Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারত (কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত)

    কালীপ্রসন্ন সিংহ এক পাতা গল্প884 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২৮. কৃষ্ণকর্ত্তৃক যুধিষ্ঠিরের কর্ত্তব্যের ইঙ্গিত

    ২৮তম অধ্যায়

    কৃষ্ণকর্ত্তৃক যুধিষ্ঠিরের কর্ত্তব্যের ইঙ্গিত

    বাসুদেব কহিলেন, “হে সঞ্জয়! আমি নিরন্তর পাণ্ডবগণের অবিনাশ সমৃদ্ধি ও হিত সপুত্র রাজা ধৃতরাষ্ট্রের অভ্যুদয় বাসনা করিয়া থাকি। কৌরব ও পাণ্ডবদিগের পরস্পর সন্ধিসংস্থাপন হয়, ইহা আমার অভিপ্রেত, আমি উহাদিগকে ইহা ব্যতীত আর কোন পরামর্শ প্ৰদান করি না। অন্যান্য পাণ্ডবগণসমক্ষে রাজা যুধিষ্ঠিরের মুখেও অনেকবার সন্ধিসংস্থাপনের কথা শুনিয়াছি, কিন্তু মহারাজ ধৃতরাষ্ট্র ও তাঁহার পুত্ৰগণ সাতিশয় অর্থলোভী; পাণ্ডবগণের সহিত তাঁহার সন্ধিসংস্থাপন হওয়া নিতান্ত দুষ্কর; সুতরাং বিবাদ যে ক্রমশঃ পরিবৰ্দ্ধিত হইবে, তাহার আশ্চৰ্য্য কি? হে সঞ্জয়! ধৰ্মরাজ যুধিষ্ঠির ও আমি কদাচ ধর্ম্ম হইতে বিচলিত হই নাই, ইহা জানিয়া শুনিয়াও তুমি কি নিমিত্ত স্বকৰ্মসাধনোদ্যত, উৎসাহসম্পন্ন, স্বজনপরিপালক, রাজা যুধিষ্ঠিরকে অধাৰ্মিক বলিয়া নির্দ্দেশ করিলে?

    “শুচি ও কুটুম্বাপরিপালক হইয়া বেদাধ্যয়নপূর্ব্বক জীবনযাপন করিবে, এইরূপ শাস্ত্ৰনির্দ্দিষ্ট বিধি বিদ্যমান থাকিলেও ব্রাহ্মণগণের নানাপ্রকার বুদ্ধি জন্মিয়া থাকে। কেহ কর্ম্মবশতঃ, কেহ বা কর্ম্ম পরিত্যাগ করিয়া, একমাত্ৰ বেদজ্ঞানদ্বারা মোক্ষলাভ হয়, এইরূপ স্বীকার করিয়া থাকেন; কিন্তু যেমন ভোজন না করিলে তৃপ্তিলাভ হয় না, তদ্রূপ কর্ম্মানুষ্ঠান না করিলে কেবল বেদজ্ঞ হইলে ব্রাহ্মণগণের কদাচ মোক্ষলাভ হয় না। যে সমস্ত বিদ্যাদ্ধারা কর্ম্মসংসাধন হইয়া থাকে, তাহাই ফলবতী; যাহাতে কোনো কর্ম্মানুষ্ঠানের বিধি নাই, সে বিদ্যা নিতান্ত নিস্ফল; অতএব যেমন পিপাসার্ত্ত ব্যক্তির জলপান করিবামাত্র পিপাসাশান্তি হয়, তদ্রূপ ইহকালে যেসকল কর্মের ফল প্রত্যক্ষ হইয়া থাকে, তাহারই অনুষ্ঠান করা কর্ত্তব্য। হে সঞ্জয়! কর্ম্মবশতঃই এইরূপ বিধি বিহিত হইয়াছে, সুতরাং কৰ্মই সর্ব্বপ্রধান। যে ব্যক্তি কর্ম্ম অপেক্ষা অন্য কোন বিষয়কে উৎকৃষ্ট বিবেচনা করিয়া থাকে, তাহার সমস্ত কমই নিষ্ফল হয়।

    “দেখ, দেবগণ কর্ম্মবলে প্রভাবসম্পন্ন হইয়াছেন, সমীরণ কর্ম্মবলে সতত সঞ্চরণ করিতেছেন, দিবাকর কর্ম্মবলে আলস্যশূন্য হইয়া অহোরাত্র পরিভ্রমণ করিতেছেন, চন্দ্ৰমা কর্ম্মবলে নক্ষত্রমণ্ডলিপরিবৃত্ত হইয়া মাসার্দ্ধ উদিত হইতেছেন, হুতাশন কর্ম্মবলে প্ৰজাগণের কর্ম্মসংসাধন করিয়া নিরবচ্ছিন্ন উত্তাপ প্ৰদান করিতেছেন, পৃথিবী কর্ম্মবলে নিতান্ত দুর্ভর ভার অনায়াসেই বহন করিতেছেন। শ্রোতস্বতীসকল কর্ম্মবলে প্রাণিগণের তৃপ্তিসাধন করিয়া সলিলরাশি ধারণ করিতেছে। অমিতবলশালী দেবরাজ ইন্দ্র দেবগণের মধ্যে প্রাধান্য লাভ করিবার নিমিত্ত ব্ৰহ্মচর্যের অনুষ্ঠান করিয়াছিলেন। তিনি সেই কৰ্মবলে দশদিক ও নভোমণ্ডল প্ৰতিধ্বনিত করিয়া বারিবর্ষণ করিয়া থাকেন এবং অপ্ৰমত্তচিত্তে ভৌগভিলাষ বিসর্জ্জন ও প্রিয়বস্তুসমুদয় পরিত্যাগ করিয়া শ্রেষ্ঠত্ব লাভ এবং দম, ক্ষমা, সমতা, সত্য ও ধর্ম্ম প্রতিপালনপূর্ব্বক দেবরাজ্য অধিকার করিয়াছেন। ভগবান্ বৃহস্পতি সমাহিত হইয়া ইন্দ্ৰিয়নিরোধপূর্ব্বক ব্ৰহ্মচর্য্যের অনুষ্ঠান করিয়াছিলেন, এই নিমিত্তই তিনি দেবগণের আচাৰ্য্যপদ প্রাপ্ত হইয়াছেন; রুদ্র, আদিত্য, যম, কুবের, গন্ধৰ্ব, যক্ষ, অপ্সর, বিশ্বাবসু নক্ষত্রগণ কর্ম্মপ্রভাবে বিরাজিত রহিয়াছেন, মহর্ষিগণ ব্রহ্মবিদ্যা, ব্ৰহ্মচৰ্য্য ও অন্যান্য ক্রিয়াকলাপের অনুষ্ঠান করিয়া শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করিয়াছেন।

    ধৃতরাষ্ট্রনিকটে সঞ্জয়ের বক্তব্য নির্দ্দেশ

    “হে সঞ্জয়! তুমি কি নিমিত্ত ব্ৰাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্য প্রভৃতি সকল লোকের ধর্ম্ম সবিশেষ জ্ঞাত হইয়াও কৌরবগণের হিতসাধন-মানসে পাণ্ডবদিগের নিগ্রহচেষ্টা করিতেছি? ধৰ্মরাজ যুধিষ্ঠির বেদজ্ঞ, অশ্বমেধ ও রাজসূয়-যজ্ঞের অনুষ্ঠানকর্ত্তা, যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী এবং হস্তি-অশ্বরথচালনে সুনিপুণ। এক্ষণে পাণ্ডবেরা যদি কৌরবগণের প্রাণহিংসা না করিয়া, ভীমসেনকে সান্ত্বনা করিয়া রাজ্যলাভের অন্য কোন উপায় অবধারণা করিতে পারেন তাহা হইলে ধর্ম্মরক্ষা ও পুণ্যকর্মের অনুষ্ঠান হয়; অথবা ইহারা যদি ক্ষত্ৰিয়ধর্ম্ম প্রতিপালনপূর্ব্বক স্বকৰ্মসংসাধন করিয়া দূরদৃষ্টবশতঃ মৃত্যুমুখে নিপতিত হয়েন, তাহাও প্রশস্ত। বোধহয়, তুমি সন্ধিসংস্থাপন শ্ৰেয়ঃসাধন বিবেচনা করিতেছ, কিন্তু জিজ্ঞাসা করি, ক্ষত্রিয়দিগের যুদ্ধে ধর্ম্মরক্ষা হয় কি যুদ্ধ না করিলে ধৰ্মরক্ষা হয়? ইহার মধ্যে যাহা শ্রেষ্ঠ বলিয়া বিবেচনা করিবে, আমি তাঁহারই অনুষ্ঠান করিব।

    “তুমি বর্ণচতুষ্টয়ের বিভাগ, স্বীয় কর্ম্ম ও পাণ্ডবগণের কাৰ্য্য পৰ্য্যালোচনা করিয়া স্বেচ্ছানুসারে নিন্দা বা প্রশংসা কর। ব্রাহ্মণ অধ্যয়ন, অধ্যাপনা, যজন, যাজন, দান, পরিচিত ব্যক্তি হইতে প্রতিগ্রহ ও তীর্থপর্য্যটন করিবেন। ক্ষত্ৰিয় ধর্ম্মানুসারে প্রজাপালন, দান, যজ্ঞ ও সমস্ত বেদ অধ্যয়ন করিয়া দারপরিগ্রহপূর্ব্বক গৃহে বাস করিবেন। বৈশ্য কৃষি, গোরক্ষণ ও বাণিজ্যদ্বারা বিত্তোপার্জ্জন এবং সাবধানে তাহার রক্ষণাবেক্ষণপূর্ব্বক গৃহে বাস করিবেন; ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্ৰিয়ের প্রিয়ানুষ্ঠান এবং পরিচর্য্যাই তাহার কর্ত্তব্য কর্ম্ম; বেদাধ্যয়ন ও যজ্ঞানুষ্ঠান করা তাহার পক্ষে নিতান্ত নিষিদ্ধ। শূদ্র শ্রেয়োলাভের নিমিত্ত আলস্যশূন্য ও নিত্য অভ্যুদয় [উন্নতি] সম্পন্ন হইবে, ইহাই তাহাদিগের পরম্পরাগত সনাতন ধর্ম্ম।

    “রাজা অপ্ৰমত্তচিত্তে ইহাদিগের প্রতিপালনপূর্ব্বক স্ব স্ব ধর্মে নিয়োগ করিবেন, প্ৰজাগণের প্রতি সমদৰ্শী হইবেন, এবং পাপসঙ্কল্পে কদাচ অনুরক্ত হইবেন না। এইরূপে রাজার নিকট হইতে জ্ঞানতঃ ও ধর্ম্মতঃ মঙ্গললাভের সম্পূর্ণ সম্ভাবনা। রাজা যুধিষ্ঠির এই সমস্ত গুণগ্রামে অলঙ্কৃত, তাহাতে অধর্মের লেশমাত্ৰও নাই; সুতরাং তিনিই ধর্ম্মতঃ রাজ্যের অধিকারী। নৃশংস ব্যক্তি দূরদৃষ্টবশতঃ সৈন্যসংগ্ৰহ করিয়া পরস্বগ্রহণে উদ্যত হইয়া থাকে, তাহাতেই যুদ্ধের সৃষ্টি ও অস্ত্রশস্ত্রের সৃষ্টি হইয়াছে।

    “দেবরাজ ইন্দ্র দসু্যদলসংহারার্থ ধনু ও বর্ম্ম প্রস্তুত করিয়াছেন; অতএব তাহাতে দস্যুবধ করিলেই পুণ্যলাভ হইয়া থাকে। অধৰ্মপরায়ণ কৌরবগণ যে দুরপনেয় [দুর্মোচ্য-যাহা সহজে লোপ করা যায় না] দোষানুষ্ঠান করিয়াছেন, তাহা নিতান্ত নিন্দনীয়; রাজা দুৰ্য্যোধনও চিরন্তন রাজধর্ম্ম অতিক্রম করিয়া অকস্মাৎ পাণ্ডবগণের পৈতৃকরাজ্য অপহরণ করিয়াছেন এবং অন্যান্য কৌরবগণও তাহার অনুসরণ করিয়া থাকেন। তস্কর দৃশ্য বা অদৃশ্য হইয়া হঠাৎ যে পরস্ব অপহরণ করে, তাহার ঐ উভয় ভাবই নিন্দনীয়। সুতরাং দুৰ্য্যোধনের কাৰ্য্যও একপ্রকার তস্করকাৰ্য্য বলিয়া প্ৰতিপন্ন করা যাইতে পারে; তিনি ক্ৰোধপরতন্ত্র হইয়া ইহা প্রকৃত ধর্ম্ম বলিয়া বিবেচনা করিতেছেন, কিন্তু তাহা অন্যায়; পাণ্ডবগণের ন্যাস্ত সমস্ত রাজ্যসম্পত্তি কি নিমিত্ত অন্যে গ্ৰহণ করিবে? এই বিষয়ের নিমিত্ত যুদ্ধ করিয়া যদি প্ৰাণ পৰ্য্যন্ত পরিত্যাগ করিতে হয়, তাহাও শ্লাঘনীয়; তথাপি পৈতৃক-রাজ্যের পুনরুদ্ধারণে বিমুখ হওয়া কোনক্রমে উচিত নহে। হে সঞ্জয়! তুমি সভামধ্যে কৌরবদিগকে বারংবার এই প্রাচীন ধর্মের উপদেশ প্রদান করিবে। দেখ, কৌরবগণের কি অত্যাচার! তাহারা কতকগুলি ভূপালকে মৃত্যুমুখে নিক্ষেপ করিবার নিমিত্ত আনয়ন করিয়াছে এবং ভীষ্মপ্রভৃতি সকলেই রজঃস্বলা পাণ্ডবপ্রণয়িণী দ্রুপদনন্দিনীকে সভামধ্যে বাস্পাকুলালোচনে রোদন করিতে দেখিয়াও তৎকালে উপেক্ষা করিয়াছিলেন, ইহা তাঁহাদিগের পক্ষে নিতান্ত অন্যায্য ও গর্হিত হইয়াছে। তাঁহারা যদি আবালবৃদ্ধের সহিত সমবেত হইয়া এই অত্যাচার নিবারণ করিতেন, তাহা হইলে আমার ও ধার্ত্তরাষ্ট্রগণের একান্ত প্রিয়ানুষ্ঠান হইত। দুরাত্মা দুঃশাসন যৎকালে সভামধ্যে শ্বশুরগণসমক্ষে দ্রৌপদীকে আনয়ন করিয়াছিল, তখন তিনি বারংবার বিলাপ ও অশ্রু পরিত্যাগ করিলেও বিদুর ব্যতিরেকে আর কাহারও আশ্রয় প্রাপ্ত হয়েন নাই। যখন দীনতাবশতঃ সভাস্থ ভূপালগণের বাক্যস্ফুর্ত্তি হইল না, তখন কেবল বিদুরই ধর্ম্মবুদ্ধিপরতন্ত্র হইয়া সেই দুৰ্মতি দুঃশাসনকে ধর্ম্ম ও অর্থের সবিশেষ উপদেশ প্ৰদান করিয়াছিলেন।

    “হে সঞ্জয়! তুমি এক্ষণে রাজা যুধিষ্ঠিরকে ধর্মোপদেশ প্রদান করিতে অভিলাষী হইয়াছ; কিন্তু তৎকালে সভামধ্যে দুঃশাসনকে ধর্মোপদেশ প্রদান কর নাই। কৃষ্ণা সমুপস্থিত হইয়া ধর্মোপদেশ প্রদানপূর্ব্বক আপনাকে ও পাণ্ডবগণকে দুস্তর দুঃখসাগর হইতে উদ্ধার করিয়াছেন। সেই সভায় সূতপুত্র শ্বশুরগণসন্নিধানে দ্ৰৌপদীকে কহিয়াছিল, “হে যাজ্ঞসেনি! তোমার গত্যন্তর নাই; তুমি এক্ষণে ধার্ত্তরাষ্ট্রগণের ভবনে দাসীভাব অবলম্বন কর। পাণ্ডবগণ পরাজিত হইয়াছেন, তাঁহারা আর তোমার ভর্ত্তা নহেন, তুমি এক্ষণে অন্য পতিকে বরণ কর।” মর্মোপঘাতী [হৃদয়বিদারক] অতি কঠোর কর্ণের বাঙ্ময় শর মহাবীর অর্জ্জুনের হৃদয়গ্ৰন্থি ছেদন করিয়া আপনি জাগরকে রহিয়াছে। যখন পাণ্ডবগণ বনে গমন করিবার নিমিত্ত কৃষ্ণাজিন পরিধান করেন, তখন দুঃশাসন কহিয়াছিল, “এই সকল ষণ্ডতিল [সারশূন্য তিল—তিলের খোসা] বিনষ্টপ্ৰায় হইয়া অতি দীর্ঘকালের নিমিত্ত নরকে গমন করিল।” গান্ধাররাজ শকুনি দূতক্রীড়াকালে ছলপূর্ব্বক ধর্ম্মরাজকে কহিয়াছিল,“হে ধর্ম্মরাজ! নকুল পরাজিত হইয়াছে, তোমার আর কিছুই নাই; এখন দ্ৰৌপদীকে পণ রাখিয়া ক্রীড়া কর।” হে সঞ্জয়! দূতক্ৰীড়াকালে কৌরবগণ যেসকল গৰ্হিত বাক্য প্রয়োগ করিয়াছিল, তাহা তোমার অবিদিত নাই। এক্ষণে আমি এই বিপদ্বহ [বিপদ-আনয়নকর] কাৰ্য্য করিবার নিমিত্ত হস্তিনানগরে গমন করিব, কিন্তু যাহাতে পাণ্ডবগণের অর্থহানি না হয় এবং কৌরবেরাও সন্ধিসংস্থাপনে সম্মত হয়েন, এক্ষণে তদ্বিষয়ে যত্ন করিতে হইবে। তাহা হইলে সুমহৎ পুণ্যকর্মের অনুষ্ঠান হয় এবং কৌরবগণ মৃত্যুপাশ হইতে বিমুক্ত হইতে পারেন।

    “আমি যখন নীতিসঙ্গত ধর্ম্মাৰ্থযুক্ত উপদেশ প্রদান করিব, তখন ধার্ত্তরাষ্ট্রগণ আমাকে সমাদর ও অর্চ্চনা করিবেন, ইহার অন্যথা হইলে সেই সমস্ত উদ্ধত পাপাত্মা ধার্ত্তরাষ্ট্রেরা স্ব স্ব কর্ম্মদোষে মহারথ অর্জ্জুন ও ভীমসেনের শরহুতাশনে নিঃসন্দেহ দগ্ধ হইবে। দুৰ্য্যোধন দূতাবসানে পাণ্ডবগণকে সম্পদবিহীন বলিয়া উপহাস করিয়াছিল। কিন্তু সময় উপস্থিত হইলে অপ্ৰমত্ত গদাধারী সেই ভীমসেন তাঁহাকে এই কথা স্মরণ করাইবেন;- দুৰ্য্যোধন মন্যুময় মহাবৃক্ষ, কৰ্ণ তাহার স্কন্ধ, শকুনি শাখাস্বরূপ, দুঃশাসন পুষ্প ও ফল এবং আমনীষী ধৃতরাষ্ট্র তাহার মূল। রাজা যুধিষ্ঠির ধর্ম্মময় মহাবৃক্ষ, অর্জ্জুন তাহার স্কন্ধ, ভীমসেন শাখাস্বরূপ, মাদ্রীতনয় নকুল ও সহদেব পুষ্প ও ফল, আমি, বেদ ও ব্রাহ্মণ তাহার মূল। রাজা ধৃতরাষ্ট্র ও তাহার পুত্ৰগণ মহারণ্যস্বরূপ, পাণ্ডবেরা সেই মহারণ্যে ব্যাঘ্র, অতএব সেই মহারণ্যের উচ্ছেদ ও ব্যাঘ্রসকলকে বিনষ্ট করিও না, আশ্রয়ীভূত বন উচ্ছিন্ন হইলে ব্যাঘ্র নিহত হয় এবং ব্যাঘ্র না থাকিলে বনও উচ্ছিন্ন হইয়া থাকে; অতএব ব্যাঘ্র বনরক্ষা ও বন ব্যাঘ্রকে রক্ষা করিবে [১] । ধার্ত্তরাষ্ট্রগণ লতাতুল্য; পাণ্ডবগণ শালসদৃশ; সুতরাং

    ১। “দুৰ্য্যোধনো মনুমেয়ঃ” ইত্যাদি শ্লোকদ্বয়ে দুইটি বৃক্ষকে রূপক করিয়া সংক্ষেপে সারগর্ভ বাক্যে মহাভারতের তাৎপৰ্য্য সূত্রাকারে একবার আদিপর্ব্বে অনুক্ৰমণিকাধ্যায়ে প্রদর্শিত হইয়াছে।

    এই রূপকদ্বয়ের প্রথমটির প্রতিপাদ্য দুৰ্য্যোধন। দুৰ্য্যোধন ক্রোধরূপ মহাবৃক্ষ, ক্ৰোধের নিত্য সহচরী দ্বেষ-ঈর্ষা-অসূয়াদি দ্বারা উহা নিত্য পুষ্ট; এই ক্ৰোধারূপ মহাতরুর সহিত মিলিত হইয়াছে স্কন্ধরূপে কৰ্ণ, শাখাররূপে শকুনি, পুষ্প ও ফলরূপে দুঃশাসন; উহার মূল অমনীষী অর্থাৎ মনঃসংযমে অসমর্থ-অস্থিরমতি ধৃতরাষ্ট্র। তিনি পুত্ৰবৎসল্যে ক্রমশঃ অবসর দিয়া ঐ দুৰ্য্যোধনরূপ মহাবৃক্ষের মূল দৃঢ় করিয়া দিয়াছেন। কেন না, জন্মকালীন দুর্লক্ষণাদি দেখিয়া বিদুর যে দুৰ্য্যোধনের বর্জ্জনের জন্য পরামর্শ দিয়াছিলেন, তাহা পালিত হইলে ভীমের প্রাণনাশার্থ বিষদান, জতুগৃহে পাণ্ডবদিগের দাহচেষ্টা, দ্যূতে জিতিয়া দ্ৰৌপদীর কেশাকর্ষণ প্রভৃতি কুকর্মেরও অনুষ্ঠান হইত না; দুৰ্য্যোধনরূপ বিষবৃক্ষের ছায়াস্থিত কুরুকুলও নির্মুল হইত না।

    এই রূপকদ্বারা ইহাই প্ৰদৰ্শিত হইল যে-ক্ৰোধলোভাদি যাহার স্কন্ধ, হিংসা চৌৰ্য্যাদি যাহার শাখা, বন্ধ-বন্ধন জন্য নরকাদি যাহার ফল ও পুষ্প; পুরুষাৰ্থকামী পুরুষ এইরূপ দৃঢ় অজ্ঞানমূল দৈন্যতরু জ্ঞানদ্বারা ছেদন করবেন।

    দ্বিতীয়টি—যুধিষ্ঠির। যুধিষ্ঠির ধর্ম্মময় মহাবৃক্ষ, এই পুণ্যতারু ধর্মের নিত্য পরিপোষক শম-দম-সত্য-অহিংসা-এই সকল সদগুণময়। তাঁহার একাত্মতুল্য অর্থাৎ শমদমাদি গুণবিশিষ্ট অর্জ্জুন স্কন্ধ, ভীমসেন শাখা, মাদ্রীনন্দন নকুলসহদেব যথাক্রমে পুষ্প, ফল; মূল শুদ্ধসত্ত্বময় পরমাত্মা কৃষ্ণ, বেদ, বেদবিদ ব্রাহ্মণগণ; কৃষ্ণ মূল রূপে সহায় থাকায় পাণ্ডবগণ কামকলুষিত হন নাই, বেদ তাঁহাদের মূল, এজন্য যজ্ঞযোগাদি ভুক্তি মুক্তিসাধক সাধনার সুযোগ তাঁহারা পাইয়াছিলেন, বেদেরও মূল ব্রাহ্মণ, সেই বেদবিদ ব্রাহ্মণগণ তাঁহাদের মূল রূপে প্রতিষ্ঠিত থাকায়—তাঁহাদের প্রবর্ত্তনায়–তাহাদের উপদেশপরম্পরায় বেদের প্রমাণ্যে তাঁহারা পরিনিষ্ঠিত হইয়াছিলেন-পরমাত্মার অনুগ্রহ লাভ করিয়াছিলেন। ভগবানের আরাধনায় অভিমুখ ব্যক্তিগণ এ হেন ধৰ্ম-বৃক্ষের কদাচ হিংসা করিবেন না।

    পূর্ব্বাচাৰ্য্য ঋষিগণ এই ভারতীয় শ্লোকদ্বয়ের সমধিক সারবত্তা উপলব্ধি করিয়া শ্ৰাদ্ধ-মন্ত্রমধ্যে পুণ্যাখ্যানরূপে ইহার পাঠ প্রচলন করিয়া গিয়াছেন।

    কুরু-পাণ্ডব যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ হইয়া উঠিলে উদযোগপর্ব্বে পুনর্ব্বার তাঁহাদিগকে রূপক করিয়া শান্তিসংস্থাপনের সন্ধিপ্রস্তাবে বাসুদেব বলিতেছেন-দুৰ্য্যোধন মহারণ্য, পাণ্ডবগণ সেই বনের ভীষণ ব্যাঘ্র; যে বনে ভয়ঙ্কর ব্যাঘ্র বিচরণ করে, সেখানে কাঠুরিয়ারা কাঠ কাটিতে যায় না, অতএব বন নিরাপদ-বনের হিংসা হয় না; আবার বনহীন স্থানে ব্যাঘ্রের বিচরণ নিরাপদ নহে, শিকারিরা সহজে দেখিতে পায়-অনায়াসে তাহাকে বধ করে; অতএব রক্ষকরূপে বন-ব্যাঘ্র উভয়ই পরস্পর-সাপেক্ষ। সুতরাং বন-ব্যাঘ্রে উভয়ই রক্ষণীয়। সন্ধি ব্যতীত তাদৃশ উভয় রক্ষা হয় না।

    এস্থলে যদি সন্ধি অগ্রাহ্য করিয়া উভয়পক্ষ যুদ্ধে প্রবৃত্ত হয়, তবে বনই বিনষ্ট হইবে, পরন্তু ব্যাঘ্র বাঁচিয়া যাইবে; কারণ বনের মূল ক্রোধাদি অধাৰ্মিক বস্তু; আর ব্যান্ত্রের মূল কৃষ্ণ, বেদ ও ব্রাহ্মণ।

    মহাবৃক্ষের আশ্রয় না পাইলে লতাসকল কদাচ পরিবৰ্দ্ধিত হইতে পারে না। পাণ্ডবেরা তাহাদিগকে সেবা অথবা তাহাদিগের সহিত যুদ্ধ করিতে প্রস্তুত আছেন; এক্ষণে নরাধিপ ধৃতরাষ্ট্রের যাহা কর্ত্তব্য, তাহার অনুষ্ঠান করুন। ধর্ম্মপরায়ণ পাণ্ডবেরা সমরকার্য্যে সুনিপুণ হইয়া অতি প্রশান্তভাবে রহিয়াছেন। হে সঞ্জয়! তুমি অবিকল এই সকল কথার উল্লেখ করিবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172 173 174 175 176 177 178 179 180 181 182 183 184 185 186 187 188 189 190 191 192 193 194 195 196 197 198 199 200 201 202 203 204 205 206 207 208 209 210 211 212 213 214 215 216 217 218 219 220 221 222 223 224 225 226 227 228 229 230 231 232 233 234 235 236 237 238 239 240 241 242 243 244 245 246 247 248 249 250 251 252 253 254 255 256 257 258 259 260 261 262 263 264 265 266 267 268 269 270 271 272 273 274 275 276 277 278 279 280 281 282 283 284 285 286 287 288 289 290 291 292 293 294 295 296 297 298 299 300 301
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগীতা – কালীপ্রসন্ন সিংহ
    Next Article শেষ উপহার – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কালীপ্রসন্ন সিংহ

    গীতা – কালীপ্রসন্ন সিংহ

    July 28, 2025
    কালীপ্রসন্ন সিংহ

    হুতোমপ্যাঁচার নক্সা – কালীপ্রসন্ন সিংহ

    July 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }