Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যে ঘেরা হিমালয় – অনিরুদ্ধ সরকার

    অনিরুদ্ধ সরকার এক পাতা গল্প270 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রহস্যে ঘেরা মানস-কৈলাস

    রহস্যে ঘেরা মানস-কৈলাস

    ভারত সরকারের তত্ত্বাবধানেও প্রতিবছর কয়েকশো তীর্থযাত্রী কুমায়ুন হিমালয়ের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম তিব্বতে প্রবেশ করে। উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় থেকে ৯ নম্বর জাতীয় সড়কে আসকোট। তারপর চুলা হাইওয়ে ধরে প্রচুলা পর্যন্ত। তারপর বাকি অংশ কৈলাস মানস সরোবর রোডে লিপুলেখ গিরিপথ পর্যন্ত মোট ১৮০ কিমির যাত্রা। গিরিপথ থেকে সরোবরের দূরত্ব ৯০ কিমি।

    ৬০০ কিমির অধিক দীর্ঘ পথ এটি। আপনি প্রথমে বিমানে দিল্লি থেকে কাঠমান্ডু চলুন। তারপর নেপাল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব তিব্বতে প্রবেশ করতে পারেন। কৈলাস ও মানস সরোবর পশ্চিম তিব্বতে অবস্থিত।

    কৈলাস গ্যাঙ্গডিস পর্বতের চূড়া, যা তিব্বতের হিমালয় পর্বতমালার একটি অংশ। এটি এশিয়ার বৃহৎ সিন্ধু নদী, শতদ্রু নদী, ব্রহ্মপুত্র নদ প্রভৃতি প্রাচীন নদীগুলোর উৎসস্থান। একে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন এবং ‘বন’ ধর্ম—এই চারটি ধর্মের তীর্থস্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কৈলাস পর্বতের কাছেই তিব্বতের মানস সরোবর এবং রাক্ষসতাল অবস্থিত।

    সংস্কৃতে কেলাস বা Crystal শব্দটি থেকে কৈলাস কথাটির উৎপত্তি। কারণ বরফে ঢাকা কৈলাসকে দেখে মনে হয় স্ফটিক। তিব্বতি ভাষায় এর নাম গাঙ্গো রিনপোচে। তিব্বতে বৌদ্ধ গুরু পদ্মসম্ভবাকে বলা হয় রিনপোচে। তাঁর থেকেই নামকরণ হয়েছে কৈলাস পর্বতের। অর্থ হল বরফের তৈরি দামি রত্ন।

    এটি অত্যন্ত পবিত্র একটি হ্রদ। বৌদ্ধধর্মানুসারে ত্রিপিটকে বর্ণিত পালি ভাষায়, ‘অনবতপ্ত” বা। ‘অনোতত্ত্ব’ হ্রদ হল মানস সরোবর। প্রচলিত কিংবদন্তি অনুসারে এই মহাপবিত্র হ্রদের কাছেই মায়াদেবী সিদ্ধার্থকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন।

    কৈলাস পাহাড়ের আবহাওয়ায় এমন কিছু আছে যাতে নাকি মানুষের চেহারায় বার্ধক্যের ছাপ দ্রুত ফুটে ওঠে। সাধারণভাবে মানুষের নখ-চুল যে হারে বাড়ে কৈলাস পাহাড়ে অন্তত ১২ ঘণ্টা কাটালে নাকি এই বৃদ্ধির হার দ্বিগুণ হয়ে যায়। এরকমই হাজারো বিস্ময়ের ধারক ও বাহক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ধ্যানস্থ মহাদেবের আবাস কৈলাস পর্বত।

    কৈলাস পর্বতকে দেবাদিদেব মহাদেবের আবাস বলে বর্ণনা করেছে হিন্দু পুরাণ। ২২০০০ ফিট উচ্চতাবিশিষ্ট এই পর্বত তার চেহারার দিক থেকেও স্বাতন্ত্রপূর্ণ। তার ওপরে এই পর্বতের সন্নিহিত মানস সরোবরের অবস্থান একে অন্য মহিমা দান করেছে। সবমিলিয়ে কৈলাস এক দুর্লভ তীর্থ। কিন্তু কৈলাসের রহস্যময়তাও কিছু কম নয়। কৈলাস সংক্রান্ত আলোচনায় বার বার উঠে এসেছে এমন কিছু রহস্য, যার সমাধান সম্ভব হয়নি কোনো কালেই।

    দেখা যাক কৈলাস-রহস্যের কয়েকটি বিষয়।

    এই কৈলাস পর্বতকে মানুষের তৈরি বলেও জানিয়েছেন অনেকেই। কোনো গোপন কাল্টের উপাসনাস্থল হিসেবে তাঁরা কৈলাসকে ব্যক্ত করেন। খুঁটিয়ে দেখলে কৈলাসের আকৃতি যে পিরামিডের মতো তা স্পষ্ট বোঝা যায়।

    পশ্চিম তিব্বতের এই পর্বত কেবল হিন্দুদের কাছেই নয়, জৈন, বৌদ্ধ, তিব্বতের প্রাচীন ‘বন’ ধর্ম—সব ক’টিই কৈলাসকে পবিত্র বলে মনে করে। কৈলাস পর্বতকে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈনধর্মের পবিত্র স্থান হিসেবে মানা হয়। আর হিন্দুরা মনে করে যে, দেবাদিদেব মহাদেব ওখানেই বাস করেন। বৌদ্ধরা মনে করে—কৈলাস পর্বতের অধিষ্ঠাতা দেবতা বুদ্ধ, আর জৈনরা মনে করে—তীর্থঙ্কর ঋষভনাথ এখানেই শান্তি খুঁজে পেয়েছিলেন। যে এই পাহাড়ে ওঠার চেষ্টা করেছে তারই নাকি মৃত্যু হয়েছে। শোনা যায়—কয়েক শতাব্দী ধরে বেশ কয়েকজন বেপরোয়া পর্বতারোহী কৈলাসে ওঠার চেষ্টা করেন, কিন্তু অদ্ভুতভাবে তারা উধাও হয়ে যান।

    কৈলাস পর্বত সম্পর্কে শোনা যায় এই পর্বতে কেউ নাকি উঠতে পারে না, এটাই এই পর্বতের বিশেষত্ব। অন্যান্য পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ করা গেলেও কৈলাসে আরোহণ অসম্ভব, অনেকেই চেষ্টা করেছেন, তবে পারেনি কেউই, কিন্তু কেন?

    ১৯৯৯ সালে রাশিয়ার ডাক্তার মুলদাশিক কৈলাস পর্বতের রহস্য উন্মোচনের জন্য কয়েকজন বিজ্ঞানীকে নিয়ে কৈলাস পর্বতের আশেপাশে বেশ অনেকদিন অতিবাহিত করেন। ডাক্তার মুলদাশিফ কৈলাস থেকে ফিরে ফিরে এসে একটি বই লেখেন-’Wheree dowe come from’ যেখানে কৈলাস সম্পর্কে অনেক কথা লেখেন তিনি। তিনি লেখেন-কৈলাস পর্বতে প্রাচীন একটি পিরামিড আছে যেটি ছোটো ছোটো আরও অনেক পিরামিড দিয়ে ঘেরা। এটির সূত্র মেক্সিকোর টেওটিহুয়াকান ও গিজা পিরামিডের সঙ্গে যুক্ত

    এক ব্রিটিশ গবেষক মানস কৈলাসের তদন্ত করার পর জানান—পিরামিড দিয়ে তৈরি এই পাহাড়ে রাতের নিস্তব্ধতায় পাহাড়ের ভেতর থেকে একটি আজব ফিশফিশের শব্দ আসে। কোনো এক রাতে কৈলাস পাহাড়ের ভেতর থেকে পাথর পড়ার আওয়াজ আসে। উনি আরও লেখেন—’কৈলাস পর্বতের এলাকা সোজাসুজি পৃথিবীর জীবনের সঙ্গে জড়িত। যখন তপস্বীদের রাজ্য তথা পিরামিড আর পাথরের দর্পণকে মিলিয়ে একটি যোজনাবদ্ধ নকশা বানানো হয় তখন সেটা দেখে হয়রান হয়ে যাই। কারণ সেই নকশা ডি.এন.এ. অণুর স্থানিক নকশা ছিল। কৈলাস পাহাড় নিয়ে গবেষণা করা বৈজ্ঞানিক নিকোলাই রোমনভ জানান—কৈলাস পর্বতের চারিদিকে একটি অলৌকিক শক্তি বয়ে চলে।’

    কৈলাস পর্বতে বাস হর-পার্বতীর। হিন্দুধর্মের সনাতন বিশ্বাস। আসুন জেনে নিই এই পবিত্র ভূখণ্ড নিয়ে কিছু কথা। শুধু হিন্দুধর্মই নয়। কৈলাস এবং মানস সরোবর পুণ্যভূমি বলে মনে করা হয় বৌদ্ধ জৈন এবং ‘বন’ ধর্মবিশ্বাসেও। ভৌগোলিকভাবে কৈলাস পাহাড় আছে তিব্বত মালভূমিতে চিন-তিব্বত ভূখণ্ডে। ছ’টি পর্বত শ্রেণি পদ্মফুলের পাপড়ির মতো ঘিরে আছে কৈলাস পাহাড়কে। ২২ হাজার ফিট উচ্চতার কালো পাথরের এই পাহাড়কে প্রাচীনকাল থেকেই পৃথিবীর স্তম্ভ বলে মনে করা হয়। যা নাকি ধরে রেখেছে পৃথিবীর ভর। শুধু ভারতেই নয়, ইউরোপের অকাল্টবাদীরা কৈলাসকে বিশেষ গুরুত্ব দেন। তাঁদের মতে, এখানে নানা ধরনের অতিপ্রাকৃত শক্তির অবস্থান। অনেকেই তাই বিনা বাধায় এটা নেনে নিয়েছেন যে এই কৈলাস যাবতীয় অতিপ্রাকৃতের কেন্দ্রবিন্দু।

    পুরাণ অনুযায়ী কৈলাস পর্বতের চারটি পাশ স্ফটিক, চুনি, সোনা এবং লাপিস লাজুলি দ্বারা গঠিত। এই তথ্য নিয়ে নানান বিতর্ক আছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে আলো পড়ে এইসব পাথর বা ধাতুর বিভ্রম কৈলাস অবশ্যই তৈরি করে।

    কৈলাস অঞ্চলে অবস্থিত হ্রদগুলির আকৃতিও কিন্তু বেশ রহস্যময়। মানস সরোবর পূর্ণ গোলাকার এক জলাশয়। রাক্ষসতালের আকৃতি অর্ধচন্দ্রাকার। এরা নাকি সূর্য ও চন্দ্রের শক্তিকে প্রকাশ করে।

    তিব্বতি তান্ত্রিক ঐতিহ্য অনুযায়ী কৈলাসে তাঁদের দেবতা ডেমচমংয়ের আবাস। হিন্দুদের মতে এখানে বাস করেন শিব। জৈন-ধারণায় কৈলাসের বাসিন্দা তাঁদের প্রথম তীর্থঙ্কর। এই তিন ধর্ম অনুসারে কৈলাসে আরোহণ নিষিদ্ধ। কেবল এটুকুই জানা যায়, ১১ শতকের তিব্বতি মহাযোগী মিলারেপাই একমাত্র কৈলাসে আরোহণ করেছিলেন।

    সংস্কৃতে ‘কৈলাস’ থেকে পর্বতের নাম কৈলাস। অনেকে বলেন, ‘কেলাস’ ইংরেজিতে ক্রিস্টাল অর্থাৎ স্ফটিক শব্দটি থেকে কৈলাস’ কথাটির উৎপত্তি। তিব্বতি ভাষায় এর নাম ‘গাংস রিনপোচে’। তিব্বতিতে ‘গাংস’ বা ‘কাং’ শব্দের অর্থ তুষারশৃঙ্গ; আর ‘রিনপোচে’ শব্দটি ব্যবহার করা হয় অমূল্য কিছুকে সে ব্যক্তি বা বস্তু, যা-ই হোক সম্মান জানাতে। যে কারণে তিব্বতি ধর্মগুরু পদ্মসম্ভবকে বলা হয় ‘গুরু রিনপোচে’ অর্থাৎ ‘অমূল্য প্রভু’। যা-ই হোক, ‘গাংস’ আর ‘রিনপোচে দুয়ে মিলে কৈলাস’ হল ‘তুষারের অমূল্য মণি’।

    কিংবদন্তি অনুসারে শুধুমাত্র বৌদ্ধ ধর্মগুরু মহাযোগী মিলারেপাই পা রাখতে পেরেছিলেন কৈলাসশীর্ষে। ফিরে এসে তিনি নিষেধ করেছিলেন এই পর্বত জয় করতে। আধুনিক পর্বতারোহীদের মতে, কৈলাস পর্বতের শীর্ষে ওঠা দুরূহ। পশ্চিম তিব্বতের ৬,৬৩৮ মিটার তথা ২১,৭৭৮ ফুট উঁচু এই পর্বত হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন এবং তিব্বতের প্রাচীন ‘বন’ ধর্ম, সকলের কাছেই এক পবিত্র তীর্থক্ষেত্র। হিন্দু পুরাণে কৈলাস পর্বতকে ‘শিবের লীলাধাম’ বলা হয়। শিব ও তাঁর সহধর্মিণী দুর্গা এবং তাঁদের অনুচরেরা কৈলাস পর্বতে বাস করেন। জৈনধর্ম অনুসারে, তাদের প্রথম তীর্থংকর আদিনাথ ঋষভদেব কৈলাসে নির্বাণলাভ করেন। ইউরোপের অকাল্টবাদীরা কৈলাস পর্বতকে বিশেষ গুরুত্ব দেন। তাদের মতে, এখানে অতিপ্রাকৃত শক্তির অবস্থান। অনেকের মতে, এই স্থান যাবতীয় অতিপ্রাকৃত ক্রিয়াকলাপের কেন্দ্র। মোদ্দা কথা, বিশ্ববাসীর কাছে কৈলাসের একটা আলাদা মাহাত্ম্য আছে।

    কৈলাসের অদূরেই মানস সরোবর, তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে এর দূরত্ব ১,২১৩ কিমি। পুরাকালে ব্রহ্মা কৈলাস পর্বতে মানসিক শক্তির সাহায্যে এক সরোবর নির্মাণ করেন। ব্রহ্মার মানস-উদ্ভূত, তাই নাম ‘মানস সরোবর’। মানস সরোবর পাহাড়ে ঘেরা হ্রদ বটে, তবে এক সমুদ্র বিশেষ। ৪০০ বর্গকিমিরও বেশি এলাকা জুড়ে এর বিস্তৃতি। দেখতে অনেকটা ডিম্বাকার। পূর্ব দিকে সাড়ে ২৫ কিমি, দক্ষিণে ১৬ কিমি, পশ্চিমে প্রায় ২১ কিমি এবং উত্তরে ২৪ কিমি। কোনাকুনি দৈর্ঘ্য সাড়ে ২২ কিমি থেকে ২৫ কিমি। সাগরবক্ষ থেকে ১৫,০৬০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই হ্রদের সর্বাধিক গভীরতা ৩০০ ফুট পর্যন্ত পাওয়া গিয়েছে। পশ্চিম দিকে রাক্ষসতাল তথা রাবণ হ্রদ ও উত্তর দিকে কৈলাস পর্বত। ১৫,০১০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত রাক্ষসতালও কিছু কম যায় না। এর বিস্তৃতি ২৫০ বর্গকিমি এলাকা জুড়ে।

    বাংলা ভাষায় একটা কথা আছে—’মান্ধাতার আমল’। সেই রাজা মান্ধাতাই নাকি প্রথম মানস সরোবরের সন্ধান পান। এই হ্রদের তটেই তিনি ধ্যাননিমগ্ন থাকেন। তাই তাঁর নামে সরোবরের দক্ষিণ তীরের শৈলশ্রেণির নামকরণ করা হয় মান্ধাতা শৈলশ্রেণি, গুরলা মান্ধাতা। পুরাণ মতে, মানস সরোবর ৫১ সতীপীঠের অন্যতম। দেবীর হস্তখণ্ড পতিত হয়েছিল এই স্থানে। মহাকবি কালিদাসের ‘মেঘদূত’ এবং ‘কুমারসম্ভব’-এ কৈলাস ও মানস সরোবরের উল্লেখ আছে। সপ্তম শতাব্দীর বিখ্যাত নাট্যকার কবি বানভট্ট তাঁর ‘হর্ষচরিত’ গ্রন্থে মানস সরোবরকে ‘পদ্মদিঘি’ হিসেবে বর্ণনা করেন। এছাড়া অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানও এখানে সাধনা করেছন।

    দেবতাত্মা হিমালয়কে আক্ষরিক অর্থে উপলব্ধি করা যায় একমাত্র মানস-কৈলাসে এলেই। কৈলাসের রহস্য অসীম। কিন্তু তার পার্শ্ববর্তী মানসের রহস্যও কিছু কম নয়। এখানে উল্লিখিত হল মানস-সংক্রান্ত রহস্যের কয়েকটি। মানস সরোবরে রাত কাটাতে এসে অনেকেই দেখেছেন রাতের অন্ধকার আকাশে দু’টি উজ্জ্বল আলো দপদপ করছে। একটু নজর করে দেখা গিয়েছে একটি আলো অন্যটিকে অনুসরণ করছে। সাদা রঙের এই আলোগুলি বিন্দুপ্রতিম। কিন্তু এরা এতটাই উজ্জ্বল যে, এদের দিকে নজর যেতে বাধ্য। মাঝে মাঝে এই আলোর দাক্ষিণ্যে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে মানস। চোখ ফেরানো কঠিন হয়ে ওঠে তখন সেই সৌন্দর্য থেকে। এই আলোর প্রকৃত সত্য আজও অনাবিষ্কৃত। লোকবিশ্বাস, ভোর রাতে শিব-পার্বতী মানস সরোবরে অবগাহন করতে আসেন। এই আলোর শিখাই আসলে দেবাদিদেব মহেশ্বর ও পার্বতী। আবার কিছু মানুষের বিশ্বাস—আপনি যদি এই আলোগুলি দেখতে পান তাহলে তা হল কৈলাসে আপনার আত্মোপলব্ধি হয়েছে। শিখাদুটি আত্মোপলব্ধির শিখা। যদিও তা মানতে অনেকেই রাজি নন। অতএব এর পেছনে থেকে যাওয়া প্রকৃত সত্য কী তা আজও অনেকের কাছে অজানা।

    প্রায়শই অনেকেই ব্রাহ্মমুহূর্তে মানস সরোবরে জলোচ্ছ্বাসের শব্দ শুনতে পেয়েছেন, তার তীরে তাঁবুতে বাসরত পুণ্যার্থী-পর্যটকদের অনেকেই। কেউ কেউ সেই সময়ে শুনেছেন গহনার ঝনাৎকারও। কেউ কেউ দাবি করেছেন, তাঁরা সরোবরের জলে আলোড়ন দেখেছেন। কিংবদন্তি অনুসারে ব্রাহ্মমুহূর্তে নাকি সপ্তর্ষিমণ্ডল থেকে সাত ঋষি নেমে আসেন সরোবরের পবিত্র জলে স্নান করতে। এই জলোচ্ছ্বাস নাকি তাঁদেরই দ্বারা সৃষ্ট।

    আর একটি বিষয়েও মানস সরোবর অনন্য। খুব খারাপ আবহাওয়াতেও এই সরোবরের জল স্থির থাকে। এমনকি, মানসের যমজ হ্রদ রাক্ষসতাল যখন ঝড়ে-ঝঞ্ঝায় উত্তাল, মানস তখন একাবারেই স্থির। এই রহস্য ভূবিজ্ঞানীদের যথেষ্ট প্রহেলিকায় রেখেছে দীর্ঘকাল ধরে।

    আমরা ছোটোবেলা থেকে শুনে আসছি কৈলাস শিব ঠাকুরের বাড়ি। সেখানে দেবাদিদেব মহাদেব জগজ্জননী মাতা পার্বতীকে নিয়ে থাকেন। সেখানে কার্তিক-গণেশ থাকেন। আরও থাকেন ভূতনাথের অনুচর নন্দী-ভৃঙ্গী প্রমুখ। যাই হোক হিন্দুদের চির পবিত্র তীর্থভূমি কৈলাস, সঙ্গে মানস সরোবর। কত সাধু-সন্ত এখানে তপস্যা করেছেন যুগে যুগে। কৈলাস ও মানস সরোবর এখন ভারতের অংশ নয়। কারণ চিন তিব্বত দখলের পর হিমালয়ের ওই অংশ এখন চিনের।

    হিন্দুদের প্রাচীনতম পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ঋগবেদ কৈলাস কিংবা মানস সরোবরের কথা না থাকলেও মেরু পর্বতের কথা আছে। অনেকে এই মেরু পর্বতকেই বেদের দেবতা রুদ্রের আবাস্থল গণ্য করেন। ঋগবেদের রুদ্র শিবেরই সমার্থক। সেকালে সুমেরু পর্বতকে পৃথিবীর মধ্যবিন্দু হিসেবে গণ্য কর হত। পৌরাণিক যুগে এসে আমরা কৈলাস ও মানস সরোবরের নানা বর্ণনা পাই। বাল্মীকি রামায়ণের বালকাণ্ডে সরযু নদীর উৎপত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে ব্রহ্মা কৈলাস পর্বতে তার মন থেকে এক সরোবর সৃষ্টি করেছেন, তাই তার নাম মানস সরোবর। সরোবর থেকে নিঃসৃত নদী তাই তার নাম সরযু।

    এই মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি হয়েছে মহাপবিত্র চারটি নদী যথাক্রমে: সাংপো বা ব্রহ্মপুত্র, সিন্ধু, শতদ্রু এবং বর্ণলী বা ম্যাপ ছু। এই বর্ণলী নদী নেপাল হয়ে ভারতে এসে মেশে কালী নদীর সঙ্গে আর কালী নদীর উপনদী হল সরযূ। বাল্মীকি রামায়ণে এসব পৌরাণিক ভাষায় প্রায় হবহু বর্ণিত আছে। মহাভারতের বিখ্যাত রাজা মান্ধাতা প্রথম মানস সরোবরের খোঁজ পান। তিনি সেখানে তপস্যা করেন, তাই তার নামে সরোবরের দক্ষিণ তীরের শৈলশ্রেণির নামকরণ করা হয়, যার নাম গুরলা মান্ধাতা।

    এখানে কৈলাসকে দেবাদিদেব শিব জ্ঞানে পুজো করা হয়। তীর্থযাত্রীরা বেলপাতা ধূপ কর্পূর ইত্যাদি সঙ্গে করে নিয়ে যান। এখানে অনেক সাধনগুহা আছে। বহু সাধক এখানে সাধনা করেছেন। তার মধ্যে একজন হলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী প্রণবানন্দজি মহারাজ। তিনি প্রথম কৈলাসে যান ১৯২৮ সালে, তারপর ১৯৩৬-৩৭ সালে এবং তৃতীয়বার ১৯৪৩-৪৪ সালে। তিনি এখানে সাধনভজন করেন, নৌকো নিয়ে মানস সরোবর ভ্রমণ করেন। তিনি প্রথম বর্ণনা করেন কীভাবে শীতকালে সরোবরের জল জমে যায় আবার কেমন করে সেটা গলে জল উৎপন্ন হয়। তিনি ব্রহ্মপুত্র, সিন্ধু, শতদ্রু এবং বর্ণলী নদীগুলির উৎসমুখ পরিদর্শন করে তার সঠিক বিবরণ দেন। ১৯৩৮ সালে তাঁর ‘Pilgrims companion to the holy kailas and manasarovar’ বইটি প্রকাশিত হয়। ১৯৩৯ সালে বের হয় ‘Exploration in tibet’। তিনি এই অঞ্চলের সঠিক মানচিত্র তৈরি করেন, যেটি সার্ভে অফ ইন্ডিয়া নির্ভুল বলে গণ্য করে। ১৯৪৯ সালে তার “kailas manasarovar’ প্রকাশিত হয় ইংরেজিতে।

    এই পবিত্র মানস সরোবরে স্নান করে তীর্থযাত্রীরা কৈলাস শিখরের দিকে মুখ করে বসে শিবপুজো করে থাকেন।

    পুরাণ মতে মানস সরোবর ৫১ পীঠের অন্যতম একটি পীঠস্থান। এই পীঠের দেবী দ্রাক্ষায়ণী ভৈরব অমর। সরোবরের পশ্চিম তীরে একটি ছোটো পর্বতে অনেকগুলি গুহা আছে। তার মধ্যে সব থেকে বড়ো যেটি সেখানে রয়েছে হর পর্বতীর মূর্তি ও শিবলিঙ্গ। ওপরে একবার বলে এসেছি কোন কোন পুরাণে সুমেরু পর্বতকে কৈলাস পর্বত বলা হয়েছে। ব্রহ্মপুরাণের ৩৯তম অধ্যায়ে বলা হয়েছে—সুমেরু পর্বতে জ্যোতিস্থল নামে এক রত্নময় বিচিত্র শৃঙ্গ আছে। ওই শৃঙ্গ সর্ব লোকের নমস্কৃত, অপ্রমেয় ত্রিলোকবাসীরা এর পুজো করে থাকে। পুরাকালে দেবাদিদেব মহাদেব ওই রত্নখচিত গিরিতটে উপবিষ্ট ছিলেন। তার পাশেই বসেছিলেন দেবতারা। এছাড়া ছিলেন অশ্বিনীকুমারদ্বয় এবং কৈলাসের রাজা বৈশ্রবণ। সবাই মহাদেবের উপাসনা করেছিলেন। মহাভারতে যুধিষ্ঠিরের রাজসূয় যজ্ঞের সময় অর্জুন হিমালয় এবং তিব্বত অঞ্চল জয় করে ওই স্থানের রাজাদের থেকে যজ্ঞের জন্য বহু ধনরত্ন নিয়ে আসেন। ব্যাসদেবও কৈলাসে গিয়েছিলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে নিয়ে কৈলাস ভ্রমণে যান।

    কৈলাসের অবস্থান ইয়ালাং-সাংপো সন্ধিতে, এখানেই ইওসিন যুগের মহাদেশগুলো মিলিত হয়েছিলো আর আশেপাশের পাললিক শিলার রূপান্তর ঘটিয়েছিল। এই কংগ্লোমারেটের সঙ্গে শিলার ভার্টিক্যাল জয়েন্ট একত্রিত হয়ে, বরফ আর শিলার গায়ে তৈরি করেছিল একটা স্বস্তিকা। স্বস্তিকা, যেটা পবিত্রতার চিহ্ন, প্রায় সব কয়টি ধর্মে। স্বস্তিকা, যেটাকে গত শতাব্দীতে নাৎসিরা ব্যবহার করেছিল।

    তিব্বতে বৌদ্ধধর্ম নিয়ে এসেছিলেন যে পদ্মসম্ভব আর প্রথম জৈন হিসেবে খ্যাত তীর্থংকর, দুজনেই এখানে বোধিপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। আঞ্চলিক তিব্বতীয় বনপো ধর্মের মানুষ একে ডাকে নয়তলা স্বস্তিকা পর্বত নামে। এর চূড়াতে কোনো বরফ জমে না, কারণ এটা এতটাই খাড়া। বরফ নীচে পড়ে যায়, গলে যায়, আর উৎপত্তি হয় পবিত্র সেই নদীগুলোর। এই মরুভূমির মতো এলাকাতে এটাই শ্বেতশুভ্র পর্বত হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে, হিমালয়ের প্রথম ও প্রধান রেঞ্জ হিসেবে।

    কেউ এখন পর্যন্ত এর চূড়ায় ওঠেনি, যদিও লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রী হাজার হাজার বছর ধরে এই সরোবরের চারপাশে ঘুরেছে, জ্ঞান আর পুনর্জন্মে সুখী হবার আশায়। অনেকেই বারবার অবনত হয়ে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেছে এর চারপাশে যে ৫০ কিলোমিটার ট্র্যাক আছে, সেই পথে হাঁটতে হাঁটতে। পর্বত আরোহণ জগতের বিখ্যাত নক্ষত্র রেইনহোল্ড মাইসনার এর চূড়াতে আরোহণ করার জন্য চায়না সরকারের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।

    ২০১৫ সালে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রার জন্য তিব্বত যাওয়ার দ্বিতীয় নাথুলা পাস খুলে দিয়েছিল চিন। ৫৩ বছর পর পর্যটকদের জন্য খুলে দেয় এই পথ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪০০০ মিটার উচ্চতায় সিকিমের এই নাথুলা পাসের উদবোধনের কথা চিন সফরের সময় ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০১৩ সালে উত্তরখণ্ডে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এই নাথুলা পাস। উদ্বোধনের পর নাথুলা পাস পেরিয়ে তিব্বতে যান ৪৪ জন তীর্থযাত্রী। প্রথম দফায় কৈলাস মানস সরোবর যাত্রার অনুমতি পেয়েছিলেন ২৫০ জন তীর্থযাত্রী। তীর্থযাত্রীদের মধ্যে বয়স্ক মানুষ বেশি থাকেন। তাই বয়স্কদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেয় চিনা দূতাবাস। প্রথম পদযাত্রী হিসেবে নাথু লা পেরোন ভারতের চিনা রাষ্ট্রদূত লে ইউচেং। এই পথের সাহায্যে নাথুলা থেকে কৈলাসের ১,৫০০ কিলোমিটার পথ বাসে যাতায়াত করতে পারবেন তীর্থযাত্রীরা। এই পথ পুরোনোটির থেকে বেশি সুরক্ষিত বলে জানিয়েছেন লে ইউচেং। এর মধ্যেই তিব্বতে শুরু হয়ে যায় নতুন ভারতীয় হোটেল তৈরি, গাইডদের ট্রেনিং দেওয়ার কাজ। পুরোনো পথে দুর্গমতা সত্ত্বেও গত এক দশকে ৮০,০০০ মানুষ কৈলাসযাত্রা করেন। প্রতি বছর ১৮টি দলে মোট ১০০০ জন তীর্থযাত্রী কৈলাস মানস সরোবর যাত্রার অনুমতি পান বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। ২৩ দিনের তীর্থে মাথাপিছু খরচ পড়ে প্রায় ২ লক্ষ টাকা।

    উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ পাস এবং সিকিমের নাথুলা দিয়ে মানস সরোবর যাওয়া যায়। ২০১৭ সালে ডোকা লা সমস্যা চলাকালীন নাথুলা দিয়ে ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের মানস সরোবর যাওয়ার পথ বন্ধ করে দেয় চিন।

    মানস কৈলাস আপনি চাইলেই যেতে পারবেন এমনটা মোটেও নয়। অনেক নিয়ম বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে পৌঁছোতে হয় কৈলাস। সবচেয়ে বড়ো কথা মহাদেব যদি চান তবেই আপনার যাত্রা সফল হবে।

    জাতি-ধর্ম -বর্ণ নির্বিশেষে মানস কৈলাস এক বিচিত্র জায়গা। দেবাদিদেব মহাদেবের তপস্যাস্থল। অতএব যখনই কৈলাস যাবেন একগুচ্ছ বিস্ময় আপনার জন্য অপেক্ষা করে থাকবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Next Article ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }