বৃহন্নলারূপে অর্জুনের অত্যন্ত প্রয়োজনে লেগেছিল। অলকানন্দা তীরে পরাজিত অঙ্গারপর্ণ অর্জুনকে ‘তাপত্য’ এই বিশেষণে সম্বোধিত করেন এবং অর্জুন এই বিশেষণের কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি নিম্নোক্ত কাহিনির বর্ণনা দেন।

    যিনি এই আকাশে থেকে অগ্নিময় তেজ দ্বারা সমস্ত আকাশ ব্যাপ্ত করেন, তাঁরই কন্যার নাম ছিল ‘তপতী’। এই সূর্যদেবের কন্যা সাবিত্রীর কনিষ্ঠা এবং তিনি ত্রিভুবন বিখ্যাত তপস্বিনী ছিলেন। দেবী, অসুরী, যক্ষী, রাক্ষসী, অপ্সরা কিংবা গন্ধর্বী—কোনও রমণীই সৌন্দর্যে তপতীর তুল্যা ছিলেন না। তাঁর সকল অঙ্গই সুগঠিত ও অনিন্দিত এবং নয়নযুগল দীর্ঘ এবং কৃষ্ণবর্ণ ছিল। তিনি সদাচারসম্পন্না, সচ্চরিত্রা, সুবেশা ও হাবভাবযুক্তা ছিলেন। রূপ, গুণ, স্বভাব ও শাস্ত্রজ্ঞান দ্বারা ত্রিভুবনের মধ্যে কোনও পুরুষকেই সূর্যদেব তপতীর অনুরূপ বর মনে করতে পারছিলেন না। সেই সময়ে ঋক্ষবংশীয় অজমীরের পুত্র এবং কুরুবংশের মধ্যে প্রধান বলবান রাজা সম্বরণ সূর্যের আরাধনায় প্রবৃত্ত হলেন। তিনি প্রত্যহ পবিত্র হয়ে, অহংকার ত্যাগ করে এবং শুশ্রূষায় প্রবৃত্ত থেকে অর্ঘ্য, মালা ও গন্ধ প্রভৃতি উপহার, ব্রত, উপবাস ও নানাপ্রকার তপস্যা দ্বারা ভক্তি সহকার উদয়কালে সূর্যের পূজা করতে লাগলেন।

    তপতীর যৌবন উপস্থিত হওয়ায় তাঁকে দান করা আবশ্যক হয়ে পড়ল। কিন্তু তাঁর বরের বিষয়ে চিন্তা করে সূর্যদেব শান্তি পাচ্ছিলেন না। তখন কৃতজ্ঞ, ধার্মিক এবং জগতে অতুলনীয় রূপবান সম্বরণকেই তপতীর অনুরূপ বর বলে সূর্যদেব স্থির করলেন এবং তাঁকে কন্যাটি দান করবার ইচ্ছা করলেন। কারণ, সূর্য যেমন আপন তেজে আকাশে আলোক বিস্তার করেন, সম্বরণ রাজাও তেমনই আপন তেজে পৃথিবীতে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। ব্ৰহ্মজ্ঞেরা যেমন উদয়কালীন সূর্যের অর্চনা করেন, তেমনই ক্ষত্রিয় প্রভৃতি প্রজারা সম্বরণরাজার অর্চনা করত। মনোহর মূর্তি সম্বরণ রাজা কমনীয়তাগুণে বন্ধুবর্গের পক্ষে সূর্যকেও অতিক্রম করেছিলেন। সম্বরণ রাজার এই সকল গুণ ও আচার লক্ষণ ছিল বলে স্বয়ং সূর্যদেবই তাঁর হাতে তপতীকে দান করার ইচ্ছা করেছিলেন।

    তারপর মনোহর মূর্তি ও অসাধারণ বিক্রমশালী সম্বরণ রাজা কোনও সময়ে পর্বতের নিকটবর্তী কোনও বনে বিচরণ করছিলেন। তিনি মৃগয়া করছিলেন, এমন সময়ে তাঁর নিরুপম অশ্বটি ক্ষুধা ও পিপাসায় কাতর হয়ে সেই পর্বতেই প্রাণত্যাগ করল। তখন রাজা পদব্রজেই সেই পর্বতে বিচরণ করতে থেকে জগতে অতুলনীয়া দীর্ঘনয়না একটি কন্যাকে দেখতে পেলেন। শত্রুসৈন্য বিজয়ী একাকী সম্বরণ রাজা সেই কন্যাটিকে দেখে নির্নিমেষ নয়নে অবস্থান করতে থাকলেন এবং তাঁর রূপ দেখে, তাঁকে সাক্ষাৎ লক্ষ্মীদেবী বলে এবং সূর্যমণ্ডল থেকে বিচ্যুতা স্ত্রীমূর্তিধারিণী সূর্যপ্রভার ন্যায় মনে করতে লাগলেন। আবার তাঁর উজ্জ্বল তেজ ও আকৃতি দেখে অগ্নিশিখার মতো এবং নির্মলতা ও মনোহরতা দেখে তাঁকে চন্দ্রকলার মতো ধারণা করতে লাগলেন। সেই অসাধারণ নয়না কন্যাটি পর্বতের উপরে থেকে স্বর্ণময়ী প্রতিমার মতো শোভা পাচ্ছিল। তাঁর রূপের ও পরিচ্ছদের কিরণে সেই পর্বতের উচ্চ বৃক্ষ, ক্ষুদ্র বৃক্ষ এবং সকল লতা যেন সমান হয়ে গিয়েছিল এবং পর্বতটাই যেন স্বর্ণময় হয়ে ছিল।

    সম্বরণ রাজা সেই কন্যাটিকে দেখে ত্রিভুবনের সকল রমণীকেই যেন অবজ্ঞা করতে লাগলেন এবং নিজের চোখের সাফল্য লাভ করেছেন বলে মনে করতে লাগলেন। তখন সেই কন্যাটি নিজের গুণরূপ রজ্জু দ্বারা রাজার মন ও চক্ষু বন্ধন করে ফেলল বলে তিনি সেখান থেকে যেতে বা অন্য কিছু জানতে পারলেন না। বিধাতা নিশ্চয়ই দেবলোক, অসুরলোক এবং মনুষ্যলোক মন্থন করে এই বিশালনয়নার এই মনোহর রূপ সৃষ্টি করেছিলেন। সম্বরণ রাজা এই ধারণা করলেন এবং তাঁর রূপরাশি দেখে তাঁকে জগতে অতুলনীয়া বলে মনে করলেন। সেই সুন্দরীকে দেখেই সদ্‌বংশজাত সম্বরণ রাজা কামবাণে পীড়িত হয়ে মনে মনে অনেক বিষয় চিন্তা করলেন। সেই সরলা সুন্দরীকে বললেন, “সুন্দরী! তুমি কে? তুমি কার কন্যা বা ভার্যা? কীজন্য এখানে অবস্থান করছ? একাকিনীই বা কেন নির্জন বনে বিচরণ করছ? তোমার সকল অঙ্গই সুন্দর, সুতরাং তুমি সকল অলংকারে অলংকৃত হয়ে এই অলংকারগুলির যেন অভীষ্ট বিশেষ অলংকার হয়েছ। তোমার তুল্য রূপবতী কোনও দেবী, অসুরী, যক্ষী, রাক্ষসী, নাগী, গন্ধর্বী বা মানুষী আছে বলে আমি মনে করি না। হে যৌবনমত্তে! আমি যত সুন্দরী রমণী দেখেছি বা শুনেছি তোমাকে তাদের তুল্য বলে মনে করতে পারি না। চারুবদনে পদ্মদলতুল্য-নয়নযুক্ত তোমার মুখখানিকে চন্দ্র অপেক্ষাও সুন্দর দেখেই কামদেব যেন আমাকে মন্থন করছেন।”

    সম্বরণ রাজা তাকে এই কথা বললেও তখন সেই রমণী সেই নির্জন বনমধ্যে তাঁর কথার কোনও প্রত্যুত্তরই করল না। তবুও রাজা বারবারই সেই কথা বলতে থাকলে, বিদ্যুৎ যেমন মেঘের ভিতর অন্তর্হিত হয়, তেমনই সেই দীর্ঘনয়না সেইখানেই অন্তর্হিত হল। তখন রাজা সেই পদ্মনয়না রমণীকে অন্বেষণ করবার জন্য উন্মত্তের ন্যায় ভ্রমণ করতে থেকে সমস্ত বন বিচরণ করতে থাকলেন। কিন্তু তাকে না পেয়ে আবার সেইখানে এসে বহু বিলাপ করে রাজশ্রেষ্ঠ সম্বরণ নিশ্চেষ্ট হয়ে কিছুকাল দাঁড়িয়ে রইলেন।

    সেই কন্যাটি অদৃশ্য হলে শত্ৰুবিজয়ী সম্বরণ রাজা কামপীড়নে মোহিত হয়ে ভূতলে পতিত হলেন। তখন মধুরহাসিনী ও সুনিতম্বা সেই কন্যাটি এসে পুনরায় রাজাকে দেখা দিল এবং মৃদু হাস্য করতে করতে কুরুবংশরক্ষক কামার্ত রাজাকে বলল:

    উত্তিষ্ঠোতিষ্ঠ ভদ্রং তে ন ত্বমর্হস্যরিন্দম।

    মোহ নৃপতিশার্দূল! গন্তুমাবিষ্কৃতঃ ক্ষিতৌ ॥ আদি : ১৬৫ : ৪ ॥

    “হে শত্রুবিজয়ী রাজশ্রেষ্ঠ! আপনি উঠুন উঠুন, আপনার মঙ্গল হোক, বিধাতা আপনাকে রাজা করে ভূতলে পাঠিয়েছেন, সুতরাং আপনি অল্প কারণে মূৰ্ছিত হতে পারেন না।” রাজা মধুর বাক্যে এভাবে অভিহিত হয়ে তখনই সম্মুখস্থিতা সেই বিশালনিতম্বা কন্যাটিকে দেখতে পেলেন।

    তারপর কামাকুলহৃদয় সম্বরণ রাজা অস্পষ্ট বাক্যে সেই সুলোচনা কন্যাটিকে বলতে লাগলেন, “ভাল, হে সুলোচনে! হে যৌবনমত্তে! আমি কামার্ত হয়ে তোমাতে আসক্ত হয়েছি, তুমি আমাতে আসক্ত হও, তা না হলে প্রাণ আমাকে পরিত্যাগ করবে। হে, বিশালনয়নে! হে পদ্মকোষবর্ণে! তোমার জন্যই কাম আমাকে নিশিত শর দ্বারা বিদ্ধ করতে থেকে কিছুতেই নিবৃত্তি পাচ্ছে না। ভদ্রে, কামরূপ মহাসর্প আমাকে দংশন করেছে, কিন্তু সুন্দরা, তুমি আমার প্রতি আশ্বাসবাক্যও বলছ না, সত্বর এসে আমাকে রক্ষা করো। হে অনিন্দ্যসুন্দরী! তোমার কণ্ঠস্বর কিন্নরের উৎকৃষ্ট গানের মতো এবং তোমার মুখখানি পদ্ম ও চন্দ্রের তুল্য; সুতরাং আমার প্রাণ তোমারই অধীন হয়েছে। সুন্দরী! তোমাকে ছেড়ে আমি জীবিত থাকতে পারব না। কারণ, কাম আমাকে অনবরত বিদ্ধ করছে। অতএব বিশাল নয়নে! তুমি আমার প্রতি দয়া করো। আমি তোমার ভক্ত। সুতরাং তুমি আমাকে পরিত্যাগ করতে পারবে না। সুন্দরী! তুমি প্রীতিপূর্বক সংযোগ ঘটিয়ে আমাকে রক্ষা করো। তোমাকে দেখার পর আমার মনে অনুরাগ জন্মেছে, তাই সে মন অত্যন্ত অস্থির হয়ে পড়েছে। কল্যাণী! তোমাকে দেখে আর অন্য রমণীকে দেখবারও ইচ্ছা আমার হচ্ছে না, তুমি প্রসন্ন হও, আমি তোমার অধীন এবং ভক্ত, অতএব আমাকে ভজন করো। সুন্দরী! তোমাকে দেখার পর কামদেব বাণ দ্বারা আমার হৃদয়কে অত্যন্ত বিদ্ধ করছেন। কমলনয়নে! কামানল থেকে আমার যে দাহ উপস্থিত হয়েছে, তা তুমি নিজের প্রণয়সংযোগরূপ জল দ্বারা নিবারিত করো। কল্যাণী! তোমার দর্শনমাত্রেই আমার হৃদয়ে কাম জন্মেছে। সেই দুর্ধর্ষ কাম বিশাল বাণ ও ধনু ধারণ করে দুঃসহ বাণদ্বারা আমাকে বিদ্ধ করছে; অতএব সুন্দরী, তুমি আত্মসমর্পণ করে তাকে শান্ত করো। সুন্দরী! তুমি গান্ধর্ব বিবাহ অনুসারে আমার সঙ্গে মিলিত হও। রম্ভোরু! বিবাহের মধ্যে গান্ধর্ব বিবাহ একটি শ্রেষ্ঠ বিবাহ।”

    তপতী বললেন, “রাজা, আমার দেহের উপর আমার আধিপত্য নেই। কারণ আমার পিতা আছেন, সুতরাং আপনার যদি আমার উপর প্রণয় জন্মে থাকে, তবে আমাকে পিতার নিকট প্রার্থনা করুন। রাজা, আমি যেমন দর্শনমাত্রই আপনার প্রাণ হরণ করেছি, আপনিও তেমন আমার অপেক্ষা অধিক পরিমাণে আমার প্রাণ হরণ করেছেন। কিন্তু আমি আমার দেহের প্রভু নই, তাই আপনার কাছে যেতে পারছি না। কারণ স্ত্রীজাতি স্বাধীন নয়। ত্রিভুবনের মধ্যে কোন কন্যা বিখ্যাত বংশোদ্ভূত এবং ভক্তবৎসল রাজাকে প্রতিপালক ও পতিরূপে লাভ করতে ইচ্ছা না করে? অতএব আপনি এই সময়ে প্রণিপাত, তপস্যা ও ব্ৰতদ্বারা আমার পিতা সূর্যদেবের কাছে আমাকে প্রার্থনা করুন। মহারাজ, তিনি যদি আমাকে আপনার হাতে দিতে ইচ্ছা করেন, তবে আমি চিরকালের জন্য আপনার বশবর্তিনী হব। হে ক্ষত্রিয়শ্রেষ্ঠ, জগতের প্রদীপ এই সূর্যদেবের কন্যা সাবিত্রী, আমি তাঁরই কনিষ্ঠা ভগিনী, আমার নাম ‘তপতী।”

    সর্বাঙ্গসুন্দরী তপতী এই কথা বলে উপরের দিকে চলে গেলেন। কিন্তু সম্বরণ রাজা পুনরায় সেইখানে ভূতলে পতিত হলেন। তারপরে, সৈন্যগণ ও অনুচরগণের সঙ্গে মন্ত্রী অন্বেষণ করতে করতে সেই মহাবনে এসে সেই অবস্থায় রাজাকে দেখতে পেলেন। যথাসময়ে উত্তোলিত আবার ভূতলে পতিত ইন্দ্ৰধ্বজের ন্যায় মহাধনুর্ধর রাজাকে অশ্ববিহীন অবস্থায় ভূতলে পতিত দেখে সেই মন্ত্রী সন্তাপানলে জ্বলে উঠলেন এবং সত্বর গিয়ে স্নেহের বশে ব্যস্ত হয়ে পিতা যেমন পুত্রকে উত্তোলন করেন, তেমনই কামমোহিত ভূতলে পতিত রাজাকে ভূতল থেকে উত্তোলন করলেন। এবং তিনি মঙ্গলময় মধুর বাক্যে সম্মুখস্থিত রাজাকে বললেন, “রাজশ্রেষ্ঠ, আপনি ভীত হবেন না, আপনার মঙ্গল হোক।” মন্ত্রী মনে করলেন, যুদ্ধে শত্ৰুনিপাতকারী, রাজা ক্ষুধা ও পিপাসায় কাতর হয়েই ভূতলে পতিত হয়েছিলেন।

    তারপর তিনি পদ্মসৌরভযুক্ত শীতল জল দ্বারা রাজার মস্তক সিক্ত করলেন। তাতে ময়লা দূর হওয়ায় রাজার মুকুটখানি আরও উজ্জ্বল হল। রাজা চৈতন্যলাভ করে কেবল সেই মন্ত্রী ব্যতীত সমস্ত সৈন্যকেই বিদায় করলেন। রাজার আদেশে সেই বিশাল সৈন্য রাজধানীর দিকে প্রস্থান করল। কিন্তু রাজা সেই পর্বতের সমতল ভূমিতেই পুনরায় উপবেশন করলেন। তিনি সূর্যদেবের আরাধনা করার ইচ্ছায় সেই পর্বতেই পবিত্র ও কৃতাঞ্জলি ঊর্ধ্বমুখে ভূতলে অবস্থান করতে লাগলেন এবং মনে মনে পুরোহিত বশিষ্ঠকে স্মরণ করতে লাগলেন। রাজা এইভাবে সেই স্থানে দিবারাত্র অবস্থান করতে লাগলে, বারো দিনের দিন ব্রহ্মর্ষি বশিষ্ঠ সেখানে আগমন করলেন। জ্ঞানী ও ধার্মিক বশিষ্ঠ তপতীই যে সম্বরণ রাজার চিত্ত অপহরণ করেছেন তা ধ্যানে জেনে, তাঁরই উদ্দেশ্য সাধন করার ইচ্ছায় তাঁর সঙ্গে কিছু আলাপ করলেন। পরে রাজা দেখছিলেন, এই অবস্থায় সূর্যের তুল্য ভগবান বশিষ্ঠ সূর্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য উপরের দিকে চলে গেলেন। তারপর বশিষ্ঠ কৃতাঞ্জলি হয়ে সূর্যের কাছে উপস্থিত হলেন এবং ‘আমি বশিষ্ঠ’ প্রণয়পূর্বক এই আত্মপরিচয় দিলেন। তখন সূর্যদেব মুনিশ্রেষ্ঠ বশিষ্ঠকে বললেন, “মহর্ষি! আপনার উপযুক্ত অভ্যর্থনা করছি, আপনি অভীষ্ট বিষয় বলুন। মহাত্মন, আপনি আমার কাছে যা ইচ্ছা করছেন, তা অতি দুষ্কর হলেও আমি আপনাকে দেব।” সূর্যদেব এই কথা বললে, বশিষ্ঠ প্রণাম করে তাঁকে বললেন, “সূর্যদেব, সাবিত্রীর কনিষ্ঠা তপতী নামে আপনার যে একটি কন্যা আছে, সেটিকে সম্বরণ রাজার জন্য আপনার কাছে আমি প্রার্থনা করছি। সম্বরণ রাজা অত্যন্ত যশস্বী, ধর্মার্থজ্ঞ এবং উদারচেতা, সুতরাং তিনিই আপনার কন্যার উপযুক্ত বর।”

    সূর্যদেব পূর্বেই সম্বরণ রাজাকে কন্যা দান করবেন স্থির করে রেখেছিলেন। সুতরাং বশিষ্ঠের প্রস্তাব শুনে, তাঁকে আদর করে বললেন, “মহর্ষি, সম্বরণ রাজাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তপতীও নারীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠা, অতএব সম্বরণের হাতে তপতীকে দান করা ভিন্ন আর কী করব।” তারপর, সূর্যদেব নিজেই সম্বরণ রাজার জন্য সর্বাঙ্গসুন্দরী তপতীকে মহাত্মা বশিষ্ঠের কাছে সমর্পণ করলেন, মহর্ষি বশিষ্ঠও তখন তপতী নাম্নী সেই কন্যাটিকে গ্রহণ করলেন এবং সূর্যদেবের কাছে বিদায় গ্রহণ করে পুনরায় চলে এলেন।

    বিখ্যাতকীর্তি কুরুশ্রেষ্ঠ সম্বরণ রাজা তপতীকে ভাবতে থেকেই কামাবিষ্ট হয়ে সেখানে বাস করছিলেন। রাজা, চারুহাসিনী দেবকন্যা তপতীকে বশিষ্ঠের সঙ্গে আসতে দেখে, অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে বিশেষ শোভা পেতে লাগলেন। সুন্দরী তপতীও মেঘবিচ্যুত বিদ্যুতের ন্যায় আপন কান্তি দ্বারা সমস্ত দিক আলোকিত করে আকাশ থেকে আসতে থেকে অত্যন্ত শোভা পেতে লাগলেন। তখন রাজা কষ্টসাধ্য সূর্যোপাসনায় দ্বাদশ দিন অতিবাহিত করলে, শুদ্ধচিত্ত বশিষ্ঠকে তাঁর সম্মুখে উপস্থিত দেখতে পেলেন। সম্বরণ রাজা তপস্যা দ্বারা বরদাতা জগদীশ্বর সূর্যদেবের আরাধনা করে এবং বশিষ্ঠের প্রভাবে তপতীকে ভার্যারূপে লাভ করলেন। তারপর দেবগণ ও গন্ধর্বগণ সেবিত সেই পর্বতে থেকেই ভার্যা তপতীর সঙ্গে বিহার করতে ইচ্ছা করলেন।

    সম্বরণ রাজা রাজধানী, রাজ্য, বন, উপবন প্রভৃতি পর্যবেক্ষণ করবার জন্য সেই মন্ত্রীকেই আদেশ করলেন। তখন বশিষ্ঠও রাজাকে সেইরূপ অনুমতি দিয়ে চলে গেলেন। রাজাও সেই পর্বতে থেকেই দেবতার মতো বিহার করতে লাগলেন। রাজা আরও বারো বছর সেই পর্বতে থেকেই বনে ও উপবনে ভার্যার সঙ্গে রমণ করলেন।

    সেই বারো বৎসরের মধ্যে সেই রাজার রাজ্যে ও রাজধানীতে ইন্দ্র বর্ষণ করলেন না। অনাবৃষ্টি চলতে থাকলে স্থাবর ও জঙ্গম সমস্ত প্রজাই ক্ষয় পেতে লাগল। সেই ভয়ংকর সময়ে ভূতলে হিমবিন্দুও পড়েনি। পৃথিবীতে কোনও শস্য জন্মেনি। লোক সকল ক্ষুধায় পীড়িত হয়ে, গৃহ পরিত্যাগ করে পরস্পর কর্তব্যহীন হয়ে পড়ল। ক্ষুধার্ত অথচ উপবাসী মৃতপ্রায় লোকে পরিপূর্ণ সেই রাজধানীটা পরিপূর্ণ যমালয়ের মতো হয়ে পড়ল।

    তারপর রাজধানীর সেই অবস্থা দেখে, ধর্মাত্মা মুনিশ্রেষ্ঠ সেই বশিষ্ঠ সেখানে উপস্থিত হলেন এবং তিনি বারো বৎসর অতীত হলে, তপতীর সঙ্গে সম্বরণ রাজাকে সেই রাজধানীতে নিয়ে এলেন। তখন দেবরাজ পূর্বের ন্যায় বর্ষণ করতে প্রবৃত্ত হলেন। সম্বরণ রাজা রাজধানীতে প্রবেশ করলে, দেবরাজ শস্য জন্মাবেন বলে বর্ষণ করলেন। নির্মল হৃদয় সম্বরণ রাজা ভাগ্য ফিরিয়ে আনলে রাজার সঙ্গে সেই রাজধানী অত্যন্ত আনন্দ লাভ করল। তারপর, শচীদেবীর সঙ্গে মিলিত দেবরাজের মতো সম্বরণ রাজা তপতীর সঙ্গে মিলিত হয়ে, আবার বারো বৎসর যজ্ঞ করলেন।

    অঙ্গারপর্ণ চিত্ররথ অর্জুনের কাছে এই কাহিনি প্রকাশ করে বলল, “অৰ্জুন, তোমাদের পূর্বোৎপন্না সূর্যকন্যা তপতী এমনই ভাগ্যবতী ছিলেন, সেই সম্বরণ রাজা তপতীর গর্ভে ‘কুরু’ নামে একটি পুত্র উৎপাদন করেছিলেন। সেই তপতীর গর্ভে জন্মেছ বলে তোমরা সকলেই ‘তাপত্য’। তাই আমি তোমাকে ‘তাপত্য’ বলে সম্বোধন করেছি।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারতের একশোটি দুর্লভ মুহূর্ত – ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    মহাভারতের একশোটি দুর্লভ মুহূর্ত – ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }