Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প702 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১-২. টিফিনের ঘণ্টা

    দুঃস্বপ্ন বারবার – মিতিনমাসি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    টিফিনের ঘণ্টা বাজতেই স্কুলব্যাগ থেকে প্লাস্টিকের বাক্সটা বের করল টুপুর। ক্লাসরুমে আহার ব্যাপারটা টুপুরের না-পসন্দ, সোজা গিয়ে বসেছে কম্পাউন্ডের ছাতিম গাছের নীচের বেদিটায়। সেই কোন সোয়া ন’টায় বেরিয়েছে, এখন ঘড়ির কাঁটায় দুটো পার। বহুৎ চোঁ-চোঁ করছে পেট, এক্ষুনি চিল চিৎকার জুড়বে নাড়িভুড়ি। থুড়ি ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র, পাকস্থলি, অগ্ন্যাশয় ইত্যাদি ইত্যাদি।

    হ্যাঁ, এইভাবেই ভাবতে বলে মিতিনমাসি। এতে নাকি চিন্তাভাবনায় বেশ একটা গোছানো ভাব আসে। কথাটা মনে আসতেই টুপুর সামান্য উদাস। কতদিন দেখা হচ্ছে না মাসির সঙ্গে। সেই গরমের ছুটিতে মাত্র সাতদিনের জন্য গিয়েছিল টুপুর, ব্যস। এমনই পোড়া কপাল টুপুরের, ঠিক তখনই জ্বরে পড়ল মাসি। ব্যস, বেড়াতে যাওয়া চুলোয়, কোনও কেসটেসও এল না, দিনগুলো পুরো বৃথাই গেল টুপুরের। আজকাল তো টুপুরকে ফোন পর্যন্ত করতে পারছে না মাসি! কে জানে, মাসি হয়তো টুপুরকে আর পাত্তাই দিতে রাজি নয়। গোয়েন্দাগিরিতে মাসির সহকারী হওয়ার স্বপ্নটাও বুঝি অপূর্ণই রয়ে গেল এজন্মে।

    ঈষৎ বেজার মুখে টুপুর পাত্রটা খুলল। খাবার দেখে আরও খিঁচড়ে গেল মেজাজ। উফফ, আজ আবার চাউমিন। তাও হয়তো গিলে নেওয়া যেত, কিন্তু এমন গাদাখানেক সস ছড়িয়েছে মা প্রাণের সুখে! ওই দ্রব্যটি মুখে তুললে ওয়াক না উঠে আসে!

    দ্রুত একটা মতলব এঁটে নিল টুপুর। ক্লাসের অনেকেই তো তোলাতোলা করে খায় চাউমিন, তাদের কাউকে গছিয়ে দিতে পারলেই তো ল্যাঠা চোকে, বিনিময়ে তার খাবারটাই নয় সাঁটাবে আজ।

    কাকে ধরা যায়? টুপুর তাকাচ্ছে এদিক-ওদিক। জয়, নেহাল, তরান্নুমদের দলটা টিফিন বদলাবদলি করেই খায়, সুতরাং, ওখানে ভেড়া যাবে না। শৌভিক তো নির্ঘাত টোস্ট এনেছে, শুকনো শুকনো ওই দ্রব্যটিও টুপুরের দু’চক্ষের বিষ। ওপাশে রিয়া, মণিকা, দেবারতিদের দঙ্গলটায় উঁকি দিয়ে দেখবে? বড্ড বেশি সাজগোজের গল্প করে ওরা, টুপুর পছন্দ করে না খুব একটা, তবু আজ না হয়…

    আচমকা চোখ আটকেছে শালিনীতে। সামনে খোলা টিফিনকৌটো, মেয়েটা কেমন ভ্যাবলার মতো বসে! হাত নড়ছে না, মুখ নড়ছে না, চারদিকের হট্টগোলে দৃষ্টি নেই। হলটা কী? খাবার পছন্দ নয়? কিন্তু শালিনী ঘোরতর নিরামিষাশী, ডিম, পেঁয়াজ, রসুন কিচ্ছুটি ছোঁয় না, ও কি খাবার বিনিময়ে রাজি হবে?

    তবু খিদে বড় বালাই। পায়ে পায়ে শালিনীর কাছে গেল টুপুর। পিছন থেকে ঘাড়ের উপর দিয়ে মুখ বাড়িয়ে বলল, তোর কী মেনু রে আজ?

    পুরি, হালুয়া, আঙুর আর মুগডালের ভুজিয়া।

    আইব্বাস, সবক’টাই তো টুপুরের প্রিয় আইটেম! আর শালিনীর বাড়ির পুরি-হালুয়ার টেস্টও আলাদা। খাঁটি ঘিয়ে ভাজা বলে ভারী চমৎকার একটা বাসও বেরোয়! একদিন খাইয়েছিল শালিনী, সাতদিন স্বাদটা লেগে ছিল জিভে!

    কিন্তু কীভাবে আজ কথাটা পাড়ে টুপুর? সরাসরি খেতে চাইবে, নাকি কায়দা করে বলবে একটু টেস্ট করা তো? খাবলা মেরে তুলেও নেওয়া যায় খানিকটা। খুব ঠান্ডা মেয়ে শালিনী, রাগও করবে না, মুখে রাও কাড়বে না সম্ভবত, কিন্তু মনে মনে বিরক্ত তো হবে নিশ্চয়ই।

    ভাবনার মাঝে আচমকা শালিনীর গলা, তুই আমার টিফিনটা খেয়ে নিবি ঐন্দ্রিলা, প্লিজ?

    অভাবিত প্রস্তাবে ঐন্দ্রিলা তথা টুপুর তো প্রায় বিষম খাওয়ার জোগাড়। কোনওক্রমে ঢোক গিলে বলল, কেন রে, তুই খাবি না?

    ইচ্ছে করছে না রে।

    শরীর ভাল নেই বুঝি?

    শরীর, মন কিচ্ছু ভাল নেই রে। খাবার দেখলেই আমার গা গুলোচ্ছে।

    তা হলে তো চেষ্টা করে দেখতেই হয়। খাবারদাবার নষ্ট করা খুবই অনুচিত কাজ, নয় কি? বিশেষত যে দেশে লক্ষ লক্ষ মানুষ অনাহারে থাকে?

    বলেই আর অপেক্ষা করল না টুপুর, হাতে তুলে নিয়েছিল শালিনীর টিফিনবক্স। গপগপ সাবাড় করছে পুরি, হালুয়া, টকাটক আঙুর চালান করছে মুখগহ্বরে। আহ, ভরে যাচ্ছে মন! এমন মনোহারী হালুয়া আগে খেয়েছে কি? মনে তো পড়ে না।

    হঠাৎ হোঁচট খেল। শালিনীর আচরণটা কেমন অদ্ভুত না? সামনেই এক সহপাঠিনী তার খাবারটা গোগ্রাসে খাচ্ছে, অথচ মেয়েটা সেদিকে তাকাচ্ছেই না! কী এত ভাবে বিভোর?

    টুপুরের মুখ দিয়ে প্রশ্ন বেরিয়ে গেল, তোর ব্যাপারখানা কী বল তো?

    শালিনীর দৃষ্টি শূন্য থেকে ধরায় নামল, কেন, কী হয়েছে?

    সেটাই তো আমি জানতে চাইছি। হয়েছেটা কী বলবি তো।

    কী যে বলি, শালিনীর স্বর দ্বিধান্বিত, শুনলে তুইও নিশ্চয়ই হাসবি। রণদেব, জয়িতা, নিশাদের মতো।

    টুপুর ক্ষুব্ধ হল একটু, তবে মুখে কোনও ভাব ফুটতে দিল না। সে যে ক্লাসের অনেক ছেলেমেয়ের থেকেই আলাদা, তা বোধহয় জানে না শালিনী। অবশ্য শালিনীর সঙ্গে টুপুরের তো তেমন ঘনিষ্ঠতাও হয়নি এখনও। শালিনী তাদের স্কুলেই পড়ছে বরাবর, কিন্তু ছিল অন্য সেকশনে, এ বছরই ক্লাস সেভেনে তাদের সেকশানে এসেছে শালিনী। মাত্র কয়েক মাসেই বন্ধুত্ব গড়ে উঠতে পারত, যদি মেয়েটা তেমন মিশুকে হত। কিন্তু মেয়েটা বড্ড বেশি চুপচাপ ধরনের। কারও সঙ্গেই দরকার ছাড়া কথা বলে না খুব একটা, শুধু ওই হাই হ্যালো, ব্যস। এবছর স্কুলের রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠানের দিন পেঁয়াজের ছোঁয়া খেল না বলে নজরে পড়ল ওর খাদ্যাভ্যাস, নয়তো শালিনী যে চরম গোঁড়া নিরামিষাশী, তাও হয়তো অজানা থেকে যেত টুপুরদের।

    একমুঠো মুগডালের ভুজিয়া মুখে চালান করে টুপুর বলল, কথাটা নিশ্চয়ই মজার নয়?

    একেবারেই না। বরং ভয়ের। ভাবলেই, আই মিন সিনটা মনে পড়লেই আমার বুক কেঁপে উঠছে।

    টুপুর যেন হালকা রহস্যের গন্ধ পেল। ঈষৎ উদগ্রীব গলায় বলল, কী কথা? কী এমন দৃশ্য? কোথায় দেখেছিস?

    স্বপ্নে।

    মানে? টুপুরের আচমকা হাসি পেয়ে গেল। কোনওমতে গিলে নিয়ে বলল, স্বপ্ন দেখে কেউ ভয় পায় নাকি?

    আমিও পাই না, কিন্তু অবিকল একই স্বপ্ন কেউ যদি দিনের পর দিন দেখে, আর সেই স্বপ্নটা যদি ভয়ংকর হয়।

    দাঁড়া দাঁড়া, রোজ তুই সেম স্বপ্ন দেখিস?

    গত চারদিন তো দেখছি।

    স্বপ্নটা কী? বলতে আপত্তি নেই নিশ্চয়ই? হাসব না, ওয়ার্ড অব অনার।

    তবু যেন ভরসা পাচ্ছে না শালিনী, নখ খুঁটছে নত মুখে। টুপুরের কপালে ভাঁজ বাড়ল। নাহ, সমস্যাটা গভীরই মনে হচ্ছে। মিতিনমাসির পরামর্শটা মনে পড়ল টুপুরের। যখন কেউ সংকোচের কারণে কোনও কিছু বলতে কুণ্ঠা বোধ করে, তখন বেশি জোরাজুরি করতে নেই, বরং প্রশ্ন বদলে ফেলে তাকে সহজ করে নেওয়া অনেক জরুরি।

    টুপুর প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে বলল, হ্যাঁরে শালিনী, তোদের বাড়িতে সব্বাই ভেজিটেরিয়ান?

    শালিনী অল্প মাথা নাড়ল, হু।

    কেউ কখনও আমিষ খায় না?

    খেতে পারবেই না।

    কেন?

    ধর্মে নিষেধ আছে যে।

    তোরা বুঝি বৈষ্ণব?

    উঁহু, আমরা জৈন।

    টুপুরের একটু কৌতূহল জাগল। জৈনধর্ম ইতিহাসে পড়েছে বটে, কিন্তু জৈনদের সম্বন্ধে তার তেমন ধারণা নেই। সামান্য আগ্রহী স্বরে টুপুর বলল, বাঙালিদের মধ্যে জৈন আছে নাকি?

    আমরা তো বাঙালি নই। রাজস্থানি। আরও ঠিক ভাবে বলতে গেলে আমরা মারোয়াড়ি।

    তোর কথা শুনে তো একটুও বোঝা যায় না। একটুও অবাঙালি টান নেই।

    শালিনীর মুখে এবার পাতলা হাসি ফুটেছে, তাও তো তুই আমার বাবার কথা শুনিসনি। বাবা তো হিন্দি পর্যন্ত বলে বাংলা টোনে।

    সে কী? কেন?

    অনেকদিন এ রাজ্যে আছি যে আমরা। বোধহয় এক-দুশো বছর।

    এই কলকাতাতেই? বরাবর?

    তাই তো জানি। বিকানিরের কাছে নাগৌর না কোথায় যেন আমাদের দেশ। তা আমি সেখানে কখনও যাইনি, সে জায়গার নামও ঠিক জানি না।

    ও, কথায় কথায় শালিনী খানিকটা সহজ হয়েছে দেখে টুপুর ফস করে পুরনো প্রশ্নে ফিরে গেল, তুই কী যেন স্বপ্নের কথা বলছিলি না?

    হ্যাঁ তো, শালিনী মাথা দোলাল, পর পর চার রাত দেখলাম। আমি একটা বিশাল ঘরে ঢুকেছি, ঘরটা এত উঁচু যে, সিলিংটা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। সেই ঘরে একটা লোক দাঁড়িয়ে। লোকটা কী প্রকাণ্ড, যেন একটা মিনি পাহাড়। ইয়া মোটা গোঁফ আছে লোকটার, চোখ দুখানাও জাম্বো সাইজের। আমার দিকে দৃষ্টি পড়তেই আরও যেন বড় বড় হয়ে গেল চোখের মণিগুলো। আমাকে এক হ্যাঁচকায় শূন্যে তুলে নিল লোকটা, তারপর ছুঁড়ে দিল সিলিং এর দিকে। মাটিতে পড়ার আগেই লুফে নিল। আবার ছুড়ছে, আবার লুফছে। আমি চিৎকার করছি, কিন্তু গলায় কোনও স্বর নেই…

    সত্যিই তো, খুব অস্বস্তিকর স্বপ্ন। টুপুর নিজেকে ওরকম একটা দৃশ্যে কল্পনা করল। উঁহ, মোটেই মজা লাগছে না।

    টুপুর গম্ভীরমুখে বলল, তখনই তোর ঘুম ভেঙে যায় নিশ্চয়ই।

    তা হলে তো বেঁচে যেতাম। কিন্তু স্বপ্নটা আরও অনেক লম্বা। ওই লোকটা আমাকে এক হাতে ঝুলিয়ে ঘরে পাক খায়। তারপর দেওয়ালের ধারে গিয়ে আর-একটা লোকের সামনে গিয়ে দাঁড়াল…

    যা বাব্বা, দ্বিতীয় একজন? সে এল কোত্থেকে?

    কী জানি। সে লোকটা দেওয়ালে ঝোলে। ওই লোকটার বডি থেকে একটা লাঠি বের করে আনে, হঠাৎই লাঠিটা খুলে যায়, আর লাঠিটা হয়ে যায় দেওয়াল।

    তা কী করে সম্ভব?

    কিন্তু সেটাই তো হচ্ছে। আমি তো তাই দেখছি, শালিনীর নাকের পাটা ফুলছে উত্তেজনায়, এর পর যা ঘটে সে তো আরও ভয়ংকর। লোকটা দেওয়ালে লাথি মারে, অমনি কানে তালা লাগা আওয়াজ। আর দেওয়াল ফাঁক হয়ে যাচ্ছে। সেই গর্তে আমাকে ফেলে দিল… আমি অন্ধকারে পড়ছি, পড়ছি…তখনই আমার ঘুমটা ভেঙে যায়। আমি দরদর করে ঘামতে থাকি। বাকি রাতটা আমি আর ঘুমোতে পারি না। সারাদিন স্বপ্নটা চোখে লেগে থাকে, আমার গা শিউরোনো ভাবটা কিছুতেই কাটতে চায় না।

    খুবই বিশ্রী ব্যাপার তো, টুপুর ঠোঁট চাপল, অবিকল এই স্বপ্ন দেখছিস রোজ?

    একেবারে সিন টু সিন, শালিনীর মুখ কাঁদোকাঁদো, আমার তো এক-এক সময় মনে হচ্ছে, আমি পাগল হয়ে যাব।

    কী বলে মেয়েটাকে আশ্বস্ত করবে, ভেবে পেল না টুপুর। স্বপ্নকে আদৌ আমল দেওয়া উচিত কি? মনগড়া ব্যাপার স্যাপার থেকেই তো স্বপ্ন তার ডানা মেলে। কেউ কেউ অবশ্য বলে বটে ভোরের স্বপ্ন নাকি সত্যি হয়। তা শালিনী তো স্বপ্ন দেখছে মাঝরাতে। সুতরাং স্বপ্নটাকে স্বচ্ছন্দে বাজে কাগজের ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া যায়। কিন্তু কোথায় যেন খচখচ করছে। কিছুতেই উড়িয়ে দিতে পারছে না কেন? টুপুরও কি স্বপ্নটাকে বিভীষিকাময় কিছু একটা ভেবে নিল?

    ফের শালিনীর গলা বাজছে। একটু যেন বাঁকা সুরেই বলল, কী রে, শুনেই নার্ভাস হয়ে গেলি?

    না, না, স্বপ্নটা বোঝার চেষ্টা করছি, টুপুর একটু কায়দা করে গলা ঝাড়ল, তুই কি রিসেন্টলি কোনও ভয়ের সিনেমা দেখেছিস?

    মোটেই না। আমি হরর মুভি দেখিই না।

    তা হলে নির্ঘাত ঘোস্ট স্টোরি পড়েছিস? এবং বইয়ের পাতার ভূত তোর মগজে সেঁধিয়ে গিয়ে রোজ রাত্রে তোর ঘুমটাকে ডিস্টার্ব করছে।

    অসম্ভব। আমি ভূতের গল্প, রহস্য গল্প সেই কবে থেকে পড়ছি, কখনও এরকম হয়নি তো।

    আগে কিছু হয়নি বলে কোনওদিন কিছু হবে না, এটা ধরে নেওয়া বোধহয় ঠিক নয়।

    টুপুর বলল বটে, তবে নিজের কথা নিজের কানেই বড় ফাঁপা ঠেকল যেন। কপাল ভাল, টিফিন শেষের ঘণ্টা পড়ে গিয়েছে। শালিনীকে ফেলে রেখেই ক্লাসের দিকে দৌড়োল টুপুর। অঙ্ক, ভূগোল, ইংরেজি একটি ক্লাসেও পড়ায় মন দিতে পারল না, শালিনীর বিদঘুটে স্বপ্নটাই দখল করেছে মস্তিস্ক। কিছু যেন একটা অর্থ আছে, কিন্তু ধরা যাচ্ছে না। এক স্বপ্ন বারবার ঘুরে আসছে, এটাও তো অস্বাভাবিক। বাড়িতে স্বপ্ন ব্যাখ্যা করার একটা বই আছে, দেখেছে টুপুর। স্কুল থেকে ফিরেই বসে যাবে বইটা নিয়ে? নাকি অভিমান ভুলে একটা ফোন করবে মাসিকে?

    কাল একটা কিছু জবাব তো দিতেই হবে শালিনীকে, নয় কি?

    .

    ০২.

    বাড়িতে ঢুকেই তো টুপুরের ভিরমি খাওয়ার দশা। মিতিনমাসি এসেছে আজ, সঙ্গে পার্থমেসোও হাজির। এ যে মেঘ না চাইতেই জল!

    খাতা বইয়ের ব্যাগ ঘরে ছুঁড়ে দিয়েই লাফাতে লাফাতে ফিরল টুপুর। মাসি আজকাল খোঁজ রাখছে না টুপুরের, সেই অভিমান ধুয়েমুছে সাফ। মাসির গা ঘেঁষে টুপুর বসেছে সোফায়, আহ্লাদী সুরে বলল, তোমরা কতক্ষণ?

    মেসোই উত্তর দিল, চারটের মধ্যেই ঢুকে যেতাম রে। নিরঞ্জনের মাংসের চপটা নিতে গিয়ে খানিক লেট হয়ে গেল।

    শুধু চপ নাকি? আরও কত কী এনেছে। সন্দেশ, চমচম, সঙ্গে ডিমের ডেভিল, সহেলির গলায় ছদ্মবিরক্তি, এই পাহাড়প্রমাণ খাবার কে খাবে? টুপুরের বাবা তো ভাজাভুজি আজকাল ছুঁয়েও দেখে না…

    কিচ্ছু চিন্তা করিস না দিদি, এবার মিতিনের স্বর ফুটেছে, ঠোঁট বেঁকিয়ে বলল, যে এনেছে, সে কি তোরা শেষ করবি তার তোয়াক্কা করে? একাই চপ-ডেভিলের শ্রাদ্ধ করবে এখন। তুই শুধু বসে বসে দেখে যা।

    এই আওয়াজ মেরো না তো, পার্থ মুচকি হাসল, উত্তর কলকাতায় এলে এগুলো না খেয়ে ফেরে কোন বুরবক? আমাদের সাউথ কলকাতায় থোড়াই এসব সুখাদ্য মেলে।

    তো আমাদের ঢাকুরিয়ার ফ্ল্যাটটা তা হলে বেচে দিই? মিতিন চোখ টিপল টুপুরকে। ঘুরে পার্থকে বলল, হাতিবাগান, শ্যামবাজার, বাগবাজার কিংবা ধরো বেলগাছিয়া-পাইকপাড়ার দিকটায় চলে আসি, কী বলো?

    যাহ, তাই হয় নাকি? আমাদের বন্ধুবান্ধব, চেনাজানা সব্বাই তো সাউথেই থাকে, হুট করে তাদের ছেড়ে আসা যায় নাকি?

    আসল কথাটা বলো না, মিতিন ফিকফিক করে হাসছে, নর্থের ভিড়ভাট্টা তোমার পোষায় না। কিন্তু জিভটা তোমার উত্তরের খাবারের লোভে সদাই লকলক করে।

    কী অপমানজনক মন্তব্য! বিটকেল একটা ভ্রুকুটি করল পার্থ। পরক্ষণেই অম্লানবদনে বলল, আমি অবশ্য গায়ে মাখছি না। কারণ, যেখানকার যেটা ভাল, সেটা গ্রহণ করতে কোনও দ্বিধা নেই। এটা তো মানতেই হবে কাটলেট, ডেভিল, চপ, কবিরাজি বানানোয় উত্তর কলকাতার একটা দীর্ঘ ঐতিহ্য আছে। এক-একটা দোকানের বয়স একশো-সোয়াশো বছর। এতদিন ধরে তারা নানান পরীক্ষানিরীক্ষা করে একটা নিজস্ব গুণমান তৈরি করেছে। আমি তাদের সেই গুণটার কদর করছি মাত্র।

    বেশি জ্ঞান মেরো না তো, মিতিন হালকা ধমক দিল পার্থকে। ঘুরে টুপুরের মাকে বলল, চটপট ওকে থালা সাজিয়ে দে। নয়তো ও ভাট বকেই যাবে।

    সহেলি হাসতে হাসতে চলে গেল রান্নাঘরে। সত্যিই দু’খানা প্লেট-বোঝাই চপ, ডেভিল, মিষ্টি এনে রাখল সেন্টার টেবিলে। সঙ্গে পেঁয়াজ, শশা, বিট আর মাস্টার্ড সস। খাও’ শব্দটুকু শোনার তর সইল না পার্থর। হলুদ, ঝাঁঝালো সসে চপ ডুবিয়ে পেল্লাই কামড় বসাল একখানা। পরক্ষণে চোখ দু’খানা বুজে গেল। যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি জেগেছে। মুখ নাড়ছে অল্প অল্প, জিভ যেন চপের পুরের প্রতিটা কণার স্বাদ নিচ্ছে তারিয়ে তারিয়ে।

    টুপুর হেসে ফেলল। ওহ, পেটুক বটে পার্থমেসো। মাসি বলে, মানুষ খাওয়ার জন্য বাঁচে না, বাঁচার জন্য খায়। কিন্তু পার্থমেসোর খাওয়ার ভঙ্গিমাটি দেখলে মনে হয়, মানুষের বেঁচে থাকার সার্থকতা বোধহয় শুধু ভোজনেই।

    পার্থ ভুরু নাচিয়ে টুপুরকে বলল, কী রে তোল কিছু। আমার একা একা খেতে লজ্জা করছে যে।

    টুপুর একখানা ডেভিল নিল প্লেট থেকে। নিরঞ্জন দোকানটা বানায় সলিড, আস্ত ডিম পোরা থাকে, গোটা একখানা ডেভিল খেলে পেট জয়ঢাক অনিবার্য। আধখানা ভেঙে পুরল মুখে, দু’আঙুলে মুদ্রা ফোটাল তারিফের। ঘাড় হেলিয়ে মিতিনমাসিকে জিজ্ঞেস করল, তোমরা নিশ্চয়ই কেবল খাবার কিনতেই আজ পেট্রল পুড়িয়ে এত দূর আসোনি?

    মিতিন ব্যঙ্গের সুরে বলল, তোর তো দারুণ অবজার্ভেশন! তা হলে এবার বের করে ফ্যাল, কেন এসেছি?

    টুপুর বলল, নিশ্চয়ই কাছাকাছি কোথাও তোমার কোনও ক্লায়েন্ট আছে? তাকে মিট করে তুমি এখানে…

    নো সেনোরিটা, ইউ আর রং। আমরা তোমাদের বাড়িতেই এসেছি। কারণটা ক্রমশ প্রকাশ্য। তার আগে বল তোর স্কুল কেমন চলছে?

    সো-সো। তবে আজ একটা… টুপুর থমকাল একটু। শালিনীর প্রসঙ্গটা তুলবে কি এখন? সামান্য দোনামোনা করে বলল, স্কুলে আজ একটা আজব ঘটনা শুনলাম। একবার মনে হচ্ছে হাস্যকর, আবার কখনও মনে হচ্ছে ব্যাপারটায় একটা রহস্যের ইঙ্গিত থাকলেও থাকতে পারে…

    তোকেও কি মাসির রোগে ধরল? পার্থ দ্বিতীয় চপ তুলল। তেরচা হেসে বলল, তুই কি স্কুল থেকেই টিকটিকিগিরি ধরবি প্ল্যান আঁটছিস?

    টুপুর মিইয়ে গেল। ঢোঁক গিলে বলল, না মানে… আমার এক ক্লাসমেট…।

    খুব বিপদে পড়েছে তো? পার্থর হাসি চওড়া হল, ওরে বুদ্ধ, বিপদ মানেই রহস্য নয়। আর অন্যের বিপদের সমাধান করার জন্য তুই স্কুলে যাস না, তুই যাস লেখাপড়া করতে।

    তাই বলে বন্ধুকে হেল্প করব না?

    সে তুই নোট দিয়ে হেল্প কর। বই দিয়ে সাহায্য কর। কাল্পনিক রহস্যের গন্ধ খুঁজে কেন সময়টা বরবাদ করবি?

    আমিও তো সর্বদা সেই উপদেশই দিই, গ্রাহ্য করে মেয়ে? এবার সহেলির গলা আছড়ে পড়ল, স্কুলে গিয়েও তিনি সারাক্ষণ গেছোমি করছেন। কোথায় কে কার সঙ্গে মিসবিহেভ করল, উনি চললেন তাকে শাসাতে। স্কুলের পেয়ারা গাছে কে পেয়ারা পাড়তে উঠবে? আর কে? ঐন্দ্রিলা। গত সপ্তাহে কতটা হাঁটু ছড়ে স্কুল থেকে ফিরেছিল, তোমরা যদি দেখতে? ওদিকে ক্লাসটেস্টের নম্বর দ্যাখ? কোনওটায় ফর্টি পারসেন্ট, কোনওটায় ফিফটি। সায়েন্সে কুড়িতে মাত্র তেরো পেয়েছে, ভাবতে পারিস?

    আহ দিদি, ওর পিছনে ট্যাকট্যাক করিস না তো। ক্লাসটেস্টে যেমনই হোক, ফাইনাল এগজ্যামে ও ঠিক ম্যানেজ করে নেবে। আফটার অল, ব্রেনটা তো টুপুরের খারাপ নয়। একটুআধটু দস্যিপনা না করলে ও লেবদুস বনে যাবে।

    তুই ওকে আর তোল্লাই দিস না তো। এই আমি সাফ জানিয়ে রাখছি, যদি অ্যানুয়ালে ও ধ্যাড়ায়, মানে প্রথম তিনজনের মধ্যে না আসতে পারে, তা হলে তোমার সঙ্গে ল্যাংবোট হয়ে ঘোরা ওর খতম। শত কাকুতিমিনতি করলেও ওকে আমি ছাড়ব না।

    আচ্ছা বাবা আচ্ছা, তাই হবে, দিদির শাসানির বহরে যেন ভারী মজা পেয়েছে মিতিন। দু’হাত তুলে সহেলিকে থামিয়ে টুপুরকে গলা নামিয়ে বলল, কী হয়েছে স্কুলে?

    মাকে চোরা চোখে দেখে নিয়ে টুপুর উগরে দিল শালিনীর স্বপ্ন উপাখ্যান। মাঝে মাঝে প্রশ্ন করে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জেনে নিল মিতিন। একটু চুপ থেকে বলল, কী যেন নাম বললি মারোয়াড়ি মেয়েটির?

    শালিনী। শালিনী শেঠ।

    শেঠ তো উপাধি। আসল পদবি কী?

    মানে?

    আশ্চর্য, এটাও বুঝলি না! শেঠ উপাধিটা ওঁরা কোনও সূত্রে পেয়েছেন। কিন্তু ওঁদের তো একটা বংশগত সারনেম থাকার কথা।

    আছে হয়তো, জানা হয়নি।

    ভেরি ব্যাড। তথ্য যখন নিবি, ডিটেলে কালেক্ট করবি।

    ধমক খেয়ে দমল না টুপুর। জোর গলায় বলল, সবই জোগাড় করেছি। শুধু ওই ছোট্ট পয়েন্টখানা মিস করে গিয়েছি।

    বটে। কী কী পেয়েছিস তা হলে বল।

    যেমন ধরো, শালিনীর বাবার নাম আকাশচাঁদ, মায়ের নাম গৌরী।

    অপ্রয়োজনীয় তথ্য। আর?

    শালিনীর কোনও ভাইবোন নেই। ওর ঠাকুরদা, ঠাকুরমাও বেঁচে নেই। ঠাকুরমাকে ও চোখেই দেখেনি। ঠাকুরদাও মারা গিয়েছেন খুব ছেলেবেলায়, তাঁকেও ওর ভাল মনে নেই। আগে ওরা থাকত নর্থ ক্যালকাটায়, মানিকতলার কাছে। ঠাকুরদার মৃত্যুর পর পরই শালিনীর বাবা উঠে এসেছিলেন দক্ষিণ কলকাতায়। এখন ওরা থাকে ঢাকুরিয়া লেকের ধারে, একটা চোদ্দোতলা বাড়ির টেন্থ ফ্লোরে। শালিনীর জ্যাঠা এখনও সেই মানিকতলার বাড়িতেই বাস করছেন।

    অর্থাৎ দুই ভাই আলাদা হয়ে গিয়েছেন?

    অনেকদিন।

    হুম। তারপর?… কী করেন শালিনীর বাবা?

    সফটওয়্যারের ব্যবসা। ওদের বাড়ির কাছেই। খুব রমরমা কারবার।

    স্বপ্নটার কথা ও বাবা-মাকে বলেছে?

    হ্যাঁ, তাঁরা নাকি খুব একটা পাত্তা দেননি।

    তোরাই বা মাথা ঘামাচ্ছিস কেন? খাওয়া থামিয়ে চোখ গোলগোল করে মাসি-বোনঝির বাক্যালাপ গিলছিল পার্থ, একটু সুযোগ মিলতেই নাক গলিয়ে দিয়েছে তৎক্ষণাৎ, কেন সে রোজ একই অদ্ভুতুড়ে স্বপ্ন দেখছে, তার জন্যও কি গোয়েন্দাগিরি করতে হবে?

    যে-কোনও অস্বাভাবিক ঘটনার পিছনে একটা কিছু কারণ থাকে, মিতিন ঠান্ডা গলায় বলল, আর গোয়েন্দার দায়িত্ব সেই লুকোনো কারণটা খোঁজা।

    আরে, এখানে তো কিছুই ঘটেনি।

    একই স্বপ্ন বারবার দেখাটাও একটা বিশেষ ঘটনা বই কী, মিতিন নিজের মতে অনড়। দৃঢ় স্বরে বলল, স্বপ্ন আশমান থেকে টপকায় না স্যার। আমাদের নিত্যদিনের নানান ঘটনাই রূপ বদলে রাতের স্বপ্নে হানা দেয়। কখনও বা অবিকৃত চেহারাতেও আসে। কিন্তু প্রতি রাতে একভাবে ফিরে ফিরে আসাটা অবশ্যই স্পেশাল মনোযোগ দাবি করে। হয়তো স্বপ্নটার মধ্যে লুকিয়ে আছে কোনও আসন্ন বিপদের সংকেত। শালিনী মেয়েটা মনে মনে হয়তো…

    ধুৎ, স্বপ্ন কি সর্বদা নিয়ম মেনে হয় নাকি? কত তুচ্ছ ব্যাপার থেকেও তো স্বপ্নের জন্ম হয়। স্বপ্ন তো অবচেতন মনের একটা মিক্সচার। হয়তো মেয়েটা পথেঘাটে একটা ভয় পাওয়ানো গোছের সামথিং দেখেছিল, মে বি কোনও কাপালিক বা তান্ত্রিক। তার ভাটার মতো চোখ কিংবা চুল ওর মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরি করেছিল। তারই একটা ভাঙাচোরা চেহারা ওই স্বপ্নটার মধ্যে এসে হাজির হয়েছে।

    হতেও পারে। কিন্তু কোনও অনুমানের ওপর তো ছেড়ে দিতে পারি না। সুতরাং স্বপ্নটা কার্যকারণ সূত্র মানছে কিনা সেটাও তো বাজিয়ে দেখতে হবে।

    আমার ঘাট হয়েছে। আমাকে ক্ষ্যামা দাও, মজারু ভঙ্গিতে হাতজোড় করল পার্থ, তোমাদের যা প্রাণ চায় করো, কিন্তু দরকারি কাজটা আগে সেরে নাও। নয়তো যে উদ্দেশ্যে আসা, সেটাই হয়তো ভুলে যাব।

    মিতিন কাঁধ ঝাঁকাল, তুমিই বলো না।

    ওকে, পার্থ ডেভিলের শেষটুকু চালান করে দিল মুখগহ্বরে। সহেলি চা এনেছে, পেয়ালা-পিরিচ হাতে তুলে নিয়ে বলল, সহেলিদি, পুজোয় এবার স্পেশাল কোনও প্রোগ্রাম আছে নাকি আপনাদের?

    সহেলি জোরে জোরে মাথা নাড়ল, কই না তো। ওই কয়েকটা মণ্ডপে ঘোরা, আর বড়জোর এক-আধদিন কোনও ভাল রেস্তরাঁতে যাওয়া। তাও যদি টুপুরের গেঁতো বাবাটিকে নাড়াতে পারি। তিনি নির্ঘাত ওই সময়টিতেই ভারী ভারী কেতাব খুলে বসার মতলব আঁটবেন।

    টুপুরের বাবা অবনী কলেজে পড়ান। তাঁর দুটিই নেশা। দুষ্প্রাপ্য প্রবন্ধের বই গেলা ও ঘুম। পুজোর ছুটিতে দুটোই যে তিনি পুরোমাত্রায় উপভোগ করতে চাইবেন, এ তো বলাই বাহুল্য।

    পার্থ চায়ে চুমুক দিয়ে বলল, এবার যদি অবনীদার সুখে ব্যাঘাত ঘটাই?

    কীভাবে?

    রাজস্থানে যদি একটা ট্রিপ করি?

    ও মা, রাজস্থান তো আমার স্বপ্ন! সহেলি আহ্লাদে লাফিয়ে উঠল, কবে বেরোব? ক’দিনের জন্য যাব? কোথায় কোথায় ঘুরব?

    ধীরে ধীরে। একে-একে বলি তা হলে, মিতিনকে ঝলক দেখে নিয়ে পার্থ গলা ঝাড়ল, লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন বিকেলে যাত্রা শুরু। প্রথমে দুরন্ত এক্সপ্রেসে নয়াদিল্লি। সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে জয়পুর। কোজাগরী পূর্ণিমার চাঁদটা আমরা জয়পুরেই দেখব। তারপর যাব আজমেঢ়, পুষ্কর, যোধপুর, বিকানির, জয়সলমীর হয়ে মাউন্ট আবু। দেন উদয়পুর টঙ্ক অ্যান্ড চিতোরগড়। দুর্গ দেখার মাঝে টুক করে একটু জঙ্গল সাফারি। রণথম্ভোর ফরেস্ট। অবশেষে ভরতপুর পাখিরালয় ছুঁয়ে ব্যাক টু নিউদিল্লি এবং রাজধানীতে চড়ে প্রত্যাবর্তন। মোট আঠারো দিন।

    টুপুরের উত্তেজনায় দম বন্ধ হয়ে আসছে যেন। নাচতে ইচ্ছে করছিল টুপুরের। কল্পচক্ষে দেখতে পাচ্ছে দুর্গ, মরুভূমির উটের পাল। সোনালি বালি। রঙিন পাগড়ি পরা তাগড়াই লোকজন।

    আচমকা মিতিনমাসির গলা, শালিনীকে একটা কথা জিজ্ঞেস করিস তো। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে বাড়িতে নতুন কেউ এসেছে কিনা।

    আজব কৌতূহল তো! স্বপ্নটা তা হলে টানছে মাসিকে। কিন্তু কেন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআয়নামহল – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }