Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারত (কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত)

    কালীপ্রসন্ন সিংহ এক পাতা গল্প884 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩৩. স্বমতপোষকবাক্যশ্রবণে ভীমের উত্তেজনা

    ৩৩তম অধ্যায়

    স্বমতপোষকবাক্যশ্রবণে ভীমের উত্তেজনা

    বৈশম্পায়ন কহিলেন, ক্রোধনস্বভাব ভীমসেন যাজ্ঞসেনীর বাক্যশ্রবণে পূর্ব্বাপেক্ষা অধিকতর ক্রুদ্ধ হইয়া দীর্ঘনিঃশ্বাস পরিত্যাগপূর্ব্বক ধর্ম্মরাজ যুধিষ্ঠিরকে কহিতে লাগিলেন, “হে রাজন! ধর্ম্মনিপেত সৎপুরুষোচিত রাজ্যলাভপদবী অবলম্বন করুন। দেখুন, ধর্ম্মার্থক্যামবিহীন হইয়া আমাদের তপোবনে বাস করিবার আবশ্যকতা কি? দুরাত্মা দুৰ্য্যোধন ধর্ম্ম, আর্জ্জব বা তেজঃপ্রভাবে আমাদের রাজ্যগ্ৰহণ করে নাই; কেবল কপট দ্যূতক্ৰীড়া করিয়া উহা অপহরণ করিয়াছে। গোমায়ু যেমন সিংহের আমিষ গ্রহণ করে ও দুর্ব্বল কুকুর যেমন বলবানদিগের আমিষ অপহরণ করে, তদ্রূপ আমাদের রাজ্য সেই দুৰ্য্যোধনকর্ত্তৃক অপহৃত হইয়াছে। হে মহারাজ! আপনি কি নিমিত্ত অল্পমাত্র ধর্ম্মরক্ষানুরোধে ধর্ম্মকামের উৎপাদক রাজ্যরূপ অর্থ পরিত্যাগ করিয়া দারুণ দুঃখসাগরে নিমগ্ন হইতেছেন? গাণ্ডীবধন্বা অর্জ্জুন আমাদের রাজ্য রক্ষা করিত, ইন্দ্রও বলপূর্ব্বক উহা অপহরণ করিতে পারেন নাই; কেবল অনাবধানতাপ্রযুক্তই উহা আমাদিগের সমক্ষে বিপক্ষকর্ত্তৃক অপহৃত হইয়াছে। যেমন কুণি [বিকলহস্ত—যাহার হস্তের ক্রিয়া অচল] ব্যক্তিদিগের নিকট হইতে বিল্ব ও পঙ্গুদিগের নিকট হইতে ধেনুসকল অপহৃত হয়, তদ্রূপ আপনার নিমিত্তই আমাদের রাজ্য অপহৃত হইয়াছে। হে মহারাজ! আপনি ধর্ম্মাভিলাষী, আপনার প্রিয়সাধনের নিমিত্তই আমরা ঈদৃশ ব্যসনাপন্ন হইয়াছি। আমরা আপনার সমপথানুগত বচনানুসারে আত্মসংযম করিয়া কেবল মিত্ৰগণের দুঃখ ও শত্রুদিগের আনন্দবৃদ্ধি করিতেছি। হে রাজন! আমরা আপনার সমপথাবলম্বী বচনানুসারে তৎকালে ধৃতরাষ্ট্রতনয়গণকে বিনাশ করি নাই, সেই মর্ম্মচ্ছেদী কর্ম্ম স্মরণ করিয়া যৎপরোনাস্তি অনুতাপিত হইতেছি। হে মহারাজ! এক্ষণে এই দুর্ব্বলজনাচরিত বলবানদিগের নিতান্ত অপ্রিয় মৃগচৰ্য্যারূপ বনবাসে অশেষ ক্লেশ অনুভব করুন। কি কৃষ্ণ, কি অর্জ্জুন, কি অভিমন্যু, কি সৃঞ্জয়গণ, কি আমি, কি মাদ্রীসূতদ্বয়, কেহই আপনার এই অবস্থার অভিনন্দন করিবে না। আপনি কি ধর্ম্মরক্ষানুরোধে সতত ব্ৰত্যকর্শিত হইয়া বৈরাগ্যপন্থাবলম্বনপূর্ব্বক নিতান্ত পৌরুষশূন্য মনুষ্যের ন্যায় কালব্যাপন করিবেন! হে পাণ্ডবরাজ! যেসকল কাপুরুষ আপনাদিগের বংশলক্ষ্মীর প্রত্যুদ্ধরণে অসমৰ্থ, তাহারাই নিতান্ত নিষ্ফল ও স্বার্থবাতক বৈরাগ্যকে প্রিয় জ্ঞান করে; কিন্তু আপনি জ্ঞানবান, কাৰ্য্যসাধনে সমর্থ ও আমাদিগের পুরুষাকারাভিজ্ঞ হইয়াও কেবল অনৃশংসতানুরোধে এই অনার্থের প্রতি দৃষ্টিপাত করিতেছেন না। দেখুন, আমরা বৈরানিৰ্য্যাতনে সমর্থ হইয়াও ক্ষমাপথ অবলম্বন করাতে ধার্ত্তরাষ্ট্রগণ আমাদিগকে নিতান্ত অশক্ত জ্ঞান করিতেছে, ইহা অপেক্ষা আমাদিগের সংগ্রামে প্ৰাণত্যাগ করাও দুঃখাবহ নহে। যদি ধর্ম্মযুদ্ধে আমরা সকলেই নিহত হই, তাহাও শ্ৰেয়ঃ, কারণ, তাহা হইলে পরকালে সম্পত্তিলাভ হইবে, কিংবা যদি আমরা ধার্ত্তরাষ্ট্রগণকে সংগ্রামে নিহত করিয়া সমস্ত পৃথিবী ভোগ করিতে পারি, তাহাও আমাদের পক্ষে শ্রেয়স্কর। স্বধর্ম্মানুষ্ঠান, বিপুল কীর্ত্তিলাভ ও বৈরানিৰ্য্যাতনের নিমিত্ত আমাদের সংগ্রামে প্রবৃত্ত হওয়া সর্ব্বতোভাবে বিধেয়। আমরা কর্ত্তব্যবিষয় বিবেচনা করিয়া আপনাদিগের নিমিত্ত যুদ্ধে প্রবৃত্ত হইলে যদি শত্ৰুগণ আমাদিগকে পরাজয় করিয়া রাজ্যলাভ করে, তাহাও আমাদের প্রশংসার বিষয়; উহাতে কিছুমাত্র নিন্দা নাই। যে ধর্ম্মদ্বারা মিত্ৰগণের বা আপনার কষ্ট হয়, তাহাকে ব্যাসন কহে। উহাই কুধর্ম্ম, কখনই ধর্ম্ম নহে। যেমন সুখ ও দুঃখ মৃতব্যক্তিকে ত্যাগ করে, তদ্রূপ ধর্ম্ম ও অর্থ সতত ধর্ম্মচিন্তানিরত পুরুষকে পরিত্যাগ করিয়া থাকে। যে ব্যক্তি কেবল ধর্ম্মের নিমিত্তই ধর্ম্মোপার্জ্জন করে, সে অশেষ ক্লেশভোগী হয়; যেমন অন্ধ ব্যক্তি সূৰ্য্যের প্রভা জানিতে পারে না, তদ্রূপ সেই অপণ্ডিত ব্যক্তি ধর্ম্মোপার্জ্জনের প্রয়োজন বুঝিতে অসমর্থ হয়। যে ব্যক্তির অর্থ কেবল আত্মভোগেই পৰ্য্যবসিত হয়, সে অর্থোপার্জ্জনের আবশ্যকতা জানিতে পারে না। যেমন রক্ষকগণ অরণ্যে গোরক্ষণ করে, তদ্রূপ ঐ পামর কেবল অর্থরক্ষা করিয়াই জীবনযাপন করে। যে ব্যক্তি ধর্ম্ম ও কাম পরিত্যাগ করিয়া কেবল অর্থোপার্জ্জনে নিরন্তর রত থাকে, সেই দুরাত্মা ব্ৰহ্মহার ন্যায় সর্ব্বভূতের বধ্য। আর যে ব্যক্তি ধর্ম্ম ও অর্থ পরিত্যাগপূর্ব্বক কেবল কামার্থী হইয়া কালব্যাপন করে, তাহার মিত্ৰনাশ ও সে ধর্ম্মার্থবিহীন হইয়া থাকে।

    “যেমন মৎস্যকুল বারি শুষ্ক হইলে কালগ্রাসে পতিত হয়, তদ্রূপ সেই ধর্ম্মার্থবিহীন দুরাত্মা স্বেচ্ছানুসারে বিহার করিয়া পরিশেষে কামাবসানে নিধন প্ৰাপ্ত হয়। এই নিমিত্ত পণ্ডিতগণ ধর্ম্মার্থসংগ্রহে। কখনই প্ৰমত্ত হয়েন না। যেমন অরণি পাবকোৎপাদনের হেতু, তদ্রূপ ধর্ম্ম ও অর্থ কামের প্রসূতি। ধর্ম্ম অর্থের মূল, অর্থও ধর্ম্মোৎপাদনের হেতু; যেমন মেঘ ও সমুদ্র পরস্পর পুষ্টিসাধন করিয়া থাকে, তদ্রূপ ধর্ম্ম ও অর্থ পরস্পর পোষকতা করে। স্রক্‌চন্দনাদি-রূপ দ্রব্যস্পর্শ বা স্বর্ণাদিরূপ অর্থলাভ হইলে মনুষ্যের যে প্রীতি জন্মে, তাহারই নাম কাম। কাম মনুষ্যের চিত্তে সমুদিত হয়, উহার শরীর নাই। বিপুল ধর্ম্মোপার্জ্জন দ্বারা অর্থার্থী ব্যক্তির অর্থলাভ হয়; অর্থ হইতে কামার্থীর কমলাভ হয়, কিন্তু কাম হইতে অন্য কোন ফললাভের সম্ভাবনা নাই। যেমন কাষ্ঠসমুৎপন্ন ভস্ম হইতে ভস্মান্তরলাভের সম্ভাবনা থাকে না, তদ্রূপ কাম হইতে কামান্তরলাভ হয় না; কামই প্রীতিসমুৎপাদক ফল। যেমন বৈতংসিক [ব্যাধ—জালদ্বারা পক্ষী প্রভৃতির সংগ্ৰহকারী] বিহঙ্গমগণের প্রাণসংহার করে, তদ্রূপ অধর্ম্ম সর্ব্বভূতের হিংসা করিয়া থাকে। যে ব্যক্তি কাম ও লোভের পরতন্ত্র হইয়া ধর্ম্মের স্বরূপ পরিজ্ঞানে পরাঙ্মুখ হয়, সেই দুরাত্মা ইহকালে ও পরকালে সর্ব্বভূতের বধ্য হয়।

    “হে রাজন! স্পষ্টই বোধ হইতেছে যে—শ্ৰী, ধন, গো, হস্তী, অশ্ব প্রভৃতি দ্রব্যজাত হইতেই কাম সমুৎপন্ন হয়, আপনি ইহা সবিশেষ অবগত আছেন, এবং দ্রব্যের প্রকৃতি ও ভূয়সী বিকৃতিও উত্তমরূপে জানেন। জরা বা মরণদ্বারা ঐ সমুদয় দ্রব্যের অদর্শন বা বিয়োগকে অনর্থ বলা যায়; সেই মহান অনর্থ এক্ষণে আমাদিগের সমুপস্থিত হইয়াছে, অতএব অনৰ্থ নিবারণ করা সর্ব্বতোভাবে বিধেয়।

    “হে মহারাজ! পঞ্চ ইন্দ্ৰিয়, মন ও হৃদয় স্ব স্ব বিষয়ে বর্ত্তমান থাকিয়া যে প্রীতি উপভোগ করে, তাহারই নাম কাম; উহাই ধর্ম্মের এক উৎকৃষ্ট ফল। মনুষ্য এইরূপে ধর্ম্ম, অর্থ ও কাম এই তিনের উপর পৃথক পৃথক রূপে দৃষ্টিপাতপূর্ব্বক কেবল ধর্ম্মপর বা কেবল কামপর হইবে না; সতত সমভাবে এই ত্রিবর্গের অনুশীলন করিবে। শাস্ত্ৰে কথিত আছে যে, পূর্ব্বাহ্নে ধর্ম্মানুষ্ঠান, মধ্যাহ্নে অর্থচিন্তা ও অপরাহ্নে কামানুশীলন করিবে। অতএব হে রাজন! উক্তরূপে কালবিভাগ করিয়া যথাসময়ে ধর্ম্ম, অর্থ ও কাম ত্ৰিবৰ্গেরই সেবা করা পণ্ডিতগণের অবশ্য কর্ত্তব্য। যে ব্যক্তি মহোদয়জনিত সুখ-সম্ভোগ করিয়া মোক্ষোপায়জ্ঞান অবলম্বনপূর্ব্বক সুখাভিলাষী হয়, তাহার পক্ষে মোক্ষই শ্ৰেয়ঃ। আপনি মোক্ষোপার্জ্জন বা মহোদয়লাভের জন্য সাতিশয় যত্ন করেন। কিন্তু সেই শ্রেয়স্কর মোক্ষ গৃহস্থাশ্রমবাসীর পক্ষে আতুর ব্যক্তির জীবনের ন্যায় নিরন্তর দুঃখদায়ক হইয়া উঠে। আপনি ধর্ম্মের মর্ম্ম অবগত আছেন এবং সতত ধর্ম্মানুষ্ঠানও করিয়া থাকেন, ইহা জানিয়া আপনার সুহৃদগণ আপনাকে কর্ম্ম করিতে প্রবৃত্তিপ্রদান করিতেছেন। দান, যজ্ঞ, সাধুগণের পূজা, বেদাধ্যয়ন ও আর্জ্জব—এই কয়েকটি প্রধান ধর্ম্ম; ইহাই ইহকালে ও পরকালে বলবান থাকে। কিন্তু অর্থবিহীন ব্যক্তি অন্যান্য সমুদয় গুণে গুণবান হইলেও ধর্ম্মের অনুষ্ঠান করিতে পারে না। ধর্ম্মই এই জগতের মূল; ধর্ম্মাপেক্ষা কিছুই উৎকৃষ্ট নহে। বিপুল অর্থ থাকিলেই ধর্ম্মানুষ্ঠান করিতে পারা যায়; কিন্তু সেই অর্থভৈক্ষচৰ্য্যা বা কাতরতা অবলম্বনদ্বারা লাভ করিতে পারা যায় না; উহা কেবল ধর্ম্মাচরণ করিলেই প্রাপ্ত হওয়া যায়। হে পুরুষপ্রধান! যজ্ঞদ্বারা অর্থসংগ্ৰহ করা আপনার পক্ষে প্রতিষিদ্ধ; ভিক্ষাবৃত্তি কেবল ব্ৰাহ্মণেরই নিৰ্দ্ধারিত আছে; অতএব আপনি তেজোদ্বারা অর্থলাভ করিতে চেষ্টা করুন। ক্ষত্ৰিয়ের ভৈক্ষচৰ্য্যা বা বৈশ্য ও শূদ্রের ন্যায় কোন প্রকার জীবিকা নিৰ্দ্ধারিত নাই; কেবল স্বকীয় বলই তাহাদিগের প্রধান ধর্ম্ম। অতএব হে মহারাজ! আপনি স্বধর্ম্ম অবলম্বনপূর্ব্বক সমাগত শত্ৰুগণকে সংহার করিয়া আমার ও অর্জ্জুনের সহায়তায় ধার্ত্তরাষ্ট্রগণের সৈন্যসকল নাশ করুন।

    “বিদ্বানেরা প্ৰভুত্বকেই ধর্ম্ম কহেন; অতএব আপনি প্রভুত্বলাভে যত্ন করুন; অনীশ্বর হইয়া থাকা উচিত নহে। হে রাজেন্দ্ৰ! যে হিংসা দ্বারা লোকসকল ভীত ও উদ্বিগ্ন হয়, আপনি সেই হিংসাপ্রধান ক্ষত্ৰিয়কুলে সমুৎপন্ন হইয়াছেন। অতএব সাবধান হইয়া কুলোচিত সনাতনধর্ম্ম প্রতিপালন করুন। প্ৰজাপালন দ্বারা নানাবিধ ফললাভ করা আপনার পক্ষে নিন্দনীয় নহে; কারণ, উহা ক্ষত্ৰিয়ের কুলক্ৰমাগত নিত্যধর্ম্ম। যদি আপনি প্ৰজাপালনে পরাঙ্মুখ হয়েন, তাহা হইলে জনসমাজে হাস্যাস্পদ হইবেন, যেহেতু, মনুষ্য স্বধর্ম্ম হইতে বিচলিত হইলে কখনই প্ৰশংসাভাজন হইতে পারে না; তিন্নিমিত্ত আপনি মনের শৈথিল্য পরিত্যাগ করিয়া ক্ষাত্রতেজ অবলম্বনপূর্ব্বক ধুরন্ধরের ন্যায় ভূভার বহন করুন। কোন রাজা কোনকালেই কেবল ধর্ম্মাবলম্বনপূর্ব্বক পৃথিবী বা অসীম ঐশ্বৰ্য্যলাভ করিতে পারেন নাই। যেমন ব্যাধ ভক্ষ্যরূপ-প্রলোভন প্রদর্শনপূর্ব্বক মৃগগণের প্রাণসংহার করিয়া আপনার আহার লাভ করে, তদ্রূপ বুদ্ধিমান ব্যক্তি শত্রুপক্ষীয় লুব্ধচেতাঃ ক্ষুদ্রাশয় জনগণকে উৎকোচ প্ৰদানপূর্ব্বক ভেদোৎপাদন করিয়া অনায়াসেই রাজ্যপ্রাপ্ত হয়েন। অসুরগণ দেবতাদিগের অগ্রজ ভ্রাতা ও সমৃদ্ধিসম্পন্ন ; তথাপি দেবগণ কৌশল করিয়া অনায়াসে তাহাদিগকে পরাজয় করিয়াছিলেন। হে মহাবাহো! এইরূপে বলবান ব্যক্তির নিকটে সকলই সুসাধ্য, ইহা বিবেচনা করিয়া আপনি কৌশলে শক্রগণের প্রাণসংহার করুন। এই ভূমণ্ডলে অর্জ্জুনের সমান ধনুৰ্দ্ধর ও আমার তুল্য গদাযুদ্ধবিশারদ কেহই নাই। বলবান ব্যক্তি পুরুষসঙ্ঘ বা শত্রুপক্ষীয়দের কোন প্রকার অনুসন্ধানদ্বারা যুদ্ধ করে না, কেবল বলপূর্ব্বকই সংগ্রাম করিয়া থাকে; অতএব হে মহারাজ! আপনি বল প্রকাশ করুন। বলই অর্থের মূল; বল ভিন্ন আর সমুদয়ই হেমন্তকালীন বৃক্ষচ্ছায়ার ন্যায় কোন প্রকার উপকারজনক হয় না। যেমন কৃষক অধিক শস্যলাভাকাঙক্ষায় অল্প বীজ বপন করে, তদ্রূপ অর্থাভিলাষী ব্যক্তির সমধিক অর্থলাভের নিমিত্ত অল্প অর্থ পরিত্যাগ করাও কর্ত্তব্য। কিন্তু যেখানে অৰ্থত্যাগ করিলে তাহার সমান বা তদপেক্ষা অধিকতর লাভের সম্ভাবনা নাই, সে স্থানে প্রতিজ্ঞাপূর্ব্বক অর্থ পরিত্যাগ করা বিধেয় নহে; যেহেতু, উহা কেবল খরকণ্ডুয়নের [অত্যন্ত চুলকনা] ন্যায় পরিণামে দুঃখজনক হইয়া উঠে।

    “হে পাণ্ডবশ্রেষ্ঠ! এই প্রকার যদি অল্পধর্ম্ম পরিত্যাগ করিলে অধিকতর ধর্ম্মলাভ হয়, তাহা অবশ্য কর্ত্তব্য। পণ্ডিত ব্যক্তিরা মিত্রবলসম্পন্ন অমিত্রের মিত্র-ভেদ করিয়া থাকেন, কারণ, মিত্ৰগণ ভিন্ন হইয়া পরিত্যাগ করিলে যুবা ব্যক্তিও অবশ হয়। হে রাজন! বলবান ব্যক্তি বলপূর্ব্বক যুদ্ধ করিয়াই প্ৰজাগণকে বশীভূত করে; সে কখন উহাদিগকে নিগ্ৰহ বা প্রিয়সম্ভাষণদ্বারা বশীভূত করে না। যেমন বহুসংখ্যক মধুমক্ষিকা একত্ৰ হইয়া মধুগ্রাহীর প্রাণসংহার করে, তদ্রূপ অনেক দুর্ব্বল ব্যক্তি সমবেত হইলে বলবান শক্রকে শমনসদনে গমন করিতে হয়। যেমন সূৰ্য্য স্বীয় কিরণদ্বারা পৃথিবীর রস শোষণ করিয়া প্ৰজাগণকে পালন করেন, তদ্রূপ আপনি যুদ্ধে শত্রুগণকে বশীভূত করিয়া প্রতিপালন করুন। হে মহারাজ! আমরা শ্রবণ করিয়াছি যে, আমাদের পূর্ব্বপুরুষের ন্যায় যথানিয়মে প্রজাপালন করিলে অনাদি স্বকীয় ধর্ম্মের অনুষ্ঠান করা হয়। ক্ষত্ৰিয়েরা যুদ্ধে শত্ৰুগণকে পরাজয় করিয়া বা তাহাদের নিকট পরাভূত হইয়া যেমন সদগতিলাভ করে, তপানুষ্ঠানদ্বারা কদাচি তাদৃশ গতি প্রাপ্ত হইতে পারে না। লোক আপনার এই দুর্দ্দশা দেখিয়া নিশ্চয় করিয়াছে যে, সূৰ্য্য হইতে প্রভা ও চন্দ্ৰমা হইতে শোভা অপগত হইলে, আর থাকে না। হে মহারাজ! এক্ষণে যাবতীয় সভামধ্যে কেবল আপনার প্রশংসা ও বিপক্ষগণের নিন্দারই আলোচনা হইতেছে। আপনি মোহ, কার্পণ্য, লোভ, ভয়, কাম বা অর্থের জন্য কদাচ মিথ্যাকথা প্রয়োগ করেন নাই; এই নিমিত্তই সমস্ত ব্ৰাহ্মণ ও কুরুগণ একত্ৰ হইয়া হৃষ্টচিত্তে সতত আপনারই সত্যপরায়ণতার আন্দোলন করিয়া থাকেন। রাজ্যলাভ করিবার নিমিত্ত রাজার যে অণুমাত্র পাপ সমুৎপন্ন হয়, তিনি পশ্চাৎ বিপুলদক্ষিণ যজ্ঞানুষ্ঠানদ্বারা তাহার অপনোদন করেন। লোকে ব্ৰাহ্মণগণকে বহুসংখ্যক গ্রাম ও সহস্ৰ সহস্ৰ গো দান করিয়া রাহুবিনির্ম্মুক্ত চন্দ্ৰমার ন্যায় পাপসমূহ হইতে মুক্ত হইয়া থাকে। হে কুরুনন্দন! সমস্ত পৌর এবং জনপদবাসী লোকেরা বৃদ্ধ ও বালকগণ-সমভিব্যাহারে আপনারই প্রশংসা করিতেছেন। কুক্কুরমুখে ক্ষীর, শূদ্ৰমুখে বেদ, চৌরে সত্য ও নারীতে বলসংযুক্ত হইলে যেরূপ ঘৃণাকর ও দুঃখদায়ক হয়, দুরাত্মা দুৰ্য্যোধনে রাজ্যভার অর্পিত হইয়া তদ্রূপ হইয়াছে। হে মহারাজ! আবালবৃদ্ধবনিতা সকলেই সতত এই কথার আন্দোলন করিতেছে। হায়! আপনি আপন বুদ্ধিতে রাজ্যভ্রষ্ট হইয়া আমাদের সহিত এই দুরবস্থাগ্রস্ত হওয়াতে আমরা সকলেই এককালে বিনষ্ট হইলাম। হে মহারাজ! এক্ষণে আপনি দ্বিজশ্রেষ্ঠদিগের আশীর্ব্বাদ গ্রহণপূর্ব্বক তাহাদিগকে ধনপ্রদান করিবার নিমিত্ত সত্বর সর্বোপকরণসম্পন্ন শীঘ্রগামী স্যন্দনে আরোহণ করুন ও অস্ত্রবিদ্যাবিশারদ মহাধনুৰ্দ্ধর মহাবলপরাক্রম ভ্রাতৃবর্গে পরিবৃত হইয়া অদ্যই হস্তিনানগরে গমন করিতে প্ৰবৃত্ত হউন। যেমন দেবরাজ ইন্দ্র সুরগণ-সমভিব্যাহারে অসুরগণকে সংহার করিয়া স্বৰ্গরাজ্যগ্রহণ করিয়াছিলেন, তদ্রূপ অরাতিকুল সমূলে নির্মূল করিয়া দুরাত্মা দুৰ্য্যোধন হইতে রাজ্যগ্রহণ করুন। হে রাজন! এই ভূমণ্ডলে কোন ব্যক্তিই গাণ্ডীবনিমুক্ত আশীবিষসদৃশ বিচিত্ৰপুঙ্খ অর্জ্জুনের শরসমূহ সহ্য করিতে পারে না। আমি যুদ্ধে ক্রুদ্ধ হইয়া গদাঘূর্ণনা করিলে তাহার বেগ সহ্য করিতে পারে, এমন কোন বীর কি মাতঙ্গ বা অশ্ব এই জগতীতলে অদ্যাপি জন্মগ্রহণ করে নাই। হে মহারাজ! আমরা সৃঞ্জয়গণ, কেকয়বংশীয়গণ ও বৃষ্ণিবংশাবতংস কৃষ্ণের সহিত মিলিত হইয়া ও বহুসংখ্যক সৈন্যসামন্ত-সমভিব্যাহারে দৃঢ়তর যত্নসহকারে সংগ্রামে প্রবৃত্ত হইলে কি নিমিত্ত শত্রুহস্তগত রাজ্যের প্রত্যুদ্ধরণে অক্ষম হইব?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172 173 174 175 176 177 178 179 180 181 182 183 184 185 186 187 188 189 190 191 192 193 194 195 196 197 198 199 200 201 202 203 204 205 206 207 208 209 210 211 212 213 214 215 216 217 218 219 220 221 222 223 224 225 226 227 228 229 230 231 232 233 234 235 236 237 238 239 240 241 242 243 244 245 246 247 248 249 250 251 252 253 254 255 256 257 258 259 260 261 262 263 264 265 266 267 268 269 270 271 272 273 274 275 276 277 278 279 280 281 282 283 284 285 286 287 288 289 290 291 292 293 294 295 296 297 298 299 300 301
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগীতা – কালীপ্রসন্ন সিংহ
    Next Article শেষ উপহার – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কালীপ্রসন্ন সিংহ

    গীতা – কালীপ্রসন্ন সিংহ

    July 28, 2025
    কালীপ্রসন্ন সিংহ

    হুতোমপ্যাঁচার নক্সা – কালীপ্রসন্ন সিংহ

    July 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }