Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বর্ণচঞ্চু – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প92 Mins Read0
    ⤶

    ৪. অমিতাদির ডেডবডি

    অশোক সুমিতাদের বাড়ি এল। সুমিতা অশোকেরই বয়সি, দুজনে একসঙ্গে কলেজে পড়েছে। তুই তোকারি সম্পর্ক। অশোককে দেখে সুমিতাই আগে বলল, কী রে অশোক, কী ব্যাপার?

    অশোক বলল, ব্যাপার গুরুতর। মাসিমা কোথায়?

    রান্না করছেন। কিন্তু গুরুতর ব্যাপার মানে?

    অশোক বলল, গুরুতর মানে, সত্যি গুরুতর। অমিতাদির ডেডবডিটা জনসন রোডের নর্দমায় আমিই প্রথম দেখে, থানায় ফোন করেছিলাম, তার থেকে দারোগার ধারণা হয়েছে, তা হলে আমি নিশ্চয় খুনের পেছনে আছি। তা না হলে, আমিই কেন প্রথম ওরকম একটা জায়গায় গেলাম, অমিতাদির ডেডবডি দেখতে পেলাম।

    সুমিতা অবাক স্বরে বলল, ওমা, সত্যি তুই দিদির ডেডবডি সকলের আগে দেখেছিস?

    হ্যাঁ। এখন বোধ হয় তোরও সন্দেহ হচ্ছে, আমিই অমিতাদিকে মেরেছি!

    সুমিতা বলে উঠল, যাহ্, কী ফাজলামি করছিস? কিন্তু তুই জানলি কী করে, দিদির ডেডবডি ওখানে রয়েছে?

    সেটা আমাকে ক্রেডিট দিতে পারিস। একটা ছিঁচকে চোর আর পকেটমারের কাছ থেকে আমি খবরটা জানতে পেরেছি। কিন্তু তার নাম আমি এখন বলব না, তা হলে ওর দশাও আমার মতো হবে, কিংবা আমার থেকেও খারাপ, হয়তো অ্যারেস্ট করেই বসবে। অথচ আমি ডেফিনিট যে, সে লোকটা অমিতাদিকে মারে নি। কিন্তু তুই কি আমাকে বসতে বলবি না, এক কাপ চাও খাওয়াবি না?

    সুমিতা একটু লজ্জা পেয়ে গেল, বলল, বোস না, তোকে আবার খাতির করে বসাতে হবে নাকি? তোর কথা শুনে আমি তো থ হয়ে যাচ্ছি। বোস, আমি চায়ের কথা বলে আসছি।

    সুমিতা ভিতরে চলে গেল, ফিরে এল মিনিট খানেকের মধ্যেই। বসে বলল, হ্যাঁ, তারপর? কী বলছিলি বল।

    অশোক সিগারেট ধরিয়ে বলল, বলবার আর কী আছে। পুলিশ আমাকে যেভাবে চার্জ করেছে, এখন আমাকেই অমিতাদির মার্ডারের হদিস করতে হবে।

    কী করে করবি?

    তোরা সবাই যদি একটু সাহায্য করিস, তবেই কিছু করা যেতে পারে।

    সুমিতা অনুসন্ধিৎসু ভাবে জিজ্ঞেস করল, কী রকম সাহায্য বল, নিশ্চয়ই করব।

    অশোক সুমিতার মুখের দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে, জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা সুমি, একটা কথা বল তো, প্রদ্যোৎদার সঙ্গে তোদের কি কোনওরকম ঝগড়া বিবাদ হয়েছে?

    সুমিতা হঠাৎ কোনও জবাব দিল না। অশোকের চোখের দিকে একবার দেখে, মুখ নামিয়ে নিল। একটু চুপ করে থেকে, আবার মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল, এ কথা জিজ্ঞেস করছিস কেন বল তো?

    অশোক ভণিতা না করে বলল, কাল একটা ব্যাপার দেখে, কথাটা আমার মনে হয়েছে। প্রদ্যোৎদা থানায় যখন তোদের ওঁর গাড়িতে উঠতে বলেছিলেন, তুই রিফিউজ করলি। তোদের ভাব ভঙ্গি দেখেও মনে হল, প্রদ্যোৎদার সঙ্গে যেন তোদের একটু মন কষাকষি চলছে। ব্যাপারটা চোখে ঠেকবার মতো তাই না?

    সুমিতা তৎক্ষণাৎ জবাব দিল না। একটু যেন ভেবে নিয়ে বলল, ধরেছিস ঠিকই একরকম। প্রদ্যোৎদাকে তোর কী রকম লোক বলে মনে হয়?

    অশোক পাল্টা প্রশ্ন শুনে বলল, কিছু জানলে তো মনে হবে। বরাবর প্রদ্যোৎকে যেমন দেখে এসেছি, সেইরকমই জানি। পপুলার ডাক্তার, শহরের সকলেই প্রশংসা করে। তা ছাড়াও, শহরের অনেক কিছুর মধ্যে থাকেন। তোদের ইস্কুলের কমিটি সেক্রেটারিও প্রদ্যোৎদা-ই।

    সুমিতা গম্ভীর গলায় বলে উঠল, সেটাই হয়েছে কাল।

    কাল?

    তা ছাড়া আর কী বলব। সে জন্যই তোকে জিজ্ঞেস করছিলাম, লোকটাকে তোর কী রকম মনে হয়।

    বলতে বলতে সুমিতা যেন কেমন একটু উত্তেজিত হয়ে উঠল, এবং লোকটাশব্দ অশোকের কানে বিশেষ ভাবে ঠেকল। সুমিতার ভিতরের বিরূপতা আর বিতৃষ্ণা যেন স্পষ্ট হয়ে ফুটে বেরুল। অশোক বলল, সুমি, একটু ভেঙে বল। ইস্কুলের সেক্রেটারি হওয়াই কাল হয়েছে, এ কথার মানে কী?

    সুমিতা ভুরু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল, কেন, হেডমিস্ট্রেসের ব্যাপার তুই কিছু শুনিসনি?

    অশোক শুনেছে, কিন্তু মুখে বিস্ময়ের অভিব্যক্তি ফুটিয়ে বলল, না তো? হেডমিস্ট্রেসের আবার কী ব্যাপার?

    সুমিতার ঠোঁট বেঁকে উঠল, বলল, বাহ, তাদের পপুলার সমাজসেবী ডাক্তার প্রদ্যোৎদার সঙ্গে আমাদের হেডমিস্ট্রেসের এখন জোর প্রেমলীলা চলেছে, শুনিসনি?

    অশোক আরও অবাক হবার ভান করে বলল, না তো? প্রদ্যোৎদার মতো লোক?

    কথাটা ও শেষ করল না, জিজ্ঞাসু চোখে সুমিতার দিকে তাকিয়ে রইল। সুমিতার মুখ শক্ত হয়ে উঠল। বলল, শুধু হেডমিস্ট্রেস কেন, প্রদ্যোৎদার মতো লোক আরও অনেক লীলাই করতে পারে। জানিস তো, দেখতে নিরীহ গোরুও যখন একবার বিষ্ঠা খেতে আরম্ভ করে, সে আর তা ছাড়তে পারে না। তোদের প্রদ্যোৎ ডাক্তার হচ্ছে সেইরকম লোক। বাইরে থেকে কিছু বোঝা যায় না, কিন্তু মেয়েদের সম্পর্কে লোকটার কোনও বাছবিচার নেই।

    অশোক এতটা জানত না। এবার প্রকৃত অবাক হয়ে বলল, বলিস কী?

    সুমিতা বলল, ঠিকই বলছি। বেশি বলার দরকার নেই, লোকটা তার নিজের বাড়ির ঝিকেও ছেড়ে দেয় না, আর তার কনসেপশন হয়ে গেলে, অনায়াসে অ্যাবরশন করিয়ে নেয়। আর কিছু শুনতে চাস?

    অশোক এবার শুধু চমকে উঠল না, ঝটিতি একটা অন্য চিন্তা ওর মস্তিষ্কে এবার ঝলসে উঠল। ও সুমিতার চোখে চোখ রেখে জিজ্ঞেস করল, এ সবের কোনও প্রমাণ বা ভিত্তি আছে?

    সুমিতা জোর দিয়ে বলল, নিশ্চয়ই।

    মানে, তুই বলছিস, এখনকার ঝি, বৃন্দা?

    হ্যাঁ। আর যাই হোক, দিদি বোকা ছিল না, সবই বুঝতে পারত। তবে হ্যাঁ, বুঝতে পারলেও কিছু যায় আসে না, কারণ প্রদ্যোৎ ডাক্তার দিদির কোনও পরোয়াই করত না। দিদির চোখের সামনেই সে যা খুশি করেছে। সে জানে, লোকে তার বিষয়ে খারাপ কোনও কিছুই বিশ্বাস করবে না।

    অশোক বেশ খানিকক্ষণ চুপ করে রইল। গভীর চিন্তায় ডুবে গেল, এবং একসঙ্গে অনেকগুলো প্রশ্ন ওর মস্তিষ্কের মধ্যে আবর্তিত হতে লাগল। হেডমিস্ট্রেস, বিন্দুর গর্ভপাত, অমিতাদির সামনেই প্রদ্যোৎ ডাক্তার যা খুশি করতেন, নিরীহ গোরুও বিষ্ঠাখোর হয়…। রমিতা চায়ের কাপ নিয়ে ঢুকল। অশোকের চিন্তায় ছেদ পড়ল। রমিতা সুমিতার ছোট বোন, বয়স বছর পনেরো-ষোলো হবে। এখনও ফ্রক পরে। অশোক ওর হাত থেকে চায়ের কাপ নিয়ে বলল, কেমন আছিস রমি?

    রমিতা হেসে বলল, ভাল। তুমি তো আমাদের বাড়ি আসতে ভুলেই গেছ।

    অশোক বলল, ভুলে গেলে আবার কেউ আসে নাকি?

    রমিতা হাসল। সুমিতার থমথমে মুখের দিকে একবার দেখে বলল, যাচ্ছি, তোমরা কথা বলল।

    রমিতা চলে গেল। অশোক চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বলল, সুমি, তুই ভাই ভাবিয়ে তুললি। প্রদ্যোৎদার মতো লোক–অথচ এই প্রদ্যোৎদা অমিতাদি, দুজনে দুজনকে ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন। যে জন্য প্রবীরদাকেও অমিতাদি হতাশ করছিলেন।

    সুমিতা খানিকটা বিরক্ত মুখে বলল, ও সব ভালবাসার কথা রাখ। পুরুষের আবার ভালবাসা।

    অশোক হেসে বলল, এরকম করে বলিস না। দোষ দিতে হলে উভয়কেই দে, নয় তো কারোকেই না। সবই ব্যক্তি বিশেষের ব্যাপার। আচ্ছা সুমি, অমিতাদির মার্ডারের বিষয়ে তোর কী মনে হয়?

    সুমিতা বলল, সেটা আমি ঠিক বলতে পারছি না। এতে প্রদ্যোৎ ডাক্তারের হাত আছে কি না, আমি বুঝতে পারছি না। লোকটা বদমাইশ, কিন্তু খুন করতে পারে কি না, আমি জানি না।

    অশোক আবার কয়েক মুহূর্ত চুপ করে ভাবল। চায়ের কাপ শেষ করে উঠে দাঁড়াল। সিগারেট ধরিয়ে বলল, তা একরকম ঠিকই বলেছিস। স্ত্রীলোকের লোভ আর খুন করার সাহস, দুটো এক ব্যাপার না। আচ্ছা চলি, দেখি কী করা যায়। খুবই ঝাপসা লাগছে। কেন না, সবই প্রমাণের অপেক্ষা রাখে।

    বলতে বলতে ও সুমিতাদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এল। হাঁটতে হাঁটতে, অন্যমনস্কভাবেই ও এসে পড়ল, প্রদ্যোৎ ডাক্তারের পাড়ায়। পাড়ার মধ্যে, একটি ছোট মিষ্টির দোকান এবং একটা ছোটখাটো মুদি দোকান আছে। অশোকের চেনা দোকান, দোকানিরাও ওকে চেনে। না চেনার কোনও কারণ নেই। ছোট শহরের সবাই সবাইকে চেনে। অশোক প্রথমে মিষ্টির দোকানেই ঢুকল। দোকানদার হেসে জিজ্ঞেস করল, ঠাকুর কি পথ ভুলে নাকি?

    অশোক বলল, পথ ভুলে না গোবিন্দদা, তোমার কাছে একটা কথা জানতে এলাম।

    গোবিন্দ অবাক হয়ে বলল, কথা জানতে আমার কাছে? কী কথা ভাই ঠাকুর?

    অশোক পরিষ্কার জিজ্ঞেস করল, বিহারি বাঙালি মারামারির দ্বিতীয় দিনে, বিকেলের দিকে তুমি কোথায় ছিলে?

    গোবিন্দ বলল, কেন দোকানেই।

    তখন কি তুমি প্রদ্যোৎ ডাক্তারের বউকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেখেছিলে?

    গোবিন্দ বলল, ও বাবা, তুমিও যে থানার দারোগার মতন জিজ্ঞেস করছ।

    অশোক চকিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, থানার দারোগা এসেছিল নাকি?

    হ্যাঁ, এই তো একটু আগে। তুমি যা জিজ্ঞেস করছ, বড়বাবুও সে কথা জিজ্ঞেস করলেন। আমি বললাম, ডাক্তারবাবুর বউকে আমি সারাদিনে বেরোতে দেখিনি।

    হয়তো বেরিয়েছিল, তুমি খেয়াল করোনি।

    তা হতে পারে। কাজে কর্মে থাকি। নাও খেয়াল করতে পারি।

    বড়বাবু তোমাকে আর কী জিজ্ঞেস করলেন?

    আর কিছু না। আমাকে মুখ ঝামটা দিয়ে বকে গেলেন, বললেন, খালি দোকানদারিই করো, আশেপাশে নজর রাখো না। বলোদিনি ঠাকুর, এ কেমন কথা?

    অশোক হাসল, জিজ্ঞেস করল, ডাক্তারবাবু কখন বেরিয়েছিলেন, দেখেছ?

    গোবিন্দ বলল, তা দেখেছি। উনি সন্ধে নাগাদ বেরিয়েছিলেন।

    একলা?

    না। ইস্কুলের দিদিমণিকে গাড়ির মধ্যে দেখেছিলাম।

    অশোক রসগোল্লার পাত্রের দিকে তাকিয়ে, চুপ করে রইল। তারপর হঠাৎ ওর মস্তিষ্কের মধ্যে একটা নতুন চিন্তা যেন ওকে ধাক্কা দিয়ে সংকুচিত করে তুলল। তাড়াতাড়ি দোকান থেকে বেরিয়ে আসবার মুখে বলল, ভাল খবর দিলে গোবিন্দদা, চলি।

    মনে মনে বলল, সময় আর নেই। সর্বনাশ হয়তো ইতিমধ্যেই ঘটে গেছে।

    কোনওদিকে না তাকিয়ে, বড় রাস্তায় এসেই, একটি খালি চলতি সাইকেল রিকশায় লাফ দিয়ে উঠে বলল, স্টেশন চলো, তাড়াতাড়ি।

    মনে মনে আজ সকালের সংবাদের পূর্বাপর সমস্ত কথাগুলো আর একবার ভেবে নিল, এবং মনে মনে একটা অস্থির চঞ্চলতা বোধ করতে লাগল। স্টেশনে এসে, রিকশা ভাড়া মিটিয়ে, বারাকপুরের টিকেট কেটে, ট্রেনে চাপল। ট্রেন থেকে বারাকপুরে নেমে, উঠল বারাসতগামী বাসে। বারাসত পৌঁছুতেই লাগিয়ে দিল প্রায় ঘণ্টাখানেক। সেখান থেকে বসিরহাটগামী বাসে উঠে, টিকেট কাটল বেড়াচাঁপার। মনে মনে ভাবল, একটা গাড়ি যদি নিজের থাকত। বেড়াচাঁপার দূরত্বও কম না। বেড়াচাঁপায় নেমে, ও দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, গয়লাপাড়াটা কোথায়। জানা গেল, দক্ষিণে গিয়ে, পশ্চিমে বাঁক নিলে, গয়লাপাড়া পাওয়া যাবে।

    বেড়াচাঁপা বেশ বড় জায়গা, সম্পন্ন গ্রাম, জনসংখ্যাও কম না। কিন্তু জিজ্ঞেস করে করে, গয়লাপাড়ার যত কাছে গেল, গ্রাম একটু নিরিবিলি মনে হল। কাঁচা মাটির রাস্তা, গোরুর গাড়ি চলতে পারে। একজন চাষিগোছের লোককে জিজ্ঞেস করল, বৃন্দাদের বাড়ি সে চেনে কি না। লোকটি সে বাড়িটা দেখিয়ে দিল।

    নিরালা বাগান ঘেঁষে বাড়ি। বাগানটা অপরের। সামান্য দুটি বেড়ার ঘর। একটা চেঁকি ঘর। একটা লাউ মাচা। আশেপাশে ফাঁকা। কিছু ঝোঁপ ঝাড়। একটা পুকুর। বেশ নিরালা। উঠোনটা মোটামুটি পরিষ্কার। তা হলেও, কিছু ঘাস গজিয়েছে।

    ঘর দুটোর, একটার দরজা বাইরে থেকে শিকল টানা। আর একটা আধ ভেজানো। কোথাও কোনও সাড়া শব্দ নেই। অশোক ডাকল, বৃন্দা।

    কোনও সাড়া নেই। কয়েকবার ডাকল। কোনও সাড়া না পেয়ে, ভেজানো দরজাটা ঠেলে সে ভিতরে উঁকি দিল। অন্ধকার, বিশেষ কিছু চোখে পড়ে না। কেউ নেই। তা হলে বৃন্দা কি দেশে ফেরেনি? অন্য কোথাও গিয়েছে?

    এই ভেবে ফিরতে গিয়ে, মনে হল, ঘরের মধ্যে বেড়ার এক কোণে কে যেন পা ছড়িয়ে হেলান দিয়ে বসে আছে। দরজাটা সম্পূর্ণ খুলে, অশোক ভিতরে ঢুকল। এগিয়ে গিয়ে নিচু হয়ে দেখল, বৃন্দা। বৃন্দার চোখ খোেলা। জামাকাপড় ঘেঁড়া। সেও যুবতী। প্রায় উলঙ্গ। দেখলেই মনে হয়, সে ধর্ষিতা। কিন্তু মৃত। গলার কাছে ভাল করে লক্ষ করলেই বোঝা যায়, গলা টিপে মারা হয়েছে। ঠিক এ আশঙ্কাটাই অশোক করেছিল।

    অশোক তাড়াতাড়ি বেরিয়ে এল। কোনওদিকে না তাকিয়ে, একেবারে রাস্তার ওপরে এসে পড়ল। ভাবল কাল দুপুরে বৃন্দা চলে এসেছে। কখন তাকে মারা হল? কাল রাত্রে? সন্ধ্যায়? না আজই ভোর রাত্রে?

    সেটা এক্সপার্ট ডাক্তার ছাড়া বলতে পারবে না। তাকেও সত্যি ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না, সেটা ডাক্তার বলতে পারবে। কিন্তু একটা সন্দেহ ক্রমেই প্রবল হয়ে উঠেছে। দুটো খুনের ধরনই একরকম, এবং নিঃসন্দেহে একই হাতের। অমিতাদিকে যেভাবে মারা হয়েছে, একেও প্রায় সে ভাবেই, কেন? সাক্ষী লোপাট?

    বড় রাস্তায় এসে, বাসে উঠতে গিয়েও, অশোক চমকে উঠল। তাই তো! আর একবার দেখে আসতে হবে। সে বৃন্দাদের বাড়ির কাছাকাছি আর একবার এল। বাড়ির মধ্যে নয়। সামনের মাঠের মতো জায়গাটা, আর মাটির চওড়া রাস্তাটা দেখল। দেখে, হতাশ হয়ে মাথা নাড়ল। গোরুর গাড়ির চাকার দাগ রয়েছে। মোটর বা সাইকেলের নয়। এ সব জায়গায় গাড়ির চাকার দাগ থাকা খুবই স্বাভাবিক।

    অশোক একটা ফিরতি বাসে, বারাসতে বাস বদলে, বারাকপুরে এসে, দুটো টেলিফোন করল। একটা দেগঙ্গা থানায়।

    দেগঙ্গা থানার মধ্যে বেড়াচাঁপা। আর একটা তার নিজের শহরের থানায়, শ্যামাচরণকে। দেগঙ্গা থানাকে, বেড়াচাঁপা গয়লাপাড়ার ঠিকানা দিয়ে বলল, বৃন্দা নামে একজন মেয়ে একটি ঘরে খুন হয়ে পড়ে আছে। আর শ্যামাচরণকে বলল, বৃন্দার খুন হবার কথা।

    শ্যামাচরণের গলায় সন্দেহ তীব্র হয়ে উঠল, তুমি জানলে কী করে?

    নিজের চোখেই দেখেছি।

    তার মানে, বেড়াচাঁপায় গেছ তুমি?

    এখন বারাকপুর থেকে বলছি, দেগঙ্গা থানাকেও ফোন করে বলে দিয়েছি।

    তুমি কেন বেড়াচাঁপায় গেছলে?

    বৃন্দাকে কয়েকটা কথা জিজ্ঞেস করতে।

    তোমাকে না আমি শহর ছেড়ে যেতে বারণ করেছিলাম?

    এখুনি আবার শহরে ফিরে যাচ্ছি।

    খুব সাবধান, তুমিই তোমার বিপদ ডেকে আনছ।

    লোকটার সেই একই সন্দেহ। ও অন্য কথা বলল, আমার বিপদ পরে দেখা যাবে। আপনি একটা কাজ করবেন?

    কী?

    হেডমিস্ট্রেস সুধা হালদারকে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন, খুনের ঘটনার দিন, বিকালে তিনি কোথায় ছিলেন, এবং সেখানে তিনি কিছু ঘটতে দেখেছেন কি না।

    তার মানে?

    জিজ্ঞেস করে দেখুন না, কী বলে। আপনি তো বেশ ডাকসাইটে দারোগা, একটু কথা বের করুন ত। আমি এখুনি ফিরে যাচ্ছি, পালাব না।

    ফোন ছেড়ে দিল সে।

    .

    রাত্রি আটটা অবধি অপেক্ষা করেও, শ্যামাচরণ যখন দেখল, অশোক এল না, সে তখন তার বাড়ি গেল। সেখানে গিয়ে শুনল, সেই যে সকালে বেরিয়েছে, আর বাড়ি ফেরেনি। এদিকে অশোককে সে মুখে যাই বলুক, তার কথামতো, সুধা হালদারকে, জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। কিন্তু বিশেষ কিছুই জানা যায়নি। খুবই শক্ত মহিলা। একটুও মচকায়নি। বরং পরিষ্কার বলেছে, ইস্কুলের একটা প্রয়োজনে সে বিকালে ডাক্তারের বাড়ি গিয়েছিল, এবং অমিতাকে তখন সেজেগুজে বেরোতে দেখেছে। সুধা হালদার এ শহরের মানুষদের ভাল চেনেই না। তবে, ইস্কুল কমিটির মেম্বার হিসাবে, প্রদ্যোৎ ডাক্তারের সঙ্গে পরিচয়টা একটু বেশি হয়েছিল!

    তবে, ডাক্তারের রিপোর্টে, অমিতা যে ধর্ষিতা হয়েছিল, তার প্রমাণ মিলেছে। কিন্তু অশোক গেল কোথায়? শ্যামাচরণকে কি সে নাচাচ্ছে। তা হলে, অশোককে একেবারে শেষ করে ছাড়বে সে।

    অশোকের বাড়ি থেকে আবার থানায় এল শ্যামাচরণ। এসে দেখল অশোক তার ঘরে বসে।

    শ্যামাচরণ কিছু বলবার আগেই, অশোক বলল, সমস্ত ব্যাপারটাই প্রি-প্ল্যানড। যে মার্ডার করেছে, সে এমনকী ব্যাপারটাকে ধর্ষণ প্রমাণ করার জন্য, দৈহিক ভাবেই ধর্ষণের অভিনয় করেছে। শুধু তাই নয়, পুরুষ সংসর্গের চিহ্ন যাতে পাওয়া যায়, তাই অমিতাদির দেহে ঢেলে দিয়েছে। অলংকার অপহরণটাও মিথ্যে। ওটা সাজানো। এমনকী নিম্নাঙ্গে যে সব আঘাত, বা বুকের জামা ঘেঁড়া, ব্রেসিয়ার টেনে খুলে ফেলা, সমস্তটা দিয়েই প্রমাণ করার চেষ্টা, এটা ধর্ষণের অর্নামেন্ট ব্যাপার এবং চুরির।

    শ্যামাচরণ এতক্ষণ ধৈর্য ধরে শুনছিল। এবার চিৎকার করে বলল, আগে প্রমাণ দাও, তারপর ফালতু বকবক করো।

    অশোক একটা সিগারেট ধরিয়ে বলল, দিচ্ছি। অমিতাদি খুন হয়েছে বোধ হয় পাঁচটা থেকে ছটার মধ্যে। এর একমাত্র সাক্ষী ছিল বৃন্দা আর সুধা হালদার।

    বৃন্দা? আর সুধা হালদার?

    হ্যাঁ তাই বৃন্দাকে মরতে হয়েছে। সুধা হালদারকেও মরতে হত, কিন্তু খুনি তাকে বিশ্বাস করেছে, এবং বোধ হয় আশ্বাস দিয়েছে, বিয়ে করবে। আর বৃন্দার খুনটাও প্রমাণ করার চেষ্টা হয়েছে, ধর্ষণ এবং হত্যা। খুনি এখানেও, একই ভাবে, পুরুষ সংসর্গ প্রমাণ করার জন্য, মৃতদেহের সঙ্গে সংসর্গ করেছে একই ভাবে।

    কিন্তু বৃন্দা তো বলেছে, অমিতা পাঁচটার সময় বেরিয়েছিল।

    সেটা মিথ্যা কথা।

    কখন বেরিয়েছিল।

    মোটেই বেরোয়নি।

    বৃন্দা তা হলে কোথায় দেখেছে, অমিতাকে খুন হতে?

    কোথায় দেখতে পারে?

    সে যেখানে ছিল তখন।

    নিশ্চয়ই ডাক্তারের বাড়িতেই ছিল।

    তা হলে সেখানেই খুন হয়েছে।

    হোয়াট!

    শ্যামাচরণ লাফিয়ে উঠল। অশোক বলল, লাফালাফি করবেন না দারোগাবাবু, বসুন। অমিতাদি বাড়িতেই খুন হয়েছিলেন। সেখান থেকে, তার বডি, রাত্রে জনসন রোডে ফেলে দেওয়া হয়। বর্তমান দাঙ্গার সুযোগে, যাতে ব্যাপারটা কেউ ধরতে না পারে, তাই এ সময়টা কাজে লাগিয়েছে খুনি।

    কে খুনি।

    তার গাড়িতে অমিতাদির রক্ত এখনও লেগে আছে। গাড়িটা প্রদ্যোৎদার।

    শ্যামাচরণ তীক্ষ্ণ অপলক সন্দিগ্ধ চোখে তাকিয়ে রইল অশোকের দিকে। অশোক বলল, প্রদ্যোৎদা সত্যই গ্রেট লাভার। তবে তার ভালবাসার ঠোঁট দুটো ছিল ঠিক মানুষের মতো নয়, আরও তীব্র বাজপাখির সোনার মতো ধারালো ঠোঁট। এক কথায় স্বর্ণচঞ্চু একবার ধরলে ছিঁড়ে ফেলতে পারে। আর সুধা হালদারের চরিত্রের মধ্যে লেডি ম্যাকবেথের কিছু মিল আছে। কিংবা তার চেয়ে বেশি ইয়াগোর। তার প্ররোচনাতেই প্রদ্যোৎদা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু প্রদ্যোৎদা যে এমন নিষ্ঠুরভাবে মেরে, আবার মৃত স্ত্রীর সঙ্গে সংসর্গ করে, ধর্ষণ প্রমাণ করবে, এটা কল্পনাও করতে পারিনি।

    শ্যামাচরণ জিজ্ঞেস করল, কী করে জানলে এ সব।

    সারাদিন সব ব্যাপারটা প্রায় কল্পনার মধ্যেই ছিল। গাড়ির রক্তের কথাটাই ঘটনাকে বাস্তব করে তুলল। দেখবেন গাড়ির ডান দিকে, লাল প্ল্যাস্টিকের পা-পোষের ওপর রক্তের দাগ আছে। রক্তটা পরীক্ষা করালেই জানতে পারবেন, ওটা অমিতাদির রক্ত। তবে, একটুও দেরি না করে, গাড়িটা দখল করুন। বলা যায় না, হয় তো আর একবার গাড়িটা ধুয়ে ফেলতে পারে। আমি চলি।

    কিন্তু তুমি শহর ছেড়ে যাবে না, মনে রেখো।

    তার আর দরকার হবে না বোধ হয়।

    সেই রাত্রেই গাড়িটা শ্যামাচরণ ডাক্তারের কাছ থেকে নিয়ে মহকুমার শহরে পাঠিয়ে দিয়েছিল।

    .

    তিনদিন পরে অশোক যখন নতুন বউদি কাঞ্চনের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল, তখন ফোন এল। শ্যামাচরণ বলল, ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা গেছে, রক্তটা অমিতা রায়েরই। তা ছাড়া সুধা হালদার একটা স্বীকারোক্তি দিয়েছে, ঘটনাটা তার সামনেই ঘটেছিল, প্রদ্যোৎ রায়ের বাড়িতেই। বৃন্দার মা বলেছে, বৃন্দা তার মাকে সব কথাই বলেছিল।

    গম্ভীর স্বরে অশোক জিজ্ঞেস করল, আপনার কোনও প্রমোশন হবে দারোগাবাবু?

    ফের তুমি আমাকে দারোগাবাবু বলছ?

    আচ্ছা শ্যামাচরণবাবু—

    ফাজিল। আচ্ছা শোনো কাল একবার সকালে এসো।

    যাব।

    অশোক লাইন কেটে দিয়ে ঘরে এল। সব ঘটনা ব্যক্ত করল কাঞ্চনের কাছে। তারপর বলল, আর তুমি কিনা, জীবনদার মতো একটা লোককে মারতে পারছ না নতুন বউদি?

    কাঞ্চন বলল, তুমি যে ধরে ফেলবে?

    সে ভয়েই পার না, না?

    হ্যাঁ, সব সময়ে যে তোমার ভয়ে ভয়েই থাকি।

    বলে অশোকের দিকে তাকাতে গিয়ে, লজ্জায় মুখ নামাল। অশোক একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, সত্যি, সংসারটা বড় অদ্ভুত নতুন বউদি। নীচে তখন ধ্রুপদের প্রলয় চিৎকার শোনা যাচ্ছে। সেই সঙ্গেই, সপ্তমে বৃহস্পতি না পঞ্চমে, তাই নিয়ে প্রবল বাদানুবাদ। ঠাকুরবাড়ি বেশ জমে আছে।

    ⤶
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশ্বাস – সমরেশ বসু
    Next Article তরাই – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }