Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    May 1, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 1, 2026

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মালিনী (কাব্য-নাটক) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প7 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মালিনী – ৪

    চতুর্থ দৃশ্য

    রাজ-উপবন

    মালিনী পরিচারিকাবর্গ ও সুপ্রিয়

    মালিনী।     হায়, কী বলিব! তুমিও কি মোর দ্বারে
    আসিয়াছ দ্বিজোত্তম? কী দিব তোমারে?
    কী তর্ক করিব? কী শাস্ত্র দেখাব আনি?
    তুমি যাহা নাহি জান আমি কি তা জানি?
    সুপ্রিয়।      শাস্ত্রসাথে তর্ক করি, নহে তোমা-সনে।
    সভায় পণ্ডিত আমি, তোমার চরণে
    বালকের মতো। দেবী, লহো মোর ভার।
    যে পথে লইয়া যাবে জীবন আমার
    সাথে যাবে, সর্ব তর্ক করি পরিহার,
    নীরব ছায়ার মতো দীপবর্তিকার।
    মালিনী।     হে ব্রাহ্মণ, চলে যায় সকল ক্ষমতা
    তুমি যবে প্রশ্ন কর, নাহি পাই কথা।
    বড়ই বিস্ময় লাগে মনে। হে সুপ্রিয়,
    মোর কাছে কী জানিতে এসেছ তুমিও?
    সুপ্রিয়।       জানিবার কিছু নাই, নাহি চাহি জ্ঞান।
    সব শাস্ত্র পড়িয়াছি, করিয়াছি ধ্যান
    শত তর্ক শত মত। ভুলাও, ভুলাও,
    যত জানি সব জানা দূর করে দাও।
    পথ আছে শতলক্ষ, শুধু আলো নাই
    ওগো দেবী জ্যোতির্ময়ী– তাই আমি চাই
    একটি আলোর রেখা উজ্জ্বল সুন্দর
    তোমার অন্তর হতে।
    মালিনী।                         হায় বিপ্রবর,
    যত তুমি চাহিতেছ আমি যেন তত
    আপনারে হেরিতেছি দরিদ্রের মতো।
    যে দেবতা মর্মে মোর বজ্রালোক হানি
    বলেছিল একদিন বিদ্যুন্ময়ী বাণী
    সে আজি কোথায় গেল। সেদিন, ব্রাহ্মণ,
    কেন তুমি আসিলে না? কেন এতক্ষণ
    সন্দেহে রহিলে দূরে? বিশ্বে বাহিরিয়া
    আজি মোর জাগে ভয়, কেঁপে ওঠে হিয়া,
    কী করিব কী বলিব বুঝিতে না পারি–
    মহাধর্মতরণীর বালিকা কাণ্ডারী
    নাহি জানি কোথা যেতে হবে। মনে হয়
    বড়ো একাকিনী আমি– সহস্র সংশয়,
    বৃহৎ সংসার, অসংখ্য জটিল পথ,
    নানা প্রাণী–দিব্যজ্ঞান ক্ষণপ্রভাবৎ
    ক্ষণিকের তরে আসে। তুমি মহাজ্ঞানী
    হবে কি সহায় মোর?
    সুপ্রিয়।                          বহু ভাগ্য মানি
    যদি চাহ মোরে।
    মালিনী।                      মাঝে মাঝে নিরুৎসাহ
    রুদ্ধ করে দেয় যেন প্রাণের প্রবাহ–
    পীড়ন করিতে থাকে নিরুদ্ধ নিশ্বাসে,
    থেকে থেকে অকারণ অশ্রুজলে ভাসে
    দু-নয়ন কোন্‌ বেদনায়। অকস্মাৎ
    আপনার ‘পরে যেন পড়ে দৃষ্টিপাত
    সহস্র লোকের মাঝে, সেই দুঃসময়ে
    তুমি মোর বন্ধু হবে? মন্ত্রগুরু হয়ে
    দিবে নবপ্রাণ?
    সুপ্রিয়।                    প্রস্তুত রাখিব নিত্য
    এ ক্ষুদ্র জীবন। আমার সকল চিত্ত
    সবল নির্মল করি, বুদ্ধি করি শান্ত,
    সমর্পণ করি দিব নিয়ত একান্ত
    তব কাজে।

    প্রতিহারীর প্রবেশ

    প্রতিহারী।                  প্রজাগণ দরশন যাচে।
    মালিনী।     আজ নহে, আজ নহে। সকলের কাছে
    মিনতি আমার; আজি  মোর কিছু নাহি।
    রিক্ত চিত্ত মাঝে মাঝে ভরিবারে চাহি–
    বিশ্রাম প্রার্থনা করি ঘুচাতে জড়তা।

    [ প্রতিহারীর প্রস্থান

    সুপ্রিয়ের প্রতি
    যে কথা শুনাতেছিলে কহ সেই কথা,
    আপন কাহিনী। শুনিয়া বিস্ময় লাগে,
    নূতন বারতা পাই, নবদৃশ্য জাগে
    চক্ষে মোর। তোমাদের সুখদুঃখ যত,
    গৃহের বারতা সব, আত্মীয়ের মতো
    সকলি প্রত্যক্ষ যেন জানিবারে পাই।
    ক্ষেমংকর বান্ধব তোমার?

    সুপ্রিয়।                               বন্ধু, ভাই,
    প্রভু। সূর্য সে আমার, আমি তার রাহু,
    আমি তার মহামোহ। বলিষ্ঠ সে বাহু,
    আমি তাহে লৌহপাশ। বাল্যকাল হতে
    দৃঢ় সে অটলচিত্ত, সংশয়ের স্রোতে
    আমি ভাসমান। তবু সে নিয়ত মোরে
    বন্ধুমোহে বক্ষোমাঝে রাখিয়াছে ধরে
    প্রবল অটল প্রেমপাশে, নিঃসন্দেহে
    বিনা পরিতাপে, চন্দ্রমা যেমন স্নেহে
    সহাস্যে বহন করে কলঙ্ক অক্ষয়
    অনন্ত ভ্রমণপথে। ব্যর্থ নাহি হয়
    বিধির নিয়ম কভু– লৌহময় তরী
    হোক না যতই দৃঢ়, যদি রাখে ধরি
    বক্ষতলে ক্ষুদ্র ছিদ্রটিরে, এক দিন
    সংকটসমুদ্রমাঝে উপায়বিহীন
    ডুবিতে হইবে তারে। বন্ধু চিরন্তন,
    তোমারে ডুবাব আমি, ছিল এ লিখন।
    মালিনী।     ডুবায়েছ তারে?
    সুপ্রিয়।                     দেবী, ডুবায়েছি তারে।
    জীবনের সব কথা বলেছি তোমারে,
    শুধু, সেই কথা আছে বাকি।
    যেই দিন
    বিদ্বেষ উঠিল গর্জি দয়াধর্মহীন
    তোমারে ঘেরিয়া চারি দিকে, একাকিনী
    দাঁড়াইয়া পূর্ণ মহিমায়, কী রাগিণী
    বাজাইলে! বংশীরবে যেন মন্ত্রাহত
    বিদ্রোহ করিল আসি ফণা অবনত
    তব পদতলে। শুধু বিপ্র ক্ষেমংকর
    রহিল পাষাণচিত্ত, অটল-অন্তর।
    একদা ধরিয়া কর কহিল সে মোরে
    “বন্ধু, আমি চলিলাম দূর দেশান্তরে।
    আনিয়া বিদেশী সৈন্য বরুণার কূলে
    নবধর্ম উৎপাটন করিব সমূলে
    পুণ্য কাশী হতে।’ চলি গেল রিক্ত হাতে
    অজ্ঞাত ভুবনে। শুধু লয়ে গেল সাথে
    আমার হৃদয়, আর, প্রতিজ্ঞা কঠোর।
    তার পরে জান তুমি কী ঘটিল মোর।
    লভিলাম যেন আমি নবজন্মভূমি
    যেদিন এ শুষ্ক চিত্তে বরষিলে তুমি
    সুধাবৃষ্টি। “সর্ব জীবে দয়া’ জানে সবে,
    অতি পুরাতন কথা– তবু এই ভবে
    এই কথা বসি আছে লক্ষবর্ষ ধরি
    সংসারের পরতীরে। তারে পার করি
    তুমি আজি আনিয়াছ সোনার তরীতে
    সবার ঘরের দ্বারে। হৃদয়-অমৃতে
    স্তন্যদান করিয়াছ সে দেবশিশুরে,
    লয়েছে সে নবজন্ম মানবের পুরে
    তোমারে মা ব’লে। স্বর্গ আছে কোন্‌ দূরে,
    কোথায় দেবতা– কে বা সে সংবাদ জানে
    শুধু জানি বলি দিয়া আত্ম-অভিমানে
    বাসিতে হইবে ভালো, বিশ্বের বেদনা
    আপন করিতে হবে– যে কিছু বাসনা
    শুধু আপনার তরে তাই দুঃখময়।
    যজ্ঞে যাগে তপস্যায় কভু মুক্তি নয়,
    মুক্তি শুধু  বিশ্বকাজে। ফিরে গিয়ে ঘরে
    সে নিশীথে কাঁদিয়া কহিনু উচ্চস্বরে,
    “বন্ধু, বন্ধু, কোথা গেছ বহু বহু দূরে–
    অসীম ধরণীতলে মরিতেছ ঘুরে!’
    ছিনু তার পত্র-আশে– পত্র নাহি পাই,
    না জানি সংবাদ। আমি শুধু আসি যাই
    রাজগৃহমাঝে, চারি দিকে দৃষ্টি রাখি,
    শুধাই বিদেশীজনে, ভয়ে ভয়ে থাকি–
    নাবিক যেমন দেখে চকিত নয়নে
    সমুদ্রের মাঝে, গগনের কোন্‌ কোণে
    ঘনাইছে ঝড়। এল ঝড় অবশেষে
    একখানি ছোটো পত্ররূপে! লিখেছে সে–
    রত্নবতী নগরীর রাজগৃহ হতে
    সৈন্য লয়ে আসিছে সে শোণিতের স্রোতে
    ভাসাইতে নবধর্ম, ভিড়াইতে তীরে
    পিতৃধর্ম  মগ্নপ্রায়, রাজকুমারীরে
    প্রাণদণ্ড দিতে। প্রচণ্ড আঘাতে সেই
    ছিঁড়িল প্রাচীন পাশ এক নিমেষেই।
    রাজারে দেখানু পত্র। মৃগয়ার ছলে
    গোপনে গেছেন রাজা সৈন্যদলবলে
    আক্রমিতে তারে। আমি হেথা লুটাতেছি
    পৃথ#aলে– আপনার মর্মে ফুটাতেছি
    দন্ত আপনার।
    মালিনী।                  হায়, কেন তুমি তারে
    আসিতে দিলে না হেথা মোর গৃহদ্বারে
    সৈন্যসাথে? এ ঘরে সে প্রবেশিত আসি
    পূজ্য অতিথির মতো, সুচিরপ্রবাসী
    ফিরিত স্বদেশে তার।
    রাজার প্রবেশ
    রাজা।                            এসো আলিঙ্গনে
    হে সুপ্রিয়!  গিয়েছিনু অনুকূল ক্ষণে
    বার্তা পেয়ে। বন্দী করিয়াছি ক্ষেমংকরে
    বিনাক্লেশে। তিলেক বিলম্ব হলে পরে
    সুপ্তরাজগৃহশিরে বজ্র ভয়ংকর
    পড়িত ঝঞ্ঝনি, জাগিবার অবসর
    পেতেম না কভু। এসো আলিঙ্গনে মম
    বান্ধব, আত্মীয় তুমি।
    সুপ্রিয়।                          ক্ষম মোরে ক্ষম
    মহারাজ!
    রাজা।                 শুধু নহে শূন্য আত্মীয়তা
    প্রিয়বন্ধু! মনে আনিয়ো না হেন কথা
    শুধু রাজ-আলিঙ্গনে পুরস্কার তব।
    কী ঐশ্বর্য চাহ? কী সম্মান অভিনব
    করিব সৃজন তোমাতরে? কহো মোরে!
    সুপ্রিয়।      কিছু নহে, কিছু নহে, খাব ভিক্ষা করে
    দ্বারে দ্বারে।
    রাজা।                  সত্য কহো, রাজ্যখণ্ড লবে?
    সুপ্রিয়।      রাজ্যে ধিক্‌ থাক্‌।
    রাজা।                         অহো, বুঝিলাম তবে
    কোন্‌ পণ চাহ জিনিবারে, কোন্‌ চাঁদ
    পেতে চাও হাতে। ভালো, পুরাইব সাধ,
    দিলাম অভয়। কোন্‌ অসম্ভব আশা
    আছে মনে, খুলে বলো। কোথা গেল ভাষা!
    বেশি দিন নহে, বিপ্র, সে কি মনে পড়ে
    এই কন্যা মালিনীর নির্বাসনতরে
    অগ্রবর্তী ছিলে তুমি। আজি আরবার
    করিবে কি সে প্রার্থনা? রাজদুহিতার
    নির্বাসন পিতৃগৃহ হতে? সাধনার
    অসাধ্য কিছুই নাই–বাঞ্ছা সিদ্ধ হবে,
    ভরসা বাঁধহ বক্ষোমাঝে। শুন তবে–
    জীবনপ্রতিমে, বৎসে, যে তোমার প্রাণ
    রক্ষা করিয়াছে, সেহ বিপ্র গুণবান্‌
    সুপ্রিয় সবার প্রিয়, প্রিয়দরশন,
    তারে–
    সুপ্রিয়।              ক্ষান্ত হও, ক্ষান্ত হও হে রাজন্‌!
    অয়ি দেবী,আজন্মের ভক্তি-উপহারে
    পেয়েছে আপন ঘরে ইষ্টদেবতারে
    কত অকিঞ্চন– তেমনি পেতেম যদি
    আমার দেবীরে, রহিতাম নিরবধি
    ধন্য হয়ে। রাজহস্ত হতে পুরস্কার!
    কী করেছি? আশৈশব বন্ধুত্ব আমার
    করেছি বিক্রয়, আজি তারি বিনিময়ে
    লয়ে যাব শিরে করি আপন আলয়ে
    পরিপূর্ণ সার্থকতা? তপস্যা করিয়া
    মাগিব পরমসিদ্ধি জন্মান্ত ধরিয়া–
    জন্মান্তরে পাই যদি তবে তাই হোক–
    বন্ধুর বিশ্বাস ভাঙি সপ্ত স্বর্গলোক
    চাহি না লভিতে।  পূর্ণকাম তুমি দেবী,
    আপনার অন্তরের মহত্ত্বেরে সেবি
    পেয়েছ অনন্ত শান্তি– আমি দীনহীন
    পথে পথে ফিরে মরি অদৃষ্ট-অধীন
    শ্রান্ত নিজভারে। আর কিছু চাহিব না–
    দিতেছ নিখিলময় যে শুভকামনা
    মনে করে অভাগারে তারি এক কণা
    দিয়ো মনে মনে।
    মালিনী।                     ওরে রমণীর মন,
    কোথা বক্ষোমাঝে বসে করিস ক্রন্দন
    মধ্যাহ্নে নির্জন নীড়ে প্রিয়বিরহিতা
    কপোতীর প্রায়?– কী করেছ বলো পিতা
    বন্দীর বিচার?
    রাজা।                      প্রাণদণ্ড হবে তার।
    মালিনী।     ক্ষমা করো–একান্ত এ প্রার্থনা আমার
    তব পদে।
    রাজা।                 রাজদ্রোহী, ক্ষমিব তাহারে
    বৎসে?
    সুপ্রিয়।              কে কার বিচার করে এ সংসারে!
    সে কি চেয়েছিল তব সসাগরা মহী
    মহারাজ? সে জানিত তুমি ধর্মদ্রোহী,
    তাই সে আসিতেছিল তোমার বিচার
    করিতে আপন বলে। বেশি বল যার
    সেই বিচারক। সে যদি জিনিত আজি
    দৈবক্রমে, সে বসিত বিচারক সাজি,
    তুমি হতে অপরাধী!
    মালিনী।                         রাখো প্রাণ তার
    মহারাজ!  তার পরে স্মরি উপকার
    হিতৈষী বন্ধুরে তব যাহা ইচ্ছা দিয়ো,
    লবে সে আদর করি।
    রাজা।                           কী বল সুপ্রিয়?
    বন্ধুরে করিব বন্ধুদান?
    সুপ্রিয়।                          চিরদিন
    স্মরণে রহিবে তব অনুগ্রহ-ঋণ
    নরপতি।
    রাজা।                 কিন্তু তার পূর্বে এক বার
    দেখিব পরীক্ষা করি বীরত্ব তাহার।
    দেখিব মরণভয়ে টলে কি না টলে
    কর্তব্যের বল। মহত্ত্বের শিখা জ্বলে
    নক্ষত্রের মতো– দীপ নিবে যায় ঝড়ে,
    তারা নাহি নিবে। সে কথা হইবে পরে।
    তোমার বন্ধুরে তুমি পাবে, মাঝখানে
    উপলক্ষ আমি।  সে দানে তৃপ্তি না মানে
    মন। আরো দিব। পুরস্কার ব’লে নয়–
    রাজার হৃদয় তুমি করিয়াছ জয়,
    সেথা হতে লহ তুলি রত্ন সর্বোত্তম
    হৃদয়ের।– কন্যা, কোথা ছিল এ শরম
    এতদিন! বালিকার লজ্জাভয়শোক
    দূর করি দীপ্তি পেত অম্লান আলোক
    দুঃসহ উজ্জ্বল। কোথা হতে এল আজ
    অশ্রুবাষ্পে ছলছল কম্পমান লাজ–
    যেন দীপ্ত হোমহুতাশনশিখা ছাড়ি
    সদ্য বাহিরিয়া এল স্নিগ্ধসুকুমারী
    দ্রুপদদুহিতা।
    সুপ্রিয়ের প্রতি
    উঠ, ছাড়ো পদতল।
    বৎস, বক্ষে এস। সুখ করিছে বিহ্বল
    দুর্ভর দুঃখেরই মতো। দাও অবসর,
    হেরি প্রাণপ্রতিমার মুখশশধর
    বিরলে আনন্দভরে শুধু ক্ষণকাল।

    [ সুপ্রিয়ের প্রস্থান

    স্বগত

    বহুদিন পরে মোর মালিনীর ভাল
    লজ্জার আভায় রাঙা। কপোল উষার
    যখনি রাঙিয়া উঠে, বুঝা যায়, তার
    তপন উদয় হতে দেরি নাই আর।
    এ রাঙা আভাস দেখে আনন্দে আমার
    হৃদয় উঠিছে ভরি ; বুঝিলাম মনে
    আমাদের কন্যাটুকু বুঝি এতক্ষণে
    বিকশি উঠিল–দেবী না রে, দয়া না রে,
    ঘরের সে মেয়ে।

    প্রতিহারীর  প্রবেশ

    প্রতিহারী।                   জয় মহারাজ, দ্বারে
    উপনীত বন্দী ক্ষেমংকর।
    রাজা।                               আনো তারে।
    শৃঙ্খলবদ্ধ ক্ষেমংকরের প্রবেশ
    নেত্র স্থির, ঊর্ধ্বশির, ভ্রূকুটির ‘পরে
    ঘনায়ে রয়েছে ঝড়, হিমাদ্রিশিখরে
    স্তম্ভিত শ্রাবণসম।
    মালিনী।                      লোহার শৃঙ্খল
    ধিক্কার মানিছে যেন লজ্জায় বিকল
    ওই অঙ্গ-‘পরে। মহত্ত্বের অপমান
    মরে অপমানে। ধন্য মানি এ পরান
    ইন্দ্রতুল্য হেন মুর্তি হেরি।
    বন্দির প্রতি
    রাজা।                                 কী বিধান
    হয়েছে শুনেছ?
    ক্ষেমংকর।                 মৃত্যুদণ্ড।
    রাজা।                                 যদি প্রাণ
    ফিরে দিই, যদি ক্ষমা করি!
    ক্ষেমংকর।                            পুনর্বার
    তুলিয়া লইতে হবে কর্তব্যের ভার–
    যে পথে চলিতেছিনু আবার সে পথে
    যেতে হবে।
    রাজা।                  বাঁচিতে চাহ না কোনোমতে!
    ব্রাহ্মণ, প্রস্তুত হও মমতা তেয়াগি
    জীবনের। এই বেলা লহ তবে মাগি
    প্রার্থনা যা-কিছু থাকে।
    ক্ষেমংকর।                          আর কিছু নাহি
    বন্ধু সুপ্রিয়েরে শুধু দেখিবারে চাহি।

    প্রতিহারীর প্রতি

    রাজা।        ডেকে আনো তারে।
    মালিনী।                          হৃদয় কাঁপিছে বুকে।
    কী যেন পরমা শক্তি আছে ওই মুখে
    বজ্রসম ভয়ংকর। রক্ষা করো পিতঃ,
    আনিয়ো না সুপ্রিয়েরে।
    রাজা।                              কেন, মা, শঙ্কিত
    অকারণে? কোনো ভয় নাই।
    ক্ষেমংকরের নিকট সুপ্রিয়ের আগমন
    আলিঙ্গন প্রত্যাখ্যান করিয়া
    ক্ষেমংকর।                              থাক্‌ থাক্‌
    যাহা বলিবার আছে  আগে হয়ে যাক–
    পরে হবে প্রণয়সম্মান। এসো হেথা।
    জান সখে, বাক্যদীন আমি– বেশি কথা
    জোগায় না মুখে। সময় অধিক নাই,
    আমার বিচার হল শেষ–আমি চাই
    তোমার বিচার এবে। বলো মোর কাছে
    এ কাজ করেছ কেন?
    সুপ্রিয়।                          বন্ধু এক আছে
    শ্রেষ্ঠতম, সে আমার আত্মার নিশ্বাস,
    সব ছেড়ে রাখিয়াছি তাহারি বিশ্বাস
    প্রাণসখে–ধর্ম সে আমার।
    ক্ষেমংকর।                            জানি জানি
    ধর্ম কে তোমার। ওই স্তব্ধ মুখখানি
    অন্তর্জ্যোতির্ময়,মূর্তিমতী,  দৈববাণী
    রাজকন্যারূপে– চতুর্বেদ হতে, সখে,
    কেড়ে লয়ে পিতৃধর্ম ওই নেত্রালোকে
    দিয়েছ আহুতি তুমি। ধর্ম ওই তব।
    ওই প্রিয়মুখে তুমি রচিয়াছ নব
    ধর্মশাস্ত্র আজি।
    সুপ্রিয়।                      সত্য বুঝিয়াছ সখে।
    মোর ধর্ম অবতীর্ণ দীন মর্ত্যলোকে
    ওই নারীমূর্তি ধরি। শাস্ত্র এতদিন
    মোর কাছে ছিল অন্ধ জীবনবিহীন ;
    ওই দুটি নেত্রে জ্বলে যে উজ্জ্বল শিখা
    সে আলোকে পড়িয়াছি বিশ্বশাস্ত্রে লিখা–
    যেথা দয়া সেথা ধর্ম, যেথা প্রেমস্নেহ,
    যেথায় মানব, যেথা মানবের গেহ।
    বুঝিলাম, ধর্ম দেয় স্নেহ মাতারূপে,
    পুত্ররূপে স্নেহ লয় পুন; দাতারূপে
    করে দান, দীনরূপে করে তা গ্রহণ ;
    শিষ্যরূপে করে ভক্তি, গুরুরূপে করে
    আশীর্বাদ; প্রিয়া হয়ে পাষাণ-অন্তরে
    প্রেম-উৎস লয় টানি, অনুরক্ত হয়ে
    করে সর্বত্যাগ। ধর্ম বিশ্বলোকালয়ে
    ফেলিয়াছে চিত্তজাল, নিখিল ভুবন
    টানিতেছে প্রেমক্রোড়ে– সে মহাবন্ধন
    ভরেছে অন্তর মোর আনন্দবেদনে
    চাহি ওই উষারুণ করুণ বদনে।
    ওই ধর্ম মোর।
    ক্ষেমংকর।                  আমি কি দেখি নি ওরে?
    আমিও কি ভাবি নাই মুহূর্তের ঘোরে
    এসেছে অনাদি ধর্ম নারীমূর্তি ধরে
    কঠিন পুরুষমন কেড়ে নিয়ে যেতে
    স্বর্গপানে? ক্ষণতরে মুগ্ধ হৃদয়েতে
    জন্মে নি কি স্বপ্নাবেশ? অপূর্ব সংগীতে
    বক্ষের পঞ্জর মোর লাগিল কাঁদিতে
    সহস্র বংশীর মতো–সর্ব সফলতা
    জীবনের যৌবনের আশাকল্পলতা
    জড়ায়ে জড়ায়ে মোর অন্তরে অন্তরে
    মঞ্জরি উঠিল যেন পত্রপুষ্পভরে
    এক নিমেষের মাঝে। তবু কি সবলে
    ছিঁড়ি নি মায়ার বন্ধ, যাই নি কি চলে
    দেশে দেশে দ্বারে দ্বারে, ভিক্ষুকের মতো
    লই নি কি শিরে ধরি অপমান শত
    হীন হস্ত হতে–সহি নি কি অহরহ
    আজন্মের বন্ধু তুমি তোমার বিরহ?
    সিদ্ধি যবে লব্ধপ্রায়, তুমি হেথা বসে
    কী করেছ–রাজগৃহমাঝে সুখালসে
    কী ধর্ম মনের মতো করেছ সৃজন
    দীর্ঘ অবসরে!
    সুপ্রিয়।                   ওগো বন্ধু, এ ভুবন
    নহে কি বৃহৎ? নাই কি অসংখ্য জন,
    বিচিত্র স্বভাব? কাহার কী প্রয়োজন
    তুমি কি তা জান? গগনে অগণ্য তারা
    নিশিনিশি বিবাদ কি করিছে তাহারা
    ক্ষেমংকর? তেমনি জালায়ে নিজ জ্যোতি
    কত ধর্ম জাগিতেছে তাহে কোন্‌ ক্ষতি!
    ক্ষেমংকর।  মিছে আর কেন বন্ধু। ফুরালো সময়,
    বাক্য লয়ে মিথ্যা খেলা, তর্ক আর নয়।
    সত্যমিথ্যা পাশাপাশি নির্বিরোধে রবে
    এত স্থান নাহি নাহি অনন্ত এ ভবে।
    অন্নরূপে ধান্য যেথা উঠে চিরদিন
    রোপিবে তাহারি মাঝে কন্টক নবীন,
    হে সুপ্রিয়, প্রেম এত সর্বপ্রেমী নয়।
    ছিল চিরদিবসের বিশ্রব্ধ প্রণয়,
    আনিবে বিশ্বাসঘাত বক্ষোমাঝে তার,
    বন্ধু মোর, উদারতা এত কি উদার!
    কেহ বা ধর্মের লাগি সহি নির্যাতন
    অকালে অস্থানে মরে চোরের মতন,
    কেহ বা ধর্মের ব্রত করিয়া নিষ্ফল
    বাঁচিবে সম্মানে সুখে, এ ধরণীতল
    হেন বিপরীত ধর্ম এক বক্ষে বহে–
    এত বড়ো এত দৃঢ় কভু নহে নহে।

    মালিনীর প্রতি ফিরিয়া

    সুপ্রিয়।      হে দেবী, তোমারি জয়! নিজ পদ্মকরে
    যে পবিত্র শিখা তুমি আমার অন্তরে
    জ্বালায়েছ, আজি হল পরীক্ষা তাহার–
    তুমি হলে জয়ী। সর্ব অপমানভার
    সকল নিষ্ঠুরঘাত করিনু গ্রহণ।
    রক্ত উচ্ছ্বসিয়া উঠে উৎসের মতন
    বিদীর্ণ হৃদয় হতে– তবু সমুজ্জ্বল
    তব শান্তি, তব প্রীতি, তব সুমঙ্গল
    অম্লান-অচল-দীপ্তি করিছে বিরাজ
    সর্বোপরি। ভক্তের পরীক্ষা হল আজ,
    জয় দেবী। ক্ষেমংকর, তুমি দিবে প্রাণ–
    আমার ধর্মের লাগি করিয়াছি দান
    প্রাণের অধিক প্রিয় তোমার প্রণয়,
    তোমার বিশ্বাস। তার কাছে প্রাণভয়
    তুচ্ছ শতবার।
    ক্ষেমংকর।                  ছাড়ো এ প্রলাপবাণী।
    মৃত্যু যিনি তাঁহারেই ধর্মরাজ জানি–
    ধর্মের পরীক্ষা তাঁরি কাছে। বন্ধুবর,
    এস তবে কাছে এসো, ধরো মোর কর,
    চলো মোরা যাই সেথা দোঁহে এক সনে,
    যেমন সে বাল্যকালে– সে কি পড়ে মনে,
    কতদিন সারারাত্রি তর্ক করি, শেষে
    প্রভাতে যেতেম দোঁহে গুরুর উদ্দেশে
    কে সত্য কে মিথ্যা তাহা করিতে নির্ণয়।
    তেমনি প্রভাত হোক। সকল সংশয়
    আজিকে লইয়া চলি অসংশয় ধামে,
    দাঁড়াই মৃত্যুর পাশে দক্ষিণে ও বামে
    দুই সখা, লয়ে দু জনের প্রশ্ন যত।
    সেথায় প্রত্যক্ষ সত্য উজ্জ্বল উন্নত–
    মুহূর্তে পর্বতপ্রায় বিচার-বিরোধ
    বাষ্পসম কোথা যাবে! দুইটি অবোধ
    আনন্দে হাসিব চাহি  দোঁহে দোঁহাকারে।
    সব চেয়ে বড়ো আজি মনে কর যারে
    তাহারে রাখিয়া দেখো মৃত্যুর সম্মুখে।
    সুপ্রিয়।      বন্ধু, তাই হোক।
    ক্ষেমংকর।                   এস তবে, এসো বুকে।
    বহুদূরে গিয়েছিলে এসো কাছে তবে
    যেথায় অনন্তকাল বিচ্ছেদ না হবে।
    লহো তবে বন্ধুহস্তে করুণ বিচার–
    এই লহ।
    শৃঙ্খল দ্বারা সুপ্রিয়ের মস্তকে আঘাত
    ও তাহার পতন
    সুপ্রিয়।                  দেবী, তব জয়।

    [ মৃত্যু

    মৃতদেহের উপর পড়িয়া

    ক্ষেমংকর।                              এইবার
    ডাকো, ডাকো ঘাতকেরে।
    রাজা।                                 কে আছিস ওরে!
    আন্‌ খড়্গ।
    মালিনী।                 মহারাজ, ক্ষমো ক্ষেমংকরে।

    [ মূর্ছিত

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচিত্রাঙ্গদা (কাব্য-নাটক) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article শ্রাবণগাথা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    May 1, 2026
    Our Picks

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    May 1, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 1, 2026

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }