Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প702 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩-৪. চেহারাটি দেখার মতো

    ভদ্রমহিলার চেহারাটি দেখার মতো। বয়স হয়ে গিয়েছে, তবু এখনও কী টকটকে রং। নাক-চোখ-মুখও বেশ কাটা কাটা। বোঝাই যায় একসময়ে দারুণ সুন্দরী ছিলেন। লম্বাও আছেন বেশ, তবে বয়সের ভারে সামান্য কুঁজো যেন। পরনে ঘিয়ে রঙের ঢলঢলে পাজামা, ফুলহাতা লম্বা ঝুল মেরুন কুর্তা। মাথায় কাপড়ের ফেট্টি।

    টুপুরদের উলটো দিকের সোফায় বসে র‍্যাচেল বললেন, ডেভিড আপনাদের মাথা ধরিয়ে দিয়েছে তো? সেই একই প্রসঙ্গ কচলাচ্ছে নিশ্চয়ই?

    মিতিন বলল, না না, আমি ওঁর কাছে আপনাদের ফ্যামিলির গল্প শুনছিলাম।

    তার সঙ্গে এটা এখনও বলেনি, যোশুয়া পরিবার এবার কলকাতা থেকে নিশ্চিহ্ন হতে চলেছে?

    ঠাট্টা কোরো না র‍্যাচেল। ডেভিড রীতিমতো আহত হয়েছেন। গোমড়া গলায় বললেন, কেন মানতে চাইছ না, আব্রাহাম আর ক্যাথলিনের মৃত্যুটা এমনি এমনি হয়নি? মাটুকরা খতম হয়েছে, এবার যোশুয়াদের পালা। এবার নিশ্চয়ই আমাকে মরতে হবে।

    ফের ওই কথা?

    একশোবার বলব। হাজারবার বলব। আমি মৃত্যুর সিগনাল পাচ্ছি।

    কে পাঠাচ্ছে? তোমার সেই ভূতুড়ে ফোনটা?

    অবশ্যই। আমাকে তিন তিনবার জানিয়েছে, এ বাড়িতে ফের মৃত্যু হানা দিচ্ছে।

    আর কলটা এমন একটা নম্বর থেকে আসছে, যা একেবারেই ভুয়ো। তোমায় টেলিফোন কোম্পানি পর্যন্ত বলছে ওই নম্বরটাই নেই।

    দাঁড়ান, দাঁড়ান, মিতিন এবার দু’হাত তুলে থামিয়েছে র‍্যাচেলকে, ওই টেলিফোনের কেসটা একটু বুঝে নিতে দিন। সত্যিই কি আপনি থ্রেটনিং কল পেয়েছেন মিস্টার যোশুয়া?

    বললাম তো, একবার নয়, তিন তিনবার। দু’বার পুরুষের গলায়, একবার মহিলার গলায়।

    আপনার মোবাইলে?

    না। ল্যান্ডলাইনে। আমি মোবাইল ব্যবহার করি না।

    ও হ্যাঁ। মিস্টার মজুমদার তো আপনার ল্যান্ডলাইন নম্বরটাই আমায় দিয়েছেন, মিতিন অপ্রস্তুত মুখে হাসল, তা হলে নিশ্চয়ই আপনার ল্যান্ডলাইনে কলার আইডি আছে?

    না হলে আর নম্বরগুলো পাচ্ছি কোত্থেকে? কিন্তু কল ব্যাক করলে প্রত্যেকবার একই জবাব। দিস নাম্বার ডাজ নট এগজিস্ট।

    তিনটে ফোন নিশ্চয়ই তিনটে আলাদা নম্বর থেকে এসেছে?

    ঠিক তাই।

    ফোনে এগজাক্টলি কী বলছে?

    এ ডেথ ইজ কামিং। বিওয়্যার ডেভিড।

    তিনবারই এক ডায়লগ?

    হুবহু এক। মিস্টার মজুমদারকে তো জানিয়েছিলাম। নম্বর তিনটেও দিয়েছি। উনিও তো ট্রেস করতে পারেননি।

    পারবেন কোত্থেকে? র‍্যাচেল ফুট কাটলেন, তোমার কলার আইডিটি বোগাস। ফোনগুলোও মনগড়া। তোমার ভীমরতি ধরেছে, বুঝলে?

    ডেভিড গোঁজ। মুখে আর বাক্যটি নেই। বৃদ্ধ-বৃদ্ধার কলহের মাঝে পড়ে মিতিনরাও চুপ। টুপুর আড়ে আড়ে তাকাচ্ছে কড়িকাঠওয়ালা সিলিং-এর দিকে। সেখানে চার ডানার লম্বা ডাঁটি ফ্যান ঘুরছে ঘটাং ঘট। পার্থ অবশ্য নিজস্ব কাজে ব্যস্ত। শরবত শেষ করে নিবিষ্ট মনে কাজুবাদাম চিবোচ্ছে।

    একটু পর র‍্যাচেলই নিস্তব্ধতা ভাঙলেন। আক্ষেপের সুরে বললেন, কতবার করে ডেভিডকে বোঝাচ্ছি খামোখা এসব ভয়টয় পাওয়ার দরকার কী? ছেলে তো লন্ডন থেকে ডাকছে। এই যক্ষপুরী আগলে না থেকে সব বিক্রিবাটা করে সাইমনের কাছে চলে গেলেই তো হয়।

    আপনাদের ছেলে কতদিন লন্ডনে আছেন?

    তিরিশ বছর। আগে শেয়ারের বিজনেস করত, এখন স্পোর্টস গুডসের দোকান খুলেছে। আমরা পাকাপাকি ভাবে চলে গেলে সাইমন যে কী খুশি হবে! র‍্যাচেল ফোঁস করে একটা শ্বাস ফেললেন, কিন্তু ডেভিডের ওই এক গোঁ। আব্রাহামের মতো সেও কলকাতা ছেড়ে নড়বে না। যে শহরে জন্মেছে, সেখানেই নাকি ওকে মরতে হবে। নারকেলডাঙার গোরস্থানে শুতে না পারলে ওর আত্মা নাকি শান্তি পাবে না। অথচ দেখুন, বাড়ি-জমি বিক্রি করে আমরা এখন কত আরামে লন্ডনে গিয়ে থাকতে পারি। ছেলে আছে, ছেলের বউ আছে, নাতি-নাতনি আছে। জানেনই তো, আমরা ইহুদিরা দেশ দেশান্তরে ঘুরে মরা জাত। তাই আত্মীয়স্বজনের মাঝে থাকতে পেলে আমাদের যা আনন্দ হয়, তেমনটা আর কিছুতে নয়। এই ডেভিডের জেদের জন্য সে সুখটুকুও আমার কপালে নেই।

    ডেভিড বিরক্ত স্বরে বললেন, আমি তো এবার মরছি। তুমি তারপর যা খুশি কোরো।

    করবই তো। সব বিক্রি করে চলে যাব।

    পার্থ চোখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথা শুনছিল। হঠাৎ বলে উঠল, আচ্ছা, আপনাদের এরকম একটা জায়গায় বাড়ি, প্রোমোটাররা জ্বালাতন করে না?

    করে না আবার! ডেভেলপার আর প্রোমোটারদের লাইন তো সেই কবে থেকে লেগে আছে, র‍্যাচেলের গলায় উষ্মা ঝরে পড়ল, আব্রাহাম তো তাদের সোজা হাঁকিয়ে দিত। এখন ডেভিডও সেই রাস্তায় হাঁটছে। আরে শ্যামচাঁদবাবু তো ঘরের লোক। তিনিও তো কবে থেকে হত্যে দিয়ে পড়ে আছেন। তাকেও তো পাত্তা দিচ্ছে না।

    মিতিন ঈষৎ ভুরু কুঁচকোল, কে শ্যামচাঁদ?

    শ্যামচাঁদ অগ্রবাল। আব্রাহামের খুব বন্ধু। সেই সূত্রে ডেভিডেরও। ভদ্রলোক অগ্রবাল কনস্ট্রাকশনের মালিক।

    মিস্টার আব্রাহাম কী করে শ্যামচাঁদের বন্ধু হলেন? উনিও কি বাড়ি তৈরির লাইনে ছিলেন কখনও?।

    একেবারেই না। আব্রাহাম সঞ্চয়ের টাকা সুদে খাটাতেন। শ্যামচাঁদ ছিলেন ওঁর ক্লায়েন্ট। এখন শ্যামচাঁদবাবুর বয়স হয়েছে, তিনি আর ব্যবসা দেখেন না, ছেলেদের হাতে সব ছেড়ে দিয়েছেন। এখন এ বাড়িতে এসে তাসের আড্ডা জমান। ওই খেলতে খেলতেই অনেকবার বাড়ি-জমির কথা তুলেছেন।

    ও। মিস্টার আব্রাহামের তাসের নেশা ছিল বুঝি?

    ডেভিডেরও আছে।

    আর কে কে আসেন খেলতে?

    আমাদের সমাজের আছেন দু-তিনজন। এ ছাড়া এক বাঙালি প্রোফেসর। আমরা লন্ডন থেকে ঘুরে আসার পর থেকে তো দেখছি ডাক্তারবাবুও আসছেন রোজ।

    পার্থ গোল গোল চোখে তাকাল, বাঙালি প্রোফেসর, ডাক্তার, তাঁরা এই পাড়ায় এসে তাস খেলেন?

    এতে আশ্চর্য হওয়ার কী আছে? অনেকক্ষণ পর ডেভিডের স্বর ফুটল, প্রোফেসার হিরন্ময় সেন আরবি পড়াতেন। আব্রাহামও ওই ভাষায় যথেষ্ট পণ্ডিত ছিলেন। সেই সূত্রে দু’জনের আলাপ। এবং ফ্রেন্ডশিপ। হিরন্ময়বাবুই তো যতীনকে দিয়েছেন। আর ডাক্তারবাবুর প্র্যাকটিসে তেমন মন নেই। কাছেই তালতলায় থাকেন। বিকেল পর্যন্ত চেম্বার করে চলে আসেন আড্ডায়।

    আজ তাঁরা আসবেন না?

    উঁহু, শনি-রবি আসর বন্ধ থাকে।

    কেন?

    শনিবার স্যাবাথ। আমাদের পবিত্র বিশ্রামের দিন। জিহোভা পৃথিবী সৃষ্টি করার সময় ওই দিনটাই অবসর নিয়েছিলেন তো৷ আমরাও ওই দিন তাস টাস ছুঁই না। রোববারটাও আজকাল পুরো রেস্ট নিই, ডেভিডকে এতক্ষণে একটু চাঙ্গা দেখাল, আমরা যে শুধু তাস খেলি তা নয়, সংগীতচর্চাও হয়। আব্রাহাম পিয়ানো বাজাত। আমি অল্পস্বল্প ভায়োলিন জানি। ডাক্তারবাবু বাঁশিতে ওস্তাদ। র‍্যাচেল মাঝে মাঝে গান করে। দিব্যি জমে যায় সন্ধেগুলো। এইসব নেশার টানেই তো পড়ে আছি কলকাতায়। লন্ডনে গেলে এমনটা কি পাব?

    থামো তো, র‍্যাচেল ঝামটা দিয়ে উঠলেন, বকতে শুরু করলে তোমার কথা আর ফুরোয় না।

    সে তো তোমারও। কথা কি তুমি কম বলো?

    তোমার মতো মাত্রাজ্ঞান হারাই না, র‍্যাচেল বিচিত্র মুখভঙ্গি করলেন, জানেন, লন্ডনে গিয়ে কী কাণ্ড করেছিল? ওখানে ইহুদিদের একটা খুদে জমায়েত হয়েছিল। স্পেন, পর্তুগাল, হাঙ্গেরি, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি নানান দেশের ইহুদি এসেছিল সেখানে। সুযোগ পেয়ে তাদের মাঝে ডেভিড এমন একটা আষাঢ়ে গল্প ফেঁদে বসল।

    আষাঢ়ে বলছ কেন? আমি মিছে কথা তো কিছু বলিনি।

    তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে বলো, এ বাড়িতে গুপ্তধন আছে?

    অসম্ভব কী? আব্রাহাম স্বয়ং আমায় বলেছে। তা ছাড়া আমরা ছেলেবেলা থেকে শুনে আসছি, মাটুকদের এ বাড়িতে যা আছে, মূল্য দিয়ে তার হিসেব করা যাবে না, ডেভিড রীতিমতো জোরের সঙ্গে বললেন কথাগুলো। মাথা দুলিয়ে ফের বললেন, আর মাটুকদের ঘরে যে মহামূল্যবান সম্পদ থাকবে, এটা তো খুবই স্বাভাবিক। ওদের বংশের কথাটা ভাবো। যে সে নয়, স্বয়ং শ্যালোম কোহেন ওদের পূর্বপুরুষ।

    পার্থ চোখ পিটপিট করল, শ্যালোম কোহেন কে?

    আমাদের কলকাতার ইহুদিদের আদি পুরুষ। একজন নমস্য ব্যক্তি। জন্মেছিলেন সিরিয়ার আলেপ্পোয়। মাত্র ছাব্বিশ বছর বয়সে বাগদাদ-বসরা হয়ে ইংরেজদের জাহাজে চেপে মুম্বই এসে পৌঁছেন। ওখান থেকেই মেসোপটেমিয়ায়, এখন যাকে বলে ইরাক, ব্যবসা চালাতেন। মুম্বই থেকে যান সুরাট। তারপর লখনউ। অবশেষে কলকাতায় এসে থিতু হন। এই কলকাতায় বসে উনি হিরে, সিল্ক, নীল আর ঢাকাই মসলিনের বিশাল কারবার ফেঁদেছিলেন। লখনউতে বসবাসের সময়ে শ্যালোম ছিলেন সেখানকার নবাবের খাস মণিকার। হিরেজহরত খুব ভাল চিনতেন কিনা। শোনা যায় লখনউ থেকে চলে আসার সময়ে প্রচুর ধনরত্ন নিয়ে এসেছিলেন শ্যালোম। তাঁর কোনও ছেলে ছিল না, ছিল তিন মেয়ে। একজনের বিয়ে হয়েছিল ডোয়েক পরিবারে, একজনের সদকা, তৃতীয়জনের মাটুক। তিন জামাইকে ধনরত্ন সমান ভাবে ভাগ করে দিয়েছিলেন শ্যালোম। সুতরাং আব্রাহামদের এই বাড়িতে মণিমুক্তো থাকা মোটেই বিচিত্র নয়।

    কিন্তু এর মধ্যে গুপ্তধন আসছে কোত্থেকে, পার্থ তর্ক জুড়ল, মণিমুক্তো যাই থাকুক, তা নিশ্চয়ই মিস্টার আব্রাহামের কাছেই…।

    না, র‍্যাচেল বলে উঠলেন, আব্রাহামরাও চার-পাঁচ পুরুষ ধরে ওই ধনরত্নের গল্পই শুনে আসছেন। কেউ তেমন কিছু চোখেও দেখেননি, হাতেও পাননি।

    সেই জন্যই তো বলা হচ্ছে গুপ্তধন, ডেভিড প্রায় লুফে নিলেন কথাটা। তর্জনী উঁচিয়ে বললেন, শ্যালোম কোহেনের জামাই দানিয়েল মাটুক নিশ্চয়ই কোথাও লুকিয়ে রেখে গিয়েছেন। শুনেছি শ্যালোমের মণিমাণিক্যের মধ্যে একখানা পাথর ছিল বদখশানি চুনি। যার জুড়ি নাকি দুনিয়ায় নেই।

    যত্ত সব আজগুবি গপ্পো, র‍্যাচেল ফের বিরক্তি প্রকাশ করলেন, খামোকা তুমি গুজবটাকে উশকে দাও। কী দরকার ছিল লন্ডনের আসরে ওই কাহিনি শোনানোর? বক্তৃতাটা আবার সিডি করে এনে আব্রাহামকে উপহার দিলে।

    আহা, আব্রাহাম তো তাতে খুশিই হয়েছিল।

    মোটেই না। মজা পেয়েছিল। সিডিটা বন্ধুদের দেখিয়ে কত হাসাহাসি করেছিল মনে নেই?

    তুমি ঠিক বলছ না র‍্যাচেল। কেউ হাসেনি। সবাই আগ্রহ নিয়ে দেখেছে।

    যদি তাই ভাবো তো তাই। আমার আর কিছু বলার নেই।

    র‍্যাচেলের প্রতিবাদে ডেভিড যথেষ্ট ক্ষুণ্ণ হয়েছেন। বসে আছেন ঘাড় ঝুলিয়ে। একটু পরে মাথা তুলে মিতিনকে বললেন, আপনি আমাকে কী ভাবছেন জানি না। হয়তো পাগল টাগলই মনে করছেন। কিন্তু আমার অন্তর যা বলছে, সেটাই আপনাকে জানালাম।

    মিতিন মৃদু স্বরে বলল, আমি বুঝতে পারছি মিস্টার যোশুয়া। কিন্তু…

    শুনুন ম্যাডাম, মিতিনকে থামিয়ে ডেভিড বলে উঠলেন, যাঁরা চলে গিয়েছেন তাঁদের ব্যাপারে আপনার আর কিছু করার নেই। তবে এখন আপনাকে একটা কাজের আগাম দায়িত্ব দিয়ে রাখতে চাই। যদি অদূর ভবিষ্যতে আমি মারা যাই এবং মৃত্যুটা যদি স্বাভাবিকও হয়, আমি চাই আপনি তার তদন্ত করুন। র‍্যাচেলের সামনেই বলছি, আপনার জন্য একটা পারিশ্রমিক ধার্য করা থাকবে, র‍্যাচেল আপনাকে সেটা দিয়ে দেবে। আশা করি আপনি এই প্রস্তাবে সম্মত?

    মিতিন সামান্য থতমত মুখে ঘাড় নেড়ে দিল।

    ডেভিড কোর্টের পকেট থেকে একটা সাদা খাম বার করে বাড়িয়ে দিলেন, অনুগ্রহ করে এটা রাখুন।

    কী আছে এতে?

    সামান্য কিছু অর্থ।

    কীসের জন্য?

    আপনি যে আমার জন্য সময়টুকু ব্যয় করলেন, তারই পারিশ্রমিক।

    এ মা, না না। আমি তো মিস্টার মজুমদারের কথা শুনে আপনার সঙ্গে শুধু আলাপ করতে এসেছিলাম।

    মাপ করবেন ম্যাডাম। আমরা ইহুদিরা বিনামূল্যে কোনও কাজ করি না। করাইও না। তবু যদি আপনার বাধোবাধো ঠেকে, টাকাটা অগ্রিম হিসেবে ধরে নিন। ক’দিন পরেই তো আপনাকে তদন্তে নামতে হবে, আমি জানি।

    টুপুর থ। জ্যান্ত অবস্থায় নিজের মৃত্যুরহস্য তদন্তের টাকা দিচ্ছেন আগ বাড়িয়ে। এমন আজব মানুষ টুপুর জীবনে দ্যাখেনি।

    .

    ০৪.

    রাতে খেতে বসে পার্থ বলল, বুঝলি টুপুর, ভেবে দেখলাম, আমাদের ধারণা ঠিক না-ও হতে পারে।

    টুপুর আহারে মন দিয়েছিল। আজ নৈশভোজের পদ একটু অন্যরকম। ডেভিড যোশুয়ার বাড়ি থেকে ফিরে কী যে খেয়াল চাপল মিতিনের, সটান ঢুকে গেল কিচেনে। নিজেই হাত লাগাল রান্নাবান্নায়। সবজি টবজি সেদ্ধ করে গ্রেভিওয়ালা চাউমিন বানাল। সঙ্গে লেমন চিকেন। দুটোই দারুণ হয়েছে। মিতিন মাসির হাতে কী জাদু আছে কে জানে। যাই রাঁধুক, টুপুরের মনে হয় অমৃত। নুন-মিষ্টি-টক-ঝাল সবই যেন নিখুঁত।

    একটা চিকেনের টুকরো কাঁটায় গেঁথে টুপুর মুখ তুলল। ভুরু বাঁকিয়ে বলল, কোন ধারণাটা গো?

    ওই যে তখন বলছিলাম না ডেভিড যোশুয়া মানুষটা বদ্ধ পাগল? ওঁর মাথার চিকিৎসা হওয়া দরকার?

    হ্যাঁ, আলোচনাটা ওই লাইনেই ঘুরপাক খাচ্ছিল বটে। মাকুইস স্ট্রিটের বাড়িটা থেকে বেরিয়েই পার্থমেসোর সে কী হাসি, তোর মাসি আজ কার মুখ দেখে ঘুম থেকে উঠেছিল রে টুপুর! ফাঁকতালে পাঁচ হাজার টাকাসুদ্ধ একটা খাম মিলে গেল। ডেভিড যোশুয়ার তো মোটেই ডিটেকটিভের প্রয়োজন নেই, ওঁর তো আসলে দরকার একজন সাইকিয়াট্রিস্ট। যিনি কিনা বৃদ্ধের মন থেকে বিটকেল মৃত্যুভয়টা উপড়ে ফেলতে পারেন। ফোকটে বিপুল সম্পত্তি মিলে গেছে বলে কোথায় উনি ধেইধেই নাচবেন তা নয়, নিজেই একটা আতঙ্ক তৈরি করে সেই জুজুর ভয়ে কাঁপছেন।

    টুপুরও মেসোর তালে তাল দিয়েছে সারাক্ষণ। মিস্টার যোশুয়ার কথাবার্তা আগাগোড়াই তার কেমন অসংলগ্ন ঠেকেছে। মাঝখানে কোত্থেকে একটা গপপোও আমদানি করে ফেললেন ভদ্রলোক। ওই উপাখ্যান নিয়েই না টুপুর মাসির সঙ্গে ঠাট্টা জুড়েছিল, ভবিষ্যতে গুপ্তধন উদ্ধার করে মোটা রোজগারের আশা ছেড়ে দাও গো মিতিননাসি! বরং পড়ে পাওয়া পাঁচ হাজার টাকার চটপট সদগতি করে ফেলি চলো! বুমবুমকে তুলে নিয়ে ঘ্যামচ্যাক একটা ডিনারই হোক না কোথাও একটা!

    মিতিন অবশ্য জবাব দেয়নি। আলগা হেসেছে শুধু। পার্থর এখনকার মন্তব্যেও তার কোনও ভাবান্তর নেই। চুপচাপ খাইয়ে চলেছে বুমবুমকে।

    সেদিকে একবার আড়চোখে তাকিয়ে নিয়ে টুপুর বলল, এখন কী ধারণা হচ্ছে? ভদ্রলোক সুস্থ? যা বলেছেন সব খুব যুক্তিপূর্ণ?

    তা হয়তো নয়। তবে কী জানিস? পার্থ খানিকটা চাউমিন চালান করল মুখে। চিবোতে চিবোতে বলল, একেবারে বাতিল করাটাও বোধহয় ঠিক হচ্ছে না।

    কেন?

    কারণ, ইহুদিদের নেচারটা যে জানি। ওরা খরচের ব্যাপারে খুব টাইট। অবশ্য কারণও আছে। চিরকাল ওদের এমন তাড়া খেয়ে খেয়ে দেশে দেশে ঘুরতে হয়েছে, বেহিসেবি হওয়ার ওদের জো ছিল না। উলটে যখন যেটুকু পেয়েছে, আঁকড়ে থেকেছে প্রাণপণে। আর সেই অভ্যেস থেকেই ওদের হাত থেকে অকারণে জলও গলতে চায় না। ভিনিগারে ডোবানো কুচো লঙ্কা তুলল পার্থ। মুখে পুরে বলল, সুতরাং ডেভিড যোশুয়ার পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে দেওয়াটা একেবারেই ফালতু ভাবা কঠিন।

    কিন্তু দুটো মৃত্যুই তো নর্মাল ডেথ। ডাক্তারও তাই বলছে, পোস্টমর্টেমও…।

    তবে উৎসবের রাতেই পটপট দু’জন মারা গেলেন, এটা একটু সন্দেহজনক তো বটেই! পার্থ গলা ঝাড়ল। মিতিনকে বলল, কী গো, তুমিও নিশ্চয়ই এই লাইনে ভাবছ?

    নাহ। মিতিন ঘাড় নাড়ল, আমি অন্য একটা কথা চিন্তা করছি।

    খুবই স্বাভাবিক। আমরা যা ভাবব, তুমি তা ভাববে না। কারণ, তুমি টিকটিকি। তোমার দৃষ্টি তো ঘুরপথেই যাবে।

    ব্যঙ্গটা গায়ে না মেখে মিতিন বলল, আমি ভাবছি মিস্টার যোশুয়ার শঙ্কাটা যদি সত্যিই হয়, তা হলে মৃত্যুর ক্রমটাও নিশ্চয়ই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত? সেই উদ্দেশ্যটা কী হতে পারে?

    সিম্পল। মিস্টার যোশুয়ার হাতে আব্রাহামদের সম্পত্তি চলে আসা।

    কিন্তু মিস্টার যোশুয়াকে সম্পত্তিটা পাইয়ে দিতে কেউ একজন চাইবে কেন? তার কী ইন্টারেস্ট?

    এর একটা জবাব আমি দিতে পারি। জানি না তোমার মনঃপূত হবে কিনা, পার্থ দাঁতের ফাঁক থেকে মুরগির কুচি বার করল। থালার কোণে রেখে বলল, আমার মনে হচ্ছে মিস্টার যোশুয়া নিজের প্রয়োজনে তোমাকে ইউজ করতে চাইছেন।

    মানে?

    ধরতে পারলে না? ইহুদিরা টাকাপয়সার ব্যাপারে বেজায় সাবধানি। যা একবার পায়, কোনও ভাবেই তা হারাতে চায় না।

    বারবার ইহুদি চরিত্র সম্বন্ধে জ্ঞান না দিয়ে কাজের কথাটা বলো।

    আরে বাবা, ভদ্রলোকের দিদি জামাইবাবুর মৃত্যু স্বাভাবিক হোক কি অস্বাভাবিক, আজ নয় তো কাল নানারকম জল্পনা হবে। মিস্টার যোশুয়াই তো বললেন, অলরেডি আব্রাহামের ভাইপোদের মনে প্রশ্ন জেগেছে। অতএব তিনি গোড়াতেই গোটা প্রসঙ্গে জল ঢেলে দিতে চান। যাতে ভবিষ্যতে ওঁর ছেলেরও ওই সম্পত্তি পেতে কোনও হ্যাপা পোহাতে না হয়। সে কোনও মামলা-মকদ্দমায় না ফাঁসে। তাই ভেবেচিন্তে এই ডিটেকটিভ নিয়োগের পরিকল্পনা।

    এতে ডিটেকটিভের কী ভূমিকা?

    কিছুই না। তুমি কিছু করবেও না। করার কথাও নয়। তবে ডেভিড যোশুয়ার লাভই লাভ। পুলিশ-ডিটেকটিভ ছুঁইয়ে রেখে, মাত্র পাঁচ হাজার টাকা খসিয়ে, পাকাপাকি লোকের মুখ বন্ধ করে দিলেন।

    মিতিন স্থির চোখে তাকিয়ে আছে পার্থর দিকে। যেন ভাবছে কিছু। যেন পার্থর কথাগুলো ঠিক হজম করতে পারছে না।

    টুপুরেরও একটু একটু অস্বস্তি হচ্ছিল। সন্দিগ্ধ স্বরে বলল, মিস্টার যোশুয়া কি এতই প্যাঁচোয়া লোক? দেখে মনে হয় না কিন্তু।

    মানুষ চেনা কি অতই সোজা রে? চোখ লাগে। আর সেই চোখ তোর মাসি ছাড়া আরও কারও কারও আছে।

    এই বিদ্রূপটাকেও আমল দিল না মিতিন। বুমবুমের ভোজন শেষ, তাকে মুখ ধুতে পাঠিয়ে টুকটুক করে নিজের খাবার নিচ্ছে প্লেটে। মাসির উদাসীন ভাবটাই ভারী রহস্যময় লাগছে টুপুরের। মাসিকে একটু খোঁচানোর জন্য ফের কথা শুরু করল মেসোর সঙ্গে। ঝুঁকে বলল, আর মিসেস যোশুয়াকে তোমার কেমন লাগল? উনিও কি গভীর জলের মাছ? মিস্টার যোশুয়ার মতোই?

    না, না। তুলনায় উনি অনেক সাদামাটা। বরকে বকাঝকা করে একটু আনন্দ পান। কথাও একটু বেশি বলেন। দেখলি না, গুপ্তধনের গল্পটা উনিই শুরু করলেন?

    উনি আর বললেন কোথায়? বরং উনি তো নিজেই বিশ্বাস করেন না।

    করা উচিতও নয়। কবে দুশো বছর আগে কার পূর্বপুরুষ হিরেজহরত বিশেষজ্ঞ ছিলেন, সুতরাং তাঁর বাড়িতে মণিমুক্তো লুকোনো আছে, এমনটা ভাবাই তো মূর্খামি। আমারও তো কোনও এক পূর্বপুরুষ রাজার খাজাঞ্চি ছিলেন। লাখ লাখ টাকা, ঘড়া ঘড়া মোহর নিয়ে তিনি নাকি নাড়াচাড়া করতেন। তা বলে কি আমাদের বাড়িতেও ওসব থাকবে? নাকি আছে?

    সরি স্যার। মিতিন এবার নড়ে বসেছে, তোমার সঙ্গে একমত হতে পারলাম না।

    তার মানে তুমি গুপ্তধনের গল্পটা খেয়ে গিয়েছ?।

    একেবারে নস্যাৎ করে দিচ্ছি না। কারণ, তোমার পূর্বপুরুষের গল্পটির কোনও ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। কিন্তু শ্যালোম কোহেন একজন ঐতিহাসিক ফিগার। এবং তিনি মোটেই হেঁজিপেঁজি লোক ছিলেন না। তিনি ছিলেন ভারতের প্রথম আরবিভাষী ইহুদি। মাত্র উনত্রিশ বছর বয়সে তিনি ব্যবসা করে এত টাকা কামিয়েছিলেন, তিনি একজন আর্মেনিয়ানকে পনেরো হাজার টাকা ধার দেন। এবং নিজেও সুরাটে বাইশ হাজার টাকা দিয়ে একটা বাড়ি কিনে ফেলেন। মনে রেখো, তখনকার বাইশ হাজার মানে এখনকার বাইশ কোটির শামিল। শুধু তাই নয়, মিস্টার যোশুয়া যা বলেননি, উনি শুধু লখনউয়ের নবাবেরই মণিকার ছিলেন না। পঞ্জাবের মহারাজা রঞ্জিৎ সিংহের দরবারেও হিরে-জহরতের সমঝদার হিসেবে তাঁর বিপুল খাতির ছিল। আর তাঁর জামাইরাও কম বিখ্যাত নন। তাঁর বড় জামাই মোজেস ডুয়েক ভারতের অনেক রাজা-মহারাজার প্রিয়পাত্র ছিলেন। আরও জেনে রাখো, কলকাতায় ইহুদিদের যে কবরখানাটি আছে সেটিও শ্যালোম কোহেনেরই অবদান। জমিটা ছিল এক নবাবের। তিনি বিনামূল্যে জমিটি দান করতে চেয়েছিলেন কোহেনকে। কিন্তু ইহুদিদের তো দান নেওয়ার প্রথা নেই, তাই জমির বিনিময়ে আঙুল থেকে সোনার আংটি খুলে নবাবকে দিয়েছিলেন শ্যালোম। তাঁর রাশি রাশি ধনসম্পদ নিশ্চয়ই হাওয়ায় মিলিয়ে যায়নি।

    পার্থ আশ্চর্য মুখে বলল, তুমি এত জানলে কোত্থেকে?

    ইন্টারনেট ঘেঁটেই পেলাম। মার্কুইস স্ট্রিটে যাওয়ার আগে চোখ বুলিয়ে নিয়েছি।

    ওখানে মাটুকদের কথা পেয়েছ কিছু? কিংবা যোশুয়া?

    সেভাবে কিছু নেই। তবে দুটো পরিবারেরই উল্লেখ আছে। যোশুয়ারা সম্ভবত পুরোহিতের বংশ। কারণ, যোশুয়া নামের অর্থই পুরোহিত।

    কেসটা মনে হচ্ছে তোমাকে বেশ আকর্ষণ করেছে? পার্থ খাওয়া শেষ করে জলের গ্লাসে চুমুক দিল। ডাইনিং টেবিল ছেড়ে উঠতে উঠতে বলল, তুমি কি তা হলে এবার থেকে হার্ট অ্যাটাকেরও তদন্ত করবে?

    প্রয়োজন বোধ করলে নিশ্চয়ই করব। ভদ্রলোকের সঙ্গে কথা বলার পর আমারও কৌতূহল কিছুটা বেড়েছে, এ আমি অস্বীকার করি কী করে!

    কী এত ইন্টারেস্টিং পেলে বলো তো? ওই ঘোস্ট কলের ব্যাপারটা? যে ভুলভাল নম্বরগুলো ট্রেসই করা যায় না?

    অবশ্যই সেটা একটা কারণ। র‍্যাচেল যাই বলুন, মিস্টার যোশুয়াকে আমার মোটেই ভীমরতিগ্রস্ত মনে হয়নি। আর একজন আটাত্তর বছর বয়সের মানুষের কাছে বারবার ভুয়ো কল আসাটাও তো কম আশ্চর্যজনক নয়। তারপর ধরো, মিস্টার যোশুয়ার বিচিত্র সঙ্গীসাথী। কেউ ব্যবসাদার, কেউ আবার অধ্যাপক, কেউ ডাক্তার… তাঁরা আবার একদিকে তাসুড়ে, অন্য দিকে সংগীতপ্রেমী। সব কিছু মিলিয়ে আমি যেন কেমন একটা মিষ্ট্রির গন্ধ পাচ্ছি।

    পার্থ তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে কাঁধ ঝাঁকাল। টিভির রিমোট হাতে বসেছে সোফায়। পুরনো দিনের হিন্দি ফিল্মের সুরেলা গান চলছে একটা চ্যানেলে, সেখানেই গেঁথে গেল। টুপুরেরও মেসোর পাশে গিয়ে বসার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু সে উপায় নেই এখন। তাকে এবার ছাদে গিয়ে হাঁটতে হবে। মিতিনমাসির রুটিন।

    আধ ঘণ্টাটাক পায়চারি করে ফিরল টুপুর। পার্থমেসো তখন চোখ গোল গোল করে বিশ্রী একটা কুস্তি দেখছে টিভিতে। আর মিতিনমাসি নিজস্ব অফিসঘরের খুপরিটায় কম্পিউটারে নিমগ্ন। অগত্যা শুয়ে পড়া ছাড়া টুপুরের আর কাজ কী?

    পরদিন থেকে আবার সেই নিস্তরঙ্গ জীবন। মর্নিংওয়াক, ব্যায়াম, অখাদ্য খাওয়া আর গরমের ছুটির হোমওয়ার্ক নিয়ে বসা। ডেভিড যোশুয়াকে নিয়ে আর কোনও উচ্চবাচ্চ্যই করছে না মিতিনমাসি। একটা উত্তেজনার সম্ভাবনা অঙ্কুরেই বিনাশ হল ভেবে টুপুর তো রীতিমতো হতাশ। এর মধ্যে মাঝে মাঝেই কলকাতার ইহুদিদের সম্পর্কে পার্থমেশোর জ্ঞান শুনতে হচ্ছে টুপুরকে। ১৮৮১ সালে নাকি কলকাতায় প্রথম ইহুদি স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেখানে নাকি এখন একটাও ইহুদি ছাত্র নেই। অথচ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কলকাতায় ইহুদিদের সংখ্যা নাকি পৌঁছেছিল ছ’হাজারে। তখন নাকি তারা একটা সমিতি গড়েছিল। খেলাধুলো করার নিজস্ব ক্লাব। ‘সেমা’ নামে একটা মাসিক পত্রিকাও নাকি বের করত তারা। এরকম হাজারও রকম হাবিজাবি তথ্য গিলতে গিলতে টুপুরের তো কান ঝালাপালা।

    হঠাৎ পরিস্থিতি বদলে গেল আমূল। এমনিতে প্রতিদিনই সকাল পাঁচটায় উঠে পড়ে টুপুর। সেদিনও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। কিন্তু স্নিকার পরে বেরোনোর আগে হঠাৎ ফোন। মিতিনমাসিই গিয়ে ধরেছে। টুকরো টুকরো কথা বলে ফোন রেখে ধপ করে বসে পড়ল সোফায়। কপাল টিপে ধরেছে।

    মাসিকে এতটা বিচলিত বড় একটা দেখেনি টুপুর। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, কার ফোন ছিল গো?

    মাকুইস স্ট্রিট থেকে, মিতিন শুকনো গলায় বলল, ডেভিড যোশুয়া যে ভয়টা পাচ্ছিলেন প্রায় সেটাই ঘটেছে।

    মানে? উনি মারা গেলেন নাকি?

    না। মৃত্যু হয়েছে র‍্যাচেল যোশুয়ার। কাল রাতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআয়নামহল – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }