Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্বেত পাথরের থালা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প295 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শ্বেত পাথরের থালা – ১২

    অধ্যায় ১২

    সোমনাথবাবু বললেন—‘বুড়ি একটাই মুশকিল মা। আমার পেনশন আর ডিভিডেন্ডের টাকায় আমার একারটা রাজার হালে চলে যেত। দাদার জমা টাকাও বেশ কিছু ছিল। কিন্তু আমি যে ছাই ভ্রমণ করে করে তার অনেকটাই খরচ করে ফেলেছি। সে টাকা তো আসলে তোরই। দাদারও সে জ্ঞান হয়নি, আমারও না।’

    বন্দনা রাগ করে বলল—‘তা, বাবার টাকাকড়ি, যা নাকি আসলে আমার, সে সব খরচ করে ফেলেছো বলে কি আর আমাকে খাওয়াবে না? নিজের ব্যবস্থা নিজে করে নিতে বলছ, না কি বলো তো!’

    এতোটা তরল ভঙ্গিতে কথা বলা অনেক দিন বন্দনার অভ্যাস নেই। কিন্তু নন্দন রোডের এই দোতলা সবুজ রঙের বাড়িটার মধ্যে ঢুকে হঠাৎ তার শরীর মনের ওপর থেকে একটা ঘেরাটোপের মতো বিষণ্ণতার আবরণটা খসে পড়েছে। ছেলেকে বলছে—‘দ্যাখ রূপু, এই উঠোনটা আমার সুইমিংপুল হতো ছোটবেলায়। মুষলধারে বৃষ্টি পড়লে নর্দমাটা বন্ধ করে দিতুম। দাওয়া অবধি জল উঠে যেত, তার ভেতর সাঁতার কাটতুম। কাকাও নামত, জানিস তো?’

    রূপ বলল—‘আমিও করব মা, আমিও করব। তখন কিন্তু বারণ করতে পারবে না।’

    ছাদের লোহার ঘোরানো সিঁড়ি বেয়ে অন্তত পাঁচ বার ওঠা-নামা করা হয়ে গেল ছেলের। দু-তিনটে ধাপ দৌড়ে ওঠে। আর ফাঁক দিয়ে হাসি-হাসি মুখ বার করে নিচে তাকায়, সেই মুখে বন্দনা তার নিজের ছেলেবেলার মুখখানা অবিকল দেখতে পায়। ছাদের ওপর সে স্কিপিং করত, পাড়ার বন্ধুদের সঙ্গে চু-কিত-কিত খেলত। কিংবা নাম-পাতাপাতি, কিংবা বুড়ি-বাসন্তী। খেলার নাম শুনে রূপ হেসেই অস্থির। দোতলার দালানে এক কোণে দেয়াল-আলমারি, তাতে মায়ের তোলা বাসন থাকত। তার তলায় দু-ফুট মতো ফাঁক। সেই জায়গাটুকুতে ছিল তার পুতুলের সংসার। মা একটা পর্দা করে দিয়েছিল। পর্দাটা দু পাশে সরিয়ে দিলেই তার পুতুলের সংসার বেরিয়ে পড়ত। বেনে পুতুল, মুড়কি পুতুল, কাচের পুতুল, কাচকড়ার পুতুল এবং সবচেয়ে দামী, সবচেয়ে আদরের আলুর পুতুল। তাকে রোজ ফ্রক পাল্টে, দুধ খাইয়ে তবে তার নিজের খাওয়া-দাওয়া আরম্ভ হত। সে কথা বলতে কাকা বললেন, ‘তোর সেই আলুর পুতুল কিন্তু আলমারিতে এখনও তোলা আছে বুড়ি। তুই তাকে শেষ যে ফ্রকটা পরিয়েছিলি, সেটা পরে। এখন যদি ছেলেকে দিতে চাস তো দিতে পারিস!’

    রূপ বলল—‘ধ্যাৎ। আমি কি মেয়ে যে পুতুল নিয়ে খেলব! মেয়েগুলো বোকা তাই আলু-পটলের পুতুল নিয়ে খেলে।’

    বন্দনা হেসে ফেলল—‘আলু-পটলের আলু নয় রে, প্লাস্টিকেরই পুতুল, আমাদের ছোটতে তাকে আলুর পুতুল কেন বলতো জানি না।’

    আরও দেখুন
    শ্বেত পাথরের থালা
    Swet Patharer Thala
    ডিজিটাল বই
    রেসিপি বই
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    গল্প, কবিতা
    অনলাইনে বই
    ই-বই পড়ুন
    বই ডাউনলোড

    সোমনাথবাবু খাতা-কলমে কিসব অঙ্ক কষে বললেন—‘তিনজনের চলে যাবে ঠিকই। কিন্তু একটু কষ্ট করতে হবে। একটু হিসেব করে চলতে হবে—এই আর কি!’

    বন্দনা বলল—‘বারে, হিসেব করে চলা বুঝি আমার অভ্যেস নেই? আমার বিয়ের আগেকার কথা ভাবো তো! কে করত হিসেব?’

    সোমনাথ বললেন—‘আমাতে আর তোতে। ঠিকই। কিন্তু সে তো হিসেবে চলত না রে, বেহিসেবে চলত। যা ইচ্ছে, যা দরকার, দাও খরচ করে দাও। নেহাৎ খরচা করার নানান উপায় আমাদের খুড়ো-ভাইঝির জানা ছিল না তাই। কিন্তু তোর ছেলে তো বড়মানুষের ছেলে, আজকালকার ছেলেও বটে।’

    —‘ওকে মাথায় চড়িয়ে আর আমার সর্বনাশ করো না’, —বন্দনা বলল আমাদের যেমনি আয়, আমরা তেমনিই চলব। ওকে অযথা আদর, প্রশ্রয় একদম নয়। আর তুমি অত ভাবছোই বা কেন? আমার হাজার পঁচিশেক টাকা ফিক্সড আছে।’

    আরও দেখুন
    শ্বেত পাথরের থালা
    Swet Patharer Thala
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ডিকশনারি
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    লাইব্রেরি
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই পড়ুন
    বইয়ের তালিকা

    সোমনাথ বললেন—‘ওতে তুই হাত দিসনি। ওটা থাকুক। পরে কত খরচ আছে।’

    —‘লোকজন রেখ না। কাজকর্ম আমি একাই করে নেব।’ বন্দনা পরামর্শ দিল।

    —‘তুই কি পারবি? যা ভূতের মতো চেহারা হয়েছে।’

    —‘না কাকা, আমাকেও কিন্তু অযথা আদর দেবে না। কাজ করতে পেলে আমি বেঁচে যাব। তিনটে মানুষের তো কাজ!’

    অবশেষে, অনেক বাগবিতণ্ডার পর ঠিক হল বাসন মাজা এবং ঘর-পরিষ্কারের জন্য একজন লোক থাকবে। কিন্তু বাকি সব, অর্থাৎ রান্না এবং তার আনুষঙ্গিক ও কাপড়-কাচা বন্দনা নিজেই করবে।

    কার্যকালে অবশ্য দেখা গেল, কাজের লোকটির চেয়ে অনেক বেশি কাজের সোমনাথবাবু নিজে। নিজের গুলো তো বটেই, রূপের জামাকাপড়, বিছানার চাদর, বালিশের ওয়াড় ইত্যাদি খুব নিপুণভাবে কেচে ফেলে তিনি চোরের মতো কলঘর থেকে বেরোচ্ছেন এবং বন্দনার হাতে ধরা পড়ে যাচ্ছেন। বন্দনা ঝঙ্কার দিচ্ছে—‘আচ্ছা কাকা, তুমি কি বলো তো? বিছানার চাদর কি কেউ রোজ রোজ কাচে? কালই তো আছড়ে আছড়ে কাচলে।’

    আরও দেখুন
    Swet Patharer Thala
    শ্বেত পাথরের থালা
    পিডিএফ
    অনলাইন বুকস্টোর
    অনলাইনে বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    PDF
    ডিজিটাল বই
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা কৌতুক বই

    সোমনাথবাবু অপরাধীর মতো মুখ করে বলছেন—‘আজকে তোদেরটা কেচে দিলুম।’

    —‘বাঃ। তাহলে আমি কাচব কি? রূপুর গুলোও তো তুমিই কেচে দিলে।’

    —‘আরে, কত কাচার আছে, ধর, তোর ওই বালিশের ওয়াড় গুলো, তার ঢাকা…।’

    এবার বন্দনা হেসে ফেলে। কাকা করুণ চোখে তার দিকে চেয়ে বলেন—‘তুই আগে বেঁচে ওঠ মা, তারপরে করতে চাইলে অনেক কাজ পাবি।’

    ভোরবেলা চা করে তিনি বন্দনাকে ডাকেন। ততক্ষণে তাঁর আনাজপাতি কাটাও সারা। বঁটি দিয়ে পারেন না, টেবিলের ওপর ছুরি দিয়ে সব ফালা-ফালা করে কেটে রেখেছেন।

    প্রথম যেদিন ভোরবেলায় চা খেতে ডাকলেন কাকা, তখন পাখিরা সবে তাদের আধো-আধো বুলি কপচানো সেরে ব্যস্ততার সুর ধরতে আরম্ভ করেছে। জানলা দিয়ে সরু ফিতের মতো আবছা আলো এসে পড়েছে, একটু পরেই সেটা রোদ হয়ে উঠবে। —‘বুড়ি বুড়ি, চা হয়ে গেছে রে, ওঠ।’ যেন বহুযুগের ওপার থেকে ভেসে আসে এই ডাক।

    আরও দেখুন
    শ্বেত পাথরের থালা
    Swet Patharer Thala
    বইয়ের
    Books
    স্বাস্থ্য টিপস
    গ্রন্থাগার
    পিডিএফ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    ঘরের বাইরের দালানেই খাবার ব্যবস্থা। আগে রান্নাঘর, খাবার ঘর, বৈঠকখানা সব নিচে ছিল। সোমনাথবাবু সে সব ব্যবস্থা ওপরে তুলে এনেছেন। ইচ্ছে আছে, নিচেটা ভাড়া দিয়ে দেবেন। বড় চৌকো দালান, তারই একধারে পার্টিশন করে নিয়ে রান্নার ব্যবস্থা। অন্য দিকটাতে টেবিল পাতা; সেই সাবেকি গোল টেবিল, যাতে একসময়ে বন্দনা তার বাবা-কাকার সঙ্গে খেতে বসত।

    বন্দনা বিছানা ছাড়তে-ছাড়তে বলল—‘ওকি! আমায় ডাকলে না! এত ভোরে চা-ই বা কেন?’

    —‘ভুলে গেছিস? ভুলে মেরে দিয়েছিস সব? আমরা তিনজনে এমনি ভোরে চা খেতুম না বুঝি? শিগ্‌গিরি আয়। জুড়িয়ে যাবে।’ কাকা নিজের পুরনো র‍্যাপার ভাঁজ করে চায়ের পট ঢেকে রাখেন।

    —‘দাঁড়াও আগে দাঁত মাজি, কাপড় ছাড়ি।’

    —‘এ হে হে হে, তুই যে দেখছি সাত গিন্নির এক গিন্নি বড়াইবুড়ি হয়ে উঠেছিস! এ যে বাসি মুখে বাসি কাপড়ে খাবারই চা রে!’

    আরও দেখুন
    Swet Patharer Thala
    শ্বেত পাথরের থালা
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বই
    রেসিপি বই
    PDF
    Library
    উপন্যাস সংগ্রহ

    —‘না বাবা, আমার অভ্যেস নেই।’

    —‘শোন বুড়ি, মুখটা ধুয়ে আয়। কাপড়-টাপড় ছাড়তে যাসনি। আগে চা, তারপর অন্য সব। চা জুড়িয়ে যাবার মতো প্যাথেটিক ব্যাপার আর হয় না।’

    অগত্যা বন্দনা বেডটির অভ্যাস ঝালিয়ে নেয়। প্রথম প্রথম শ্বশুর বাড়িতে খুব অসুবিধে হত। সকালে জলখাবারের সময়ে দুধ খেতে হত। বাবাকে শাশুড়ি জিজ্ঞেস করে নিয়েছিলেন—‘বেয়াই মশাই, আপনার মেয়ের খাওয়া-দাওয়ার অভ্যেস কি?’

    বাবা কিছুই বলতে চান না।—‘যা দেবেন তাই খাবে, ওর কোনও ন্যাটা নেই।’

    —‘তবু!’

    তখনই বাবা বলেছিলেন—‘মেয়েটি আমার বেড়াল। মাছ আর দুধ ছাড়া চলে না। বাস আর কিছু চাই না।’ সকালে এক কাপ দুধ খাওয়া। কিন্তু ভোরবেলা উঠে যে তার আগেই একবার চা খাওয়া হয়ে যেত, সেটা আর বাবা ভেঙে বলেননি। বললেও অবশ্য বিশেষ কাজ হত না। কারণ এ বাড়িতে, সকালবেলায় শুদ্ধ হয়ে স্নান-টান করে তবে খাবার নিয়ম।

    আরও দেখুন
    Swet Patharer Thala
    শ্বেত পাথরের থালা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই পড়ুন
    রেসিপি বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বইয়ের তালিকা
    Library
    ডিজিটাল বই
    নতুন বই

    ভোরবেলা ঘুম ভেঙে প্রাণটা চা-চা করত। অভিমন্যু অঘোরে ঘুমোচ্ছ। তাদের বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত ঠাকুর রয়েছেন। ঠাকুমা এই সেদিন পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁর বেঁধে দেওয়া নিয়ম পালন করেই তারা বড় হয়েছে। বিদেশে বেড়াতে গিয়ে ভোরবেলা বেয়ারা চা নিয়ে ডাকাডাকি করলে অভিমন্যু ভীষণ বিরক্ত হত—‘এঃ, দিলে ঘুমটা মাটি করে।’ বন্দনা কিন্তু ভাবত বাড়িতে না হোক ঘরের মধ্যে যদি চালু করা যায় জিনিসটা। কিন্তু মানিয়ে নেওয়ার অভ্যাস আবার সব অভ্যাসের ওপরে যায়! কবে ভোরের গলা-শুকোনো বন্ধ হয়ে গেছে। বাসি কাপড় না ছেড়ে, স্নান না করে কিছু খাবার চিন্তাও অশুচি মনে হতে আরম্ভ করেছে, সে নিজেই জানে না। সে স্নান করে আসার পর অভিমন্যু বিছানা ছাড়বে, বিশেষত ছুটির দিনে, তখন কত রকম আহ্লাদিপনা, ঢং করবে গায়ে পড়ে। বন্দনা তাড়াতাড়ি দূরে সরে গিয়ে বলত—‘ইস্ দিলে তো ছুঁয়ে! যাই, বদলে আসি কাপড়টা!’

    —‘কাছাখোলা বাড়ির মেয়ে। তোমার আবার কবে থেকে এতো ছুঁৎমার্গ হল গো!’

    —‘হয়েছে, হানতি পারোনি।’ বন্দনা উত্তর দিত।

    আরও দেখুন
    Swet Patharer Thala
    শ্বেত পাথরের থালা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বইয়ের
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    Books
    উপন্যাস সংগ্রহ

    এখন আবার সেই অভ্যাসকে জোর করে পাল্টে ফেলা। কাকা তাকে তার কুমারী-জীবনের ছন্দে নিয়ে আসবেনই। নইলে নিজের জীবনটার ছন্দও বোধহয় মেলে না। বেসুরো, বেতালা হয়ে যায়।

    রান্নাঘরে গিয়ে বন্দনা দেখল, টেবিল-ময় কুচি-কুচি আলু। কুচি-কুচি লাউ; ফালা-ফালা পেঁয়াজ।

    —‘একি! ও কাকা! এগুলো কি হবে গো?’

    কাকা মাথা চুলকে বলেন—‘কেনরে আলু রাঁধবি, পেঁয়াজ রাধবি, লাউ রাঁধবি। মাছ সব কাটিয়ে কুটিয়ে এনেছি।’

    বন্দনা বলল—‘আলু যে রাঁধব সে তো হাড়ে-হাড়ে টের পাচ্ছি, লাউও রাঁধব। কিন্তু কি রাঁধব? তোমার প্ল্যানটা কি?’

    —‘প্ল্যান আবার কি? রান্নাও আবার একটা কাজ। তারও আবার প্ল্যান? দেনা সব কিছু নুন চিনি আদা হলুদ দিয়ে চড়িয়ে, দেখবি দিব্যি একটা যা-হোক কিছু হয়ে যাবে।’ সোমনাথবাবু একটু কাঁচুমাচু হয়ে বলেন।

    বন্দনা বলল—‘তোমাকে আর আমায় এতো সাহায্য করতে হবে না। আর কত কেটেছো বলো তো! আমরা মানুষ আড়াইটে সে খেয়াল আছে? নাকি আমি রাক্ষসী-টসী হয়ে এসেছি বলে তোমার ধারণা।’

    আরও দেখুন
    শ্বেত পাথরের থালা
    Swet Patharer Thala
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গল্প, কবিতা

    রূপ তার আগের স্কুলেই যাচ্ছে। প্রচণ্ড খরচ স্কুলের, স্কুল বাসও আছে। সোমনাথবাবু তার জন্যে আলাদা খেলার ঘর করে দিয়েছেন। সে ওই ঘরে সমবয়সী ছেলে-মেয়ে জুটিয়ে বিজলি-চালিত এরোপ্লেন, কাঠের দোতলা বাঘ-আঁকা বাস, রবারের সেপাই-বাহিনী। ব্যাগাটেলি ইত্যাদি নিয়ে মহা-আনন্দে সময় কাটায়। বিকেলবেলা মাঠে যায় হাতে ক্রিকেট ব্যাট, ক্যাম্বিসের বল, উইকেট নিয়ে। ও বাড়িতে নজরদারি ছিল খুব বেশি, বাড়িতে অন্য কোনও বাচ্চা সহসা ঢুকতে পেত না। রূপ ছিল সঙ্গীহীন। পার্কে গেলেও মন খুলে খেলাধুলো করার বা সমবয়সীদের সঙ্গে মেলামেশা করবার সুযোগ পেত না। এখানে শুধু বন্ধুবান্ধবই নয়। খেলার মাঠে তাকে ছেড়ে দিয়ে সোমনাথবাবু কাছাকাছি বেঞ্চে বসে থাকেন। অনেক সময়ে ঘুরে বেড়ান। রূপের সেই প্রচণ্ড মা-মা বাতিক কমতে আরম্ভ করেছে। সকালবেলা তাড়াতাড়ি চান-টান সেরে মাকে গম্ভীর চালে বলে—‘দেখো আবার বেশি দেরি করিয়ে দিও না, যা হয়েছে তাই দিয়ে দাও।’ তারপর কাকার হাত ধরে বড় রাস্তায় স্কুলবাস ধরতে যায়। কিছুতেই সোমনাথবাবুকে সে দাদু বলবে না। দাদু তো শ্যামবাজারে থাকে। ছোড়দাদুও তো শ্যামবাজারে থাকে। এটা কাকা। মায়েরও কাকা, ছেলেরও কাকা। বন্দনা বলেছিল—‘কেন শ্যামবাজারের বাড়িতে তোর কাকা নেই বুঝি? আমার কাকাকে কেন কাকা বলবি রে?’

    আরও দেখুন
    Swet Patharer Thala
    শ্বেত পাথরের থালা
    রেসিপি বই
    বই পড়ুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বই পড়ুন
    লাইব্রেরি

    রূপ মায়ের অজ্ঞতায় অবাক হয়ে যায়—‘সে তো কাকু! মেজকাকু, ছোটকাকু! কাকা কোথায়?’

    —‘ঠিক আছে বাবা, যা প্রাণ চায় বল। তুই খুশি থাকলেই হল।’

    প্রথমটা ভাবা গিয়েছিল, দাদু-দিদার জন্য রূপ খুবই কান্নাকাটি করবে। কিন্তু দেখা গেল বাচ্চারা খুব স্বার্থপর। নিজের খেলাধুলো, খাওয়া-দাওয়া, বন্ধুবান্ধব এবং মায়ের কোলটি ঠিক থাকলে আর বাদ বাকি সব কিছুই তারা চট করে ভুলে যেতে পারে। এক দাদু স্কুল বাসে তুলে দিতে, নামিয়ে আনতে যেতেন। এখন যাচ্ছেন আরেক জন। রূপের তাতে কিছু এসে যায় না। স্কুল থেকে ফিরে জলখাবার খেতে-খেতে সে মহাউৎসাহে বন্ধু আর টিচারদের গল্প করে। ক্লাসে কিরকম ডিগডিগে রোগা আর হোঁৎকা মোটা দুটো ছেলে আছে। অরিন্দম রোজ-রোজ জোক বলে। সঞ্জয় দত্ত খুব খারাপ ছেলে, রোজ পয়সা চায়। রাজা হাজরা আর অর্ণব শেঠ কিরকম ফাইট করে। তার পরই সে মাঠে যাবার জন্যে হামলাতে থাকে। মাঠ থেকে ফিরে ছেলে ঢুলতে থাকবে। অল্প একটু পড়ান সোমনাথবাবু। স্কুলটা ভালো। হোম-টাস্ক দেয় না। বেশির ভাগ পড়াই স্কুলে হয়ে যায়। পড়তে-পড়তে গল্প শুনতে-শুনতে ঢুল এসে যায়। দুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে রূপ।

    আরও দেখুন
    Swet Patharer Thala
    শ্বেত পাথরের থালা
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    PDF বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বই
    বাংলা বই
    লাইব্রেরি

    একটা পুরো সংসারের কর্তৃত্ব। অভ্যাস ছিল না কোনদিনই। প্রথম প্রথম বাধো-বাধো ঠেকত। তারপর নেশা ধরে গেল। শ্যামবাজারের বাড়িতে আজ্ঞাপালন ছাড়া আর কোনও সাংসারিক কর্তব্য পালনের বালাই ছিল না। কোনও-কোনও দিন শখের পোশাকি রান্না শাশুড়িরা রাঁধতে বলতেন। শ্বশুরদের খাওয়ার সময় মাথায় ঘোমটা দিয়ে বসে থাকতে হত। কিন্তু, নিজের ইচ্ছেমতো, বুদ্ধিমতো চলবার সুযোগ তার কোনদিনই হয়নি। এখন বন্দনা রান্নার বই কেনে কাকাকে ফরমাশ করে। নানারকম পদ রাঁধতে-রাঁধতে, কাকা আর ছেলের উৎসাহে আর উচ্ছ্বাসে সে রীতিমত দক্ষ রাঁধুনি হয়ে উঠেছে। দুপুরবেলা বাসনওয়ালী যাচ্ছে, তাকে ডেকে ছেঁড়া জামাকাপড় দিয়ে একটা সসপ্যান, কি একটা কেটলি কেনা হল তো সে মহা জয়ের আনন্দ। অবসর সময়ে বসে-বসে মায়ের পুরনো সেলাই-কলটা টেনে নিয়ে সেলাইও সে মন্দ করে না। বালিশের ঢাকা, পেটিকোট, পায়জামা, পর্দা, সুটকেসের ঢাকা—কি নয়? টেবলক্লথ তৈরি করে কোনকালে স্কুলে শেখা কার্পেটের স্টিচ দিয়ে। কত কতদিন সে রাস্তায় বেরোয়নি। এখনও বেরোবার দরকার হয় না। বাজার হাট সব কাকাই করেন। কিন্তু মাসে একদিন অন্তত কাকা তাদের নিয়ে বেরোবেনই। যেখানে হোক। কলকাতায় এবং তার আশপাশে যে এতো যাবার জায়গা আছে, দেখবার জিনিস আছে তা-ই তো বন্দনার জানা ছিল না। কলকাতার লোকেরা কলকাতা দেখে সবচেয়ে কম। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের ভেতরে অতবড় মিউজিয়ামটা সে কোনদিন দেখেনি। সেন্ট পল্‌স ক্যাথিড্রালের ভেতরে কোনদিন ঢোকেনি। গান্ধীঘাট বা ব্যান্ডেল চার্চ জায়গাগুলো কী সুন্দর। দমদম এয়ারপোর্টে গিয়ে শুধু প্লেন ওঠা-নামা দেখতে-দেখতেই রূপের মতন তারও মনে ছেলেমানুষি উৎসাহ আসে। ইন্টারন্যাশন্যাল লাইনের প্লেন নামবে তো? রূপের সঙ্গে-সঙ্গে বন্দনাও জিজ্ঞেস করতে থাকে। সেই বিশাল প্লেন ডানা মুড়ে খুব কাছে দাঁড়ায়। অ্যালিট্যালিয়া লুফথানজা রূপ পড়ে। সিঁড়ি লাগে গিয়ে। যাত্রীরা সব আত্মীয়স্বজনদের টাটা করে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে যায়। সুন্দরী এয়ার হোস্টেস, সুদর্শন ইউনিফর্ম পরা ক্রুরা সব চলে যায়। প্লেনের দরজা বন্ধ হয়ে যায়, সিঁড়ি ফিরে আসে। তারপর বিরাট দেহ নিয়ে বাঁক ফিরে একসময় উড়ে চলে যায় প্লেন। বন্দনার বুকের ভেতর হু-হু করে। বুক যেন ফেটে যাচ্ছে শতখান হয়ে। চোখ ফাটে না। মুখে ভাষা ফোটে না। শুকনো আমসির মতো মুখ দেখে, কাকা বলেন—‘বড্ড গরম, চ’ আজ ট্যাক্সি করে বাড়ি ফেরা যাক।’ রূপ উৎসাহিত হয়ে বলে—‘আবার কবে আসব কাকা!’ বন্দনার মুখের দিকে তাকিয়ে কাকা বলেন—‘চল্‌ তো এখন শিগ্‌গির শিগ্‌গির।’ রাক্ষসীর প্রাণ যেমন কৌটোর ভোমরাতে, কাকার প্রাণ যেন তেমন বন্দনার সুখ-দুঃখের সঙ্গে প্রাণের অধিক টানে বাঁধা হয়ে গেছে। এতটুকু চোখ ছলছল, মুখের ছায়া তাঁকে বুঝি যম-যন্ত্রণা দেয়। ট্যাক্সিতে বসে চোখ বুজোয় বন্দনা। হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও বৃষ্টি বাধা মানে না। ঝরে পড়ে শাড়িতে, কোলের ওপর, পাশে বসা ছেলের গায়ের ওপর। রূপ বলে—‘কাকা, আমার বাবা কি অমনি প্লেনে করেই চলে গেছে? আর কোনদিন আসবে না? যারা চলে গেল ওরা আসবে না? আসে না কেন? বলো না, বলো না, কাকা!’

    আরও দেখুন
    Swet Patharer Thala
    শ্বেত পাথরের থালা
    বাংলা বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বই ডাউনলোড
    লেখকের বই

    আজ কতদিন পরে রূপের মুখে বাবার নাম। বন্দনা বাইরে মুখ ফেরায়। রূপ তখন কাকার হাতে ছোট্ট ছোট্ট হাতে, ছোট্ট ছোট্ট কিল মারছে—‘ওদের আমি মারব, মারব, মারব।’

    কাকা বলেন,—‘ওদের মারিস। আমাকে মারছিস কেন রে পাগলা?’ তিনি হাসবার চেষ্টা করেন, এই প্রথম কিছুতেই হাসি ফোটে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরসাধক – বাণী বসু
    Next Article অষ্টম গর্ভ – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }