Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প702 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১-২. ফাঁপরে পড়েছে টুপুর

    এবার গরমের ছুটিতে মিতিনমাসির বাড়িতে বেড়াতে এসে ভারী ফাঁপরে পড়েছে টুপুর। ভেবেছিল শুয়ে-বসে-গড়িয়ে বেশ কেটে যাবে দিনগুলো। আয়েশ করে অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমোবে, চলবে অফুরন্ত গল্প-আড্ডা, শখ করে নিত্যনতুন পদ রাঁধবে মিতিনমাসি, মাঝেমধ্যে হোটেল-রেস্তরাঁয় ভূরিভোজ খাওয়াতে নিয়ে যাবে পার্থমেসো। আর যদি কোনও কেস টেস এসে গেল তো সোনায় সোহাগা। উত্তেজনার আঁচে সেঁকে নিতে পারবে নিজেকে। কিন্তু কোথায় কী? মিতিনমাসির হাত এখন বেবাক ফাঁকা এবং এক আজব ভূত চেপেছে মাথায়। টুপুর নাকি বেজায় প্যাংলা হয়ে যাচ্ছে, তার শরীরস্বাস্থ্য মজবুত করা নাকি বেজায় জরুরি। ব্যস, ভাবামাত্র কাজ। তৈরি হয়ে গেল টুপুরের ডেলি রুটিন। আর তারই জের সামলাতে বেচারা টুপুরের রীতিমতো নাজেহাল দশা।

    কী যে সব ফতোয়া জারি করেছে মিতিনমাসি! কাঁটায় কাঁটায় পাঁচটায় শয্যাত্যাগ, আদা-গুড় ভেজানো ছোলা সহযোগে খানিক কাঠবাদাম ভক্ষণ, তারপর বেরিয়ে পড়ো মাসির সঙ্গে প্রভাতী ভ্রমণে। নামেই ভ্রমণ, আসলে হাড়ভাঙা খাটুনি। পেল্লাই রবীন্দ্র সরোবরটিকে হনহনিয়ে দু’বার পাক মারা, তারপর হরেকরকম শারীরিক কসরত…। বাড়ি ফিরে দুধ-কর্নফ্লেক্স, ডিমসেদ্ধ, কলা। দু’ঘণ্টা পরে ফলের রস। দুপুরে প্রচুর শাকসবজি, কম তেলমশলার মাছ, সঙ্গে এক বাটি টক দই। বিকেল চারটেয় এক ঘণ্টা যোগাসন। ফের ফল-দুধ। লুচি-পরোটা-চপ-কাটলেট একেবারে বন্ধ। তার বদলে স্টু-সুপ কিংবা ইডলি ফিডলি গোছের কিছু। নৈশাহারেও প্রায় একই ধরনের অখাদ্য। তাতেও মুক্তি নেই, খাওয়ার পর ফ্ল্যাট বাড়ির ছাদে গিয়ে হাঁটতে হচ্ছে আধঘণ্টা। বুমবুম তো খাবার দেখলেই ওয়াক তুলছে। একমাত্র পার্থমেসোরই কোনও হেলদোল নেই। প্রেসে গিয়ে মোগলাই খানা সাঁটাচ্ছে দেদার, শুধু বাড়িতে ভালমানুষটি সেজে থাকছে। এমন একটা গরমের ছুটি এ বাড়িতে কখনও কাটেনি টুপুরের। সাত দিনেই মনটা পালাই পালাই করছে।

    আজও সকালটা একই ভাবে শুরু হয়েছিল। রবীন্দ্র সরোবরে চক্কর কেটে, ব্যায়াম ট্যায়াম করতে করতে জিভ প্রায় বেরিয়ে যাওয়ার জোগাড়। গাছে গাছে কোকিল ডাকছে, ফুরফুরে হাওয়াও দিচ্ছে, কিন্তু টুপুর যেন কিচ্ছু টের পাচ্ছিল না। খানিক তফাতে লাফিং ক্লাবের একদল সদস্য বিকট কায়দায় হাসির অনুশীলন চালাচ্ছে, সেদিকেও তাকানোর অবকাশ নেই। ঘামে ভিজে জ্যাবজ্যাবে হয়ে গেছে তার ট্র্যাকসুট, তবু মাসির নির্দেশ মতো হাত-পা ছুড়ছে এক মনে।

    হঠাৎই শরীরচর্চায় বিঘ্ন ঘটল। বড় বড় পা ফেলে কে উনি আসছেন এদিকে? অনিশ্চয় আঙ্কল না?

    হ্যাঁ, জাঁদরেল পুলিশ অফিসার অনিশ্চয় মজুমদারই বটে। একেবারে সামনে এসে একগাল হাসলেন অনিশ্চয়, জানতাম ম্যাডামকে এখানেই পাব।

    মিতিন ধনুকের মতো বাঁকাচ্ছিল দেহটাকে। সিধে হয়ে বলল, সুপ্রভাত। আপনি হঠাৎ লেকে যে বড়? মর্নিংওয়াক ছেড়ে দিয়েছিলেন না?

    আবার ধরেছি। মধ্যপ্রদেশটা যে হারে বেড়ে চলেছে…!

    তো? ওই মধ্যপ্রদেশই তো আপনাদের শোভা দাদা। ভুঁড়ির সাইজ দিয়েই তো আপনাদের কর্মদক্ষতা মাপা হয়।

    অনিশ্চয় সন্দিগ্ধ চোখে বললেন, ঠাট্টা করছেন না তো?

    ছি ছি, তাই কখনও করতে পারি? মিতিন মজা করার সুরে বলল, তো এখন রোজই আসছেন নিশ্চয়ই?

    এভরি সানডে। কোনও রোববারই বাদ দিই না।

    গুড। ভেরি গুড। ওয়েস্টলাইনের উন্নতি কিছু হল?

    পাক্কা তিন মিলিমিটার কমেছে। খুব একটা মন্দ নয়, কী বলেন? নিজের রসিকতায় নিজেই হা হা হেসে উঠলেন অনিশ্চয়। হাসিমুখে তাকালেন টুপুরের দিকে, কী গো মিস ওয়াটসন, তোমার কী সমাচার? এক্সারসাইজ করে কতখানি তাগদ বাড়ল? পারবে মাসির সঙ্গে কুস্তি লড়তে?

    জবাব দিল না টুপুর। লাজুক লাজুক মুখে হাসল একটু।

    অনিশ্চয় ফের ফিরেছেন মিতিনে, তা আপনার প্রফেশনের হালচাল কেমন? জালে এখন ক’খানা ক্লায়েন্ট?

    একটিও না। কলকাতার লোকজন হঠাৎ খুব ভাল হয়ে গিয়েছে। ক্রাইম করা প্রায় ছেড়েই দিয়েছে। অগত্যা সারাদিন মাছি তাড়াচ্ছি।

    অর্থাৎ সুখেই আছেন। এদিকে আমরা পুলিশরা তো চুরিডাকাতি, খুনখারাপি সামলাতে সামলাতে জেরবার হয়ে যাচ্ছি, বলেই কয়েক সেকেন্ড চুপ। কী যেন ভাবছেন অনিশ্চয়। বললেন, আপনার হাত তা হলে এখন শূন্য?

    বিলকুল।

    একটা কেস আপনাকে দিতে পারি, বুঝলেন। একেবারেই ফাঁপা। তবে আপনাকে চালান করলে আমার মাথা একটু হালকা হয়।

    কীরকম? কীরকম?

    এক পাগলা বুড়ো আমায় বহুত বোর করছেন। তাঁর ফোনের ঠেলায় আমি জেরবার। অথচ ভদ্রলোকের সমস্যায় পুলিশের কিছুই করার নেই। সত্যি বলতে কী, আদৌ কোনও সমস্যা আছে বলে আমার মনেও হয় না। তা আপনি তো পেশাদার গোয়েন্দা, দেখুন যদি ওঁকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে আশ্বস্ত করতে পারেন।

    অর্থাৎ আমাকে কাউন্সেলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে?

    অনেকটা সেই রকমই। তবে ওঁর কথাবার্তা থেকে যদি কোনও রহস্য খুঁজে বার করতে পারেন, সেটা আপনার বাড়তি লাভ।

    কোথায় থাকেন ভদ্রলোক?

    মাকুইস স্ট্রিটে। নাম ডেভিড যোশুয়া।

    মিতিন ভুরু কুঁচকোল, ইহুদি নাকি?

    ঠিক ধরেছেন তো। কলকাতায় এখন ইহুদিরা ডোডো পাখির মতো দুর্লভ। ইনি সেই বিরল প্রজাতিরই একজন।

    হুঁ, এ শহরে এখন ইহুদির সংখ্যা সাকুল্যে একশো হবে কিনা সন্দেহ, মিতিন ঘাড় নাড়ল, তা প্রবলেমটা কী ভদ্রলোকের?

    কিছুই না। আবার অনেক কিছু। ওঁর বদ্ধমূল ধারণা হয়েছে, কেউ সারাক্ষণ ওঁর উপর নজর রাখছে। সে মিস্টার যোশুয়া আর তাঁর স্ত্রীকে না মেরে ছাড়বে না। মাঝে মাঝেই নাকি তাঁর কাছে ঘোস্ট কল আসে। কে নাকি তাঁকে শাসায়। অথচ ওই নম্বরে মিস্টার যোশুয়া কল করে দেখেছেন, নম্বরটাই নাকি নেই।

    যে ভয় দেখাচ্ছে, সে কেন মারবে তা কি বলেছেন মিস্টার যোশুয়া?

    তিনি তো এক-এক সময়ে এক-এক কথা বলেন। কখনও বলেন আমার বাড়িটাকে গ্রাস করতে চায়। কখনও বলেন, আমার গোটা বংশটাকেই নিকেশ করে দেবে। আমার তো মনে হয়, সব কিছুই ওঁর মনগড়া ধারণা। যদিও ভদ্রলোকের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ পরিচয় হয়নি, তবে খোঁজখবর নিয়ে যা জেনেছি উনি এমন কিছু অর্থবান ব্যক্তি নন যে, ওঁকে হত্যা করে কারও কোটি কোটি টাকা নাফা হবে।

    তবু উনি যখন ভয় পাচ্ছেন, পুলিশের তরফ থেকে তো ওঁকে একটা প্রোটেকশন দেওয়া উচিত।

    তুৎ, কী প্রোটেকশন দেব? যে কেউ ওরকম বললেই কি বাড়ির দরজায় চারজন করে পুলিশ দাঁড় করিয়ে রাখা যায়? পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কি খেয়েদেয়ে আর কোনও কাজ নেই? অনিশ্চয় মুখ বাঁকালেন, বরং এই সব ঝুটঝামেলা আপনারা সামলাতে পারবেন।

    মিতিন একটুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, ভদ্রলোক করেন কী?

    একসময়ে গ্রেট ইন্ডিয়া হোটেলের চিফ অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছিলেন। পোদ্দার কোর্টের কাছে আরও দু’খানা বাড়িও ছিল। সেখান থেকে কিছু ভাড়া টাড়াও পেতেন। সেই বাড়ি দুটো এখন বেচে দিয়েছেন। ব্যাঙ্কে জমানো টাকার সুদ থেকে সংসার চলে।

    কে কে আছেন সংসারে?

    এখন তো শুধু বৃদ্ধ-বৃদ্ধাই থাকেন। একটিমাত্র ছেলে, সে বিদেশে সেটল্ড।

    ও। তা এই ভদ্রলোকের মৃত্যুভয় কবে থেকে শুরু হয়েছে?

    এগজাক্টলি বলতে পারব না। তবে মনে হয় দু-তিন মাস, অনিশ্চয় একটু থেমে থেকে বললেন, অবশ্য ভয় পাওয়ার বোধহয় একটা ব্যাকগ্রাউন্ড আছে। মিস্টার যোশুয়া আর তাঁর স্ত্রী লন্ডনে ছেলের কাছে গিয়ে বেশ কিছুদিন ছিলেন। ফিরেছেন বছর খানেক আগে। তিনি ফেরার পরপরই তাঁর ভগ্নিপতি মারা যান, তার মাস কয়েক পরে দিদি। দুটোই প্লেন ডেথ। হার্ট অ্যাটাক। কিন্তু কেন যেন মিস্টার যোশুয়ার ধারণা হয়েছে, তাঁরা স্বাভাবিক ভাবে মারা যাননি। আর সেই ধারণা থেকেই মৃত্যুভয়ের সূত্রপাত। আপনিই বলুন ম্যাডাম, কেউ যদি এরকম অযথা ভয় পেতে শুরু করে পুলিশ কী করবে?

    তা বটে। মিতিনকে একটু যেন চিন্তান্বিত দেখাল। কপাল কুঁচকে বলল, ঠিক আছে, ভদ্রলোকের ফোন নম্বরটা আমায় দিন, আমি যোগাযোগ করে নেব। তার আগে আপনি মিস্টার যোশুয়াকে আমার কথাটা জানিয়ে রাখুন।

    শিয়োর। আমি আজই বলে দিচ্ছি। মোবাইল থেকে মিস্টার যোশুয়ার নম্বরটা বার করে মিতিনকে দিলেন অনিশ্চয়। তিনি চলে যাওয়ার পর টুপুর বলল, কেসটা তুমি নিয়ে নিলে?

    হাতে তো এখন তেমন কাজকর্ম নেই। দেখি না ব্যাপারটা একটু নাড়াচাড়া করে।

    কী দেখবে? মানে এখন তুমি কী করবে?

    জানি না। আগে মিস্টার যোশুয়ার সঙ্গে মোলাকাত তো হোক, তারপর তো বোঝা যাবে।

    বাড়ি ফিরে পার্থকে বলামাত্র সে রীতিমতো উত্তেজিত। চোখ পিটপিট করে জিজ্ঞেস করল, কী নাম বললে? ডেভিড যোশুয়া? ইনি কি এলিস যোশুয়ার কোনও রিলেটিভ?

    মিতিন জিজ্ঞেস করল, কে এলিস যোশুয়া?

    কিছুই জানো না দেখি। জেনারেল নলেজটা একটু বাড়াও, পার্থ পায়ের উপর পা তুলে নাচাচ্ছে, সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারের সময়ে জাপানিরা যখন দক্ষিণ এশিয়ায় বম্বিং শুরু করে, তখন বার্মা, মানে এখন যাকে বলে মায়ানমার, সেখান থেকে অনেক ইহুদি পালিয়ে এসেছিল কলকাতায়। এলিস যোশুয়া ছিলেন তাঁদেরই একজন। কলকাতায় এসে তিনি প্রথমে গ্র্যান্ড হোটেলে চাকরি নিয়েছিলেন। তবে জানোই তো, ব্যবসা করাটা ইহুদিদের রক্তেই আছে। তাই কিছুদিন পরে চাকরি বাকরি ছেড়ে পার্ক স্ট্রিটে তিনি একটা ঘ্যামচ্যাক রেস্তরাঁ খুলে বসেন। কোন রেস্তরাঁ জানো? ট্রিঙ্কাস।

    টুপুর অবাক হয়ে বলল, ওমা, সে তো এখনও চলছে।

    তবে এখন বোধহয় অন্য কেউ কিনে নিয়েছে, পার্থ গলা ঝাড়ল। তারপর বিজ্ঞ বিজ্ঞ ভঙ্গিতে মিতিনকে বলল, যাক গে, গোড়াতেই তোমাকে একটা ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া ভাল। টাকাপয়সার ব্যাপারে ইহুদিরা কিন্তু খুব হিসেবি। ভয়ংকর প্র্যাকটিকাল। ওরা নগদানগদি ছাড়া লেনদেন করে না। আশীর্বাদ পর্যন্ত ধারে দেয় না। সুতরাং কেস হাতে নিলেই টাকাপয়সার ব্যাপারটা ফয়সালা করে নেবে।

    মিতিন হেসে বলল, আহা, দেখি আগে কেসটার কোনও সারবত্তা আছে কিনা?

    ওই দেখতে যাওয়ার জন্যও ফি চার্জ করবে।

    সে হবে খন। এখন বলো আজ ব্রেকফাস্টে কী খাবে?

    নতুন একটা কেস পাচ্ছ, সেই অনারে একটু মুখবদল হোক।

    উত্তম প্রস্তাব। সেদ্ধ ডিমের বদলে আজ তা হলে পোচ হতে পারে।

    আহা, বদলের কী ছিরি! কেন, একদিন লুচি তরকারি খেলে কী হয়? রবিবারের সকালে টোস্ট ফোস্ট পোষায়?

    বেশ। আজ না হয় রুটিন ব্রেক।

    বুমবুম ‘ইয়ায়া’ করে উল্লাস দেখিয়ে উঠল। পার্থ আহ্লাদে আটখানা। মুচকি হেসে অন্দরে চলে গেল মিতিন।

    টুপুরের মনে হল একটা কাজের খোঁজ পেয়ে মিতিনমাসিও বেশ পুলকিত। কিন্তু কাজটা যে ঠিক কী? কোনও রহস্য আছে কি আদৌ?

    .

    ০২.

    প্রথম দর্শনে বাড়িখানা হতাশই করল টুপুরকে। জাদুঘরের পিছন দিকের এই রাস্তাটায়, শহরের প্রায় কেন্দ্রস্থলে, এত জীর্ণ এক অট্টালিকা এখনও যে টিকে আছে টুপুর ভাবতেই পারে না। সত্যি বলতে কী, পেল্লায় উঁচু পাঁচিলটার অন্দরে আদৌ ঘরবাড়ি আছে কিনা তাই তো ঠাহর করা মুশকিল। ভাগ্যিস ভাঙাচোরা গেটের ধারের থামটায় পাথরের ফলকের উপর বড় বড় হরফে বাড়ির নম্বর লেখা। নইলে বোধহয় ঠিকানাটা খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর হত।

    গাড়িটাকে ফটকের দিকে ঘুরিয়ে মিনিটখানেক দাঁড়িয়ে রইল মিতিন। তারপর ঘড়ি দেখে বলল, সাড়ে পাঁচটায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট। এখন সবে পাঁচটা দশ।

    পাশেই পার্থ। আজ রবিবার বলে সেও যোগ দিয়েছে অভিযানে। কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, সো হোয়াট? চলো, ঢুকে পড়ি।

    খোলা ফটকের ভিতরে এসে গাড়ি থেকে নামল টুপুররা। এদিক-ওদিক চোখ চালিয়ে টুপুর আরও নিরাশ। মূল বাড়িখানা ঘিরে জমি আছে অনেকটা। কিন্তু সেখানে ফুল নেই, বাগান নেই, শুধু ঝোপঝাড় আর আগাছা। বোঝাই যায় মোটেই রক্ষণাবেক্ষণ হয় না। বাড়িটারই বা কী দশা! আকারে যথেষ্ট ঢাউস এবং দোতলা। গায়ে চেকনাই তো দূরস্থান, পলেস্তারা পর্যন্ত খসে খসে পড়ছে। এমন একটা ভগ্নস্তূপে এসে আজকের বিকেলটাই বরবাদ হল না তো?

    অদূরে এক গাড়িবারান্দার মতো জায়গা। সম্ভবত গাড়ির আওয়াজ পেয়ে এক দীর্ঘাকৃতি প্রবীণ আবির্ভূত হয়েছেন সেখানে। মুখমণ্ডলে ধবধবে সাদা দাড়ি, পরনে ঢলঢলে পাজামা আর এই গরমেও লম্বা ঝুলের কোট। মাথায় ফেজটুপি, চোখে সোনালি ফ্রেমের চশমা। সব মিলিয়ে যেন কেমন কেমন। সময়ের সঙ্গে যেন নিতান্ত বেমানান।

    হাসি হাসি মুখে এগিয়ে এলেন ভদ্রলোক। বিচিত্র বাংলা উচ্চারণে বললেন, আমিই ডেভিড যোশুয়া। অধীনের গৃহে পদধূলি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

    মিতিন হাতজোড় করে নমস্কার করল। পার্থ আর টুপুরের সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দিল মিস্টার যোশুয়ার। গাড়িবারান্দার লাগোয়া তিন ধাপ লাল সিঁড়ি। গৃহকর্তার সাদর আহ্বানে সিঁড়ি পেরিয়ে ড্রয়িংহলে এল টুপুররা।

    বিশাল হলঘরখানায় পা রেখে টুপুরের চক্ষুস্থির। বাইরের হতশ্রী রূপের সঙ্গে একেবারেই মেলে না। দেওয়াল খানিক রংজ্বলা বটে, তবে আসবাবপত্র ঝকঝক করছে। কাঠের সাবেকি প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড সোফাসেট, পাথর বসানো সেন্টারটেবিল, পুরনো কিন্তু পরিচ্ছন্ন কার্পেট, সিলিং থেকে ঝুলছে কাচের বাতিদান, কারুকাজ করা স্ট্যান্ডল্যাম্প, প্রাচীনতার গন্ধ মাখা শোকেস, লম্বা লম্বা জানলায় ভারী ভারী পরদা…। এক পাশে একটি গ্র্যান্ড পিয়ানো শোভা পাচ্ছে। দেওয়ালে খান চারেক অয়েল পেন্টিং। সব ক’টা ছবিতেই দাড়িওয়ালা টুপিধারী পুরুষ। তাঁদের পরনেও মিস্টার যোশুয়ার ছাঁদেরই পোশাকআশাক। বেশ টের পাওয়া যায়, ঘরের আবহাওয়া একটু অন্যরকম। সময় যেন বহু বছর ধরে থমকে আছে এখানে।

    টুপুরদের বসতে বলে ডেভিড জিজ্ঞেস করলেন, এখন তো গরমের দিন, প্রথমে একটু শরবত নেবেন কি?

    মিতিন বিনয়ের সুরে বলল, যদি আপনার অসুবিধে না হয়…।

    কী বলছেন ম্যাডাম? অতিথিদের আপ্যায়ন করা তো ইহুদিদের ধর্ম, স্মিত মুখ ডেভিডের স্বর সামান্য উচ্চগ্রামে উঠল, যতীন, একবার শুনে যাও তো।

    বাক্য ফুরোনোর আগেই বছর তিরিশের যতীন উঁকি দিয়েছে দরজায়। চেহারা একেবারেই কাজের লোকের মতো নয়, বরং দেখে বাড়ির একজনই মনে হয়। পরনে তার জিক্স-টিশার্ট, হাতে ঘড়ি, চুল বেশ কায়দা করে ছাঁটা।

    মনিবের নির্দেশ নিয়ে সে চলে যেতেই মিতিন জিজ্ঞেস করল, ছেলেটি বাঙালি মনে হচ্ছে?

    হ্যাঁ। আমার এক বাঙালি বন্ধু জোগাড় করে দিয়েছেন। ভাল ছেলে। আমাদের এই বুড়োবুড়ির দেখভাল করে।

    পার্থ অনেকক্ষণ ধরেই কথা বলার জন্য উসখুস করছিল। ফস করে বলে উঠল, যদি কিছু মনে না করেন… মিস্টার এলিস যোশুয়া কি আপনাদের কেউ হন? মানে যিনি ট্রিঙ্কাসের মালিক ছিলেন?

    পদবি যখন যোশুয়া, আত্মীয় তো বটেই, কাঠের দোলচেয়ারে বসলেন ডেভিড। হেলান দিয়ে বললেন, এলিস ছিলেন আমার দূরসম্পর্কের কাকা। এলিসের ঠাকুরদা ছিলেন আমার বাবার ঠাকুরদার ফার্স্ট কাজিন। আমরা সিরিয়া থেকে কলকাতায় চলে এসেছিলাম। ওঁর পূর্বপুরুষ গিয়েছিলেন রেঙ্গুন। ওঁরা কলকাতায় আসার পর আমার বাবাই তো এলিসকে চাকরি জোগাড় করে দিয়েছিলেন। সেই ১৯৪৪ সালে। তখন আমি খুবই ছোট। বছর দশেক।

    আপনার তো তা হলে অনেক বয়স? সেভেনটি এইট চলছে। দেখে কিন্তু বোঝা যায় না। মনে হয় বড়জোর সত্তর টত্তর…

    শুনে ভারী খুশি হয়েছেন ডেভিড। দাড়িতে হাত বোলাতে বোলাতে বললেন, নিয়ম কানুন মেনে চলি, শরীরের যত্ন নিই, তাই অসুখবিসুখ বড় একটা কাছে ঘেঁষে না।

    আপনারা তো বাগদাদি ইহুদি, তাই না?

    কলকাতায় প্রায় সব ইহুদিই তো বাগদাদি। অল্প কয়েক ঘর বেনে ইজরাইলিও ছিল। তবে এখন তারা প্রায় সকলেই ভারত থেকে পাততাড়ি গুটিয়েছে। একমাত্র টিকে আছেন জ্যাকব পরিবার। তারাও তো শুনলাম আমাদের পবিত্র ভূমিতে চলে যাচ্ছেন।

    মানে ইজরায়েলে?

    মৃদু ঘাড় নাড়লেন ডেভিড। একটু উদাস স্বরে বললেন, কলকাতায় আমরা এখন ইহুদিরা আছি উনচল্লিশ জন। সংখ্যাটা এবার ছত্রিশে নেমে যাবে।

    ঘরের পরিবেশ একটু যেন ভারী হয়ে যাচ্ছিল, কথা ঘোরানোর জন্যই মিতিন সরব হয়েছে, মিস্টার যোশুয়া, আমরা কি এবার আপনার সমস্যাটার ব্যাপারে একটু আলোচনা করতে পারি?

    অবশ্যই। আপনার মূল্যবান সময়ের অপচয় ঘটানো তো ঠিক নয়।

    ডেভিড সোজা হয়ে বসলেন, আপনাকে নিশ্চয়ই মিস্টার অনিশ্চয় মজুমদার খানিকটা বলেছেন?

    আমি আপনার মুখ থেকে শুনতে চাই। বিশদে।

    একটুক্ষণ চিন্তা করলেন ডেভিড। তারপর দু’দিকে মাথা নেড়ে বললেন, কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। কিন্তু আমি সত্যি সত্যি বড় বিপন্ন বোধ করছি।

    কেন?

    গত সাত-আট মাসের মধ্যে এমন কয়েকটা ঘটনা ঘটল…।

    যেমন?

    প্রথমে আমার দিদির হাজব্যান্ডের মৃত্যু।

    কী হয়েছিল তাঁর?

    আমাদের ডাক্তার তো বলল হার্ট অ্যাটাক। যদিও তাঁর বয়স হয়েছিল ছিয়াশি, কিন্তু আব্রাহামের শরীর-স্বাস্থ্য ছিল আমার চেয়েও মজবুত। নো প্রেশার, নো সুগার, নাথিং।

    এরকম তো হয় মিস্টার যোশুয়া। কোনও সিম্পটম নেই, অথচ দুম করে করোনারি অ্যাটাক হয়ে গেল।

    সে আমি জানি ম্যাডাম। কিন্তু আব্রাহামের মৃত্যুটা…। সেদিন এ বাড়িতে একটা পরব চলছিল। প্রার্থনার পর খানিকক্ষণ গানবাজনাও হল। আমাদের ইহুদি সমাজের বাইরেরও অনেকে সেদিন এসেছিলেন। আব্রাহাম তাঁদের সঙ্গে কত হাসিগল্প করলেন। আমাদের ডাক্তারের বাঁশি বাজানো শুনে দারুণ তারিফ করলেন। অথচ সেই মানুষটাই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পনেরো-বিশ মিনিটের মধ্যে ধড়ফড়িয়ে শেষ।

    হার্ট অ্যাটাকের কেসে এমনও তো হরবখতই ঘটে মিস্টার যোশুয়া। আপনার জামাইবাবুর যথেষ্ট বয়স হয়েছিল। হয়তো ওঁর শরীর সেদিনকার আমোদ-আহ্লাদের ধকল নিতে পারেনি…।

    ডাক্তারেরও একই অভিমত। আমি কিন্তু মানতে পারিনি। তখনই মনে হয়েছিল মৃত্যুটা স্বাভাবিক নয়।

    সঙ্গে সঙ্গে জানাননি কেন?

    পুলিশকে তো জানিয়েছিলাম। পোস্টমর্টেমও হয়েছিল।

    টুপুর জোর চমকেছে। অনিশ্চয় আঙ্কল এ তথ্যটা তো দেননি!

    মিতিনেরও চোখে বিস্ময়, তাই নাকি? তা পোস্টমর্টেমে কী পাওয়া গেল?

    কিছুই না। সেই ডাক্তারও বললেন, হার্ট বন্ধ হয়েই…।

    হুম। মিতিনের কপালে পলকা ভাঁজ পড়েই মিলিয়ে গেল, এর পর আপনার দিদির মৃত্যু?

    ইয়েস। দিদি মারা গেলেন আর একটা পরবের দিন। সেদিন তো অনুষ্ঠান চলাকালীনই ক্যাথলিন হঠাৎ…। সিঁড়ি দিয়ে নেমে এ ঘরে সবে ঢুকেছে, অমনি কেমন যেন একটা আওয়াজ করে উঠল, তারপরই লুটিয়ে পড়ল মাটিতে। সেদিনও ডাক্তার বাড়িতে মজুত। আমাদের অনুষ্ঠানেই ছিলেন। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করলেন তিনি। কিন্তু তখন আর ক্যাথলিন বেঁচে নেই। এমনই কপাল, চিকিৎসা করানোর সুযোগটা পর্যন্ত মিলল না।

    এই মৃত্যুটাও আনন্যাচারাল মনে হয়েছে আপনার?

    হ্যাঁ।

    এবারও পোস্টমর্টেম করিয়েছিলেন?

    তুলেছিলাম কথাটা। তবে উপস্থিত সবাই আমাকে ধমকে ধামকে থামিয়ে দিল। আমারও মনে হল এবারও যদি কাটাছেঁড়া করে কিছু না পাওয়া যায়…, ক্ষণকাল নীরব থেকে ডেভিড ফের বললেন, আচ্ছা ম্যাডাম, স্বামী-স্ত্রী দুজনই দুটো উৎসবের রাতে প্রাণ হারালেন, এর মধ্যে কি আপনি কোনই যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছেন না?

    আপনি কি পেয়েছেন?

    কিছু তো পেয়েছি। নইলে আর ছটফট করছি কেন? ঘটনা পরম্পরা বিচার করলে আপনিও হয়তো…।

    কীরকম?

    তা হলে আর একটু ডিটেলে বলি। আমার দিদির হাজব্যান্ড আব্রাহাম মাটুক, যাঁর পুরো নাম আব্রাহাম এলিজা এজিকিয়েল মাটুক, ছিলেন এক বিখ্যাত ইহুদি ব্যবসায়ী পরিবারের বংশধর। এককালে চিনদেশে আফিম পাঠানোর কারবার ছিল তাঁদের। নিজস্ব জাহাজও ছিল। আফিমের ব্যবসা নিষিদ্ধ হওয়ার পর ওঁরা কাপড়ের কারবার শুরু করেন। এখন সব বেচেবুচে দিয়েছিলেন, তবে আব্রাহামের টাকাপয়সা কম ছিল না। যেহেতু আব্রাহাম আর ক্যাথলিনের কোনও ছেলেপুলে নেই, আব্রাহামের মৃত্যুতে তাঁর যাবতীয় সম্পত্তি চলে আসে আমার দিদির নামে এবং দিদি মারা যাওয়ার পর আমিই এখন ওঁদের ধনসম্পদের মালিক। এই ব্যাপারটা আমার কেমন গোলমেলে ঠেকছে।

    পার্থ অবাক মুখে বলল, সে কী? কেন?

    কারণ ক্যাথলিন আগে মারা গেলে আব্রাহামের কানাকড়িও আমার নামে আসত না। আইন অনুযায়ী আব্রাহামের ভাইপোরা পেত সব কিছু।

    আব্রাহামরা ক’ ভাই?

    তিন। দু’ভাই অনেককাল আগে অস্ট্রেলিয়া চলে গিয়েছিলেন। এখন ভাইপোরা সব সিডনির পাকাপাকি বাসিন্দা।

    তারা এ দেশে আসে না?

    একেবারেই না। তাদের এই শহরের উপর কোনও টানই নেই। যদিও এখানেই তারা স্কুলজীবনটা কাটিয়েছে। পার্ক স্ট্রিটের ইহুদি স্কুল থেকে তারা পাশ টাশ করেছিল।

    উম, পার্থ বিজ্ঞের মতো মাথা দোলাল, তা হলে তো একটা কথা বলতেই হচ্ছে মিস্টার যোশুয়া। যদি ওই দুটো মৃত্যুতে সত্যিই কোনও গড়বড় থাকে…!

    আছে। আমি নিশ্চিত।

    তা হলে সাসপেক্টের তালিকায় প্রথম নামটা কার হবে জানেন তো? আপনার। পার্থ ডেভিডের দিকে আঙুল দেখাল, কারণ, মৃত্যুর ক্রম অনুসারে আপনিই একমাত্র লাভবান ব্যক্তি।

    জানি তো। সত্যি বলতে কী, আব্রাহামের ভাইপোরা তো আমার উপর যথেষ্ট ক্ষুব্ধ। আভাসে ইঙ্গিতে সে কথা জানিয়েওছে ফোনে, একটু যেন নিষ্প্রভ শোনাল ডেভিডের গলা, তবে এতে আমি দোষের কিছু দেখি না। আব্রাহামের পর ক্যাথলিন মারা যাওয়াতে লাভ তো আমার হয়েছেই। বিপুল লাভ। টাকাপয়সার কথা বাদই দিন, এই বাড়িখানা, চারপাশের জমি সবই তো ছিল আব্রাহামের। ভাগ্যের খেলায় সবই এখন আমার।

    পার্থ প্রায় চেঁচিয়ে উঠল, বলেন কী? তা হলে আপনার নিজের বাড়িটা কোথায়?

    ছিল। এজরা স্ট্রিটে। একটা অংশে থাকতাম, বাকিটুকু দোকান টোকানকে ভাড়া দেওয়া ছিল। তিন বছর আগে বেচে দিয়ে উঠে এসেছিলাম এ বাড়িতে। আব্রাহাম আর ক্যাথলিনের জোরাজুরিতে। বুড়ো বয়সে একসঙ্গে থাকলে দিনগুলো খানিক আনন্দে কাটবে, এরকমই ভেবেছিলাম আমরা। জিহোভা সেই সুখটাও বেশিদিনের জন্য দিলেন না। এখন মনে হয় আমরা যদি এ বাড়িতে না আসতাম, তা হলে হয়তো…

    কথা শেষ হল না, শরবতের ট্রে নিয়ে ঢুকেছে যতীন। সঙ্গে এক বয়স্কা মহিলা, তাঁর হাতে আর একখানি ট্রে। তাতে কাজু কিশমিশ খেজুর সাজানো। ট্রে দু’খানা টেবিলে নামিয়ে মিষ্টি করে হাসলেন মহিলা। ইংরেজিতে বললেন, আমি র‍্যাচেল যোশুয়া। ডেভিডের স্ত্রী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআয়নামহল – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }