Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যে ঘেরা হিমালয় – অনিরুদ্ধ সরকার

    অনিরুদ্ধ সরকার এক পাতা গল্প270 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সিক্রেট পরমানু মিশন ‘নন্দাদেবী’

    ১৯৬৪-এর ১৬ অক্টোবর। পিপলস রিপাবলিক অফ চায়নার চেয়ারম্যান মাও সে তুং খুব উত্তেজিত হয়ে আছেন। কিন্তু নিজের স্বভাব মতোই গম্ভীর হয়ে তার সামনের বড়ো টিভি পর্দার দিকে তাকিয়ে আছেন। সব ঠিকঠাক থাকলে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই চায়না বিশ্বের শক্তিধর দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। আর তাতে ঘুম ছুটে যাবে আমেরিকার মত কিছু শক্তিধর দেশের। কিছুক্ষণের মধ্যে টিভির ঘড়িতে শুরু হল উলটো কাউন্ট ডাউন। দশ… নয়… আট…

    দুম….

    তাকলামাকান ও কুমতাগ মরুভূমির মাঝে দুরূহ প্রাকৃতিক প্রাচীর দিয়ে ঘেরা ‘নপ নর’ নিউক্লিয়ার টেস্ট বেস ক্যাম্পে সফলভাবে বিস্ফোরিত হল চায়নার প্রথম পারমাণবিক বোমা। চায়না পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করায় সবচেয়ে অস্বস্তির মধ্যে পড়ে গেল আমেরিকা। কোড-৫৯৬ নামে পরিচিত চায়নার এই পারমাণবিক পরীক্ষা সম্পর্কে আগাম কোন গোয়েন্দা তথ্য জানতে না পারায় সকলের মাথায় চিন্তার ভাঁজ পড়ে গেল। গোপন তথ্য পাওয়ার মতো স্যাটেলাইট সিস্টেম তখনও ততটা কার্যকরী হয়ে ওঠেনি। আমেরিকার সরকার উচ্চ মহল থেকে যে-কোনো উপায়ে চায়নার গুপ্ত পারমাণবিক কার্যক্রমের ওপর খবরদারি করার একটি কার্যকরী স্পাই নেটওয়ার্ক তৈরি করার জন্য সিআইএ-কে কঠরভাবে নির্দেশ দিল।

    ১৯৬৪ সালের এই ঘটনার ঠিক একবছর আগে ১৯৬৩ সাল নাগাদ আমেরিকা এভারেস্ট অভিযানে একটি দল পাঠিয়েছিল। ১৯৬৪ সালে প্রথমবারের মত এভারেস্ট আরোহণ করা সেই দলের সদস্য বিখ্যাত ফোটোগ্রাফার ও পর্বতারোহী ব্যারি বিশপ হিমালয় অভিযান সেরে দেশে ফিরেছে। ইউ এস এয়ারফোর্সের চিফ অফ স্টাফ কার্টিস লিমে হিমালয়ের গল্প শোনার জন্য নিজের কোয়ার্টারে ডেকে পাঠায় ব্যারিকে। ব্যারি হিমালয়ের সৌন্দর্য আর বিস্ময়কর নানা অভিজ্ঞতার কথা বলা শুরু করল। সেখানকার মানুষ, তাদের সহজ সরল জীবনযাত্রা, হিমালয়ের সুউচ্চ চূড়া থেকে পশ্চিম তিব্বতের বিস্তীর্ণ মালভূমিকে যে কতটা অদ্ভুত আর সুন্দর দেখায় এসবই একমনে বলে যাচ্ছিল ব্যারি। লিমে গল্প শুনতে শুনতে ফোন লাগাল কোনো এক আধিকারিককে। তার মাথায় এমন কিছু একটা বিষয় তখন খেলে গেছে, যা ব্যারি জানে না।

    এর ঠিক একবছর পরের ঘটনা, ১৯৬৫ সালে ইন্ডিয়ান নেভির অফিসার মনমোহন সিং কোহলি আর কিছুদিন পরেই ৯ জনের একটি দলকে নিয়ে এভারেস্ট অভিযানে যাবে। এর আগে দুবার চেষ্টা করেও সে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছে। ভারতীয় অভিযাত্রীদের তাই খুব মন খারাপ। আগের দুটি অভিযানেও কোহলি ছিল। কিন্তু দলনেতার গুরুদায়িত্ব নিয়ে এবারই প্রথম সে অভিযানে যাচ্ছে। আমেরিকা থেকে ব্যারি পৌঁছে যায় কোহলির কাছে। সে কোহলিকে সিকিমের জেমু গ্লেসিয়ারে নিয়ে যেতে চায়। ব্যারির এই আবদার শুনে একপ্রকার অবাক হল কোহলি। কারণ ব্যারি জানে যে কোহলি এভারেস্ট এক্সপেডিশনে যাচ্ছে এবং তা দেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। কোহলি আঁচ করতে পারে কিছু একটা মাস্টারপ্ল্যানের ছক কষা হচ্ছে।

    যথারীতি কোহলির নেতৃত্বে এভারেস্ট অভিযান হল। কোহলির নেতৃত্বে টিম সফল হল। চতুর্থতম দেশ হিসেবে ভারতের নাম উঠল এভারেস্ট শিখরে। অ্যাভিয়েশন রিসার্চ সেন্টার বা ‘আর্ক’-এর ফার্স্ট ডিরেক্টর রামেশ্বর নাথ ডেকে পাঠালেন কোহলিকে। আর বললেন, “এখন উল্লাস করার মতো সময় নেই তোমার। তোমার জন্য নতুন একটা মিশন অপেক্ষা করছে! আর এবারের মিশনটি অত্যন্ত গোপনীয় ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ।”

    হেড কোয়ার্টারে দীর্ঘক্ষণ মিটিং চলল কোহলির সঙ্গে রামেশ্বরের। রামেশ্বর জানাল, “সি আই এ এবং ইন্ডিয়ান ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো একসঙ্গে একটি মিশন হাতে নিয়েছে এবং মিশনটির দলনেতা বানানো হয়েছে কোহলিকে। ভারতের প্রতিবেশী দেশ চিনের পারমাণবিক দুরভিসন্ধির ওপর নজরদারি করার জন্যে একটি অত্যাধুনিক যন্ত্র বসানোর পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। কোহলি এবং তার পর্বতারোহী টিমকে সেই যন্ত্রটি নিয়ে যেতে হবে।”

    এবার একটু বিশ্বের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের দিকে নজর দেওয়া যাক। ভিয়েতনামের যুদ্ধের লজ্জাজনক পরিস্থিতির পর চিনের উত্থানে আমেরিকান গোয়েন্দাদের তথ্য সংগ্রহে বিশেষ সুবিধা হচ্ছিল না। ততদিনে চিনও নিজের শক্তি জাহির করতে শুরু করেছে।

    ১৯৬৪ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার সহায়তায় চিনও পারমাণবিক বোমার নাগাল পেয়ে যায়। এতে সবচেয়ে আতঙ্কিত হয় ভারত। যে সময়ে চিনের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র আসে, তার ঠিক দুবছর আগে ঘটে গেছে ভারত-চিন যুদ্ধ। যুদ্ধে পরাজয়ের ক্ষত তখনও সেরে ওঠেনি ভারতের। ভারতের সীমান্ত-ঘেঁষা চিনের পারমাণবিক পরীক্ষা ভারতের জন্য যথেষ্ট দুশ্চিন্তার কারণ ছিল।

    অন্যদিকে চিনের উত্থান আমেরিকার জন্য ছিল বেশ চাপের। যে সময় চিন পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালাচ্ছে, তখন পুঁজিবাদের অভিভাবক হিসেবে আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী সোভিয়েত রাশিয়া। সোভিয়েত রাশিয়ার হাত ধরে চিনের উত্থানকে আমেরিকা ভালো ভাবে নিতে পারছিল না।

    ষাটের দশকের শুরুতেই আমেরিকা বিভিন্ন গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে জানতে পারে, চিন সোভিয়েত রাশিয়ার সহায়তায় পারমাণবিক বোমা বানানোর ক্ষমতা অর্জন করে ফেলেছে। সিআইএ-র একটি তার বার্তায় জানা যায়, ১৯৫৯ সালের অক্টোবরেই চিন লোপনরে নিউক্লিয়ার টেস্ট বেস স্থাপন করে। উদ্দেশ্য নিউক্লিয়ার ডিভাইসের পরীক্ষা চালানো। নজরদারি চালানোর জন্য চিনের ওপর দিয়ে ইউ-টু বিমানের ফ্লাইট বেশ বিপজ্জনক। তাই আমেরিকা চিন্তা করে, যদি হিমালয় পর্বতমালার কোনো একটার ওপর নজরদারি চালানোর জন্য কোনো যন্ত্র স্থাপন করা যায়, তাহলে অনেক তথ্য পাওয়া সম্ভব।

    রাজনীতি ও ঐতিহাসিক শত্রুতার কারণে আমেরিকা ও ভারত দুই দেশের কাছেই চিনের এই পারমাণবিক পরীক্ষা নজরদারির মধ্যে আনার তাড়া ছিল। এ লক্ষ্যে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে কাজ করতে সম্মত হল। অনেক চিন্তাভাবনা, তর্ক-বিতর্কের পর সেই সময়ের মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসন সিআইএ-কে গোপন মিশন চালানোর অনুমতি দিলেন। দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন স্বার্থের দিকটি বড়ো করে দেখা হল।

    চিনের ওপর নজরদারির আর একটি উপায় ছিল তা হল স্যাটেলাইট। এরকম যন্ত্র দিয়ে অনেক ওপর থেকে নজরদারিতে আমেরিকা বেশ দক্ষ। কিন্তু স্নায়ুযুদ্ধের সে সময়ে আমেরিকার প্রায় সব উন্নত স্যাটেলাইটই সোভিয়েত রাশিয়ার উপর মোতায়েন করা ছিল। যেসব স্যাটেলাইট বাকি ছিল আমেরিকার হাতে, সেসব দিয়ে আদতে চিনের ওপর পূর্ণ নজরদারি চালানো সম্ভব ছিল না আমেরিকার পক্ষে। তাই নজরদারি চালানোর মতো যন্ত্র পর্বতে স্থাপন করার পক্ষেই ছিল আমেরিকা।

    অনেক তর্ক-বিতর্ক শেষে নন্দদেবী পর্বতের চূড়াকে নির্ধারণ করা হল। সেই পর্বত, যেখান থেকে বিখ্যাত গঙ্গা নদীর উৎপত্তি ঘটেছে। স্থানীয়দের কাছে এই পাহাড় খুবই পবিত্র স্থান হিসেবে পরিগণিত। এই স্থানটির ভৌগোলিক গুরুত্বও অনেক। নন্দাদেবী পাহাড়ের উত্তরে চিন, দক্ষিণে ভারত এবং পশ্চিমে পাকিস্তান। এখান থেকে চিনের পারমাণবিক মিসাইল পরীক্ষার ঘাঁটিও খুব বেশি দূরে নয়। এখান থেকে নজরদারি চালানোতে বেশি বেগ পেতে হবে না। চিনা গোয়েন্দারা এত দুর্গম অঞ্চল থেকে তাদের ওপর কেউ নজরদারি চালাতে পারে-এটি মাথায়ও আনবে না। তাই সবদিক বিবেচনা করে নন্দাদেবী ছিল নজরদারি চালানোর এবং ডিভাইস স্থাপনের একেবারে আদর্শ জায়গা।

    পরিবেশগত অবশ্য কিছু সমস্যা ছিল। এই পর্বত ভারতের সবচেয়ে উঁচু পর্বতগুলোর মধ্যে একটি। তার সঙ্গে তাপমাত্রাও খুবই কম। আর তুষার-ঝড়ের ভয় তো আছেই। চূড়ায় ওঠা বেশ কষ্টসাধ্য।

    ভারতের তৎকালীন গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এবং আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-কে দায়িত্ব দিয়েছিল মিশন বাস্তবায়নের জন্য। ভারতের চার জন ও আমেরিকার নয় জন, মোট তেরোজন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন পর্বতারোহী নিয়ে নজরদারির ডিভাইস স্থাপনের জন্য টিম গঠন করা হল। অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হল ভারতের ক্যাপটেন মনমোহন সিং কোহলিকে। ক্যাপটেন এমএস কোহলিকে বাদ দিয়ে বাকি সদস্যদের পরিচয় কঠোরভাবে গোপন রাখা হল।

    দুই দেশের সদস্যদের নিয়ে গড়া এই টিমকে প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হল আমেরিকার আলাস্কার। সিআইএ-র বিশেষ চার্টার্ড বিমানে তাদের বিশ হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতার ম্যাককিনলি পাহাড়ে শুরু হল ট্রেনিং। ‘গা গরম’ করার পর তাদেরকে চূড়ান্ত মিশনের জন্য প্রস্তুত করা হল।

    নন্দদেবীতে আরোহণ করা মোটেও সহজ নয় তা দু-দেশের সেনা আধিকারিকরা জানতেন। চিন সীমান্তের ৭৮১৬ মিটারের এই পর্বতটি মানুষের ধৈর্যের ও কষ্টের চরমতম পরীক্ষা নিতে পারে। এর চূড়ায় ওঠা তো অনেক পরের ব্যাপার। পর্বতটির পাদদেশে পৌঁছোনোর জন্যও কঠিন অধ্যবসায় প্রয়োজন। নন্দাদেবী পর্বতচূড়াটিকে চারপাশ থেকে আরও বেশ কিছু দুরূহ পর্বত দুর্গের মতো ঘিরে রয়েছে। যা এই পর্বতটির পাদদেশে পৌঁছোনো আরও বেশি কঠিন করে দেয়। নন্দাদেবীর কাছে পৌঁছোনোর একমাত্র সম্ভাব্য পথ হল ঋষিগঙ্গা গিরিসংকট, যার পথ লতা নামের এক গ্রাম থেকে শুরু হয়। পৃথিবীর অন্যতম খাড়া পর্বতগুলোর মধ্যে একটি হওয়ায় এখানে অত্যন্ত অভিজ্ঞ পর্বতারোহীদেরও চূড়ায় আরোহণে ব্যর্থতার উদাহরণ আছে প্রচুর। নন্দাদেবী পর্বতটিকে স্থানীয়রা দেবী হিসেবে পুজো করে। বেশ কয়েকটি মন্দিরও রয়েছে পর্বতটিকে উৎসর্গ করে। ধর্মীয় মতে, এই পর্বতে আরোহণ করা পর্বতটিকে অপবিত্র করার নামান্তর। এমন একটি অভিযানে যাবার মতো পর্যাপ্ত কুলি কিংবা শেরপা পাওয়া যাবে কিনা এমন অজস্র বিষয়ে আলোচনা চলতে থাকে দু-দেশের মধ্যে।

    নজরদারি চালানোর যে ডিভাইসটি বানানো হয়, সেটির মোট ওজন ছিল ৫৬ কেজি। ৮-১০ ফুট উচ্চতার একটি অ্যান্টেনাও ছিল তার সঙ্গে। আর ছিল দুটি ট্রান্সিভার সেট।

    পুরো ডিভাইসটি আসলে ছিল একটি সেন্সর, যেগুলি পারমাণবিক মিসাইল পরীক্ষার পর ভেসে আসা ওয়েভগুলি ধরতে পারবে। আর সেন্সরটিতে নিরবচ্ছিন্ন শক্তি সরবরাহের জন্য নিউক্লিয়ার জেনারেটর বা SNAP তৈরি করে রাখা হয়েছিল। জেনারেটরে প্লুটোনিয়াম-২৩৮-এর নিউক্লিয়ার ক্যাপসুল ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদনের ব্যবস্থা ছিল। পারমাণবিক পরীক্ষার ফলে উদ্ভূত ‘রেডিয়ো টেলিমেট্রি সিগন্যাল’ ধরার সক্ষমতা ছিল ডিভাইসটির। আমেরিকার ও ভারতের এই যৌথ অপারেশন ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ।

    ১৯৬৫ সালের ১৮ অক্টোবর মিশন শুরু হল।

    সিআইএ’র বিশেষ বিমানে আমেরিকান দলটি ভারতে এসে পৌঁছোল। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার খাতিরে স্বাভাবিকভাবেই দলের প্রতিটি সদস্যের নাম-পরিচয়, পেশা এমনকি বসবাসের ঠিকানাও ভিন্ন ছিল। তাদের কেউই ভারতে অবস্থানকালীন সময়ে তাদের আসল নাম বা পরিচয় প্রকাশ করেনি।

    বর্ষা শেষ হয়ে এলে কোহলির নেতৃত্বে সবাই নন্দাদেবীর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করল। রাশিয়ার তৈরি একটি হেলিকপ্টারে করে সমস্ত সাজসরঞ্জাম ও অভিযানের সকল সদস্য ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার গৌচারে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত একটি এয়ারফিল্ডে ল্যান্ড করল। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করেই তাদের নন্দাদেবী স্যাংচুয়ারির মধ্যে নামিয়ে দেয়া হল। শুরু হল মিশন নন্দাদেবী।

    সবাই নিরাপদেই নন্দাদেবীর পাদদেশে পৌঁছে গেল। বেস ক্যাম্প সেট করে কোহলী সিদ্ধান্ত নিল আরও ওপরে উঠার। শুরু হল দীর্ঘ বিপদসংকুল এক অভিযান। উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার জন্য সবাইকে নির্দিষ্ট উচ্চতা পর পর থামতে নির্দেশ দিলেন কোহলি। যার জেরে অনেকটাই সময় চলে যাচ্ছিল। আবার সে বছরের ক্লাইম্বিং সিজন শেষ হতেও খুব বেশিদিন ছিল না।

    কষ্টকর এই অভিযানে সবাই যার যার রসদ সে নিজেই বহন করছিল। মিশনের ব্যাপারে যত কম মানুষ জানবে ততই ভালো এটাই ছিল ওপর মহলের নির্দেশ। সে-কারণে তেমন কোনো শেরপা বা পোর্টার রাখেনি তারা। কেবল যে সেন্সরটি স্থাপন করার জন্য এই কষ্টকর অভিযান, সেটির জেনারেটরটি বহন করার জন্য কিছু শেরপাকে নেওয়া হয়েছিল।

    জেনারেটরটি ছিল নিউক্লিয়ার পাওয়ারড। ফুয়েল হিসেবে তাতে ছিল রেডিয়ো অ্যাকটিভ প্লুটোনিয়াম রড। একবার বসানো হলে জেনারেটরটি টানা দুবছর ধরে চল্লিশ ওয়াটের সমতুল্য পাওয়ার সাপ্লাই দিয়ে যাবে। এর অফিসিয়ালি নাম ছিল-SNAP 19C, System for Nuclear Auxiliary Power ।

    রেডিয়ো অ্যাকটিভ প্লুটোনিয়াম তার নিজস্ব ধর্ম বজায় রেখে অবিরাম তাপ নির্গত করতে থাকে এবং যারা এটি বহন করত তারা একপ্রকার স্বস্তি নিয়েই কাজটি করত এটা থেকে নির্গত তাপের কারণে। কিন্তু সহজ সরল শেরপারা জানত না তারা যেটা পিঠে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম একটা জিনিস হিরোশিমাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে।

    শেরপারা না জানলেও এই পরিকল্পনা যাদের মাথা থেকে বের হয়েছিল তারা সবই জানত। যে কারণে তারা অভিযাত্রী দলের সবাইকে সাদা রঙের একটুকরো কাপড়ের মতো গাইগার ফেব্রিক দিয়েছিল, যা সবাই নিজ নিজ জামায় লাগিয়ে রাখত। এটি ছিল একধরনের নির্দেশক। কোনো প্রকার রেডিয়েশন লিক করলে সঙ্গে সঙ্গে টুকরোটি রং পরিবর্তন করে ফেলবে। যদিও কোহলির কড়া আদেশ ছিল কেউ যেন জেনারেটরটি টানা চার ঘণ্টার উপর একনাগাড়ে বহন না করে।

    দীর্ঘ কষ্টকর ও মৃত্যুসংকুল পথ পাড়ি দিয়ে কোহলি ও তার দল ১৮ অক্টোবর নন্দাদেবীর চব্বিশ হাজার ফুট উচ্চতায় তাদের ক্যাম্প ফোর স্থাপন করে। আর এক-দেড় হাজার ফুট উঠলেই অর্ধেক কাজ তাদের শেষ হয়ে যাবে। তারপর শুধু সেন্সরটি জায়গা মতো বসিয়ে আরও একটি সফল অভিযান শেষ করে তারা সকলে বাড়ির পথ ধরবে। দীর্ঘদিন পর অবশেষে হয়তো মিলবে কাঙ্ক্ষিত বিশ্রাম।

    কিন্তু তাদের নিয়ে প্রকৃতির বোধহয় ভিন্ন ইচ্ছা ছিল। এতদিনের সুন্দর ঝকঝকে আবহাওয়া যেন চোখের পলকে কোনো এক অদৃশ্য ইশারায় মুহূর্তের মধ্যে বদলে গেল। মেঘমুক্ত ঝকঝকে নীল আকাশ নিমেষেই ঢেকে গেল ভয়ংকর কালো মেঘে। সেইসঙ্গে শুরু হল প্রবল তুষারঝড়।

    কোহলি ও তার দল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে চব্বিশ হাজার ফুট ওপরে রয়েছে। এই উচ্চতায় সামান্য ঝুঁকিও মৃত্যু ডেকে আনবে যে-কোনো সময়। দলনেতা হিসেবে কোহলি যাই করুক তা তাকে অনেক ভেবে চিন্তে করতে হবে। তার সামনে তখন দুটি পথ খোলা আছে। হয় সবার ও নিজের জীবনের পরোয়া না করে সামনে এগিয়ে যাওয়া, নয়তো প্রাণ বাঁচাতে নীচে নামতে শুরু করা। এই উচ্চতায় আবহাওয়ার মতিগতি সম্পর্কে কেউ কখনোই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারে না। এরকম ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে সামিট দেওয়া আর নিজ হাতে নিজের কবর খোঁড়া একই কথা। তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেওয়া যায় যে তার টিম সামিট করে সেন্সরটি স্থাপন করতে পারবে, তাও এই পরিস্থিতিতে তাদের নীচে নিরাপদে ফেরাটা বেশ চাপের। আর তার ফলাফল নিশ্চিত মৃত্যু।

    অনেক চিন্তা করে কোহলি এই অভিযান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তার কাছে অভিযানের থেকে মানুষের জীবনের মূল্য বেশি। সবদিক বিবেচনা করে কোহলি জেনারেটর এবং বাকি যন্ত্রপাতি সব কিছু ক্যাম্প ফোরেই রেখে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। এই তেজস্ক্রিয় পারমাণবিক বোমাটিকে ঘাড়ে করে শুধু শুধু টেনে নীচে নামানোর কোনো অর্থ নেই তা কোহলি বুঝলেন। কোহলি তার দলকে জানালেন, সামনের সিজনে আবার তারা এসে সব ঠিক করবে আর যন্ত্রটি স্থাপন করবে নন্দাদেবীর চূড়ায়।

    পর্বতারোহী টিমের পুরো পরিকল্পনা ধাক্কা খেল প্রকৃতির এহেন নির্মম আচরণে। আমেরিকা ও ভারত এতবড়ো প্রজেক্ট অসফল হওয়ায় বেশ হতাশ হল।

    কোহলি ফিরে এসে আধিকারিকদের জানালেন, প্রতিটি মুহূর্তেই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কমে আসছিল। পর্বতারোহী টিমের ক্যাপটেন হিসেবে আমার সামনে দুটো রাস্তা খোলা ছিল—হয় পুরো টিমের এখানে অবস্থান করা। নাহলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া। নতুবা ফিরে যেতে হবে বেস ক্যাম্পে। আমি পুরো টিমকে নিয়ে বেস-ক্যাম্পে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

    ফিরে আসার সময় নিউক্লিয়ার জেনারেটর ও সেন্সর-সমেত পুরো ডিভাইসটি পাথরের আড়ালে লুকিয়ে রাখে কোহলির দল। তাদের প্রত্যাশা ছিল ঝড়ো আবহাওয়া শেষ হওয়ার পর পুনরায় আরোহণের পর সেন্সর ও স্ন্যাপ জেনারেটর খুঁজে কাজ শুরু করবেন।

    ১৯৬৬ সালের বসন্তে আবার মিশন শুরু করা হয়। পরের বছর নন্দাদেবীর অসম্পূর্ণ মিশনের ভার আবারও এসে পড়ে কোহলির ওপর। গতবারের সদস্যদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে নিয়ে কোহলি ছোটো একটি টিম গঠন করলেন। তবে এবার টিমে নতুন সদস্য বলতে কেবল একজন আমেরিকান নিউক্লিয়ার এক্সপার্ট। গতবছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে ভারত ও আমেরিকা এটা বেশ ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছিল যে নন্দাদেবী ক্লাইম্ব করা শুধু যে কঠিন তা নয়, এটি খুব বেশি বিপজ্জনক। তারা এটাও বুঝতে পেরেছিল যে সেন্সরটি তারা অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার কোনো পর্বত চূড়ায় বসিয়েও তাদের স্বার্থ হাসিল করতে পারবে। কোহলির এবারের মিশনটি ছিল তাই সেন্সর ও জেনারেটরটি নন্দাদেবীর ওপরে ক্যাম্প ফোর থেকে নামিয়ে এনে পাশের আর একটি অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার পর্বত নন্দা কোর্ট চূড়ায় স্থাপন করা।

    বেস ক্যাম্প পর্যন্ত নতুন মিশনটি কোহলি ও তার টিমের জন্য তেমন কঠিন কিছু ছিল না। কিন্তু কোহলির পুরো দুনিয়া বদলে গেল ক্যাম্প ফোর-এ পৌঁছোনোর পর ক্যাম্প ফোর-এ পৌঁছে কোহলি হতভম্ব হয়ে দেখল ডিভাইসগুলো যেখানে তারা যত্ন করে নিরাপদে রেখে গিয়েছিল, সেখানে সেগুলি নেই। আশপাশের সমস্ত এলাকা তন্নতন্ন করে খুঁজেও কোথাও কিছুই পাওয়া গেল না। এত বড়ো বড়ো যন্ত্রপাতিগুলো যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। এই নিয়ে কেউ টু শব্দটি পর্যন্ত করল না। এই খবরটি যদি মিডিয়ায় চলে যায় তাহলে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। তাই ওপর মহল থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল। এই অভিযানের প্রতিটি সদস্য প্রচণ্ড রকম মানসিক চাপে ভুগতে লাগল। অজানা এক আশঙ্কায় প্রত্যেকে ভয় পেয়ে গিয়েছিল।

    কোহলির টিম কোনোভাবেই সেই সেন্সর ও নিউক্লিয়ার জেনারেটর খুঁজে পাচ্ছিল না। বরফের স্তরের নীচে কোথায় সেই সেন্সর ও জেনারেটর আছে, যাকে শত চেষ্টার পরও পাওয়া যায়নি। সেই তেজস্ক্রিয় প্লুটোনিয়াম-২৩৮ সমৃদ্ধ জেনারেটর ও সেন্সর খোঁজার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও অভিযান চালানো হয়েছে, কিন্তু কোনো কূল-কিনারা পাওয়া যায়নি।

    ১৯৬৭ সালে আর একটি নিউক্লিয়ার পাওয়ারড সেন্সর ডিভাইস ভারতে নিয়ে যায় নন্দাদেবীর পাশের চূড়া নন্দা কোটে বসানোর জন্য। কোহলি এবং আরও কিছু ভারতীয় পর্বতারোহীর সহায়তায় তারা এবার সফলভাবেই তাদের ডিভাইসটি বসিয়ে আসে মাউন্ট নন্দা কোটের চূড়ায়। কিন্তু তারা এই নজরদারি বেশিদিন বজায় রাখতে পারেনি। বিভিন্ন কারণে এক বছর পরেই ১৯৬৮ সালে আমেরিকা আবারও ভারতের সহায়তায় ডিভাইসটি ফিরিয়ে আনতে যায়। ভারতীয় পর্বতারোহী এইচ.সি.এস. রাওয়াতের নেতৃত্বে টিমটি নন্দা কোটের চূড়ায় পৌঁছে এমন এক দৃশ্য দেখতে পায়, যা দেখার জন্যে দলের সদস্যদের কেউ প্রস্তুত ছিল না।

    যেখানে তারা যন্ত্রটি স্থাপন করে গিয়েছিল, সেখানে গিয়ে সবাই দেখল যন্ত্রটির কিছুই সেখানে নেই। এ যেন ‘৬৬ সালের অভিযান নতুন করে ফিরে আসল। তবে ওপর থেকে দেখে রাওয়াতের মনে হচ্ছিল ডিভাইসটা হয়তো বরফের নীচে চলে গিয়েছে। কয়েক ফিট বরফ খুঁড়তেই এক অবিশ্বাস্য দৃশ্যের দেখা পেল সবাই। দেখে মনে হচ্ছিল নন্দা কোটের গম্বুজ আকৃতির চূড়ায় জমে থাকা বরফের মধ্যে কেউ যেন নিখুঁত পরিমাপে গোল একটি গুহা-সদৃশ তৈরি করে রেখেছে। আর সেই বৃত্তাকার গুহার কেন্দ্রে যেন সম্রাটের মত বসে রয়েছে উত্তপ্ত জেনারেটরটি। জেনারেটর থেকে অবিরাম নির্গত হওয়া তাপের কারণে চারিদিকের ৮ ফিট বরফ গলে নিঁখুত একটি গোলকের আকৃতি নিয়েছে। তারা গুহাটির সুন্দর একটি নাম দিয়ে দিল-’ক্যাথেড্রাল ইন দ্য আইস’।

    ১৯৬৮ সালে আমেরিকা এই ত্রুটিপূর্ণ ডিভাইসটি নিজেদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যায় এবং হারিয়ে যাওয়া ডিভাইসটি পরিবেশের ওপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করে দেখার জন্য ভারত ৮ম ইন্দো-তিব্বতিয়ান বর্ডার পুলিশ ব্যাটালিয়নকে তপোবনে নিয়োজিত করে।

    এই তপোবন বেশ অদ্ভুত জায়গা। ঋষিগঙ্গা তীরবর্তী এই স্থানে ছিল কোহলির ব্যাটালিয়ন। যা পরবর্তীকালে নন্দাদেবী ব্যাটালিয়ন নামে পরিচিত হয়। তারা নিয়মিত তেজস্ক্রিয়তা খুঁজে পাওয়ার জন্য ঋষি-গঙ্গার জল নিয়ে পরীক্ষা করত। তখন থেকেই মূলত নন্দাদেবী স্যাংচুয়ারিতে সকল প্রকার পর্বতাভিযান অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    পরবর্তীকালে ১৯৮৮ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক নন্দাদেবী স্যাংচুয়ারিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    সেদিন থেকে আজ অবধি অনেক দিন পার হয়ে গেছে, কিন্তু আজও কেউ জানে না সেই জেনারেটরটির কী হয়েছিল! কোথায় হারিয়ে গেল সেই জেনারেটরটি। অনেক অভিযান হয় পরে হারানো জেনারেটরটি খুঁজে পেতে। অনেক আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয় নন্দাদেবীতে। খোঁজা হয়েছে তেজস্ক্রিয়তার চিহ্ন। কিন্তু আশানুরূপ কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

    .

    এবার একটু ভাবুন, নন্দাদেবী অভিযানে হারিয়ে যাওয়া সেই আড়িপাতা যন্ত্রগুলোর কী হল? আজও সেই তেজস্ক্রিয় প্লুটোনিয়াম রডগুলোকে নিজের বুকের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছে নন্দাদেবী। হয়তো কোনোদিন হিমবাহ থেকে বেড়িয়ে এসে গঙ্গায় ভেসে উঠবে তেজস্ক্রিয় যন্ত্রটি। আবার হয়তো কোনোদিনই পাওয়া যাবে না। চায়না বা পাকিস্তানের কমান্ডোরা এসে চুরি করে নেয়নি তো যন্ত্রটি! প্লুটোপিয়াম ক্যাপসুলটি কোথায় আছে এখন? মাত্র ৫০ বছর হয়েছে। আরও ৮৫০ বছর ধরে এই ক্যাপসুল থেকে তেজস্ক্রিয়তা বের হতে থাকবে। আমাদের বোকামির ফলে পুরো হিমালয় দূষিত হয়ে যায়নি তো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Next Article ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }