Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যে ঘেরা হিমালয় – অনিরুদ্ধ সরকার

    অনিরুদ্ধ সরকার এক পাতা গল্প270 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রহস্যে ঘেরা আলেকজান্ডারের বংশধরদের গ্রামে

    পাহাড়-পর্বতে বেষ্টিত ভারতের হিমাচল প্রদেশ। সেই প্রদেশের একটি দুর্গম গ্রামের নাম মালানা। নানা কারণে এই গ্রামটি বিখ্যাত কিংবা কুখ্যাত, তবে রহস্যময়। প্রাচীন ভারতের অন্যতম গ্রাম। বলা হয়ে থাকে মালানা বিশ্বের প্রাচীনতম গণতান্ত্রিক গ্রাম। অন্তত মালানার অধিবাসীরা তা-ই মনে করেন। গ্রামটিকে অনেকে ‘মালানা নালা’ নামেও চিনে থাকেন।

    এই গ্রামে প্রবেশের সবচেয়ে সহজ রাস্তাটি হল জারি নামক স্থান থেকে ট্যাক্সি করে যাওয়া। তবে আপনি চাইলেই এই গ্রামে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই গ্রামে প্রবেশের আগে স্থানীয় সেনা কর্তৃপক্ষকে আপনার আগমনের কারণ জানাতে হবে এবং আপনার বায়োডেটা জমা দিতে হবে। আপনার আগমনের কারণে তারা সন্তুষ্ট না হলে আপনাকে মালানা গ্রামে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আপনি পারমিশন

    পাবেন না ওই গ্রামে প্রবেশ করার। তাই মালানায় যাওয়ার আগে অবশ্যই আপনাকে কারণ ঠিক করেই যেতে হবে। আর হ্যাঁ, আপনি সাংবাদিক হলে একটা এক্সটা অ্যাডভান্টেজ পাবেন। তাও সঠিক কারণ দেখাতে হবে আপনাকে।

    ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কুল্লু ভ্যালির পার্শ্ববর্তী ‘পার্বতী’ উপত্যকায় মালানা গ্রামের অবস্থান, যা আজও পৃথিবী থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন এক স্থান। নেই কোনো ভালো পথ। পাহাড়ের দুর্গম পথ অতিক্রম করে আপনাকে পৌঁছোতে হবে সেখানে। তার ওপরে আবার গ্রামটির অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৬৫২ মিটার উঁচুতে।

    হাজারো প্রতিবন্ধকতাকে দূরে সরিয়ে সারা বিশ্ব থেকে প্রচুর মানুষ সেখানে ভিড় জমায়। তারা কারা? শুধুই পর্যটক? নাকি আমাদের মতো অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় মানুষজন? নাকি নতুন স্টোরির খোঁজে সাংবাদিক কিংবা নতুন লেখার প্লটের খোঁজে লেখক?

    আপনি শুনলে অবাক হবেন এইসব মানুষজন ছাড়াও এক বিশেষ শ্রেণির মানুষ ভিড় জমান মালানাতে। যারা গাঁজার নেশা করেন তারা। আসছে গল্পে।

    কুল্লু ভ্যালিতে মোট তিনটি পাহাড় রয়েছে। সেই পাহাড়ের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে মালানা নদী। আর সেই নদীর তীরেই সবুজ, পাহাড়ি এই গ্রাম। রহস্যময় এই গ্রামের সঙ্গে ভারতের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর কোনো মিল নেই। এমনকি তাদের ব্যবহৃত ভাষা কানাসি বিশ্বের আর কোথাও প্রচলিত নেই।

    একটু আগেই যেটা বলছিলাম, এক শ্রেণির মানুষ সব বাধা অতিক্রম করে এই মালানায় ভিড় জমান। যারা ভিড় জমান তারা মূলত বিশ্বের বড়ো বড়ো মাদকসম্রাট। মালানায় উন্নত মানের গাঁজা চাষ ও গাঁজা থেকে বিভিন্ন মাদক তৈরি করা হয়, যা সংগ্রহ করার জন্য মাদক সম্রাটরা মালানায় আসেন। মালানায় গাঁজা থেকে এমন কিছু মাদক তৈরি হয়, যা বিশ্বের আর কোথাও তৈরি করা সম্ভব হয়নি বলে কথিত আছে। মালানা গ্রামবাসীর মূল অর্থনৈতিক উৎসও এই মাদক ব্যাবসা।

    ১৯৯৪ এবং ১৯৯৬ সালে পরপর দু-বার বিশ্বের সবেচেয়ে ভালো এবং দামি হাশিশ উৎপাদনের রেকর্ডটিও মালানাবাসীর দখলে। গাঁজার সবচেয়ে ভালো প্রজাতিটিই এই অঞ্চলে জন্মায় এবং মালানাবাসীরা নিজস্ব পন্থায় এই গাঁজাকে প্রক্রিয়াজাত করে। বিভিন্ন দেশের মাদকসম্রাটরা মালানা থেকে হাশিস তৈরির বিশেষ প্রক্রিয়া জেনে নেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে বলেও জানা যায়।

    মালানার অধিবাসীরা এইসব মাদক উৎপাদন পদ্ধতি গোপন রাখেন। নব্বইয়ের দশকে মালানায় একবার একসঙ্গে ১২ জন পর্যটকের লাশ পাওয়া যায়; তখন তাদের লাশ নিয়ে বিভিন্ন গল্প প্রচলিত হয়। তার মধ্যে অন্যতম হল, এরা পর্যটকের বেশে মালানায় উৎপাদিত বিভিন্ন মাদকের ফর্মুলা গোপনে বা জোরাজুরি করে জেনে নিতে চেয়েছিলেন। এর প্রতিক্রিয়ায় মালানার মাদক প্রস্তুতকারীরা তাদের হত্যা করে পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে ফেলে রাখে।

    গাঁজার উৎপাদন ভালো হয় পাহাড়ি ভূমিতে। এজন্য মালানা প্রাকৃতিকভাবেই গাঁজা চাষের উপযোগী। গাঁজা সরাসরি মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এ থেকে আরও উন্নত মানের মাদক তৈরি করা যায়। এর মধ্যে চরস ও হাশিশ খুবই বিখ্যাত। এর মধ্যে বাংলাদেশে প্রচলিত গাঁজার চুরুটের সঙ্গে চরসের বেশ মিল আছে। চরসে গাঁজা পাতার সঙ্গে বিভিন্ন ফুলের রস মিশিয়ে তা সেবন করা হয়। আর উন্নত প্রজাতির বাছাইকৃত গাঁজা বৃক্ষের যে স্থানে কুঁড়ি ধরে সেই স্থান থেকে সংগ্রহকৃত আঠা থেকে তৈরি করা হয় হাশিশ। মালানায় উৎপাদিত এই বিশ্বখ্যাত হাশিশকে মালানা ক্রিম নামেও অবিহিত করা হয়।

    হাশিশ একটি প্রাচীন মাদক, যা নেশাদ্রব্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। হাশিশ নিয়ে নানা কিংবদন্তি আছে। কথিত আছে, ক্রুসেডের সময়ে একদল দুর্ধর্ষ যোদ্ধাদের হাশিশ খাওয়ানো হত যাতে তারা প্রতিপক্ষের লোকদের নির্দ্বিধায় হত্যা করে ফেলতে পারে। ফলে হাশিশ অনেক আগে থেকেই ঘাতক মাদক। আর এই হাশিশের জন্যই সারা বিশ্বের অসংখ্য মাদকসম্রাট মালানায় ভিড় জমান।

    মাদক সম্রাটদের পাশাপাশি এখন প্রতিবছর বেশ কিছু পর্যটকও মালানায় ঘুরতে যান। তবে সবার জন্য কড়াকড়ি ব্যবস্থাপনা। গ্রামে ঢুকতে প্রথমেই একটি চেকপোস্ট। সেখানে আপনাকে তল্লাশি যতটা না মুখ্য, তার চেয়ে মুখ্য আপনি কী কারণে মালানায় প্রবেশ করতে চান তার সঠিক উত্তর দিতে পারা। যদি আপনি তাদের মনমতো উত্তর দিতে না পারেন তবে আপনাকে খালি হাতে ফিরে আসতে হতে পারে। যেটা একটু আগেই বলছিলাম। কারণ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

    ভেতরে প্রবেশের পর কোনো কিছু স্পর্শ করতে পারবেন না আপনি, এটাই আইন। কোনো কিছু স্পর্শ করে ফেললে গুনতে হবে জরিমানা। আপনি তাদের অভ্যন্তরীণ কোনো আলাপ-আলোচনা বুঝতে পারবেন না; কেননা তাদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা। সেই ভাষার নাম কানাসি। কানাসি নিয়ে দুটি মত প্রচলিত আছে।

    প্রথমত, সেখানে যেহেতু মাদকের মতো একটি নিন্দনীয় ব্যাবসা পরিচালিত হয়, যার সঙ্গে বিশ্বের বড়ো বড়ো মাদক ব্যবসায়ীদের সংযোগ, সেহেতু সেসব ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের থেকে নিজেদের কথাবার্তা গোপনে সেরে নিতে প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে তারা এই কানাসি ভাষা তৈরি করে নিয়েছে।

    দ্বিতীয়ত, এটি স্বতন্ত্র একটি ভাষা, যা প্রাচীনকাল থেকেই এখানকার অধিবাসীরা ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে, এই ভাষা ভারত কিংবা বিশ্বের অন্য কোথাও ব্যবহৃত হয় না। কানাসি ভাষার এই রহস্য উদ্ঘাটন করার জন্য সুইডেনের বিখ্যাত আপসালা বিশ্ববিদ্যালয় একটি গবেষণা চালায়। সেখানকার এক গবেষক বলেন, কানাসি একটি অলিখিত এবং অপরিচিত ভাষা। স্পষ্টভাবে এ ভাষাকে বিপন্নপ্রায় ভাষার অন্তর্ভুক্ত করা যায়। তিনি আরও বলেন, কানাসি ভাষা চিন-তিব্বতি ভাষা পরিবারের অন্তর্গত, যা মালানা গ্রামে ব্যবহৃত হয়। ইন্দো-আর্য ভাষা পরিবার থেকে কানাসি ভাষা পুরোপুরি আলাদা। ফলে এই ভাষা অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে, যা প্রাগৈতিহাসিক যুগের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি ভাষাবিজ্ঞানের যে ছক, তাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।

    তবে এই ভাষা এখনও ভাষাবিদদের কাছে রহস্যময়। হিমাচল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত ইনস্টিটিউট অফ ট্রাইবাল স্টাডিজের পরিচালক ভি কে ভয়েড বলেন, “মালানাবাসীর ভাষার সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের ভাষার কোনো মিল নেই। এমনকি কুল্লু রাজ দরবারে ব্যবহৃত ভাষার সঙ্গেও এর কোনো মিল পাওয়া যায় না। এটি বিভিন্ন ভাষার মিশ্রণে সৃষ্ট ভাষা হতে পারে। তারা তাদের ভাষায় ব্যবহার করে এমন ৫০০-৬০০ শব্দ আমরা সংগ্রহ করে গবেষণা চালাচ্ছি। এর মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করছি, কোন শব্দটি কোন ভাষা থেকে নেওয়া হয়েছে। এটা সফলভাবে করতে পারলে বোঝা যাবে, তাদের ভাষার আদি উৎস কী।”

    আমাদের কাছে কানাসি ভাষা এখন পর্যন্ত তাই রহস্যময়। শুধু তাদের ভাষাই রহস্যময় নয়; রহস্যময় তাদের ধর্মবিশ্বাসও। ভাষার মতোই প্রচলিত কোনো ধর্মেও তাদের বিশ্বাস নেই। অন্য কোনো ধর্মের সঙ্গে তাদের ধর্মের মিলও পাওয়া যায় না। একজন দেবতাকে কেন্দ্র করে তাদের ধর্মবিশ্বাস যাপিত হয়। সেই একমাত্র দেবতার নাম ‘জমলু ঋষি’। হিন্দু পুরাণগুলোতে এই ঋষির নাম পাওয়া যায়। তাই ধারণা করা হয়, মালানাবাসী এখনও আর্য-পূর্ববর্তী সময়ের সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী।

    ভারতবর্ষে সাধারণত দেখা যায়, প্রায় সকল দেবতার মন্দিরে পুজো হয়ে থাকে, কিন্তু জমলু ঋষির জন্য সে ধরনের কোনো পুজোর ব্যবস্থাপনা নেই। তবে উৎসবে তাকে সর্বশক্তিমান দেবতা হিসেবে স্মরণ করা হয়ে থাকে। প্রচলিত পদ্ধতিতে পুজো না করলেও সবার ঘরে ঘরে তার আধ্যাত্মিক বাণী সংরক্ষিত আছে। এছাড়া দুটি প্রাচীন মন্দির আছে, সেখানেও জমলু ঋষির বিভিন্ন বাণী দেয়ালে অঙ্কিত রয়েছে, কিন্তু কোনো পুজোর আয়োজন সেখানে হয় না।

    মালানা গ্রামের পরিচালনা পদ্ধতিতে এই জমলু ঋষির প্রভাব অত্যধিক। সমাজের একজন তার প্রতিনিধিত্বের শক্তি লাভ করেন। তাকে ‘গুরু’ নামে অভিহিত করা হয়। সমস্ত গ্রাম গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হলেও তার সিদ্ধান্তের গুরুত্ব থাকে সবার ওপরে।

    লেখার প্রথমে একটা কথা বলেছিলাম, মালানা কি বিশ্বের প্রাচীনতম গণতান্ত্রিক গ্রাম? এই উত্তর অনুসন্ধান করার আগে এই দাবি তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপট নিয়ে খানিকটা

    আলোচনা করা প্রয়োজন। গণতন্ত্রের আলোচনা আসলেই প্রাচীন নগর রাষ্ট্র গ্রিসের প্রসঙ্গ চলে আসে প্রথমেই। প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতকে গ্রিসের রাজধানী এথেন্স ও পার্শ্ববর্তী অন্যান্য শহরে যে রাজনৈতিক পদ্ধতি বিদ্যমান ছিল তা থেকেই গণতন্ত্রের উৎপত্তি।

    স্বভাবতই আমরা যখন মালানা গ্রামকে ‘প্রাচীনতম গণতান্ত্রিক’ গ্রাম বলছি, তখন নিশ্চয়ই সেই প্রাচীন গ্রিসের সঙ্গে এর কোনো ঘনিষ্ঠ সংযোগ রয়েছে; আর তা হচ্ছে, এখানকার অধিবাসীরা মনে করেন তারা গ্রিক বীর আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের বংশধর।

    এখন আমরা তাদের এই দাবির ন্যায্যতা নিয়ে কিছুটা অনুসন্ধান করব। ঐতিহাসিকদের সূত্রানুসারে, তাদের এই দাবির পক্ষে-বিপক্ষে মতামত রয়েছে। পক্ষের দাবি অনুসারে, আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট খ্রিস্টপূর্ব ৩২৬ অব্দে যখন ভারত অভিযানে আসেন তখন তার সঙ্গে বিপুল সংখ্যক শ্বেত সৈন্য ছিল। তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ভারতবর্ষে প্রায় ১৯ মাস অবস্থান করেন। কিন্তু যখন ভারত ত্যাগ করেন তখন আর সকল সৈন্যদের সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেননি।

    এমন একটি অংশকে তিনি হিমাচলের পাহাড়বেষ্টিত গ্রাম মালানায় বসবাস করার আদেশ দেন। সেসব প্রশিক্ষত সৈন্যরা যখন সেখানে বসবাস শুরু করে, তখন তারা তাদের মূল জন্মভূমি গ্রিসের আদলেই শাসনব্যবস্থা প্রণয়ন করে। সেই ব্যবস্থাপনা এখনও পর্যন্ত বজায় আছে। হিমাচলের স্থানীয় এক লোকগবেষকের লেখা একটি প্রবন্ধ পড়ে জানা যায়, আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সঙ্গে বা গ্রিকদের সঙ্গে মালানার অধিবাসীদের যোগসূত্রের একটি বিষয় আছে।

    কথিত আছে, আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সেনাবাহিনীর একটি অংশ ৩২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে একটি বিচ্ছিন্ন গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তারা ভারতের পাঞ্জাবে অবস্থিত পুরী রাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে আহত হয়েছিলেন। সেসব সৈন্যদের দৈহিক গঠনের সঙ্গে মালানার অধিবাসীদের মিল রয়েছে। পাশাপাশি সেসময়ের কিছু চিত্রকর্ম এখনও সংরক্ষিত রয়েছে। যেমন একটি চিত্রকর্মযুক্ত তরবারি সেখানকার একটি মন্দিরে সংরক্ষিত রয়েছে। তবে এই জন্মসম্বন্ধীয় সংযোগ ঐতিহাসিকদের দ্বারা স্বীকৃত নয়। এমনকি আমি সেখানকার অনেক অধিবাসীদের এ-বিষয়ে প্রশ্ন করলে তারা সঠিক কোনো উত্তর দিতে পারেননি; অনেকেই জানেন না এই উপকথার উৎপত্তি কীভাবে হয়েছে।

    গ্রিসের আদলেই মালানায় দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে। আইনসভায় উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ দুটি ভাগ রয়েছে। উচ্চকক্ষের সদস্যরাই মূল ক্ষমতার অধিকারী। এই কক্ষের সঙ্গে আবার জমলু ঋষির একটি আধ্যাত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। প্রত্যেক সদস্যই একমাত্র দেবতা জমলু ঋষির স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচিত।

    মালানা গ্রামের এক বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানিয়েছেন, দেবতাই চূড়ান্ত ক্ষমতাবান। আমরা তার প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হই মাত্র। এখানে তিন ধরনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রয়েছে, তাদের মধ্য অন্যতম ‘গুরু’। ‘গুরু’ হলেন প্রকৃত দয়ার সাগর, তার দয়া সমস্ত গ্রামকে ঘিরে রাখে, আমাদের রক্ষা করে। তিনি আমাদের পক্ষ হয়ে জমলু ঋষির সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

    অন্যদিকে মালানার অধিবাসীদের গায়ের রং অনেকটা সাদা; হিমাচলের মানুষ থেকে অনেকটা ভিন্ন। শরীরের গঠনও গ্রিকদের মতো। ফলে এটিও তাদের গ্রিক সংযোগের দাবিকে শক্তিশালী করে।

    সর্বোপরি, এই আইনসভার কারণেই মালানাদের গ্রিক সংযোগের দাবি সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে। যদি তাদের এই দাবি সঠিক হয়ে থাকে তবে মালানাই প্রাচীনতম গণতান্ত্রিক গ্রাম।

    তবে খেয়াল রাখতে হবে, প্রাচীন গ্রিসে যেসব গণতান্ত্রিক এলাকা ছিল তা ‘নগর’ বা ‘নগর রাষ্ট্র’ আর মালানা হল ‘গ্রাম’ অর্থাৎ বিশ্বের প্রাচীনতম গণতান্ত্রিক গ্রাম। আর সেজন্যই মালানার অধিবাসীরা সম্পূর্ণ সবুজে ঘেরা তাদের গ্রামকে বলে থাকেন ‘হিমালয়ের এথেন্স’।

    যে গ্রামের অধিকাংশ জিনিস আজও রহস্যে ঘেরা। মাদকদ্রব্যের মধ্যে বিশ্বে চরস খুবই বিখ্যাত। হিমালয়ের এই অঞ্চলে উৎপাদিত গাঁজা থেকে তৈরি করা চরস পৃথিবী বিখ্যাত। আর এই কারণে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক মানুষ এই গ্রামে শুধুমাত্র চরসের খোঁজে এই গ্রামে ঘুরতে যায় গবেষক কিংবা লেখক হিসেবে। আপনিও ভারতের ‘প্রাচীনতম গণতান্ত্রিক’ গ্রামে ঘুরতে ঘুরতে চলেই যেতে পারেন। হিমালয় প্রেমিক যারা হিমাচল যাবেন তারা কিন্তু অবশ্যই একটা চেষ্টা চালাবেন মালানা যাওয়ার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Next Article ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }