Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যে ঘেরা হিমালয় – অনিরুদ্ধ সরকার

    অনিরুদ্ধ সরকার এক পাতা গল্প270 Mins Read0
    ⤷

    রহস্যে ঘেরা পঞ্চকেদার পরিক্রমা

    রহস্যে ঘেরা পঞ্চকেদার পরিক্রমা

    ‘কেদার থেকে বেঁচে’ ফেরার পর সেই অভিজ্ঞতার কথা লিপিবদ্ধ করার পর হাজারো প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি আস্তিক-নাস্তিক উভয়পক্ষের কাছ থেকেই। নাস্তিকরা বলেছেন, যোগাযোগ প্রভাব এসবের জন্য বেঁচে ফিরে এসেছি তো আস্তিকদের কেউ কেউ এখনও বিনা কারণে আমায় প্রণাম জানায় কিংবা শ্রদ্ধা সহকারে নমস্কার জানায়।

    আমার বেঁচে ফেরার কারণ কিংবা আমার ঈশ্বর বিশ্বাসের চেয়েও একটা বড়ো বিষয় আমি আজও ব্যক্তিগতভাবে অনুভব করি এবং তা হল অন্যকে সহায়তা করা, বিনা কারণে অন্যের সমালোচনা না করা, নিজের ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে ঊর্ধ্বে গিয়ে ভাবা, স্বার্থপর আত্মকেন্দ্রিক ভাবনা থেকে বের হয়ে বৃহত্তর স্বার্থে কিছু ভাবা আর সর্বোপরি নিষ্ঠার সঙ্গে ঈশ্বরকে স্মরণ….

    ‘শিব’ জগতের সব কিছুর আধার, সব বা সমস্ত থেকে শব বা শবদেহ সবেতেই শিব বিরাজমান। শিব এক অদ্ভুত শক্তি।

    ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ এই মন্ত্রে অসাধ্য সাধন হয় তা অনেকেই জানেন। আর শিব মানেই হিমালয়। আর হিমালয় মানে এক অদ্ভুত রহস্যের হাতছানি। হিমালয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আলোচিত জায়গা হল পঞ্চকেদার। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত হাজারো কষ্ট, প্রতিবন্ধকতাকে দূরে সরিয়ে এই পঞ্চকেদার পরিক্রমা করেন ও লাভ করেন এক বিচিত্র অলৌকিক অভিজ্ঞতা। পঞ্চকেদার মানে—

    কেদারনাথ
    তুঙ্গনাথ
    মদমহেশ্বর
    রুদ্রনাথ
    কল্পেশ্বর

    .

    কেদারনাথ

    প্রথমেই কেদারনাথের কথা।

    “জয় শ্রী কেদারেশ্বর ভগবান কি জয়” এই মন্ত্র যারা কেদারনাথ তীর্থযাত্রা করেন তারাই উচ্চারণ করেন।

    কেদারনাথ মহাদেব শুধু একটি মন্দির নিয়ে গঠিত এমনটা নয়। এখানে মহাদেবের মূর্তি পাঁচ ভাগে পাঁচ জায়গায় বিভক্ত। যাদের একসঙ্গে পঞ্চকেদার বলে। আমরা এই পঞ্চকেদার পরিক্রমা করব।

    পুরাণ বলছে, শিবের বয়স যত, কেদারখণ্ড ততটাই প্রাচীন। বেনারসের কাশী বিশ্বনাথের পরই কেদারের স্থান। দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম এই কেদারনাথ। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পর ব্রাহ্মণ-বধজনিত পাপ ও আত্মীয়হত্যার জন্য অনুতাপে ভুগতে থাকেন পঞ্চপাণ্ডব।

    সেই পাপ থেকে মুক্তির উদ্দেশ্যে পঞ্চপাণ্ডব মহর্ষি বেদব্যাসের পরামর্শে হিমালয়ে গেলেন মহাদেব দর্শনে। কেদারখণ্ডে রয়েছে তার বিশদ বর্ণনা, কিন্তু মহাদেব ঠিক করলেন তিনি পাণ্ডবদের দর্শন দেবেন না। পাণ্ডবদের ব্রহ্মহত্যার যে পাপ তার প্রায়শ্চিত্ত হয় না। মহাদেব গেলেন পালিয়ে। এদিকে পাণ্ডবরা নাছোড়বান্দা। শিবের পিছু নিলেন পাণ্ডবরা। শিব দেখলেন মহা বিপদ। শেষে আর কোনো পথ না পেয়ে শিব নিলেন ছদ্মবেশ। মহিষের রূপধারণ করে লুকিয়ে রইলেন হিমালয়ে। একদিন সেই মহিষরূপী শিব দেখে ভীম চিনে নেন। ব্যস! শিব আর পারলেন না নিজেকে লুকিয়ে রাখতে। মহাদেব কিছু বোঝার আগেই তাকে জাপটে ধরে ফেললেন ভীম। ভীম যখন শিবকে জাপটে ধরেন মহিষের মুখ তখন ছিল পৃথিবীর দিকে এবং পশ্চাদভাগ ছিল কেদারের দিকে। ভীম মহিষের কুঁজ সহ পশ্চাদভাগ ধরে ফেলেন। শিব থেকে গেলেন কেদারে। মহিষের কুঁজ-রূপী অংশ তাই পূজিত হয় কেদারেশ্বর রূপে। অন্যদিকে মহিষের নাভি প্রতিষ্ঠিত হল মদ-মহেশ্বরে। মহিষের বাহু প্রতিষ্ঠিত হল তুঙ্গনাথে, মহিষের মুখ প্রতিষ্ঠিত হল রুদ্রনাথে আর মহিষের জটা প্রতিষ্ঠিত হল কল্পেশ্বরে।

    হিমালয়ের এই পাঁচ পুণ্যভূমি ‘পঞ্চকেদার’ নামে পরিচিত। কথিত আছে, কেদারে এসে পঞ্চকেদার দর্শন না করলে নাকি কেদার-দর্শনের পুণ্য সম্পূর্ণ হয় না। একদা ভগবান নরনারায়ণ মাটি দিয়ে মূর্তি গড়ে পুজো করেন শিবের। ভক্তের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন শিব। তারপর থেকেই তিনি কেদারে বাস করতে শুরু করেন। সেই থেকে কেদারে বাস দেবাদিদেবের।

    শীতকালে প্রচণ্ড তুষারপাতের কারণে কেদারনাথের সব পথ বন্ধ হয়ে যায়। নভেম্বর মাসে দেয়ালির পর একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় মন্দির। আর মন্দির খোলা হয় অক্ষয় তৃতীয়ার দিন। মূল মন্দির মোটামুটি ছ’মাস বন্ধ থাকে। লোকালয় স্তব্ধ হয়ে যায়। পুরোহিতরা নেমে আসেন গুপ্তকাশী কিংবা উখিমঠে। কিন্তু দেবতার পুজো বন্ধ থাকে না, ভগবান কেদারনাথও নেমে আসেন ওইসময়। তখন তার অস্থায়ী ঠিকানা হয় উখিমঠ। এখানে কিছুদিন থেকে আবার শীত শেষে ছ’মাস পর তিনি ফিরে যান কেদারনাথে। পালকিতে চড়ে শিবের এই অবরোহণ এবং আরোহণের নাম ‘ডোলিযাত্রা’। শিবের নামা এবং ওপরে ওঠাকে কেন্দ্র করে উৎসব পালিত হয় এখানে। তবে ডোলিযাত্রা দেখার ভাগ্য সবার হয় না।

    কেদারনাথ মন্দিরের দ্বার খোলার পর ভিড় উপচে পড়ে। উখিমঠ থেকে শিব ফিরে যান স্বস্থানে। তবে ২০১৩ সালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর কেদারনাথের ডোলিযাত্রার পথ পালটে গিয়েছে। ধ্বংসলীলা যতই হোক, কেদারনাথের মন্দিরটি অক্ষতই ছিল। মন্দিরে থাকা হাতে গোনা কয়েকজনই সেদিনের সেই বিপর্যয় থেকে বেঁচে যায়। কেদারনাথকে চোরাবালিতাল লেকের ওই বিপুল জল থেকে বাঁচিয়ে দেয় একটি প্রস্তরখণ্ড। যার নাম হয়ে যায় দেবশিলা। এই শিলাতেই ওই বিপুল জলধারা দুভাগে ভাগ হয়ে যায় ও মন্দির এবং মন্দিরের ভেতরে থাকা ভক্তদের বাঁচিয়ে দেয়।

    কেদারনাথের এই মন্দিরটির নির্মাণকর্তা আদি শঙ্করাচার্য। কেদারনাথ মন্দিরের প্রথম নির্মাতা পাণ্ডবরা। তারা পাথর দিয়ে কেদারনাথের মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। পুরাণের নানা দেবদেবীর মূর্তি দিয়ে সাজানো মন্দির। মন্দিরের দরজায় নন্দীর বড়ো একটি মূর্তি রয়েছে। কথিত আছে, নন্দী নাকি শিবের রক্ষণাবেক্ষণ করেন। পাহাড়ের অন্য দিকে আছেন ভৈরবনাথ। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে বিশেষ পুজোর জন্য আগাম বুকিং নেওয়া হয়।

    বিপর্যয়ের পর কেদার আর আগের মতো নেই। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর অনেক কিছু চেনা যায় না। শোনপ্রয়াগে একটা চেকপোস্ট রয়েছে, যেখানে যাত্রীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড পরীক্ষা করা হয়। কার্ড ছাড়া পুণ্যার্থী বা ভ্রমণার্থীদের কেদার যাওয়ার এখন আর অনুমতি দেওয়া হয় না। এটা উত্তরাখণ্ড সরকারের নতুন নিয়ম বিনায়ক চতুর্থী এবং দেয়ালিতে খুব জাঁকজমক করে উৎসব হয় এখানে। শ্রাবণ মাসে রাখিপূর্ণিমার ঠিক আগে অন্নকূট মেলা হয়।

    কেদারনাথ বেড়ানোর সবচেয়ে ভালো সময় হল গ্রীষ্মকাল। মানে মে মাসে মন্দির খোলার ঠিক পর পরই। কারণ তারপরই বর্ষা চলে আসে। সাইট সিয়িং এবং ট্রেকিংয়ের জন্য আদর্শ সময়। বর্ষাকালে সাধারণত কেউ যায় না কেদারে এবং শীতকালে প্রায় ছ’মাসের কাছাকাছি কেদারনাথ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। স্থানীয় লোকজনও থাকেন না ওইসময়। শিব তখন থাকেন গুপ্তকাশী বা উখিমঠে।

    কেদারনাথের মতো বরফ খুব কমই দেখা যায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আগে শোনপ্রয়াগ থেকে যাত্রা শুরু করে গৌরীকুণ্ড, জঙ্গল চটি, চিরবাসা ভৈরব ভীমবলি, রামওয়াড়া, গোরুর চটি হয়ে কেদারনাথ পৌঁছোতেন যাত্রীরা। ২০১৩-র বিপর্যয়ে ধুয়ে-মুছে গিয়েছে রামওয়াড়া থেকে বাকি পথটা। এখন ভীমবলি থেকে লিঞ্চোলি, বদিয়ার পুছ হয়ে কেদারনাথ মন্দিরে পৌঁছোতে পারেন দর্শনার্থীরা। আবার লিঞ্চোলি থেকে বদিয়ারপুছ পুরো রাস্তাই বরফের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। হেলিপ্যাডও রয়েছে এখানে। দু’ধারে দশ-বারো ফুট দেয়াল মাঝে বরফের ওপর চলার পথ। শুধু বরফ আর বরফ, সঙ্গে অপরূপ মোহময়ী রহস্যঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। তীর্থস্হানের স্নিগ্ধ বাতাবরণে এক ঐশ্বরিক পরিবেশ, নিমগ্ন হিমালয়ের গাম্ভীর্য—সবমিলিয়ে কেদারনাথ এক বিস্ময়কর দেবভূমি।

    হাওড়া থেকে প্রথমে ট্রেনে হরিদ্বার। দুন এক্সপ্রেস, কুম্ভ এক্সপ্রেস, উপাসনা এক্সপ্রেস-এ যেতে পারেন হরিদ্বার। হরিদ্বার থেকে গাড়ি নিয়ে সীতাপুর, সেখান থেকে রাত্রিবাস করে শোনপ্রয়াগ পৌঁছোন। শোনপ্রয়াগে চেকপোস্ট আছে। মেডিকেল চেক-আপ হয়। তারপর চার কিলোমিটার দূরে গৌরীকুণ্ডর যাত্রা শুরু। এই পথে সরকারি শেয়ার জিপের ব্যবস্থা আছে। হেঁটেও গৌরীকুণ্ড পৌঁছোনো যায়। গৌরীকুণ্ড থেকে সাড়ে ছয় কিলোমিটার দূরে ভীমবলি। এখানে মন্দাকিনীর ওপর একটা ব্রিজ তৈরি হয়েছে। ব্রিজ পেরিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার গেলে লিঞ্চোলি। লিঞ্চোলি থেকে কেদার পাঁচ কিলোমিটার। হরিদ্বার থেকে বাসে রুদ্রপ্রয়াগ চলে যেতে পারেন। রুদ্রপ্রয়াগ থেকে রাস্তা দুভাগে ভাগ হয়ে যায়। একটি যাচ্ছে কেদারনাথ, অন্যটি যাচ্ছে বদ্রীনাথ। অপূর্ব এই বাসযাত্রা। বিমানে হরিদ্বারের কাছে জলিগ্রান্ট এয়ারপোর্টে নেমে আধঘণ্টা সফরে হৃষীকেশ পৌঁছোতে পারেন, তারপর জোশীমঠ। উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন স্থান থেকে হেলিকপ্টারেও কেদার পৌঁছোনো যায়।

    তুঙ্গনাথ

    উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তার ‘হিমালয়ের পথে পথে’ গ্রন্থে গাড়োয়ালকে বাঙালিদের কছে বেশ জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। যে যুগে এই পথ ছিল দুর্গম সে-যুগে যেমন পর্যটক আসার কোনো খামতি ছিল না, এ-পথে এ-যুগেও তার বিন্দুমাত্র ব্যতিক্রম নেই। পঞ্চকেদারে প্রথম কেদারের পথে আমাদের যাত্রা শুরু। আমরা যাব তুঙ্গনাথের পথে। তুঙ্গনাথ ‘তৃতীয় কেদার’ বলে পরিচিত। উখিমঠ থেকে গাড়িপথে ঘণ্টা তিনেকের মধ্যে চোপতা পৌঁছে যাবেন। চোপতা থেকে তুঙ্গনাথ মাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। চোপতা থেকে সাড়ে চার কিলোমিটারের হাঁটা পথ তুঙ্গনাথ। প্রায় ৮,৮০০ ফুট উচ্চতার চোপতাকে অনেকে উত্তরাখণ্ডের মিনি সুইৎজারল্যান্ড বলেন। কারণ, সবুজ বুগিয়াল, “বুগিয়াল” অর্থাৎ মাঠ। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে যাওয়া বিস্তীর্ণ সবুজ তৃণভূমি, পাখির ডাক, চারপাশের পাহাড় মন ভরিয়ে দেবে আপনার। চোপতা, উখিমঠ, সারিগ্রাম, গোপেশ্বর এই এলাকাগুলির প্রকৃতি আপনাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে দেবে। তুঙ্গনাথ পুণ্যভূমি। তুঙ্গনাথ উত্তরাখণ্ড রাজ্যের রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় অবস্থিত।

    গবেষকদের মতে তুঙ্গনাথ পৃথিবীর সর্বোচ্চ উচ্চতায় শিবমন্দির। পঞ্চকেদার পরিক্রমার অন্যতম মন্দির এই তুঙ্গনাথ। এর উচ্চতা ১২,০৭৩ ফুট। পঞ্চকেদার গুলি হল কেদারনাথ, মদমহেশ্বর, কল্পেশ্বর, রুদ্রনাথ আর তুঙ্গনাথ। পঞ্চকেদার নিয়ে একটা জনশ্রুতি আছে। মহাভারতে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধর পর পাণ্ডবরা যখন পাপের আগুনে পুড়ছেন তখন তারা ঠিক করেন যে ভ্রাতৃহত্যার পাপ মোচন করতে তারা শিবের পুজো করবেন। সেই ইচ্ছায় শিবের সন্ধানে তারা বারাণসীতে গিয়ে হাজির হন। কিন্তু মহাদেব এই পাপীদের হাতে ধরা দিতে রাজি হলেন না তাই তিনি একটি মহিষের রূপ ধারণ করলেন আর হিমালয় পর্বতমালার, উত্তরাখণ্ডের গুপ্তকাশীতে চলে যান। পাণ্ডবরাও তাকে নানা জায়গায় খুঁজতে খুঁজতে উত্তরাখণ্ডে এসে হাজির হলেন আর এদিকে শিবও এ-পাহাড় ও পাহাড়ে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াতে লাগলেন; পেছনে পেছনে ধাওয়া করলেন পাণ্ডবরা। যেখানে যেখানে পাণ্ডবরা মহিষরূপী শিবকে ধরেও ধরতে পারেনি মানে কোথাও লেজ ধরেছে কোথাও শিং ধরেছে, কিন্তু শিব তবু পিছলে পালিয়ে গিয়েছেন সেই স্থানগুলিই পঞ্চকেদার নামে পরিচিত হয়। তুঙ্গনাথকে তৃতীয় কেদার বলা হয়।

    তুঙ্গনাথেরও ওপরে ১৩,১২৩ ফুট উচ্চতায় এই পাহাড়ের চুড়োয় আছে চন্দ্রশিলা, যেখান থেকে হিমালয়ের ৩৬০ ডিগ্রি কোণে চারপাশের বরফে ঢাকা শৃঙ্গগুলি দেখা যায়। চৌখাম্বা, নন্দাদেবী, নন্দাঘুণ্টি, কামিট, পালকি, নীলকণ্ঠ, সুদর্শন, মেরু-সুমেরু, শিবলিঙ্গকে দেখুন প্রাণভরে। চন্দ্রশিলার চুড়োয় একটা ছোট্ট মন্দির রয়েছে, গঙ্গাদেবীর উদ্দেশে নিবেদিত। গাড়োয়াল ভ্রমণের এক অন্যতম অংশ এই তুঙ্গনাথ-চন্দ্রশিলা যা বাঙালিদের অতি পরিচিত স্থান।

    মদমহেশ্বর

    উখীমঠ থেকে গাড়ি চেপে চলুন মনশুনা, যোগাসু ও ওনিওনা ছাড়িয়ে রাঁশির কাছাকাছি। সুন্দর হাঁটাপথে পৌঁছে যান রাঁশি গ্রামে। রাশি থেকে আরও ঘণ্টা দুয়েক হাঁটলেই গৌণ্ডার। গৌণ্ডার থেকে এক কিলোমিটার দূরে বানতোলি। মার্কণ্ডেও গঙ্গা ও মদমহেশ্বর গঙ্গার সংগমস্থলের নিকটে এই ছোট্ট সুন্দর জায়গাটিতে চাইলে কিছুটা সময় থাকতে পারেন। রাত্রিবাসের ব্যবস্থা আছে। এখান থেকে কঠিন চড়াইপথ শুরু। বড়ো বড়ো গাছপালার মধ্য দিয়ে প্রশস্ত পথ। ক্রমে মদমহেশ্বর গঙ্গাকে দূরে রেখে পৌঁছে যান খাডোরা চটিতে। বড়ো বড়ো ঘাস আর গাছে ঢাকা পাহাড়ের ঢাল ধরে উঠতে থাকুন। প্রায় কিলোমিটার দশেক খাড়া পথ ধরে উঠে এবার নিশ্বাস ফেলুন। চার হাজার ফুট উচ্চতায় আপনার জন্য অপেক্ষা করছে মদমহেশ্বরের অপার্থিব সৌন্দর্য।

    পাহাড়ের কোলে ছোট্ট মদমহেশ্বর মন্দিরটি অসাধারণ। এখানে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। ধীরে ধীরে চলুন বুড়ো মদমহেশ্বেরের মন্দিরে। ছোট্ট মন্দির, কিন্তু অদ্ভুত একটা আকর্ষণ ক্ষমতা আছে। এখান থেকে চারপাশের দৃশ্য অপূর্ব। চৌখাম্বা ও মান্দানি শৃঙ্গমালাকে খুব কাছ থেকে দেখা যায়। ছোট্ট জলাশয়টি দেখে ফিরে যান মদমহেশ্বরে। একই পথে একটানা নামতে শুরু করুন। পৌঁছে যান বানতোলিতে। বানতোলি থেকে আবার রাঁশি। রাকেশ্বরী মন্দিরটি দেখে নিন। আর এই মন্দিরকে ঘিরে থাকা গ্রামে একটা রাত কাটাতেই পারেন।

    রুদ্রনাথ

    আবার চোপতার পথে চলুন। বাসে বা ছোটো গাড়ি করে ২৮ কিমি দূরে মণ্ডলে পৌঁছে যান। তারপর সেখান থেকে অনুসূয়া গ্রাম। জাগ্ৰত অনুসূয়া মায়ের মন্দিরটি দেখে নিন। ছোট্ট গ্রামটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ।

    তারপর ওই চড়াই পথ ধরে চলুন অত্রিমুনির আশ্রম। মন্দির দর্শন শেষে ঘনবনের মধ্য দিয়ে একটানা চড়াই পথে উঠতে থাকুন। একসময় দেখবেন গাছপালা বেশ কমে আসবে। এরই মধ্যে দিয়ে উঠে আসবেন রুদ্রনাথওয়ালা গিরিশিরার ওপরে অবস্থিত নওলা পাস। সেখান থেকে নন্দাদেবী সহ একাধিক শৃঙ্গমালা দেখা যায়। তারপর ওই পথের উত্তর-পূর্বদিক ধরে হাঁটতে থাকুন পৌঁছে যাবেন রুদ্রনাথ মন্দিরে। নির্জন পরিবেশে এ জায়গাটি ভালো লাগবে। মহিষরূপী শিবের মস্তক অংশটি এখানে পূজিত হয়।

    কল্পেশ্বর

    বুগিয়ালের মধ্য দিয়ে নেমে আসবেন পানার বুগিয়ালে। এখান থেকে দু’টি পথ। আপনি ধরবেন বাঁদিকের পথটি। পৌঁছোন কালাপানি নালা নামে একটি জায়গায়। নালাটি পেরিয়ে আরও খানিকটা চলার পর পৌঁছে যাবেন দুমক গ্রামে। দুমক থেকে দেবগ্রাম পৌঁছে যাবেন। দেবগ্রাম থেকে সহজপথে এক কিলোমিটার দূরে কল্পগঙ্গার ওপর পুল পেরিয়ে কল্পেশ্বর মন্দির। নদীর বামতটে পাথরের নীচে অন্ধকারের মাঝে এই মন্দিরটি। মহাদেবের জটা অংশটি রয়েছে এখানে। দর্শনের শেষে একই পথে ফিরে চলুন দেবগ্রামে।

    সালনা থেকে হেলাং গাড়ি পথ ধরে চলতে পারে না। চামোলী-যোশীমঠ বাসরাস্তার উপর অবস্থিত হেলাং পঞ্চকেদার পদযাত্রার শেষ পর্যায়। হেলাং থেকে গাড়ি পথে চামোলী হয়ে হরিদ্বার ফিরে যেতে হয়।

    আপনারা কেদারনাথ ঘুরতে গেলে পঞ্চকেদার অবশ্যই যাবেন। কথায় বলে, কেদারনাথ হল মুক্তির, পাপ প্রায়শ্চিত্তের একটা জায়গা। এখান থেকে পঞ্চপাণ্ডব মহাদেবের দর্শনের পর স্বর্গলাভ করেছিল। কোটি কোটি মানুষ সাধু-সন্ত-মহাত্মা তাই যুগের পর যুগ ধরে হিমালয়কে আবিষ্কার করে চলেছেন বিশ্বাসের সঙ্গে আস্থার সঙ্গে ভক্তির সঙ্গে…

    * লেখক ২০১৩ সালের কেদার বিপর্যয়ের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Next Article ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }