Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানুষ শক্তির উৎস – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮. আজ বাড়িতে ছোটখাটো উৎসব

    ০৮.

    দু বছর এভাবে কেটেছে। আজ বাড়িতে ছোটখাটো উৎসবই বলতে হবে। রমুদার বন্ধুরা এসেছে। সজল, মিহির, বিপ্লব, শ্যামল, রাখী আর ঋতা। আমার কেমন ইচ্ছা না থাকলেও, রমুদা আর দীপুর। কথাতেই, বীথি আর দীপাকেও নিমন্ত্রণ করা হয়েছে। ওরাও এসেছে। দুজন ছাড়া সবাই আমার চেনা। সজল আর ঋতা আমার চোখে নতুন। ওদের নাম শুনেছি রমুদার মুখে। বিশেষ করে ঋতার নাম। রমুদা যাকে বলে প্রেম’ তা এই ঋতার সঙ্গেই। শুনেছিলাম, ঋতা নাকি সুন্দরী। আজ দেখছি, ঋতা কেবল সুন্দরী নারূপসী বলতে যা বোঝায়, তা-ই। সত্যি ও সুন্দরী। বড় বড় চোখ, টিকোলো নাক, মুখোনি। মিষ্টি। লম্বা তেমন না। স্বাস্থ্যটা ভাল। শুনেছি, ওদের অবস্থা তেমন ভাল না। তবু আজ ঋতা সরষেফুল রঙের সিলকের শাড়ি পরে এসেছে। বেশ মানিয়েছে। আমার সঙ্গে রমুদা পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।

    সজলের সঙ্গেও দিয়েছে। দেবার সময় বলল, তোকে তো সজলের নাম বলেছি।

    আমি ঘাড় নেড়ে জানালাম, হ্যাঁ।

    এই সেই সজল।

    বলেই সজলের দিকে তাকিয়ে, রমুদা ভুরু কাঁপিয়ে বলল, কী, ঠিক বলেছিলাম?

    সজল আমার মুখের দিকে তাকিয়েছিল। বলল, একজাক্ট।

    কী একজাক্ট, কিছুই বুঝলাম না। আমি রমুদার দিকে তাকালাম। রমুদা এক বার আমার দিকে, আর এক বার সজলের দিকে দেখতে লাগল। মুখে চাপা হাসি। ওর গোঁফ এখন বেশ স্পষ্ট। ঠোঁটের নীচে হেঁটে, ওপর থেকে একটু কামিয়ে, আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। রমুদা দেখতে আগের থেকে বড় হয়েছে, সুন্দর হয়েছে; আমার ভাষায়, পাজি’ হয়েছে।

    সজল রমুদার থেকে মাথায় আর একটু লম্বা। মাখন রঙের ট্রাউজার, পায়ে নতুন ধরনের কাবলি, আগে এ রকম কখনও দেখিনি, গায়ে শার্টের রং অনেকটা ঋতার শাড়ির মতো। গায়ের রং শ্যাম, চোখ দুটো বেশ বড়, নাকটা টিকোলো। মুখে মেয়েলি ছাপ আছে। চুলের সিঁথি প্রায় দেখা যায় না, দু পাশ থেকে টেনে তুলে দিয়েছে। কুচকুচে কালো চুল খুব কোঁচকানো নয় বটে, কিন্তু কোঁচকানো। চোখের তারা দুটোও খুব কালো। এখনও ওর গোঁফ রমুদার মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি।

    কিন্তু সজল ঠোঁট টিপে হেসে, আমার দিকে অমন করে তাকিয়ে কী দেখছে! চোখের চাউনিতে রীতিমতো যেন দুষ্টুমি মাখানো। একজাক্ট বলল কেন! কিন্তু আমার কেমন লজ্জা করছে, আর সজলের চাউনি দেখে মনে মনে রাগও হচ্ছে। বড় বড় কালো চিকচিক করা চোখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, একটি ফাজিল। আমি রমুদার দিকে তাকিয়ে, বিরক্ত হয়ে বললাম, কী বলবি বল, তাকিয়ে আছিস কেন?

    সজল বলে উঠল, আমি বলব?’

    আমি সজলের মুখের দিকে তাকালাম। সজল খুব গম্ভীর হয়ে উঠল, ভুরু জোড়া তুলে, চোখ একটু বড় করে, আমার মাথার ওপর দিয়ে সামনে তাকাল। যেন বিশেষ কিছু বলবে বলে, কিছু ভাবছে। আমার খুব অবাক লাগছে। কী বলতে চায় সজল। সজল উচ্চারণ করল, মানে।

    আবার চুপ করল, রমুদাকে চোখের কোণ দিয়ে এক বার দেখে নিল। বলল, রমু আমাকে বলছিল, তুমি নাকি লিজার মতো দেখতে। তুমি তার চেয়ে অনেক সুন্দর, দারুণ

    রাগে, আমার মুখে রক্ত ছুটে এল। আমি তৎক্ষণাৎ পিছন ফিরে, অন্য দিকে চলে গেলাম। পিছন থেকে ওরা দুজনে হো হো করে হেসে উঠল। আমি আর থাকতে পারলাম না। থমকে দাঁড়িয়ে ফিরে বললাম, দ্যাখ রমুদা, এ সব অসভ্যতা আমি একটুও ভালবাসি না।

    বলেই আমি আবার নীচের সিঁড়ির দিকে চলে গেলাম। রমুদার হাসি শুনতে পেলাম, এবং সঙ্গে সঙ্গে সজলের ধমক, এই, অসভ্যের মতো হাসিস না।’

    রমুদা আরও জোরে হেসে উঠল। তার মানে, সজল আমাকেই ঠাট্টা করল। মনে মনে বললাম, পাজি, অসভ্য।

    রমুদা চিৎকার করে উঠল, যমুনা শোন, শুনে যা।’

    কাঁচকলা, আমার বয়ে গিয়েছে। আমি সিঁড়ি দিয়ে, সোজা নীচে নেমে, রান্নাঘরে মামিমার কাছে চলে গেলাম। রান্নার লোক আছে, সে ভালই রাঁধে। তবু আজ রমুদার বন্ধুদের জন্য, মামিমা নিজেই কিছু। কিছু রান্না করছেন। আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, কী রে, চলে এলি?

    বললাম, এমনি। তুমি কী করছ, দেখতে এলাম।

    মামিমা বললেন, তুই তো পাকা গিন্নি, সবই রান্না করতে পারিস।

    বললাম, হ্যাঁ, তোমাকে আমি বলেছি!’

    বলবি কেন, জানি তো, ঠাকুরঝি অসুখে পড়লে, তুই বাড়িতে সবাইকে বেঁধে খাওয়াতিস।

    ও রকম ডাল-ভাত সবাই রান্না করতে পারে।

    মামিমা আবার রান্নায় ব্যস্ত হলেন। দুটো উনোনে রান্না চলছে। হরি স্যালাড তৈরি করছে। পেঁয়াজ টমাটো গাজর শশা ইত্যাদি সবই বেশ নকশা করে কাটছে। ওটা ও ভাল পারে। আমি রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে গেলাম। খাবার ঘরে এলাম। ফ্রিজ খুলে, বোতল থেকে একটু জল খেলাম। জানালার পরদা সরিয়ে রাস্তার দিকে তাকালাম। ও ঘর থেকে রাস্তা দেখা যায়। কিন্তু রাস্তার কিছুই দেখছি না। এখনও আমার ভিতরটা রাগে ভরে আছে। মিহির, বিপ্লব, শ্যামল ওরা কোনও দিন এ রকম কথা বলেনি। সজল প্রথম দিন এসেই এ রকম বলল। ভারী পাজি। নিশ্চয়ই রমুদা ওকে আগে কিছু বলেছে। কী বলেছে, বুঝতেই পারছি। সবই আমার পিছনে লাগার ফিকির।

    এই যমুনা, তুই এখানে কী করছিস?

    বীথি এসে আমার পাশে দাঁড়াল। বললাম, এমনি দাঁড়িয়ে আছি।

    কেন রে। মামিমা বকেছেন নাকি?

    না তো।

    তবে তোর মুখটা ও রকম দেখাচ্ছে কেন?

    কী রকম আবার দেখাবে, কিছুই না।

    ওপরে চল, সবাই তোকে খুঁজছে।

    কে খুঁজছে?

    ঋতা, রাখী সবাই খুঁজছে।

    ওরা কোথায়?

    রমুদা? সব ছাদে গেছে।

    আমি বীথির সঙ্গে ওপরে গেলাম। ঋতা আর রাখী বারান্দায় দাঁড়িয়েছিল। ঋতা জিজ্ঞেস করল, কোথায় গেছলে যমুনা? কাজ করছিলে?

    বললাম, না, এমনি একটু নীচে গেছলাম।

    ঋতা বলল, চলো, তোমার ঘরে গিয়ে বসি।

    আমার ঘরে যাবার আগে, আমি মামিমার ঘরের পাশের ঘরের ভেজানো দরজাটা ঠেলে এক বার উঁকি দিলাম। এ ঘরে কেউ থাকে না। যা ভেবেছিলাম, তা-ই। দীপু আর দীপা বসে বসে কথা বলছে। জিজ্ঞেস করলাম, তোদের গল্প শেষ হয়নি?

    দীপু বলল, না।

    দরজাটা আবার টেনে দিয়ে চলে এলাম। দীপু আর দীপার ওপরে আমার খুব রাগ হয়। কী এত গল্প যে ওরা করে, ভেবে পাই না। দুজনে দুজনকে পেলে, আর কারোকে চায় না। ওদের গল্প করা আর শেষ হয় না। সকলে এক জায়গায় রয়েছে, ওরা সেখানে নেই। এও সেই রমুদার প্রেম’ হচ্ছে কি না, কে জানে! আমার ঘরে এলাম। বীথি ঋতা রাখী, ওরা আমার খাটের ওপর ছড়িয়ে বসেছে। বীথি ওদের দুজনের থেকে ছোট। তবু বেশ মেতে উঠেছে। রাখী কী একটা ইংরেজি সিনেমার গল্প বলছে, তাই নিয়ে হাসাহাসি হচ্ছে। রাখী লেখাপড়ায় খুব ভাল। বিশেষ করে ইংরেজি খুব ভাল জানে। ওদের বাড়িতেও ইংরেজি বেশি চলে। ওর কথাবার্তার ধরন-ধারণও একটু আলাদা। পোশাকে বেশে, চলনে বলনে, একটু মেমসাহেবি ভাব। ও বলছে, ওহ, সো ডেয়ারিং, কী বলব! আমি ভাবলাম, মেয়েটা বুঝি গায়ের থেকে ব্রা প্যান্টিও খুলে ফেলবে।

    ঋতা হেসে উঠে বলল, খোলেনি তো?

    রাখী বলল, গড সেভড আস।

    বীথি বলে উঠল, তারপরে কী হল? এসথারের সঙ্গে ছেলেটার বিয়ে হল?

    রাখী বলল, না। বিয়ে হল ওর থেকে বয়সে অনেক বড়, এক কোটিপতির সঙ্গে।

    বীথি বলে উঠল, বিচ্ছিরি, এ আমার ভাল লাগল না।

    ঋতা রাখী হেসে উঠল।

    .

    কিছুক্ষণ পরেই খাবার ডাক পড়ল। আমি আগে নীচে গেলাম। মামিমা বললেন, বিন্দু, তুই একটু পরে বসবি, আমার সঙ্গে ওদের পরিবেশন করবি।

    বললাম, আচ্ছা।

    আমি খাবার ঘরে গেলাম। গোটা বাড়িটা রান্নার সুগন্ধে ভরে গিয়েছে। খাবার টেবিলটা মস্ত বড়। দশ জন একসঙ্গে খেতে বসতে পারে। মামার বন্ধুরা প্রায় রাত্রেই, এই টেবিলে বসে খাওয়াদাওয়া করেন। ওপরেও একটা ছোট খাবার টেবিল আছে। রাত্রে আমরা প্রায়ই ওপরে খেয়ে নিই, নীচে এসে খাওয়া হয় না। মামার বন্ধুরা থাকেন।

    মামার কথা আমার মনে পড়ছে। এ সময় বাড়িতে থাকলে বেশ হত। কাজের জন্য থাকতে পারলেন না। বলে গিয়েছেন, ফাঁক পেলে এক বার এসে ঘুরে যাবেন। টেবিলের ওপরে প্লেট সাজানো হয়ে গিয়েছে, খাবারের পাত্রগুলো পাশের একটা ছোট টেবিলে রাখা হয়েছে। সিঁড়িতে সকলের গলার আওয়াজ পাওয়া গেল। সবাই এসে একসঙ্গে ঘরে ঢুকল। মামিমা বললেন, বসে পড়ো সবাই।

    রমুদা আমার পাশ দিয়ে যাবার সময়, পিঠে একটা খোঁচা দিয়ে গেল। আমি বলে উঠলাম, মামিমা, এ বার কিন্তু রমুদাকে আমি মারব।

    মামিমা মুরগি দিয়ে রান্না ভাতভাজা পরিবেশন করতে করতে বললেন, মার, আমাকে বলছিস কেন?

    সজলের গম্ভীর গলা শোনা গেল, এই রমু, দুষ্টুমি করিস না।

    শ্যামল বলে উঠল, ও বাব্বা, সজল একেবারে ঠাকুরদা হয়ে গেলি যে?

    সজল সেইভাবেই আবার বলে উঠল, না না, আমি ও সব পছন্দ করি না।

    এ বার মামিমাও হেসে উঠলেন। সজলকে এক বার তাকিয়ে দেখলেন। আমি অবিশ্যি সজলের দিকে এক বারও তাকাচ্ছি না। মামিমা বললেন, বিন্দু, তুই সবাইকে মাছের ফ্রাই দে।–কেউ টমাটো বা চিলি সস নিলে নিয়ে নিয়ো।

    মিহির বলল, আমার চিলি চাই।

    ঋতা বলল, আমারও।

    আয়োজন অনেক। মাছের মাথা দিয়ে ডাল, দু রকম নিরামিষ তরকারি, চিংড়ি মাছের মালাইকারি, তারপরেও মুরগির মাংস। মাছ ভাজা দিয়ে, আমি ডালের পাত্র নিয়ে এলাম। মামিমা নিরামিষ তরকারি নিয়ে এলেন। সব রান্নার নাম করে বললেন, যার যেটা ভাল লাগবে, সে সেটাই খাবে।

    রাখী বলল, মাসিমা, হায়ার সেকেন্ডারিতে এই খাওয়াচ্ছেন। এর পরে যখন রমু বি. এসসি. পাশ করবে?

    মামিমা বললেন, যা খেতে চাইবে, তাই খাওয়াব।

    সজলের গলা শোনা গেল, তা হলে আমি কেবল করলা ভাতে ভাত খাব।

    সবাই হো হো করে হেসে উঠল। ভীষণ পাজি ছেলেটা। মামিমা বললেন, কেন, শুধু করলা ভাতে কেন?

    সজল বলল, তেতো খেতে খুব ভালবাসি কিনা, তাই।

    বীথি বলল, রমুর বিয়ের সময় তো তা হলে কথাই নেই, দারুণ খাওয়া হবে।

    দেখলাম, বীথি এক বার ঋতার দিকে তাকাল, আর এক বার রমুদার দিকে। রমুদা মুখ টিপে হাসছে। ওর হাসি দেখলে হাসি পায়। ঋতার মুখটা একটু লাল হল। মুখ তুলল না।

    যমুনা, আমাকে একটু পটলের তরকারি দাও তো।

    সজলের গলা। কী পাজি। মামিমার কাছে চাইতে পারল না! মামিমা বললেন, দে বিন্দু, ওকে একটু তরকারি দে।

    রমু বলল, তরকারি খেয়ে পেট ভরাচ্ছিস কেন। মাছ খা।

    আমি সজলকে তরকারি দিলাম। ও মামিমাকে বলে উঠল, মাসিমা, যমুনার মুখটা কী রকম শুকনো দেখাচ্ছে।

    মামিমা বললেন, হ্যাঁ, বেলা হয়েছে তো, খিদে পেয়েছে।

    আমি বলে উঠলাম, মোটেই না।

    আমি রমুদার দিকে দেখলাম। হাসছে। এত রাগ হচ্ছে আমার! সজল আবার বলল, মাসিমা তা হলে ভুল বুঝেছেন, যমুনার খিদে পায়নি।

    মামিমা বললেন, আমাদের বিন্দু গ্রামের মেয়ে, ও অনেক কিছু সহ্য করতে পারে।

    সজল বলল, ওহ, গেঁয়ো!

    কয়েকজন হেসে উঠল। ঋতা বলল, মনে হচ্ছে, সজল যমুনাকে লেগপুল করছে।

    মামিমা আমার দিকে দেখে বললেন, আমারও তাই মনে হচ্ছে।

    সজল তাড়াতাড়ি বলল, না না, আমি কারোর পা ধরে টানাটানি করতে পারি না।

    আবার সবাই হাসল। মনে মনে বললাম, ছ্যাঁচড়া। মামিমা আমাকে বললেন, চিংড়ি মাছ আরও। কারোর লাগলে দে। আমি মুরগির দোপেঁয়াজিটা নিয়ে আসছি।

    সেটা তখনও রান্নাঘরে। মামিমা রান্নাঘরে গেলেন। শ্যামল বলল, দোপেঁয়াজি কেন, চার পেঁয়াজি হয় না?

    সজল বলল, না।

    কেন?

    তা হলে ওটা পোড়া পেঁয়াজি হয়ে যাবে। চার বার করে ভাজলে পেঁয়াজ পুড়েই যায়।

    শ্যামল ও সজলের কথার মধ্যেই সবাই হাসছিল। রাখী হঠাৎ বলল, তা হলে কি সিনেমায় যাওয়া হচ্ছে?

    মিহির বলল, গেলেও ইভনিং শোতে। এত খেয়ে, এখুনি ছুটতে পারব না।

    ঋতা বলল, আমি তো সোজা যমুনার ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ব।

    বিপ্লব এতক্ষণ একটা কথাও বলেনি। এবার বলল, তা হবে না, সবাই এক ঘরে থাকব।

    রাখী বলল, হ্যাঁ তাই।

    রাখী আর ঋতা চোখাচোখি করে হাসল। আমি সবাইকে আবার চিংড়ি মাছ দিলাম। বীথিকে জোর করে একটা বেশি দিলাম। দীপু দীপা পাশাপাশি বসে খাচ্ছে। একটা কথাও বলছে না। ওরাই বেশ আছে।

    সজল বলল, আমাদের বাঙালদের ভাইফোঁটার সময় বোনেরা কী বলে জানিস? শোন, যমুনা দ্যায় যমেরে ফোঁটা, আমরা দেই আমাগো ভাইয়েরে ফোঁটা।

    বীথি এত জোরে হাসল, মুখের খাবার পড়ে গেল। আমার দিকে চেয়ে সবাই হাসছে। সজল আবার বলল, এই ঋতা, তোরা বাঙাল না?

    ঋতা সঙ্গে সঙ্গে বলল, এই, তোকে তুই’ বলতে বারণ করেছি না?

    সজলটা কী অসম্ভব পাজি! বলল, আ রে যা যা, রোয়াব দেখাসনে।

    সকলের হাসির মধ্যেই, মামিমা এলেন। এসেই বললেন, বিন্দু, তোর প্লেট তো দেওয়াই আছে, তুই এবার বসে পড় বাবা।

    আমি বললাম, থাক না, আমি পরে বসব।

    মামিমা শুনলেন না, না, আর দেরি না, অনেক বেলা হয়েছে, বসে পড়। হরিকে ডেকে বললেন, তুই বিন্দুদিদিকে খেতে দে।

    আর উপায় নেই, বসতেই হবে। সকলের খাওয়া দেখে, এখন আর আমার খিদে পাচ্ছে না। তা ছাড়া, বিশেষ করে সজলের সামনে আমার খেতে ইচ্ছা করছিল না। বারান্দার বেসিন থেকে হাত ধুয়ে এসে বসলাম। শুধু ভাতভাজা আর চিংড়ি মাছ নিলাম। ওদের হতে হতে আমারও খাওয়া প্রায় শেষ। আমার জন্য বীথি আর ঋতা একটু বসে রইল। তারপরে সবাই কলকল করতে করতে, আবার ওপরে চলে গেল। ঋতা আমাকে ধরে নিয়ে গেল। রমুদাদের ঘরে আমার যেতে ইচ্ছা করছিল না। ঋতা ছাড়ল না।

    রমুদা ঘরের দরজা বন্ধ করে দিল। আমি, ঋতা, বীথি আর রাখী একটা খাটে বসলাম। আর একটাতে ওরা সবাই। রমুদা আলমারি খুলে, একটা বড় সিগারেটের প্যাকেট বের করল। বিপ্লব বলে উঠল, আহ হা, ফাইভ ফিফটি ফাইভ! তখন ছাদে দিসনি তো?

    রমুদা বলল, খাবার পরের জন্য রেখে দিয়েছিলাম।

    রমুদা আজকাল প্রায়ই সিগারেট খায়। প্রায়ই কেন, এখন বলতে গেলে, রোজই। আগের মতো, মাঝে-মধ্যে নয়। ওরা সবাই একটা করে সিগারেট নিল। রাখী বলে উঠল, রমু, তুই ম্যানার্স জানিস না। আগে আমাদের অফার করবি তো।

    রমুদা জিজ্ঞেস করল, খাবি?

    শ্যুর।

    রাখী একটা সিগারেট নিল। ঋতাকে দিতে গেলে, ও ঘাড় নাড়ল। কিন্তু বীথিটা নিয়ে নিল। রমুদা বলল, বীথি হচ্ছে রিয়্যাল স্পোর্ট। আমার খুব ভাল লাগে।

    বীথি বলল, থাক, তোমার আর ভাল লাগতে হবে না।

    রমুদা আমাকে জিজ্ঞেস করল, ইয়েস, মিস মিত্র, আপনার চলবে?

    বললাম, প্যাকেটটা সুদ্ধ দে।

    কেন?

    দে না।

    সজল বলে উঠল, খবরদার রমু, উনুনে নিয়ে ফেলে দেবে।

    রমুদা সামনে থেকে লাফ দিয়ে সরে গেল। আমি ঋতার দিকে তাকিয়ে হাসলাম। কথাটা সজল একেবারে মিথ্যা বলেনি। জানালা গলিয়ে ফেলে দেবার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু রাখী আর বীথি কি সত্যি সিগারেট খাবে নাকি? বিশেষ করে বীথির ওপরে আমার রাগ হচ্ছে। জিজ্ঞেস করলাম, তুই খেতে পারবি?

    বীথি বলল, মুখ দিয়ে ধোঁয়া ছাড়া তো৷

    রমুদার কাছ থেকে দেশলাই নিয়ে রাখী সিগারেট ধরাল, বীথিরটাও ধরিয়ে দিল। সকলের সিগারেটের ধোঁয়ায় ঘর ভরে গেল। বীথিটা কাশছে। রাখী বেশ ভালভাবেই খাচ্ছে। এর আগে, আমি কোনও মেয়েকে সিগারেট খেতে দেখিনি। ঋতাকে বললাম, তুমি খেলে না কেন?

    ঋতা বলল, খেয়ে দেখেছি, আমার মুখ তেতো হয়ে যায়, ভাল লাগে না।

    সিগারেট খাবার পরে, সবাই শোয়া আর আধশোয়া হয়ে পড়ল। আমিও ঋতার পাশে কাত হয়ে পড়েছি। মনে হচ্ছে, সবাই যেন ঘুমোচ্ছ। এ ঘরে নেই কেবল দীপু আর দীপা। ওদের শোয়া নেই, ঘুম নেই, কেবল কথা আর কথা। দীপাটা যেন আমার বন্ধু না, কেবল দীপুরই বন্ধু।

    আধ ঘণ্টাও কাটল না। মিহির লাফ দিয়ে উঠল, ধুত্তোরিকা, ভাল লাগছে না। এই রমু!

    বল।

    রেকর্ড বাজা।

    রমুদা উঠে ইংরেজি রেকর্ড বাজিয়ে দিল। সবাই উঠে বসল। সজল নেমে এসে বলল, নাচব। কে নাচবে আমার সঙ্গে!

    রাখী নেমে গেল। ওরা দুজনে, হাতে হাত ধরে, কাঁধে হাত রেখে, দুটো খাটের মাঝখানে, মেঝেতে নাচতে লাগল। আমি বুঝি না, কিন্তু নাচটা ভালই হচ্ছে, মনে হল। সবাই দেখছে। আমি কখনও এভাবে নাচবার কথা ভাবতে পারি না। মিহির সমানে শিস দিয়ে চলেছে। রমুদা ঋতাকে আঙুলের ইশারায় ডাকল। ঋতা মাথা নাড়ল, নাক কোঁচকাল। বীথি বলল, যাও না!

    ঋতা বলল, না, আমার এখন ভাল লাগছে না।

    একটা রেকর্ড শেষ হতেই, আর একটা রেকর্ড বেজে উঠল। এ বার রাখী আর সজল, হাত ছেড়ে দিয়ে সামনাসামনি নাচতে লাগল। টুইস্ট। সজল আর রাখীর ভঙ্গি দেখে, আমার ভীষণ লজ্জা করতে লাগল। এ কী রকম নাচ! অসভ্যের মতো লাগছে। সজল দেখছি, এ সবে বেশ ওস্তাদ। রাখীও কম যায় না। এখন ঋতাও রমুদা আর মিহিরের সঙ্গে হাততালি দিচ্ছে। সজল হঠাৎ একটা অদ্ভুত শব্দ করল গলা দিয়ে। রাখী চোখের তারা কাঁপিয়ে, ভুরু নাচাল। ওদের অঙ্গভঙ্গি সত্যি খারাপ লাগছে আমার, তাকিয়ে থাকতে পারছি না। অথচ চোখ ফেরাতেও পারছি না।

    নাচ শেষ হলে রাখী এসে বসে পড়ল। সবাই হাততালি দিল। আমি দিলাম না। বিপ্লব বলল, সজল, তুই একটা গান কর। সেইটাও মাই গ্রিন ভার্জিন আইল্যান্ড।

    রাখী, রমুদা সবাই সায় দিয়ে উঠল। সজল টেবিলের কাছে গিয়ে দাঁড়াল। একটু কেশে, গান ধরল। ঠিক ইংরেজি গানের রেকর্ডের মতোই, ওর গলায় গান বেজে উঠল। গলাটা সত্যি মিষ্টি। ও কখনও চোখ বুজছে, কখনও তাকাচ্ছে। কখনও ঘাড় উঁচু করছে, আবার গানের সঙ্গে সঙ্গে নামিয়ে আনছে। শুনতে বেশ ভাল লাগছে। এ সবই যদি করে বেড়ায় তো পড়াশোনা করে কখন! অথচ, রমুদার থেকেও ওর হায়ার সেকেন্ডারি রেজাল্ট ভাল। গান শুনতে শুনতে মনে হল, সজল একেবারে তন্ময় হয়ে গিয়েছে।

    গান শেষ হতে, আবার সবাই হাততালি দিয়ে উঠল। রাখী বলে উঠল, বিউটিফুল, সজল তুমি একটা জিনিয়াস।

    মিহির বলল, আর একটা।

    না, আর পারব না। আমি একটা সিগারেট খাব।

    রমুদা ওকে একটা সিগারেট দিল। ঋতা বলল, সজল, একটা রবীন্দ্রসংগীত কর।

    সজল সিগারেট ধরিয়ে বলল, তুই কর না, ভাল জানিস তো।

    বাজে বকিস না। কর না।

    দাঁড়া, সিগারেট খেয়ে নিই।

    আমি বীথির দিকে তাকালাম। ও ভাল রবীন্দ্রসংগীত করতে পারে। বীথি আমাকে চোখ টিপল, কিছু বলতে বারণ করছে। সজল সিগারেট নিভিয়ে দিয়ে গান ধরল: বিধি ডাগর আঁখি যদি দিয়েছিলে…।’ এবার আমি মনে মনে আরও অবাক হলাম। সজল রবীন্দ্রসংগীতও ভাল গাইতে পারে। ঠিক রেকর্ডের গানের মতোই শোনাচ্ছে। গান গাইতে গাইতে ওর সঙ্গে আমার দু বার চোখাচোখি হয়ে গেল। আর তাকাইনি। ওর ওপর আমার রাগ যায়নি। খেতে বসে সারাক্ষণই আমার পিছনে লেগেছে। কিন্তু গান গাইবার সময় সজল একেবারে তন্ময় হয়ে যায়। ওকে অন্য রকম দেখায়। ও যে দুষ্টামি ফাজলামি করতে পারে, গানের সময় মনে হয় না।

    গান শেষ হয়ে গেলে বাইরে থেকে দরজায় শব্দ হল। আমি উঠে দরজা খুলে দেখলাম, হরি। বলল, এখন চা দেব?

    রমুদাকে জিজ্ঞেস করলাম, তোরা এখন চা খাবি?

    খাব।

    হরিকে বললাম, নিয়ে আয়। মামিমা কোথায় রে?

    ঘরে শুয়ে আছেন।

    ইতিমধ্যে সিনেমার আলোচনা উঠেছে। কী ছবি দেখতে যাওয়া হবে, তাই নিয়ে কথাবার্তা চলছে। একটু পরেই চা এল। সজল চা খেয়ে বলল, আমার গলাটা এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে। আমি আর একটা গান করব।

    সবাই হাততালি দিয়ে সমর্থন করল। আমিও মনে মনে খুশিই হলাম। সজল চকিতে এক বার আমাকে দেখে নিল। তারপরেই গেয়ে উঠল, যমুনে, এই কি তুমি সেই যমুনে, প্রবাহিণী…আমি সঙ্গে সঙ্গে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলাম। পিছনে হাসি আর হাততালি শোনা গেল। কেউ কেউ ঘর থেকে বেরিয়ে এল। আমি একেবারে নীচে চলে গেলাম। মামার আলাদা বসবার ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলাম। আর কিছুতেই সজলের সামনে যাব না। যাব না, যাব না, যাব না। ও ভেবেছে কী। খালি আমার পিছনে লাগছে!

    কিছুক্ষণ পরেই দরজায় শব্দ হল। কয়েক বার হতেই জিজ্ঞেস করলাম, কে?

    শোনা গেল, আমি ঋতা।

    দরজা খুলে দিলাম। দেখলাম, সবাই দাঁড়িয়ে আছে। রাখী বলল, আমরা চলে যাচ্ছি।

    সজলের দিকে তাকালাম না। সবাই নেমে এসেছে। দীপু আর দীপাও। কেবল বীথিকে দেখতে পেলাম না। জিজ্ঞেস করলাম, মামিকে বলা হয়েছে?

    ঋতা বলল, হ্যাঁ, ওঁর সঙ্গে দেখা করে এসেছি। তুমি চলো আমাদের সঙ্গে।

    ঘাড় নেড়ে বললাম, আমি সিনেমা দেখব না।

    ও নাগরদোলনা চাপবে। সজল বলল, আর সবাই হেসে উঠল। হাসতে হাসতে বাইরের দরজার দিকে এগিয়ে গেল। আমি পিছন পিছন গেলাম। সবাই রাস্তায় নেমে যাবার পরে, সজল হঠাৎ চেঁচিয়ে ডেকে উঠল, যমুনা।

    আমি ভুল করে ওর দিকে তাকালাম। সজল হেসে বলল, যাচ্ছি, আবার আসব, কেমন?

    আমি মুখ ফিরিয়ে নিলাম। সবাই হাসতে হাসতে চলে গেল। আমি আর এক বার মনে মনে বললাম, পাজি।

    ওপরে গিয়ে, রমুদাদের ঘরে বীথিকে দেখতে পেলাম না। মামিমার ঘরেও নেই। আমার ঘরে গিয়ে দেখলাম, বীথি খাটের ওপর চুপচাপ বসে আছে। কাছে গিয়ে বললাম, কী রে, চুপচাপ বসে আছিস যে? ওদের সঙ্গে গেলি না?

    না।

    বীথির মুখটা গম্ভীর, থমথম করছে। আমার দিকে তাকাল। মনে হল, ওর চোখ ছলছল করছে। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কী হয়েছে রে?

    বীথির গলা ধরা ধরা, বলল, আমি একটা জিনিস দেখেছি।

    কী?

    তুই নীচে যাবার পরে, সবাই ছাদে চলে গিয়েছিল; রমুদা আর ঋতা ছাড়া। আমি ওদের ডাকবার জন্য দোতলায় নেমে এসেছিলাম। ঘরে উঁকি দিয়ে দেখলাম…।

    বীথির গলা বন্ধ হয়ে গেল। চোখের কোণে জল জমে উঠল। আমি ওর কাঁধে হাত রেখে জিজ্ঞেস করলাম, কী দেখলি?

    কান্নায় বীথির গলা ভেঙে এল, তবু বলল, রমুদা ঋতাকে চুমো খাচ্ছিল।

    বীথি এবার ঝরঝরিয়ে কেঁদে ফেলল। আমি অবাক হয়ে গেলাম। আমার কাছে তো এ সংবাদ নতুন না। রমুদা আমাকে নিজেই তো বলেছে। ঋতার সঙ্গে নাকি ওর প্রেম’আছে, ও ঋতাকে চুমো খায়। কোনও দিন চোখে দেখিনি, তা হলেও জানি। অবাক হয়ে বললাম, তাতে কী হয়েছে?

    বীথি কথা বলল না, কাঁদতে লাগল। বীথির কান্নার কোনও অর্থ বুঝতে পারলাম না। জিজ্ঞেস করলাম, তোর রাগ হয়েছে?

    বীথি ঘাড় নাড়ল। আবার জিজ্ঞেস করলাম, তবে? কষ্ট হয়েছে?

    হ্যাঁ।

    কেন?

    জানি না।

    একটু পরে বীথি চোখমুখ মুছে চলে গেল। আজ বুঝতে পারলাম না, পরে বুঝেছি। অথচ তেরোর মনের অভিজ্ঞতায় আমার কত বিশ্বাস ছিল। পনেরোতে, বীথিকে আজ বুঝতে পারলাম না০। পরে বুঝেছি, এবং ভেবেছি, প্রেমের কান্না কাকে বলে, বীথির কান্নাতেই তা প্রথম দেখেছি। তারপরে আর দু বছর বীথি আমাদের বাড়ি আসেনি। পরে এসেছে, কিন্তু রমুদার সঙ্গে দেখা করেনি।

    এখন মাঝে মাঝে মনে হয়, অভিশাপ বলে কি কিছু আছে! যদি থেকে থাকে, তা হলে বলব, রমুদার জীবনে কিশোরী বীথির অভিশাপ লেগেছে। রমুদার আজকের জীবনটা অভিশপ্ত ছাড়া আর কিছু না।

    কিন্তু এই দিনটির কথা আমার সেজন্য মনে নেই। ভাবতে ভাবতে মনে এল। বীথির কান্না কি আমার জীবনে কোথাও দাগ ফেলেছে। কোথাও না। আজ সজল এসেছিল। এই দিনটি তা-ই আমার জীবনে একটি চিরদিনের দাগ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাকালের রথের ঘোড়া – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অশ্লীল – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }