Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানুষ শক্তির উৎস – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. আমি উঠে দাঁড়ালাম

    ০২.

    আমি উঠে দাঁড়ালাম। টেবিলের ওপরে হাতঘড়িতে সময় দেখলাম। রাত্রি দশটা বেজে পনেরো মিনিট হয়েছে। এ সময়ে, আমার ঘরের দরজায় কে শব্দ করতে পারে। সবাই জানে, আমি শুতে চলে এসেছি। এখন মামার খাবার সময়। মামা কি হরিকে দিয়ে আমাকে ডাকতে পাঠিয়েছেন। কিন্তু হরিকে তো বলে দিয়েছি, আমি বাইরে থেকে খেয়ে এসেছি। আমাকে যেন খেতে না ডাকে। বলার সময় হরি আমার মুখের দিকে তাকিয়েছিল। খেয়ে আসার কথাটা বোধ হয় বিশ্বাস করেনি। না করুক, আমি হরির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে, মামিমার ঘরের দিকে ফিরে তাকিয়েছিলাম। তখন রাত্রি আটটা বেজেছিল। মামিমার ঘরে আলো জ্বলছিল। মামার কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। তখনও ফেরেননি। কারোরই কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না।

    মামিমার ঘরের দিকে তাকিয়েও, আমি সেদিকে যাইনি। হরির কাছে পার পাওয়া যাবে, মামিমার কাছে পার পাওয়া যাবে না। তাই হরির দিকে ফিরে বলেছিলাম, আমি শুতে যাচ্ছি, খুব ঘুম পাচ্ছে। আমাকে খাবার জন্য ডেকো না। বাইরে থেকে খেয়ে এসেছি।

    হরি ছেলেটা ভালমানুষ। আমাদেরই বয়সি হবে, একটু বড়ও হতে পারে। এ বাড়িতে ও আমার আগে এসেছে। এগারো বছর বয়সে নাকি এসেছিল।

    খট খট খট। দরজায় আবার শব্দ হল। এ বার আর একটু জোরে। মামা নিজেই বোধ হয় ডাকতে এসেছেন। দীপু রমুদের কেউ নয় তো? ওরা তো বাড়িতে কত রাত্রে আসে, কখন খায়, কোনও ঠিক থাকে না। দীপু আর রমু, আমার মামাতো ভাই। ওরা হয়তো আজ তাড়াতাড়ি চলে এসেছে। এসে শুনেছে, আমি না খেয়ে শুতে চলে এসেছি। তাই ডাকতে এসেছে। কিন্তু আমি তো হরিকে বলেই এসেছি–আমি শুতে যাচ্ছি। জানালা-দরজাও বন্ধ করে দিয়েছি, যাতে বাইরে আলো না যায়। যেন সবাই মনে করে, আমি ঘুমিয়ে পড়েছি।

    কিন্তু এত যখন দরজা ধাক্কাধাক্কি, তখন খুলতেই হবে। আমি এগিয়ে গিয়ে দরজা খুলোম। একটা হাত এগিয়ে এল, পরদা সরে গেল। দেখলাম, রমু দাঁড়িয়ে আছে। রমুর সঙ্গে আমার চোখাচোখি হল। ও আমার দিকে এক বার ভাল করে দেখল, আমার পা থেকে মাথা পর্যন্ত। রমুকে দেখে মনে হচ্ছে, ও এইমাত্র বাইরে থেকে এসেছে। এখনও বাইরের পোশাক ছাড়েনি, পায়ে এখনও জুতো। ওর কপালে গালে গলায় ঘাম ঝরছে। বুকের কাছে শার্টের বোতাম খোলা। দেখলাম ঘামে ভিজে বুকটাও চকচক করছে। রমু আমার থেকে দু বছরের বড়। ওকে আমি রমুদা তুই’ বলি। ওর চোখের চাউনিটা যেন কী রকম। আমার দিকে দেখে, মুখ ফিরিয়ে বাইরের দিকে তাকাল। আবার আমার দিকে ফিরল।

    পলকের মধ্যেই আমার মনে একটা ঝিলিক হেনে গেল। জিজ্ঞেস করলাম, কী, পুলিশ এসেছে?

    রমু ঘাড় নেড়ে বলল, না। তুই কি ঘুমোচ্ছিলি?

    সোজাসুজি মিথ্যা কথাটা বলতে পারলাম না। জিজ্ঞেস করলাম, কেন?

    রমু তৎক্ষণাৎ আমার কথার কোনও জবাব দিল না। পরদাটা আর একটু তুলে ধরল। বাইরের দিকে আবার এক বার তাকাল। বলল, তোর সঙ্গে একজন দেখা করতে এসেছে।

    অবাক লাগল। এত রাত্রে আমার সঙ্গে কে দেখা করতে আসবে! আসতে পারত, একজন। অনেক দিনই হঠাৎ, না জানিয়ে, এ রকম সময়ে সে এসে পড়ত। এর পরেও, আরও বেশি রাত্রেও কখনও কখনও এসেছে। হরি ছাড়া কেউ জানতে পারত না। দীপু রমুও কখনও কখনও টের পেয়েছে বা ওদের সঙ্গেই হয়তো সে এসেছে–এসে পড়ত। কেবল মামা-মামিমাই জানতে পারতেন না। আর সবাই মোটামুটি জানত। সেই আসাটা, ঠিক অভিসার না। সে এলে, আমি দরজাও বন্ধ করতাম না। সে নিজেও, বেশি রাত্রে এসে, দরজা বন্ধ করে আমার সঙ্গে দেখা করত না। আসলে দরজা বন্ধ করার কোনও দরকারই হত না। হরি বা রমু দীপু, কেউ আমাদের দরজায় পাহারা দিত না। কেবল হরি নীচের তলায়, বাইরের ঘরে অপেক্ষা করত। কখন সে চলে যাবে, কখন হরি দরজা বন্ধ করবে।

    কিন্তু সে–সে তো আর আসবে না!

    হঠাৎ আমার মনে হল, বাইরের বারান্দায় রমুর পাশ ঘেঁষে কেউ যেন সরে গেল। আমি তার পায়জামার নীচের অংশ, আর পায়ের স্যান্ডেল দেখতে পেলাম। তারপরেই একজন এসে আমার। দরজায় দাঁড়াল। রমু একটু সরে গেল। যাকে দেখলাম, তার পরনে পায়জামা নেই। ট্রাউজার আর শার্ট, পায়ে রবার সোলের জুতো।

    সুবীর! সুবীর আমার দরজায় দাঁড়িয়ে। ওকে দেখা মাত্র, এক বার যেন আমার বুকের মধ্যে কেঁপে উঠল। আমার পায়ের তলায় মাটিও যেন এক বার কেঁপে গেল। তারপরেই, বুঝতে পারলাম, আমার বুকের মধ্যে ছলাৎ ছলাৎ করছে। আমার ভিতরে যেন একটা তোলপাড় চলছে।

    সুবীর আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমিও ওর চোখের দিকে চেয়ে আছি। হ্যাঁ, এই সেই চেহারা, দেখলেই মনে হয় যেন একটা আগুনের ঝলক। লম্বা শক্ত চেহারা। চওড়া কপাল, চওড়া আর শক্ত চোয়াল। মাথায় বড় বড় রুক্ষু চুল। কখনও চিরুনি পড়ে কিনা সন্দেহ। গোঁফ-দাড়ি কয়েক দিন কামানো হয়নি। চোখা নাক ধারালো চোখ। চোখ দুটো যেন সবসময়েই ঝকঝক করছে। অতিরিক্ত উজ্জ্বল। কিন্তু চোখের কোলে কালি। দেখলে মনে হয়, ঘুম নেই অনেকদিন। চোখের কোলের কালির জন্যই, চোখ দুটি যেন বেশি ঝকঝকে দেখায়। ওর একটা হাত ট্রাউজারের পকেটে, আর একটা হাত বাইরে।

    আমি এক বার সুবীরের ট্রাউজারের পকেটে রাখা হাতের দিকে তাকালাম। তারপরে আবার ওর চোখের দিকে। প্রায় এক মিনিটের বেশি সুবীর একভাবে দাঁড়িয়ে আমাকে দেখল। আমিও ওকে দেখলাম। দেখতে দেখতে, নিজেকে একটু শান্ত করবার চেষ্টা করলাম। ভিতরে যে উত্তেজনাটা হঠাৎ জেগে উঠেছিল, একটু কমল। বুঝতে পারলাম, ঘরের বাইরে বারান্দায় আর একজন কেউ দাঁড়িয়ে আছে। এখন বুঝতে পারছি, রমুদার চোখমুখের ভাব ও রকম দেখাচ্ছিল কেন। যেন একটা অস্বস্তি, দ্বিধা, একটু ভয় ভয় ভাব।

    সুবীর এ বার ঘরের ভিতর দিকে একবার তাকাল। যেন কিছু বলবে, এইভাবে, আবার আমার মুখের দিকে তাকাল। ওর ঝকঝকে চোখ দুটো, যে চোখ সবসময়েই যেন কীসের এক দীপ্ত ভাবনায় জ্বলছে, যেন কেমন শান্ত হয়ে উঠল। যেন ওর চোখে হঠাৎ ছায়া পড়েছে, যেমন রোদের বুকে হঠাৎ মেঘের ছায়া পড়ে। তারপরে যেন ওর সারা মুখেই একটা ছায়া পড়ল। গম্ভীর আর ব্যথিত দেখাল ওকে।

    তৎক্ষণাৎ আমার বুকে যেন আগুন জ্বলে উঠল। আমার ভিতরটা যেন ফুঁসে উঠল। আগুন জ্বলল আমার চোখেও। আমি বুঝতে পারছি, আমার মাথায় যেন কলকল করে রক্ত উঠছে। দাঁতে দাঁত চেপে বসছে। আমি জোরেই কথা বলতে গেলাম। কিন্তু ঝাঁঝালো অস্পষ্ট শোনাল আমার স্বর। জিজ্ঞেস করলাম, কী চাই?

    দরজার কাছ থেকে আমি সরতে চাইনি। কিন্তু সুবীর আমার পাশ কাটিয়ে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ল। ওর গম্ভীর চাপা স্বর শোনা গেল, তোমাকে দেখতে এলাম।

    আমি ঘরের মধ্যে সরে এসে, একভাবেই ওর চোখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কেন?

    সুবীর সেই মুহূর্তেই কোনও জবাব দিল না। আমার দিকে এক বার দেখে, ঘরের চারদিকে এক বার দৃষ্টি ঘুরিয়ে নিল। রমু এসে ঘরের মধ্যে ঢুকল, দরজার এক পাশে দাঁড়াল। সুবীর ট্রাউজারের পকেট থেকে হাত বের করে নিল। কিন্তু পকেটটা ফুলেই রইল। আমি জানি, ওর পকেটে কী আছে। চোখের পলকে, ওর পকেট থেকে ওটা উঠে এসে, সাপের মতো এক ছোবলে সব শেষ করে দিতে পারে। ও কি সেইজন্য এ সময়ে আমার কাছে এসেছে!

    সুবীর রমুর দিকে ফিরে বলল, রমেন, তুমি বাইরে যাও।

    রমুদা এক বার আমার দিকে দেখল। তারপরে বাইরে চলে গেল। সুবীর আমার দিকে তাকাল। গম্ভীর আর নরম স্বরে বলল, তোমাকে এক বার না দেখতে এসে পারলাম না।

    আমি তৎক্ষণাৎ যেন ছুরি বেঁধানোর মতো জিজ্ঞেস করলাম, কী দেখতে?

    সুবীর কোনও কথা বলল না। আমার দিক থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে একটা নিশ্বাস ফেলল। ঠোঁটে ঠোঁট চাপল। আমি আবার বলে উঠলাম, আমি কী রকম বুক চাপড়ে, মাথার চুল ছিঁড়ে ডুকরে ডুকরে কাঁদছি, তাই দেখতে?

    সুবীর মাথা নেড়ে বলল, না। তুমি ওভাবে কাঁদবে না, আমি জানি।

    তবে? শোকে আমি কেমন হয়েছি–তাই দেখতে?

    সুবীর একটু সময় আমার দিকে তাকিয়ে দেখল। বলল, সে সব কিছুই না। তোমার কাছে এক বার আসা উচিত বলে মনে হল। কেননা, আর যাই হোক, তুমি তো আমাদের বন্ধু।

    আমার মনে হল, চিৎকার করে সুবীরের কথা থামিয়ে দিই। কিন্তু চিৎকার করা সম্ভব না। আমি বিদ্রূপ করে উচ্চারণ করলাম, বন্ধু?

    নও?

    কোনও দিনই না। কোনও দিনই তোমাদের বন্ধু ছিলাম না।

    সুবীরের কোনও উত্তেজনা নেই। বলল, তুমি আমাকে আমাদের ভুল ভাবছ বলেই, এ সব কথা বলছ। আসলে আমরা এর জন্য দায়ী নই।

    আমি বললাম, কে দায়ী আর কে দায়ী নয়, আমি তা ভাল ভাবেই জানি। আমাকে কিছু বলতে হবে না।

    সুবীর বলল, তুমি আমাকে বিশ্বাস করছ না।

    কেন করব?

    কেন করবে না? অবিশ্বাসের কাজ কি কখনও করতে দেখেছ?

    সুবীরের ছায়াভরা মুখে একটা করুণ ভাব। আমি বললাম, অবিশ্বাসের কাজ কেন। যাদের যা করা উচিত, তারা তা-ই করেছে। তুমি তা-ই করেছ।

    সুবীর বলল, আমি করিনি, আমরা করিনি। সমস্ত ব্যাপারটা ইনভেস্টিগেট করা হচ্ছে, কে করেছে, কীভাবে ঘটনাটা ঘটল।

    আমি বললাম, সে সব জেনে আমার দরকার নেই। যা ঘটবার তাই ঘটেছে। সেটাও আগেই অনুমান। করা গিয়েছিল, এ ঘটনা ঘটতে পারে। ঠিক তাই ঘটেছে।

    সুবীর বলল, সেই জন্যই তোমার অবিশ্বাস এত বেশি। আমি জানি, মনে মনে তুমি এ রকম একটা আশঙ্কা করেছিলে। হয়তো সজলও করেছিল।

    সেটা খুব ভুল হয়নি।

    অথচ আমাদের সে রকম কোনও ডিসিশনই ছিল না। তুমি হরিশদাকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারো।

    আমি সুবীরের চোখের দিকে তাকালাম। বললাম, সবসময় সব কাজ কি ডিসিশনেই হয়? আমাকে কি তা-ই বিশ্বাস করতে হবে?

    সুবীর বলল, তার মানে, তুমি তা হলে আমাকেই সন্দেহ করছ।

    বললাম, তাতে কিছু আসে যায় না।

    সুবীর কিছু না বলে, কয়েক মুহূর্ত আমার দিকে চেয়ে রইল। তারপরে ঘরের অন্য দিকে হেঁটে গেল। আমি এখন ওর পিছনটা দেখতে পাচ্ছি। আমার এই ঘর থেকে রাস্তা দেখা যায়। রাস্তার দিকে জানালা আছে। সুবীর বন্ধ জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। খড়খড়ি লাগানো জানালা। কাচের পাল্লা খোলা। সুবীর শব্দ না করে খুব আস্তে আস্তে খড়খড়ি একটু ফাঁক করল। ঝুঁকে পড়ে চোখ লাগিয়ে রাস্তার দিকে। দেখল।

    আমি জানি, ও কী দেখছে। কিন্তু তার জন্য এখন আমার একটুও ভয় করছে না। অন্য দিন, অন্য সময়ে, সুবীরকে আমার এ ঘরে এ সময়ে আসতে দেখলে আমি শিউরে উঠতাম। একটা মুহূর্তও নিশ্চিন্ত হতে পারতাম না। কথা বলতে পারতাম না। দুশ্চিন্তায় আর ভয়ে অস্থির হয়ে উঠতাম। কিন্তু এখন আমার মাথায় সে সব নেই। এখনও ওকে আমি দেখছি, সন্দেহে দুলছি। দুলছি না, আমার মন বলছে, সন্দেহ ঠিকই করেছি। কেননা, আমার চিন্তার সঙ্গে সব মিলে যাচ্ছে। আমি ভেবেছিলাম, সুবীর আমার কাছে আসতে পারে। এসে হয়তো বলবে, যা ঘটেছে তার জন্য ও দায়ী না। ও কিছুই জানে না।

    ঠিক তা-ই ঘটল। সুবীর এল, একই কথা বলল। আমার এ ঘরে ও কোনও দিন আসেনি। এ বাড়িতে কোনও দিন আসেনি। দীপু আর রমুর সঙ্গে ওর পরিচয় আছে। সে পরিচয় পুরনো বন্ধুত্বের। কলেজের বন্ধুত্ব আজ আর সে বন্ধুত্ব বোধ হয় নেই। এখন ওদের জগৎ আলাদা। ওদের কারোর সঙ্গে কারোর দেখা-সাক্ষাৎ হয় না। রমুদা বোধ হয় অনেক দিন বাদে সুবীরকে দেখতে পেল। দেখে নিশ্চয় ভয় পেয়েছে, অবাকও হয়েছে।

    সুবীর জানালার কাছ থেকে, আমার দিকে ফিরে দাঁড়াল। তারপর আস্তে আস্তে আমার টেবিলের দিকে এগিয়ে গেল। আমি সঙ্গে সঙ্গে টেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। সুবীর এক বার আমার দিকে দেখে, আবার টেবিলের দিকে তাকাল। আমার দিকে না তাকিয়েই বলল, ও মনে হচ্ছে, এগুলো। সজলের চিঠি।

    আমি কোনও জবাব দিলাম না। দরকার বোধ করলাম না। সুবীর বলল, ভয় নেই, নিয়ে নেব না।

    বললাম, আমি নিতে দেবও না।

    সুবীর বলল, আমার খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। খুব দেখতে ইচ্ছা করছে সজলের চিঠিগুলো। ওর চিঠিগুলো দেখলে, ওকে হয়তো আরও ভাল বুঝতে পারব। এখন মনে হচ্ছে, ওকে বোধ হয় খুব ভাল করে কখনও বুঝতে পারিনি।

    আমি বিদ্রুপের সুরে বললাম, আশ্চর্য, বোঝবার দরকার ছিল নাকি?

    সুবীর টেবিলের দিকে চোখ রেখে বলল, তুমি কী ভেবে বলছ, জানি না। সজলকে বোঝা মানে, ওর মতামতের কথা আমার জানাই ছিল। যে মতের সঙ্গে আমাদের কখনও মিলতে পারে না। আমি ব্যক্তিগত বোঝাবুঝির কথা বলছি।

    ব্যক্তিগত বোঝাবুঝির কোনও দাম আছে বলে তো কখনও শুনিনি।

    সুবীর যেন একটু থমকে গেল। একটু চুপ করে থেকে, তারপর বলল, তা অবিশ্যি নেই। একজন ব্যক্তিগতভাবে কত ভাল চরিত্রের মানুষ সেটা বড় কথা নয়। আসলে তার চিন্তা আর বিশ্বাস।

    আমি বাধা দিয়ে বলে উঠলাম, থাক, ও সব কথা আমি অনেক শুনেছি, কথাগুলোর অর্থও আমার জানা আছে।

    সুবীর আমার চোখের দিকে তাকাল। পলকের জন্য যেন ওর চোখ দুটি এক বার জ্বলে উঠল, চোয়াল শক্ত দেখাল। আবার সঙ্গে সঙ্গেই শান্ত হয়ে গেল। বলল, কিছুতেই আমাকে বিশ্বাস করতে পারছ না।

    আমি কোনও জবাব দিলাম না। সুবীর আবার বলল, এখন তোমার মনের সে রকম অবস্থাও বোধ হয় নেই। পরে হয়তো বিশ্বাস করতে পারবে। তবে ব্যাপারটা কীভাবে ঘটেছে, তা আমরা দেখব। যে ঘটিয়েছে, তাকে যেভাবেই হোক, খুঁজে বের করব।

    আমি বললাম, তাতেও কিছু যায় আসেনা। যা ঘটবার তাই ঘটেছে, আরও ঘটবেও। সবাই যে রকম চলে, চলছে, চলবে, সেইরকম চলছে ও চলবে। পরিবর্তন কিছুই হবে না।

    সুবীর আমার চোখের দিকে চোখ রেখে গম্ভীর স্বরে বলল, উলটো-পালটা কথা বলো না। আমরা আমাদের নীতি বাদ দিয়ে চলি না।

    আমি বললাম, আমিও নীতির কথাই বলছি। নীতিটা কী, তাও আমার জানা আছে।

    সুবীর যেন খানিকটা হতাশ হয়ে আমার কাছ থেকে সরে গেল। দুবার পায়চারি করল। হঠাৎ আমার মনে হল, শুধু একটা কথা বলতেই ও আসেনি। ওর আরও কিছু বলবার আছে। কিন্তু আমি আর দেরি করতে চাই না। রমু এখনও বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। কীভাবে ওর সঙ্গে সুবীরের দেখা হল জানি না। এখনও হয়তো খায়নি সে। আমাকে ঘরের মধ্যে সুবীরের সঙ্গে ছেড়ে দিয়ে বোধ হয় যেতেও পারছে না। যদিও তার কোনও কারণ নেই। সুবীর খুব বেশি কিছু করলে, কী করতে পারে। ওর পকেটের গুলি ভরা রিভলভারটা দিয়ে, আমাকে গুলি করে মারতে পারে। সে ভয় আমি করি না। সে ভয় আমি অনেক দিনই ছেড়েছি।

    তবু আমি বললাম, তুমি এভাবে এলে কেন। তুমি জান, এতে কত বিপদ ঘটতে পারে?

    সুবীর বলল, আমি খুব সাবধানেই এসেছি। সন্ধের থেকে আমাদের লোক এখানে ছড়িয়ে আছে।

    বললাম, তোমার জন্য আমি কিছু বলছি না। আমার ভয় এই বাড়িটার জন্য। আমার ভয় মামার জন্য, দীপু আর রমুদার জন্য।

    সুবীর বলল, ভয় নেই, আমি সব দিক দেখে আর ভেবেই এসেছি।

    কথা বলতে বলতে সুবীর আমার দিকে এগিয়ে এল। টেবিলের দিকে আবার তাকাল। জিজ্ঞেস করল, কিছু লিখছিলে মনে হচ্ছে!

    আমি টেবিলের কাছ থেকে একটুও না সরে, চুপ করে রইলাম। লিখছিলাম, সে কথা সুবীরকে বলবার দরকার নেই। লিখতে বসেছিলাম, সেটা বোঝাই যাচ্ছে। বাঁধানো খোলা খাতার ওপরে কলম পড়ে রয়েছে, লেখাও রয়েছে।

    সুবীর বলল, যাই হোক, তোমার বিশ্বাস অবিশ্বাস তোমার কাছে রইল। আমার আরও দু-একটা কথা আছে, সেগুলো বলে যাই।

    আমি শোনবার জন্যই চুপ করে রইলাম। সুবীরের দিকে তাকালাম না। আমি দেখছি, আমার সব ধারণাগুলোই মিলে যাচ্ছে। সুবীর বলল, আমরা এখনও বিশ্বাস করি, সজল ভুল পথে চলছিল, ভুল চিন্তা করছিল।

    আমি সঙ্গে সঙ্গে জবাব দেবার জন্য মুখ তুলতেই, সুবীর হাত তুলে বলল, আমাকে আগে শেষ করতে দাও। তুমি কী বলবে, তা আমি জানি। এর পরে, তুমি আমাদের সঙ্গে কী রকম সম্পর্ক রাখবে তা জানি না।

    আমি বলে উঠলাম, সম্পর্কের পাট আমার শেষ হয়েছে।

    সুবীর যেন আমার কথা শুনতেই পেল না। বলল, আমরা তোমার কাছ থেকে খারাপ কোনও কিছু আশা করি না। আমাদের ক্ষতি হয়, নিশ্চয়ই তুমি সে রকম কিছু করবে না।

    অবিশ্বাস! সুবীর এখন আর আমাকে বিশ্বাস করতে পারছে না। কিন্তু আমি কোনও জবাব দিলাম না। ও আবার বলল, তোমাকে অবিশ্বাসের কিছু নেই। তবু মানুষের মনের কথা কিছু বলা যায় না। মন এক বার ভেঙে গেলে, তখন অনেক কিছুই ঘটতে পারে।

    বললাম, যদি ক্ষতি করি, তবে তোমাদের ছুরি বন্দুক তো আছেই।

    সুবীর একটু থেমে থেকে বলল, তা আছে। কিন্তু ক্ষতিটা ক্ষতিই। এ কথা তোমাকে আমি বললাম, আমাদের অনেকের মনের মধ্যেই এ রকম একটা চিন্তা এসেছে। আর

    সুবীর থামল। আমি ওর চোখের দিকে তাকালাম। সুবীর বলল, তোমার কাছে দুটো রিভলবার রয়েছে। ও দুটো আমাকে দিয়ে দাও।

    আমি যেন চমকে উঠলাম, আর হঠাৎ মনে পড়ে গেল। আজ বিকেলে বাড়ি থেকে বেরোবার সময়েও ভেবেছিলাম, অস্ত্র দুটো নিয়ে বেরোব। কাছাকাছি কোনও পার্কের মধ্যে গিয়ে, পুকুরের জলে ফেলে দেব। ও দুটো জিনিস আমি আর সহ্য করতে পারছিলাম না। যতই ভাবছিলাম, আমার ঘরে, খাটের নীচে, একটি বিশেষভাবে তৈরি বাক্সের মধ্যে ও দুটো জিনিস রয়েছে, এখনও রয়েছে, ততই যেন বিধছিল। আমি বলে উঠলাম, এখুনি এখুনি। দেরি হলে ও দুটো বোধ হয় আমি কোথাও ফেলে দিতাম।

    আমি খাটের তলায় নিচু হয়ে ঢুকলাম। মনের মধ্যে একটা উত্তেজনা রয়েছে বলেই, মাথাটা বারে বারে ঠুকে গেল। সেকালের উঁচু খাট না, বেশ নিচু। একজন মানুষের পক্ষে ঢোকা মুশকিল। বাক্সটা হাতড়ে খুঁজে পেয়ে, ডালাটা ঠেলে দিলাম। ভিতরে হাত দিয়ে অস্ত্র দুটো বের করে নিলাম। মেঝের সঙ্গে ঘেঁষটে বেরিয়ে এসে, খাটের ওপর রেখে দিলাম। এখন আরও পরিষ্কার বুঝতে পারছি, সুবীর কেন এসেছে। শেষের কথাটাই বিশেষভাবে বলতে এসেছিল। আর এই রিভলবার দুটো নেবার জন্য।

    খাটের ওপর অস্ত্র দুটো রেখে আমি সরে দাঁড়ালাম। দেখলাম, সুবীর আমার দিকে তাকিয়ে আছে। ওর চোখের দৃষ্টিটা অন্য রকম, যেন অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। বলল, আমাকে বললেই পারতে কোথায় আছে। আমি বের করে নিতাম। তোমার মুখে ধুলো লেগে গেছে।

    আমি কিছু না বলে, আঁচল তুলে মুখ মুছলাম। সুবীর খাটের কাছে গিয়ে বিছানার ওপর থেকে রিভলভার দুটো তুলে নিল। একটু সময় নজর করে দেখল। দেখে আমার দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করল, এতে গুলি ভরা ছিল না, না?

    বললাম, জানি না। যেমন পেয়েছিলাম, তেমনি রেখে দিয়েছি।

    বলে আমি আমার লেখার টেবিলের কাছে সরে গেলাম। আমার খাতা কলম আর সজলের চিঠিগুলোর ওপরে চোখ পড়ল। কটাই বা চিঠি। কেন যে রেখে দিয়েছিলাম, তাও জানি না। সজল জানত, আমি চিঠিগুলো সবই নষ্ট করে ফেলি। অনেক চিঠিই নষ্ট করে ফেলেছি। ইদানীং আর নষ্ট করতাম না। সজলের চিঠির ব্যাপারটা আলাদা। আমার সঙ্গে দেখা হত, কথা হত, তবু সে আমাকে চিঠি লিখত। কিন্তু ও যখন একলা থাকত, হঠাৎ তখন ওর কিছু লিখতে ইচ্ছা করত। আর সেটা আমাকে উদ্দেশ করেই চিঠির ভঙ্গিতে লিখত। চিঠির ভঙ্গি বললাম, এই কারণে, অনেক সময় সেগুলো ঠিক চিঠি বলে মনে হত না। তাতে আমাদের দুজনের কথা কিছু থাকত না। কেবল আমাকে সম্বোধন করে, ওর মনে যে কথাগুলো আসত, সেই কথাগুলো লিখে যেত। একেবারে শেষের দিকে এসে, লিখত, এখন তোমার কাছে যেতে পারলে খুব ভাল লাগত। কিন্তু তুমি তো এখন ঘুমোচ্ছ। ঘুমাও। আমি বরং তোমার চোখের পাতায় একটু ঠোঁট বুলিয়ে রাখি। ঘুমোও।–সজল। পরের দিন চিঠিটা আমার হাতে দিয়ে বলত, কাল রাত্রে তোমাকে চিঠিটা লিখেছি। অনেক আবোল-তাবোল লিখেছি। নাও, পড়ে ছিঁড়ে ফেলে দিয়ো৷

    দিইনি। ইদানীং আর দিতাম না। এই তো সেইসব চিঠি।

    বিন্দু।

    ডাকটা শুনেই যেন আমার পায়ের তলায় ভূমিকম্প হয়ে গেল। আমার সারা গায়ে একটা ধাক্কা লেগে গেল। ডাকটা যেন আমার কানে ঢোকেনি। সোজা আমার বুকে এসে বিঁধেছে। বিধে একটা চাপা পড়া ফোয়ারার মুখ খুলে গিয়েছে, আর আমার বুকের মধ্যে যেন অজস্র ধারায় কিছু ছড়িয়ে পড়ছে, শব্দ শোনা যাচ্ছে। আমি দ্রুত ঘূরে দাঁড়ালাম। সুবীরের সঙ্গে আমার চোখাচোখি হল।

    সুবীরের মুখে আলো পড়েনি। আলোর পিছনে ওর মুখ। আমি ওর মুখ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি না। অস্পষ্ট দুটি বিন্দুর মতো ওর চোখ দুটি দেখতে পাচ্ছি। ওর সমস্ত মূর্তিটাই আমার কাছে ঝাপসা লাগছে। আমি যেন ওকে ঠিক সুবীর বলে চিনতে পারছি না। আমি এখনও ঠিক বিশ্বাস করতে পারছি না, সুবীর আমাকে ওই নাম ধরে ডেকেছে। কোনও দিন ডাকেনি। কোনও দিন ডাকতেও বলিনি। আমি চাইনি, আর কেউ ও নামে আমাকে ডাকুক, একজন ছাড়া। মনে মনে কখনও কোনও দিন চেয়েছি কি না, এই মূহুর্তে তা মনে করতে পারছি না।

    সুবীর বলল, আমি যাচ্ছি।

    বলে ও আর দাঁড়াল না। সোজা দরজার দিকে চলে গেল। পরদা তুলে ঘরের বাইরে চলে গেল। কিন্তু আমার কানে সেই ডাকটাই শুধু লেগে আছে। আমার বুকের অজস্র ধারার মধ্যে, শুধু একটাই শব্দ বাজছে, বিন্দু বিন্দু বিন্দু। যেন এটা আর এখন আমার নাম নয়। একটা মন্ত্রের মতো বাজছে।

    কেন জানি না, হঠাৎ মনে হল, গলার কাছে কিছু ঠেলে আসছে। আমি দু হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরলাম। আমার চোখ ঝাপসা হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাকালের রথের ঘোড়া – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অশ্লীল – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }