Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    আমি সিরাজের বেগম – শ্রীপারাবত

    August 4, 2026

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    রশীদ করীম এক পাতা গল্প73 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাঞ্চ বক্স – ২

    দুই

    ভাত খাই নি, কিছুই খাই নি, তাই ভাতঘুমে পাওয়ার কথা নয়। তবু চোখ দুটি ঢুলঢুল করছিল। আসলে, সুযোগ পেলেই দিবানিদ্রা বিলাসটা যে কখন অভ্যাস হয়ে গেছে, সেই সময়টাকে মনে রাখি নি। তবু এই তন্দ্রার মধ্যেও মনে হচ্ছিলো, আমার একটা কিছু করবার আছে, কিন্তু আমি করি নি। অতোটা মনে পড়ছে ঠিকই, কিন্তু সেই কাজটা কিছুতেই মনে পড়ছে না। তার বদলে অন্য একটি কথা মনে পড়লো। মনে পড়লো, যখন থেকে ট্রেনে উঠেছি, একবারও ওঠাবসা করি নি, টয়লেটে পর্যন্ত যাই নি, এই চেয়ারটিতেই জড়ভরতের মতো বসে আছি। আমার সামনের ভদ্রলোকও তাই। তাঁর সঙ্গে না হয় জরুরি কাগজপত্র আছে। উঠে গেলে সেগুলোর গোপনীয়তা রক্ষা করবে কে? তিনি অবশ্য বলেছেন, আমাকে চেনেন। কিন্তু চেনা তো কতোরকম হয়। ভদ্রলোকের শিষ্টাচারের মধ্যে এক সর্বজনীন অবিশ্বাসও কোথাও তাঁর স্বভাব বা শিক্ষার মধ্যে গোপন আছে, এমন এক শরীর শিরশির করা অনুভূতিও হয়।

    বাদবাকি যাত্রীদের দেখে মনে হয়, এই ট্রেনের মধ্যেই তাঁদের বিস্তর কর্তব্য ছড়িয়ে- ছিটিয়ে আছে। বারবার উঠে পড়ে, সামনে-পেছনে যাতায়াত করে, দরজা খুলে আবার তা আবজে দিয়ে, জানালার ভেতর দিয়ে মুখ বাড়িয়ে কলা, কাঁচা আমড়া, আর ডিমসিদ্ধ কিনে, কাজের কোনো কূল পাচ্ছেন না। একেবারে নিষ্কর্মা হয়ে বসে আছি একা আমি। লাকসাম স্টেশন-ঢাকা যাওয়ার পথে ডান হাতে—একটা টিনের ছাউনি আছে। জায়গাটাকে অপরিসর বলা যাবে না। সেখানে মায়ের কোলে শিশু; পাশে দাঁড়ানো কিশোর-কিশোরী; প্রৌঢ়া প্রৌঢ়া, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা; যুবতী—শতরকমের অভাব সত্ত্বেও যাদের পীনঘনস্তন এখনও অবনত হয় নি; সেই সঙ্গে বিভিন্ন রকমের মালের প্যাটরা, এক বিচিত্র সমাবেশ তৈরি করেছে। এই দৃশ্যটি দেখে সবকিছুর ওপর উপচে পড়া যে ধারণাটি মনকে অধিকার করে, তা হচ্ছে অবিমিশ্র অবিচ্ছিন্ন অশেষ দারিদ্র্যের ছবিটি। তবু, এদের মুখেও হাসি দেখি; দেখি কোলের শিশুকে আদর করার দৃশ্য; আরো দেখি স্বামীর জন্য স্ত্রীর চোখে এক পলক সোহাগ। দেশ যেন এক বারোমেসে চিরকালীন দুর্ভিক্ষের কবলে ধুঁকছে। ট্রেন কোনো স্টেশনে দাঁড়ালেই তারা সাহায্যের জন্য জানালার কাছে ছায়ার মতো এসে দাঁড়ায়। একটি ছায়াকেই শত শত ছায়া মনে হয়। মনে হয় পৃথিবীর ওপর উজ্জ্বল আলোতেও ঘোর অন্ধকার নেমে আসে। প্রতিটি জানালায় চাপ চাপ দারিদ্র্যের অন্ধকার প্রতিমূর্তি। মেয়েদের শরীরের আব্রু রক্ষা করে চলতে বলে সকলে। এই যুবতীদের আব্রু রক্ষা করবে কে? কেউ কেউ নির্বিকার যাত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করবার জন্য, যাত্রীর হাত স্পর্শ করে, আর তিনি বিবমিষায় আক্রান্ত হয়ে জানালা থেকে যতোদূরে সম্ভব দূরে সরে বসেন, রুমাল দিয়ে স্পৃষ্ট জায়গাটি বারবার ঘষতে থাকেন। তিনি জানলেনও না যে সেই মুহূর্তেই তাঁকে তাঁর দেশ স্পর্শ করলো। বহুবার এমনও হয়েছে যে জানালার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা ভিখিরি—আর কি বলতে পারি? -এক সুযোগে টেবিলের ওপর রাখা খাবার বাক্সটি টান মেরে কেড়ে নেয়। কাজটি তারা করে ট্রেনটি যখন চলতে শুরু করেছে। যাত্রী ফোঁসফোঁস করে—আর কিছুই করতে পারেন না। তখন ট্রেনের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা শুরু হয়। সকলেই এক বাক্যে বলাবলি করেন, রেল কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণেই এই দৌরাত্ম্য। প্লাটফর্মে টিকিট না কেটে ওরা আসে কি করে? সে আলোচনায় আমিও সম্মতিসূচক মত দিই। দু’-একজন থাকেন তাঁরা একটি কথাও বলেন না। জানালার ভেতর দিয়ে দৃষ্টিকে আকাশে মেলে দিয়ে মলিন মুখে উদাস হয়ে কিছু ভাবেন তাঁরা। ট্রেন স্টেশন ছেড়ে সবুজের মধ্যে এসে পড়া সত্ত্বেও অনেকগুলো কঙ্কাল চোখের সামনে পিনপিন কিলবিল করতে থাকে। আর সবুজ? ছেলেবেলায় বাংলাদেশের গাছের পাতা, মাঠের ঘাস যেমন সবুজ দেখেছি, এখন সে-ই শ্যামলিমা চোখে পড়ে না। একটু যেন তামাটে হয়ে গেছে। ঘাস উঠে গেছে। মাঠকে রোঁয়া ওঠা বাদামি ধু-ধু সৈকত মনে হয়। বাংলাদেশের কি কোনো কঠিন অসুখ হয়েছে?

    রেলগাড়ির চাকা আবার হঠাৎ তার শব্দ চৌদুলে তুললো। যেন পরীক্ষার আগে পড়াশোনায় অবহেলা করেছে, শেষ দু’হপ্তায়, মেকআপ করে নেবে। আমার চট্‌কা ভেঙে গেল। এমন সময় রেলের বেয়ারা আমার সামনে টেবিলের ওপর একটি লাঞ্চ বক্স রাখলো। সেটি চিটাগং কো- অপারেটিভ রেলওয়ে স্টোর বিল্ডিং-এর নিচে ‘স্যাভয়’ নামে যে কনফেকশনারি আছে, সেখান থেকে কেনা। আমার কাছে রাখলো কেন? বেয়ারাটি চলে যাচ্ছিলো। খপ করে তার হাত ধরে ফেলে জিগ্যেস করলাম, আমাকে কেন? বেয়ারা সুদূরের কোনো কম্পার্টমেন্টের দিকে একটি ইঙ্গিত করে বললো, ঐখানের এক বেগম সাহেব পাঠিয়েছেন। আমি আবার বললাম, আমাকেই পাঠিয়েছেন বুঝলে কি করে? বেয়ারা বললো, এই কামরার আর আপনার চেয়ারের নম্বর দিলেন। আমার আরো দু’একটি প্রশ্ন ছিল। কিন্তু অতো জেরার জবাব দেয়ার সময় বেয়ারার নেই। সে দ্রুত পায়ে অন্য কাজে চলে গেল।

    আমার সামনের সেই ভারিক্কি ভদ্রলোকটির মুখের একটি রেখাও এদিক-ওদিক হলো না। একটিও নতুন রেখা মুখে ফুটে উঠলো না। বা যেগুলো আগে থেকেই ছিল, তার একটিও বিলীন হলো না। এমন ঘটনা যেন তিনি প্রতি মুহূর্তেই দেখছেন। সরকারি কাগজে তাঁর দরকারি মনোযোগ অটল থাকলো।

    আমি ঠিক করলাম, যে মহিলাটি প্রথমে ভুল করে আমার সামনের চেয়ারটিতে বসে পড়েছিলেন, এবং টিকিট কালেক্টর বা কন্ডাক্টর যাঁকে অন্য একটি কক্ষে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন, এই কাজটি তাঁরই; মানে, খাবার তিনিই পাঠিয়েছেন। আমার কামরা আর সিইটের নম্বর আর কোন মহিলা জানবেন? এই ব্যাখ্যাটির জন্য আমি আমার বুদ্ধির তারিফ করলাম। তিনি নম্বর-টম্বর জানতে পারেন। কিন্তু আমাকে খাবার পাঠালেন কেন? এই প্রশ্নটাই বেয়ারাকে করতে চেয়েছিলাম। তার তাড়া ছিল। চলে গেল। কথাটা জিজ্ঞাসাই করা হলো না। এখন সেই প্রশ্নটি নিজেকেই করলাম। এই মুহূর্তে আমার মাথার মগজ অলস হয়ে বসে আছে। তার কোনো তাড়া নেই। কিন্তু সেও কোনো জবাব দিতে পারলো না। যাই হোক, আমার খিদে পেয়েছে। স্যান্ডউইচ, কেক, সিদ্ধ ডিম, কলা কিছুই পড়ে থাকলো না। এটি করিডোর ট্রেন। এক কামরা থেকে আর এক কামরায় যাওয়া যায়। এক সময় উঠে গিয়ে ধন্যবাদ জানিয়ে আসবো।

    বলতে ভুলে গেছি, আমি যেখানটায় বসে আছি, সেখান থেকে দুই সারি পেছনে, ডান দিকের ডবল সিটের দুটি মুখোমুখি আসনে চারজন সমবয়সী আর্য-সন্তান বসে আছে। ইরানের ছেলে। প্রাণ-প্রাচুর্যে টগবগ করছে কিন্তু তাদের কথায় হাসি সবই নিম্নস্বরে নিম্নগ্রামে। সৌজন্য কাকে বলে এরা জানে। যদিও খুব ফুর্তি করছে, অন্যের ফুর্তি বা কাজে কোনো ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে। কি জানি কেন, আমার মনে হলো, এরা কোনো এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে এখানে ইউনিভার্সিটি লেভেলে লেখাপড়া করছে। এসব প্রোগ্রাম-টোগ্রাম সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই নেই। কথাটা একেবারে আন্দাজে বললাম। আপনারা দার্জিলিং-এ পাগলা ঝোরা দেখেছেন? না, দেখেন নি। খুব সম্ভব, ব্রিটিশ আমলে দেখে না থাকলে, সে সম্ভাবনা খুবই কম। ছেলেগুলোকে ঠিক পাগলা ঝোরার মতো প্রাণের ফোয়ারা মনে হয়। এদের কথা সংক্ষেপে আবার আসবে। তাই এখানেই পরিচয় করিয়ে দিলাম।

    হঠাৎ ক্যাচ ক্যাচ ক্যাচ ক্যাচ, কয়েকবার এই রকম শব্দ করে এবং প্রতিটি শব্দের সঙ্গে একটু একটু করে গতি মন্থর করে রেলগাড়িটি দাঁড়িয়ে পড়লো। এখানে দাঁড়াবে কেন? কুমিল্লা এখনো দূরে এবং ত্রিসীমানায় কোনো স্টেশনও নেই। আছে একটি এঁদো পুকুর। গুঞ্জন শোনা গেল, রেলগাড়ি সার্চ করা হবে। কেন? স্মাগলিং খুব বেড়ে গেছে। মাঝে মাঝে রাস্তায় গাড়ি ও ট্রেন থামিয়ে সারপ্রাইজ চেকিং হয়। দশ মিনিট ট্রেনটি নিষ্কর্মার মতো দাঁড়িয়ে থাকলো। চেকিং-টেকিং কিছুই হলো না। আবার চলতে শুরু করলো। তখন এক একজন এক এক কথা বললেন। কেউ বললেন, নিশ্চয় কেউ চেইন টেনেছিল। আর একজন বললেন, ড্রাইভার সিগন্যাল ক্লিয়ার পায় নি। আরো একজন বললো, ড্রাইভার চা খাবার জন্য নেমে পড়েছিল। বেচারা ড্রাইভারের বিরুদ্ধে এই অপবাদ যে সম্পূর্ণ অমূলক তা খুবই দৃঢ়তার সঙ্গে বলা যায়। কারণ, চা-পানের ব্যবস্থা ট্রেনের মধ্যেই আছে। এবং রেলগাড়ি যেখানে এসে দাঁড়িয়ে পড়েছিল তার ধারে-কাছে কোথাও চায়ের দোকান নেই।

    ডান দিকের টু-সিটের আসনে কোনোমতে জায়গা করে নিয়ে দু’জন ভদ্রলোক নামাজ পড়ছেন। আসরের নামাজের সময় হয়ে গেছে। ট্রেনের আসনে নামাজের জায়গা করে নেয়া সহজ কাজ নয়। কিন্তু সেই দুই নামাজীর সুবিধা করে দেয়ার জন্য তাঁদের পাশের দুই ভদ্রলোক তাঁদের জায়গা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। জানালা দিয়ে পশ্চিমের রোদ প্রবেশ করছে। আমি নিজে নামাজী নই; কিন্তু সত্যিকার ধর্মপ্রাণতার দৃশ্য আমার খুব ভালো লাগে।

    হাওয়া বদলের জন্য এবার আমিও উঠলাম। আমি একটা কোনো কর্তব্যে অবহেলা করছি তা বেশ বুঝতে পারছি; কিন্তু কর্তব্যটাই মনে করতে পারছি না। সেই যে ভদ্রমহিলা আমাকে খাবার বাক্স পাঠিয়েছেন, তাঁকে ‘থ্যাংকস’ দেয়ার কথাটি আমার মনে আছে। দুটি কম্পার্টমেন্ট পেরিয়ে এসেই তাঁকে দেখতে পেলাম। একটু এগিয়ে গিয়ে ‘থ্যাংকস’-এর পালাটা সেরে ভারমুক্ত হতে পারি। কিন্তু ঠিক করলাম, ব্যাপারটাকে অমন হালকা-পলকা করবো না। ঘটনাটির মধ্যে কিছুটা ড্রামার স্বাদ আছে। আমি আমার ধন্যবাদটি দেয়ার জন্যও উপযুক্ত দৃশ্যের অপেক্ষা করবো। এই ট্রেনে খুব ভিড় হয়। আগে থেকে রিজারভেশনের দরকার হয়। কিন্তু লোকে যাই বলুক, জীবনে এখনো বিস্ময়ের জায়গা আছে। একটি চেয়ার দেখলাম খালি পড়ে আছে। সেটির ওপর বসে পড়লাম।

    দু’জন আলাপ করছেন।

    ‘শেখ মুজিবের সেভেনটি-টুর গভর্নমেন্টকে ইল্লিগেল বললেন কি করে? সেভেনটির ইলেকশনে তিনি সারা পাকিস্তানের গভর্নমেন্ট ফর্ম করার ম্যান্ডেট পেয়েছিলেন কিনা?’

    অপর ভদ্রলোক ভালো ছেলের মতো মেনে নিলেন, ‘হ্যাঁ, পেয়েছিলেন?’

    ‘ইয়াহিয়া আর ভুট্টো পার্লামেন্ট বসতে দিয়েছিল?’

    ‘না, দেয় নি।’

    ‘তারপর বাংলাদেশে স্বাধীনতার আন্দোলন শুরু হয়েছিল?’

    ‘হ্যাঁ, হয়েছিল।’

    ‘তারপর বাংলাদেশ স্বাধীন হলো?’

    ‘হাঁ, হলো।’

    ‘এই বাংলাদেশই সেভেনটির ইলেকশনের সময় পূর্ব পাকিস্তান ছিল?’

    ‘হ্যাঁ, তাও ছিল।’

    ‘তাহলে, শেখ সাহেব যদি সারা পাকিস্তানেরই গভর্নমেন্ট ফর্ম করবার ম্যান্ডেট পেয়েছিলেন, তাহলে যে অঞ্চলে বলতে গেলে সেন্ট পার্সেন্ট ম্যান্ডেন্ট পেয়েছিলেন সেখানে তিনি গভর্নমেন্ট গঠন করবেন না তো কে করবে?’

    ‘তাও লোকে…’

    ‘আরো একটি কথা। বাংলাদেশের অভ্যুদয় হলো স্বাধীনতা সংগ্রামের মাধ্যমে। বলতে পারেন রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের ভেতর দিয়ে। বিপ্লবের পরমুহূর্তেই তো আর নির্বাচিত সরকার হতে পারে না। বিপ্লবের নেতারাই সরকার গঠন করেন। তবু তো শেখ সাহেব সেভেনটি থ্রিতে ইলেকশন দিয়ে আবার দেখিয়ে দিলেন সরকার গঠনের অধিকার কার…’

    একজন ছিলেন বক্তা। একজন শ্রোতা। কিন্তু বক্তা হঠাৎ গলা নামিয়ে ফিসফিস করে বললেন, ‘এ আলোচনা থাক। এখন আর একজনের শাসনামল। রেডিও-টেলিভিশন দেখে বুঝতে পারবেন শেখ মুজিবুর রহমান নামে একজন ছিলেন? স্মৃতি থেকে তাঁকে মুছে ফেলার জন্য কিনা করা হচ্ছে? শেখ সাহেবের নাম উচ্চারণ করাও মানা।’

    শ্রোতা বললেন, ‘না, অতো আর কি। লোকে তো তবু বলছে।

    বক্তা বললেন, ‘চুপ। পাশের ঐ ভদ্রলোকটি কেমন এসে নিঃশব্দে বসে পড়লেন, দেখলেন তো!’

    শ্রোতা বললেন, ‘ট্রেনটি এমন ঝনঝন শব্দ করছে যে ঠিক নিঃশব্দেই বসে পড়লেন তা বলা সম্ভব নয়। তাছাড়া, কোথাও বসলে তেমন একটা আওয়াজ হয়ও না। চেয়ারের পায়ার শব্দ হবে, এখানে সেটাও সম্ভব নয়। সবগুলো চেয়ারের পা ফ্লোরের সঙ্গে একেবারে গাঁথা।’

    ‘তবু, বলা যায় না। লোকটি পুলিশের খোঁচড় হতে পারে।’

    আমি ভাবলাম, উঠে এসে ভালোই করেছিলাম। একঘেয়ে যাত্রায় একটা রিক্রিয়েশন হলো। আমি কিন্তু বলছি দীর্ঘকাল আগের কথা।

    অনতিদূরে দুই ইয়ংম্যানকে দেখলাম। বেশ উত্তেজিত হয়ে কথা বলছে। একজনের চোখে নীল চশমা, গায়ের প্যান্ট-শার্টের ছাট ভালো। স্বাস্থ্য বেশ দামড়া গোছের কিন্তু মস্তান মনে হয় না। কিন্তু তার মুখের ভাষা শুনে তার সম্পর্কে কোন্ ধারণাটা ঠিক হবে বলা দুরূহ হয়ে গেল। সে তার সঙ্গীকে বলছে, ‘জানিস, আমার এক দূর সম্পর্কের আত্মীয় আছে। তার স্ত্রীটি আমাকে দু’চোখে দেখতে পারে না; কারণ আমি তাদের কাছে নিয়মিত গিয়ে টিপ করে আসি না। এই সো-কলড আত্মীয়াটির বাপ শুনেছি ব্রিটিশ আমলে মন্ত্রী-টন্ত্রী ছিল। মন্ত্রী না হলেও মাতব্বর গোছের কিছু ছিল। তাই খুব সালাম পেতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। নিজে সে কলেজের ডিগ্রি-টিগ্রি পেয়েছে, কিন্তু আসলে আকাট মূর্খ। মুখে সবসময় বড়ো বড়ো কথা। আর মুখে উপদেশের ফোয়ারা ছুটছে। ভাবখানা এই, তাঁর সার্টিফিকেট না পেলে তুমি মানুষই না! তা, আমি শালা তাকে সালাম বাগাতে যাবো কেন? তার কি কোনো সুন্দরী বোন আছে অবিবাহিতা? আর আমিই কি বানের পানিতে ভেসে এসেছি? যা হোক একটা চাকরি করি না? বি.এ-তে একটা সেকেন্ড ক্লাস ফার্স্ট আছে না? বেটি বলে কি জানিস আমার সম্পর্কে? বলে, দু’পয়সার লোকটা নিজেকে কী যে মনে করে! আচ্ছা, তুই-ই বল, আমি দু’পয়সার লোক? তাছাড়া, আমি নিজেকে যা খুশি তাই মনে করবো, তোর বাপের তাতে কি? আমি নিজেকে যা মনে করি, তুইও আমাকে তাই মনে কর এমন আবদার তো তোর কাছে আমি করি নি।’

    মানতেই হবে ছোকরার জিভে ধার আছে বা তা হয়তো ভোঁতা ছুরির মার। কিন্তু যে বি.এ-তে সেকেন্ড ক্লাস ফার্স্ট হয়েছে তার জবান আর একটু দুরস্ত হবে বলে লোকে আশা করবে।

    রাগী ছেলেটি তখনো তার কথা শেষ করে নি।

    সে বললো, ‘সেই ভদ্রমহিলা মনে করেন, তিনি আমাদের আত্মীয় মহলে বিয়ে করে আমাদের ধন্য করে দিয়েছেন। আত্মীয় মহলের কোনো গ্যাদারিং হলে যারা গণ্যমান্য বেছে বেছে কেবল তাদের সঙ্গে মেলামেশা করবেন। ভদ্রতা ও সৌজন্য তাঁর মনে জায়গা পায় নি; কিন্তু আচরণে তার প্রাচুর্য যে উপচে উঠতে পারে এই সময় তা বোঝা যায়। রুটির কোন দিকে যে মাখন লাগানো আছে তিনি বিলক্ষণ জানেন। আর যারা তেমন বিশিষ্ট নয়, তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। যেন তাদের কোনোদিন চোখেও দেখেন নি!’

    এইবার সঙ্গের যুবকটি বললো, ‘তার মানে রুটির কোনো দিকে মাখন লাগানো নেই, তাও তিনি বিলক্ষণ জানেন!’

    ‘এগজ্যাকটলি!’

    ‘কিন্তু দোস্ত, তোর ভাষাটা মাঝে মাঝে বড়োই ভোঁতা হয়ে পড়ে।

    ‘কি করবো বল। কোনো কোনো লোক অন্য কোনো ভাষা বোঝেই না।’

    ‘তা, এখনই তোর প্রিয় আত্মীয়ার কথা মনে পড়লো কেন?’

    ‘তার কারণ তিনি এই ট্রেনেই আছেন। এবং কিছু আগেই সেই নবাবজাদীর কাছ থেকে রূঢ় ব্যবহার লাভ করেছি।’

    ‘আমার ভাবি কিন্তু একেবারে অন্যরকম মানুষ। তিনিও মস্ত বড়লোকের মেয়ে। কিন্তু আমাদেরকে ঠিক নিজের ভাইবোনের মতো দেখেন। আমরাও বলতে গেলে তাঁকে মায়ের মতো দেখি। তাঁকে যেমন ভালোবাসি, তেমনি ভয় করি। আমাদের যতো দরকার ভাবির কাছে। বহু আগে একবার শুধু একটা গোলমাল হয়েছিল। মেজ ভাই প্রথমদিকে ভাবিকে বুঝতে পারেন নি। তিনি ভাবিকে বোঝাতে চেয়েছিলেন ভাইয়ের জোরেই বাড়িতে তাঁর জোর, ভাবিকে পাত্তা দেয়ার দরকার নেই। তখন যদি ভাবিকে দেখতিস। ভাবি এমনিতে খুব কোমল, ভদ্র, গলা চড়েই না; কিন্তু মেজ ভাইয়ের এ্যাটিচুট দেখে বড় ভাইকে সোজা বলে দিয়েছিলেন, এ সংসার আমার। তোমার থ্র-তে এ বাড়িতে কেউ জোর খাটাতে পারবে না। এটা সবাইকে সাফ করে বুঝিয়ে দিও। এমনকি আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে তুমি পর্যন্ত এ সংসারে কোনো রদবদল করতে পারবে না। এটা সকলেরই বুঝে নেয়া দরকার। আমি এ সংসারে কর্ত্রী হয়ে এসেছি, দাসী হয়ে আসি নি। ঐ একটি ব্যাপার তিনি একেবারে আনকমপ্রোমাইজিং। কিন্তু আমাদের ভালোবাসেন ঠিক ভাইবোনের মতো। আমরাই বরং এক্সপ্লয়েট করি। আর মজা কি জানিস? মেজ ভাই বিয়ে করে আলাদা হয়ে গেল। বড়ো ভাইয়ের বাড়িতে তার রাইটফুল অধিকার আছে; বড়ো ভাই বাড়ির হায়ারার্কিতে নাম্বার ওয়ান; মেজ ভাই নাম্বার টু; আর ভাবি কোনো ফ্যাক্টর-ই নয়। মেজ ভাই এই ফিলসফিতে বিশ্বাস করে। তাই মেজ ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে উঠতে আমার কোনো দ্বিধাই আসে নি। কিন্তু মেজ ভাই আর ভাবি দু’দিনেই বুঝিয়ে দিলো সংসার ও বাড়িটা তাদের। অধিকার তো দূরের কথা আমি এক উৎপাত মাত্র। সত্যিই তো, আমার কোনো অধিকার নেই। অধিকার দিলেই আছে, নইলে সত্যিই তো আমি কেউ নই। সেই অধিকার আমাকে দিয়েছে বড়ো ভাবি। মাইনের টাকা সব তাঁর হাতে এনে দিই। তিনি নিজের হাতে আমার ব্যাংক আকাউন্টে জমা দেন। যখন দরকার চেয়ে নিই। আমার তো মনে হয় না আমার আকাউন্টের একটি পয়সাও খরচ হয়।

    একই যাত্রায় তিন সংসারের তিন রকম কাহিনী শুনলাম। এই বহুবর্ণ বৈচিত্র্যের নামই জীবন। ট্রেন এখানে আবার এক পেল্লায় লাফ দিলো। অনেকেরই অভিজ্ঞ অভিমত ট্রেনের পায়ের তলায় একটা মস্ত পাথর পড়েছিল। কেউ বললেন, না, জিনিসটা একটা গরু। তাতে অবশ্য ট্রেনের কিছু হয় নি। পাথরই হোক, আর বাছুরই হোক, সেটাই গুঁড়ো হয়ে গিয়েছিল। ট্রেনটিকে অবশ্য ইচ্ছার বিরুদ্ধেই একটা ভীষণ ঝাঁকুনি খেতে হলো। আর আমাদের পিলেটা একটু চমকে গিয়েছিল। এবং এই ঘটনাটি ঘটেছিল বলেই আমার বুদ্ধির জট খুলে গেল। কী একটা কর্তব্য আমাকে দেয়া হয়েছে অথচ সেটাই মনে পড়ছে না। ট্রেনের উল্লম্ফনের পর একই সঙ্গে কর্তব্য মনে পড়ে গেল ও খচ্‌খচানি দূর হলো। এবং কর্তব্যটা সারবার জন্য বা শুরু করবার জন্য আমাকে এবার উঠতে হলো।

    জীনাতকে মনে আছে? মনে নেই? তাহলেই বুঝুন, আমি একাই সব ভুলে যাই নি। সেই যে আমার স্ত্রীর বান্ধবী, যিনি চিটাগাং স্টেশনে তাঁর মেয়েকে ট্রেনে তুলে দিয়ে আমাকে অনুরোধ করেছিলেন, মেয়েটি একাই ঢাকা যাচ্ছে, মানে একা তো আর নয়, কোনো চেনা সঙ্গী নেই, তার ওপর যেন একটু চোখ রাখি, মানে একটু যেন দেখাশোনা করি। সর্বনাশ, কুমিল্লা এসে গেল প্রায়, মেয়েটিকে একটিবারও দেখি নি, একবারও তার গলার আওয়াজ শুনি নি। তার মুখটা দেখলে বা গলাটা শুনলে যে কোনোটাই চিনবো সে ভরসাও নেই। কারণ তাকে আমি ভালো করে লক্ষ্যই করি নি। আর আমার উপস্থিতিকালে সে একটি কথাও বলে নি যে গলাটা পরিচিত হয়ে যাবে। তবে যেন মনে হচ্ছে এই কক্ষটিতেই সে উঠেছিল। যেদিকটায় সে বসেছিল সেদিকে নিঃসঙ্গ একজনকেও দেখলাম না। একটা টু-সিটারে তারই বয়সী একটি মেয়ে আছে বটে, কিন্তু তার পাশে এক যুবকও আছে এবং তারা দু’জনেই এমনভাবে কলকলাচ্ছে যে তাদের পরস্পরের খুব ঘনিষ্ঠ আর প্রিয় মনে হচ্ছে, সুতরাং এ মেয়ে সে নয়। একে দেখবার লোক আছে। অবশ্য এই কক্ষটিতেই সে উঠেছিল, আমার মনটা পরিশ্রমবিমুখ বলে সেটাই আন্দাজ করে নিলেও আসলে তা নাও হতে পারে। সব ক’টি কক্ষই একই রকম দেখতে। আমি যে ফিরে গিয়ে আমার কামরাটি চিনতে পারবো, সে কামরাটির জন্য নয়। আমার সামনে যে যাত্রীটি বসে আছেন তাঁর উপস্থিতিই আমাকে আমার কামরা আর আসন চিনিয়ে দেবে। অবশ্য কম্পার্টমেন্টগুলোর আলাদা আলাদা নম্বর আছে। কিন্তু অতো আর কে মনে রাখে!

    তবু চারদিক ভালো করে তাকিয়ে দেখলাম। এক কোণে ভদ্রমহিলা আপাদমস্তক বোরখায় ঢেকে বসে আছেন। আমার মনে হলো—মনে কি না হয়?—যে বোরখার চোখের সামনে যে ফুটো আছে তার ভেতর দিয়ে তিনি বারবার আমাকে দেখছেন। তাঁর পাশে একটি বালক বসে আছে।

    আর ঠিক আমার দিকে মুখ করে, সামনের দুটি আসন বাদে বসে আছেন সেই মহিলা যিনি বেমালুম ভুল করে আমার সামনের আসনে বসেছিলেন এবং সমালুম আমাকে একটি লাঞ্চ বক্স পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। আমি আমার অনুরাগ জানাবার জন্য বারবার তাঁর চোখে চোখ রাখতে চেষ্টা করছি; কিন্তু তাঁর ভাবভঙ্গিতে একটুও প্রকাশ পাচ্ছে না যে তিনি আমাকে একবারও চোখের দেখাটি পর্যন্ত দেখেছেন। কোনো কোনো ব্যক্তি অলক্ষ্যে উপকার করেন, জানতে দিতে চান না। এই মহিলাও পরিচয়ের কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছেন না, পাছে আমি বুঝে ফেলি তিনিই উপকারিণী। তাঁর সামনে বসে আছেন আর এক মহিলা। তাঁদের আলাপের ধরন দেখে মনে হলো তাঁরা পরস্পরের পরিচিতা। হঠাৎ ট্রেনে দেখা হয়ে গেছে। তাঁরা কোনো গুরুতর বিষয়ে আলাপ করছিলেন।

    এই সময় একটা আওয়াজ শোনা গেল—মনে হলো কোনো মানব নয়, বাতাস শব্দটির জন্ম দিয়েছে। আরো দু’বার সেই আওয়াজটি শুনতে পেলাম। ‘আনকেল, আনকেল’। শব্দ অনুসরণ করে দেখলাম সেই মেয়েটি। যে কলকলাচ্ছিল।

    ‘জি, আমি এখানে।’

    তাহলে এই মেয়েটিই আমার স্ত্রী বন্ধু জীনাতের কন্যা! কিন্তু তার সফরসঙ্গী নেই, এ কথা বলা হয়েছিল কেন?

    আমি উঠে তার কাছে গেলাম।

    মেয়েটি বললো, ‘আমার ‘কাজিন’। হঠাৎ দেখা হয়ে গেল।’

    আমি আর কোনো কথা না বলে আমার আসনে যেখানে আমি এখন অনধিকার বসে আছি, সেখানে ফিরে এলাম। আমার অপবিত্র মনে এই চিন্তা এলো যে দেখাটা হঠাৎ নয়। আগে থেকেই ঠিক করা। মেয়েটির মা তা জানেন না। মেয়েটির মুখ ভালো করে দেখে রেখেছি। জীনাত আমাকে আর একটি কাজ দিয়েছেন। ঢাকা স্টেশন মোটর থাকবে। আমি যেন মেয়েটিকে গাড়িতে তুলে দিই। তার খুব প্রয়োজন হবে মনে হচ্ছে না। কিন্তু আমি যে কথা দিয়েছি সে কাজটি করবার চেষ্টা করতে হবে।

    হঠাৎ দিনটা বাদলা হয়ে এলো। একটু ঠাণ্ডা হাওয়া দিচ্ছে। অনেকক্ষণ থেকে। দেখতে পাচ্ছি, আমার নিমেষের সেই সম্মুখবর্তিনী মহিলাকে তাঁর বর্তমান সঙ্গিনী একটা কিছু অনুরোধ করছেন। সেই অনুরোধের বৃন্তেই ফল ফললো কিনা জানি না। কিন্তু হঠাৎ বাতাসের গায়ে একটি করুণ গান লুটোপুটি করতে শুরু করলো। সেই মহিলাই গাইছেন : ‘আজ যেমন করে গাইছে আকাশ, তেমনি করে গাও গো’। তিনি গাইছেন এবং আমরা সকলেই তন্ময় হয়ে কান পেতে শুনছি। ভদ্রমহিলা পরিবেশের সঙ্গে গানটিকে কী আশ্চর্যভাবে মিলিয়ে দিলেন। এক সময় গান শেষ হলো। আবার গাইবার অনুরোধ এলো। কিন্তু ভদ্রমহিলা দ্বিতীয়বার গাইলেন না। আমার আর একটি আশ্চর্য অনুভূতি হলো। মনে হলো, সেই বোরখাপরা মহিলা চোখের ফুটো দিয়ে আমার তন্ময় ভাব লক্ষ্য করছেন। এক মুহূর্তের অসাবধানে বোরখাপরা মহিলার একটি হাত অনাবৃত হয়ে গিয়েছিল। অমন আশ্চর্য সুন্দর হাত আমি দেখি নি। এবং সেই সঙ্গে আর একটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক কথা এলো মনে। যে মহিলা অমন সুন্দরী, অমন উচ্চাঙ্গের বিদ্যালাপ করতে পারেন, এক অপরিচিত লোককে লাঞ্চ বক্স পাঠিয়ে দিতে পারেন, তাঁর গলা থেকে এমন গানও বেরুতে পারে, চিন্তাই করতে পারি নি।

    গানটির রেশ অনেকক্ষণ কামরাটিকে আচ্ছন্ন করে রাখলো; কিন্তু রেশ এক সময় কেটে গেল।

    কুমিল্লা স্টেশনে ট্রেন প্রবেশ করছে। আমি উঠলাম। একবার প্লাটফর্মে অল্পক্ষণের জন্য খোলা হাওয়ার নিচে দাঁড়াবো।

    শুনলাম আমার ট্রেনের অন্নদায়িনীকে তাঁর সঙ্গী একটি বই থেকে পড়ে শোনাচ্ছেন : Machiavelli accounted for the cyclical nature of history by the eternal sameness of men but christian histriography, added the eternal sameness of God’s justice.

    বাপরে! এই ট্রেনটিকে তো সহজেই এক ভ্রাম্যমাণ বিশ্ববিদ্যালয় বলা যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি সিরাজের বেগম – শ্রীপারাবত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Our Picks

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    আমি সিরাজের বেগম – শ্রীপারাবত

    August 4, 2026

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }