Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ

    দীনেশচন্দ্র সিংহ এক পাতা গল্প541 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. ভাগের রাজনীতি—২য় পর্ব

    তৃতীয় অধ্যায় – ভাগের রাজনীতি—২য় পর্ব : মাটি ভাগের রকমারি চিন্তাভাবনা : ভারত ভূমিকে খণ্ডখণ্ড লণ্ডভণ্ড করতে মুসলিম প্রতিষ্ঠান ও নেতাদের ছুরিতে শান : উত্তর পশ্চিমাঞ্চলকে আলাদা রাষ্ট্র করার সক্রিয় চিন্তা : চিন্তাকর-কবি মহম্মদ ইকবাল

    দেশভাগের পটভূমি : অঙ্কুর থেকে মহীরুহের পথে : রকমারি পরিকল্পনা

    রাজনৈতিক ও মানসিক বিভাজনের পরবর্তী ধাপ যে ভৌগোলিক বিভাজনের দাবি তা তো স্বতঃসিদ্ধ। ভারতের মুসলিম রাজনীতিও তার ব্যতিক্রম নয়। এ কথা ঠিক যে প্রতিষ্ঠানগতভাবে ইকবালই সর্বপ্রথম মুসলিম লীগের পক্ষ থেকে ভারতকে মুসলিম-ভারত ও হিন্দু-ভারতে ভাগ করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন। কিন্তু ব্যক্তিগত স্তরে তার অনেক আগে থেকেই কোন কোন মুসলিম নেতার মাথায় এই বিভাজন প্রক্রিয়া কাজ করতে শুরু করেছে। একে একে সেসব পরিকল্পনার সংক্ষেপে উল্লেখ না করলে দেশভাগ প্রশ্নে মুসলিম মানসিকতার সঠিক পরিচয় পাওয়া যাবে না। এ প্রসঙ্গে একথাও স্মরণ রাখা দরকার যে, একবার বঙ্গভঙ্গ প্রশ্নে হাত পুড়িয়ে ব্রিটিশ সরকার আর দেশভাগ বা প্রদেশভাগের কথা মুখে আনেনি। তারপর থেকে সে অপকর্মটা তারা মুসলমান নেতাদের মুখ দিয়েই বলাতে থাকে। যেমন :

    (ক) ১৯১৭ : স্টকহোমে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সমাজবাদী সম্মেলনে আবদুল জব্বার ও আবদুল সাত্তার নামে দুই ভারতীয় প্রতিনিধি মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র বাসভূমির প্রস্তাব রাখেন।

    (খ) ১৯২১ : নাদির আলি নামে আগ্রার জনৈক আইনজীবী ভারত বিভাজনই হিন্দু মুসলিম সমস্যার একমাত্র উপায় বলে এক পুস্তিকা প্রকাশ করেন।

    (গ) ১৯২৪ : মৌলানা মহম্মদ আলি (গান্ধীজীর ডান হাত) আলিগড়ে এক বক্তৃতা প্রসঙ্গে বলেন—”হিন্দু-মুসলিম সমস্যার সমাধান না হলে ভারতবর্ষ হিন্দু-ভারত ও মুসলমান-ভারতে বিভক্ত হবে।”

    (ঘ) ১৯৩০ : এলাহাবাদে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগ সম্মেলনে স্যার মহম্মদ ইকবাল উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পাঞ্জাব, সিন্ধু, সীমান্ত প্রদেশ ও বালুচিস্তানকে একত্র করে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে স্বশাসিত এক রাষ্ট্র অর্থাৎ Muslim Homeland-এর দাবি তোলেন।

    (ঙ) ১৯৩১ : On January 1, 1931 Maulana Muhammod Ali dictated from his sick-bed a letter to Ramsay Mac -Donald, the then Prime Minister of England, in which he pointed out, “The real problem before us is to give full power to Musalmans in such Provinces as those in which they are in a majority…..Unless in these few provinces Muslim majorities are established by the new Constitution, I submit, not as a threat, but as a very humble and friendly warning, there will be civil war.”

    এখানেই গুরু ও চেলার দৃষ্টিভঙ্গীর পার্থক্য। গুরু (গান্ধীজী) বলছেন Non-violence ও Civil Disobedience-এর (অহিংস আইন অমান্য) কথা; আর চেলা (মহম্মদ আলি) বলছে civil war-এর (গৃহযুদ্ধের) কথা। মহম্মদ আলি অবশ্য বেঁচে থাকেননি, তবে ১৬ বছর পর (১৯৪৬-৪৭) তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী সফল হয়েছে।

    (চ) ১৯৩৩ : ২৮ জানুয়ারি— চৌধুরী রহমত আলি নামে কেম্ব্রিজে অধ্যয়নরত জনৈক ছাত্র ও তার তিনবন্ধু ১৯৩৩-এর জানুয়ারী মাসে ভারত বিভাগ ও পাকিস্তান সৃষ্টির এক পরিকল্পনা গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত মুসলমান নেতাদের সামনে পেশ করে। ‘Now or Never’ নামক এক পুস্তিকায় রহমত আলি লেখে—”in the name of our common heritage and on behalf of our thirty million Muslim breth-ren, who live in Pakistan by which we mean the five northern units of India, viz., Punjab, North -West Frontier Province ( Afghan Province), Kashmir, Sind and Baluchistan”— এই প্রদেশগুলির ইংরেজী বানানের আদ্যক্ষর নিয়ে এই ‘Pakistan’ নামকরণ করা হয়েছে। যেমন-পাঞ্জাবের P, আফগান এলাকার (সীমান্ত প্রদেশ) A, কাশ্মীরের K, সিন্ধুর S, এবং বেলুচিস্তানের “Stan” নিয়ে এই “Pakistan.” ইকবালের প্রস্তাবে ভারতের মধ্যেই একটা আলাদা এলাকার কথা বলা হয়েছে। রহমত আলি ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বতন্ত্র মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের কথা বলে। সমবেত মুসলিম নেতারা এই প্রস্তাবকে অবাস্তব ও বিকৃতমস্তিষ্কপ্রসূত বলে খারিজ করে দেন। অদৃষ্টের নিষ্ঠুর পরিহাস সাত বছর পরে এই নেতারাই রহমত আলিদের প্রস্তাবকে কার্যে পরিণত করার সঙ্কল্প নেন।

    (ছ) ১৯৩৩ : পাঞ্জাব প্রদেশের লীগ নেতা স্যার মহম্মদ শাহনওয়াজ ‘জনৈক পাঞ্জাবী’ ছদ্মনামে ‘Confederacy of India’ নামে এক পুস্তিকায় পাঁচভাগে ভারত বিভাজনের এক পরিকল্পনা পেশ করে। সে বিভাগগুলি হল :

    (1) The Indus Region’s Federation with the Punjab (minus its eastern Hindu tracts), the Sind, the N.W.F.P., Kashmir, Baluchistan, Bahawalpur, Amb, Dir, Swat, Chitral, Khairpur, Kalat, Las Bela, Kapurthala and Malerkotla as its federal units.

    (2) The Hindu India Federation with the United Provinces, Central Provinces, Bihar with some portions of Bengal, Orissa, Assam, Bombay and an Indian States other than the Rajasthan and the Deccan States included in the States Federations as its federal units.

    (3) Rajasthan federation with the various states Rajputana and Central India as its federal units.

    (4) The Deccan States Federation comprising the Hyderabad, Mysore and Bastar States.

    ( 5 ) The Bengal Federation : The Prominent Muslim tracts of the Eastern Bengal and Goalpara and Sylhet districts of Assam as its provincial unit and Tripura and other states lying within the provincial unit or cut off by its territories from the Hindu India, as its state units.

    সারা ভারতকে এই পাঁচটি স্বয়ংশাসিত ফেডারেশনে ভাগ করে তাদের কয়েকটির মধ্যে যোগাযোগের জন্য Corridor-এর ব্যবস্থা করে এবং পাঁচটি ফেডারেশন স্বেচ্ছায় যদি কোনও Confederation-এ যুক্ত হতে চায়, তবে সে বিষয়েও নানা প্রকার সুপারিশ ও শলাপরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সে সব সুপারিশের জঙ্গল ভেদ করে কোনও আধুনিক রাষ্ট্র উন্নয়নের পথে এগোতে পারে কিনা সে সম্পর্কে ঘোর সন্দেহ রয়েছে। তবে এসব পরিকল্পনা থেকে এদের রচয়িতাদের মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। ভেদবুদ্ধি এবং বিচ্ছিন্নতাবোধ বিচারবুদ্ধিকে আচ্ছন্ন না করলে কারও মস্তিষ্কে এ ধরনের পরিকল্পনা দানা বাঁধতে পারে না।

    (জ) আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন অধ্যাপক সৈয়দ জাফরুল হাসান এবং ডঃ মহম্মদ আফজল হাসান কাদরী ভারতবর্ষকে ছয়টি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্ররূপে বিভক্ত করার এক পরিকল্পনা পেশ করেন। প্রস্তাবিত ছয়টি রাষ্ট্র হল : (১) পাকিস্তান, (২) বঙ্গ, (৩) হিন্দুস্থান, (৪) হায়দরাবাদ, (৫) দিল্লী এবং (৬) মালাবার।

    (ঝ) ১৯৩৮ : হায়দরাবাদের ডঃ সৈয়দ আবদুল লতিফ সমগ্র দেশকে ধর্ম ও সাংস্কৃতিক ভিত্তিতে একটি হিন্দু এবং চারটি মুসলিম ব্লকে ভাগ করার এক পরিকল্পনা পেশ করেন। তার প্রস্তাবিত ব্লকগুলি নিম্নরূপ :

    (1) North-West Block Consisting of Sind, Baluchistan, the Punjab, North-West Frontier Province and Kashmir, Khairpur and Bahawalpur.

    এই অঞ্চলের হিন্দু ও শিখদের পাতিয়ালা ও সন্নিহিত দেশীয় রাজ্যের মুসলমানদের সঙ্গে লোক বিনিময় মারফত অঞ্চলটিকে সম্পূর্ণরূপে ইসলামী রূপ দেওয়া হবে।

    (2) North-East Block — Right on the other side of India, there is a solid block of Muslims in Bengal and Assam of over 30 millions, who may be assigned a free political existence.

    বাংলা ও আসামকে নিয়ে মুসলিম প্রধান স্বতন্ত্র উত্তর-পূর্ব ব্লক, যা চিরস্থায়ীভাবে মুসলিম শাসনাধীনে থাকবে।

    (3) Delhi-Lucknow Block — The great bulk (of the Mus-lims) belonging at present to the United Provinces and Bihar number about 12 millions may be concentrated in a block extending in a line from the western border of United Provinces to Lucknow and rounding up Rampur on the way. This zone should be contiguous to the Punjab Muslim Block but will leave out the Hindu religious centres of Mathura, Banaras, Haridwar and Allahabad.

    অর্থাৎ যুক্ত প্রদেশের (বর্তমান উত্তর প্রদেশ) পশ্চিম সীমানা থেকে রামপুর নবাব স্টেট নিয়ে লক্ষ্ণৌ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা। এর অধীনস্থ হিন্দুতীর্থ মথুরা, বারাণসী, হরিদ্বার এবং এলাহাবাদকে অবশ্য বাদ দেওয়া হবে। আর বিহার ও যুক্ত প্রদেশের বাকী অংশের ১ কোটি ২০ লক্ষ মুসলমানকে তুলে এনে দিল্লী-লক্ষ্ণৌ ব্লকে বসতি দেওয়া হবে। (4) The Deccan Block

    (4) For the Muslims below the Vindhyas and Satpura a zone is to be carved. The Dominions of Hyderabad and Berar may provide such a zone with a narrow strip of territory restored to them in the south, running down via Kurnool and Cuddapah to the city of Madras.

    অর্থাৎ বিন্ধ্য ও সাতপুরা পর্বতশ্রেণীর দক্ষিণে অবস্থিত মুসলমানদের জন্য হায়দরাবাদ ও বেরারকে নিয়ে একটি স্বতন্ত্র ব্লক তৈরি হবে। সমুদ্রের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য পূর্বে মাদ্রাজ শহর পর্যন্ত অথবা পশ্চিমে বিজাপুর হয়ে মালাবার উপকূল পর্যন্ত জমির ব্যবস্থা করতে হবে।

    (5) Hindu Zone — The rest of India will now be in a position to resolve itself into cultural zones for the Hindus according to the several languages spoken by them, viz, Bengali, Hindi, Oriya, Rajasthani, Gujarati, Maharattee, Telegu, Tamil, Canuarese and Malayalam or in any manner the Hindus may decide upon.

    অর্থাৎ নিজেদের হিস্যা বুঝে নেবার পর এবার হিন্দুরা নিজেদের প্রাপ্য অংশ নিয়ে যা খুশি করুন।

    সংখ্যালঘুদের পরিপূর্ণভাবে স্থানান্তরের প্রস্তাব : কমিটি গঠন

    ডাঃ লতিফের সবচেয়ে মারাত্মক সুপারিশ হল পূর্বোক্ত মুসলমান ব্লকগুলি থেকে সব হিন্দু হিন্দুদের জন্য নির্দিষ্ট অঞ্চলে চলে যাবে; আর হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল থেকে সব মুসলমান মুসলিম ব্লকগুলিতে গিয়ে বসতি স্থাপন করবে—যাতে ইসলামিক তমুদ্দিন ভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠন করা সহজ হয় মুসলিম শাসকদের পক্ষে।

    আশ্চর্যের বিষয় এই কিম্ভূতকিমাকার এবং ছিন্নভিন্ন খণ্ডবিখণ্ড ও লণ্ডভণ্ড করার সুপারিশ প্রস্তাবটি বিবেচনার জন্য ১৯৩৯ সালের ২৫শে মার্চ তারিখের মুসলিম লীগ ওয়ার্কিং কমিটি নিম্নোক্ত সদস্যদের নিয়ে এক সাব-কমিটি গঠন করে।

    (১) মিঃ এম. এ. জিন্না, (২) স্যার সিকান্দার হায়াৎ খাঁ, (৩) খাজা স্যার নাজিমুদ্দীন, (৪) সৈয়দ আবদুল আজিজ, (৫) স্যার আবদুল্লা হারুন, (৬) সর্দার ঔরঙ্গজেব খাঁ, (৭) নবাবজাদা লিয়াকত আলি খাঁ— অর্থাৎ মুসলিম লীগের সব জবরদস্ত নেতারা। এমন একটা বাস্তববোধ বিবর্জিত প্রস্তাব বিবেচনার জন্য যে উচ্চশিক্ষিত মুসলমান নেতাদের কাছে গৃহীত হতে পারে তা-ই আশ্চর্যের বিষয়। কিন্তু হিন্দুদের এই আশ্চর্য হওয়াই তাদের রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার লক্ষণ। তারা মুসলিম মানসিকতা কখনই ঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেনি বলে পদে পদে অপদস্থ ও পরাভূত হয়েছে।

    তবে এখানেই শেষ নয়। মুসলিম সমাজের মাতব্বরদের থেকে এরপরও নানা প্রকার প্রস্তাব উত্থাপিত হতে থাকে।

    (6) ১৯৩৮–”…by mid-summer of 1938, some young men established in Lahore a society under the name of Majlis-i-Pakistan to propagate the idea of Pakistan aim-ing at separating the Provinces of the Punjab, N.W.F.P, Sind, Kashmir and Baluchistan from India and uniting them under a free and independent Government. Its founder secretary was Mian Bashir Ahmed.

    (7) The resolution adopted at the Sind Provincial Muslim League on 7.10.1938 considered it absolutely essential…. that India may be divided into two federaions, viz. the Federation of Muslim states and the Federation of non-Muslim states.

    আরও আছে। “আলিগড়ের ডঃ জাকিউদ্দীন, ডঃ ফরহান আহমদ ও উবেদউল্লা দুরানী, অধ্যাপক হাসানসহ ১৯৩৯ খ্রীস্টাব্দের ১৫ নভেম্বর জিন্নার কাছে এক আবেদন প্রসঙ্গে ভারতের মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলিতে একাধিক স্বাধীন মুসলিম অঞ্চল গঠনের কথা জোরালো ভাষায় বলেন। এর কিছু দিনের মধ্যেই দশ দিন একটানা আলোচনার পর কয়েকজন মুসলমান সংবিধান বিশেষজ্ঞ উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে পৃথক জাতীয়তার ভিত্তিতে মুসলিম অঞ্চল গঠনের জন্য জিন্নার কাছে গোপনে এক পরিকল্পনা পাঠান। সিন্ধুর স্যার আবদুল্লা হারুনের কমিটিও লীগের আহ্বানে অপর একটি ভারত বিভাজনের পরিকল্পনা রচনা করেন।

    সরকারী নথিপত্রে ‘পাকিস্তান’ : বিলাতে দরবার হিটলার মুসোলিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা

    মুসলমান নেতারা শুধুমাত্র ভারতের মধ্যেই তাদের হোমল্যান্ড বা স্বতন্ত্র বাসভূমির প্রচার ও পরিকল্পনা সীমাবদ্ধ রাখেনি। তারা মুসলিম দেশগুলিতে তো বটেই, বিলাতে গিয়েও ব্রিটিশ রাজপুরুষদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও দরাদরি শুরু করেছেন। এমন কি হিটলার-মুসোলিনী চক্রের সঙ্গেও তারা যোগাযোগ স্থাপনে চেষ্টা করেন। আরও লক্ষণীয় এই যে ‘Pakistan’ শব্দটি সরকারি গোপন নথিপত্রেও স্থান পেতে শুরু করেছে এবং তাদের লক্ষ্য পূরণে সরকারি প্রেরণা ও যুক্তি-পরামর্শের নিদর্শনও পাওয়া যায়। বক্তব্যের সমর্থনে একে একে কিছু প্রমাণ দেওয়া গেল :

    (1) I think that the Pakistan scheme received its first real ventilation at the recent meeting of the Muslim League at Meerut, but I have no doubt that we shall hear more about it, or its variants, from other sources. (Linlithgow to Zetland 12.4.39)

    (2) I agree with what you say ….re : ‘Pakistan” and simi -lar schemes. So far as I know, nothing really concrete on these lines has yet seen the light of the day. (Zetland to Linlithgow–4.4.39).

    ইংরেজ রাজপুরুষগণ ‘পাকিস্তান’ প্রস্তাব দিনের আলো দেখার অপেক্ষাতেই আছেন। তবে বেশিদিন তাদের অপেক্ষা করতে হয়নি। ইত্যবসরে ভাইসরয় লিনলিথগো করাচী থেকে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত এক সংবাদ জানতে পেরে ভারত সচিব জেটল্যান্ডকে জানাচ্ছেন : “….an in-telligence report has just come to hand from Karachi which suggests that Jinnah is communicating with Khalikuzzaman and Siddiqui who, as you know, are still in Europe, and ordering them to get into touch with Hitler and Mussolini to whom they are to put the case of the Muslims in India, Goodness knows what Jinnah and his friends expect to get from this contact but while I take the report with a grain of salt–I judge it by no means impos-sible that there is something of substance in it, given the present mood of acute, but rather formless apprehension, which is at the moment so evident amongst Muslims throughout India. ‘

    চৌধুরী খালিকুজ্জমান এবং আবদুর রহমান সিদ্দিকী ভারত সচিব লর্ড জেটল্যান্ডের সঙ্গেও অখণ্ড ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের শাসনাধীনে মুসলমানদের অবস্থা এবং পাকিস্তান সম্পর্কে আলোচনা করেন। ভাইসরয় লিনলিথগো-কে সে আলোচনার সারবস্তু জানিয়ে জেটল্যান্ড লেখেন :

    “I had a visit some few days ago from the two Indian Muslims….. Mr. Siddiqui and Mr. Khalikuzzaman. They talked vaguely about the Pakistan problem and then turned to what they obviously really wished to discuss with me, namely the position of the Muslim community in India in the event of a scheme of federation in accordance with the provisions of the Act of 1935 coming into existence. They spoke very strongly on the question and told me that they did not think it would be possible for the Muslim to acquiesce in the introduction of the scheme.

    I asked them whether in these circumstances they had any alternative suggestion of a constructive character to put forward. They replied that they had. They were very vague…. when we came to details, but I rather gathered that there was in their minds was a federation of the Muslim Provinces and States in North-West India, a further federation of Bengal and Assam and possibly Bihar and Orissa in the east; and a further federation or possibly more than one further federation of the other Provinces and States in the remaining part of India. They clearly had failed to consider the practical difficulties in the way of such a scheme, but I gather from them that many Muslims were thinking on this line.”

    হিন্দুদের দাবিয়ে রাখতে মুসলমানদের তোল্লা দিতে হবে

    এ শুধু অনুমান নয়, অতীব সত্য কথা। বেশির ভাগ মুসলমানই ভারতকে কয়েকটি মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে বিভক্ত করার পক্ষপাতী। আর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিপক্ষে যারা মত পোষণ করে সে কংগ্রেস হোক, আর ইংরেজ হোক, তাদেরই তারা শত্রুপক্ষ বিবেচনা করে। কংগ্রেস বা হিন্দুদের বিরুদ্ধে মুসলমানরা বিরূপ ধারণা পোষণ করলে ইংরেজদের কিছু যায় আসে না। কিন্তু ইংরেজদের প্রতি মুসলমানরা যদি বিদ্বেষভাব পোষণ করে, তাহলেই ভয়ের ব্যাপার। এই পরিস্থিতি তথা আশঙ্কা সুন্দরভাবে ব্যক্ত হয়েছে ১৯৩৯-এর ৬ এপ্রিলে লর্ড লিনলিথগো-কে লেখা যুক্ত প্রদেশের গভর্নর এইচ. পি. হেইগ-এর গোপন চিঠিতে :

    “We may I think start from the premise that the Indian Muslims have no sentimental attachment to the British connection, though the recollection of a long period of friendly relations will not be without its influence. They have at various times supported the British strongly against revolutionary movements, but the support has been given on a calculation of thier interests and was based on the view that a victory by the Congress over the British would mean the establishment of complete Hindu domination in the country.”

    সুতরাং মুসলমানদের এই কংগ্রেস ভীতিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের চামড়া বাঁচাবার পরামর্শ দিয়ে মিঃ হেইগ লিখেছেন :

    “The Muslims feel to some extent that they have been betrayed (by the British). They are in a bad temper, and in such a frame of mind that they might take unwise deci-sions. If, however, it came once more to an open struggle between the British and the Congress…I should hope it might be possible to rally the support of the Muslims… But it is possible that their support would only be given on terms, and the British Government will have to consider very carefully how far they are prepared to make certain political concessions to the Muslims in order to secure that support. “

    মুসলমানরা যাতে কোনও পরিস্থিতিতেই কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্তভাবে ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনে সামিল হতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখার প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করে মিঃ হেইগ তাঁর পত্র শেষ করেন :

    “It might seem inconceivable that in the present state of feeling Hindus and Muslims would unite against us. But it is not necessary to contemplate a Hindu-Muslim alliance. It is not impossible, if situation were unwisely handled, that we should find Hindus fighting us on their policy, and the Muslims on theirs. A situation like this would be very diffi-cult to hold.”

    P-A-K-I-S-T-A-N-এর স্বপ্নদ্রষ্টা পূর্বোক্ত রহমত আলি কিন্তু বসে নেই। মুসলিম সমাজে এবং শাসক ব্রিটিশ মহলে পাকিস্তান প্রস্তাবের পক্ষে যখন অনুকূল মনোভাব ও সক্রিয় ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে, তখন তিনি আবার আসরে আবির্ভূত হলেন তাঁর পরিকল্পনাকে আরও ব্যাপক আকার দিয়ে। “The Millat of Islam and the Menace of Indianism” নামক কিতাবে মুসলমানদের ভারতীয়ত্ব সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে মুসলমান অধ্যুষিত ও শাসিত অঞ্চলকে “তিন নামে তিনটি অংশে বিভক্ত রাষ্ট্ররূপে দেখানো হয়। উত্তর-পশ্চিমাংশের নাম যথারীতি ‘পাকিস্তান’। বঙ্গ ও আসাম মিলে ‘বঙ্গ-ই-ইসলাম।’ নিজামের উসমানী বংশের নামে হায়দ্রাবাদ “উসমানীস্তান’ নামে পরিচিত হবে প্রস্তাব করা হয়।”

    সারা ভারতে বর্তমানে যে বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে, তাতে বিভাগ পূর্বকালে মুসলমান নেতাদের পূর্বোক্ত পরিকল্পনাসমূহের সাদৃশ্য দেখা যায় না কি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅথর্ববেদ সংহিতা (সম্পাদনা : দিলীপ মুখোপাধ্যায়)
    Next Article মৈমনসিংহ-গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }