Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারত (কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত)

    কালীপ্রসন্ন সিংহ এক পাতা গল্প884 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪৮. শ্বেত-কৌরব-দ্বন্দ্বযুদ্ধ

    ৪৮তম অধ্যায়

    শ্বেত-কৌরব-দ্বন্দ্বযুদ্ধ

    ধৃতরাষ্ট্র কহিলেন, “হে সঞ্জয়! এইরূপে মহাধনুৰ্দ্ধর শ্বেত শল্যরথের প্রতি সমুপস্থিত হইলে পাণ্ডব ও কৌরবগণ, বিশেষতঃ শান্তুনুতনয় ভীষ্ম করিয়াছিলেন, সবিস্তার কীর্ত্তন কর।”

    সঞ্জয় কহিলেন, “মহারাজ! সহস্ৰ সহস্ৰ ক্ষত্ৰিয়শ্রেষ্ঠ মহারথীগণ সেনাপতি শ্বেতকে অগ্রসর করিয়া আপনার পুত্ৰকে বলবিক্রম প্রদর্শন করিতে লাগিলেন। তাঁহারা আত্মত্ৰাণাৰ্থ শিখণ্ডীকে অগ্ৰে লইয়া ভীষ্মকে নিধন করিবার মানসে তাঁহার হেমভূষিত রথসন্নিধানে সমুপস্থিত হইলেন। হে রাজন! ঐ সময়ে আপনাদিগের ও শত্রুপক্ষের সৈন্যগণ পরস্পর ঘোরতর সংগ্রাম করিয়া বহুসংখ্যক লোক সংহার করিল; আমি উহা বলিতেছি, শ্রবণ করুন।

    “মহাবীর শান্তনুতনয় শরাঘাতে বীরগণের মস্তকচ্ছেদন ও রথোপস্থসকল [রথস্থ দ্রব্যসমূহ] শূন্য করিতে লাগিলেন। ঐ সূৰ্য্যসদৃশ প্রতাপশালী মহাবীর অনবরত শরবর্ষণদ্বারা সূৰ্য্যকে সমাচ্ছাদিত করিলেন। রবি যেমন সমুদিত হইয়া তমোরাশি বিনাশ করেন, তদ্রূপ শান্তনুতনয় সমরমধ্যে অসংখ্য বীরপুরুষকে সংহার করিতে লাগিলেন; ঐ মহাবীরকর্ত্তৃক নিক্ষিপ্ত ক্ষত্রিয়ান্তক সহস্ৰ সহস্ৰ সায়ক মহাবেগে গমনপূর্ব্বক মহাবলপরাক্রান্ত যোদ্ধৃগণের শিরচ্ছেছদন করিতে লাগিল। বলবিক্রমশালী রথিগণ তীক্ষ্মশরে ছিন্নমস্তক হইয়া রোমাঞ্চিতকলেবরে রথমধ্যে নিপতিত রহিলেন। রথ রথের উপর ও অশ্ব অশ্বের উপর নিপতিত হইল। কোন কোন অশ্ব পৃষ্ঠে লম্বমান রণনিহত স্বীয় আরোহীকে বহন করিয়া ইতস্ততঃ ভ্ৰমণ করিতে লাগিল। খড়্গ-তূণীরধারী বদ্ধপরিকর [দৃঢ়সঙ্কল্প] শত শত বীরগণ ছিন্নকবচ ও নিহত হইয়া ধরাতলে বীরশয্যায় শয়ন করিলেন। দ্বন্দ্বযুদ্ধকুশল বীরগণ পরস্পরের প্রতি ধাবমান হইয়া ভূতলে পতিত, পুনরুত্থিত ও দ্বন্দ্বযুদ্ধে প্রবৃত্ত হইলেন এবং পরস্পর পীড়িত হইয়া রণস্থলে বিলুণ্ঠন করিতে লাগিলেন। মত্তগজ নিপাতিত হইল, শত শত রথীগণ শত্রুপক্ষীয় রথীদিগকে মর্দ্দন করিতে করিতে প্ৰাণত্যাগ করিল। কেহ কেহ শরাঘাতে নিহত হইয়া রথোপরি নিপতিত হইল। সারথি নিহত হইবামাত্র উচ্চ রথসমুদয় নিপতিত হইতে লাগিল।

    “হে মহারাজ। ঐ সময় ধূলিপটল মহাবেগে সমুত্থিত হওয়াতে সংগ্রামনিরস্ত [যুদ্ধনিবৃত্ত] ব্যক্তিগণ কেবল শরাসনধ্বনি শ্রবণ করিতে লাগিল। তাহারা শত্রুর গাত্ৰ স্পর্শ করিয়াও তাঁহাকে শত্রু বলিয়া বুঝিতে পারিল না। সৈন্যগণ সুসজ্জিত হইয়া পরস্পরের প্রতি আক্রমণ করিতে লাগিল। ঐ তুমুল সংগ্রামে কৰ্ণবিদারী পটহধ্বনি সমুত্থিত হওয়াতে বীরগণের বাণশব্দ এবং কোন বীর পৌরুষ প্রকাশ করিতেছেন, তাঁহার নামও শ্রবণগোচর হইল না। ঐ সময় পিতা স্বীয় পুত্রকে চিনিতে না পারিয়া পরস্পর যুদ্ধ করিতে লাগিল। ঋজুগামি বাণসমূহদ্বারা রথচক্ৰ ও যুগভগ্ন, ভারবাহী অশ্ব নিহত ও যোদ্ধা সারথিসমভিব্যাহারে রথ হইতে নিপতিত হইতে লাগিল। যোদ্ধগণ ভগ্নধূর [যাহার রথের ধুরা ভগ্ন হইয়াছে এইরূপ], ভিন্নচক্র রথমধ্যে দেখিল যে, স্বীয় বান্ধবগণ কেহ ছিন্নমস্তক, কেহ বা মর্ম্মাহত হইয়া প্ৰাণত্যাগ করিয়াছে। ফলতঃ মহাবলপরাক্রান্ত মহাবীর শান্তনুতনয় শক্ৰ সংহার করিতে আরম্ভ করিলে বিপক্ষপক্ষের প্রায় কেহই অনাহত রহিল না।

    শ্বেত-কৌরবের তুমুল যুদ্ধ

    “মহাবীর শ্বেতও কৌরবপক্ষীয় সহস্ৰ সহস্র রাজপুত্রকে সংহার করিতে লাগিলেন। তিনি শরনিকর নিক্ষেপপূর্ব্বক রথিগণের মস্তক, অঙ্গদভূষিত বাহু, ধনু, ক্ষুদ্র ও বিশাল রথ, রথচক্ৰ ও পাতাকাসমুদয় ছেদন করিলেন। সহস্ৰ সহস্র হস্তী, অশ্ব ও মানবগণ তাঁহার শরাঘাতে প্রাণত্যাগপূর্ব্বক ধরাতলশায়ী হইল। হে মহারাজ। আমরা সেই সময় শ্বেতের ভয়ে নিতান্ত ভীত হইয়া রথপরিত্যাগপূর্ব্বক পলায়ন করলিাম। সমরার্থ সুসজ্জিত কৌরবগণ শ্বেতের শরপাত হইতে বিমুক্ত হইয়া শান্তনুতনয়ের নিকট অবস্থান করিতে লাগিলেন। সেই ভয়ঙ্কর লোমহর্ষণ সংগ্রামসময়ে একমাত্র ভীষ্ম মেরুপর্ব্বতের ন্যায় অচলভাবে রহিলেন। যেমন মরীচিমালী ভাস্কর গ্ৰীষ্মকালে স্বীয় কিরণজালদ্বারা রস আকর্ষণ করেন, তদ্রূপ মহাবীর শান্তনুতনয় শরনিকরদ্ধারা অরাতিকুলের প্রাণ গ্রহণ করিতে লাগিলেন। ভগবান চক্ৰপাণি যেমন অসুরগণকে নিহত করিয়া থাকেন, তদ্রূপ ভীষ্ম বাণবর্ষণপূর্ব্বক শত্ৰুগণকে শমনসদনে প্রেরণ করিতে আরম্ভ করিলেন। অরাতিগণ ভীষ্মের শরে নিতান্ত কাতর হইয়া শ্বেতকে পরিত্যাগপূর্ব্বক পলায়ন করিতে লাগিল। দুৰ্য্যোধন প্রিয়চিকীর্ষু মহাবলপরাক্রান্ত শান্তনুতনয় জীবিতাশা ও ভয় এককালে পরিত্যাগপূর্ব্বক পাণ্ডবসৈন্যগণকে সংহার করিতে লাগিলেন।

    শ্বেতসহ ভীষ্মের ভীষণ সমর

    “মহাবীর ভীষ্ম সেনাপতি শ্বেতকে কৌরবসৈন্য নিধন করিতে দেখিয়া এইরূপে পাণ্ডবসৈন্য সংহার করিয়া মহাবেগে তাঁহার সমীপে ধাবমান হইলেন। মহাবীর শ্বেত ভীষ্মের উপর শরবর্ষণ করিতে লাগিলেন। ভীষ্ম তাঁহার প্রতি বহুসংখ্যক শর সন্ধান করিলেন; তাঁহারা উভয়েই বৃষভদ্বয়ের ন্যায়, মত্ত মাতঙ্গদ্বয়ের ন্যায়, ক্রুদ্ধ বাঘ্রদ্বয়ের ন্যায় গভীর গর্জ্জন করিয়া পরস্পরের প্রতি ধাবমান হইলেন এবং পরস্পর বিধাভিলাষী হইয়া অস্ত্ৰদ্বারা অস্ত্রনিবারণপূর্ব্বক ঘোরতর সংগ্ৰাম করিতে লাগিলেন। হে মহারাজ! মহাবল্লাপরাক্রান্ত শ্বেত যদি পাণ্ডবগণকে রক্ষা না করিতেন, তাহা হইলে অসামান্য বলবীর্যসম্পন্ন মহাবীর ভীষ্ম একদিনেই তাঁহাদিগকে নিঃশেষিত করিতে পারিতেন।

    “হে মহারাজ! বহুক্ষণ এইরূপে সেই বীরদ্বয়ের সংগ্রাম হইলে, পরিশেষে মহাবীর শ্বেত ভীষ্মকে সমরে পরাঙ্মুখ করিলেন। তদ্দর্শনে পাণ্ডবগণের আহ্লাদ ও দুৰ্য্যোধনের বিষাদের আর পরিসীমা রহিল না। মহাবীর দুৰ্য্যোধন তৎক্ষণাৎ ক্রোধান্বিতচিত্তে বহুসংখ্যক ভূপতি ও সৈন্যগণে পরিবৃত হইয়া পাণ্ডবসৈন্যমধ্যে প্রবেশ করিলেন। বায়ুবেগ যেমন বৃক্ষগণকে বিনষ্ট করে, তদ্রূপ মহাবীর শ্বেত ভীষ্মকে পরিত্যাগপূর্ব্বক দুৰ্য্যোধনের সৈন্যসমুদয় সংহার করিতে লাগিলেন। তিনি এইরূপে অতি অল্পকালের মধ্যে দুৰ্য্যোধনের সৈন্যগণকে বিদ্রাবিত করিয়া ক্ৰোধকম্পিত্যকলেবরে পুনরায় ভীষ্মসন্নিধানে সমুপস্থিত হইলেন। তখন বৃত্র ও বাসবের ন্যায় সেই বীরপুরুষদ্বয় পরস্পর বিধাভিলাষী হইয়া পরস্পরের প্রতি শরনিক্ষেপপূর্ব্বক ঘোরতর সংগ্ৰাম করিতে লাগিলেন। মহাবীর শ্বেত ভীষ্মের উপর সাতবাণ নিক্ষেপ করিলেন; মত্তহস্তী যেমন মত্তহস্তীকে আক্রমণ করে, তদ্রূপ পরাক্রমশালী ভীষ্ম বলপূর্ব্বক শ্বেতকে আক্রমণ করিয়া অভিভূত করিলেন। তখন মহাবীর শ্বেত পুনরায় ভীষ্মকে প্রহার করিতে লাগিলেন। মহাঁবিল পরাক্রান্ত ভীষ্ম শ্বেতের উপর দশবাণ নিক্ষেপ করিলেন। বলবান শ্বেত ভীষ্মের শার সহ্য করিয়া পর্ব্বতের ন্যায় অকম্পিত রহিলেন এবং ভীষ্মের উপর সন্নতপর্ব্ব পঞ্চবিংশতি সায়ক নিক্ষেপ করিলেন; তদর্শনে সমুদয় লোক চমৎকৃত হইল। পরে মহাবীর শ্বেত সহাস্যবদনে সৃক্কণী লেহন করিতে করিতে দশবাণ নিক্ষেপপূর্ব্বক ভীষ্মের শরাসন দশধা খণ্ডন করিলেন। তদনন্তর লোমযুক্ত একবাণ পরিত্যাগ করিয়া ভীষ্মের তালকেতুর অগ্রভাগ ছেদন করিলেন। আপনার পুত্ৰগণ মহাবীর ভীষ্মের কেতু নিপতিত দেখিয়া তাঁহাকে শ্বেতের বশীভূত ও নিহত বলিয়া স্থির করিলেন এবং পাণ্ডবগণ হৃষ্টচিত্তে শঙ্খনাদ করিতে লাগিলেন।

    শ্বেতসমরে দুৰ্য্যোধনের ভীষ্ম-সাহায্য

    “তখন দুৰ্য্যোধন ক্ৰোধপরতন্ত্র হইয়া ভীষ্মের রক্ষার্থ আপনার সৈন্যগণকে প্রেরণ করিলেন; সৈন্যগণ অতি যত্নসহকারে ভীষ্মকে রক্ষা করিতে লাগিল। সমরোৎসাহী দুৰ্য্যোধন তাহাদের উৎসাহ বৰ্দ্ধনাৰ্থ কহিতে লাগিলেন, “হে বীরগণ! শ্বেত অবশ্য বিনষ্ট হইবে; শান্তনুতনয় ভীষ্ম মহাবলপরাক্রান্ত, তাঁহার কিছুমাত্র শঙ্কা নাই।” মহারথগণ দুৰ্য্যোধনের এইরূপ উত্তেজনাবাক্যে প্রোৎসাহিত হইয়া সত্বর চতুরঙ্গিণী সেনা লইয়া ভীষ্মকে রক্ষা করিতে লাগিলেন। মহাবীর বাহ্লীক, কৃতবর্ম্মা, কৃপাচাৰ্য্য, শল্য, জরাসন্ধতনয়, বিকৰ্ণ, চিত্ৰসেন ও বিবিংশতি ইঁহারা সত্বরে চতুর্দ্দিক হইতে শ্বেতের উপর শরবর্ষণ করিতে লাগিলেন। মহাবলপরাক্রান্ত শ্বেত স্বীয় হস্তলাঘবপ্রদর্শনপূর্ব্বক নিশিত সায়কসমুদয়দ্বারা সেই ক্রোধান্বিত বীরগণকে নিবারণ করিতে লাগিলেন। কেশরী যেমন কুঞ্জারগণকে নিবারণ করে, তদ্রূপ মহাবীর শ্বেত ক্ৰমে সেই সমুদয় বীরগণকে পরাঙ্মুখ করিয়া বহুসংখ্যক শরবর্ষণপূর্ব্বক ভীষ্মের শরাসন ছেদন করিলেন। তখন শান্তনুনন্দন অন্য এক ধনুগ্রহণপূর্ব্বক শ্বেতের উপর কঙ্কপক্ষযুক্ত শরসমুদয় নিক্ষেপ করিতে লাগিলেন। তদর্শনে সেনাপতি শ্বেত ক্ৰোধপরতন্ত্র হইয়া সর্ব্বলোকসমক্ষে প্রভূত সায়কদ্বারা ভীষ্মকে বিদ্ধ করিলেন। মহারাজ দুৰ্য্যোধন এইরূপে সর্ব্ববীরপ্রধান ভীষ্মকে শ্বেতকর্ত্তৃক নিরাকৃত দেখিয়া নিতান্ত ব্যথিত হইলেন এবং ঐ সময় কৌরবপক্ষীয় বহুতর সৈন্যও বিনষ্ট হইতে লাগিল। তখন মহাবীর ভীষ্মকে শ্বেতের শরে ক্ষতবিক্ষতাঙ্গ অবলোকন করিয়া সকলেই তাঁহাকে শ্বেতের বশীভূত ও তৎকর্ত্তৃক নিহত বলিয়া বোধ করিতে লাগিলেন।

    “তখন মহাবীর শান্তনুনন্দন ভীষ্ম স্বীয় ধ্বজ উন্মথিত ও সৈন্যগণকে নিরাকৃত দেখিয়া একান্ত ক্রোধান্বিতচিত্তে শ্বেতের উপর বহুসংখ্যক শর নিক্ষেপ করিতে লাগিলেন। রথিকুলশ্রেষ্ঠ মহাবীর শ্বেত ভীষ্মের সেই সমুদয় বাণ নিবারণ করিয়া ভল্লদ্বারা পুনরায় তাহার বাণসমুদয় ছেদন করিলেন। মহাবলপরাক্রান্ত ভীষ্ম তদর্শনে ক্ৰোধে অধীর হইয়া অন্য এক শরাসনগ্রহণপূর্ব্বক তাহাতে সুতীক্ষ্ণ সাতভল্লযোজনপূর্ব্বক চারিটি দ্বারা শ্বেতের চারি অশ্ব, দুইটি দ্বারা ধ্বজ ও একটি দ্বারা সারথির মস্তক ছেদন করিলেন। তখন মহারথ শ্বেত সেই অশ্বশূন্য রথ হইতে লম্মফপ্রদানপূর্ব্বক ভূতলে অবতীর্ণ হইয়া একান্ত ক্ৰোধপরবশ ও নিতান্ত ব্যাকুল হইলেন। মহাবীর ভীষ্ম রথিশ্রেষ্ঠ শ্বেতকে বিরত দেখিয়া নিশিতশারদ্বারা তাহাকে তাড়ন করিতে লাগিলেন। শ্বেত ভীষ্মের চাপচ্যুত শরনিকরে তাড়িত হইয়া স্বীয় রথে শরাসন সংস্থাপনপূর্ব্বক কালদণ্ডসদৃশ মহাভয়ঙ্কর কাঞ্চনবিনির্ম্মিত শক্তি গ্রহণ করিয়া ভীষ্মকে কহিলেন, “হে পুরুষোত্তম শান্তনুতনয়! ক্ষণকাল অবস্থানপূর্ব্বক আমার পরাক্রম অবলোকন কর।” হে মহারাজ! পাণ্ডবগণের হিতার্থী ও আপনার অহিতচিকীর্ষু [অমঙ্গলাভিলাষী] মহাবীর শ্বেত এই বলিয়া ভীষ্মের প্রতি সেই শক্তি নিক্ষেপ করিলেন। আপনার পুত্ৰগণ সেই নির্ম্মাকনির্ম্মুক্ত ভীষণ ভুজঙ্গসদৃশ শ্বেত-নিক্ষিপ্ত শক্তি সন্দর্শন করিয়া হাহাকার করিতে লাগিলেন। শক্তি নভস্তল হইতে নিপতিত মহোল্কার ন্যায় প্রজ্বলিত হইয়া অন্তরীক্ষে গমন করিতে লাগিল। শান্তনুতনয় তদর্শনে একান্ত সংভ্রান্ত হইয়া আটবাণ পরিত্যাগপূর্ব্বক সেই উৎকৃষ্ট হেমনির্ম্মিত শক্তি নয়খণ্ড করিয়া ফেলিলেন। তদর্শনে আপনার পুত্ৰগণের সমুদয় সৈন্য উচ্চৈঃস্বরে চীৎকার করিতে আরম্ভ করিল।

    “কালোপহতচিত্ত [কালপ্রেরিত—আসন্নমৃত্যু] বিরাটতনয় শ্বেত শক্তি ব্যর্থ হইল দেখিয়া নিতান্ত ক্ৰোধান্বিত হইয়া ইতিকর্ত্তব্যবিমূঢ় হইলেন। তিনি একান্ত ক্ৰোধান্ধ হইয়া ভীষ্মকে সংহার করিবার মানসে গদাগ্রহণ করিলেন এবং ক্ৰোধসংরক্তলোচনে দ্বিতীয় যমের ন্যায় ধাবমান হইলেন। প্রতাপশালী ভীষ্ম সেই গদার বেগ অনিবাৰ্য্য জানিতে পারিয়া আত্মরক্ষার্থ সহসা রথ হইতে ভূতলে অবতীর্ণ হইলেন। মহাবীর শ্বেত নিতান্ত ক্ৰোধপরতন্ত্র হইয়া সেই মহাগদা বিঘূর্ণনপূর্ব্বক ভীষ্মের রথোপরি নিক্ষেপ করিলে সেই ভীষণ গদাঘাতে ভীষ্মের রথ, ধ্বজ, সারথি, অশ্ব ও যুগন্ধর চুর্ণীকৃত হইল।

    “এদিকে শল্যপ্রভৃতি রথিগণ রথিশ্রেষ্ঠ শ্বেতকে বিরথ দেখিয়া তাহার সমীপে গমন করিলেন। তখন মহাবীর ভীষ্ম অন্য এক রথে আরোহণপূর্ব্বক শরাসন কম্পিত করিয়া মহারথ শ্বেতের সমীপে শনৈঃ শনৈঃ গমন করিতে লাগিলেন। ঐ সময়ে স্বীয় হিতকারী এই দৈববাণী তাহার কর্ণগোচর হইল, “হে মহাবাহো ভীষ্ম! শীঘ্ৰ যত্ন কর, ভগবান বিশ্বযোনি শ্বেতের এই নিধনকাল নির্দ্দিষ্ট করিয়াছেন।” শান্তনুতনয় দেবদূতের এই বাক্যশ্রবণে নিতান্ত হৃষ্টচিত্ত হইয়া শ্বেতবধে কৃতনিশ্চয় হইলেন।

    “মহাবীর সাত্যকি, ভীমসেন, ধৃষ্টদ্যুম্ন, কৈকেয়গণ, ধৃষ্টকেতু ও অভিমন্যু প্রভৃতি মহারথসমুদয় রথিশ্রেষ্ঠ শ্বেতকে সমরাঙ্গনে পাদচারে সঞ্চরণ করিতে দেখিয়া সকলে একত্ৰ হইয়া তাহার সমীপে গমন করিতে লাগিলেন। মহাবীর ভীষ্ম উক্ত মহারথগণকে আগমন করিতে দেখিয়া দ্রোণ, শল্য ও কৃপের সাহায্যে তাঁহাদিগকে নিবারণ করিতে লাগিলেন। মহাবীর শ্বেত পাণ্ডবপক্ষীয় বীরগণকে সন্নিরুদ্ধ দেখিয়া খড়্গ আকর্ষণপূর্ব্বক ভীষ্মের শরাসন ছেদন করিয়া ফেলিলেন। মহাবীর ভীষ্ম দেবদূতের বাক্যে শ্বেতবধে প্রোৎসাহিত [অতিশয় উৎসাহান্বিত] হইয়াছিলেন; সুতরাং শ্বেতকর্ত্তৃক নিবারিত হইয়াও সত্বরে সেই ছিন্নধনু পরিত্যাগপূর্ব্বক অন্য ধনু গ্রহণ ও ক্ষণকালমধ্যে তাহাতে জ্যা-রোপণ করিয়া ভীমসেন প্রভৃতি মহারথগণকর্ত্তৃক সেনাপতিপদে অভিষিক্ত মহাবীর শ্বেতের প্রতি ধাবমান হইলেন; প্রতাপশালী ভীমসেন ভীষ্মকে আগমন করিতে দেখিয়া তাঁহার উপর ষষ্টিশর নিক্ষেপ করিলেন।

    বিরাটতনয় শ্বেতের পতন

    “তখন মহাবীর শান্তনুতনয় ঘোরতর শরনিকর নিক্ষেপপূর্ব্বক অভিমন্যুকে ও তিনশরদ্বারা অন্যান্য মহারথগণকে নিবারিত করিয়া সাত্যকির প্রতি একশত, ধৃষ্টদ্যুম্নের প্রতি বিংশতি ও কৈকেয়ের প্রতি পাঁচবাণ নিক্ষেপ করিলেন। মহাবলপরাক্রান্ত দেবব্রত ভীষ্ম এইরূপে শরনিকর দ্বারা সেই মহারথগণকে নিবারিত করিয়া শ্বেতের প্রতি ধাবমান হইলেন এবং সাক্ষাৎ কালান্তক যমোপম এক ভীষণ সায়ক তূণীর হইতে নিষ্কাশিত করিয়া শ্বেতের প্রতি সন্ধান করিলেন। দেব, নাগ, গন্ধর্ব্ব, পিশাচ ও রাক্ষসগণ সেই ব্ৰহ্মাস্ত্ৰ-সুসঙ্গত লোকযুক্ত শর নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন। অস্তাচলগমনোন্মুখ ভাস্করসদৃশ প্রভাশালী সেই ভীষ্মনিক্ষিপ্ত শর মহাবীর শ্বেতের কবচ ভেদপূর্ব্বক প্ৰাণ লইয়া বহির্গত ও মহাশনির ন্যায় প্রজ্বলিত হইয়া ধরণীতলে প্রবিষ্ট হইল। মহাবীর শ্বেত ভীষ্মকর্ত্তৃক এইরূপে নিহত হইয়া গিরিশৃঙ্গের ন্যায় নিপতিত হইলেন। তদর্শনে পাণ্ডবগণ ও তৎপক্ষ ক্ষত্ৰিয়সমুদয় শোক করিতে লাগিলেন এবং কৌরবগণ পরম পরিতুষ্ট হইলেন দুঃশাসন শ্বেতকে নিহত হইতে দেখিয়া বাদিত্রসহকারে চতুর্দ্দিকে নৃত্য করিতে লাগিলেন।

    “হে মহারাজ! এইরূপে সেই মহাবলপরাক্রান্ত বীরবরাগ্রগণ্য বিরাটতনয় শ্বেত সংগ্রামে ভীষ্মশরে নিহত হইলে ধনুৰ্দ্ধর শিখণ্ডীপ্ৰভৃতি মহারথীগণ কম্পিত হইতে লাগিলেন। তখন মহাবীর ধনঞ্জয় ও কৃষ্ণ সেনাপতি নিহত হইল দেখিয়া সৈন্যগণকে বিশ্রাম করিতে আদেশ করিলেন। উভয়পক্ষীয় সেনাগণ যুদ্ধে ক্ষান্ত হইয়া মুহুর্ম্মুহুঃ গর্জ্জন করিয়া বিশ্রাম করিতে লাগিল। পার্থিবগণ বিমনাঃ হইয়া দ্বৈরথযুদ্ধে শ্বেতকে নিহত দেখিয়া চিন্তা করিতে করিতে শিবিরে প্রবেশ করিলেন।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172 173 174 175 176 177 178 179 180 181 182 183 184 185 186 187 188 189 190 191 192 193 194 195 196 197 198 199 200 201 202 203 204 205 206 207 208 209 210 211 212 213 214 215 216 217 218 219 220 221 222 223 224 225 226 227 228 229 230 231 232 233 234 235 236 237 238 239 240 241 242 243 244 245 246 247 248 249 250 251 252 253 254 255 256 257 258 259 260 261 262 263 264 265 266 267 268 269 270 271 272 273 274 275 276 277 278 279 280 281 282 283 284 285 286 287 288 289 290 291 292 293 294 295 296 297 298 299 300 301
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগীতা – কালীপ্রসন্ন সিংহ
    Next Article শেষ উপহার – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কালীপ্রসন্ন সিংহ

    গীতা – কালীপ্রসন্ন সিংহ

    July 28, 2025
    কালীপ্রসন্ন সিংহ

    হুতোমপ্যাঁচার নক্সা – কালীপ্রসন্ন সিংহ

    July 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }