Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যে ঘেরা হিমালয় – অনিরুদ্ধ সরকার

    অনিরুদ্ধ সরকার এক পাতা গল্প270 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রহস্যময় মন্ত্র ‘ওম মণিপদ্মে হুম’

    রহস্যময় মন্ত্র ‘ওম মণিপদ্মে হুম’

    হিমালয়ের পাহাড়ি এলাকায় বেড়াতে গেলে দেখবেন অজস্র জায়গায় একধরনের কাপড়ের চেন ফ্ল্যাগ ঝুলছে। যাকে তিব্বতিরা ‘প্রেয়ার হুইল’ বলে। এই প্রার্থনা পতাকা কারও কারও গাড়িতেও ঝোলানো থাকে। বাইকের সামনে, বাড়ির দরজায় ঝোলানো থাকে। আর সেই ফ্ল্যাগগুলির নান-রঙের ছোট্ট ছোট্ট বক্সের মত অংশটিতে লেখা থাকে “ওম মণিপদ্মে হুম” কথাটি। প্রচুর বৌদ্ধ মনাস্ট্রির দরজায়, মঠের দেয়ালেও লেখা থাকে এই কথাটি। এই কথাটির মানে কী?

    হিমালয়ের অজস্র মঠ মনাস্ট্রি ঘোরার অভিজ্ঞতা থেকে আজ ‘ওম মণিপদ্মে হুম’ মন্ত্রটির নেপথ্যের যে বিরাট ইতিহাস ও মিথ লুকিয়ে আছে সেই গল্পেরই কিছু অংশ এটি। কারণ এই শব্দটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে হলে আস্ত একখানা বই লেখা হয়ে যাবে।

    হাজার হাজার বছর ধরে হিমালয়ের উত্তর অংশে দাঁড়িয়ে আছে তিব্বত নামের রহস্যময় এক রাজ্য। আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগের কথা। দুর্গম পর্বতমালা, কঠোর আবহাওয়া, তুষারের শীতলতাসহ সকল প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে, ক্লান্তিকর দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে, ভারতের বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং-এর দুর্গম রাস্তা ধরে ১০৪২ সালে আমাদেরই বাংলাদেশের এক কৃতি সন্তান পৌঁছোলেন তিব্বতে। সঙ্গে সঙ্গে একদল ঘোড়সওয়ার ছুটে এসে তাঁকে অভ্যার্থনা জানাল। সেই ঘোড়সওয়ারদের হাতে তীক্ষ্ণ বর্ষার মাথায় পতপত করে উড়ছে শ্বেত পতাকা, সুর তোলা বাদ্যযন্ত্রে বাজছে স্বাগত বাজনা আর সেই সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে পবিত্র মন্ত্র—’ওম মণিপদ্মে হুম।’

    তিব্বতের গু-জে-এর রাজা স্বয়ং গার্ড অব অনার দিয়ে বরণ করেছিলেন বাংলার এই জ্ঞানতাপসকে, নাম তাঁর শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্কর। অতীশ দীপঙ্করের জন্ম বাংলার বিক্রমপুর পরগনার বজ্রযোগিনী গ্রামে। তাঁকে ‘11th century Tibetan Buddhist master’ বা ‘একাদশ শতাব্দীর তিবেতান বুদ্ধগুরু’ বলা হয়।

    ওম মণিপদ্মে হুন মন্ত্রটি বাংলার বজ্রযানী তান্ত্রিক বৌদ্ধদের মন্ত্র হলেও বহির্বিশ্বে এই মন্ত্রকে তিব্বতের মন্ত্র হিসেবেই সবাই জানে।

    খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ শতক থেকে ৪০০ খ্রিস্টাব্দ এই ৮০০ বছর ধরে তৎকালীন বাংলায় বৌদ্ধ ভাবধারা বিস্তার লাভ করে। আর সেই সময়ে বাংলায় ধীরে ধীরে বৌদ্ধধর্ম বিস্তার লাভ করে। বৌদ্ধরা দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়ে। একটি ‘মহাযান’ ‘এবং অন্যটি ‘হীনযান’। ‘মহাযান’ অর্থ-’মহৎ মার্গ’ অর্থাৎ যে মহৎ পথে যান বা শকট চলে সেই পথ। মহাযানীরা মনে করেন প্রতিটি মানুষের ভেতরেই বুদ্ধ বিদ্যমান। সে বুদ্ধত্ব অর্জন করতে হলে দরকার সাধনা ও জ্ঞানের, প্রজ্ঞার। যে ব্যক্তি বুদ্ধ নির্দেশিত নির্বাণে উপনীত হতে এবং বুদ্ধত্ব লাভে আগ্রহী, সে যে মহৎমার্গ বা উপায় অবলম্বন করে তারই নাম ‘মহাযান’। হীনযানীরা বুদ্ধত্ব লাভে আগ্রহী নয়, তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের এবং তপস্যার মাধ্যমে নির্বাণ লাভে আগ্রহী। এজন্য মহাযানীরা এ মতকে হীন মনে করে। দুটি সম্প্রদায়ের বিভক্তির এটিই মূল কারণ।

    ৫২০ খ্রীষ্টাব্দে গুপ্তযুগের পতনের পরে ভারতবর্ষে ধর্ম ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বেশ অবনতি ঘটেছিল। গুপ্তযুগের সমাপ্তির পর থেকেই মায়াবিদ্যা ও যৌন-অতীন্দ্রিয়বাদের আদিম ধারণা ভারতীয় ধর্মে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছিল।

    এই ধারণা বৌদ্ধমতকেও প্রভাবিত করেছিল। যার ফলে অষ্টম শতকে বাংলা ও বিহারে মহাযান বৌদ্ধধর্ম পরিবর্তিত হয়ে ‘বজ্রযান’ নামে একটি মতবাদ গড়ে ওঠে। বিক্রমপুর বা বিহারের বিক্রমশীলা মঠটি ছিল বজ্রযানী বৌদ্ধদের অন্যতম সাধনমার্গ। একাদশ শতকে এই মঠের বজ্রযানী সাধকগণ তিব্বতে ধর্ম প্রচার করতে গিয়েছিলেন। তাদেরই নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অতীশ দীপঙ্কর। এই বজ্রযানী সম্প্রদায়ের প্রধান মন্ত্র হল, ‘ওম মণিপদ্মে হুম’। যার শাব্দিক অর্থ দাঁড়ায় ‘মণিই প্রকৃত পদ্ম। কিন্তু এই মন্ত্রের মাঝেই লুকিয়ে আছে সম্পূর্ণ বজ্রযান তথা বুদ্ধের সমস্ত শিক্ষা।

    ‘ওম মণিপদ্মে হুম’ ছয়টি শব্দাংশের সমন্বয়ে গঠিত একটি সংস্কৃত মন্ত্র, যা বৌদ্ধ সভ্যতার চার হাতওয়ালা ছায়াদেবতা ‘অবলোকিতেশ্বর’-এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। অবলোকিতেশ্বর হলেন বোধিসত্ত্বগণের অন্যতম। যিনি সকল বোধিসত্ত্বের মধ্যে প্রকাশমান করুণার আধার। মূলধারার মহাযান বৌদ্ধধর্মে ইনিই হলেন সর্বাধিক পূজিত বোধিসত্ত্ব এবং সর্বাপেক্ষা অধিক সমাদৃত। অবলোকিতেশ্বর বোধিসত্ত্ব প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে যতক্ষণ এই পৃথিবীতে একটিও প্রাণী বদ্ধ থাকবে ততক্ষণ তিনি নির্বাণলাভ করবেন না। অবলোকিতেশ্বর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন তিব্বতি ভাষায় তাঁর নাম ‘চেনারেজিং’।

    তিনি হাতে পদ্ম ধারণ করে থাকেন বলে কখনো ‘পদ্মপাণি’ হিসেবেও অভিহিত হন। আবার তিনি লোকেশ্বর অর্থাৎ জগতের প্রভু নামেও পরিচিত। তিব্বতি বৌদ্ধধর্মানুসারে অবলোকিতেশ্বর দলাই লামা এবং কারমাপা রূপে জীবকুলের মঙ্গলার্থে এই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছেন।

    বজ্রযানীগণ বিশ্বাস করতেন দেবদেবীদের করুণা ভিক্ষা করে লাভ নেই। এদের বাধ্য করতে হবে। যে গ্রন্থে এই বাধ্য করার উপায় সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় ‘তন্ত্র’। মন্ত্র এবং যন্ত্র -এ দুই হল বজ্রযানের সাধনার উপকরণ। যে কারণে বজ্রযানকে বলা হয় ‘তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্ম’। আর ‘যন্ত্র’ হল ‘মোহিনী প্রতীক’, যা সঠিকভাবে আঁকতে হয়। মোহিনী প্রতীক হল ‘Religious Symbolism’, যা মার্কিন লেখক ড্যান ব্রাউন আধুনিক পাঠকের কাছে অনেকাংশে পরিচিত করে তুলেছেন। আর পদ্মকে বৌদ্ধধর্মে বিশুদ্ধতার প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে।

    বজ্রযানীদের প্রধান দেবী হলেন তারা। ইনি ছিলেন বুদ্ধ এবং বোধিসত্ত্বদের স্ত্রী। মাতঙ্গী, পিশাচী, ডাকিনী, যোগীনি প্রমুখ তুচ্ছ দেবীও বজ্রযানীদের আরাধ্য ছিল। “ওম মণিপদ্মে হুম’ মন্ত্রটি বুদ্ধ এবং প্রজ্ঞাপারমিতার এবং বোধিসত্ত্ব এবং তারাদেবীর মিলনের প্রতীক।

    মহাযানী পন্থার অন্যতম দেবী ছিলেন প্রজ্ঞাপারমিতা। মহাযানীরা বুদ্ধত্ব লাভে আগ্রহী এবং বোধিসত্ত্ব মতবাদে বিশ্বাসী। বোধিসত্ত্ব হচ্ছেন তিনি, যিনি বারবার জন্মগ্রহণ করেন এবং অপরের পাপ ও দুঃখভার গ্রহণ করে তাদের কামনা বাসনাদূর করেন। মহাযানীপন্থায় যে কয়েকজন বোধিসত্ত্ব রয়েছেন তার মধ্যে অবলোকিতেশ্বর, মঞ্জুশ্রী এবং বজ্রপাণি প্রধান। প্রজ্ঞাপারমিতাকে বোধিসত্ত্বেরই গুণাবলির মূর্ত রূপ বলে মনে করা হত। বোধিসত্ত্বদের স্ত্রী কল্পনা করা হয়েছিল।

    এই দেবীই ছিলেন দেবতাদের প্রকৃত শক্তি। দেবতাকে মনে করা হত সুদূর এবং অজ্ঞেয় এবং দেবীকে সক্রিয় মনে করা হত। মহাযানীরা বিশ্বাস করতেন যে দেবতাকে পেতে হলে দেবীর সাহায্য নিতে হয়। আর তারজন্য প্রধান্য দেওয়া হয়েছিল অতীন্দ্রিয়বাদ।

    সে যাই হোক, “তম মণিপদ্মে হুম’ মন্ত্রটিকেই বুদ্ধ ধর্মের সকল শিক্ষার বীজ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ওম, মা, নি, পদ, মে, হুম এই ছয়টি শব্দাংশের সমন্বয়ে গঠিত মন্ত্রটির প্রতিটি শব্দাংশ আলাদা আলাদা শিক্ষা প্রদান করে। শব্দগুলো সাধারণত কিছু পবিত্র পাথর, যা ‘মণি পাথর’ নামে অভিহিত করা হয় তার গায়ে খোদাই করা থাকে। অথবা কাগজ বা কাপড়ে লিখে প্রার্থনাচক্রে বা প্রেয়ার হুইলে লাগানো থাকে। এই মন্ত্রটি চক্রে একবার ঘোরানো হলে এর পর যতবার ঘুরতে থাকে ততবারই মন্ত্রটি উচ্চারিত হয় বলে ধারণা করা হয়। শব্দগুলোকে বিভিন্ন বৌদ্ধ মনাস্ট্রিতে নানাভাবে অনুবাদ করে থাকে।

    অনেক ভাষাবিদই মনে করেন যে ‘মণিপদ্ম’ একটি যৌগিক শব্দ। সংস্কৃতে কোনো বড়ো হাতের অক্ষর না থাকায় মন্ত্রটি অনুবাদ করতে গিয়ে বড়ো ও ছোটো হাতের অক্ষরজনিত কারণে এর ভাবার্থ পরিবর্তিত হয়ে যায়।

    ‘মণিপদ্ম’-কে একত্রে ‘পদ্মের রত্ন’ বা ইংরেজিতে ‘লোটাস ইন দ্য জিয়েল’ বলা হয়। সংস্কৃতে ‘মণি’-কে কখনো কখনো দেবী চিন্তামণির সঙ্গেও তুলনা করা হয়ে থাকে; পদ্মফুলের মাঝে যার অবস্থান।

    ডোনাল্ড লোপেজের মতে, বৌদ্ধসভ্যতার দেবতা অবলোকিতেশ্বরের একটি উপাধিকে নির্দেশ করে মণিপদ্ম। এটি পূর্বে ‘ওম’ ও পরে ‘হুম’ শব্দের মাঝে অবস্থিত, যা ভাষাগত অর্থ ছাড়াই ব্যবহৃত হয়।

    লোপেজ আরও বলেন যে, অধিকাংশ তিব্বতি বৌদ্ধগ্রন্থে মন্ত্রকে অনুবাদ মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। যেমন—চেংরিগ সাধনায় এই ছয়টি শব্দ ছয়টি রাজ্যের অস্তিত্বের প্রতিনিধিত্ব করে।

    পদ্মফুল বিশুদ্ধতার প্রতীক। সুতরাং ‘প্রকৃত পদ্ম’; মানে ‘প্রকৃত বিশুদ্ধতা’ হতে পারে। তাহলে ‘মণি” শব্দটি কী অর্থে ব্যবহার করা হচ্ছে? এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, এই মন্ত্রের মধ্যেই বুদ্ধের শিক্ষা রয়েছে। বৌদ্ধ দর্শন অনুযায়ী প্রতিটি মানুষের মধ্যেই বুদ্ধ-প্রকৃতি বিদ্যমান। আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই বিশুদ্ধতার বীজ রয়েছে, এটার উন্নয়ন সাধন করে বুদ্ধত্বে রূপান্তরিত করতে হবে। আমাদের সাধারণ দেহ, বাক্য ও মন বিশুদ্ধ হয়ে রূপান্তরিত হবে বুদ্ধের পবিত্র দেহে, বাক্যে ও মনে। আর ‘ওম মণিপদ্মে হুম’ সেই পথটির অনুশীলন করে।

    স্বামী শিবানন্দ এক লেখায় লিখছেন, ওম মানে হল ‘সব’ বা অল। ‘ওম’ হল ইশ্বর ও ব্রহ্মার নাম ও প্রতীক। ‘ওম’ হল জগতের আদি নামশব্দ কিংবা উচ্চারণ। ওম মানবের ত্রিগুণিত অভিজ্ঞতাকে নির্দেশ করে। ওম থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে। সমগ্র মহাবিশ্ব টিকে আছে এই ‘ওম’-এর ওপর আবার বিলীনও হবে ‘ওম’-এ।

    ওম শব্দটিকে বিচ্ছেদ করলে আমরা পাই। এখানে ‘অ’ ‘বিষ্ণু’, ‘উ’ ‘মহেশ্বর বা শিব’ ও ‘ম্’ ‘ব্রহ্ম’-কে নির্দেশ করে। একে মনে করা হয় সকল মন্ত্রের আদি ধ্বনি। সামবেদের শব্দ অবয়বের প্রথম অবয়ব ওম। ভাগবত অনুসারে পরমেষ্ঠ আত্মসংযম করার পর, তাঁর হৃদয়াকাশ হতে এই শব্দ উৎপন্ন হয়েছিল। হৃদয়াকাশে আত্মার নিকট হতে এর উৎপত্তি। এটি নিজের আশ্রয় ও সাক্ষাৎ ব্রহ্মবাচক; সৰ্ব্বমন্ত্র ও উপনিষদ স্বরূপ। এটিই বেদের সনাতন বীজ।

    ‘অ’ শারীরিক সমতলকে প্রতিনিধিত্ব করে। ‘উ’ মানসিক এবং নাক্ষত্রিক সমতল, বুদ্ধিমান আত্মার জগৎ, সকল স্বর্গ। ‘ম’ গভীর ঘুমের দশা-কে প্রতিনিধিত্ব করে, এমনকি সকল কিছু যা কিনা জাগ্রত অবস্থায়ও অজানা, এবং সেইসব কিছু যা কিনা আমাদের জ্ঞান-বুদ্ধির নাগালেরও বাইরে। এইভাবে ‘ওম’ ই সব আমাদের জীবন, চিন্তন ও বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি। সমগ্র বিশ্বজগৎ ‘ওম’ থেকে উদ্ভূত, ‘ওম’এ অবস্থিত এবং ‘ওম’ এই বিলীন হবে।

    ‘মণি’ শব্দের অর্থ রত্ন, ফসিল, কেউ কেউ একে বীজকোশও বলে থাকেন। বিশুদ্ধ রত্ন হল ভালোবাসা ও দয়ার প্রতীক। এবং তা জ্ঞানদীপ্ত হওয়ার বাসনাকে প্রতীকী রূপ দান করে। ‘মণি’ হল ‘মায়া’, ‘বাসনা’, ‘সংসার’ও ‘নির্বাণ’-এর উদ্ভব।

    পদ্মে’ মানে, কমল যা কিনা প্রজ্ঞার, জ্ঞানের, উদ্দীপনার প্রতীক। একটি পদ্মফুল যেমন পাঁক থেকে ওঠে তেমনি প্রজ্ঞাকে মানব অবস্থা থেকে স্বর্গীয় গুণ অর্জন করা পর্যন্ত পৌঁছাতে হয়। সকল প্রজ্ঞার মূল প্রজ্ঞা হল ‘নীরবতা ও শূণ্যতার প্রজ্ঞা’। ‘পদ্মে’ মানে শূন্যতা।’ হম’ প্রজ্ঞা ও আধ্যাত্মিক পদ্ধতির সংযুক্তি ঘটায়। এটা অবিভাজ্যতা, স্থবিরতা, যাকে আন্দোলিত করা যায় না। এটা জ্ঞানদীপনের মননকে উপস্থাপন করে। ‘হুম’ যন্ত্রণাকে ধ্বংস করে।

    বৌদ্ধ শাস্ত্রে একে এভাবেও দেখা হয়ে থাকে—’ওম মণিপদ্মে হুম’ অর্থাৎ দেবকুলে(ওম), অমরকুলে(ম), মানুষরূপে(নি), পশুরূপে(প), হতাশরূপে (দ্মে), নারকিরূপে(ছম বা হ্রং) -পুনর্জন্ম নিরোধ করে। এই মতানুসারে পুনর্জন্মের ছয় অবস্থাসূচক ছয় বর্ণ উক্ত ছয় অক্ষরে আরোপিত হয়ে থাকে। আবার কখনো একে বৌদ্ধশাস্ত্রের আত্মায় ছয়টি পরিশোধনের নির্দেশক হিসেবে ভাবা হয়। এই ছয়টি পরিশোধন হল—গৌরব বা অংহ (এম), ঈর্ষা বা কাম (মা), আবেগ বা আকাঙ্খা (নি), অজ্ঞতা বা কুসংস্কার (প), লোভ (স্মে), ঘৃণা (হুম)। কখনো একে বৌদ্ধধর্মের ছয়টি রঙের নির্দেশক হিসেবে কল্পনা করা হয় সাদা (ওম), সবুজ (ম), হলুদ (নি), নীল (প), লাল (স্মে), কালো(ম)। এখানে কালো মূলত বাকি পাঁচটি রঙের সমন্বয় হিসেবে দেখানো হয়।

    কখনো মহাযানীদের ছয় পারমিতাকে এই ছয়টি শব্দাংশ দ্বারা নির্দেশিত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এই ছয় পারমিতা হল-দান (ওম), শীল (ম), ক্ষাস্তি (নি), বীর্য(প), ধ্যান (স্মে) ও প্রজ্ঞা (ম)। এই ছয় পারমিতার মধ্যে প্রজ্ঞাপরিমিতাকে মূখ্য রুপে দেখা হয়েছে। প্রজ্ঞা পারমিতার মৌলিক অর্থ হচ্ছে জ্ঞানের পূর্ণ পরাকাষ্ঠা অর্থাৎ উচ্চতর জ্ঞান লাভের উপায়, যা শূন্যতার প্রতিপাদক। প্রজ্ঞাপারমিতার বুৎপত্তি প্রদর্শন করতে গিয়ে “অষ্ঠ সহস্র প্রজ্ঞাপারমিতা’ গ্রন্থে বলা হয়েছে সর্বধর্ম অনুপলদ্ধকে প্রজ্ঞা পারমিতা বলা হয়েছে। এর গুরুত্ব প্রতিপাদনে শত সাহসিকা প্রজ্ঞাপরিমিতাতে বলা হয়েছে চন্দ্র, সূর্য যেমন চতুদ্বীপ উদ্ভাসিত করে তদ্রূপ প্রজ্ঞাপরিমিতা ও অন্য পারমিতা সমূহকে পরিশোধিত করে।

    বৌদ্ধ মন্ত্র ‘ওঁ মণিপদ্মে হুম’ শরীরের অভ্যন্তরে প্রজ্ঞা ও করুণার মিলন। বৌদ্ধতন্ত্রে বজ্ৰ, মণি এই শব্দগুলো লিঙ্গের প্রতীক। আর যোনি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় পদ্ম, ত্রিভূজ। দেহতত্ত্বের এই সাধনায় সুষুম্না কাণ্ডের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সুষুম্নার বাঁয়ে ইড়া, ডানে পিঙ্গলা ও ভেতরে চিত্রিণী ও বজ্রাখ্যা নাড়ি অবস্থিত। বজ্রযান, কালচক্রযান ও সহজযানে এই নাড়িগুলোকে প্রায়ই নদী বলে উল্লেখ করা হয়। সুষুম্নায় থাকে সাত পদ্ম, নারীত্বের সাত কেন্দ্র। মূলাধার(কক্সিস),সাধিষ্ঠান(অণ্ডাশয়), মণিপুর(নাভি), অনাহত (হৃদয়), বিশুদ্ধ (কণ্ঠ), আজ্ঞা (কপাল) ও সহস্রার (মস্তিষ্ক)। এইসব পদ্মের দলসংখ্যা আলাদা। সহস্রার পদ্মের দলসংখ্যা হাজার, তাই এর অন্য নাম সহস্রদল পদ্ম। বৌদ্ধ তন্ত্রে চারটি চক্র ধরা হয়। নির্মাণচক্র (নাভি), ধর্মচক্র (হৃদয়), সম্ভোগচক্র (কণ্ঠ) এবং মহাসুখচক্র (মস্তিষ্ক)। ইড়া-পিঙ্গলা সুষুম্না বৌদ্ধতন্ত্রে হয়ে যায় ললনা-রসনা-অবধূতী। মূলাধারে সুপ্ত নারীত্ব কুলকুণ্ডলিনীকে মস্তিষ্কে প্রেরণ করাই তন্ত্রসাধনা। এখানেই মিলিত হয় পুরুষ ও প্রকৃতি। নাথেরা বলেন শিব-শক্তির মিলন। বৌদ্ধদের কাছে করুণা (পুরুষ) ও প্রজ্ঞার (নারী) এই মিলনই মহাসুখ। বৌদ্ধমন্ত্র ‘ওঁ মণিপদ্মে হুম’ শরীরের অভ্যন্তরে প্রজ্ঞা ও করুণার মিলনেরই প্রতীক। এইপুরুষ আদি বুদ্ধ বা বজ্রধর। তাঁর সাধনসঙ্গিনী প্রজ্ঞাপারমিতা। আদি বুদ্ধর অধীনে আছেন পাঁচ দিকের অধীশ্বর পঞ্চ ধ্যানী বুদ্ধ। পূর্বে অক্ষোভ্য (রং নীল, সঙ্গিনী-লোচনা), পশ্চিমে অমিতাভ (রং– লাল, সঙ্গিনী—পাগুরা), উত্তরে অমোঘসিদ্ধি (রং সবুজ, সঙ্গিনী শ্যামা তারা), মধ্যে বৈরোচন (রং—সাদা, সঙ্গিনী—শ্বেততারা) ও দক্ষিণে রত্নসম্ভব(রং—হলুদ, সঙ্গিনী—মামকী)।

    এই বিমূর্ত প্রজ্ঞাপারমিতা মূর্ত হয়ে ওঠেন তারাদেবীতে, যিনি শেষদিন অবধি ছিলেন অতীশ দীপঙ্করের প্রেরণা। পঞ্চ ধ্যানীবুদ্ধ ও বোধিসত্ত্ব অবলোকিতেশ্বরের প্রভাব। ছিল অতীশের ওপর। অতীশকে বুঝতে তাঁর অতীশ কি পঞ্চ ‘ম’-কারের সাধনা করতেন? মানে মাছ, মাংস, মদ, মুদ্রা ও মৈথুন। তান্ত্রিক অতীশকে জানা যায় না বিশদে। এই পথ তিনি ধরেছিলেন না ছেড়েছিলেন তা নিয়ে দ্বন্দ্ব আছে। তবে অতীশ চিরকাল প্রাচীন সনাতন বৌদ্ধধর্মে আস্থাশীল ছিলেন।

    অদ্বয়বজ্র ও রাহুলগুপ্তর কাছে তন্ত্রশিক্ষার পর গুহ্যজ্ঞানবজ্র শ্রামণ্য নেন। ওদন্তপুরী মহাবিহারের আচার্য শীলরক্ষিতের কাছে ভিক্ষুধর্মে দীক্ষান্তে নাম হয় অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান। বয়স তখন ঊনত্রিশ। দুবছরে মহাযান ও হীনযান বৌদ্ধধর্মে অগাধ পান্ডিত্য অর্জন করেন অতীশ। এমনটাই দাবি করেছেন তিব্বতিয় ঐতিহাসিকরা। সুবর্ণদ্বীপে আচার্য ধর্মকীর্তির কাছেও শাস্ত্রশিক্ষা করেন বারো বছর। চুয়াল্লিশ বছর বয়সে ভারতে ফিরে অতীশের বাকি জীবনের অনেকটাই কাটে বিক্রমশীল মহাবিহারে। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায় অতীশ বিক্রমশীলেই তৎকালীন পাল রাজা নয়পাল ও কলচুরি রাজ কর্ণের মধ্যে এক কূটনৈতিক মৈত্রীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। আনুমানিক ১০৪২ সালে প্রায় ষাট বছর বয়সে তিব্বত যাত্রা করেন অতীশ। মহাযানী বৌদ্ধ ধর্মে, ব্যক্তিগত অহমিকা বর্জন করে যারা আর্তের সেবায় নিয়োজিত হন তারাই বোধিসত্ত্ব হিসেবে পরিচিত। এই বোধিসত্ত্বরা গভীর শ্রদ্ধায় পূজিত হন মহাযানী বিশ্বে। সম্ভবত আর্তের সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা বোধিসত্ত্বদের জীবন থেকেই পেয়ে থাকবেন অতীশ। এর আগে শান্তরক্ষীত, পদ্মসম্ভব ও কমলশীল তিব্বতে বৌদ্ধধর্ম প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। বিশেষ করে তিব্বতে বজ্রযানী বৌদ্ধধর্মের প্রবক্তা পদ্মসম্ভব বা গুরু রি পো চে ক্রমশ কিংবদন্তি হয়ে উঠেছিলেন। তিব্বতের প্রাচীন পোন ধর্মের সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মের সংঘাত অনিবার্য ছিল। পরে বজ্রযানী তান্ত্রিকরাও নানা উপদলে ভেঙে যায়। মারণ, বশীকরণ, নারী সম্ভোগে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় অতীশ তিব্বতে বিভিন্ন মনাস্ট্রি নির্মাণের কথা বলেন ও সেখানে বৌদ্ধধর্মের ভিত্তি দৃঢ় করেন। অতীশের শিষ্য ব্রোম তোন পা জন্ম দেন কাদমপা সম্প্রদায়ের এবং ক্রমে এখান থেকেই তৈরি হয় গেলুকপা সম্প্রদায়। দলাই লামা, পাঞ্চেন লামারা এই সম্প্রদায়েরই উত্তরাধিকার। এর পরে এই লামাতন্ত্র তিব্বতে কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল সে খবর পাই শরৎচন্দ্র দাশের বিবরণে। তবে অতীশ আর ভারতে ফিরে আসতে পারেননি। তিব্বতের মানুষের কাছে তিনি জোবোজে বা প্রভু হয়ে যান। হাতে সময় থাকলে শরৎচন্দ্র দাসের তিব্বত নিয়ে বইটি পড়ে দেখতে পারেন।

    ‘ওম মণিপদ্মে হুম’ মহামন্ত্রটির সম্ভাব্য কিছু ব্যাখ্যায় অনেকে মনে করেন যে ‘আহা মণিই প্রকৃত পদ্ম’! পদ্মফুল বিশুদ্ধতার প্রতীক। সুতরাং ‘প্রকৃত পদ্ম’ মানে ‘প্রকৃত বিশুদ্ধতা’ হতে পারে। তাহলে ‘মণি’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহার করা হচ্ছে? বলা হয় যে, মণি মানে মন বা মন্ত্র যার মধ্যে বুদ্ধের শিক্ষা রয়েছে।

    বিহারের বিক্রমশীলা বিহারটি ছিল বজ্রযানী বৌদ্ধদের অন্যতম কেন্দ্র। একাদশ শতকে এই মঠের বজ্রযানী বৌদ্ধরা তিব্বতে ধর্ম প্রচার করতে গিয়েছিলেন। তিব্বতে আজও অসংখ্যবার ওম মণিপদ্মে হুম’ জপ করা হয়। এই মন্ত্রটি বুদ্ধ এবং প্রজ্ঞাপারমিতার এবং বোধিসত্ত্ব এবং তারাদেবীর যৌনমিলনের প্রতীক। তবে বজ্রযান কেবলই যৌন সাধনপন্থা নয়, বজ্রযান বৌদ্ধধর্মের একটি রহস্যময় রূপ।

    এভাবে বজ্রযান হয়ে উঠেছিল যৌন-অতীন্দ্রিয়বাদী শক্তি। তবে বজ্রযানে ধ্যানের গুরুত্বকে অবহেলা করা হয়নি। বজ্রযানীর উদ্দেশ্য ছিল যৌনচর্চার মাধ্যমে দেবীর কৃপা লাভ করে অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতা অর্জন। যা একটি ধর্মীয় আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলা থেকে ভারতবর্ষের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়েছিল। বজ্রযানী সাধকদের বলা হত সিদ্ধ অথবা সিদ্ধাচার্য। এঁদের সংখ্যা ছিল ৮৪। পূর্বে মহাযান পন্থার বই-পুস্তক লেখা হয়েছিল সংস্কৃত ভাষায়। বজ্রযানী সিদ্ধাচার্যগণ লিখেছিলেন বাংলার আদি রূপ। তাদের ভাবনার সংকলনই—চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাপদ। চর্যাপদই বাংলা ভাষার আদিরূপ।

    চর্যার কবিরা ছিলেন পূর্ব ভারত ও নেপাল রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলের অধিবাসী। কেউ পূর্ববঙ্গ, কেউ উত্তরবঙ্গ, কেউ বা রাঢ়ের অধিবাসী ছিলেন। কেউ কেউ বিহার, কেউ ওড়িশা, কেউ বা আবার অসম বা কামরূপের বাসিন্দাও ছিলেন। এঁরা ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, ক্ষত্রিয়, বণিক এমনকি অন্ত্যজ শ্রেণি থেকেও এসেছিলেন। কেউ কেউ রাজবংশজাতও ছিলেন। এঁরা পূর্বাশ্রমের পিতৃপ্রদত্ত নাম ত্যাগ করেছিলেন বলে নাম দেখে এঁদের জাতি স্থির করা যায় না। এঁরা হিন্দুধর্মের সনাতন শাস্ত্রবিধান মানতেন না বলে এঁদের বেদবিরোধী ও নাস্তিক আখ্যা দেওয়া হয়। সাধনার নামে গোপনে কেউ কেউ যৌনাচারও করতেন বলে আধুনিক গবেষকগণ মত প্রকাশ করেন।

    হিন্দুশাস্ত্রে যখনই কোনো মন্ত্র উচ্চারিত হয়, তা শুরু হয় ‘ওম’ দিয়ে। আর শেষ হয় ‘স্বহা’ উচ্চারণ করে। ইষ্টদেবতা যেই হন, তাঁর উদ্দেশে মন্ত্র সব সময়ই শুরু হয় ‘ওম’ দিয়ে। বৈদিক, পৌরাণিক বা বীজমন্ত্র—কোথাও এর অন্যথা হয় না। ‘ওম’ শব্দের উল্লেখ প্রথম পাওয়া যায় উপনিষদে। এবং সেখানেই বলা হয়েছে এই শব্দের নানা অর্থ। যেমন, ওম মানে ব্রহ্মাণ্ড, ওম মানে আত্মা, ওম মানে পরমাত্মা। আর এই মন্ত্র উচ্চারণ করলে তার মুক্তি নিশ্চিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Next Article ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }