Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্বেত পাথরের থালা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প295 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শ্বেত পাথরের থালা – ২৩

    অধ্যায় ২৩

    এ কি সম্ভব? না এ হয় না। এতদিন পর হয় না। নাকি এত দিন পর বলেই হয়? সময়ের দূরত্বটা দরকার একজনকে নামিয়ে আরেকজনকে বসাতে? একজনকে নামিয়ে? হঠাৎ সমস্ত শরীর ব্যথায় শিউরে মুচড়ে ওঠে, বিসর্জনের বাজনা বাজছে কোথায়। বন্দনা তার স্বামীর মূর্তি বিসর্জন দিয়ে দিচ্ছে। আবার সিঁদুর পরবে বলে। না, এ হয় না। এখনও যে সে অভিমন্যু ভট্টাচার্যের স্ত্রী। দিনান্তে তাকে একবারও মনে পড়ে না এরকম কত দিন চলে গেছে। তার স্পর্শের স্বাদ আর এ দেহে নেই। খুব দূরের এক নিষ্প্রাণ ছবি সে। কিংবা গতজন্মের কোনও সম্পর্ক। সুদীপ্ত সত্যিই তাদের জীবনের সঙ্গে মিশে গেছেন। কিশোর বয়সে রূপ বিপথে চলে যাচ্ছিল, তাকে শক্ত হাতে ফিরিয়ে এনেছেন। এখনও ওর ওপর মাস্টারমশাইয়ের প্রভাব কাজ করে। সুদীপ্ত ওকে বোঝেন। বন্দনা বরং বোঝে না। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি? তাদের সঙ্গে সম্পর্ক না-ই বা থাকল। তারা কি ভাববে? নির্ঘাৎ বলাবলি করবে এই জন্যেই বন্দনা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে এসেছিল। স্বভাব যাদের এই রকম, তারাই বৈধব্যের রীতি-নীতি পালন করে না। অসংযমী। রূপ হয়ত খুশিই হবে, কিন্তু তাকে সে বলবে কি করে? লজ্জা না পেয়ে, প্রতিদিনকার বাজার করতে বলার মতো স্বাভাবিক গলায় বলতে হবে। অথচ ভাবতেও বন্দনার বুক শুকিয়ে যাচ্ছে, মুখে রক্ত জমছে। কলি? কলি-সঞ্জয় কি বলবে? ওরা তার একমাত্র বন্ধু। বলতে গেলে বোন-ভগিনীপতির মতো। ওরা যদি ঘৃণা করে? দূরে সরে যায়! চোদ্দ বছর কেটে গেছে এইভাবে। এখন জীবনযাত্রায় পরিবর্তনই কি সম্ভব? অথচ সুদীপ্ত এখন তার একমাত্র ভরসা, একমাত্র ভালো লাগা। তিনি এলে বাড়ি-ঘর-দোর, জীবন-সংসার সব পূর্ণ লাগে। আজ সুদীপ্ত মুখ ফুটে কথাটা বললেন, তাই। কিন্তু অকথিত এই বন্ধুতা, এই নির্ভর-এর ইতিহাস তো অনেকদিন হয়ে গেল। রূপ যখন সপ্তাহে তিনদিন মাস্টারমশাইয়ের কাছে দু রকমের আঁকা শিখত—অঙ্ক এবং চিত্রাঙ্কন, তখন সুদীপ্ত একদিন না আসতে পারলেই তার খারাপ লাগত। অভদ্রভাবে কখনও কখনও বলে ফেলেছে —‘শুক্রবার এলেন না?’

    —‘আরে একটা কাজ পড়ে গিয়েছিল ভীষণ, আমি আগামী সপ্তাহে চারদিন এসে যাব এখন।’

    বন্দনা ভীষণ লজ্জিত হয়ে বলেছে— ‘ছি ছি আমি কি তাই বলেছি? আমি শুধু খোঁজ নিচ্ছিলাম।’

    সুদীপ্ত মাঝে মাঝে বাইরে যেতেন। কখনও কাজে, কখনও বেড়াতে। সে সময়গুলো বন্দনার ভেতরে ভেতরে অস্থির লাগত। এতদিনে মাত্র একবারই বন্দনা বেড়াতে গেছে, দীঘা, কলিদের সঙ্গে, ফিরে আসার পর সুদীপ্ত বললেন—‘বেড়াতে কেমন লাগল?’

    —‘খুব ভালো।’

    —‘আমার আর রূপের সঙ্গে ফুলেশ্বর ঘুরে আসবেন চলুন।’

    সে যে কি আনন্দ আর আশ্বাসে পরিপূর্ণ দিন। ইন্সপেকশন বাংলোয় জানলার ধারে ইজেল খাটিয়ে দু’জনে বসে গেছে। কখনও বাইরে, নদীর ধারে। বন্দনা আঁকা দেখছে। ঘুরে বেড়াচ্ছে একা-একা। অথচ একা লাগছে না। গলা ছেড়ে গান গাইছে।

    রূপ ছবি আঁকতে আঁকতে বলছে—‘মা তো বেশ ভালোই গায় সুদীপ্তকাকু, কখনও তো শুনিনি আগে!’

    সুদীপ্ত বলছেন, ‘উহু কথা বলো না, গানটা যে শুনছ, সেটা জানতে দিও না। নো কমেন্ট।’

    —‘কেন। কাকু?’

    —‘আরে তোমার মা লজ্জা পেয়ে যাবেন। গান গায় মানুষ ভেতরের তাগিদে, নিজেকে যখন আর ভেতরে ধরে রাখতে পারে না, তখন। সেই গান জোর করে বন্ধ করে দিলে মানুষের বুক ফেটে যায়।’

    রূপ পরে গলগল করে গল্প করেছে এসব মায়ের কাছে। তখন খুব কথা বলতে ভালোবাসত ছেলে। কিছু লুকোত না। দু-চার বছরের মধ্যে কিরকম আমূল পাল্টে গেল! সুদীপ্তর সবচেয়ে বড় গুণ তিনি কাউকে আত্মসচেতন করে দ্যান না। তিনি যেন খুব সুন্দর একটা খুশি এবং আন্তরিকতার পরিমণ্ডল। ক্যানভাস। সে ক্যানভাসে তুমি আপন খেয়ালে ছবি এঁকে যাও। ভালো হল কি মন্দ হল ভাববার দরকার নেই। আসল কথা হল আত্মপ্রকাশ। নিজেকে খুলে মেলে ধরবার অভ্যাস বন্দনার ছিল না বলে বুকটা ফাটত। সুদীপ্ত থাকলে তার আত্মপ্রকাশ সহজ হয়।

    কিন্তু অফিস? অণিমা হালদার প্রমুখ সহকর্মিণীরা? কি বলবে? আড়ালে বলবে না, সামনেই বলবে। স্থূল কথাবার্তা, স্থূল আক্রমণ সে যে সইতে পারে না। আসলে সে যত দিনই চাকরি করুক, এই জগতের জন্য এখনও সে তৈরি হতে পারেনি। যে শক্ত খোলসটা নিজের চারপাশে দরকার, যে সপ্রতিভ আচার-আচরণ বাক-চাতুর্য প্রয়োজন তা সে এখনও আয়ত্ত করে উঠতে পারেনি। আরও ভয় আছে। অনুপম সোম? তাকে অপমান করে ফিরিয়ে দিয়েছিল। গর্ব করে বলেছিল—আমি বিবাহিত, অভিমন্যু ভট্টাচার্যের স্ত্রী। বলেছিল— কট্টর বৈধব্য পালন করি না বলেই কি মনে করেন আমি পুনর্বিবাহের জন্য মুখিয়ে আছি! এই অনুপমের কাছে তার মুখ থাকবে কি করে? সেই দিন থেকে অনুপম তার সঙ্গে দূরত্ব রেখে চলে, ফর্ম্যাল কথাবার্তার বেশি বলে না। বন্দনার মুখোমুখি হলেই তার মুখভাব একটা আহত চেহারা ধারণ করে। বন্দনা যদি আজ সুদীপ্ত সরকারকে বিয়ে করে অনুপমের প্রতিক্রিয়াটা কি হবে? সে কি অপমানের প্রতিশোধ নেবে না? সে কি হিংস্র হেসে বলবে না —‘তাই বলুন। মিসেস ভট্টাচার্য। সোজা সত্যি কথাটা বলতেই পারতেন। আরেকজনের সঙ্গে আপনার মন দেওয়া-নেওয়া হয়ে গিয়েছিল। অন্য কথা বললেন কেন? কেন বললেন আপনি বিবাহিত, আপনি অভিমন্যু ভট্টাচার্যের স্ত্রী, আর কাউকে বিয়ে করা আপনার পক্ষে সম্ভব নয়। কেন আমাকে অপমান করলেন?’

    ভেবে দেখলে, অনুপম এ কথা বলতেই পারে! সত্যিই বন্দনা তাকে যেভাবে অপমান করেছিল, সে বেচারা তার মতো কিছুই করেনি। কিছু না। আসলে কতকগুলো কথা ‘উইডো’, ‘ইউ ডোন্ট লিভ লাইক এনিবডিজ উইডো’— এই কথাগুলোই তার মাত্রাছাড়া ক্রোধের কারণ।

    কিছুতেই এ কমপ্লেক্স সে কাটিয়ে উঠতে পারল না। কাকা বেঁচে থাকলে হয়ত তাকে ধীরে ধীরে মুক্তমনের নারী, মুক্ত মানুষ করে তুলতেন, তার নিজের হওয়ার সাধ্য নেই।

    এক শুক্রবার বিকেল তিনটে নাগাদ নিজের টেবিলের ওপর অজ্ঞান হয়ে গেল বন্দনা। অমলেন্দু অন্য কোনও ডিপার্টমেন্টে গিয়েছিলেন। স্যারা টকাটক টাইপ করে যাচ্ছে। অমলেন্দু ফিরে সুইং ডোর খুলে ঢুকতে যাবেন বাঁদিকের টেবিলে স্যারা টাইপ করে যাচ্ছে। দেখলেন ডান দিকের টেবিলে বন্দনার মাথাটা টেবিলের ওপর, আস্তে আস্তে ঝুলে যাচ্ছে।

    —‘এ কি, মিসেস ভট্টাচার্য! কি হয়েছে?’ সাড়া নেই। স্যারাকে ডাকলেন। স্যারা এসে দেখে বলল— ‘শী হ্যাজ আ ব্ল্যাক আউট।’

    কোম্পানির ডাক্তার এসে দেখলেন, তক্ষুনি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হল। যেতে যেতে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই জ্ঞান ফিরে এল বন্দনার। দেখল সব ঘুরছে। সে শুয়ে আছে তবু ঘুরছে। স্বয়ং পৃথিবী মাতার সঙ্গে একাত্ম হয়ে গেল কি সে? মাথার কাছে স্যারা বসেছিল, নড়াচড়া টের পেয়ে ঝুঁকে পড়ল— ‘বন্ডনা, বন্ডনা, ডোন্ট ওয়ারি য়ু আর আ বিট আনওয়েল। উই আর টেকিং য়ু টু মেট্রোপলিট্যান জাস্ট ফর আ চেক-আপ। হাউ আর য়ু ফীলিং নাউ?’

    ঘোষাল উল্টো দিকে বসেছিলেন, এগিয়ে এসে বললেন— ‘কি কষ্ট হচ্ছে বউদি?’

    —‘মাথা ঘুরছে প্রচণ্ড।’

    —‘ঠিক আছে কথা বলবেন না, চোখ বুজিয়ে থাকুন।’ ঘোষালের আত্মীয় সম্বোধনে বোজা পাতার তলায় চোখ দুটো ভিজে ভিজে ওঠে।

    কোম্পানি তাকে বারো দিন নার্সিং হোমে রাখল। সমস্ত চেক-আপ। ই. সি. জি, ই. ই. জি, ব্রেন-স্ক্যান সব রকম বিশেষজ্ঞ এলেন। কিছুতেই উপশম হয় না। রোগিণী খালি শান্ত হবার ওষুধ, ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকে। ঘোরে থাকে।

    শেষে সুদীপ্তবাবু বললেন—‘সঞ্জয়বাবু, ঘোষালসাহেবকে বুঝিয়ে বলুন ওঁকে এবার আমরা বাড়ি নিয়ে যাই। সব কিছু চেক-আপ তো হয়ে গেছে। এখানে চিকিৎসা-বিভ্রাট ছাড়া আর কিছু হচ্ছে না। এতো সিডেশন ভালো না।’

    সঞ্জয় বলল, ‘বাড়িতে? সে কি? কে দেখবে?’

    কলি বলল, ‘আমি দেখতে পারি। সেটা কোনও কথা না। কিন্তু চিকিৎসার কি হবে?’

    একটু চুপ করে থেকে সুদীপ্ত বললেন—‘আমি ডাক্তার জানি। আপনাদের একদম নিশ্চিন্ত থাকতে বলছি। ঠিক হয়ে যাবে সব। এখানে যেভাবে বার্বিচ্যুরেট ব্যবহার করছে একটা স্থায়ী ক্ষতি না হয়ে যায়।’

    ঘোষালের সঙ্গে অনেক বাগ-বিতণ্ডা করে সুদীপ্ত একরকম জোর করেই নিয়ে এলেন বন্দনাকে। কলি রইল। কিন্তু কলির থাকার চেয়েও বড় থাকা সুদীপ্তর। হোমিওপ্যাথ ডাক্তারকে ঠিক করা, তাঁকে ডেকে এনে দেখানো, নিয়মমতো ওষুধ খাওয়ানো। রূপ যদি ডাক্তারকে রিপোর্ট দেবার ভার নিতে যায়, সুদীপ্ত বলেন ‘থাক। অনেকক্ষণ বসে থাকতে হবে। তোর ক্ষতি হবে। আমিই যাব এখন।’

    আসলে সুদীপ্তর ভয় রূপ ঠিকমতো রিপোর্ট দিতে পারবে না। রূপ তার মায়ের কিছু জানে না। ডাক্তার সিনহা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পূর্বাপর জিজ্ঞেস করবেন। রূপ সেসব বলতে পারা দূরের কথা, জানেই না।

    মাসখানেকের মাথায় একেবারে সুস্থ হয়ে গেল বন্দনা। খাট থেকে উঠে দাঁড়াতে আর মাথা টলটল করছে না। নিজের শরীরটা নিজের মনে হচ্ছে। কলি ডাক্তারবাবুকে জিজ্ঞেস করল—‘কি রোগটা হয়েছিল আমার বউদির? ডাক্তারবাবু!’

    প্রবীণ ডাক্তার বললেন—‘আমরা তো ডায়াগনসিস করে চিকিৎসা করি না মা, সিমটমের চিকিৎসা করি, রোগীর শরীরের স্বাভাবিক হালচাল বুঝে লক্ষণ মিলিয়ে চিকিৎসা।’

    ‘—রোগীর হিসট্রি তো আপনি জিজ্ঞেস করেননি। কনস্টিট্যুশন জানলেন কি করে?’

    —‘খানিকটা দেহ লক্ষণ মিলিয়েই জানা যায়। হিসট্রি সব সুদীপ্তবাবুর কাছেই জেনেছি। তাঁর রিপোর্ট এতো পুঙ্খানুপুঙ্খ ছিল বলেই এতো তাড়াতাড়ি সারল। নয়তো মাকে আরও কিছুদিন শুয়ে থাকতে হত।’

    কলি আশ্চর্য হয়ে গেল। বলল—‘লক্ষণের চিকিৎসা করলেও একটা না একটা ডায়াগনোসিস তো আছে!’

    —‘তা আছে। সুদীপ্তবাবু ঠিকই ধরেছিলেন। নার্ভাস সিসটেমের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়াতেই এমনি হয়েছিল। অ্যাংজাইটি নিউরোসিস।’

    —‘তাই? আর কিছু না?’

    —‘এটা কি সামান্য জিনিস হল মা? একটা মানুষের ভাবনাচিন্তা সহনশক্তি সব কিছুরই একটা সীমা আছে। সেটা মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে অতিবড় অঘটন ঘটে যাওয়াও অসম্ভব নয়। যে যেভাবে রি-অ্যাক্‌ট করে।’

    —‘তাহলে আবার এরকম হতে পারে!’

    —‘না হওয়ারই কথা। চিকিৎসা তো একটা হল। সিসটেমটা একটা বুস্ট পেল। তবে অসম্ভব নয়। ওঁকে একটু নিশ্চিন্তে থাকবার ব্যবস্থা করে দিন।’

    কলি যেদিন চলে যাবে বন্দনার রোগমুক্তি উপলক্ষে একটু খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করল। সে নিজেই নানারকম রান্না করল, বন্দনাকে কিছু করতে দিল না। সবাইকে খাওয়ালো নিজের হাতে। রূপ আর রঞ্জু রূপের ঘরে, সুদীপ্ত সঞ্জয়ের সঙ্গে গল্পে মত্ত।

    কলি বলল—‘বউমণি আমার তো সময় হয়ে গেল।’

    বন্দনা তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করে বলল—‘আমার তোকে ছাড়তে ইচ্ছে করছে না কলি। তুই চলে গেলে আমি একা কি করে থাকব?’

    কলি হেসে বলল—‘এতদিন কি করে চলছিল বউমণি?’

    —‘চলছিল না রে কলি, ওকে কি চলা বলে?’

    —‘কেন, তোমার ছেলে?’

    —‘ছেলে কি কখনও মায়ের সঙ্গী হয়? হয় না।’

    —‘তাহলে তোমার সুদীপ্ত?’

    বন্দনা যেন আচমকা চড় খেয়েছে। মুখ একবার লাল হয়েই পরক্ষণে ফ্যাকাশে হয়ে গেল।

    কলি বলল—‘সুদীপ্তবাবু তোমাকে সত্যি-সত্যি ভালোবাসেন, তুমি ওঁকে বিয়ে করো।’

    —‘কি বলছিস? ছিঃ ছিঃ।’

    —‘ছি ছি নয়। না করলেই বরং তোমায় আমি ছি ছি করব বউমণি। এবার উনিই তোমাকে বাঁচিয়ে তুলেছেন। তোমার খুঁটিনাটি এতো উনি কি করে। জানলেন বলো তো?’

    —‘তোর যুক্তিতে তো তাহলে ডাক্তারদের আগে বিয়ে করে ফেলতে হয় আমাদের।’

    —‘ওটা কু-যুক্তি বউমণি, তুমি ঠিকই বুঝেছ আমি কি বলছি। আমার মনে হয় তুমি নিজেও ওঁকে…’

    —‘কলি, কি হচ্ছে?’

    —‘কেন বলো তো তোমার এতো লোকভয়?’ কলি এবার রেগে উঠল, ‘লোকে তোমার কে কি করবে? কোন সমাজের সঙ্গে মেশো, কার খাও পরো যে গাল শুনতে হবে? তুমি ভীষণ দুর্বল বউমণি। এতো লোকলজ্জা, এতো দুর্বলতা ভালো নয়। সুদীপ্তদার ভালোবাসাকে তুমি স্বীকার করে নাও।’

    —‘তুই যা বলছিস তা যদি সত্যি হয় তাহলে স্বীকৃতির অপেক্ষায় থাকবার দরকার হবে না কলি। বিয়ে না করেও ভালোবাসা যায়।’

    তিরস্কারের দৃষ্টিতে বন্দনার দিকে তাকিয়ে রইল কলি, বলল— ‘যায়। কিন্তু বিয়েটাই সবচেয়ে শোভন, সুন্দর। ব্যক্তির চোখেও, সমাজের চোখেও। আশা করি তুমি এ বিষয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মনঃস্থির করে ফেলবে।’

    —‘তুই আমায় জোর করছিস? কলি নিজের তোর খারাপ লাগবে না? কষ্ট হবে না?’

    —‘কষ্ট? কার জন্য? দাদার জন্য?’

    বন্দনা চুপ করে রইল।

    কলি বলল—‘বউমণি দাদা কি স্বর্গে তোমার জন্যে বসে আছে মনে করেছ নাকি? যদি স্বর্গ বলে সত্যিই কিছু থাকে। কোনও একটা মৃত্যুর পরবর্তী অবস্থা, সেখানে দাদার মতো মানুষের খুব শান্তিতে বিচরণ করবার কথা। দাদার জন্য কষ্ট আছে। সে অকালে চলে গেল আমার সবচেয়ে ভালো দাদাটা। কিন্তু সে কষ্ট এখন ফিকে হয়ে এসেছে। মিথ্যে বলে তো লাভ নেই! আর তার সঙ্গে সুদীপ্তদার সঙ্গে তোমার বিয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। বউমণি একটা শূন্যের জন্য তুমি তোমার পুরো জীবনটাকে বরবাদ করে দেবে, কোনদিকে তাকাবে না, কাউকে ভালোবাসবে না, এ আমি কখনই বাঞ্ছনীয় মনে করি না।’

    —‘তুই হলে পারতিস? কিছু মনে করিসনি কলি।’

    —‘পারতাম কি? পেরে আছি বউমণি। আমার হৃদয় এতো ছোট নয় যে সেখানে একজন মৃতের পাশে একজন জীবিতের জন্য স্থান-সঙ্কুলান হবে না।’

    —‘পেরে আছিস? মৃত-জীবিত? কি বলছিস কলি?’

    —‘আমার জীবনের, আমার যন্ত্রণার তুমি কতটুকু জানো বউমণি? নিজে যন্ত্রণা না পেলে আমি তোমার কষ্ট বুঝতাম কি না তাই কে জানে! যন্ত্রণা না পেলে কেউ মানুষ হয় না বউমণি!’

    কলি আর দাঁড়াল না। চটপট করে সবাইকে চা খাইয়ে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরসাধক – বাণী বসু
    Next Article অষ্টম গর্ভ – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }