Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্বেত পাথরের থালা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প295 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শ্বেত পাথরের থালা – ২৭

    অধ্যায় ২৭

    পঁচিশ বছরের জন্মদিন পালনটা রূপের একদম পছন্দ নয়। একে তো একটা ধেড়ে ছেলে, তার ওপরে বেকার। তার আবার জন্মদিন। পনের বছরের জন্মদিনটা খুব ঘটা করে পালন করা হয়েছিল। প্রত্যেক বছরই পিসিরা আসে, সে বছর আরও কেউ কেউ এসেছিলেন। পিকনিক, সিনেমা, গান, কিন্তু সেসব দিনের কথা রূপ মনে আনতে চায় না। জন্মদিন আবার কি! করতেই যদি হয়, তো পায়েস-ফায়েস করে খাইয়ে দিলেই তো হয়। লোককজন ডাকা আবার কি। কিন্তু বন্দনা কিছুতেই শুনবে না। আসলে তাদের জীবনে উৎসবের সুযোগই নেই। অথচ মাঝে মাঝে পাঁচজন অতিথি এসে হই-হল্লা করলে ভালো লাগে। শেষে রূপ বলল,—‘ঠিক আছে আমার কয়েকজন বন্ধুকে বলব, কিন্তু তাদের তুমি বলতে পারবে না অকেশনটা কি।’

    বন্দনা বলল—‘তোর বন্ধুরা অনুপ, কিশোর, সন্দীপ, সুমন সবাই জানে।’

    রূপ চুপ করে গেল। আসলে পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে তার আজকাল আর যোগাযোগ নেই। এই সুযোগে সে অঞ্জু অংশুদের গ্রুপটাকে বাড়িতে আনবার কথা ভাবছে।

    কথা ঘোরাবার জন্য সে বলল—‘আমার পঁচিশ বছর বয়স হয়ে গেল? ইসস মা।’

    বন্দনা হেসে বলল—‘বয়স তো বেড়ে যাবেই রে। দুঃখ কেন?’

    —‘দূর এতো চেষ্টা করছি, এখনও পর্যন্ত একটা চাকরি জোগাড় করতে পারছি না।’

    —‘চাকরির বাজার ক্রমশই খারাপ হচ্ছে রে রূপু। টেকনিক্যাল কোয়ালিফিকেশন না থাকলে খুব মুশকিল। যাই হোক, এম-এটা তো করে ফেলেছিস। একটা ঠিকই পেয়ে যাবি।’

    —‘মা, তোমাদের ওখানে হয় না, না?’ রূপ সাহস করে বলেই ফেলল। বন্দনা বলল—‘আমাদের ওখানে ইউনিয়ন এতো স্ট্রং, তাদের বায়নাক্কাও ভীষণ। সেরকম কোনও ওপনিং হলে আমি চেষ্টা করব। তবে সে সম্ভাবনা কম।’

    অনুপম সোম এখন পার্সোনেল ম্যানেজার। কোনক্রমেই বন্দনা তাকে। জানাতে পারবে না সে এখানে ছেলের চাকরির চেষ্টা করছে।

    —‘মা, পিসেকে একবার বলে দেখবে?’

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বুক শেল্ফ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বই
    PDF
    অনলাইন বুকস্টোর
    ডিজিটাল বই
    Books
    ডিকশনারি
    বইয়ের

    বন্দনা বিষন্ন হয়ে গেল। বলল—‘দেখ রূপু অন্য লোকেদের যা-যা থাকে আমাদের তার অনেক কিছুই নেই। শুধু সম্মানটা আছে। তোর পিসি পিসে সত্যিকারের ভালো লোক, আমাদের হিতৈষীও। সেবার তুই ইনটারভিউটাতে গিয়ে পৌঁছতে পারলি না, সঞ্জয়কে খুব অপদস্থ হতে হয়েছিল। ও অবশ্য আমায় কিছু বলেনি। কিন্তু এখন যদি চাকরির জন্য ওকে ধরি, ওর সম্মান নষ্ট হবে। আমারও নষ্ট হবে।’

    অসন্তুষ্ট মুখে রূপ বলল—‘তোমরা যে কি বলো মা। কোনকালে কি ঘটনা ঘটেছিল, সঞ্জয় পিসের অফিস-অলারা কি সব মনে করে রেখেছে?’

    বন্দনা বলল ‘এক কাজ কর না। তুই নিজেই পিসেকে গিয়ে বল না। তাহলে তোর আগ্রহটাও বুঝবে।’

    কথাটা রূপের মনে লাগল। সঞ্জয় পিসে খুব মাই-ডিয়ার লোক। সেবার সে কৈফিয়ত দিয়ে এসেছিল পায়ের ব্যাণ্ডেজ দেখিয়ে। পিসেমশাইয়ের মুখ থাকেনি অফিসে, কিন্তু তাকে তেমন কিছু বলেননি। শুধু বলেছিলেন—‘আরে তুমি একটা ইয়ংম্যান, পায়ে ব্যাণ্ডেজ নিয়েই আসতে। কি ক্ষতি ছিল? আর জ্যাম-ট্যাম থাকলে সেরেফ হেঁটে মেরে দেবে, তোমার পা-গাড়ি তো আর কেউ কেড়ে নিচ্ছে না। জীবনে উন্নতি করতে গেলে অনেক কষ্ট করতে হবে মাস্টার।’

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    ডিকশনারি
    ডিজিটাল বই
    পিডিএফ
    লাইব্রেরি
    অনলাইনে বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    সঞ্জয়-পিসের কাছে একবার বোধহয় যাওয়া যায়। বাড়িতে না। অফিসে। যেতে হবে পার্ক সাকাস। এসপ্লানেড থেকে বাস বদল করতে হবে। প্রোসেশন বেরিয়েছে দেখে রূপ বাস থেকে নেমে পড়ল, হ্যারিংটনে ঢুকে পড়ল, চৌরঙ্গি রোডে এখন গাড়ি বহুক্ষণ থেমে থাকবে। হঠাৎ ডান দিকের বিল্ডিংটায় ওর চোখ আটকে গেল, এই বাড়িটার তিন তলায় ‘পেগাসাস অ্যাডভার্টাইজিং’এর অফিস। রূপ ঢুকে পড়ল। তিনতলায় উঠেই চিনতে পারল জায়গাটা। যদিও আরও অনেক সাজ-সজ্জা হয়েছে, চতুর্দিক কাচে মোড়া, দেয়ালে দেয়ালে মুর‍্যাল। ঠাণ্ডা ঝলক চতুর্দিক থেকে। বদলেছে, তবু চেনা যায়, নির্দিষ্ট ঘরের সামনে গিয়ে পিওনকে চিরকূট দিল। লিখবে নিজের নাম? যদি দেখা না করেন? নাঃ, লিখে ফেলা যাক, যা হয় হবে।

    চিরকূট পাঠাবার পর মুহূর্তেই পিওন এসে বলল—‘যান, ডাকছেন।’ ভেতরে ঢুকতে রূপের পা বেধে যাচ্ছে। খানিকটা মোটা কার্পেটের কারণে, খানিকটা অন্য কারণে। টেবিলের ওধারে দেয়াল ভর্তি নানান সাইজের, নানান প্রকারের বিজ্ঞাপনী ছবির পটভূমিকায় সুদীপ্তকাকুর সাদার ছোঁয়া লাগা কালো চুল। ভারি চশমা। সিগারেটের ধোঁয়ায় কালচে ঠোঁট, আঙুল। সেই মুখ সামান্য ভারি।

    আরও দেখুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    Library
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বই
    লাইব্রেরি
    গ্রন্থাগার

    —‘কি ব্যাপার? বসো।’

    রূপ সসঙ্কোচে বলল—“আপনি ভালো আছেন, মাস্টারমশাই।’

    —‘কেন তোমার কি সন্দেহ আছে তাতে?’ সুদীপ্ত হেসে বললেন, —‘তারপর কি করছ? আঁকাটা একেবারেই ছেড়ে দিলে?’

    —‘আবার ধরব ভাবছি, কিছু কিছু অলরেডি এঁকেছিও। দু-একটা। ধরুন বইয়ের প্রচ্ছদ। কিছু কিছু অ্যাড-এর লে-আউট। জাস্ট ফর ফান…’ রূপ একটু ইতস্তত করে থেমে গেল।

    সুদীপ্ত খুব তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকালেন, একটু ঝুঁকে পড়ে বললেন—‘তুমি কি চাকরি খুঁজছ রূপু?’

    রূপ চুপচাপ মুখ নিচু করে বসে। কিচ্ছু বলতে পারছে না।

    সুদীপ্ত বললেন—‘তুমি পরদিন তোমার কাজগুলো নিয়ে এস, ধরো কাল কি পরশুর মধ্যে। আর এই অ্যালবামটা দিচ্ছি দেখ একটু বসে।’ সুদীপ্ত ড্রয়ারের মধ্যে থেকে একটা বিরাট অ্যালবাম বার করলেন। রূপ দেখতে লাগল। সুদীপ্ত রূপকে দেখতে লাগলেন। একবারও তার মায়ের কথা জিজ্ঞেস করলেন না।

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    Books
    PDF বই
    বই
    বাইশে শ্রাবণ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ডিকশনারি

    আজ রূপ মাকে চমকের পর চমক দিচ্ছে। ‘মা, এই হল অংশুমান আমার ইউনিভার্সিটির বন্ধু। এ অঞ্জু, এই প্রদীপ’, মার মুখে সামান্য বিস্ময়। অনুপ, সন্দীপদের যে সে বলেনি একথা রূপ মাকে জানায়নি। বন্ধুদের সঙ্গে বান্ধবীদের সংযোজনের কথাও না।

    জলি বলে উঠল ‘মাসিমা, আপনাকে কি সুন্দর কি ইয়ং দেখতে। অভিরূপের দিদি বলে মনে হয়।’

    বন্দনা অবাক হয়ে তাকাল। এরকম কথা যে তার মেয়ের বয়সী একটি মেয়ে এভাবে বলতে পারে সেটাই তার কাছে আশ্চর্য। সে কথা ঘোরাবার জন্য বলল—‘তোমাদের কাউকেই আমি আগে দেখিনি। রূপ আগে এদের সঙ্গে পরিচয় করাসনি তো।’

    —‘টাইম নিচ্ছিল’ অঞ্জু দাঁতে নখ কাটতে কাটতে জবাব দিল, তারপর বলল—‘অভিরূপ তোমার বাবার সঙ্গে আলাপ করাবে না?’

    প্রদীপ বলল—‘এই অঞ্জু, কি বলছিস? জানিস না।’

    আরও দেখুন
    লেখকের বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    PDF বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাইশে শ্রাবণ
    অনলাইনে বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    রেসিপি বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

    জলি বলল—‘এ মা!’

    বন্দনা একটু দাঁড়িয়ে থেকে বলল—‘তোমরা গল্প করো আমি আসছি। সে চলে যাবার পর সবাই অঞ্জুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। প্রদীপ বলল—‘কি রে অঞ্জু জানতিস না অভিরূপের বাবা নেই?’

    অঞ্জু একইভাবে দাঁতে নখ কাটতে কাটতে বলল—‘না বুঝতে পারলে কি করব?’

    রূপ আশ্চর্য হয়ে ভাবল—সবাই জানে, অঞ্জু জানে না? হতে পারে? তাছাড়া অঞ্জুকে যেন সে নিজে একবার বলেছে। কবে কোথায় মনে করতে পারছে না, কিন্তু নিশ্চয়ই বলেছে।

    সারা সন্ধে ঝমঝমে বাজনা বাজল রেকর্ডে, সমস্বরে গান তার সঙ্গে অন্যান্যবারের মতো টেবিলে খেতে দেওয়া গেল না। রূপ এক ফাঁকে মাকে এসে বলল—‘মা তুমি আমায় একটা একটা করে প্লেট দিয়ে দাও, আমি নিয়ে যাচ্ছি। ওরা গানে গল্পে এতো মেতে আছে যে টেবিলে এসে খেতে চাইছে না।’

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বই ডাউনলোড
    গ্রন্থাগার
    ডিজিটাল বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    টেবিল ফুল দিয়ে সাজিয়েছে বন্দনা, খাবারগুলো সব বুফের জন্য আলাদা আলাদা প্লেটে রাখা, বলল—‘ঠিক আছে নিয়ে যা।’ ছটা প্লেটই রূপ একে একে বয়ে নিয়ে গেল, দ্বিতীয়বার আরও কিছু নিতে এল রূপ। তৃতীয়বার এল জলি।

    —‘মাসিমা রান্না দারুণ হয়েছে। চাটনি আর কাটলেটটা আর একটু দিন না।’ বন্দনা বলল—‘চলো না আমি যাচ্ছি, দিয়ে দিচ্ছি।’

    জলি হেসে বলল—‘ওখানে আপনি যেতেই পারবেন না। ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় অন্ধকার, সাদা কাঠি পেছনে লুকোলেও টের পাবেন।’

    বন্দনার নির্দেশমতো হাতটা ধুয়ে নিয়ে জলি কাটলেট আর চাটনি নিয়ে গেল। ছেলের জন্মদিনের আমোদ আহ্লাদ রূপের ঘরের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে রইল, পরিশ্রমের ভাগটুকু মায়ের। রান্নাঘর আর দালানের মধ্যে কয়েকবার ঘোরাঘুরি করে বন্দনা তার সেই তৃতীয় ঘরের একলা জানলার ধারে গিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। আজকেও তার জানলার তলায় অন্ধকারের বৃত্ত। অথচ চার পাশে আলো জ্বলছে। এই বাড়ির সামনের আলোটাই বার বার খারাপ হয়ে যায়। রাস্তার আলো মুখে পড়ে না বলে একরকম স্বস্তিও হয়। রূপের বন্ধুবান্ধবীরা হই হই করে চলে গেল। সদর দরজার কাছে হল্লার শব্দ। ‘ফির মিলেঙ্গে’, ‘রূপচাঁদ চলি।’ ‘অভিরূপ মাসিমাকে বলে দিস ফার্স্টক্লাস খেলাম।’

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    স্বাস্থ্য টিপস
    অনলাইনে বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    PDF বই
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ

    পাঁচটি ছায়ার পেছন পেছন ষষ্ঠ ছায়া রূপও ওদের এগিয়ে দিতে গেছে। রাত এখন সাড়ে দশটা। মেয়ে দু-টি কোথায় থাকে, কিভাবে পৌঁছবে। বন্দনার একটু ভাবনা হল, এরা নিশ্চয়ই সে ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু কিরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন সৌজন্যহীন ধরন এদের। মেয়ে দু-টিও ছেলেদের সঙ্গে সমানে তাল দিচ্ছে। এরকম ধরনের মেয়ে বন্দনা কোনদিন দেখেওনি, কল্পনাও করেনি।

    নিচে খিল তোলার শব্দ হল। দু তিনটে সিঁড়ি টপকে টপকে রূপ ওপরে আসছে। এত খুশি তাকে যেন বহুদিন দেখেনি বন্দনা।

    —‘মা, মা।’

    —‘কি রে?’ রূপ ঘর থেকে বেরিয়ে এল।

    রূপ ঝলমলে মুখে বলল—‘ওঃ মা যা রেঁধেছিলে আজ। তুলনা হয় না। ওরা সবাই বলল ফাটাফাটি।’

    আরও দেখুন
    Library
    লাইব্রেরি
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    লেখকের বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    বইয়ের

    বন্দনার মুখে পাতলা হাসি ভেসে উঠেছে, বলল, ‘তুই খুশি হয়েছিস?’

    জবাব না দিয়ে রূপ মাকে জড়িয়ে ধরল। রূপের ঠোঁটের ওপর একটুকরো গোঁফ ছিল ক’দিন আগেও। কামিয়ে ফেলেছে। মুখটা একটু অপরিচিত লাগে। মাথায় ওর অনেক নরম চুল, বোধহয় খুব নেচেছে কুঁদেছে। তাই এলোমেলো হয়ে আছে। রূপের মুখ ওর ঠাকুমার মতো, একটু গোলগাল, দাঁতগুলো হাসলে দেখা যায়। ঠোঁট দুটো টুকটুকে লাল ছিল আগে, এখন বোধহয় সিগারেটের গুণে একটু মেরুন-বেগুনি রং ধরেছে। রূপ তার বাবার মতো লম্বা নয়, মাঝারি দোহারা চেহারা, একটু অসাবধান হলেই থলথলে হয়ে যাবে। বন্দনার মনে হল, রূপ বড় হয়নি। বড় হবেও না কোনদিন। যদিও ও নিজেকে খুব বড়ই মনে করে।

    বন্দনার পেছন পেছন ঘরে ঢুকে রূপ ধপাস করে খাটে বসে পড়ল—‘ওরা কেউ অকেশনটা বুঝতে পারেনি মা, পারলে এইসা প্যাঁক দিত।’

    —‘প্যাঁক? সে আবার কি?’

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    রেসিপি বই
    নতুন বই
    বইয়ের তালিকা
    স্বাস্থ্য টিপস
    কৌতুক সংগ্রহ
    বইয়ের
    ডিজিটাল বই
    লেখকের বই
    অনলাইন বুকস্টোর

    রূপ বলল—‘পেছনে লাগা আর কি। আজকালকার এই ভাষাগুলো তোমাদের হয়ত বাজে মনে হবে, কিন্তু দারুণ এক্সপ্রেসিভ। মা ওদের কেমন লাগল তোমার?’

    —‘কিছু লাগবার মতো আলাপ আর করালি কই।’

    —‘ওরা আসলে তোমাকে একটু সমীহ করছিল। প্রথম দিন তো। জলি আর অঞ্জু আবার আসবে।’

    আবার আসবে? বন্দনা চুপ করে রইল। তারপর তাক থেকে একটা বই পেড়ে বলল—‘রূপু তোর জন্মদিনের উপহার। রাসেলের অটোবায়োগ্রাফি। রূপ মোড়ক খুলে দেখল। বন্দনা বলল—‘একটু একটু করে পড়বি। ফিরে ফিরে পড়বি।’

    রূপ বলল—‘তা তো বটেই। আচ্ছা মা ওদের মানে জলি আর অঞ্জুকে কেমন লাগল?’

    —‘কোনজন জলি? কোনজন অঞ্জু?’

    —‘ওই যে ভায়োলেট শাড়ি পরা ওইটে অঞ্জু।’

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বই
    বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কৌতুক বই
    PDF
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

    বন্দনা বুঝতে পেরেছিল, তবু জিজ্ঞেস করল। মেয়েটি চোলি পরেছিল চুমকি দেওয়া। গোছা গোছা বেগুনি কাচের চুড়ি।

    মেয়েটি অভিরূপের বাবার সঙ্গে পরিচিত হতে চেয়েছিল। সে শুকনো গলায় জিজ্ঞেস করল—‘ও জানে না তোমার বাবা অনেকদিন চলে গেছেন!’

    রূপ অপ্রস্তুত মুখে বলল—‘খুব বেশিদিনের আলাপ তো না, হয়ত বলিনি।’

    —‘অনুপদের সঙ্গে কি আজকাল তোমার সম্পর্ক নেই?’

    —‘তা থাকবে না কেন? কিন্তু এরা একটা আলাদা গ্রুপ, হয়ত মিশ খাবে না, তাই বলিনি।’

    —‘ওদের সঙ্গে মিশ খাবে না, তোর সঙ্গে খেল কি করে?’

    রূপ মাথা চুলকে বলল—‘তোমার ওদের পছন্দ হয়নি, না?’

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    অনলাইন বুকস্টোর
    ডিকশনারি
    PDF বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ডিজিটাল বই
    Library
    লাইব্রেরি
    অনলাইনে বই

    বন্দনা একটু হেসে বলল—‘পছন্দ হবার মতো নয়, সেটা তুই নিজেই বুঝতে পারছিস তাহলে।’

    —‘অঞ্জুকেও তোমার ভালো লাগেনি, না?’

    বন্দনার ভেতরে এবার ইলেকট্রিক শক। তার মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে।

    —‘মা কথা বলছ না কেন?’ রূপ ঝুঁকে পড়ে বলল—‘ভালো অবশ্য না-ও লাগতে পারে, বাইরে থেকে ওকে দেখলে একটু উদ্ধত মনে হয়।’

    —‘ভেতরটা উদ্ধত নয় বলছিস?’

    রূপ আর পারল না—‘মা শী ইমপ্রুভস্‌ অন অ্যাকোয়েন্ট্যান্স। ওকে যদি বিয়ে করতে চাই?’

    —‘এই তো বলছ বেশিদিনের আলাপ নয়, ভালো করে না বুঝে সুজে এরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিও না রূপ!’

    রূপ ঢোক গিলল। বলল—‘না, এক্ষুনি করছি না। চাকরি টাকরি পাই! মা, ওকে অনেকেই বিয়ে করতে চায়, আমি বেশি দেরি করলে…ও রাজি হয়েছে।’

    —‘তোর কি বিয়ের কথা ওকে বলা হয়ে গেছে?’

    —‘হ্যাঁ, না, মানে একরকম—হয়েই গেছে।’

    বন্দনা গম্ভীর গলায় বলল—‘এতো তাড়াতাড়ি কিছু ঠিক করো না রূপ। অনেকে ওকে বিয়ে করতে চায় বলছ, তুমি একটু দেরি করলেও ও যদি তোমার প্রতি অনুগত থাকে তাহলেই বুঝবে…’

    —‘মা প্লীজ, ওকে না হলে আমি বাঁচব না। আমাকে তাড়াতাড়ি করতেই হবে।’

    বন্দনার একবার মনে হল বলে—কাউকে না হলে কারুর বাঁচা আটকায় না। সাময়িক ভাবাবেগ, উচ্ছ্বাস এসব রূঢ় বাস্তবের মুখে খড়কুটোর মতো ভেসে যায়। কিন্তু এসব বলে কোনও লাভ নেই। একদিন ছেলেকে সে প্রায় এইভাবেই মিনতি করেছিল। ছেলে সেখানে রুদ্র প্রলয়ঙ্করের ভূমিকা নিয়েছিল। বন্দনার মনের গহনে সেই ভালোবাসা এখন চোরা নদীর মতো আটকে পড়ে আছে। তাতে স্রোত বয় না। একটা কর্দমাক্ত দহ। কিন্তু চলছে তো জীবন! প্রথম প্রথম যে দারুণ কষ্ট হত, মনে হত সব ছেড়ে-ছুড়ে পাগলিনীর মতো দরজা-জানলা হাট করে খুলে রেখে সে বরাবরের মতো কোথাও বেরিয়ে যায়। এখানে, এই ঘর-কন্নায় তার দম বন্ধ হয়ে আসছে। সে সময়ে দীর্ঘদিন রূপকে দেখলে তার ঘৃণা হত। নিজের মনোভাবে সে নিজেই ভয় পেয়েছে, কষ্ট পেয়েছে। সুদীপ্তকে দেখলে তাকে কুটি-কুটি করে ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে হত। বিরাট একটা প্রশ্ন চিহ্ন নিয়ে তাদের দিকে ছুঁড়ে ছুঁড়ে মারতে ইচ্ছে হত। এসব কি ভয়ের কথা নয়! বন্দনা সেই সব বিভীষিকার দিন দাঁতে দাঁত চেপে পার হয়ে এসেছে। কাউকে জানতে দেয়নি। কলিকে পর্যন্ত না। জানতে দিতে প্রচণ্ড লজ্জা। বন্দনা নিজের দুঃখের কথা কাউকে জানাতে লজ্জা পায়। আত্মমর্যাদার মানটা এত উঁচুতে তুলে ফেলেছে যে কারুর কাছে দুর্বল হতে পারে না। সুদীপ্ত অনেক দূরে সরে গেছে। আসে না, কিন্তু দুতিন মাস অন্তর অন্তর একটা করে চিঠি দেয়। সে চিঠি রূপের হাতে পড়লেও কোনও অসুবিধে নেই।

    রূপ বলল—‘মা, একটা কথা বলব? রাগ করবে না?’

    —‘আমার রাগের কত তোয়াক্কা তুই করিস।’

    —‘না আমি সীরিয়াসলি বলছি। আমি অঞ্জুকে বিয়ে করি, তারপর তুমি…’

    —‘তারপর আমি কি রে? চলে যাব এখান থেকে? না মরে যাব?’

    —‘কি যে বলো! তারপর তুমি সুদীপ্তকাকুকে…’

    বন্দনা চমকে উঠল। একটু পরে আস্তে আস্তে বলল—‘এখন আর তা হয় না।’

    —‘কেন হয় না?’

    —‘অনুভূতির জগতে যা ভেঙে যায়, তাকে সারিয়ে-সুরিয়ে নিয়ে আর কাজ চলে না।’

    —‘কেন, সুদীপ্তকাকু তো এখনও তোমায় চিঠি দেন। মা আই অ্যাম সরি।’

    —‘চিঠি দেন হিতৈষী বন্ধু হিসেবে। কিন্তু রূপ সব কথা তোমাকে বোঝাতে পারব না। তোমার এতদিনে সময় হল বলেই আমার সময় হবে না। আমার আর সে মন নেই। আমি বুড়ো হয়ে গেছি।’

    রূপ হেসে বলল—‘আমার বন্ধুরা বলছিল, তোমাকে আমার বড় দিদির মতো দেখতে লাগে, অনায়াসেই বিয়ের পিঁড়িতে বসানো যায়।’

    —‘রূপ, তোমার আগের বন্ধুরা স্বপ্নেও মায়ের সম্বন্ধে এ ধরনের কথা বলা ভাবতে পারত না।’

    —‘এরা একটু ঠোঁট কাটা। কিন্তু মনে মুখে এক হওয়াও তো একরকমের ভালো।’

    —‘সব কথার, সব ব্যবহারের স্থান-অস্থান, পাত্রপাত্র ভেদ আছে রূপ, সেগুলো অস্বীকার করলে সভ্যতার শর্তগুলোই অস্বীকার করা হয়।’

    —‘অঞ্জু উইল চেঞ্জ মা, দেখ।’

    —‘না বদলালেই কি তুই আমার কথা শুনবি?’ বন্দনা হাল-ছাড়া গলায় বলল, ‘যা বলি তোর ভালোর কথা ভেবেই বলি, তুই তোর রুচি মতো চলবি, শুধু রুচিটা নষ্ট না হয়ে যায় এটাই ভাবি।’

    রূপ বলল—‘ও মাই সুইট মাদার, রুচি যুগে যুগে পাল্টায়। আমাদের যুগটা তোমাদের থেকে এক্কেবারে আলাদা…’

    —‘তাহলে আমার মতো সেকেলে রুচির সঙ্গে আর থাকতে পারবি না বলেই কি আমায় বিদায় করতে চাইছিলি?’

    রূপ বলল—‘উঃ, তুমি যে কী বলো! আমি তোমার সুখের কথা ভেবেই বলেছি। তুমি যেমন আছ, তেমনি থাকবে। আফটার অল দিস ইজ ইয়োর ফাদার্স হাউজ।’

    বন্দনা চুপ করে বসে রইল অনেকক্ষণ। ছেলেও একই ভাবে তার কোলের ওপর থুতনি দিয়ে। রুচির অমিলটা এখনই স্পষ্ট করে ধরা পড়েছে। বন্দনার বাবার বাড়িতে রূপের বউ যদি থাকতে না পারে, তাহলে কি রূপই চলে যাবে?

    ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে সে বলল—‘রূপু, তোর ছেলেবেলাকার দিনগুলো র কথা মনে পড়ে? স্কুল থেকে এসে মাকে না দেখলে কেমন করতিস?’

    —‘মনে পড়ে মানে? ফীলিংগুলো শুদ্ধ মনে আছে।’

    —‘দিন কত বদলে যায়!’

    —‘মা ডোন্ট বি সিলি। এখনও যদি ওইরকম নেই-আঁকড়েগিরি করি তোমার কি ভালো লাগবে? আই অ্যাম এ গ্রোন আপ ম্যান নাউ।’ বন্দনা হেসে বলল—‘সত্যি! তুই গ্রোন-আপ ম্যান আর আমি গ্র্যান্ড ওল্ড লেডি।’

    রূপ বলল—‘ইউ আর এ গ্র্যান্ড অ্যান্ড লাভলি মাদার। আমার প্রস্তাবটার কথা ভেবে দেখলে পারো। আমি সুদীপ্তকাকুর কাছে গিয়েছিলাম। হী ইজ আনচেঞ্জড্‌।’

    বন্দনা চমকে, বলল—‘গিয়েছিলি? এই বলতে?’

    —‘না, তা নয়। চাকরির জন্য।’

    —‘চাকরির জন্য? ওঁর কাছে? রূপ!’

    —‘কেন, কি হয়েছে তাতে?’ রূপ কাঁধ নাচাল। জানলার কাছে গিয়ে দাঁড়াল মায়ের দিকে, পেছন ফিরে। ‘উনি আমাকে চাকরি দিচ্ছেন। হী ইজ এ গুড গাই। নিশ্চয়ই আমার জন্যে দিচ্ছেন না। মা’—রূপ ফিরে দাঁড়াল, —‘আই ফীল ওবলাইজ্‌ড্‌ টু হিম। তুমি রাজি হয়ে যাও। নইলে আই’ল ফীল ভেরি ব্যাড অ্যাবাউট ইট।’

    —‘সে ক্ষেত্রে চাকরিটা নিও না।’ ঠাণ্ডা গলায় বলে বন্দনা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল।

    হঠাৎ ভীষণ ভয় লাগল বন্দনার। যাকে খুব আপন জন বলে জানি, আদ্যোপান্ত চেনা, হঠাৎ যদি দেখা যায় সে প্রতারক, যাকে ভাই বলে জানি, সে ভাই নয় ভাই সেজে এসে এতদিন ঠকিয়েছে, ছেলে আসলে ছেলে নয়, কোনও অচেনা মানুষ একরকম চেহারার সুযোগ নিয়ে ছেলে বলে পরিচয় দিয়ে গেছে, তাহলে যেরকম আতঙ্ক হয়, এ সেই ভয়ানক আতঙ্ক। যে রূপ মা বিয়ে করতে যাচ্ছে শুনে ঘৃণায় বিদ্রোহে ফেটে পড়েছিল তাকে সে তবু খানিকটা চেনে। কিন্তু আজ যে নিজের স্বার্থের জন্য মাকে বিয়ে করতে বলছে সেই রূপকে তার একদম অপরিচিত লাগল। তার বুকের ভেতরটা হু হু করছে। খাঁ খাঁ করছে। না না, রূপ নিশ্চয়ই এভাবে বলেনি। এ ভেবে করেনি কাজটা। হয়ত ও সত্যিই এখন অনেক পরিণত হয়েছে। মায়ের সুখের কথা ভেবেই প্রস্তাবটা দিতে পেরেছে। মাস্টারমশাইয়ের ওপর পুরনো শ্রদ্ধা, আস্থা ফিরে এসেছে বলেই তাঁর কাছে চাকরি চাইতে যেতে পেরেছে। নিশ্চয়ই ব্যাপারটা কতটা নির্লজ্জতা হবে ও বুঝতে পারেনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরসাধক – বাণী বসু
    Next Article অষ্টম গর্ভ – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }