Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারত (কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত)

    কালীপ্রসন্ন সিংহ এক পাতা গল্প884 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০১২. অর্জ্জুনাভিগমনপর্ব্বাধ্যায়

    ১২শ অধ্যায়

    অর্জ্জুনাভিগমনপর্ব্বাধ্যায়

    বৈশম্পায়ন কহিলেন, মহারাজ! ভোজ, অন্ধক ও বৃষ্ণিবংশীয়েরা দুঃখ-সন্তপ্ত পাণ্ডবগণ প্ৰব্ৰজ্যাশ্রম অবলম্বন করিয়াছেন শুনিয়া দর্শনার্থ মহাবনে যাত্ৰা করিলেন। পাঞ্চলের জ্ঞাতিবর্গ, চেদিদেশাধিপতি ধৃষ্টকেতু ও ত্ৰিলোকবিশ্রুত মহাবীৰ্য্য কৈকেয় ইঁহারা রোষকষায়িত হইয়া ধার্ত্তরাষ্ট্রদিগকে নিন্দা করিতে করিতে পাণ্ডবসন্নিধানে গমন করিলেন ও ইতিকর্ত্তব্যতার আন্দোলন করিয়া অনতিকালমধ্যে তথায় উপস্থিত হইয়া কৃষ্ণকে পুরস্কৃত ও যুধিষ্ঠিরকে বেষ্টিত করিয়া উপবিষ্ট হইলেন। সকলে উপবেশন করিলে কৃষ্ণ কুরুশ্রেষ্ঠ যুধিষ্ঠিরকে অভিবাদন করিয়া অতি দীনমনে কহিতে লাগিলেন, “হে ধর্ম্মরাজ! পৃথিবী অবশ্যই দুরাত্মা দুৰ্য্যোধন, কৰ্ণ, শকুনি ও দুঃশাসন এই দুষ্টচতুষ্টয়ের শোণিত পান করিবে। আমরা ইহাদিগকে রণশায়ী করিয়া ইহাদিগের অনুগত লোক ও অন্যান্য নৃপতিবর্গকে পরাজয়পূর্ব্বক আপনাকে রাজ্যে অভিষিক্ত করিব। মহারাজ! যে ব্যক্তি ঘৃণিতলোকের অনুগামী হয় সেও বধ্য, এই সনাতন ধর্ম্ম।”

    অর্জ্জুনের কৃষ্ণস্তুতি

    এই সমস্ত কথা কহিতে কহিতে কৃষ্ণের ক্রোধানল প্ৰজ্বলিত হইয়া উঠিল, তৎকালে বোধ হইল যেন তিনি লোকসকল দগ্ধ করিতে উদ্যত হইয়াছেন। ‘অৰ্জ্জুন সেই অমিততেজাঃ, প্রজাপতিপতি, ত্ৰিলোকনাথ কৃষ্ণকে রোষাবিষ্ট দেখিয়া তদীয় পূর্ব্বদেহের কর্ম্মসমুদয় কীর্ত্তন করিতে লাগিলেন, “হে কৃষ্ণ! পূর্ব্বে তুমি যাত্রয়োয়ংগৃহ [যেখানে সন্ধ্যা, সেইখানে গৃহ-যাহার। নিৰ্দ্ধারিত গৃহ নাই, সন্ধ্যার সময় যেখানে উপস্থিত হয়, সেইখানেই থাকিয়া যায়] মুনি হইয়া দশ-সহস্ৰ বৎসর গন্ধমাদন পর্ব্বতে বিচরণ করিয়াছিলে। তুমি পুষ্করতীর্থে কেবল জল পান করিয়া একাদশসহস্ৰ বৎসর বাস করিয়াছিলে। তুমি অতি বিস্তীর্ণ বদরিকাশ্রমে ঊৰ্দ্ধবাহু হইয়া বায়ুভক্ষণপূর্ব্বক শত বৎসর একপদে দণ্ডায়মান ছিলে। তুমি সরস্বতীতীরে উত্তরীয়-বস্ত্ৰবিবর্জ্জিত, শীর্ণ ও শিরাব্যাপ্তশরীর হইয়া দ্বাদশবার্ষিক ঙজ্ঞকালে অবস্থান করিয়াছিলে। তুমি সাধুজনসেব্য প্রভাসিতীর্থে যজ্ঞারম্ভ করিয়া দেবপরিমিত [ব্ৰাহ্ম বৎসর—মানুষের একবৎসরে ব্ৰহ্মার একদিন। সুতরাং মানুষের তিনশত পঁয়ষট্টি বৎসরে ব্ৰহ্মার একবৎসর] দশসহস্ৰ বৎসর একপদে দণ্ডায়মান ছিলে। হে কৃষ্ণ! ব্যাস আমাকে কহিয়াছেন যে, লোকপ্ৰবৃত্তি উদ্দীপিত করাই তোমার একমাত্র উদ্দেশ্য। হে কেশব! তুমি ক্ষেত্ৰজ্ঞ, সর্ব্বভূতের আদি ও অন্ত; তুমি তপোনিধান ও নিত্যস্বরূপ। তুমি ভৌম নরককে উন্মলিত করিয়া মণিময়-কুণ্ডল আহরণপূর্ব্বক অতি পবিত্র প্রাথমিক অশ্ব সৃষ্টি করিয়াছ। হে নরোত্তম! তুমি এই সকল কর্ম্ম করিয়া দুৰ্দান্ত দৈত্যদানবদল সংহারপূর্ব্বক দেবরাজ ইন্দ্রকে সৰ্বেশ্বরত্ব প্ৰদান করিয়াছ; তুমি নরকলেবর পরিগ্রহ করিয়া মনুষ্যলোকে প্রাদুর্ভূত হইয়াছ। হে পুরুষোত্তম! তুমিই নারায়ণ, হরি, ব্ৰহ্মা, সোম, সূৰ্য্য, ধর্ম্ম, বিধাতা, যম, অনল, অনিল, বৈশ্রবণ, রুদ্র, কাল, আকাশ, পৃথিবী, দশদিক, অজ, চরাচরগুরু ও স্রষ্টা। তুমি পরমপবিত্র চৈত্ররথ-কাননে বহুবিধ উৎকৃষ্ট যজ্ঞ দ্বারা দেবতাদিগকে অৰ্চনা করিয়াছ। তুমি প্রতি যজ্ঞে যথাযোগ্য ভাগানুসারে শত-সহস্ৰ সুবৰ্ণ দান করিয়াছ। হে যাদবনন্দন! তুমি দেবমাতা অদিতির গর্ভে পুত্ররূপে উদ্ভূত হইয়া ইন্দ্ৰকনিষ্ঠ বিষ্ণু বলিয়া বিখ্যাত হইয়াছ। তুমি অল্পবয়ষ্ক বালক হইয়া তিনপদে পৃথিবী, আকাশ ও সূৰ্য্যলােকে অধিষ্ঠানপূর্ব্বক স্বকীয় তেজদ্বারা দিবাকরকে প্রদীপ্ত করিয়াছ। তুমি সহস্ৰ সহস্রবার প্রাদুর্ভূত হইয়া অধর্ম্মপরায়ণ অসুরগণকে সংহার করিয়াছ। তুমি মৌরবপাশ [অন্ত্রতন্তুপাশ—নাড়ীনির্ম্মিত রজ্জু; নিসুন্দ-নিরকের ঐরােপ অস্ত্র ছিল] ছিন্ন করিয়া নিসুন্দ ও নরক-নামক অসুরদিগকে নিহত করিয়া প্ৰাগজ্যোতিষ দেশের গমনমাৰ্গ নিষ্কণ্টক করিয়াছ। তুমি জারূখী-দেশে আহ্বতি, ক্ৰাথ, সপক্ষ, শিশুপাল, জরাসন্ধ, শৈব্য ও শতধন্বাকে পরাজয় করিয়াছ। তুমি জলধারাবৎ গভীর-রবসম্পন্ন, সূৰ্য্যসঙ্কাশরথে আরোহণপূর্ব্বক রুক্সিরাজকে পরাজিত করিয়া তদীয় ভগিনী রুক্মিণীকে সহধর্ম্মিণী করিয়াছ। তুমি রোষাবিষ্ট হইয়া ইন্দ্ৰদ্যুম্ন, কসেরুমান্‌, যবন, সৌভাপতি শাল্ব ও সৌভনগর সংহার করিয়াছ। তুমি ইরাবতীতে কর্ত্তবীৰ্য্যসম বীৰ্য্যবান ভোজরাজ, গোপতি ও তালকেতুকে বিনাশ করিয়াছ। তুমি পবিত্ৰা ভগবতী। ঋষিকা ও দ্বারকা নগরীকে আত্মসাৎ করিয়া মহাসাগরের অন্তৰ্গত করিবে। হে মধুসূদন! তুমি নৃশংসাচার, কপটব্যবহার, ক্রোধ ও মাৎসৰ্য্যের বিষয়ীভূত নহ এবং মিথ্যা কথা কদাচ মুখে উচ্চারণ কর না। মহর্ষিগণ যজ্ঞায়তনস্থিত, প্রভাপুঞ্জোদ্ভাসিত তোমার সম্মুখীন হইয়া অভয়প্রার্থনা করিয়া থাকেন। হে ভূতভাবন! প্ৰলয়কাল উপস্থিত হইলে তুমি ভূতজাত সঙ্কুচিত করিয়া ব্ৰহ্মাণ্ডকে আত্মসাৎ করিয়াছিলে। সর্ব্বজগতের স্রষ্টা, চরাচরগুরু ব্ৰহ্মা যুগপ্রারম্ভে তোমার নাভিসরোরুহ হইতে সমুদ্ভূত হইয়াছেন। অতি দুর্দান্ত মধু ও কৈটভ নামক দানবদ্বয় ব্ৰহ্মাকে সংহার করিতে উদ্যত হইয়াছিল, তদর্শনে তুমি ক্ৰোধ জ্বলিত হইয়া ভগবান শূলপাণি ত্ৰিলোচনকে স্বীয় ললাটদেশ হইতে প্রাদুর্ভূত করিয়াছিলে। আমি নারদমুখে শুনিয়াছি, ব্ৰহ্মা ও শাম্ভূ এইরূপে তোমারই দেহ হইতে সম্ভূত হইয়া তোমারই আজ্ঞা পালন করিয়া থাকেন। হে নারায়ণ! তুমি পূর্ব্বে চৈত্ররথ-কাননে ভূরিদক্ষিণ মহাসত্র অনুষ্ঠান করিয়াছিলো। তুমি বাল্যকালে বলদেবের সহায়তা লাভ করিয়া যে-সমস্ত আলোকসামান্য ব্যাপার সম্পন্ন করিয়াছিলে, তাহা কোন কালেই হয় নাই ও হইবে, ইহাও সম্ভবপর নহে। তুমি বেদপারগ ব্ৰাহ্মণগণ সমভিব্যাহারে কৈলাসপর্ব্বতে অবস্থিতি করিয়াছিলো।”

    অর্জ্জুন এইরূপে কৃষ্ণের স্তুতিবাদ করিয়া তূষ্ণীভূত হইয়া রহিলেন।

    অনন্তর কৃষ্ণ অর্জ্জুনকে সম্বোধন করিয়া কহিলেন, “হে পাৰ্থ! তুমি আমার, আমি তোমার; আমার অধিকৃত সমস্ত দ্রব্যে তোমার সম্পূর্ণ অধিকার আছে। তোমাকে দ্বেষ করিলে আমাকেও দ্বেষ করা হয়। তুমি নর, আমি নারায়ণ; আমরা কালক্রমে নরনারায়ণরূপে এই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হইয়াছি। আমাদের অন্তর অবগত হওয়া নিতান্ত দুরূহ। ফলতঃ তোমাতে ও আমাতে কিছুমাত্র বিভিন্নতা নাই।”

    দ্ৰৌপদীর কৃষ্ণস্তব

    নারায়ণের বাক্যাবসানে ধৃষ্টদ্যুন্ন প্রভৃতি ভ্রাতৃগণকর্ত্তৃক পরিবেষ্টিতা শরণার্থিনী দ্রৌপদী ক্রোধাবিষ্ট হইয়া সেই বীরসমবায়ে ভ্রাতৃবর্গের সহিত সুখাসীন পুণ্ডরীকাক্ষকে কহিলেন, “হে মধুসূদন! অসিত ও দেবল তোমাকে প্রজাসৃষ্টি-বিষয়ে প্ৰজাপিত বলিয়া কীর্ত্তন করিয়াছেন। জমদগ্ন্য তোমাকে বিষ্ণু, যজ্ঞ, যাগকর্ত্তা ও যজনীয় কহিয়াছেন। মহর্ষিগণ তোমাকে ক্ষমা ও সত্যস্বরূপে উল্লেখ করিয়াছেন। কশ্যপ কহিয়াছেন, তুমি সত্য হইতে যজ্ঞরূপে অবতীর্ণ হইয়াছ। হে ভূতভাবন ভগবান! নারদ তোমাকে সাধ্যদেব ও প্রমথগণের ঈশ্বরের ঈশ্বর বলিয়া নির্দেশ করিয়াছেন। যাদৃশ বালকেরা ক্রীড়নক [ক্রীড়াসামগ্ৰী—পুতুল প্রভৃতি] দ্বারা ক্রীড়া করে, হে পুরুষপ্রধান! তুমিও সেইরূপ ব্ৰহ্মা, শঙ্কর ও ইন্দ্ৰাদি দেববৃন্দকে লইয়া বারংবার ক্রীড়া করিয়া থাক। তুমি সনাতন পুরুষ; তোমার মস্তকদ্বারা সুরলোক ও পাদদ্বয়দ্বারা ভূলোক ব্যাপ্ত রহিয়াছে। এই পৃথিবীস্থ সমস্ত লোক তোমার জঠরদেশে অবস্থিতি করিতেছে। তুমিই তপঃক্লেশাভিতপ্ত ও আত্মদৰ্শন-পরিতৃপ্ত তাপসাগণের একমাত্র গতি। হে নরশ্রেষ্ঠ! তুমি সর্ব্বধর্ম্মোপপন্ন পুণ্যশালী সমরশূর রাজর্ষিদিগের অদ্বিতীয় আশ্রয়। তুমি প্ৰভু, বিভু ও ভূতাত্মা; তুমিই ইতস্ততঃ বিচরণ করিতেছ। লোকপাল, লোকসমুদয়, নক্ষত্ৰগণ, দশদিক, আকাশ, চন্দ্র ও সূৰ্য্য এই সমুদয় তোমাকেই অবলম্বন করিয়া রহিয়াছে। ভূতনিবহের মর্ত্ত্যতা ও নির্জ্জর [জরামরণরহিত—দেবতা]গণের অমরত্ব প্রভৃতি আলোকসামান্য কাৰ্য্য-সকল তোমাতেই প্রতিষ্ঠিত। হে মধুসূদন! তুমি কি দিব্য, কি মানুষ, সকল ভূতেরই ঈশ্বর; অতএব আমি এক্ষণে প্ৰণয়প্রযুক্ত তোমার সমক্ষে দুঃখ প্রকাশ করি।

    কৃষ্ণসমীপে দ্ৰৌপদীর সখেদ উক্তি

    “হে কৃষ্ণ! আমি পাণ্ডবদিগের সহধর্ম্মিণী, ধৃষ্টদ্যুম্নের ভগিনী এবং তোমার প্রিয়সখী হইয়াও কি সভামধ্যে দুষ্ট দুঃশাসনকর্ত্তৃক আকৃষ্ট হইতে পারি? তৎকালে আমি স্ত্রীধর্ম্মসম্পন্না শোণিতোক্ষিতা ও একবস্ত্রা ছিলাম। পাপপরায়ণ ধার্ত্তরাষ্ট্রগণ রাজসভামধ্যে আমাকে কম্পমানা ও রাজস্বলা দেখিয়া উপহাস করিয়াছিল। হায়! কি দুর্ভাগ্য! পাণ্ডব, পাঞ্চাল ও যাদবেরা জীবিত থাকিতেও ধার্ত্তরাষ্ট্রেরা আমাকে দাসীভাবে উপভোগ করিতে অভিলাষী হইল। হে জনার্দ্দন! আমি ধর্ম্মতঃ ভীষ্ম ও ধৃতরাষ্ট্রের পুত্রবধূর হই, তথাচ তাহারা আমাকে বলপূর্ব্বক দাসী করিতে চাহিল। আমি মহাবল পাণ্ডুনন্দনদিগকে যথোচিত নিন্দা করি, কারণ, তাহারা স্বীয় যশস্বিনী সহধর্ম্মিণীকে দুঃসহ দুঃখভারাক্রান্ত দেখিয়াও অনায়াসে তূষ্ণীভূত হইয়া রহিলেন। হা! মহাবীর ভীমসেনের বাহুবলে ও অর্জ্জুনের গাণ্ডীবে ধিক! কারণ, তাহারা আমাকে তুচ্ছজনকর্ত্তৃক অপমানিত ও অভিভূত দেখিয়াও অক্লেশে উপেক্ষা করিলেন। এই সাধুজনাচরিত সনাতনধর্ম্ম পূর্ব্বাপর প্রচলিত হইয়া আসিতেছে যে, ভর্ত্তা ক্ষীণবল হইলেও ভাৰ্য্যাকে রক্ষা করিবে। ভাৰ্য্যা রক্ষিতা হইলে প্রজারক্ষা হয়, প্রজারক্ষা হইলে আত্মা রক্ষিত হইয়া থাকে। আত্মা ভার্য্যার উদরে জন্মপরিগ্রহ করে বলিয়া ভার্য্যা জায়া শব্দে অভিহিত হইয়া থাকে। কিন্তু ভাৰ্য্যাকর্ত্তৃক ভর্ত্তার রক্ষা কিরূপে সম্ভব হইতে পারে? হে মধুসূদন! পাণ্ডবেরা শরণাগত ব্যক্তিকে কদাচ পরিত্যাগ করেন না, কিন্তু আমি শরণাথিনী হইলেও ইঁহারা তৎকালে আমাকে আশ্রয় দেন নাই। যুধিষ্ঠির হইতে প্ৰতিবিন্ধ্য, বৃকোদর হইতে সুতসোম, অর্জ্জুন হইতে শ্রুতকীর্ত্তি, নকুল হইতে শতানীক ও কনিষ্ঠ সহদেব হইতে শ্রুতকর্ম্ম, এই পঞ্চপুত্ৰ পঞ্চপতির ঔরসে আমার গর্ভে জন্মগ্রহণ করিয়াছে, ইঁহাদের রক্ষণাবেক্ষণ করিবার নিমিত্ত আমাকে রক্ষা করা বিধেয়। হে কৃষ্ণ! প্ৰদ্যুম্নের ন্যায় আমার পুত্ৰগণও তোমার স্নেহভাজন। ইহারা ধনুর্ব্বেদবিশারদ ও সংগ্রামে শক্রগণের অজেয়, অতএব কি নিমিত্ত দুর্ব্বল দুরাত্মা ধার্ত্তরাষ্ট্রদিগের অত্যাচার সহ্য করিব? দুরাচার পামরেরা অধর্ম্মাচরণপূর্ব্বক সমস্ত রাজ্যপহরণ এবং পাণ্ডবদিগকে দাসস্থানে পরিগণিত করিয়াছে; আমি একবস্ত্রা ও রাজস্বলা ছিলাম, দূরাত্মা দুঃশাসন কেশাকর্ষণপূর্ব্বক আমাকেও সভামধ্যে আনিয়াছিল। হা! মহাবলপরাক্রান্ত আরাতিকুলকাল বৃকোদর ও অর্জ্জুন বর্ত্তমান থাকিতে ক্ষীণমতি হীনবল দুৰ্য্যোধন এখনও জীবিত রহিয়াছে! অতএব ভীমসেনের সেই অমিত বাহুবলে ও অর্জ্জুনের অসামান্য পুরুষকারে ধিক! পূর্ব্বে ঐ দুরাত্মা দুৰ্য্যোধন অধ্যয়নে বর্ত্তমান, ধৃতব্ৰত অপোগণ্ড পাণ্ডবগণকে মাতৃসমভিব্যাহারে রাজ্য হইতে নিষ্কাশিত করিয়াছিল। ঐ পাপাত্মা, ভীমসেনের অন্নে বহুপরিমাণে যে নবীন তীক্ষ্ন কালকূট প্ৰদান করিয়াছিল, তাহা স্মরণ করিলেও শরীর কণ্টকিত হইয়া উঠে! কিন্তু ভীমসেনের আয়ুঃশেষ [আয়ুষ্কালের অবশেষ—জীবিতকালের অবশিষ্ট ভাগ] আছে বলিয়া তাহা অক্লেশে জীর্ণ হইয়া গিয়াছে। বৃকোদার সাতিশয় বিশ্বস্তচিত্তে গঙ্গাতটে নিদ্রিত হইয়াছিলেন, ইত্যবসরে দুৰ্য্যোধন আসিয়া ইহার করাচরণ বন্ধনপূর্ব্বক স্রোতে নিক্ষিপ্ত করিয়া প্রত্যাগমন করিল; পরে ভীম সংজ্ঞালাভ করিয়া বন্ধনচ্ছেদনপূর্ব্বক উত্থিত হইয়াছিলেন। একদা মহাবিষ কালভূজঙ্গদ্বারা প্রসুপ্ত ভীমের সর্ব্বাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করাইয়াছিল, কিন্তু তাহাতেও শত্ৰুনাশন বৃকোদরের মৃত্যু হয় নাই; পরে জাগরিত হইয়া, সৰ্পগণকে বিনষ্ট ও দুৰ্য্যোধনের দায়িত সারথিকে বাম-হস্তদ্বারা সংহার করিলেন। ঐ নরাধম দুৰ্য্যোধন বারণাবত-নগরে জতুগৃহে জননী-সমভিব্যাহারে সুখপ্রসুপ্ত পাণ্ডবদিগকে দগ্ধ করিবার অভিলাষে অগ্নিপ্রদানের উদ্‌যোগ করিয়াছিল। হে কৃষ্ণ! কোন ব্যক্তি এইরূপ কুৎসিত কাৰ্য্যের অনুষ্ঠান করিতে পারে? জতুগৃহের হুতাশন প্রজ্বলিত হইবার পূর্ব্বে অতিদীনা, উপায়বিহীনা, আর্য্যা কুন্তী সাতিশয় ভীতা হইয়া রোদন করিতে করিতে এইরূপ বিলাপ ও পরিতাপ করিয়াছিলেন, ‘হা হতোস্মি! হায় কি হইল! আদ্য এই প্ৰদীপ্ত হুতাশন হইতে কিরূপে পরিত্ৰাণ পাইব? আমি অনাথা ও আশরণা, বুঝি, আজি সন্তানগণের সহিত ভস্মসাৎ হইতে হইল!” তখন ভীম-পরাক্রম ভীম ভ্রাতৃগণ ও জননীকে প্ৰবোধবাক্যে সাস্তুনা করিয়া কহিলেন, “হে মাতঃ! আপনাদিগের কিছুমাত্র শঙ্কা নাই, আমি পক্ষিরাজ গরুড়ের ন্যায় উৎপতিত হইতেছি।” এই বলিয়া জননীকে বাম কক্ষে, মহারাজ যুধিষ্ঠিরকে দক্ষিণ কক্ষে, নকুল ও সহদেবকে দুই স্কন্ধে এবং অর্জ্জুনকে পৃষ্ঠদেশে লইয়া সুড়ঙ্গপথে মহাবেগে বহির্গত হইয়াছিলেন। অনন্তর ইহারা সেই যামিনীযোগে জননীসমভিব্যাহারে নিকটবর্ত্তী হিড়িম্ববন-নামক মহারণ্যে প্রবেশ করিয়া পরিশ্রমসুলভ নিদ্রায় অভিভূত হইয়া ভূতলে শয়ন করিলেন। ইতিমধ্যে হিড়িম্বনামী এক রাক্ষসী তথায় আগমনপূর্ব্বক ইহাদিগকে মাতার সহিত ক্ষিতিতলে অধিশয়ান দেখিয়া মদনবাণে আহত ও নিতান্ত অধীর হইয়া উঠিল। সে ভীমসেনকে বরণ করিবার মানসে কোমল করপল্লবদ্বারা ইঁহার চরণদ্বয় উৎসঙ্গে লইয়া অতি প্ৰহোষ্টমনে সংবাহন করিতে লাগিল। সুপ্তোত্থিত ভীমসেন তাহাকে তদাবস্থ দেখিয়া “হে সুন্দরি! তুমি আমার নিকট কি অভিলাষ করিতেছ?” ইহা জিজ্ঞাসিলে সেই সর্ব্বাঙ্গসুন্দরী কামরূপিণী রাক্ষসী কহিল, “হে মহাভাগ! আমার মহাবল পরাক্রান্ত ভ্ৰাতা হিড়িম্ব এখনই তোমাদিগকে বিনাশ করিতে আসিবেন; অতএব অবিলম্বে এস্থান হইতে প্রস্থান কর।” তখন ভীমসেন সাতিশয় গর্ব্বপূর্ব্বক রাক্ষসীকে কহিলেন, “হে সুন্দরি! আমি তন্নিমিত্ত উদ্বিগ্ন বা শঙ্কিত হইব না; তোমার ভ্রাতা আসিলে আমি অবশ্যই তাহাকে সংহার করিব।”

    “তখন ভীমদৰ্শন রাক্ষসাধম হিড়িম্ব উভয়ের এইরূপ কথােপকথন শ্রবণ করিয়া মহানাদ পরিত্যাগপূর্ব্বক তথায় আগমন করিল এবং নিজ ভগিনী হিড়িম্বাকে সম্বোধন করিয়া কহিল, হিড়িম্বে! তুমি কাহার সহিত কথোপকথন করিতেছ, তাহাকে অবিলম্বে আমার নিকট আনয়ন কর, ভক্ষণ করিব।” দয়ার্দ্রহৃদয়া হিড়িম্বা অনুকম্পাপরবশ হইয়া তাহার কথায় কিছুই প্রত্যুত্তর প্রদান করিল না। তখন হিড়িম্ব নিশাচর ক্ৰোধাভরে ঘোরতর সিংহনাদ পরিত্যাগপূর্ব্বক মহাবেগে ভীমের অভিমুখে আগমন করিয়া, বলপূর্ব্বক তাহার করগ্রহণ ও অশনিসম সুদৃঢ় অপর করদ্বারা ইহাকে অতিশয় কঠিন আঘাত করিল। ভীমসেন প্রথমতঃ, রাক্ষস আসিয়া করগ্রহণ করিয়াছে, ইহা সহ্য করিতে না পারিয়া, রোষাভরে প্রদীপ্ত হইয়া উঠিলেন। যেমন বৃত্র ও বাসবের তুমুল যুদ্ধ হইয়াছিল, সেইরূপ ভীমও হিড়িম্বের সহিত তুমুল সংগ্রাম করিয়া পরিশেষে সেই বলশূন্য পুণ্যজনের [রাক্ষসের] প্ৰাণসংহার করিলেন।

    অনন্তর ভীম ঘটোৎকচজননী হিড়িম্বাকে লইয়া মাতা, ভ্রাতৃগণ ও ব্রাহ্মণসমূহ-সমভিব্যাহারে একচক্ৰাভিমুখে যাত্ৰা করিলেন। তৎকালে হিতানুধ্যান্যপরায়ণ ভগবান বাদরায়ণি মন্ত্রি হইয়া ইহাদিগের সমভিব্যাহারী হইয়াছিলেন। অনন্তর ঐ নগরীতে হিড়িম্বতুল্য মহাবলপরাক্রান্ত ভীষণাকার বক-নামক এক রাক্ষস পাণ্ডবদিগের সম্মুখীন হইলে ভীমসেন তাহাকে তৎক্ষণাৎ বিনাশ করিয়া ভ্ৰাতৃবর্গের সহিত দ্রুপদপুরে প্রবেশ করিলেন। হে জনার্দ্দন! যেরূপে তুমি ভীষ্মকাত্মজা রুক্সিণীকে প্রাপ্ত হইয়াছিলে, সেইরূপ সব্যসাচী অর্জ্জুনও বারণাবতনগরে বাসপূর্ব্বক স্বয়ংবরসময়ে নিতান্ত দুষ্কর কর্ম্মসকল সম্পাদন ও অভ্যাগত ভূপালবর্গের সহিত ঘোরতর সংগ্ৰাম করিয়া আমাকে লাভ করিয়াছেন। হে মধুসূদন! আমি এইরূপ বহুতর ক্লেশপরম্পরাদ্বারা ক্লিশ্যমানা ও অতি দুঃখিত হইয়া কুন্তী দেবীকে পরিত্যাগপূর্ব্বক এক্ষণে পুরোহিত ধৌম্য মহাশয়ের সহিত কালাতিপাত করিতেছি। আমি হীনজনকর্ত্তৃক অবমানিত ও বহুবিধ দুঃখপ্রাপ্ত হইয়াছি, তথাচ সিংহবৎ বলবিক্রমশালী মহাবীর পাণ্ডবেরা আমাকে কি নিমিত্ত উপেক্ষা করিতেছেন, বলিতে পারি না। হে কৃষ্ণ! আমি এই সমস্ত দুঃসহ দুঃখ সহ্য করিয়া দুর্ব্বল পাপাত্মা ধার্ত্তরাষ্ট্রদিগের প্রতি অতি দীর্ঘকাল রোষাবিষ্ট হইয়াছি। দেখ, প্রখ্যাত মহাদ্‌বংশে আমার জন্ম। আমি দিব্য বিধানানুসারে পাণ্ডবদিগের সহধর্ম্মিণী ও মহাত্মা পাণ্ডুর পুত্রবধু হইয়াছি, তথাচ পঞ্চপাণ্ডবদিগের সমক্ষে দুষ্ট দুঃশাসন আমার কেশাকর্ষণ করিল।”

    মৃদুমধুরভাষিণী দ্রৌপদী এইরূপ অনুতাপসূচক বাক্যপ্রয়োগ করিয়া কমলকোষতুল্য কোমল করতলদ্বারা মুখমণ্ডল আচ্ছাদনপূর্ব্বক রোদন করিতে লাগিলেন। তাঁহার নয়নবিগলিত অজস্র অশ্রুবিন্দু দ্বারা সুজাত পীনস্তনযুগল অভিষিক্ত হইতে লাগিল। অনন্তর নয়নজল উন্মোচন করিয়া বারংবার দীর্ঘনিঃশ্বাস পরিত্যাগপূর্ব্বক ক্ৰোধাভরে বাষ্পপূর্ণ-কণ্ঠে কহিতে লাগিলেন, “হে কৃপাময়! এক্ষণে বোধ হইতেছে, আমি পতিপুত্ৰ-বিহীনা; আমার বন্ধু নাই, ভ্রাতা নাই, পিতা নাই ও তুমিও আমার পক্ষে নাই। তোমরা সকলে তৎকালে আমাকে পরাভূত দেখিয়াও যে বিশোকের ন্যায় অনায়াসে উপেক্ষা করিয়াছিলে ও কর্ণ যে আমাকে দেখিয়া উপহাস করিয়াছিল, সেই সকল দুঃখ আমার হৃদয়মন্দিরে অদ্যাপি জাগরূক্‌ রহিয়াছে। হে কৃষ্ণ! তুমিই কেবল সম্বন্ধ, গৌরব, সখ্যভাব ও প্রভুত্ব এই কারণ-চতুষ্টয় দ্বারা প্রতিদিন আমাকে রক্ষা করিয়া আসিতেছ।”

    দুঃখিতা দ্ৰৌপদীর প্রতি কৃষ্ণের সান্ত্বনা

    তখন শ্ৰীকৃষ্ণ সেই বীরসমবায়মধ্যে কৃষ্ণকে সম্বোধন করিয়া কহিলেন, “হে ভাবিনি! তুমি যাহাদিগের উপর রোষপরবশ হইয়াছ, তাহাদিগের পত্নীগণ স্ব স্ব বল্লভদিগকে অর্জ্জুনশরসংবিদ্ধ, শোণিতপরিপ্লুত ও ধরাতলে পতিত দেখিয়া এইরূপ নিরন্তর নয়নজল বিসর্জ্জন করিবে। আমি ক্ষমতানুসারে পাণ্ডবদিগের উদ্দেশ্যসংসাধন করিতে কদাচ ত্রুটি করিব না; এক্ষণে আর শোক করা কোনক্রমেই বিধেয় নহে। আমি সত্য করিয়া কহিতেছি, তুমি রাজমহিষী হইবে, তাহাতে সন্দেহ নাই। হে কৃষ্ণে! আকাশ পতিত, হিমাচল বিশীর্ণ, সমুদ্র শুষ্ক ও ভূমণ্ডল খণ্ড খণ্ড হইলেও আমার এই বাক্য কদাচ ব্যর্থ হইবে না।”

    পাঞ্চালী কৃষ্ণের এইরূপ প্রত্যুত্তর কর্ণগোচর করিয়া সাচীকৃত [ভ্রূভঙ্গীকৃত] মুখে অর্জ্জুনের প্রতি কটাক্ষ-বিক্ষেপ করিলে, অর্জ্জুন তাহাকে সম্বোধন করিয়া কহিতে লাগিলেন, “প্রিয়ে! এক্ষণে আর রোদন করিও না। কৃষ্ণ যাহা কহিলেন, ইহার কদাচ অন্যথা হইবে না।” অনন্তর ধৃষ্টদ্যুম্ন কহিলেন, “হে ভগিনি! আমি দ্রোণকে বিনাশ করিব; শিখন্তী ভীষ্মকে, ভীমসেন দুৰ্য্যোধনকে ও ধনঞ্জয় কৰ্ণকে সংহার করিবেন, তাহাতে সন্দেহ নাই। ধার্ত্তরাষ্ট্রদিগের কথা দূরে থাকুক, আমরা রামকৃষ্ণকে অবলম্বন করিয়া রণস্থলে দণ্ডায়মান হইলে দেবরাজ ইন্দ্রেরও জয় করিবার সম্ভাবনা থাকে না।” ধৃষ্টদ্যুম্ন এই কথা কহিয়া প্রতিনিবৃত্ত হইলে অন্যান্য বীরগণ কৃষ্ণের প্রতি দৃষ্টিপাত করিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172 173 174 175 176 177 178 179 180 181 182 183 184 185 186 187 188 189 190 191 192 193 194 195 196 197 198 199 200 201 202 203 204 205 206 207 208 209 210 211 212 213 214 215 216 217 218 219 220 221 222 223 224 225 226 227 228 229 230 231 232 233 234 235 236 237 238 239 240 241 242 243 244 245 246 247 248 249 250 251 252 253 254 255 256 257 258 259 260 261 262 263 264 265 266 267 268 269 270 271 272 273 274 275 276 277 278 279 280 281 282 283 284 285 286 287 288 289 290 291 292 293 294 295 296 297 298 299 300 301
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগীতা – কালীপ্রসন্ন সিংহ
    Next Article শেষ উপহার – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কালীপ্রসন্ন সিংহ

    গীতা – কালীপ্রসন্ন সিংহ

    July 28, 2025
    কালীপ্রসন্ন সিংহ

    হুতোমপ্যাঁচার নক্সা – কালীপ্রসন্ন সিংহ

    July 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }