Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প702 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩-৪. বাড়ির পিছনভাগ

    বাড়ির পিছনভাগে চওড়া বারান্দা। সামনের মতোই। সেখান থেকে পাঁচ ধাপ সিঁড়ি নেমেছে। নীচে প্রশস্ত চাতাল। বাঁধানো চাতালের ডান হাতে ঠাকুরঘর। ছোটখাটো একটা মন্দিরও বলা যায়। আবার যেন মন্দির নয়ও। রং গেরুয়া, মাথায় সুন্দর চূড়া, তবু কেমন যেন বিদেশি ছাঁদ। উলটো দিকে খানতিনেক তালাবন্ধ ঘর। সম্ভবত কাজের লোকরা থাকত একসময়। চাতাল শেষে ফের সিঁড়ি, মাটি পর্যন্ত। খানিক গিয়ে গঙ্গায় যাওয়ার বাহারি গেট। ফটকের ওপারে লম্বা রোয়াক বানানো আছে, লোকজনের বসার জন্যে। পশ্চিমে কুলকুল বয়ে চলেছে গঙ্গা, গুমমাট শ্রাবণেও আজ ফুরফুরে বাতাস ধেয়ে আসছে নদী থেকে, দিব্যি এক আমেজ ছড়িয়ে দিচ্ছে বিকেল।

    গেটের খানিক আগে বায়ে ঘুরলেন মীনধ্বজ। হাঁটতে হাঁটতে পাঁচিলের প্রায় কোনায় এসে থামলেন। জমির এক জায়গায় আঙুল দেখিয়ে বললেন, এই সেই অকুস্থল।

    একনজরে সেভাবে কিছুই বোঝার উপায় নেই। খোঁড়া জায়গাটা এখন একেবারেই সমতল। একটাই যা তফাত, আশপাশে প্রচুর ঘাস-আগাছার মাঝে ওই ফালি জমিটুকু একদম ন্যাড়া।

    মিতিন উবু হয়ে মাটিটা টিপে-টিপে দেখল। উঠে দাঁড়িয়ে বলল, এ যে দেখি রীতিমতো পিটিয়ে-পিটিয়ে প্লেন করা হয়েছে!

    হ্যাঁ, সন্দীপনই লোক লাগিয়ে দুরমুশ করিয়েছে। খোঁড়া মাটি চালান করে দিয়েছে ভিতরে।

    কেন?

    যাতে জায়গাটাকে আর আলাদা করে আইডেন্টিফাই না করা যায়।

    অর্থাৎ, আগে জায়গাটার কিছু বিশেষত্ব ছিল?

    তা একটু ছিল বইকী। একটা পাথরের স্ল্যাব গাঁথা ছিল ওখানে। সেই ছেলেবেলা থেকেই দেখে আসছি। ওই পাথরের তলায় গুপ্তধন থাকতে পারে, এমন আজগুবি চিন্তা ভুলেও কখনও মাথায় আসেনি। তবে এখন গুপ্তধনের গুজব যদি রটে, আর বাইরের লোক জমিতে আলটপকা একটা পাথর গাঁথা দেখতে পায়, তা হলে তাদের মনে তো সন্দেহ জাগতেই পারে। নয় কি?

    মানে পাথরচাপা গুপ্তধন! তা প্রস্তরখণ্ডটি গেলেন কোথায়?

    চোররা তো ওটা উপড়েই ফেলেছিল। এখন ওই পাঁচিলের ধারে পড়ে আছে।

    গিয়ে দেখি একটু?

    শিওর।

    ত্বরিত পায়ে পাথরটার কাছে গেল মিতিন। আয়তাকার খণ্ডটিকে চাগাড় দিয়ে দাঁড় করানোর চেষ্টা করল। প্ৰচণ্ড ভারী, একা পেরে উঠল না, পার্থও হাত লাগাল। কোনওক্রমে খাড়া করার পর দু পিঠে হাত বুলিয়ে দেখল কী যেন। ফের স্বস্থানে শুইয়ে দিয়ে বলল, প্রথম কাজ শেষ। এখন আপনার বাড়িটা একটু ঘুরেঘুরে দেখি চলুন।

    কাঠের সিঁড়ি বেয়ে এবার দোতলায় ওঠার পালা। ঘরের কোনও অন্ত নেই। গোটা তিন-চার খোলা, বাকিগুলোয় তালা ঝুলছে। দরজা-জানলাগুলো একই প্যাটার্নের। লম্বা-লম্বা, কাঠ আর কাচের পাল্লা বসানো। মাথায় রঙিন কাচের নকশা। কড়িবরগাওয়ালা উঁচুউঁচু সিলিংয়ে অদ্ভুত এক প্ৰাচীন গন্ধ।

    মুগ্ধ চোখে দেখতে দেখতে পার্থ বলল, আপনার পূর্বপুরুষদের টেস্ট ছিল। খাসা বাড়িখানা বানিয়েছিলেন কিন্তু।

    ধুস, আমরা বানাতে যাব কেন? মীনধ্বজ হেসে ফেললেন, বাড়িটা তো ছিল এক পর্তুগিজ ব্যবসায়ীর। নাম ফ্রান্সিস ডি অলমিডা। ব্রিটিশদের সঙ্গে কোনও কারণে তাঁর বিবাদ বেধেছিল, তখনই প্রায় জলের দরে আমার ঠাকুরদার ঠাকুরদা শিখিধ্বজ শাল্মলীবক্ষ বাগচীকে বাড়িটা বেচে দিয়ে তিনি দেশে ফিরে যান। এখন থেকে প্রায় সওয়াশো বছর আগে।

    তখন থেকেই বুঝি আপনারা এখানে?

    না, না। শিখিধ্বজ তো কখনওই থাকেননি। বাগবাজারে আমাদের সাবেকি বসতবাড়ি ছিল, উনি সেখান থেকে অবসরে এখানে বেড়াতে আসতেন। তাঁর ছেলে সিংহধ্বজ অবশ্য পাকাপাকিভাবে বাস করার কথা চিন্তা করেছিলেন। ভেতরে উঠোনে মিনি চ্যাপেল ছিল, চ্যাপেলটাকে তিনিই মন্দিরে পরিণত করেন। আমাদের কুলদেবতা রাধাগোবিন্দর পূজার্চনাও তখন থেকেই শুরু। শেষ পর্যন্ত অবশ্য এখানে বসবাসের সাধ তার পূর্ণ হয়নি। তার আগেই তিনি হৃদরোগে মারা যান। মোটামুটি ঠাকুরদার আমল থেকে আমরা নুরপুরে আছি।

    আপনি কি এ বাড়ির একাই মালিক এখন?

    হ্যাঁ। আমার কোনও ভাইবোন নেই।

    তা পূর্বপুরুষদের সম্পত্তি..শরিকি ভাগাভাগি…?

    সেই দায় থেকেও আমি মুক্ত। শিখিধ্বজ উইল করে বাড়িটা সিংহধ্বজকে দিয়ে গিয়েছিলেন। সিংহধ্বজের ছিল এক ছেলে, দু মেয়ে। ঠাকুরদার সেই দুই বোন স্বেচ্ছায় এই সম্পত্তির ভাগ ছেড়ে দেন। আবার আমার ঠাকুরদার দু ছেলে। আমার কাকা পীতধ্বজ পৰ্বতবক্ষ বাগচী এই বাড়ির অংশের বিনিময়ে বাগবাজারের বাড়িখানা পেয়ে যান। সুতরাং তালেগোলে এ বাড়ির আর কোনও ভাগীদার থাকল না।

    গল্প শুনতে-শুনতে গোটা দোতলাটাই চক্কর মারা হয়ে গেল। শেষে স্টাডিতে এনে টুপুরদের বসালেন মীনধ্বজ। চরম অগোছাল ঘর। দেওয়াল-আলমারি, র‍্যাক, টেবিল, ইজিচেয়ারের হাতল, মেঝে, সর্বত্র শুধু বই আর বই। একটি টেবিলে কোনওক্রমে স্থান পেয়েছে কম্পিউটার, টিভিকে বসানো হয়েছে বেঁটে টুলে।

    চটপট চেয়ারে স্তূপীকৃত বইগুলো মেঝেয় নামিয়ে দিলেন মীনধ্বজ। অপ্রস্তুত মুখে বললেন, এর মধ্যেই কষ্ট করে বসতে হবে কিন্তু!

    মিতিন বসল না। দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে বলল, নেক্সট স্টেপটায় এগনোর আগে একটা-দুটো চিন্তা আমার মাথায় ঘুরছে। কিছু ডেলিকেট প্রশ্ন করছি, আশা করি জবাব দিতে আপনার অসুবিধে নেই?

    বলুন কী প্রশ্ন?

    যেমন ধরুন, গুপ্তধন থাকার মতো আপনাদের সঙ্গতি ছিল কি না। সেকেন্ডলি, ধনসম্পদ লুকিয়ে রাখার কোনও জোরালো কারণ কখনও ঘটেছিল কি?

    পার্থ ফস করে বলল, শুধু ওঁদের কথাই ধরছ কেন? সেই পর্তুগিজ ব্যবসায়ী ফ্রান্সিস ডি অলমিডা, তারও তো কোনও লুকনো সম্পদ থাকতে পারে?

    তিনি এই বাড়িতে ধনসম্পত্তি পুঁতে রেখে দেশে চলে গেলেন? ভদ্রলোক কি উন্মাদ ছিলেন?

    তা অবশ্য ঠিক। পার্থ মাথা চুলকোল, যদি কিছু থাকেও, সেটা মীনধ্বজবাবুরই পূর্বপুরুষ…!

    মীনধ্বজ একটু সময় নিয়ে বললেন, দেখুন ম্যাডাম, আমি চিরকাল পড়াশোনা নিয়েই থেকেছি। তার ওপর বহুকাল বিদেশে। তাই পূর্বপুরুষদের কাহিনি আমার খুব একটা জানা নেই। তবে যতদূর যা শুনেছি, রাজশাহিতে… মানে এখন যেটা বাংলাদেশে… আমাদের নাকি জমিদারি ছিল। প্রজাদের খাজনার টাকাতেই আমার পূর্বপুরুষরা বসে-বসে খেতেন। গানবাজনার চর্চা করতেন, পায়রা ওড়াতেন, বিড়ালের বিয়ে দিতেন…। ফুর্তির দাপটে সেই জমিদারি একসময় নাকি ক্রোক হয়ে যায়। তবে ততদিনে আমার গুণধর পূর্বপুরুষরা বেশ কয়েকটা বাড়ি তৈরি করে ফেলেছেন উত্তর কলকাতায়। ঠাকুরদাকে… পরে আমার বাবাকেও দেখেছি, ওইসব বাড়ির ভাড়ার টাকাতেই তাঁরা দিব্যি সংসার চালাতেন। অভাব অনটন হয়নি, সচ্ছলই ছিলাম, তবে সাংঘাতিক রইস অবস্থা আমাদের আর ছিল না। এমনকী, আমাকে বিদেশে পাঠানোর জন্যে মাকে গয়না পর্যন্ত বেচতে হয়েছিল। এমন একটি পরিবারে গুপ্তধন থাকার সম্ভাবনা কতটা তা আপনিই বিচার করুন। তবে হ্যাঁ, শিখিধ্বজের সময়ে তো যথেষ্ট রমরমা ছিল, তিনি যদি এখানে কিছু পুঁতেটুতে রেখে থাকেন…!

    তা কী করে সম্ভব? তিনি তো এখানে থাকতেনই না! ফাঁকা বাড়িতে কি…?

    হ্যাঁ। সেটাও একটা ভাবার বিষয় বটে।

    মীনধ্বজ চুপ করে গেলেন। পার্থও আর রা কাড়ছে না। মিতিনও ভাবছে কী যেন।

    খানিক পরে মিতিন বলল, এবার একটা-দুটো ব্যক্তিগত প্রশ্ন। আপনি তো দীর্ঘকাল বিদেশে ছিলেন?

    হ্যাঁ। প্রায় চল্লিশ বছর।

    আগাগোড়াই কানাডায়?

    নাঃ। প্ৰথমে বছরদশেক বস্টন। বাকি সময়টা ওদেশে। টরন্টোর কাছে ওয়াটারলু বলে একটা ছোট শহর আছে, ওখানেই ইউনিভার্সিটিতে পড়াতাম। অঙ্ক। পিওর ম্যাথমেটিক্স।

    হঠাৎ চলে এলেন কেন?

    আমার স্ত্রী বছর আষ্টেক আগে ক্যানসারে মারা গিয়েছেন। তিনি ছিলেন আমেরিকান। আমার ছেলেমেয়ে দুজনেই ওখানে সেটলড। একজন অটোয়া, অন্যজন ভ্যাংকুভারে থাকে। একা-একা ওয়াটারলুতে মন্দ ছিলাম না, তবে বছর চার-পাঁচ ধরে মনে হচ্ছিল, একাই যদি থাকি, কেন নুরপুরে নয়? মরতে হলে দেশের মাটিতে মৃত্যুই তো ভাল। তাও ফাইনাল ডিসিশান নিতে খানিকটা দেরি হয়ে গেল।

    আপনি যে পার্মানেন্টলি চলে আসছেন, তা কি এখানে কাউকে জানিয়েছিলেন?

    তেমন কেউ তো নেই। বাবা বছর কুড়ি আগে গত হয়েছেন, মা গিয়েছেন সাত বছর। তবে সন্দীপনকে ইন্টিমেট করেছিলাম আসার মাসছয়েক আগে।

    সন্দীপনবাবু কতদিন এ বাড়ির দেখাশোনা করছেন?

    বছরতিনেক। তার আগে তো সন্দীপনের বাবাই…

    তিনি কি মারা গিয়েছেন?

    না না, আছেন। তবে বয়স হয়েছে তো, আর পেরে উঠছিলেন না। আমাকে জিজ্ঞেস করেই উনি সন্দীপনের হাতে বাড়ি ছেড়েছেন।

    এটা কি সন্দীপনবাবুর হোলটাইম জব?

    ওর বাবা পর্যন্ত তাই ছিল। তবে সন্দীপনকে আমি ছাড় দিয়েছি। ক টাকাই বা মাইনে, মাত্র আট হাজার। আজকালকার দিনে তাতে কি চলে? সন্দীপন একটা টিউটোরিয়াল হোম খুলেছে। আরও দুজন বন্ধু মিলে। দুটো রোজগারে ওর মোটামুটি কুলিয়ে যায় বলেই মনে হয়।

    সন্দীপন বিয়ে-থা করেছেন?

    উঁহু। এখনও ঝাড়া হাত-পা।

    ও কে। আপাতত এইটুকুই যথেষ্ট। মিতিন ঘড়ি দেখল, এবার কি আমি এ বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে পারি?

    সন্দীপনকে ডাকি তা হলে?

    তিনি আসুন না ধীরেসুস্থে। তার আগে একবার করুণাকে মিট করি। আপনি বরং ততক্ষণ আমার হাজব্যান্ডের সঙ্গে…।

    করুণাকে কী জিজ্ঞেস করবেন? ও কী-ই বা জানে?

    অনেক সময় বিন্দুতেও সিন্ধুদৰ্শন হয় মিস্টার বাগচী।

    বেশ, বলুন কথা। শুধু একটাই রিকোয়েস্ট, ভূতটুতের প্রসঙ্গ তুলবেন না। মেয়েটির হাতের রান্না ভারী চমৎকার। ভয় পেয়ে কাজ ছেড়ে পালালে আমার সমূহ বিপদ।

    কী সরল অনুনয়! টুপুর ফিক করে হেসে ফেলল।

    .

    ০৪.

    রান্নাঘরটি যথারীতি বড়সড়। ছিমছাম, সাজানো-গোছানো। গ্যাস, চিমনি, ফ্রিজ, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, টোস্টার, মিক্সার-গ্রাইন্ডার…! আধুনিক রন্ধনশালার সমস্ত উপকরণই মজুত। দেওয়ালে কাঠের খোপটোপ বসিয়ে দিব্যি বাহার আনা হয়েছে ঘরখানায়।

    মিশকালো গ্রানাইট পাথরের স্ল্যাবের সামনে দাঁড়িয়ে আটা মাখছিল করুণা। হাত চালাতে চালাতে গান গাইছে গুনগুন। মিতিন-টুপুরের আকস্মিক আবির্ভাবে চমকাল জোর।

    কাছে গিয়ে অবলীলায় করুণার কাঁধে হাত রাখল মিতিন, তোমার সঙ্গে একটু আলাপ করতে এলাম ভাই!

    মিতিনমাসির এই কায়দাটা ভালই কাজ দেয়, দেখেছে টুপুর। ঘনিষ্ঠ ব্যবহারে আপ্লুত হয়ে অনেক সময়ই মনের-প্রাণের কথা বলে ফেলে কাজের লোকজন।

    করুণা অবশ্য সহজ হয়নি। অঙ্কুটে বলল, আমার সঙ্গে কী কথা দিদি?

    বা রে, এক জায়গায় বেড়াতে এলাম… বাড়ির সবার সঙ্গে চেনাজানা করব না? এবার থেকে হয়তো মাঝেমাঝেই আসব।

    কেন?

    এমনিই। জায়গাটা ভারী সুন্দর তো!

    আমি জানি আপনারা কেন এসেছেন। শ্যামলা রং ছোট্টখাট্টো চেহারার বউটার ঠোঁটে পলকা হাসি উঁকি দিয়েই মিলিয়ে গেল, গুপ্তধনের খোঁজ করতে, তাই না?

    টুপুর অবাক। আড়ি পেতে শুনেছে নাকি?

    মিতিন অবশ্য তেমন বিস্মিত নয়। স্বাভাবিক গলাতেই বলল, মীনধ্বজবাবু বলেছেন বুঝি?

    না না, সাহেব আমার সঙ্গে ওসব নিয়ে আলোচনা করেন না। আমি আন্দাজেই…।

    ও। মিতিন আর ঘাঁটাঘাঁটিতে গেল না। নরমভাবেই বলল, যাক গে যাক, যা কানে গিয়েছে তা কানেই রাখে। পাঁচকান কোরো না, হ্যাঁ?

    করুণা ঢক করে ঘাড় নাড়ল।

    দু-এক সেকেন্ড নীরব থেকে মিতিন ফের বলল, তুমি তো জেনেই ফেলেছ কেন এসেছি। এবার তা হলে তোমায় কয়েকটা প্ৰশ্ন করি?

    ঠিকঠাক জবাব দিয়ো। টুপুর ফুট কাটল, বানিয়ে বললে মাসি কিন্তু ধরে ফেলে।

    বানিয়ে-বানিয়ে কেন বলব? করুণা যেন সামান্য বেঁঝে উঠল, আমি কাজ করি, চলে যাই। আগড়ুম বাগড়ুম বকে আমার কী লাভ?

    বটেই তো বটেই তো। মিতিন করুণার পিঠে আলতো চাপড় দিল, তুমি থাকো কোথায় গো?

    এই তো, বাসস্ট্যান্ড পেরিয়ে বাঁয়ে একটা রাস্তা ঢুকেছে… হেঁটে গেলে মিনিটকুড়ি লাগে।

    শুধু কি এই বাড়িরই কাজ করো?

    হ্যাঁ দিদি, গোটা দিনটা তো এখানেই কাটে। সেই সকাল আটটায় ঢুকি, সন্ধের আগে ছুটি মেলে না। ঢাউস বাড়ির দোতলা, একতলা ঝাড়পোঁছ, বাসনমাজা, কাচাকুচি, রান্নাবান্না, সাহেবকে খেতে দেওয়া… কম কাজ?

    একা হাতে সব করো?

    সন্দীপনদাদা ঘর পোঁছাপুছির জন্য আলাদা লোক রাখতে চেয়েছিলেন, সাহেব রাজি হননি। বাড়িতে গণ্ডায়গায় লোক ঘুরে বেড়ালে সাহেবের অস্বস্তি হয়।

    তা হলে মাইনেও নিশ্চয়ই ভালই পাও?

    তিন হাজার দেন।

    কবে কাজে লেগেছ?

    সাহেব আসার পর থেকেই। এই তো… চারমাস চলছে। যখন এলাম, তখন তো সাহেবের অর্ধেক বাক্সপেটরা খোলাই হয়নি। তারপরেও আবার একপ্রস্থ জিনিসপত্র এল। অবিশ্যি সবেতেই শুধু বই আর বই। আমি আর সন্দীপনদাদা যে কতদিন ধরে খালি বই গোছগাছ করেছি! করুণা ঠোঁট ওলটাল, অত বই পড়ে মানুষের যে কী হয় কে জানে?

    বোধ হয় তোমার সাহেবের মতো খ্যাপাটে বনে যায়!

    কথাটা মনে ধরল করুণার, মুখ টিপে-টিপে হাসল। তার হাসির মাঝেই মিতিন আচমকা জিজ্ঞেস করল, তা এ বাড়ির গুপ্তধনের ব্যাপারে তুমি কী জানো?

    করুণা যেন থতমত, আমি কী বলব?

    শোননি, দুটো চোর গুপ্তধন খুঁজতে এসে ধরা পড়েছিল?

    একথা তো নুরপুরের লোকের মুখে-মুখে ফিরছে দিদি। তারা নাকি গেঁওখালি থেকে এসেছিল, পুলিশ নাকি তাদের খুব পিটিয়েছে…।

    গেঁওখালি? টুপুর মিতিনমাসির দিকে তাকাল, সে তো পূর্ব মেদিনীপুরে। সেখান থেকে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় এসে মাটি খুঁড়ছিল?

    গেঁওখালি কী এমন দূর, বোন? আমাদের ঘাট থেকে ফেরি ধরলে জোর দশ-পনেরো মিনিট। সারাক্ষণই তো এপার-ওপার চলছে।

    ঠিকই তো। মিতিন সায় দিল, তুমি আর কিছু শোননি?

    বললাম যে… সবাই আলোচনা করছে…!

    আচ্ছা, গুপ্তধনের কথা কি ইদানীং উঠেছে? নাকি আগেও ছিল?

    গুজব তো একটা ছিলই দিদি। তবে আগে কেউ তেমন মাথা ঘামাত না। গঙ্গার ধারে এমন একটা প্রাসাদ পড়ে থাকলে কত কথাই তো রটে। ছেলে দুটো ধরা পড়তে এখন মাতামাতি শুরু হয়েছে। কদিন যা গেল, বাব্বাঃ! ভিড়ে ভিড়, গেট টপকে এসে সব উঁকিঝুঁকি মারছে… টিভির লোকরাও তো খবর পেয়ে ছুটে এসেছিল। সাহেব তো তখন রেগে কাঁই। ঠাকুরমশাইকে এই মারেন, তো সেই মারেন।

    ঠাকুরমশাই? মানে এ বাড়ির কুলপুরোহিত?

    হ্যাঁ গো দিদি। রোজ দুবার করে আসে, আর খানিক অং বং চং করে চলে যায়।

    গুজবটা বুঝি উনিই ছড়াচ্ছেন?

    ওই অপকম্মো আর কে করবে? সারাক্ষণ গাঁজার নেশায় টং, মুখেও অহরহ আজগুবি বুলি। নুরপুরের কেউ ওর কথা ধরে না। ছেলে দুটো বাইরের ছিল বলেই হয়তো… আর ওরা দুটোতে হানা না দিলে থোড়াই লোকে ঠাকুরমশাইয়ের গপপো নিয়ে মাথা ঘামাত।

    তা হলে কি গুপ্তধনের খবরটা ভুল?

    বললাম তো, আজগুবি। মাটির তলে মাটি, তার তলে ঘড়াঘড়া মোহর… আহা, কী উপাখ্যানই না ফেঁদেছেন। বাড়ির মালিক খোঁজ রাখেন না, অথচ উনি সব জেনে বসে আছেন, হুঁহ!

    তুমি দেখছি ঠাকুরমশাইকে একদমই পছন্দ করো না?

    ওই খিটখিটে বুড়োটাকে দেখলেই গা জ্বলে। নিজে সারাদিন কোথায় পড়ে থাকে তার ঠিকঠিকানা নেই, আমি ঠাকুরদালানে পা রাখলেই চোটপাট! এঁটো কাপড়ে উঠবি না, চৌকাঠ মাড়াবি না, আমাকে ছুঁবি না…!

    বুঝলাম, উনি তোমায় খুবই হেনস্থা করেন? মিতিন ঠোঁট টিপল, আচ্ছা করুণা, তুমি, সন্দীপনবাবু আর ঠাকুরমশাই ছাড়া আর কার-কার যাতায়াত আছে বাড়িতে?

    তেমন তো কাউকে দেখি না। কম্পিউটারের একটা লোক আসে মাঝেমধ্যে, উপরে সাহেবের ঘরে বসে কী সব খুটুরখাটুর করে। আর মাসে এক-দুবার মুনিশ লাগিয়ে সন্দীপনদাদা বাইরের ঝোপঝাড় সাফা করান। এ ছাড়া গ্যাস কিংবা ইলেকট্রিকের লোকটোক…ব্যস।

    এ বাড়িতে কোনও দরোয়ানও তো দেখলাম না?

    শুনেছি সন্দীপনদাদারাই এ বাড়িতে থাকতেন। এখন তো আর…।

    হুম। তা তোমার সাহেব কি সারাক্ষণ বাড়িতেই বন্ধ থাকেন? বেরোনটেরোন না?

    খুব কম। হপ্তায় হয়তো এক-আধদিন… নিজেই গাড়ি চালিয়ে…। তবে সকাল-দুপুর যখনই যান, সন্ধের মধ্যে ফিরবেনই। লেখাপড়া ছেড়ে নড়তেই যেন আলিস্যি। শুধু পড়তে-পড়তে হাঁপ ধরলে ছাদে খানিক হাঁটেন, নয়তো গঙ্গার ধারে গিয়ে বসে থাকেন একা-একা।

    বাঃ, অনেক গল্প করা গেল। মিতিনের মুখ খুশি-খুশি, এবার তোমার বিষয়ে কিছু শুনি? বাড়িতে কে কে আছেন?

    শাশুড়ি, বর, মেয়ে আর ছোট ননদ। মেয়ের সাত পুরে আট চলছে। ইশকুলে পড়ে। ননদের অবশ্য অঘ্রানে বিয়ে।

    কী করেন তোমার বর?

    আগে ভ্যানরিকশা চালাত। মালিকের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল, বসিয়ে দিয়েছে। ইদানীং তেমন কিছু করে না। সন্দীপনদাদা বলেছেন, ব্যাঙ্ক লোনে রিকশা কিনিয়ে দেবেন। সেই আশাতেই দিন গুনছে।

    তোমাদের সন্দীপনদাদা তো খুব ভাল লোক?

    সে আর বলতে! আমাকে কথা দিয়েছেন, ননদের বিয়ের খরচাও জোগাড় করে দেবেন। দয়ার প্রাণ না হলে আজকাল এমনটা কেউ করে? বলে একটু থামল করুণা। চোখ পিটপিট করে মিতিনকে দেখল। গলা নামিয়ে বলল, আমি একটা কথা জিজ্ঞেস করব দিদি?

    কী?

    এত যে প্রশ্ন করছেন…আপনি কি মেয়েপুলিশ?

    কাছাকাছি। মেয়েগোয়েন্দা।

    করুণা কী বুঝল কে জানে, একটুক্ষণ চুপ থেকে বলল, গুপ্তধন আছে কি না জানি না। আমার বর বলে, বড় বাড়ির ব্যাপার, মণিমাণিক্য কোথাও থাকতেও পারে। কিন্তু দিদি, সেটা উদ্ধার কি সোজা কথা? মেয়েরা কি এসব কাজ পারে?

    অ্যাই, তুমি আমার মাসিকে কী ভাবছ বলো তো? টুপুর আর মুখ বুজে থাকতে পারল না। চোখ ঘুরিয়ে বলল, মাসির এলেম সম্পর্কে তোমার ধারণা আছে? কত খুনে-ডাকাত-বদমাশ ধরেছে জানো? এই তো, কিছুদিন আগেই…!

    কেউ তার গুণপনার ব্যাখ্যান শুরু করলে চটপট তাকে থামায় মিতিন। কিন্তু কী আশ্চর্য, এখন চুপচাপ শুনে যাচ্ছে? নাকি শুনতেই পাচ্ছে না? হঠাৎই করুণা-টুপুরকে হতবাক করে তিরবেগে দরজায় ছুটে গেল। এবং সঙ্গে সঙ্গে কাকে যেন কড়া ধমক, আপনার এই অভ্যেসটাও আছে তা হলে?

    বাইরেটায় এসে টুপুর থ। হাড়ডিগডিগে বেঁটেখাটো চেহারার এক বৃদ্ধ কাঁচুমাচু মুখে দাঁড়িয়ে। ধবধবে সাদা চুল, কপালে রক্ততিলক, ড্যাবাড্যাবা দুটো চোখ করমচার মতো লাল। খেঁটো ধুতির প্রান্তখানা খালি গায়ে চাদরের মতো জড়ানো, হলদেটে পৈতে থেকে একথোকা চাবি ঝুলছে।

    ইনিই তবে এ বাড়ির ঠাকুরমশাই?

    মিতিন ফের দাবড়াল, আড়াল থেকে কী শুনছিলেন, অ্যাঁ?

    কিছু না তো। ঠাকুরমশাই ঢোক গিললেন, করুণার কাছে একটু জল চাইতে এসেছিলাম। কথা চলছে বলে ভিতরে ঢুকিনি।

    মিথ্যে বলবেন না। চলুন, চলুন আমার সঙ্গে।

    কোথায়?

    আপনারই জায়গায়। ঠাকুরদালানে।

    এমন কর্তৃত্বের সুরে হুকুম ছুড়ল মিতিন, সুড়সুড় করে হাঁটা শুরু করলেন বৃদ্ধ। করুণার ভারী আল্লাদ হল, হাসল মুখে আঁচল চেপে।

    পিছনের চাতালে এসে থামল মিতিন বেজার মুখে বৃদ্ধও তীক্ষ্ণ চোখে তাকে নিরীক্ষণ করে মিতিন বলল, নেশা করে আছেন মনে হচ্ছে?

    ঠাকুরমশাইয়ের গোমড়া জবাব, বাবার প্রসাদকে নেশা বলে না।

    শিবঠাকুরের ভক্ত হয়ে এখানে রাধাগোবিন্দর সেবা করেন?

    এটা আমাদের বংশের পেশা। আমরা ছিয়াশি বছর ধরে এ বাড়িতে পুজো করছি।

    অ। আপনারাও তিন পুরুষ? সন্দীপনবাবুদের মতো?

    না। আমরা চার। আমার ঠাকুরদার বাবা এই মন্দিরের প্রথম পূজারি। দেখে বুঝতে পারবেন না, এই মন্দির আগে ফিরিঙ্গিদের গির্জা ছিল।

    মন্দিরের কাহিনি শুনেছি। মীনধ্বজবাবু বলেছেন।

    তা হলে নিশ্চয়ই এও জানেন, আমার ঠাকুরদার বাবা ঈশ্বর ভুজঙ্গমোহন চক্রবর্তী গির্জাটিকে শোধন করে মন্দির বানানোর পরামর্শ দেন। তারই উপদেশমতো যিশু আর মা মেরির মূর্তি বাড়ির নীচে যত্ন করে রাখা আছে?

    বাড়ির নীচে মানে?

    তলায়। গৰ্ভগৃহে। ঠাকুরমশাইয়ের চোখ তেরচা হল, কেন, মীনধ্বজ বলেনি বাড়ির নীচে ঘর আছে? অন্তত তিন-চারখানা?

    টুপুর আর মিতিন চোখ চাওয়াচাওয়ি করল। অমনি তাল বুঝে বৃদ্ধ তরতরিয়ে মন্দিরের সিঁড়ি ধরছিলেন, মিতিন হাঁ হাঁ করে উঠল, আরে আরে, চললেন কোথায়? কথা যে শেষ হয়নি?

    কিন্তু আমার যে আরতির সময় হয়ে গিয়েছে?

    আহা, একদিন দু-পাঁচ মিনিট দেরি হলে রাধাগোবিন্দর কিছু ক্ষতি হবে না।

    ঠাকুরমশাই ঘুরে দাঁড়ালেন, বেশ, বলুন কী জিজ্ঞাস্য?

    মিতিন কেজো গলায় বলল, আমার পরিচয় তো আপনি জেনে ফেলেছেন। নিশ্চয়ই আগমনের কারণটাও আন্দাজ করতে পারছেন?

    পারছি।

    আপনি তো এ বাড়ির সঙ্গে বহুকাল ধরে যুক্ত, হঠাৎ এখন গুপ্তধনের গল্পটা শুরু করলেন কেন বলুন তো?

    অনঙ্গমোহন চক্রবর্তী এমনি-এমনি কিছু বলে না। শ্লেষ্মাজড়ানো প্রবীণ স্বর ঘড়ঘড় বেজে উঠল, সে যা শোনে, তাই পাঁচজনকে শোনায়।

    কী শুনেছেন আপনি?

    আমার বাপ-ঠাকুরদা যা বলতেন। মাটির তলে মাটি, তার তলে ঘড়া-ঘড়া মোহর…!

    অর্থাৎ আপনি বলতে চান গুপ্তধন সত্যিই আছে?

    অতশত জানি না। যা শুনেছি, তাই বলি।

    তা, হঠাৎ মীনধ্বজবাবু ফেরার পরেই কথাটা চাউর করা শুরু করলেন কেন?

    বাজে অভিযোগ। মোহরের গল্প আমি চিরকালই বলছি। আগে কেউ পাত্তা দিত না, এখন লোকে বিশ্বাস করছে। এতে আমার কী অপরাধ? আমি কি কখনও গুপ্তধন হাতানোর চেষ্টা করেছি? অপরাধী-অপরাধী ভাব মুছে ফেলে বেশ তেজের সঙ্গে কথা বলছেন অনঙ্গমোহন। ক্ষয়াটে শরীর টানটান করে বললেন, শুনুন ভাই, পুজোআর্চা করে খাই বটে, আমরা কিন্তু খুব ফ্যালনা পরিবার নই। আমাদের একটা বংশমর্যাদা আছে। আড়াইশো বছর ধরে নুরপুরে আমাদের বাস। এখানেই আমাদের আদি বাড়ি। এককালে আমাদের বিশাল রমরমা ছিল। আমার পূর্বপুরুষরা হাতি ছাড়া কোথাও নড়তেন না। একবার মন্বন্তরের সময় দশ-দশখানা গ্রামকে আমরা একাই…!

    বুঝেছি, বুঝেছি। আপনারা অতি উচ্চ ঘর। দুহাত তুলে মিতিন থামাল অনঙ্গমোহনকে। ঈষৎ ব্যঙ্গের সুরে বলল, কাজের কথায় আসুন তো। ছেলে দুটোকে আপনি গুপ্তধনের গল্প কবে শুনিয়েছিলেন?

    কোন ছেলে?

    যারা মাটি খুঁড়তে গিয়ে ধরা পড়ে।

    তাদের আমি চিনিই না। ফেরিঘাটের চা-দোকানে গিয়ে অনেক সময় গল্পগাছা করি, তখন ওরা হয়তো শুনেও থাকতে পারে।

    হুম। আর-একটা প্রশ্নের উত্তর দিন তো? আপনি গুপ্তধনের খবর জানেন, অথচ মীনধ্বজবাবুর এ সম্পর্কে কোনও আইডিয়াই নেই, এটা কী করে সম্ভব?

    দেখুন, এ বাড়ির মেঝেতে কান পাতলে মোহরের ঝনঝন শোনা যায়। আমার ঠাকুরদা বলতেন, সঙ্গে অনেক দীর্ঘশ্বাসের শব্দও নাকি কানে আসে। শুধু মোহর নয়, বাড়ির নীচে নাকি মানুষের পাপও জমে আছে। মীনধ্বজ যদি কিছুই না শুনতে পায়, সেটা তার দুর্ভাগ্য।

    আপনি নিজে কখনও শুনেছেন?

    অনঙ্গমোহন জবাব দিলেন না। ঢুলুঢুলু চোখে হাসলেন মিটিমিটি।

    হাসিটাকে একটুও পড়তে পারল না টুপুর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআয়নামহল – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }