Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প702 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৯-১০. সন্ধেবেলা বুমবুমের খাটে

    সন্ধেবেলা বুমবুমের খাটে বসে হিরে চুরির কেসের একটা নোট মতো বানাচ্ছিল টুপুর। মিতিনমাসি এবার তাকে কোনও কাজই দেয়নি, তবু প্রত্যেকের জবানবন্দি, কার সম্পর্কে টুপুরের কী ধারণা জন্মেছে, লিখছে সাজিয়ে গুছিয়ে। হঠাৎ কোনও নতুন পয়েন্ট মনে পড়লে যোগ করে নিচ্ছে সঙ্গে সঙ্গে। যেমন এইমাত্ৰ স্মরণে এল, পিটার ডিসুজা একজন সাক্ষী হওয়া সত্ত্বেও উইলের খবর টুপুরদের কাছে গোপন করে গিয়েছিলেন। মিসেস আরাকিয়েলও নিজে থেকে উইলের কথা ভাঙেননি। জেসমিন-নির্মলারাও নয়। ভুলটা ইচ্ছাকৃত? না অনিচ্ছাকৃত? টুপুরের মন্তব্যটা হয়তো কাজে লাগবে। না, তবু নোট থাকা ভাল। টুপুর দেখেছে বিবরণী বিশদ হলে মিতিনমাসির কাজে সুবিধে হয়। টুপুর নিজেও শিখতে পারে, তদন্তের কোন-কোন সূত্র দরকারি, কোনটাই বা নেহাত অদরকারি।

    ঘরে বুমবুমও মজুত। কম্পিউটারে ভিডিও গেমস খেলছে এক মনে। মা বাড়ি নেই, দিদিও কম্পিউটারের দখল চাইছে না, বুমবুমের এ ভারী সুখের সময়। পরশু অ্যানুয়াল পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোবে, মঙ্গলবারই নতুন ক্লাস শুরু। ছুটির শেষ দুটো দিন যেন চুটিয়ে উপভোগ করছে বুমবুম।

    পার্থ ফিরল সাড়ে আটটা নাগাদ। চৈত্রের গরমে থসথস করতে করতে। এসেই শাওয়ার চালিয়ে স্নান। তারপর পাউডার-টাউডার মেখে আয়েশ করে বসেছে সোফায়। খবরের কাগজ উলটোতে উলটোতে হাঁক পাড়ল, টুপুর…? আই টুপুর…?

    কাগজ-কলম ফেলে দৌড়ে এল টুপুর, কী বলছ?

    তোর মাতৃম্বসাটি গেলেন কোথায়?

    কী জানি। দুপুরে মারকুইস স্ট্রিট থেকে ফিরেই নাকে-মুখে গুঁজে কোথায় বেরিয়ে গেল।

    তোকে নিল না?

    তাই তো দেখছি।

    একাই হিরে উদ্ধারে গেল নাকি?

    বুঝতে পারছি না।

    এহ্, তোর মাসি এখনও তোকে এলেবেলেই ভাবে রে। তুই আর জাতে উঠলি না।

    টুপুর হেসে ফেলল। পার্থমেসো তাকে রাগাতে চাইছে। হাসতে হাসতেই বলল, মাসি তার নিজের ডিউটি করছে, আমি আমার।

    তোর কী ডিউটি শুনি?

    রিপোর্ট তৈরি করা। কদ্দুর কী প্রোগ্রেস হল…।

    আদৌ কিছু এগিয়েছে কী?

    জানতে চাও, এখনও পর্যন্ত কী করেছি? আনব লেখাটা?

    ওরে বাবা, এখন ওটা পড়বি নাকি? পার্থ হাই তুলল, তার চেয়ে বরং দ্যাখ, খাবারদাবার কিছু আছে কি না।

    উৎসাহে জল ঢেলে দিতেই টুপুর বিরস মুখভঙ্গি করে বলল, আরতিদি ইডলি-সম্বর বানিয়ে রেখে গিয়েছে। মাইক্রোওয়েভে গরম করে দেব?

    সঙ্গে একমুঠো চানাচুরও দিস। আর চা।

    ইডলির সঙ্গে চানাচুর? কী কম্বিনেশন গো!

    ভ্যারাইটি জীবনের মশলা রে। তুইও ট্রাই করে দেখতে পারিস।

    নো চান্স। ওই বিদঘুটে মিক্সচার তুমিই খাও।

    জলখাবার হাতে পেয়েই তুবড়ি ছোটাতে শুরু করেছে পার্থমেসো। আর্মেনিয়ানদের সম্পর্কে আরও কিছু জ্ঞান আহরণ করেছে, এখন ভাণ্ডার উজাড় করার পালা। সম্রাট আকবর নাকি এক আর্মেনিয়ানকে ছেলে হিসেবে দত্তক নিয়েছিলেন। আকবরের সাম্রাজ্যে প্রধান বিচারপতিও নাকি ছিলেন একজন আর্মেনিয়ান। বিচারপতির নাম ছিল আবদুল হাই। আকবরের সময় থেকেই দিল্লি, আগ্রা, পঞ্জাব, সর্বত্রই আর্মেনিয়ানরা আঁকিয়ে বসতে থাকে। একটা গির্জাও নাকি তারা বানিয়ে ফেলেছিল আগ্রায়, আকবর বেঁচে থাকাকালীন।

    বক্তৃতার মাঝেই হঠাৎ মিতিনের প্রবেশ। পার্থর ডাকাডাকিতে সাড়া না দিয়ে থমথমে মুখে সটান ঢুকে গেল স্টাডিতে। বন্ধ করে দিয়েছে দরজা। টুপুর আর পার্থ মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। কেস চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌছে গেলে এমনটাই করে মিতিন, তারা জানে।

    রাতে অবশ্য মিতিন বেরিয়ে খেতে বসল একসঙ্গে। এলোমেলো কথা বলল দু-চারটে, কিন্তু কেসের ব্যাপারে আশ্চর্য রকম নীরব। অর্থাৎ কেস নিয়েই ভাবছে। এবং কেস সংক্রান্ত কোনও আলোচনাই এখন পছন্দ করবে না। আর সেরে ফের সেঁধিয়ে গেল নিজস্ব কুঠুরিতে। টুপুর যখন শুতে গেল, তখনও স্টাডির আলো নেবেনি।

    সকালবেলা মিতিন কিন্তু একদম অন্য মেজাজে। নিজেই ব্যালকনির গাছে জল দিল, মাঝে-মাঝে গুনগুন গান গাইছে, আরতিকে আলুর পরোটা ভাজতে বলল, খুনসুটি করল বুমবুমের সঙ্গে।

    টুপুরও গন্ধ পেয়ে গিয়েছে ওমনি। আলুর পরোটার প্লেট হাতে নিয়ে মাসিকে জিজ্ঞেস করল, কে মনে হচ্ছে সল্ভড?

    ইয়েস। যবনিকা কম্পমান। মিতিনের মুখে বিচিত্ৰ হাসি, এবার পরদাটা তুলে দিলেই হয়।

    কে নিয়েছে তা হলে হিরেটা?

    সাসপেন্স।

    বুঝেছি, বলবে না। টুপুর চোখ তেরচা করল, জিনিসটা পাওয়া যাবে তো? নাকি পাচার হয়ে গিয়েছে?

    ঘরের মধ্যে ঘর, তার মধ্যে পচে মর। কী বুঝলি?

    ধাঁধাটার জবাব তো মশারি। টুপুর ঘাড় চুলকোচ্ছে, একটু ঝেড়ে কাশো না মিতিনমাসি।

    আর তো কয়েকটা ঘণ্টা। দমটাকে ধরে রাখ। মিতিন পার্থর দিকে তাকাল, তুমি কী করছ বিকেলে?

    শব্দজব্দ করতে করতে পরোটা ছিঁড়ছিল পার্থ। তবে কান কিন্তু এদিকেই খাড়া। ঠোঁট উলটে বলল, ঠিক নেই। ভাবছি অ্যাকাডেমিতে একটা নাটক দেখতে যাব।

    উছ। আমাদের সঙ্গে মারকুইস স্ট্রিট চলো।

    গিয়ে?

    জোড়া নাটক দেখবে। উইথ ফাটাফাটি ক্লাইম্যাক্স। …উঁহুহু, চোখ বড়-বড় কোরো না। ঠিক চারটেয় শো। রোববার দুপুরে না ঘুমিয়ে তৈরি থেকো।

    পাৰ্থর পরোটা বোঝাই গাল হাসিতে ভরে গেল, ও কে, ম্যাডাম টিকটিকি।

    .

    ১০.

    ড্রয়িংরুম আলো করে বসে আছে আট-নজন। মিসেস আরাকিয়েল তো আছেনই, জেসমিন, নির্মলা, হ্যারি, সুজান, ডিসুজারা বাপছেলে, কুরিয়েন কর্তাগিন্নি সকলেই হাজির। মিতিনরা ঢোকামাত্র হালকা একটা গুঞ্জন উঠেছিল, এখন এক অখণ্ড নীরবতা বিরাজ করছে ঘরে।

    পার্থ আর টুপুরকে দুদিকে নিয়ে মিতিন বসল বড় সোফাটায়। উৎসুক চোখগুলোতে একবার দৃষ্টি বুলিয়ে নিয়ে কথা শুরু করেছে, দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, বাইশে ডিসেম্বরের রাতটা সম্পর্কে আপনারা কেউই সত্যি কথা বলেননি। অবশ্য মিসেস আরাকিয়েলকে আমি ধরছি না। কারণ, ওই রাতটা নিখুঁত স্মরণে রাখা আন্টির পক্ষে সম্ভব ছিল না। উনি আর মিস্টার পিটার ডিসুজা ছাড়া উপস্থিত প্রত্যেকেই সেদিন অত্যন্ত ন্যক্কারজনক কাজ করেছিলেন।

    ইসাবেল বিড়বিড় করে বললেন, কী বলছ বাছা? সবাই মিলে হিরে চুরি করেছে?

    উঁহু, তা কেন। মিতিন চিলতে হাসল, আমি বরং সেদিন রাতে কী কী ঘটেছিল, তার একটা ছবি তুলে ধরি। তা হলেই ব্যাপারটা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে।

    বেশ তো, বলো শুনি!

    মিস্টার আরাকিয়েলের ডেডবডি ঘিরে অনেকেই ছিলেন সেদিন। মিসেস কুরিয়েন আর সুজান ছাড়া এ ঘরের সব্বাই। রাত দুটোর সময়ে মিসেস আরাকিয়েলকে নিয়ে জেসমিন তার ঘরে গেল, মিস্টার পিটার ডিসুজাও নেমে গেলেন নীচে। আর তারপরেই শুরু হল এক আজব লুকোচুরি খেলা। অ্যালবার্টকে নিয়ে মিস্টার হ্যারি লাইব্রেরিরুমে এসে বসলেন। একটু পরে হ্যারি কফি বানাতে বললেন নির্মলাকে। যখন নিৰ্মলা কিচেনে, মিস্টার কুরিয়েন তখন ডেডবডির পাশে একা। মিস্টার আরাকিয়েল যে সিন্দুকের চাবি সর্বদাই কোমরে বেঁধে রাখতেন, এ সংবাদ কারওরই অজানা নয়। একা ঘরে মিস্টার কুরিয়েনের চোখ লোভে চকচক করে উঠল। তবু উনি ঠিক সাহস পাচ্ছিলেন না। কিন্তু হ্যারি আর অ্যালবার্ট ড্রয়িংরুমে উঠে যেতেই ঝটপট মিস্টার আরাকিয়েলের কোমর থেকে চাবিটা নিয়েই সিন্দুক…

    অ্যালবার্ট চেঁচিয়ে উঠল, কুরিয়েন আঙ্কল এ তো ভাবাই যায় না।

    দাঁড়ান, দাঁড়ান। এমন অনেক কিছুই ঘটে, যা আমাদের কল্পনার অতীত। তবে তখন তো সবে খেলা শুরু হয়েছে। মিতিনের ঠোঁটে বাঁকা হাসি, মিস্টার কুরিয়েন বেশি সময় পাননি। নির্মলা কফি নিয়ে চলে এল কিনা। চাবিটা কোনও রকমে ডেডবডির কোমরে খুঁজে দিয়ে মিস্টার কুরিয়েন তখন প্রবল টেনশনে ভুগছেন। কোনও মতে কফি শেষ করে হুড়মুড়িয়ে পালালেন একতলায়।

    জেসমিন উত্তেজিত স্বরে বলল, হিরে সমেত?

    বলছি, বলছি। কুরিয়েন বেরিয়ে যেতেই নির্মলা ফাঁকা পেয়ে গেল ঘর। সে বড় সাবধানি মেয়ে, কফির কাপ নেওয়ার অছিলায় হ্যারি আর অ্যালবার্টকে দেখে এল। হ্যারি তখনও ফোন করছেন। এর পর কাপ কিচেনে নামিয়ে নিৰ্মলা গেল জেসমিনের ঘরে। আন্টি আর জেসমিন শুয়ে আছেন দেখে ভিতরবারান্দা দিয়ে মিসেস আরাকিয়েলের বেডরুমে ফিরল। তারপর যে-আঙ্কল তাকে হোম থেকে তুলে এনে আশ্রয় দিয়েছিলেন, তাঁরই ডেডবডির কোমর থেকে চাবি খুলে…।

    নির্মলা? ইসাবেল আর্তনাদ করে উঠলেন, আমার নির্মলা ওই হীন কাজ করেছে?

    লোভ মানুষকে অন্ধ করে দেয় আন্টি। নির্মলা হয়তো ভেবেছিল হিরেটা পেলে এক লাফে বড়লোক হয়ে যাবে। মিতিন তেরচা চোখে হ্যারি আর অ্যালবার্টকে দেখল, এমনটা কি এ ঘরের আর কেউ ভাবেননি? এই যে মিস্টার হ্যারি সিরিয়াস মুখ করে বসে আছেন… কিংবা ওই যে অ্যালবার্ট চোখ গোলগোল করে কথা শুনছেন… এঁরা কেউই তো সাধু নন।

    হ্যারি কঠিন গলায় বলে উঠলেন, উলটোপালটা দোষারোপ করবেন না ম্যাডাম। আমি পছন্দ করি না।

    থামুন। মিতিনেরও স্বর চড়েছে, নির্মলা থাকা অবস্থাতেই আপনারা ডেডবডির কাছে ফেরেননি?

    তো?

    নির্মলাকে শুতে যাওয়ার জন্য আপনি পীড়াপীড়ি করেননি? কিছুতেই নির্মলা উঠল না দেখে নানা গল্প শুরু করলেন। ঘণ্টাখানেক পর আবার কফির অর্ডার। এবার কফি দিয়ে নির্মলা আর বসতে পারল না, ভিতরে-ভিতরে একটা অপরাধবোধ কাজ করছিল তো। সে যেতেই আপনি ছটফট করতে লাগলেন, মতলব আঁটলেন ঘর থেকে অ্যালবার্টকে সরানোর।

    ও, সেই জন্যই আমাকে সিগারেট আনতে বলেছিলেন? অ্যালবার্টের বিস্ময়মাখা গলা উড়ে এল, আমি নীচে যেতেই…।

    হ্যাঁ, সময়টার উনি সদ্ব্যবহার করেছিলেন। নিজেকে কর্তব্যপরায়ণ বলে দাবি করেন বটে, তবে মৃত কাকার কোমর থেকে চাবি খুলতে তাঁর হাত কাঁপেনি। ওটাও বোধ হয় ওঁর কর্তব্য ছিল।

    অ্যালবার্ট জোরে-জোরে মাথা নাড়ছে, খুব খারাপ কাজ… খুব বাজে কাজ করেছেন হ্যারি।

    আপনি বেশি ফটরফটর করবেন না তো। আপনি নিজে কী, আঁ? মিতিনের স্বরে ধমক, হ্যারি ড্রয়িংরুমে ঘুমিয়ে পড়তেই আপনিও চান্স নেননি? মিস্টার আরাকিয়েলের মতো সজ্জন পিতৃতুল্য মানুষের কোমর থেকে চাবি খোলেননি আপনি? কেউ কোথাও নেই, সবাই ঘুমোচ্ছে… মওকা বুঝে সিন্দুক খুলে…।

    জেসমিন তীক্ষ্মস্বরে চেঁচিয়ে উঠল, জানতাম… জানতাম এ অ্যালের কুকীর্তি। সেদিন রাতে বজ্জাত ছেলেটাকে দেখেই বুঝেছিলাম পেটে কোনও বদমতলব আছে।

    বদমতলব তো কারওর মনেই কম নেই ম্যাডাম জেসমিন। মিতিনের গলায় ব্যঙ্গের সুর, আপনিও যে শেষরাতে গাড়িবারান্দার ছাদ দিয়ে আঙ্কলের ঘরে এসে একই কুকর্মটি করলেন, তার পিছনে কি কোনও ভাল মতলব ছিল?

    মিথ্যে কথা। আমি সকালের আগে আর ওই রুমে যাইনি।

    সাক্ষী কিন্তু আছে। নির্মলা কিন্তু দেখেছে আপনাকে।

    হতেই পারে না। নির্মলা তখন ঘুমোচ্ছিল। বলেই চমকে উঠেছে জেসমিন। চোখ ঘুরিয়ে সবাইকে দেখল একবার। তারপর মুখ ঢেকেছে দু হাতে। মাথা নাড়তে-নাড়তে বলল, বিশ্বাস করুন, সিন্দুক আমি খুলেছিলাম। কিন্তু হিরে তখন ওখানে ছিল না।

    আপনাকে বিশ্বাস করা খুব শক্ত জেসমিন। তবে আপনার এই কথাটুকু অন্তত সত্যি। মিতিনের চোখে একটা হাসি খেলা করছে, আপনি যখন সিন্দুক খোলেন, হিরে তখন ভেলভেট বক্সে সত্যিই ছিল না। শুধু তাই নয়, অ্যালবার্ট, হ্যারি, নির্মলা, কুরিয়েন, যে যখনই খুলেছে… সকলের ভাগ্যেই ওই শূন্য বাক্সটি জুটেছে।

    কী কাণ্ড, হিরে তা হলে গেল কোথায়? পিটার ডিসুজা আজ কানে শ্রবণযন্ত্র লাগিয়ে এসেছেন, প্রতিটি শব্দই শুনছেন মন দিয়ে। গমগমে গলায় বললেন, হিরে কি তা হলে ভ্যানিশ হয়ে গেল?

    মোটেই না। হিরে হিরের জায়গাতেই আছে। মিস্টার আরাকিয়েল তাকে যথেষ্ট নিরাপদে রেখে গিয়েছেন। আই মিন, রেখে দিয়েছিলেন। ঘরের চোর-ডাকাত, বাইরের চোর-ডাকাত, কেউই যাতে হিরেটা লোপাট করতে না পারে। সিন্দুক ভাঙলেও নয়।

    কোথায় রেখেছিলেন উনি? অনেকক্ষণ পর ইসাবেলের ক্ষীণ স্বর শোনা গেল, এই বাড়িতেই কি…?

    হ্যাঁ আন্টি। হিরে আপনাদের বেডরুমেই আছে। মিতিন উঠে দাঁড়াল, আসুন, দেখাই।

    হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালার মতো ও ঘরে চলেছে মিতিন। পিছনে মন্ত্ৰমুগ্ধ ইঁদুরের মত দঙ্গলটা। ঢুকেই মিতিন সোজা অ্যাকোয়ারিয়ামের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। ঝুঁকে জলে দেখছে কী যেন। মাথা নাড়ল দুদিকে। ঘুরেঘুরে এপাশ-পাশ থেকে ভাল করে দেখল মৎস্যাধারটিকে। কপালে টকটক আঙুল ঠুকছে। হঠাৎই টেবিলটা টেনে অ্যাকোয়ারিয়ামটাকে ঘুরিয়ে নিল পুরোপুরি। তারপর অ্যাকোয়ারিয়ামের তলায় হাত রেখে জোর হ্যাঁচকা টান।

    অবাক কাণ্ড! পাতলা একটা চোরকুঠুরি বেরিয়ে এসেছে অ্যাকোয়ারিয়ামের নীচ থেকে। অনেকটা দেরাজের মতো।

    দু ডজন চোখ একসঙ্গে আছড়ে পড়ল দেরাজে। মধ্যিখানে, গোল খোপে ওটা কী? হিরে না?

    হ্যাঁ, হিরেই। বালি আর নুড়িতে অ্যাকোয়ারিয়ামের তলদেশ ঢাকা বলে দেরাজটার অস্তিত্ব বোঝার কোনও উপায়ই নেই। বালি সরিয়ে ফেললেও হিরে দেখা যাবে না, টিনের পাতের নীচে রয়েই যাবে চক্ষুর অগোচরে।

    টুপুর বিমোহিত। কী অনুপম শোভা, আহা! হালকা সবুজ দ্যুতি ঠিকরে-ঠিকরে বেরোচ্ছে গা দিয়ে। সাধে কী দু কোটি টাকা দাম।

    মহামূল্যবান রত্নটি খোপ থেকে তুলে ইসাবেলের হাতে দিল মিতিন। বলল, খুশি তো আন্টি?

    ইসাবেলের চোখে জল। গদগদ গলায় বললেন, আমার আনন্দ আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না বাছা। আরাকিয়েল বংশের গৌরব তুমি আজ ফিরিয়ে দিলে। ঠিক বলছি না হ্যারি?

    হ্যারিকে তেমন একটা আহ্লাদিত মনে হল না। আড়চোখে জেসমিনকে দেখে নিয়ে বলল, হিরে পাওয়া গিয়েছে… আমাকে বদনামের ভাগী হতে হল না… এটাই তো যথেষ্ট। তবে আরাকিয়েল বংশে এই হিরের মেয়াদ আর কদ্দিন? বড়জোর বিশ-পঁচিশ বছর। মানে যদ্দিন আপনি আছেন। তারপরই তো ভারদোনদের হাতে…। সেখান থেকে আবার হয়তো অন্য কোনও বংশে…।

    না হ্যারি, না। ইসাবেল জোরে-জোরে মাথা নাড়লেন, আমি ঠিকই করে রেখেছি, হিরে আমি তোমাকে দিয়ে যাব। অবশ্য একটা শর্তে। কোনও কারণেই তোমরা এই হিরে বেচতে পারবে না।

    সুজান জড়িয়ে ধরল ইসাবেলকে, থ্যাঙ্ক ইউ আন্টি। এই হিরে আমার ছেলে বা তার ছেলেও যাতে বেচতে না পারে, আমরা সেটা নিশ্চিত করে যাব।

    একটা খুশি-খুশি বাতাবরণ তৈরি হয়েছে ঘরে। অপরাধের ভার লাঘব হতে সকলেই যেন বেশ পুলকিত। হঠাৎই অ্যালবার্ট প্রশ্ন করে বসল, একটা কথা জিজ্ঞেস করব ম্যাডাম?

    মিতিন ঘাড় বেঁকিয়ে তাকল, ইয়েস?

    হিরে অ্যাকোয়ারিয়ামেই আছে, আপনি বুঝলেন কী করে?

    ওটা তো বলা যাবে না ভাই। ট্রেড সিক্রেট। মিতিন মুচকি হাসল, ধরে নিন, আমি ম্যাজিক জানি।

    অ্যালবার্ট কাঁধ ঝাঁকাল। পিটার হা হা হাসছেন। উচ্ছাসে ডগমগ ইসাবেল তো আগামী রোববার একটা ভোজই ঘোষণা করে ফেললেন। পার্টিতে বিশেষ অতিথি মিতিন, টুপুর আর পার্থ। বুমবুমকেও আনতে বললেন সঙ্গে। নেমন্তন্ন পেয়েই পাৰ্থ গোঁফে তা দিতে শুরু করেছে।

    বিকেল গড়াচ্ছে সন্ধের দিকে। ইসাবেলের বাড়ি ফাঁকা হচ্ছিল ক্ৰমশ। হ্যারি আর সুজান গেলেন সবার শেষে। ইসাবেল এবার কাজের কথায় এলেন। মিতিনকে বললেন, জানি, তোমার ঋণ কখনও শোধ করতে পারব না। সম্মানদক্ষিণা হিসেবে যদি তোমায় এক লাখ টাকা দিই…?

    মিতিন গম্ভীর মুখে বলল, আপত্তি নেই।

    আর যদি দু লাখ দিই?

    এ যে মেঘ না চাইতেই জল! টুপুর প্রায় লাফিয়ে উঠতে যাচ্ছিল, তার আগেই মিতিন বলল, একটু বেশি হয়ে যাবে না কী? এক লাখই তো ঠিক আছে।

    না। দু লাখই ঠিক। জেসমিনকে দিয়ে চেক-বই আনালেন ইসাবেল। কাঁপা-কাঁপা হাতে লিখে চেকটা বাড়িয়ে দিলেন মিতিনকে। ভেজা-ভেজা গলায় বললেন, তুমি জানো না, আমার কী উপকার করেছ। আমি যেন জীবনটাই ফিরে পেলাম। দ্যাখো না, এবার কেমন চটপট সুস্থ হয়ে উঠি।

    ব্যাগে চেক রাখতে-রাখতে মিতিন একবার দেখল জেসমিনকে। একটু যেন উদাস জেসমিন। নখ দিয়ে নখ খুঁটছে। দৃষ্টি ফিরিয়ে নীরস গলায় মিতিন বলল, আপনার সুস্থ হওয়াটা কিন্তু হিরে ফেরত পাওয়ার উপর নির্ভর করছে না আন্টি।

    কেন নয়? এখনই তো শরীরে অনেক জোর পাচ্ছি।

    আবার দুর্বল হয়ে পড়বেন। সর্বাঙ্গ থরথর করে কাঁপবে। বিছানা ছেড়ে আর উঠতেই পারবেন না। দৃষ্টিশক্তিও ক্ৰমে চলে যাবে। ঘা ফুটে-ফুটে বেরোবে গায়ে। কাশবেন, রক্তবমি হবে।

    কী বলছ তুমি এসব?

    একটুও বাড়িয়ে বলছি না। আপনি জেসমিনকে জিজ্ঞেস করুন।

    জেসমিন যেন ইলেকট্রিক শক খেল সহসা। চমকে তাকিয়েছে। আমতা-আমতা করে বলল, আ-আ আমি কী করে জানব?

    আপনিই তো জানবেন। মিতিনের গলা আচমকাই বরফের মতো ঠান্ডা, যে পিসি আপনাকে মায়ের স্নেহে বড় করে তুলেছেন, আপনি তাঁকে মেরে ফেলার প্ল্যান করেছেন…।

    কী বলছেন আপনি? জেসমিন চিৎকার করে উঠল, আপনার মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি?

    মাথা খারাপ হয়েছে তো আপনার। টাকার লোভে। সম্পত্তির লোভে। পিসিকে দিয়ে তড়িঘড়ি উইলের প্রোবেট নেওয়ালেন। যাতে সমস্ত সম্পত্তি পিসির নামে আসে। তারপর শুরু হল আপনার খেল। পিসি কোনও উইল করার আগে তাঁকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করলেন মনে-মনে। আপনি জানতেন, পিসি আপনাকে পুরো সম্পত্তিটা দেবেন না। কিন্তু উইল না করে মারা গেলে আরাকিয়েলদের সব কিছুই আইনত আপনার হাতে চলে আসবে। তবে একটাই কাঁচা কাজ করে ফেলেছেন। হিরের লোভ ছাড়তে না পেরে আমার কাছে আসাটাই আপনার কাল হল। অবশ্য তার পিছনেও আপনার একটা নিজস্ব হিসেব ছিল। হিরে না পাওয়া গেলে রটিয়ে দিতেন, হিরের শোকেই পিসি মারা গিয়েছেন। আর মিললে হিরে হবে আপনার উপরি লাভ। মিতিনের স্বরে বিদ্রূপ ঝরে পড়ল, এখন যে আপনার দুকূলই গেল জেসমিন। হিরে যাবে হ্যারির ঘরে। আর সম্পত্তি-টম্পত্তির আশা শিকেয় তুলে আপনাকে যেতে হবে শ্ৰীঘরে।

    জেসমিনের ফরসা সুন্দর মুখখানা বদলে গিয়েছে আমূল। রাগে গনগন করছে সে। তৰ্জনী উচিয়ে বিকৃত স্বরে বলল, এবার আপনি কাটুন তো। প্রলাপ শোনার আমাদের সময় নেই।

    টুপুরকে হতবাক করে মিতিন ব্যাগ থেকে আধপোড়া লাল বাটি-মোমবাতিখানা বের করেছে। জেসমিনকে দেখিয়ে বলল, এই ক্যান্ডেলটা কিন্তু প্রলাপ নয়। এটা আমি পুলিশের জিন্মায় তুলে দিচ্ছি।

    জোঁকের মুখে যেন নুন পড়ল। পলকে জেসমিনের মুখ শুকিয়ে আমসি। ঢোক গিলে বলল, কেন, পুলিশ কী করবে?

    আর-একবার কেমিক্যাল টেস্ট করবে। যেমন আমি করিয়েছি। প্যারাফিনের সঙ্গে কতটা পারদ মিশিয়েছেন, পুলিশও একবার দেখুক।

    ইসাবেল ধন্দ মাখা মুখে বললেন, মোমবাতিতে মার্কারি? কেন?

    ওটা স্লো-পয়জনিংয়ের একটা টেকনিক। যে-যে উপসর্গগুলোর কথা বললাম, আস্তে আস্তে সবকটাই দেখা দেবে। তারপর এক বছরের মধ্যে ভিক্টিম পরপারে। মৃত্যুটা যে মার্কারির বিষেই ঘটল, কেউ আন্দাজও করতে পারবে না। ধ্যানের সময় স্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে বিষ ঢুকছে… কী দুর্ধর্ষ আইডিয়া।

    ইসাবেল স্তম্ভিত মুখে বসে। নির্মলা দরজায় দাঁড়িয়ে শুনছিল, তারও চোখ ক্ৰমশ বিস্ফারিত। ঘাড় ঝুলিয়ে ফেলেছে জেসমিন। আর টুঁ শব্দটি নেই।

    মিতিন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, এবার আপনিই ঠিক করুন আন্টি, আপনার ভাইঝিকে কী শাস্তি দেবেন? পুলিশ? বাড়ি থেকে বিতাড়ন? নাকি এবারকার মতো ক্ষমা?

    জানি না। কিচ্ছু জানি না। ইসাবেল ভেঙে পড়েছেন কান্নায়।

    .

    ট্যাক্সিতে বসে উশখুশ করছিল টুপুর। একরাশ প্রশ্ন ভিড় করেছে মাথায়, কোনটা ছেড়ে কোনটা করবে, ভেবে পাচ্ছে না।

    মিতিন বুঝি পড়ে ফেলেছে টুপুরকে। মাথায় একটা আলগা চাটি মেরে বলল, ভোম্বল হয়ে গেলি কেন? এখনও নিশ্চয়ই ভেবে মরছিস অ্যাকোয়ারিয়ামটা কী করে আমার মগজে এল?

    হ্যাঁ। টুপুর ঢকঢক ঘাড় নাড়ল, কী করে যে ধরলে?

    বেশ ডিফিকাল্ট ছিল। চিন্তা করতে করতে কাল রাতে আমার ঘুম যায় আরকী! জব্বর একখানা শব্দজব্দ দিয়েছিলেন বটে মিস্টার আরাকিয়েল!

    কোনটা শব্দজব্দ? কাল ডায়েরিতে যেটা দেখালে? গোল্ড তেরো হাজার পাঁচশো আটাত্তর?

    ভুলভাবে বললি। গোল্ড ওয়ান থ্রি ফাইভ সেভেন এইট।

    মানে?

    গোল্ডের লাতিন নাম জানিস?

    সামনের সিট থেকে পার্থ বলল, আমি জানি। অরাম।

    কারেক্ট। এ ইউ আর ইউ এম। …এবার এমন একটা শব্দ তৈরি কর, যার প্রথম তৃতীয় পঞ্চম সপ্তম অষ্টম লেটার পাশাপাশি সাজালে অরাম হয়। ডিকশনারি ঘেঁটে দেখিস, একটাই ওয়ার্ড পাৰি। অ্যাকোয়ারিয়াম।

    বেড়ে বার করেছ তো! লুকিয়ে-লুকিয়ে ক্রসওয়ার্ড সলভ করো নাকি?

    পাৰ্থর তারিফে মিতিন ফিক করে হাসল, আজ্ঞে না, স্যার। ব্রেনটাকে জাস্ট একটু খেলালেই ধরে ফেলা যায়।

    টুপুর মাথা নাড়ল, বুঝলাম। কিন্তু হিরে যে আদৌ সিন্দুকে ছিল না, এটা তুমি টের পেলে কীভাবে?

    মিস্টার কুরিয়েনের সৌজন্যে। ভদ্রলোক যদি ফোনে কনফেস না করতেন, সিন্দুক উনি খুলেছিলেন… আর খুলে হিরে দেখেননি… তা হলে আমাকে আরও খানিক হাতড়াতে হত। সেই রাত্রের ক্রোনোলজি বলে, সিন্দুক খোলার প্রথম সুযোগটা পান কুরিয়েনই। ব্যস, এতেই তো দুয়ে-দুয়ে চার।

    আর মোমে পারদ মেশানোটা? পার্থ প্রশ্ন ছুড়ল, ওরকম একটা প্যাঁচোয়া প্ল্যান তুমি আন্দাজ করলে কী করে?

    ভেরি সিম্পল। …টুপুর, মনে পড়ছে জেসমিনের কারখানার পিছনে থার্মোমিটারের বাক্স পড়ে ছিল?

    হ্যাঁ তো।

    মার্কেট থেকে সরাসরি পারদ কিনত না জেসমিন, পাছে কেউ সন্দেহ করে। তার বদলে গুচ্ছ গুচ্ছ থার্মোমিটার থেকে মারকারি বের করে প্যারাফিনে মিশিয়ে দিত।

    কী শয়তানি বুদ্ধি, বাব্বাহ! টুপুর চোখ ঘোরাল, তুমি যে কোন আক্কেলে জেসমিনকে ক্ষমা করে দিতে বললে। জেলখানাই ওর যোগ্য জায়গা।

    না রে, জেসমিন তো জাত ক্রিমিনাল নয়। লোভের তাড়নায় দুর্বুদ্ধি চেপেছিল মাথায়। দুর্বুদ্ধি ঠেলেছে পাপের পথে। অনুশোচনা এলে নিশ্চয়ই শুধরে যাবে।

    অনুশোচনা আসবে মনে হয়?

    আশা করতে দোষ কী! মানুষই ভুল করে, মানুষই ভুল শুধরোয়। তা ছাড়া, যা ভয় দেখানো হয়েছে, হাসমিক ভারদোন এখন খুব চাপে থাকবে। একটাই শুধু ক্ষতি হল। ইসাবেল আন্টির বিশ্বাসটাই ভেঙে গেল। আর কখনও কি জেসমিনের উপর ভরসা করতে পারবেন?

    কথাটা টুং করে বাজল টুপুরের বুকে। মনোমোহিনী হিরে ছাপিয়ে ইসাবেল আরাকিয়েলের অসহায় মুখখানা ভেসে উঠেছে চোখে। আহা রে, আপনজনরাও যে কেন মানুষকে এত দুঃখ দেয়। বোঝে না, ভালবাসা হিরের চেয়ে অনেক অনেক বেশি দামি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআয়নামহল – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }