Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প702 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩-৪. আকাশ আজ মেঘলা

    সকাল থেকে আকাশ আজ মেঘলা। একফোঁটা হাওয়া নেই। চৈত্রমাসের দশ তারিখ হয়ে গেল, এখনও একটা কালবৈশাখী এল না। রোজই বেলা বাড়লে মেঘগুলো বেপাত্তা হয়ে যায়, চলতে থাকে বিচ্ছিরি চাঁদিফাটা গরম। ভ্যাপসা-ভ্যাপসা। গা জ্বালানো।

    গরমের মধ্যেই টুপুরকে নিয়ে দুপুরে বেরিয়ে পড়েছিল মিতিন। ঢাকুরিয়া থেকে ট্যাক্সি ধরে সটান নিউ মার্কেট। নতুন থানাটায়। আরক্ষা বাহিনীর অফিস রীতিমতো ব্যস্ত তখন। ঘরখানা পেরিয়ে মিতিন ওসির চেম্বারে উঁকি দিয়েছে।

    মধ্যবয়সি থলথলে চেহারার অফিসারটি এক কনস্টেবলকে খুব দাবড়াচ্ছিলেন। মিতিনদের দেখে তাঁর গলা দিয়ে বুলেট ছিটকে এল, ইয়েস?

    মিতিন ঋজু স্বরে বলল, আমি প্রজ্ঞাপারমিতা মুখোপাধ্যায়। আপনাকে সকালে ফোন করেছিলাম…।

    অ। আপনিই তিনি? আসুন। সঙ্গে লেজুড়টি কে?

    আমার বোনঝি। কেসে আমাকে হেল্পটেল্প করে।

    পড়াশুনো ফেলে চোর-জোচ্চোরদের পিছনে ঘুরছে?

    টুপুর সামান্য সিটিয়ে গেল। কীরকম তেড়ে-তেড়ে কথা বলেন রে বাবা। মিতিনমাসির সঙ্গে পূর্বপরিচয় নেই, এ তো বোঝাই যাচ্ছে। তবে নামটা নিশ্চয়ই জানেন।

    মিতিন ঘরে ঢুকে চেয়ারে বসে পড়েছে বেমালুম। দেখাদেখি টুপুরও বসল আড়ষ্টভাবে। কনস্টেবলটিকে ছেড়ে দিয়ে অফিসার গলাখাকারি দিলেন, হ্যাঁ, কী যেন একটা দরকার ছিল আপনার?

    এবার মিতিন বিনীত স্বরে বলল, মারকুইস স্ট্রিটের এক আর্মেনিয়ান ফ্যামিলি…।

    অ। সেই হিরে চুরির কেস? ওটা তো সেকেন্ড অফিসার দেখছেন। বিশ্বনাথ মই।

    আমি কি বিশ্বনাথবাবুর সঙ্গে একটু কথা বলতে পারি?

    উনি কি আছেন! দাঁড়ান দেখছি।

    বলেই কলিংবেলে মুষ্ট্যাঘাত। ঝং শব্দ বেজে উঠতেই হুমড়ি খেয়ে ঘরে এক উর্দিধারী। ঝটাক স্যালুট মারতেই হুকুম জারি হল, মইকো বুলাও।

    হুকুমবরদার বাইরে যেতেই মিতিন কেঠো হেসে বলল, আপনার খুব দাপট আছে শুনেছি। অনিশ্চয় মজুমদার আপনার খুব প্রশংসা করছিলেন।

    আপনি আইজি সাহেবকে চেনেন নাকি?

    কেসের সূত্রে আলাপ। এখন ফ্যামিলিফ্রেন্ডের মতো হয়ে গিয়েছেন। বাড়িতে আসেন তো মাঝেমধ্যে।

    জাঁদরেল অফিসার পলকে মাখন। একগাল হেসে বললেন, হেঁ হেঁ, আগে বলবেন তো! দুটো ঠান্ডা আনাই? কী গো বোনঝি, খাবে তো কোল্ডড্রিংক?

    টুপুরের বাসনায় জল ঢেলে দিল মিতিন। বলল, না না, এই গরমে ঠান্ডা খাওয়া ঠিক নয়।

    তা হলে চা? কফি?

    কিছু লাগবে না। আমি কাজটা করেই চলে যাব।

    একটু অতিথি সৎকারেরও সুযোগ দিলেন না! হেঁ হেঁ হেঁ।

    টুপুরের বেজায় হাসি পাচ্ছিল। হলফ করে বলতে পারে, অনিশ্চয় মজুমদার কস্মিনকালে মিতিনমাসিকে এই অফিসারটির কথা বলেননি। মিতিনমাসি যে এক একসময় কী অম্লান বদনে গুল মারে!

    পিছনে হঠাৎ খোনা-খোনা গলা, আমায় ডাকছেন স্যার?

    ঘাড় ঘুরিয়েই টুপুর বুঝল, ইনি বিশ্বনাথ মই না হয়ে যান না। পদবিটি চেহারার সঙ্গে খাপে খাপে মিলে গিয়েছে। লিকলিকে রোগা চশমাপরা তালট্যাঙা মানুষটিকে দেখলে গা বেয়ে চড়চড়িয়ে উঠে যেতে ইচ্ছে করবে।

    বড়বাবু গলা ফের রাশভারী করে বললেন, এই ম্যাডামকে চেনেন?

    দুদিকে মাথা দোলালেন বিশ্বনাথ, না তো স্যার।

    নামী ডিটেকটিভ। প্রজ্ঞাপারমিতা মুখোপাধ্যায়। আই-জি মজুমদার সাহেবের বন্ধু। মারকুইস স্ট্রিটের হিরে চুরির ব্যাপারটায় উনি আপনার কাছে কিছু জানতে চান।

    ও। চেয়ার টেনে বসলেন বিশ্বনাথ, কী জিজ্ঞাস্য আছে ম্যাডাম?

    না মানে… সেটা তো আপনি ডিল করছেন। কী মনে হচ্ছে?

    বেশ ভজকট। ওই হিরে উদ্ধার হওয়া খুব মুশকিল।

    কেন? পাচার হয়ে গিয়েছে বলে মনে হয়?

    লোকাল মার্কেটে বিক্রি হয়নি এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। ওই সাইজের হিরে কোনও জহুরির কাছে বাঁকা পথে এলে শোরগোল পড়ে যেত। সোর্স তো আমাদের আছেই, কানে ঠিক চলে আসত খবর।

    আর যদি বাইরে কোথাও চালান হয়ে গিয়ে থাকে?

    সে আশঙ্কাও আমি খতিয়ে দেখিনি তা নয়। নাকের মগড়াল থেকে চশমা নেমে যাচ্ছিল, আঙুল দিয়ে তুলে বিশ্বনাথ বললেন, ভেবে দেখুন, চোর যদি হিরো কাউকে পাস করে, তার বিনিময়ে নিশ্চয়ই মোটা টাকা নেবে। এবং সেই টাকা হজম করে ঘাপটি মেরে থাকা বেশ কঠিন কাজ। ব্যাঙ্কে তো রাখতে পারবে না, সুতরাং উশখুশ করবে খরচ করার জন্যে। হয় অ্যাসেট কিনবে, নয়তো স্রেফ ওড়াবে। সন্দেহভাজন কারওর সম্পর্কেই এখনও সেরকম পিকচার পাইনি।

    মিতিন ভুরু কুঁচকে বলল, কত দাম হতে পারে হিরেটার?

    এটা অবশ্য অনেকটাই নির্ভর করে যে কিনছে তার শখ-মর্জির উপর। পাঁচ টাকার জিনিস কেউ যদি কুড়ি টাকা দিয়ে কেনে, আপনি কি আপত্তি করতে পারবেন? তবে বাজারচলতি মূল্য সম্পর্কে আমি একটা আন্দাজ দিতে পারি। বিশ্বনাথ লম্বা শরীরটাকে আরও খানিক লম্বা করলেন, মিসেস আরাকিয়েল বলছিলেন, হিরেটা নাকি গোলকুন্ডা মাইনসের। এবং এটি নাকি তিন পুরুষের সম্পত্তি। তাই যদি হয়, তবে ক্যারাট পিছু কম করে চল্লিশ লাখ।

    বড়বাবু বললেন, চল্লিশ লক্ষ ইনটু পাঁচ, কত হয়? দু কোটি। কী বুঝলেন?

    মিতিনের আগে বিশ্বনাথবাবু বলে উঠলেন, যে নিয়েছে, তার এখন সাপের ছুঁচো গেলা দশা। না পারছে ফেলতে, না পারছে গিলতে। আমিও তক্কে-তক্কে আছি। যেই না খোলশ ছেড়ে গাঝাড়া দেবে, অমনি ক্যাঁক।

    মিতিন হেসে বলল, শুনলাম তো আপনি কষে জেরা করেছেন। কাকে-কাকে আপনার সন্দেহ হয়?

    বিশ্বনাথ বুঝি সামান্য অস্বস্তি বোধ করলেন। চশমা ঠিক করতে করতে বড়বাবুর দিকে তাকাচ্ছেন। বড়বাবু ঢক করে ঘাড় নাড়লেন, বলে দিতে পারেন। উনি আই-জি সাহেবের লোক।

    মিতিন তাড়াতাড়ি বলল, বিশ্বনাথবাবু, ডোন্ট মাইন্ড, আপনার লিড থেকে যদি হিরেচোরকে ধরতে পারি, আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন কৃতিত্বটা আমি আপনাকেই দেব।

    আমার তালিকায় প্রত্যেকেই সন্দেহভাজন। বিশ্বনাথের আঙুল ফের চশমায়। গলায় খানিক রহস্য মিশিয়ে বললেন, মিসেস আরাকিয়েল নিজেই নাটকটি রচনা করতে পারেন। তারপর ধরুন, মহিলার যে ভাইঝিটি সঙ্গে থাকে… কী যেন নাম?

    জেসমিন।

    হ্যাঁ, জেসমিন। সে তো মিস্টার অ্যান্ড মিসেস আরাকিয়েলের সবচেয়ে নিকটজন। চাবিটা অকুস্থল থেকে হাতিয়ে সে যে কুকাজটি করেনি, তাও কি নিশ্চিত করে বলা যায়? আর রাতদিনের কাজের মহিলারা যে কত কী কাণ্ড ঘটাচ্ছে, তা তো আপনারা রোজ কাগজেই দেখতে পাচ্ছেন। সুতরাং হাউসমেডটিকেও আমি ক্লিনচিট দেব না।

    আর হ্যারি?

    সেও তো মোটেই সাধুপুরুষ নয়। প্রিটোরিয়া স্ট্রিটে তার একটি হোটেল আছে। হোটেলটির খুব একটা সুনাম নেই। মাঝে-মাঝেই সেখানে জুয়ার আজ্ঞা বসে। হ্যারির আর্থিক অবস্থাও এখন পড়তির মুখে। এই ধরনের মানুষরা কখন কী করে বসে বলা কঠিন। আর একতলার ভাড়াটেদের মধ্যে ডিসুজা বড় চাকরি করতেন বটে, তবে তাঁর পুত্ৰটি ঘোর অপদার্থ। রোজগার প্রায় নেই বললেই চলে, সংসৰ্গও ভাল নয়। বাবার সঙ্গে সেও রাতে উপরে এসেছিল, আমি খবর পেয়েছি। বাকি রইলেন মিস্টার কুরিয়েন। তিনি একটি চিট ফান্ড চালান। তিনবার কোম্পানির নাম বদলেছেন। একবার জেলে যেতে যেতেও বেঁচে গিয়েছেন। আশা করি, এঁকে কেন সন্দেহ করছি সেটা আর ভেঙে বলার দরকার নেই। আর আছে দারোয়ান। বাহাদুর। যতই নিস্পাপ দেখাক, আমি কিন্তু এখনও তাকে ছেঁটে ফেলিনি। হ্যারির বউও বরের সঙ্গে যোগসাজশ করে…।

    টুপুরের আর কানে ঢুকছিল না। মাথা ঝিমঝিম করছে। বিশ্বনাথ মই বোধ হয় এবার ডাক্তারকেও টানাটানি করবেন। কিংবা মৃত মিস্টার আরাকিয়েলকে…।

    মিতিনের কিন্তু এতটুকু বিরক্তি নেই। একগাল হেসে বলল, অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনি আমাকে যে অমূল্য সাহায্যটি করলেন, তা আমার বহুকাল স্মরণে থাকবে।

    এ তো আমার কর্তব্য ছিল ম্যাডাম। আই-জি সাহেবের পরিচিত আপনি… প্রয়োজন হলেই চলে আসবেন।

    বড়বাবু গদগদ মুখে বললেন, সেদিন কিন্তু আপনাকে কিছু খেতেই হবে ম্যাডাম। নিদেনপক্ষে ডাবের জল…।

    অবশ্যই।

    থানা থেকে বেরিয়ে ফের ট্যাক্সি। গনগনে আঁচ লেপে আছে ট্যাক্সির সর্বাঙ্গে। উনুনে বসানো চাটুর মতো গরম সিটে শরীর ছেড়ে দিয়ে টুপুর বলল, বিশ্বনাথবাবু তোমায় কিন্তু খুব হ্যারাস করলেন। ইচ্ছে করে গুলিয়ে দিলেন ব্যাপারটা।

    আহা, ওভাবে ধরছিস কেন? উপরতলার সঙ্গে খাতির আছে বলেছি তো, তাই একটু মই ঘষলেন। তা ছাড়া সরকারি তদন্তের গোপন তথ্য আমার কাছে গড়গড় করে উগরে দেবেন, এতটা আশা করাও কি ঠিক?

    তা হলে এসেছিলে কেন? দুপুরটা তো বেকার গেল।

    না রে, জীবনের ধন কিছুই যায় না ফেলা। নয়-নয় করে ছিটেফোঁটা তো পেয়েছি। ওগুলোই কুড়িয়ে বাড়িয়ে জড়ো করে এখন খেলাতে হবে। দেখি, একটু-একটু করে ছবিটাকে সাজাই।

    বাড়ি ফিরে মিতিন ঢুকে গেল নিজের ছোট্ট স্টাডিতে। বোধ হয় ছবি সাজাতেই। মিতিনমাসি যে-কোনও কেসে কী করে এগোবে, এখনও তার থই পায় না টুপুর। দরকারই বা কী, মাসির পাশে পাশে থেকে পর্যবেক্ষণ করে যাওয়াটাই তো যথেষ্ট রোমাঞ্চকর। সুতরাং, এক্ষুনি-এক্ষুনি মাসির সঙ্গে বাতচিত করে লাভ নেই। কম্পিউটারে দাবা খেলতে বসে গেল টুপুর।

    হিরে চুরির প্রসঙ্গ ফের উঠল সন্ধেবেলায়। প্রেস থেকে ফিরে পার্থ উত্তেজিত মুখে বলল, তোর মাসি কাল অ্যাডভান্সটা না নিয়ে ভালই করেছে।

    মিতিন টুপুরের সঙ্গে বসে টিভি দেখছিল। ভঙ্গি করে বলল, হঠাৎ এই বোধোদয়?

    ভেবে দেখলাম, এই কেসে আগাম দু-পাঁচ হাজার নেওয়া মানে ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা। তার চেয়ে স্ট্রেট পুরো দক্ষিণাটা হেঁকে দেবে। হিরের দামের এক পারসেন্ট।

    টুপুর বলে উঠতে যাচ্ছিল, সে তো অনেক টাকা গো! তাকে থামিয়ে মিতিন সরল মুখ করে বলল, তাতে লোকশান হয়ে যাবে না তো?

    কী বলছ? হিরের দাম সম্পর্কে কোনও আইডিয়া আছে?

    তোমার আছে? মিতিন পালটা প্রশ্ন হানল, তুমি কি আজকাল হিরের কারবার করছ?

    আরে বাবা, হিরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গা ঘষাঘষি তো করি। মনে রেখো, আমার প্রেসটা বউবাজারে। যেখানে সোনা, রুপপা, হিরে-জহরতের দোকান থিকথিক করছে।

    বুঝেছি। আজ হিরে সম্পর্কে প্রচুর ফান্ডা নিয়ে এসেছ।

    উহুঁ, আগেই ছিল। আজ আবার একবার ঝালিয়ে নিলাম। পার্থ সোফায় গ্যাট হয়ে বসেছে, দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় হিরেটার নাম জানো কি? কালিনান। ওজন পাঁচশো ক্যারাটেরও বেশি। দু নম্বরে আছে ওলফ। তিনশো ক্যারাট। আমাদের কোহিনুরের র‍্যাঙ্ক ফিফথ। কেটেকুটে তার ওয়েট এখন দাঁড়িয়েছে একশো দু ক্যারাটে। আর দশ নম্বর পজিশনটা হর্টেনসিয়ার। কুড়ি ক্যারাটের এই ডায়মন্ডটি এক সময় ফ্রান্সের রাজমুকুটে শোভা পেত। এখন অবশ্য হর্টেনসিয়ার ঠাঁই পেয়েছে প্যারিসের ল্যুভর মিউজিয়ামে।

    মিতিন মুচকি হেসে বলল, তার মানে ওদের তুলনায় আরাকিয়েল বাড়ির হিরে নেহাতই পুঁচকে, কী বলো?

    যাহ বাবা, পাঁচ ক্যারাট কি ছোট? কীরকম প্রাইস হতে পারে জানো?

    কত আর! দু কোটি মতো।

    তাই বা কম কী? এক পারসেন্ট পাওয়া মানেও তো দুলক্ষ। অবশ্য ওজনের হিসেবে।

    কিন্তু আমার প্রাপ্য তো আরও বেশিও হতে পারে। কারণ, হিরের দাম তো শুধু ওজনে হয় না। কোন খনি থেকে সেটা পাওয়া গিয়েছিল, কতটা বিশুদ্ধ, কেমন কাটিং হয়েছে, রং, গ্লেজ, সবই ম্যাটার করে। প্লাস বিশেষ এক-একটা হিরের কত যে ইতিহাস থাকে। আমাদের কোহিনূরের কথাই ধরো না। মালবের রাজার কাছ থেকে বাবর নাকি কোহিনুর লুট করেছিলেন। মোগল সম্রাটদের হাত ঘুরে সেটি গেল নাদির শাহের কাছে। তারপর পেলেন পঞ্জাব কেশরী রঞ্জিৎ সিংহ। এবং শেষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মাধ্যমে কুইন ভিক্টোরিয়ার হাতে। এমন হিস্ট্রি আছে বলেই কোহিনুর না এত ফেমাস। এবং দামটাও সব হিসেবের বাইরে।

    সে যদি বলো, ওরলফের হিস্ট্রি তো ঢের ঢের বেশি ইন্টারেস্টিং। এখন যদিও মস্কোয় আছে, কিন্তু আদতে ওটা নাকি ভারতের। দক্ষিণের এক মন্দিরে ওরকম দুখানা হিরে নাকি বিষ্ণমূর্তির দুচোখে সেট করা ছিল। এক ব্যাটা ফরাসি সৈনিক যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালানোর সময় ওই মন্দিরে ঢুকে পড়ে। পাথর দুটো দেখেই তো তার চোখ চকচক। কিন্তু একটা চোখ খুবলে নেওয়ার পরেই লোকটা বেজায় ভয় পেয়ে গেল। সঙ্গে-সঙ্গে মন্দির থেকে ধাঁ। তারপর ঘাবড়ে গিয়েই হোক, কী হিরে বলে চিনতে না পেরেই হোক, রত্নটিকে সে বেচে দিল এক ব্রিটিশ জাহাজের ক্যাপ্টেনকে। মাত্র দুহাজার পাউন্ডে। তারপর ক্যাপ্টেন জাহাজ নিয়ে গেল আমস্টারডাম। সেখানে তখন থাকতেন রাশিয়ার এক কাউন্ট গ্রিগরি ওলফ। রানি ক্যাথরিন দ্য গ্রেটের বিশেষ বন্ধু। নব্বই হাজার পাউন্ডে হিরেখানা কিনে ওলফ উপহার দিলেন রানিকে। আনন্দে আত্মহারা রানি রিটার্ন গিন্ট হিসেবে আস্ত একখানা প্রাসাদই দিয়ে দিলেন ওরলফকে। তিরিশ বছর পর নেপোলিয়ান হানা দিলেন মস্কোয়। পাছে নেপোলিয়ান হিরেটা নিয়ে চলে যান, ওলফকে লুকিয়ে রাখা হল এক পুরোহিতের সমাধিতে তা নেপোলিয়ানও তো ছোড়নেওয়ালা নন। খুঁজে খুঁজে ঠিক সন্ধান পেয়ে গেলেন হিরেটার। কিন্তু সমাধিস্থলে গিয়ে যেই না সৈনিকরা মাটি খুঁড়ে হিরে বের করতে যাবে, অমনি পুরোহিতের আত্মা এসে প্রচণ্ড অভিশাপ দিতে লাগল সৈনিকদের। তাদের ভয়ংকর ক্ষতি হবে… কেউ তোরা বেঁচে ফিরবি না… রাশিয়ানদের কাছে হেরে যাবি…!

    পাৰ্থ গোঁফে তা দিল, কী কপাল, নেপোলিয়ান শেষ পর্যন্ত রাশিয়াতে হেরে গেলেন, ওরলফও তাঁর কবজায় এল না।

    কোথা থেকে পেলে গো গল্পটা? মিতিন চোখ নাচাচ্ছে, সাজিয়ে গুছিয়ে গুল মারছ না তো?

    আজ্ঞে না। কদিন আগে একটা বইয়ে পড়ছিলাম।

    তা বিষ্ণুর চোখের সেকেন্ড হিরেখানা গেল কোথায়?

    নিশ্চয়ই আছে কোথাও। খুঁজে দেখতে হবে। বেশি জেরায় পড়ার আগে পাৰ্থ মানে-মানে উঠে দাঁড়িয়েছে। আড়মোড়া ভেঙে বলল, আমার সাজেশনটা কিন্তু খেয়াল রেখো। আরাকিয়েলরা যথেষ্ট মালদার পার্টি, দু লাখের নীচে কখনও নামবে না।

    মনে থাকবে। মিতিন মুখ বেঁকাল। টুপুরকে বলল, গালগল্পগুলো আপাতত মাথা থেকে ঝেড়ে ফ্যাল। কাল থেকে আমাদের কিন্তু অভিযান শুরু।

    টুপুর ঘাড় নাড়ল, জানি তো।

    .

    ০৪.

    বাড়িটা প্রাচীন, কিন্তু জরাজীর্ণ নয়। পাঁচিল ঘেরা সাহেবি ছাঁদের চেহারা। দোতলা। বেশ বড়সড় গাড়িবারান্দাওয়ালা। মজবুত পিলারে গাঁথা লোহার গেটখানা রীতিমতো সম্ভ্রম জাগায়। বাড়ি আর গেটের মধ্যে খানিকটা ফাঁকা জায়গা। চাতালের মতো। ঈষৎ এবড়োখেবড়ো, ঘাসবিহীন। পাঁচিলের গায়ে দুখানা খুপরি-খুপরি ঘর। দরোয়ানের কোয়ার্টার।

    মিতিন আর টুপুর খোলা গেট পেরোতেই এক নেপালি যুবক বেরিয়ে এসেছে, কাহা জানা হ্যায়?

    উপর। জেসমিন মেমসাবকা পাস।

    আইয়ে। আইয়ে।

    গাড়িবারান্দা পর্যন্ত টুপুরদের পৌছে দিল গাঁটাগোট্টা চেহারার যুবকটি। সম্ভবত জেসমিনের নির্দেশেই এই খাতিরদারি। টুপুর ভাল করে দারোয়ানটিকে দেখে নিল। এই তবে বাহাদুর। বিশ্বনাথ মইয়ের মতো মিতিনমাসিও কি একে সন্দেহের তালিকায় রাখবে?

    গোটা তিনেক ধাপ টপকালে চওড়া প্যাসেজ। তিনখানা টিউবলাইট জ্বলছে প্যাসেজে। দুপাশে দুখানা লম্বা-লম্বা দরজা। নেমপ্লেট লাগানো। ডিসুজা আর কুরিয়েন। আলোকিত প্যাসেজের শেষ প্রান্তে দোতলায় ওঠার কাঠের সিঁড়ি। বারচারেক পাক খেয়ে সিঁড়ি পৌঁছেছে উপরে। সিঁড়ির শেষে আবার একখানা লম্বা টানা প্যাসেজ। অন্দরে যাওয়ার জন্য দুপ্রান্তে দুখানা, মধ্যিখানে পাশাপাশি তিনটে, মোট পাঁচটা দরজা। সামনেরটাতেই ডোরবেল।

    জেসমিন বুঝি বেল বাজার প্রতীক্ষাতেই ছিল। প্রায় সঙ্গে-সঙ্গেই খুলেছে দরজা। নরম হেসে বলল, ওয়েলকাম। আন্টি আপনাদের জন্য অধীর হয়ে অপেক্ষা করছেন।

    বর্গাকৃতি ড্রয়িংরুমে টুপুরদের বসিয়ে পিসিকে ডাকতে গেল জেসমিন। টুপুর ঘাড় ঘুরিয়ে-ঘুরিয়ে দেখছিল ঘরটাকে, আর চমৎকৃত হচ্ছিল। আসবাবপত্র, সাজসজ্জা, সর্বত্রই অ্যান্টিকের ছড়াছড়ি। দেওয়ালআলমারিতে কত যে দুষ্প্রাপ্য পুতুল। যিশুখ্রিস্ট, মা মেরি থেকে শুরু করে কিমোনো পরা জাপানি মেয়ে…। ঘরের চারকোণে রাখা চারটে অর্ধচন্দ্রাকার শ্বেতপাথরের টেবিলে সাবেকি ফুলদানি, রঙিন বাতিদান। এখানে সেখানে শোভা পাচ্ছে সুদৃশ্য মোমবাতি। নানান নকশার, নানান আকারের দেওয়ালে ছোট-বড় অয়েলপেন্টিং, রকমারি মুখোশ… অদ্ভুতদৰ্শন এক বাঁশের চোঙাও টাঙানো আছে দেওয়ালে। পাশে একজোড়া বাঁকানো কাঠের পাত, গায়ে ছবি আঁকা। একখানা গ্র্যান্ড পিয়ানোও ঘরে মজুত। কার্পেটে শুয়ে আছে পিতলের হরিণ।

    তারিফের সুরে টুপুর বলে উঠল, কী গ্র্যানজার গো?

    মিতিন অনুচ্চ কণ্ঠে বলল, মাথার উপর ল্যাম্পশেডগুলো দ্যাখ। স্টেনড গ্লাস। ইতালিয়ান।

    জগঝম্প বাঁশের ভেঁপুটা কী গো?

    ডিজিরিড়ু। অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসীদের বাজনা। পাশের দুটো বুমেরাং।

    সেই অস্ত্র, যা ছুড়লে টার্গেটকে হিট করে আবার হাতে ফিরে আসে?

    ইয়েস। তবে ছোড়াটা সহজ নয়। কেরামতি লাগে। এটাও অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরাই..।

    মিতিন থেমে গেল। এক বয়স্ক মহিলাকে ধরে ধরে আনছে জেসমিন। মহিলার চোখে মিলেস চশমা, চুল ছোট করে ছাঁটা, পরনে লম্বা গাউন। চেহারাটি ছোটখাটো, রোগাসোগা। গায়ের রং এককালে টকটকেই ছিল, এখন তাতে কেমন বাদামি-বাদামি ভাব। চামড়াও বেশ শিথিল। বয়সের তুলনায় যেন একটু বেশিই বুড়িয়ে গিয়েছেন মহিলা।

    মিতিন আর টুপুর উঠে দাঁড়িয়েছিল। জেসমিনের পিসি ইংরেজিতে বললেন, শুভ সন্ধ্যা। আমি ইসাবেল আরাকিয়েল। প্ৰয়াত জোসেফ মেলিক আরাকিয়েলের হতভাগ্য স্ত্রী। তোমরা দাঁড়িয়ে রইলে কেন? বোস।

    আলাপ-পরিচয়ের পালা সাঙ্গ হতেই মিতিন দ্রুত কাজের প্রসঙ্গে চলে এল, প্রথমে মিস্টার আরাকিয়েলের মৃত্যুর রাতটার সম্পর্কে বিশদ জানতে চাই। এবং একটু একান্তে।

    ইঙ্গিত বুঝেছে জেসমিন। তাড়াতাড়ি বলল, হা হা, নিশ্চয়ই। আপনারা কথা বলুন, আমি ততক্ষণ একটু চা-কফির বন্দোবস্ত করি।

    শুধু চা কিন্তু। লিকার উইদাউট সুগার। আর আমার এই অ্যাসিস্ট্যান্টের জন্য…।

    কোড্রিংক, তাই তো?

    দ্যাটস নাইস অফ ইউ।

    মধুর হেসে চলে গেল জেসমিন। মিতিন সোফা বদলে ইসাবেলের পাশে গিয়ে বসেছে। ইসাবেল অল্প-অল্প হাঁপাচ্ছিলেন। দম নিয়ে বললেন, আমি বাংলা বুঝি, কিন্তু বলতে পারি না।

    ঠিক আছে, আপনি ইংরেজিতেই বলুন।

    বাইশে ডিসেম্বরের ওই অপয়া রাতটাকে আমি মনে করতে চাই না। তবু তুমি যখন শুনতে চাইছ…। সন্ধে থেকে শুরু করি?

    যেভাবে আপনার সুবিধে হয়।

    বিকেলবেলা রোদ্দুর পড়ে এলে জোসেফ রোজ হাঁটতে বেরোতেন। অনেক কালের অভ্যেস। সেদিন ফিরলেন সাতটা সওয়া-সাতটা নাগাদ। তখন আমি টিভি দেখছিলাম। তা উনি তো গল্ফ কিংবা কার রেস ছাড়া অন্য কোনও অনুষ্ঠান পছন্দ করতেন না… আমাকে ইভনিং টি দিতে বলে উনি চলে গেলেন পাশের লাইব্রেরিরুমে। চা নিয়ে গিয়ে দেখি, যথারীতি খবরের কাগজ খুলে বসেছেন। একটা পিকিউলিয়ার হবি ছিল জোসেফের। রোজ তিনটে-চারটে করে নিউজ পেপার কিনতেন, আর বসে-বসে যত ক্রসওয়ার্ড আর জাম্বল আছে, সেগুলোর সমাধান করতেন। বিশেষ-বিশেষ দিনে খবরের কাগজ বন্ধ থাকলে জোসেফ ছটফট করতেন সারাদিন। এমনই নেশা, ওই সময়ে কেউ কথা বলতে গেলেও তাঁর কী বিরক্তি। ইসাবেল একটু থামলেন। বারকয়েক চোখ পিটপিট করে বললেন, তবে সেদিন, কে জানে কেন, আমার সঙ্গে গল্প করলেন খানিক। হয়তো চিরতরে চলে যাবেন বলেই…

    টুপুর ঝানু গোয়েন্দার স্বরে প্রশ্ন করল, কী কথা হয়েছিল স্মরণে আছে?

    তেমন বিশেষ কিছু নয়। ইসাবেলের মুখে দুঃখী হাসি, কাকে কাকে কার্ড পাঠানো যায়, কার জন্য কী উপহার কিনতে হবে… দু সপ্তাহ পরেই ক্রিসমাস ছিল তো।

    দু সপ্তাহ পরে? টুপুর অবাক, সেদিন তো ছিল ডিসেম্বরের বাইশ…?

    আমরা পঁচিশে ডিসেম্বর বড়দিন পালন করি না, মাই চাইল্ড। সেদিন শুধু একটা বাতি জ্বালাই। আর্মেনিয়ানদের ক্রিসমাসের উৎসব হয় ছয় জানুয়ারি।

    তাই বুঝি? ব্যাপারটায় বিশেষ একটা উৎসাহ না দেখিয়ে মিতিন ইসাবেলকে প্রসঙ্গে ফেরাল, হ্যাঁ, তারপর কী হল?

    আমি আবার বেডরুমে গেলাম টিভি দেখতে। জোসেফ ক্রসওয়ার্ড পাজলে মন দিলেন। জেসমিন আসার পর তিনজনে একসঙ্গে ডিনার সারলাম।

    জেসমিন এলেন কখন?

    নটা নাগাদ। কাজে বেরোলে ওর একটু রাতই হয়। … ডিনারের পর জোসেফ কিছুক্ষণ পায়চারি করলেন টেরেসে। তারপর আমরা তো শুয়েই পড়লাম। ঘুমটা যখন আসছে… হঠাৎ টের পেলাম জোসেফ আমায় ঠেলছেন। আলো জ্বেলে আমার রক্ত হিম হয়ে গেল। দেখি, বুকের যন্ত্রণায় উনি কুঁকড়ে কুঁকড়ে যাচ্ছেন। ঘামছিলেনও ভীষণ। ভয় পেয়ে জেসমিনকে ডেকে তুললাম। আওয়াজে নির্মলাও জেগে গেল। সঙ্গে-সঙ্গে লোকাল ডাক্তারকে কল দিয়েছিল জেসমিন। তবে ডাক্তারবাবু আসার আগেই তো উনি কেমন স্থির হয়ে গেলেন। ইসাবেলের গলা ধরে এল। নাক টেনে বললেন, ডাক্তারবাবু চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখেননি। হার্ট পাম্প করলেন, মুখে মুখ লাগিয়ে বাতাস পাঠিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাস চালু করারও চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু যার সময় শেষ, তাকে কি আর ধরে রাখা যায়। ইঞ্জেকশনটাও তো দেওয়া গেল না।

    সরি আন্টি। মিতিন ইসাবেলের হাতে হাত রাখল, জানি আপনাকে এসব প্রশ্ন করা মোটেই সমীচীন নয়। কিন্তু কয়েকটা ব্যাপার যে আমায় জানতেই হবে।

    কিন্তু কিন্তু করছ কেন? বলো না?

    আমি তো এসেছি আপনাদের হিরে হারানোর তদন্ত করতে…। মিতিন গলা ঝাড়ল, আর হিরেটা খোওয়া গিয়েছে মিস্টার আরাকিয়েল মারা যাওয়ার পরপরই…।

    মৃত্যুর ঠিক পরেই কিনা তা কিন্তু নিশ্চিত হয়ে বলতে পারব না। তবে হ্যাঁ, পঁচিশ তারিখ সকালে যখন সিন্দুক খুললাম, তখন দেখি বাক্সটা খালি।

    আপনি তো আগে কখনও সিন্দুকে হাত দেননি?

    না। জীবনে ওই প্রথম। সিন্দুক থেকে কিছু বের করার দরকার হলে জোসেফ ঘর বন্ধ করে সিন্দুক খুলতেন। তখন আমারও ঘরে থাকার অনুমতি ছিল না। ইসাবেল একটা নিশ্বাস ফেললেন, সেদিন জেসমিন কিছু টাকা চাইল। সমাধি দেওয়ার দিন খরচাপাতিগুলো হ্যারি মানে আমার ভাসুরের ছেলেই তো করেছিল। ওকে টাকাটা ফেরত দেবে বলে…. ভাগ্যিস খুললাম, চুরিটা তাই তখনই ধরা পড়ল।

    হঠাৎ বাক্সটাই বা দেখতে গেলেন কেন? ওটা তো খোলার প্রয়োজন ছিল না।

    নিছকই কৌতূহলে। আগে কখনও সিন্দুক খুলে দেখার সুযোগ পাইনি তো।

    হুম। জেসমিন তখন কোথায়?

    বেরিয়েছিল কী যেন কিনতে। ফোন করে জানাতেই ও চলে এল। আর সঙ্গে-সঙ্গে পুলিশকে..।

    ও। মিতিন একটু থেমে থেকে বলল, আচ্ছা আন্টি, চাবিটা তো মিস্টার আরাকিয়েলের কাছেই থাকত?

    বরাবর। আমি যখন বিয়ের পর এ বাড়িতে আসি, তখন থাকত শশুরমশাইয়ের হেপাজতে। তিনি গত হওয়ার পর থেকে জোসেফই… চাবিটা যেন ওঁর শরীরের একটা অংশ বনে গিয়েছিল।

    তা আপনার হাতে চাবিটা এল কখন?

    ওই রাত্তিরে তো চাবির কথা আমার মাথাতেই ছিল না। মগজ কাজই করছিল না কোনও। কখন যেন জেসমিনের ঘরে গিয়ে শুয়েছিলাম, তারপর সকালে ফের ও ঘরে যেতে সুজান আমাকে চাবিটা দিল।

    মিস্টার হ্যারির বউ?

    তুমি তাকে চেনো?

    জেসমিনের মুখে নামটা শুনেছি।

    হ্যারি আর সুজান আমার উপর খুব রেগে আছে।

    কেন?

    পুলিশ ওদের খুব জেরা করেছে তো। ভাবছে আমি ওদের নামে নালিশ করেছি। ইসাবেল ফের একটা নিশ্বাস ফেললেন, বোঝে না, আমিও নিরুপায়। পুলিশকে তো বলতেই হবে সেদিন রাতে জোসেফের পাশে কারাকারা ছিল।

    বটেই তো। রাতভর চাবি ছিল মিস্টার আরাকিয়েলের কোমরে। তখনই সিন্দুক খুলে হিরে সরানো হয়েছে কিনা পুলিশ তো খতিয়ে দেখবেই। মিতিন আড়চোখে অন্দরে যাওয়ার দরজাটা একবার দেখে নিয়ে বলল, তা সুজানের হাতে চাবি এল কীভাবে?

    সুজান তো সকলের সামনেই জোসেফের কোমর থেকে খুলল।

    সবাই মানে? কে কে ছিল তখন?

    অনেকে। হ্যারি, মিস্টার ডিসুজা, মিসেস কুরিয়েন… এ ছাড়া জেসমিন, নির্মলারা তো ছিলই।

    আপনার ভাড়াটেরা কি হিরেটার কথা জানতেন?

    অজানা ছিল না। আমি কখনও সেভাবে আলোচনা করিনি বটে, তবে দু-একবার হয়তো বলেছি। ডিসুজা কুরিয়েনদের সঙ্গে জোসেফের যথেষ্ট হৃদ্যতা ছিল। জোসেফও হয়তো গল্প করে থাকতে পারেন।

    এবার একটা ডেলিকেট প্রশ্ন। ভাড়াটেদের কাউকে কি আপনার সন্দেহ হয়?

    ইসাবেল চুপ। প্রায় মিনিটখানেক নীরব থেকে বললেন, পিটার ডিসুজা ছিলেন জোসেফের বন্ধু। অ্যালবার্ট এই বাড়িতেই জন্মেছে। কুরিয়েনরাও আছে প্রায় তিরিশ বছর। ওদের সম্পর্কে আমি কী মন্তব্য করব বলো? সজ্ঞানে এরা আমাদের ক্ষতি করবে, এ আমি ভাবতেই পারি না। ওদের সন্দেহ করলে তো জেসমিন, নির্মলা, হ্যারিদেরও সন্দেহ করতে হয়।

    নির্মলাও কি বহুদিনের পুরনো…?

    হ্যাঁ। ষোল বছর বয়স থেকে আছে। আর্মেনিয়ান চার্চ কিছু বৃদ্ধাশ্ৰম আর অনাথালয়ের সঙ্গে যুক্ত। ওই রকমই একটা অনাথ আশ্রম থেকে জোসেফ এনেছিলেন নির্মলাকে। এখন জেসমিনও আমার মেয়ে, নির্মলাও আমার মেয়ে। বলতে-বলতে ইসাবেল হঠাৎই চঞ্চল, কী কাণ্ড দ্যাখো… নির্মলা এখনও তো তোমায় চা দিয়ে গেল না! দাঁড়াও তো, দেখি উঠে।

    ইসাবেলকে অবশ্য উঠতে হল না। নির্মলা প্রায় তখনই ট্রে সাজিয়ে ঢুকেছে। ক্ষণিকের জন্য টুপুরের মনে হল, আড়াল থেকে তাদের কথা শুনছিল নাকি নির্মলা? চা, কোল্ডড্রিংক নামিয়েই সে চলে গেল বটে, তবে তার আগেই টুপুর তাকে মোটামুটি জরিপ করে নিয়েছে। চেহারায় একটু যেন আদিবাসীআদিবাসী ভাব। বছর তিরিশেকের নির্মলার কালেকুলো মুখে একটা আপাত সারল্য থাকলেও খুদে-খুদে চোখের ঘূর্ণন বলে দেয়, সে মোটেই বোকা নয়। মিতিনমাসি কি নজর করল ব্যাপারটা?

    চা শেষ করে মিতিন বলল, চলুন আন্টি, এবার আপনার শোওয়ার ঘরে যাই।

    ইসাবেল বললেন, তা হলে জেসমিনকে ডাকি? আমাকে একটু ধরুক।

    আমি হেল্প করব?

    না না, তুমি কেন? ওরা তো আছে।

    আপনার প্রবলেমটা কী আন্টি? হাঁটু?

    শুধু হাঁটু নয়, সর্বাঙ্গই যেন অচল হয়ে আসছে। এই কমাসে যে কী হল, পায়ে আর তেমন জোর পাই না, হাতে বল নেই, আঙুলগুলোও বড় কাঁপে…। ইসাবেলের স্বর দুলে গেল, অবশ্য আমার আর থেকেই বা কী লাভ। উনি নেই, আরাকিয়েল বংশের সৌভাগ্যের প্রতীক হিরেটাও বিদায় নিল…।

    ইসাবেলের হাহাকারে টুপুরের চোখ ছলছল এবার। মিতিনের কিন্তু তেমন কোনও তাপউত্তাপ নেই। গলা উঁচিয়ে ডাকল জেসমিনকে। ভাইঝিকে ধরে কাঁপা-কাঁপা পায়ে হাঁটছেন ইসাবেল। পিছন-পিছন মাসি-বোনঝি।

    ড্রয়িংরুমের ডান পাশের ঘরটি লাইব্রেরি। মোটা-মোটা আইনের বইয়ে চার দেওয়াল ঠাসা। আইনজ্ঞের টেবিলচেয়ার ছাড়াও একখানা গোল শ্বেতপাথরের টেবিল রয়েছে ঘরে। সাবেকি আরামকেদারাও। কবিরগাওয়ালা উঁচু সিলিং থেকে ঝুলছে চার ডাঁটির ফ্যান।

    ঘরটা পেরোতে-পেরোতে টুপুর প্রশ্ন করল, মিস্টার আরাকিয়েল বুঝি লইয়ার ছিলেন?

    উহুঁ। জেসমিন উত্তর দিল, আঙ্কলের বাবা ছিলেন ব্যারিস্টার। হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করতেন। ভাল পশার ছিল।

    আর আঙ্কল? বিজনেস?

    অনেকটা ওই রকমই। আঙ্কলের ঘোড়দৌড়ে খুব আগ্রহ ছিল। তাঁর নিজের ঘোড়াও দৌড়ত কলকাতা আর বেঙ্গালুরুর ট্র্যাকে। পরে রেসের মাঠের রোজগার লাগিয়ে দেন বিভিন্ন কোম্পানিতে। নিয়মিত ডিভিডেন্ড পেতেন, দিব্যি চলে যেত।

    কথায় কথায় পরের ঘরখানায় পা রেখেছে টুপুর। আগের দুটো ঘর বড় ছিল বটে, কিন্তু এটা যেন বিশাল। চারখানা দরজার একটা বাইরের প্যাসেজে বেরনোর, একটা পাশের ঘরে যাওয়ার, তৃতীয়টি অন্দরকে যুক্ত করেছে, চতুর্থটি দিয়ে গাড়িবারান্দার মাথার টেরেসটিতে যাওয়া যায়। লাইব্রেরি ঘরের দরজাটি ছাড়া বাকি তিনটি দরজা অবশ্য বন্ধ। লম্বা-লম্বা জানলায় ভারী-ভারী পরদা ঝুলছে।

    ঘরে ঢুকেই টুপুরের চোখ গিয়েছে সিন্দুকে। গোলাকার হাতলওয়ালা দেওয়ালে গাঁথা আয়রন চেস্টা বিছানার ওপাশে, ঘরের কোনায়। প্ৰকাণ্ড খাটটি থেকে মাত্র হাত পাঁচেক দূরে। আস্তে আস্তে বাকি আসবাবেও দৃষ্টি ঘুরল টুপুরের। বিডে কারুকাজ করা ভারী চমৎকার দুটো কাঠের আলমারি, তাদের মাঝখানে একটা পুরনো অ্যাকোয়ারিয়াম, সাহেবি আমলের ড্রেসিংটেবিল, মানুষপ্রমাণ দোলআয়না, সবই বেশ ছড়িয়ে-ছড়িয়ে সাজানো। মেঝের লতাপাতার স্কার্টিং যেন আলাদা একটা মাত্ৰা এনেছে সজ্জায়। শুধু হালফ্যাশনের স্ট্যান্ডে টিভিটাই যা খাপছাড়া।

    ইসাবেল খাটে বসেছেন। পাশে জেসমিন। মিতিন সোজা সিন্দুকের সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, একবার খোলা যাবে কি?

    অবশ্যই। গাউনের পকেট থেকে একজোড়া চাবি বের করলেন ইসাবেল। জেসমিনকে বললেন, দেখিয়ে দাও।

    পুরু লোহার পাল্লার ভিতরভাগে অত্যাধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সঠিক চাবি ছাড়া খোলার চেষ্টা করলে যা কিনা সশব্দে বেজে ওঠে। সিন্দুকের দুটো তাকই প্রায় শূন্য। ফাঁকা ভেলভেটের বাক্স, একখানা ডায়েরি, খুচখাচ কাগজপত্র ছাড়া আর কিছুই নেই। নীচে বন্ধ লকার। জেসমিন বলল, ওখানে টাকাপয়সা আর শেয়ারের সার্টিফিকেট থাকে। দেখবেন কি?

    থাক। মিতিন নীল ভেলভেটের আধারখানা খুলে দেখল। আবার যথাস্থানে রেখে দিয়ে জিজ্ঞেস করল, বাক্সটা কি এখানেই ছিল? না লকারে?

    ইসাবেল বললেন, আমি তো সেফেই দেখেছি।

    খোলা ছিল? না বন্ধ?

    বন্ধই।

    আচ্ছা আন্টি, হিরেটার কোনও ইনশিওরেন্স করানো হয়নি কেন বলতে পারেন?

    শুনেছি আমার শ্বশুরমশাই একবার চেষ্টা করেছিলেন। ইনশিওরেন্স কোম্পানি নাকি খুব বেশি টাকার প্রিমিয়াম হাঁকে। শর্তও দেয় অনেক। কোথায় রাখতে হবে, কীভাবে রাখতে হবে…। শ্বশুরমশাই হিরে সিন্দুক থেকে সরাতে রাজি হননি। জোসেফও আর ও ব্যাপারে গা করেননি কোনও।

    ও। মিতিন কথা বলতে বলতে ডায়েরিটা দেখছিল। হালকা বিস্ময়ের সুরে বলল, এ তো অনেক পুরনো! উনিশশো বাহাত্তর সালের।

    ওটিও শ্বশুরমশাইয়ের। ওই বছরে তিনি মারা যান। জোসেফ স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিয়েছিলেন।

    হুঁ। ডায়েরিটা রেখে মিতিন এবার পায়ে-পায়ে এগোল দেওয়ালে ঝোলানো একটি ছবির সামনে। হ্যাট কোট পরা এক সুপুরুষ সাহেবের ফোটো। ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটির নীচে ছোট্ট শ্বেতপাথরের টেবিল, কাঠের চেয়ার। টেবিলে মোমদানিতে লাল বাটি-মোমবাতি। অর্ধেক জ্বলা বাতি থেকে মোম গলে টেবিলেও ছড়িয়ে পড়েছে।

    ছবিতে চোখ রেখে মিতিন বলল, ইনি নিশ্চয়ই মিস্টার আরাকিয়েল?

    জেসমিন সিন্দুকের ডালা বন্ধ করে ইসাবেলকে চাবি দিয়েছে। পকেটে চাবি রাখতে-রাখতে ইসাবেল ঘাড় নাড়লেন, প্ৰায় কুড়ি বছর আগের। মধ্যবয়সে উনি যেন আরও রূপবান হয়েছিলেন।

    ছবির নীচে মোমবাতি কে জ্বালান? আপনি?

    হ্যাঁ। শুতে যাওয়ার আগে রোজ রাতে ওঁর ধ্যান করি। ওই চেয়ারে বসে।

    সুন্দর-সুন্দর মোমবাতির সাপ্লায়ার কে? নিশ্চয়ই জেসমিন?

    লাজুক হেসে জেসমিন বলল, অন্য কোনও মোমবাতি আন্টি ব্যবহারই করবেন না।

    আপনার কারখানাটি কোথায়?

    কারখানা-টারখানা আবার কী! নীচের একটা গ্যারাজে নিজে নিজেই বানাই। হঠাৎ বেশি অর্ডার এসে গেলে নির্মলা সাহায্য করে হাতে-হাতে।

    কথোপকথনের মাঝে টুপুরের দৃষ্টি হঠাৎ অ্যাকোয়ারিয়ামে। দুটো রেডসোর্ড টেল মারামারি জুড়েছে। একটা ধাড়ি অ্যাঞ্জেল ভারিক্কি ভঙ্গিতে এসে ঝগড়া থামাল। জলে ভাসমান কাচের পাত্র থেকে পুটপাট কেঁচো খেয়ে চলেছে মলির ঝাঁক। গাপ্পি গোরামিনরা টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে আপন মনে। আশ্চৰ্য, এত কাণ্ডকারখানা চলছে জলে, অথচ জলের তলদেশ একদম স্থির। ঈষৎ সবজেটে জলে দুলছে ঝাঁঝি, ভাসছে জলজ উদ্ভিদ, মাছেরা হঠাৎ হঠাৎ ড়ুব দিচ্ছে তলায়, সব মিলিয়ে কী অপরূপ দৃশ্য। বদলে-বদলে যাচ্ছে দৃশ্যগুলো, প্রতি মুহূর্তে। তাকিয়ে থাকতে-থাকতে চোখে যেন নেশা লেগে যায়।

    সত্যি, কী নিশ্চিন্ত জীবন মাছেদের। চুরিচামারির বালাই নেই। শোকতাপ নেই। বাড়ির কর্তা মারা গিয়েছেন, তাই নিয়ে কোনও বিকারও নেই। দিব্যি মজাসে আছে।

    আহা রে, মানুষের জীবনও যদি এমন হত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআয়নামহল – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }