Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হলুদ নদী সবুজ বন – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প186 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫. আবার ভাব হয়ে গিয়েছে

    আবার ভাব হয়ে গিয়েছে প্রভাস ও রবার্টসনের মধ্যে।

    এটা ঘটিয়েছে জনসন, চারিদিকের অবস্থা সম্পর্কে সাদারল্যান্ডের সঙ্গে দুদিন নানারকম আলাপ আলোচনা চালাবার পর। দুজনেই প্রবীণ এবং অভিজ্ঞ, বুদ্ধিমান ও হিসাবী তো বটেই।

    কিছুদিন থেকে বেশ চিন্তিত দেখাচ্ছিল দুজনকে। চিন্তার কারণও ছিল।

    পঁচটি কারখানাতে অসন্তোষ ধোঁয়াচ্ছে, বড়রকম ধর্মঘট ও গুরুতর হাঙ্গামার সম্ভাবনা আর গণনার বাইরে নেই।

    এদিকে দেখা দিয়েছে দুর্ভিক্ষের সম্ভাবনা।

    গত বর্ষার আগেও বধের জরুরি সংস্কার কেন হয় নি বলে, প্রাণের জ্বালায় টেবিলে ঘুসি মেরে মেরে সাদারল্যাণ্ড জনসনের কাছে আফসোস করেছে।

    এভাবে চলতে দিলে আর বেশিদিন তাদের টিকতে হবে না এদেশে।

    আগেরবার কিছু ক্ষেতে লোনা জল ঢুকেছিল, এবার আরো ব্যাপকভাবে বেশি পরিমাণে লোনা জল ঢুকেছে–বন্যা যে হয় নি তাই রক্ষা।

    ক্ষেতে একবার লোনা জল ঢুকলে বছর তিনেকের মধ্যে সে ক্ষেতে ফসল একরকম ফলেই না।

    ফলনও এবার ভালো হয় নি। এমন উর্বর এলাকা, একটু খেটে বীজ ছড়িয়ে দিলে অকৃপণ উদারতার সঙ্গে মাটি তার শতগুণ ফিরিয়ে দেয় এবার কি হয়েছে কে জানে, চাষীর ভাগ্যে ফসল হয়েছে অতি বিরূপা সৎ-মার দানের মতো।

    হয়তো খারাপ বীজের জন্য, অথবা হয়তো এলোমেলো বর্ষার জন্য আবাদ করার কোনো অজানা এবং অনাবিষ্কৃত ত্রুটির জন্য।

    কিন্তু ঘনায়মান বিপদটা অতি বাস্তব। চারিদিকে চাষীর ঘরে ছড়িয়ে পড়া খিদের আগুন মজুরদের রেয়াত করবে না। অনেক মজুর পরিবারগতভাগে আধাচাষী বলেই শুধু নয়, দুর্ভিক্ষের চড়া বাজার ষোল আনা খাঁটি মজুরকেও কাহিল করে ফেলবে, মরিয়া করে তুলবে।

    এ অবস্থায় উসকানি দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে তোেলার ফিকিরে সেলফিশ বজ্জাত অপরচুনিস্ট ফেউয়ের দল তো পিছনে লেগেই আছে!

    প্রভাসের সঙ্গে সমস্ত কলহ বিবাদ আপসে মিটিয়ে ফেলার নির্দেশমূলক সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পেয়েও একটু ইতস্তত করেছিল রবার্টসন। বলেছিল, যেচে ভাব করতে গেলে আমার সম্মান কোথায় থাকবে? আমি নীচু হয়ে যাব না?

    শুনে জনসনের কী রাগ।

    —তোমরা ইয়ংম্যানেরা গোল্লায় যাচ্ছ দিনকে দিন। ফাঁকা প্রেজুডিস আর মেয়েলি হিস্টিরিয়া তোমাদের পেয়ে বসেছে। সম্মানের হানি হবে। নীচু হয়ে যাবে। দি ইজ পিওর ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্স। তুমি মহৎ উদার মানুষ, দয়া করে প্রভাসকে ক্ষমা করেছ–এই হবে তোমার অ্যাটিচুড।

    তারপর সুর নরম করে হেসে বলে, অলরাইট, অলরাইট তোমার প্রেস্টিজ ঠিক বজায় থাকবে ভেব না। মিনার্ভা তোমাদের ভাব করিয়ে দেবে।

    মিনার্ভা।

    মিনার্ভাকে তুমি জানলে না বুঝলে না ইয়ংম্যান।

     

    মিসেস জনসনের ছোট বোনের নাম মিনার্ভা।

    কুমারী জীবনে খুব নার্ভাস মেয়ে ছিল। বিয়ের পর তারই কপালগুণে যেন তারই নিরীহ গোবেচারি মিউ-মিউ করা স্বামীর ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ে যায়–মার্কিন মুলুকের বিরাট এক যৌথ প্রতিষ্ঠানে মস্ত এক কাজ জুটে যায়। ইণ্ডিয়া সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা আছে গ্রেগরীর মতো এরকম। একজন স্মার্ট যুবকই তারা চাইছিল। বছর দুই তাদের খরচে তাদের দেশে গিয়ে যথারীতি ট্রেনিং নিয়ে পোক্ত হয়ে ইণ্ডিয়াতে ফিরে আসবে।

    স্বামীর সঙ্গে দু বছর আমেরিকায় কাটিয়ে আসতে গিয়ে কিভাবেই যে কেটে গেল মিনার্ভার লাজুকপনা, একেবারে পাল্টে গেল তার ভীরু নরম স্বভাব!

    কলকাতায় ফিরে সুন্দর সাজানো বড় ফ্ল্যাটে রানীগিরি শুরু করতেই তার দাপটে অস্থির হয়ে উঠল গ্রেগরী থেকে শুরু করে বয় খানসামা বাবুর্চিরা। কিছুদিনের মধ্যে গ্রেগরী ফ্ল্যাট তুলে দিয়ে আশ্রয় নিল হোটেলে। মিনার্ভার অধিকার রইল হোটেল কিংবা ছোটাখাটো ফ্ল্যাটে ভাড়া নিয়ে বাস করবার সমস্ত খরচ চলবার ব্যবস্থা অবশ্য করা হল গ্রেগরীর পৈতৃক পয়সায়।

    কিছুদিন মিনার্ভা খুব হৈচৈ করে কাটায়, তারপর কিছুদিন আবার কেমন ঝিমিয়ে যায়, বিষণ্ণ মনমরা হয়ে থাকে।

    এ ভাবটা কেটে যাবার জন্যে সে কিছুদিন বোনের কাছে কাটিয়ে যায়। বেশ শান্ত স্বাভাবিক ও ধাতস্থ মনে হয় এখন তাকে। হাসিখুশি ভাবও দেখা যায়।

    প্রভাস সেদিন একটু দেরি করে ক্লাবে পৌঁছে কোন টেবিলে কাদের সঙ্গে ভিড়বে চিন্তা করার জন্য টাইটা নিয়ে অযথা নাড়াচাড়া করছিল, মিনার্ভা এসে সাদর আহ্বান জানায়, আমাদের টেবিলে আসুন না? অনেকদিন আপনার কাছে পুরোনো দিনের শিকার কাহিনী শুনি নি।

    প্রভাস টাই নাড়া বন্ধ করে হাত নামিয়ে মুখে একটা অদ্ভুত হাসি ফুটিয়ে অতি ধীর অতি মৃদু এবং অত্যধিক মার্জিত সুরে বলে, আমি একটা পেগ অফার করলে আপনাকে খেতে হবে কিন্তু!

    আমি তো পেগ খাই না!

    একটা ছোট কক্‌টেল?

    তা দেবেন। সেজন্যে কি!

    রবার্টসন বসেছে কোনার দিকের ঈষৎ আড়াল করা বড় টেবিলে। আরো কয়েকজন সেখানে বসেছে বটে কিন্তু প্রভাসের জন্য আসন মিনার্ভার দখলে ছিল। টেবিলের অপরদিকে একেবারে রবার্টসনের মুখোমুখি প্রভাসকে বসতে হয়। মিনার্ভা তখন রবার্টসনের কাঁধে হাত রেখে প্রভাসকে বলে, আমাকে পেগ খাওয়াবেন বলছিলেন, আপনার উচিত এ বেচারাকে একটা পেগ অফার করা। দেখুন দিকি, আপনার স্ত্রী কেমন ইভাকে বাগিয়ে নিয়ে গিয়ে একে একটি বসিয়ে রেখেছে।

    রবার্টসন বলে, একলা কিরকম? তুমিই তো আছ!

    প্ৰভাসকে জিজ্ঞাসা করতে হয় কোন জাতীয় মদের পেগ রবার্টসন পছন্দ করবে এবং রবার্টসনকেও জবাব দিতে হয় যে, ছোট একটা হুইস্কি হলেই যথেষ্ট হবে।

    তারপর রবার্টসন এমনভাবে কথা বলে যেন তাদের মধ্যে কোনোদিন কোনোরকম বিবাদ বিসম্বাদ হয় নি, কিছুকাল দুজনের দেখা সাক্ষাৎ যেন বন্ধ ছিল–এই মাত্র।

    নিয়ম রাখতে রবার্টসনকেও পেগ অফার করতে হয়, কিছু পানীয় পেটে যাবার পর দিলদরিয়া ভাবটা এসে গেলে তাদের আলাপের প্রাথমিক আড়ষ্টতাটুকুও কেটে যায়।

    তাদের ভাব হওয়া দরকার। প্রভাসও যে এটা সত্যই মেনে নিয়েছে সে বিষয়ে সুনিশ্চিত হতে বেশি বিলম্ব হয় না রবার্টসনের।

    পেগ আনতে হুকুম দিয়ে রবার্টসন গভীর সহানুভূতির সঙ্গে বলে, বেশ একটু কাহিল লাগছে। ব্যাপার কি?

    প্রভাস হেসে বলে, সেই চিরন্তন ব্যাপার ঝাট। ঘরে ঝাট, বাইরে ঝাটকত আর সইতে পারা যায় বল? তোমাকেও তো তেমন তাজা মনে হচ্ছে না?

    রবার্টসন মুখ খোলার আগেই মিনার্ভা বলে ওই যা বললেন ওরও ঘরে-বাইরে ঝাট। ওকে আজ সবাই ঘেরাও করেছিল? খবর পেয়ে এমন ঘাবড়ে গিয়েছিলাম আমি।

    মিনার্ভা ছোট কক্টেল খেতে রাজি হওয়ামাত্র প্রভাস অর্ডার দিয়েছিল, ইতিমধ্যেই সেটা এসে গিয়েছে এবং মিনার্ভা এক চুমুকে গিলে ফেলেছে।

    কত যে শক্ত সতেজ তাজা মনে হচ্ছে তাকে।

    রবার্টসন নিজেই বলে, তুমি ছোট একটা অফার করেছ, আমি এবার বড় একটা আনিয়ে দিই। ছোটতে ওর মাথা ঘুরে যায় তারপর বড় একটা এলে সব ঠিক হয়ে যায়।

    মিনার্ভা চটে বলে, কেন মিছে আমার নিন্দে করছ?

    রবার্টসন মিষ্টি সুরে বলে, নিন্দে করছি? প্রশংসা করছি তোমার ছোটর পর বড় একটা খেয়েও তুমি ঠিক থাকতে পার।

    প্রভাস কৃত্রিম গাম্ভীর্যের সঙ্গে যোগ দেয়, এত কম বয়সে ওরকম ঠিক থাকতে না পারাই কিন্তু আপনার উচিত।

    মিনার্ভার মুখে খুশির হাসি ফোটে।

    বাঁকা কথা, ফাঁকা কথা। সবাই জানে রাত বাড়তে বাড়তে মিনার্ভার আরো কয়েকটা ককটেল চলবে রোজই চলে। অথচ মিনার্ভার খুশির ভাবটা কৃত্রিম নয়।

    আগে ক্লাবে বনানীর পদার্পণ ঘটত কদাচিৎ বিশেষ কোনো উৎসব অনুষ্ঠানের ব্যাপার। থাকলে। ক্লাবের সভ্য হলেও সে বাইরের নিমন্ত্রিতাদের একজনের মতো আলগোছে গা বাঁচিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগদানের দায় সেরে বিদায় নিত।

    ক্লাবের দৈনন্দিন মেলামেশা খেলাধুলা গল্পগুজব আনন্দ করার সঙ্গে কোনোদিন তার সম্পর্ক ছিল না।

    আজকাল মাঝে মাঝে আসে, ক্লাবের সান্ধ্য জীবনে অংশগ্রহণ করে। কারো সঙ্গে মেলামেশা আলাপ আলোচনায় তার এতটুকু দ্বিধা সঙ্কোচের ভাব দেখা যায় না।

    জমকালো রূপ, বেশভূষাতেও এদেশী আভিজাত্যের মার্জিত রুচির চরম নিদর্শন–নিজেকে জাহির করার জন্যেই বনানী যেন এভাবে সেজেগুজে ক্লাবে আসে।

    বনানীকে দশজনের চেয়ে চেয়ে দেখা নিজের চোখে চেয়ে দেখেই প্রভাসের অহঙ্কার ও আনন্দ উল্লাসের যেন সীমা থাকে না। বনানীকে ভালবাসার জন্য, আদর করার জন্য এক অদম্য অদ্ভুত ব্যাকুলতা ও উন্মাদনা জাগে। বাড়িতে যাকে সর্বদা কাছে পাওয়া যায়, আদরে সোহাগে আপন করা যায়, আলিঙ্গনের বাঁধন মানতে যে সুখী হয় অনাত্মীয়া অলভ্যা প্রিয়ার মতোই তার চলাফেরা প্রভাস মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে দ্যাখে।

    তবু কেন পেগ চালিয়ে যায়। কোনো তত বাধা নেই মদ গেলার পালা সাঙ্গ করে সজ্ঞানে ওই বনানীকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফেরার–নানা বেশে সাজিয়ে অথবা সমস্ত সাজ খুলে ফেলে দুটি চোখ দিয়ে প্রাণ ভরে ওর রূপ দেখার।

    কিন্তু প্রভাস জানে, বাড়ি যখন ফিরবে, বনানীর সঙ্গেই হয়তো ফিরবে, ততক্ষণে মন থেকে মিলিয়ে যাবে এই রঙিন মোহ নেশার রঙে জগৎ সংসারের মতো বনানীও অন্যরকম হয়ে যাবে।

    মাতাল হয়তো সে হবে না, রোজ সে মাতাল হয় না। কিন্তু বনানীর জন্য এখানকার এখনকার এই মোহের ঘোরটাকে বাড়ি ফিরে মনে হবে হাস্যকর ছেলেমানুষি মমি।

    ক্লাবে বনানী নানারকম কানাঘুষা শোনে। সে সমস্তের মোট কথাটা এই যে, চাষী মজুরেরা নাকি ক্ষেপে যাবার ফিকিরে আছে।

    ইভা তাকে বলে, তোমার ভদ্রলোকটির হয়েছে দুদিক দিয়ে মুশকিল। একদিকে জমিদারি, আরেকদিকে কারখানা। অথচ ওর কিন্তু বেশ নিশ্চিন্ত ভাব। শুধু কারখানার ভাবনায় বার্টির রাত্রে ঘুম হয় না।

    বনানী বলে, ঘুম পাড়িয়ে দিলেই পার।

    একসাথে বাড়ি ফেরার সময় প্রভাস প্রায় প্রকৃতিস্থ থাকলেও বনানী ওসব কথা তোলে নাসকালবেলার জন্যে মুলতুবি রেখে দেয়। একথা ওকথা বলতে বলতে একসময় সহজভাবে জিজ্ঞাসা করে, আজ বাড়ি গিয়ে আর না খেয়ে পারবে না?

    প্রভাস সরলভাবে বলে, বাড়ি গিয়ে চেষ্টা করে দেখি। কথা দিয়ে হয়তো কথা রাখতে পারব না।

    বাড়ি ফিরে দোতলার মন্দিরের পাশে খোলা ছাদে আকাশের নিচে চুপচাপ বসে প্ৰভাস খানিকক্ষণ নিজের মনে কি যেন সব ভাবে।

    তারপর মেঘনাদকে ডেকে বোতল গ্লাস দিতে বলে বনানীকে ডেকে পাঠায়। বনানীর সামনে নিজের হাতে গ্লাসে মদ ঢালে। বনানী লক্ষ করে, পেগের হিসাব বাতিল করে সে খুশির হিসাবে

    মদ ঢেলেছে।

    বনানী গা এলিয়ে দেয় না। জোরে একটু নিশ্বাস পর্যন্ত ফেলে না।

    আশ্চর্য এই, এ অবস্থাতেও সে তুলতে পারে না যে, তার বড় খিদে পেয়েছে। প্রভাস ডেকে না পাঠালে সে খেতে বসে যেত।

    প্রভাস গ্লাসে চুমুক দিয়েও আশ্চর্য রকম ধীর শান্ত স্বাভাবিক গলায় কথা বলে–বনানী ভাবে, আর কতক্ষণ বজায় থাকবে এই শান্ত সুস্থ ভাব?

    প্রভাস বলে, আমি কি ভাবি না? বুঝবার চেষ্টা করি না? অনেক ভেবেছি, এটুকু বুঝেছি যে, আমার মধ্যে একটা সাংঘাতিক গলদ আছে–কিন্তু আসল ব্যাপার আজো বুঝতে পারি নি। বিশ্বাস কর, শুধু নেশার জন্যে আমি মদ খাই না, অন্য কারণ আছে। এটা আমার কল্পনা নয়, বানানো কথা নয়। তুমি যখন গঙ্গাসাগরে গিয়েছিলে, আমি কলকাতায় তিনজন বড় স্পেশালিস্টের সঙ্গে কনসাল্ট করেছি। অনেকরকম পরীক্ষা দরকার ছিল, সে সব ভবিষ্যতের জন্য রেখে আমি শুধু মোটামুটি ওপিনিয়ন চেয়েছিলাম। ওদের মতও তাই–আমার মধ্যে একটা গোলমাল আছে। শারীরিক মানসিক কারণ জড়ানো গোলমাল–জটিল ব্যাপার। ব্যাপারটা ধরতে সময় লাগবে, চিকিৎসা করে সারাতেও সময় লাগবে।

    বনানী চুপ করে থাকে।

    আরেকবার গ্লাসে চুমুক দিয়ে প্রভাস বলে যায়, মানে জানি না কিন্তু ব্যাপারটা জানি। আমার কিছু ভালো লাগে না। কোনো অভাব নেই, স্বাস্থ্য খারাপ নয়, তোমার মতো এমন আমার বৌ তবু আমার কিছু ভালো লাগে না। দুঃখ কষ্ট কিছু নয়, জ্বালা যন্ত্ৰণা টের পাই না, জীবনটা শুধু বিস্বাদ লাগে। অসুখ নেই কিন্তু সুখ বলেও আমার যেন কিছু নেই। সোজা কথায় ব্যাপারটা কি দাঁড়ায় জান? ধর দিন-রাত সবসময় তুমি কিছু চাওকী চাও তা জান না।

    বনানী চুপ করে থাকে।

    মনে মনে হাসছ না তো?

    বনানী এ কথার জবাব না দিয়ে বলে, কিছুদিন বাইরে গিয়ে থাকলে, বিশ্রাম করলে–

    প্রভাস একটু হাসে। বাইরে যাই নি আমি?–কতবার গিয়েছি তুমিও তো জান। একা গিয়েছি, তোমায় সঙ্গে নিয়ে গিয়েছি, কিন্তু স্বস্তি পাই নি।

    বনানী ভেবেচিন্তে বলে, এটাই হয়তো বৈরাগ্য–মানুষ যেজন্যে সংসার ছেড়ে চলে যায়, সন্ন্যাসী হয়ে যোগসাধনা করে।

    প্রভাস গ্লাসটা খালি করে, বলে, সংসার ছাড়তে আমার একটুও ইচ্ছা করে না। আমি যে ভালো না লাগার কথা বলছি তার অন্যরকম মানে কোরো না। তোমার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হলে আমি কয়েকদিনের মধ্যেই মরে যাব।

    বনানী চুপ করে থাকে।

    প্রভাস এবার খানিকটা বিহ্বলতা, খানিকটা ব্যাকুলতার সঙ্গে বলে, বিশ্বাস কর, সত্যি মরে যাব। লোকে হয়তো বলবে মদ খেয়ে খেয়ে মরেছে কিন্তু আসলে তোমার জন্যেই মরে যাব।

    বনানী বলে, তা জানি। মাতাল হয়েও নইলে আমার ধমকে ঠাণ্ডা হয়ে যাও।

    নেশা জমাট বাঁধছিল, প্রভাস খুশি হয়ে উঠে এসে বনানীর মাথায় গাল রেখে দাঁড়ায়, একটু জড়ানো সুরে বলে, আঃ, কী সুন্দর গন্ধ তোমার চুলে।

    বনানী বলে, আমি কিছু খাই নি কিন্তু–আমার ভারি খিদে পেয়েছে।

     

    বনানীও মাঝে মাঝে লখার মাকে ডেকে পাঠাত।

    খেয়ালের বশে ডেকে পাঠায়। অলস এবং অসহ্য দুপুরটা তার রূপকথা গল্পকথা শুনে কাটিয়ে দেবার জন্যে। দুপুরবেলা প্রভাস কাছারিতে বসে, কারখানায় যায়। কোনোদিন বাড়ি ফেরে, কোনোদিন সটান ক্লাবে গিয়ে হাজির হয়।

    মেয়েদের ভিড় জমে কিন্তু লখার মার গল্প বলা যেন তেমন জমে না।

    পাওনা গণ্ডা আর ভালোমন্দ খাওয়া জোটে ভালোই কিন্তু লখার মা কিছুমাত্র কৃতজ্ঞতা বোধ করছে বলে তো মনে হয় না।

    ঈশ্বরের বাড়ির সামনের মাঠে মস্ত জমায়েতের হৃদয় জয় করে লখার মার খুব নাম ছড়িয়েছে। তার গ্ৰাম্য কথকতার জনপ্রিয়তার খবর উপরতলাতেও কিছু কিছু পৌঁছে গিয়েছে।

    মেঘনাদের কাছে বনানী সব শুনতে চায় কত লোক হয়েছিল, কথকতার বিষয় কি ছিল ইত্যাদি বিবরণ। মেঘনাদ অন্য সব খবর জানায়, শুধু ফাঁস করে না পালা গানটির আসল মজা মজাদার ছড়াগান আর রূপকথার বানানো কথায় কেমন চানাচুরের ঝাল মসলার মতো মেশানো ছিল চাষী মজুরের প্রাণের জ্বালার ঝাঝ।

    মেঘনাদ কি কম চালাক! কাহিনীটা একেবারে উল্টো দাড় করায়, বনের পরী খেয়ালের বশে মজা করতে খেলা শুরু করেছিল দুজনের সাথে।

    বনানী বলে, হা হা জানি। সাধুর শাপে রাজার ছেলে দিনের বেলা কাঠুরে হয়ে যেত, রাত্রে হত শিকারি। সোনামুখীর কাছে সব শুনেছি।

    শুনে মেঘনাদ চমৎকৃত হয়ে যায়। ইতিমধ্যে সোনামুখী তবে এসেছিল অর্থাৎ বনানী তাকে ডেকে পাঠিয়েছিল। কিন্তু সোনামুখীর কাছে সব জেনে নিয়ে থাকলে কিছু না জানার ভান করে তাকে আবার জিজ্ঞাসাবাদ করা কেন?

    বনানী একদিন লখার মাকে ডেকে বলে, রোববার বিকেলের দিকে একটা আসর বসাব ভাবছি। অন্য সব ব্যাপার থাকবে নানা রকম–তার মধ্যে ঘণ্টাখানেক ঘণ্টা দেড়েক তোমার কথকতা লাগিয়ে দেব। কয়েকজন শুনতে চেয়েছে–ভালো করে বলতে হবে কিন্তু সেদিন গৌরীদের বাড়ির বাইরে যেমন বলেছিলে। জোড়াতালি দিয়ে চালিয়ে দিও না যেন।

    ঈশ্বরের কুঁড়ে নয়, গৌরীদের বাড়ি।

    বনানী এত শুনেছে এত জেনেছে–ঈশ্বরের কুঁড়েঘরের একত্তি উঠোনে কুলোয় নি বলে। সেদিন কেন আর কিভাবে সামনের ফাঁকা জমিতে আসরের আয়োজন হয়েছিল, সে বর্ণনা কি শোনে নি বনানী?

    লখার মা জিজ্ঞাসা করে, সবাই বড় ঘরের মানুষ? শুধু মেয়েছেলে না ব্যাটাছেলেও থাকবে?

    বনানী হেসে বলে, শুধু মেয়েছেলে ব্যাটাছেলে নয়–দু-পাঁচজন সায়েব-মেমও থাকবে। তাই তো ডেকে পাঠিয়ে আগে থেকে জানিয়ে রাখলাম ভালো করে তৈরি হয়ে এস! তোমার ওই পালাটা বোধহয় চলবে না, অনেকক্ষণ সময় লাগবে না?

    ছোট করে চালিয়ে দিলে হয়, সে ঠিক করে নেয়া যাবে। মেমসায়েবরা মোর কথা বুঝবে?

    বুঝলে বুঝবে, না বুঝলে না বুঝবে, শুধু শুনে যাবে। দশজনের কাছে বড়াই করবে, খাঁটি ফোক্‌ কালচারের নমুনা দেখেছে।

    লখার মা খানিকক্ষণ নিজের মনে ভেবে বলে, ওদের তিনজনাকেও চাই কিন্তু মা–সেদিন যারা খোল ব্যায়লা বাজিয়েছিল, ধুয়ো ধরেছিল। একলা জমাতে পারব না।

    কত দিতে হবে ওদের?

    বেশি দিতে হবে না গো মা–যা দেবে তাই খুশি হয়ে নেবে। টের পেয়েছে সে দিনকাল আর নেই। তবে কিনা পেশাদার মানুষ তো নয় যে, পয়সাটাই বড় দেখবে।

    তাই তো ভাবছি–তিনজনাকে নে আসতে পারলে হয়। গুণী মানুষ, পাগলাটে স্বভাব। ভূতনাথ যা গাজায় দম দেয়–শিবঠাকুর হার মানবে। রোজ টানে না তাই রক্ষা!

    বনানী ভয় পেয়ে বলে, তবেই তো মুশকিল করলে। আমি ভাবছিলাম অন্য প্রোগ্রামগুলি আরো ছাটাই করে তোমারটাই আসল আইটেম করব, দরকার হলে আরো আধঘণ্টা টাইম তোমায় বেশি দেব–

    লখার মা হেসে বলে, ভাবছ কেন বৌরানী-মা? দায় নিয়ে তোমায় ড়ুবিয়ে দেব–লখার মা তেমন মানুষ নয় গো, নয়। নিজে গিয়ে বলে আসব–না এসে যাবে কোথা? কটা দিন একটু তালিম দিয়ে নিতে হবে। এ তো আর গেঁয়ো ভূতদের পালা শোনানো নয়–সুর যাবে এক খাতে, বাজনা চলবে আর এক ধাতে, তাল কাটবে ফটাস ফটাস, সবাই ভাববে ওটাই বুঝি পালাগানের কায়দা। সমঝদার মানুষের কাছে ফাঁকি চলবে না মোটে। ভদ্র মানুষ, চুপটি করে শুনে যাবে জানি মনে মনে হাসবে আর টিটকারি দেবে লখার মাকে।

    বনানী ভরসা পেয়ে বলে, হ্যাঁ সেটা খেয়াল রেখ–যাই গাও খেলো যেন না হয়ে যায়।

    ভেব না বৌরানী-মা, আসর জমিয়ে দেব।

    তখন একটু সঙ্কোচের সঙ্গে বনানী এক অদ্ভুত প্রস্তাব করে। বলে তুমি যদি চাও, আমি অর্গান নয় তো পিয়ানো বাজাতে পারি।

    সে তো খাপ খাবে না মোটে।

    আমিও তাই ভাবছিলাম।

     

    আসর লখার মা সত্যই জমিয়ে দেয়।

    কটা দিন মোটে সময় ছিল। ঈশ্বরকে দিয়ে রোস্তমকে ডেকে এনে লখার মা রাতারাতি ফরমাশী পালাগান দাবি করে বসে। বড় কিছু দরকার নেই–একঘণ্টা সোয়া একঘণ্টার মতো জমজমাট পালা তৈরি করে দেওয়া চাই। লখার মা তার সঙ্গে কথা গান জুড়ে নেবে।

    বিষয় হবে বর্ষা এবং বাঁধ ভাঙা বন্যা। রোস্তমকে সাবধান করে দিয়ে লখার মা বলে, শুধু চেহারাটা তুলে ধরবে, ব্যাপারটাকে রূপ দেবে ব্য। যত ভয়ঙ্কর করতে পার আপত্তি নাই। কিন্তু হুঁশিয়ার ভাই, কাউকে খেচাবে না, কে দায়ী তাই নিয়ে ছেলেমানুষি প্যানপ্যানি জুড়বে না।

    রোস্তম বিড়ি ফুঁকতে ফুঁকতে চোখ বুজে তার ফরমাশ শুনে যায়। মনে মনে বোধহয় বর্ষাকে। আর বাঁধ ভাঙা বন্যাকে ভাষায় রূপ দেবার কসরত এখন থেকেই শুরু করে দেয়।

    লখার মা বলে, বুঝলে তো ভাই আসল কথা? কি জন্যে কে দায়ী তা সবাই জানে, কচি খোকা তো কেউ নয়। রেগেমেগে কেঁদে কুঁদে নালিশ করা তোমার আমার কমো নয়। গায়ের জ্বালায় সস্তা ঝাল ঝড়তে গেলে ইদিক নষ্ট, উদিক নষ্ট।

    বনানীর সঙ্গে কথা কয়ে কয়ে, তথাকথিত ঘরে তৈরী মাখন গলানো খাঁটি গাওয়া ঘিয়ের লুচি তরকারি মিঠাই সন্দেশ খেয়ে নিরঞ্জনদের তিনজনের বাড়ি হয়ে ঘরে ফিরতে বেলা পড়ে এসেছিল।

    এখন সন্ধ্যা নামছে।

    নিজের তার ঘুম পাচ্ছিল। তবু লখার মা বলে, রাতভর না ঘুমোলে ঘুমিও না, ভোরবেলা খসড়াটা মোর চাই।

    রোস্তম বলে, দেব। বেশি কাটছাট কোরো না কিন্তু।

    না। লক্ষ্মী ছেলের মতো মোর কথাটাও খেয়ালে রেখ কিন্তু।

     

    কদিন বাদে রামসুখলাল ক্লাবের পিয়ন দিয়ে লখার মাকে ডেকে পাঠায়।

    লখার মা যায় না।

    বলে পাঠায়, নানা কাজে সে নাকি বড় ব্যস্ত মোটেই তার সময় নেই মানুষের সঙ্গে দেখা করার।

    অগত্যা রামসুখলাল নিজেই তার ঘরে আসে।

    নিয়ে আসে গুরুতর প্রস্তাব।

    প্রভাসের বাড়িতে যে পালাগানটি গেয়েছে সেটি ক্লাবে গাইতে হবে–আজ সন্ধ্যায় কিংবা আগামীকাল ছুটির দিন সকাল ছাড়া যে কোনো সময়।

    তাড়াতাড়ি করার কারণ–কলকাতা থেকে কয়েকজন সিনেমা আর্টিস্ট ক্লাবের অতিথি হয়ে এসেছে–পালা গানটা শুনবার জন্যে তারা খুব উৎসুক।

    পরশু তারা কলকাতায় ফিরে যাবে। পরদিন পাড়ি দেবে বোম্বাই।

    লখার মা আশ্চর্য হয়ে বলে, সোনাতলার কেলাবে সিনেমার আদমি?

    রামসুখলাল হাসে। তাকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে দেয়। সিনেমায় অভিনয় করতে নেমেছে কি এখানকার ক্লাবের কোনো সভ্য অথবা সভা? তা নয়, আসল কথা হল এই যে, ক্লাবের দু-একজন দিলদরিয়া খুঁটি সিনেমা কোম্পানিতে টাকা লাগিয়েছে। কাজেই তাদের জোর আছে।

    যদি তারা কেউ মনে করে যে, লখার মার গল্প বলা লাগিয়ে দিলে বেশ লাগসই হবে, লখার। মা সিনেমা স্টার বনে যাবে বৈকি।

    লখার মা ভয় পায়, বিব্রত হয়ে পড়ে। ক্লাবে গিয়ে বাবুদের মেমদের সায়েবদের গল্প শোনাতে হবে। তার সাধ্যে কি কুলোবে এই অসাধ্য-সাধন সম্ভব করা।

    রামসুখলালকে বলে দিলেই হত সে যাবে না।

    ভেবেচিন্তে কুল কিনারা না পেয়ে সে ঈশ্বরের সঙ্গে পরামর্শ করতে যায়, কি করা উচিত।

    ঈশ্বর বলে, ডরাও কেন? তুমি যা বলবে, যেমন বলবে, তাই ওরা খুশি হয়ে শুনবে।

    তারপর হেসে বলে, তবে একটা কথা তোমায় বলি, কোনি দেখাবার চেষ্টা কোরো না। বাবুর বাড়িতে যেমন বলেছ তেমনি গল্প বলবে। সেটাই ওরা শুনতে চায়।

    গান শুনতে চায়?

    কি জানি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প
    Next Article দিবারাত্রির কাব্য – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পদ্মা নদীর মাঝি – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পুতুল নাচের ইতিকথা – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    অহিংসা – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    চতুষ্কোণ – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    চিহ্ন – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    জননী – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }