Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 11, 2026

    হ্যাঁ – মোহিত কামাল

    August 11, 2026

    না – মোহিত কামাল

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যাঁ – মোহিত কামাল

    মোহিত কামাল এক পাতা গল্প166 Mins Read0
    ⤷

    হ্যাঁ – ১

    এক

    সে বলেছে, সে নয়, তুমি দোষী। তুমি বলছো, তুমি নও, সে দোষী। দুটো বাক্য বলে চুপ করে মিতুর দিকে তাকিয়ে রইলেন দুজনেরই শিক্ষক আলি আকবর স্যার। মিতুর সরল মুখে দোষের চিহ্ন নেই। ডাগর চোখের কালোমণিতে টলমল জলের ফোঁটাও নেই। নেই কাঁদো কাঁদো চেহারা কিংবা ক্রোধের কোনো চিহ্ন। নিষ্পাপ, নিরপরাধ মুখটা দেখে ভাবার কোনো সুযোগ নেই মিতুই অপরাধী। উদ্বেগের রেখাও অনুপস্থিত ওর কপালের ভাঁজে। প্রমিত যখন ঘটনাটা খুলে বলেছে তখন তাকেও অপরাধী মনে হয়নি। মিতুকেই দোষ দিয়ে গেছে একচেটিয়া। ঘটনা তো ঘটেছে একটা, কিংবা অসংখ্য ঘটনার খারাপ প্রতিক্রিয়া জমতে জমতে যখন সমস্যা পাহাড়সমান হয়েছে, টের পায়নি ওরা। তালি একহাতে বাজে না–এ প্রবাদটা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মিতুর উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমার কোনো দোষ নেই! তুমি নিশ্চিত?

    প্রমিতের কথা আগে শুনে আপনি বোধহয় একপেশে হয়ে গেছেন। তাই এই ধরনের প্রশ্ন করতে পারলেন! এবার বেশ গোসসা মনে কথাটা বলে ফেলল মিতু। নিজের দোষ তো ধরতেই পারল না, দোষ করেছে কিনা তা যাচাই না করে বরং শিক্ষকেরই দোষ ধরা শুরু করল ও।

    আমি উঠি। এ বিষয়ে আপনার সঙ্গে আর কথা বলতে ইচ্ছা করছে না। মধ্যস্থতা করার আগেই আপনি নিজেকে দোষের পাল্লায় তুলে ফেলেছেন। পক্ষ নিয়ে ফেলেছেন।

    শোনো, মিতু। ভালো করে শোনো। বুশ বলেছেন সাদ্দাম দোষী, সাদ্দাম বলেছেন বুশ দোষী। ভারত বলছে পাকিস্তান দোষী, পাকিস্তান বলছে ভারত দোষী। চীন বলছে আমেরিকা দোষী, আমেরিকা বলছে বিশ্ববাণিজ্য দখল করার জন্য চীন ক্রমাগত অপরাধ করে যাচ্ছে। ঘরে ঘরে দেখবে, তোমাদের দুজনের কথা বাদ দাও, স্বামী বলছে স্ত্রী দোষী, স্ত্রী বলছে স্বামী। টিনএজ কন্যা বলছে মা দোষী, মা বলছে মেয়ে বিগড়ে গেছে, কথা শোনে না। পড়ে না। রেজাল্ট খারাপ করে মেয়ে রসাতলে যাচ্ছে, গোল্লায় যাচ্ছে। আর এসব কথা মাথায় রেখে আমি এখনও তোমাদের দুজনের কথা বিচার করিনি। মতামত দিইনি। কিছু কমন কথা বলার চেষ্টা করছি।

    মনে হচ্ছে কমন কথার ফাঁকে ওর দোষ না দেখে আমার দোষ। দেখবেন। আপনার থেকে কিছুই আশা করতে ইচ্ছা করছে না আর। আমি উঠলাম।

    পরিবেশটা খারাপ হয়ে গেল। আলি আকবর স্যার বিব্রতবোধ। করলেন। মানুষ তাকে সম্মান করে। বিপদে পড়লে সবাই পরামর্শ চাইতে আসেন তার কাছে। তিনি সাধারণত কোনো রায় দেন না। নিজেকে নিউট্রাল রাখার চেষ্টা করেন। কথার মাধ্যমে সবার সমস্যার জট খুলে বের করে আনার চেষ্টা করেন। ননজাজমেন্টাল কথা বলে থাকেন। এখন একটা প্রবাদ প্রসঙ্গ তুলে মিতুর মন বিগড়ে দিয়েছেন, বুঝতে পারলেন। তবু ভেঙে পড়লেন না। মিতু তাঁর কক্ষ ছাড়ার আগেই মরিয়া হয়ে বললেন, সেই-ই বুদ্ধিমান যে নিজেকে সমালোচনা করতে পারে। নিজের দোষ ধরতে পারে, তা সংশোধন করতে পারে।

    আমার দোষ না ধরে যে দোষ করেছে তাকে ধরতে বলুন। তাকে সংশোধন হতে বলুন। আবারও সোজা কথায় বেঁকে যেতে লাগল মিতু। আবারও কথার পিঠের কথা নিজের ঘাড়ে চেপে নিয়ে বিদ্রোহী হয়ে উঠতে লাগল।

    না, না। কেবল তোমাকে তোমার দোষ ধরার কথা বলছি না। প্রত্যেক মানুষের উদ্দেশেই কথাটা শোনালাম। এ প্রসঙ্গে দর্শন কী বলে, জানো?

    আমার জানার দরকার নেই। প্রমিতকে বলুন। সে নিজেকে সংশোধন করুক। তাহলে সব সমাধান হয়ে যাবে। ধর্ম আর দর্শনের কথা শুনতে চাই না। মিতুর রাগ চক্রবৃদ্ধি হারে উঁচুতে উঠে যেতে লাগল, আলি আকবর স্যার খেয়াল করতে পারলেন না। বিশ্লেষণের ঘোরের মধ্যে থেকেই তিনি বলতে লাগলেন, দর্শন বলেছে নো দাইসেলফ। নিজেকে জানো। নিজেকে জানা মানে নিজে নিজেকে খুঁড়ে দেখা। অতলে নিজের কোনো ঘাটতি আছে কিনা, নিজের কী কী সামর্থ্য আছে তাও বোঝা। বুঝতে পারলে জীবন সুন্দর হয়। যুগলজীবন তো অবশ্যই সুন্দর হতে তখন বাধ্য। দুজনেই আগে নিজেদের চিনতে হবে। তারপর অন্যকে চেনা সহজ হয়। বোঝা সহজ হয়।

    যুগলজীবন সুন্দর করার কথা শুনে রাগের স্কেলে উঁচু পারদ নিচে নেমে এলো। চলে যেতে গিয়েও ফিরে এলো মিতু। চুপচাপ বসে পড়ে ভাবল যুগলজীবন সুন্দর হোক, চায় ও। মনে-প্রাণে চায়। অথচ যুগলজীবন বর্তমানে অসুন্দর নয় কেবল, ফাটল তৈরি হয়ে গেছে সুন্দর বাঁধনের ইমারতে। সুযোগ পেয়ে আলি আকবর স্যার আবার বলতে লাগলেন, মনস্তত্ত্ব বলেছে সেলফ ইভ্যালুয়েশনের কথা। সেলফ ক্রিটিসিজমের কথা। পজিটিভ হওয়ার কথা। সব কথার মর্মকথা হচ্ছে নিজেকে চেনা, জানা, বোঝা আর নিজেদের জীবন সংসার, দেশটাকে সুন্দর করা।

    আপনার লেকচারটা এখন ভালো লাগছে। আগে মনে হয়েছে প্রমিতের নৌকায় উঠে আপনি যেদিকে ঝড় সেদিকে পাল তুলে দিয়েছেন। আর আমাকে উপদেশ দিচ্ছেন।

    যাক। তোমার এ বুঝটার জন্য ধন্যবাদ।

    ধন্যবাদ দিলে সংসার টিকবে না। আমাদের সমস্যার সমাধান করে দিন। না দিলে আমি ওকে ডিভোর্স দিয়ে দিব। ও যেমন আপনার প্রিয় ছাত্র। আমিও। নিরপেক্ষভাবে নিজে বুঝে আমাদের সমাধান দিন।

    কথা শেষ করে উঠে গেছে মিতু। আলি আকবর স্যার মিতুর চলে যাওয়া পথের দিকে তাকিয়ে আছেন। একবার ফিরে স্যারের চোখের দিকে তাকাল ও। অতি প্রিয় স্যার নিশ্চয় সমস্যার সমাধান করে দিবেন। কিছুতেই ও সংসার ভাংতে চায় না। শেষবারের মতো মরিয়া হয়ে বলল, আমার একটা কন্যাশিশু আছে। সব বোঝে এখন। ভালো ভালো কথা বলতে শিখেছে। বাবার সঙ্গ চায়। প্রমিত যখন আমাকে গালাগাল করে, আমার সঙ্গে চিৎকার চেঁচামেচি করে তখন ভয়ে সে কুঁকড়ে যায়। ওর নরম মন কি ব্যথা পায় না? ও কি সুস্থ হয়ে বড় হতে পারবে? ওর বৈশিষ্ট্যে ভয় আর আতঙ্কের ছায়া বসে যাবে না? আপনিই বলুন। এমন চলতে থাকলে মেয়েকে নিয়ে আমার আলাদা হয়ে যাওয়া উচিত না? কথাটা আপনার মাথায় দিয়ে গেলাম। ওকে সংশোধন হতে বলুন। শেষ সুযোগ দিচ্ছি। বলে দেবেন। প্রমিতকে।

    স্যার একবার বলতে চাচ্ছিলেন, তুমি চিৎকার কোরো না, চেঁচামেচি আর গালাগালি কোরো না, এসব কথা না বলে থেমে গেলেন। তিনি বুঝেছেন বড় আস্থা নিয়ে ওরা আলাদা আলাদাভাবে দুজনের সমস্যার কথা বলে গেছে। প্রমিত সংসার ভাঙতে চায় না। সে-কথা জোর দিয়ে বলেছে। মিতু ভাঙার হুমকি দিয়েছে। সমস্যার সমাধা না হলে কী করবে তা স্পষ্ট করে বলে গেছে। শিক্ষক হিসেবে স্যারও চাচ্ছেন না ওদের সংসার ভেঙে যাক। তাহলে উপায়?

    দুই

    কখনও রাত করে বাড়ি ফেরে না প্রমিত। আজ দেরি হচ্ছে। এখন প্রায় এগারোটা। অস্থির হয়ে পড়লেন ওর মা। এদিকে বউমাও নাতনি রোদ্দুরকে নিয়ে চলে গেছে বাপের বাড়ি। বউয়ের সঙ্গে ছেলের বনিবনা হচ্ছে না। বিষয়টাও তাঁকে ভাবিয়ে তুলেছে। কোনো কিছু না ভেবে ফোন করে বসলেন মিতুকে, প্রমিত কি তোমাদের আনতে গেছে, বউমা?

    আপনার কী মনে হয়, আপনার ছেলে যেরকম ত্যাড়া, সেরকম গোঁয়ার, সে কি আসবে আমাকে নিতে? আসতে পারে?

    বউমার কষ্টের রোষও থামিয়ে দিতে পারল না শাশুড়ির উদ্বেগ। বরং আবার প্রশ্ন করলেন, তাহলে সে যায়নি তোমাদের বাসায়?

    প্রশ্নটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে মিতু তাকাল দেয়াল ঘড়ির দিকে। রাত এগারোটার কাঁটা পেরিয়ে গেছে। এখনও প্রমিত বাড়ি ফেরেনি বুঝতে পেরে গোপনে সেও শঙ্কিত হয়ে গেল। যত রাগ আর অভিমান, সব পানি হয়ে গেল। ক্রোধ চাপা পড়ে গেল। উৎকণ্ঠায় ডুবে গিয়ে প্রশ্ন করল, দুপুরের পর বাসায় ফেরেনি একবারও?

    না, বউমা! ভেবেছিলাম তোমাদের বাসায় গেছে। তাই ভয় লাগেনি। এখন তো ভয় করছে।

    ফোন করুন।

    করেছিলাম। ওর ফোন অফ আছে।

    শুনে আবারও রাগ বেড়ে গেল। উৎকণ্ঠার বদলায় ক্রুদ্ধ হয়ে বলে বসল, নিশ্চয় আমাকে সাজা দেওয়ার জন্য মোবাইল অফ রেখেছে!

    তা কেন হবে, বউমা? বিপদ-আপদও তো হতে পারে।

    বিপদ-আপদের কথা শুনে এবার সত্যি সত্যি শংঙ্কা উড়ে এসে জুড়ে বসল মনঘরে। অভিমান আর ক্রোধও উড়াল দিয়ে পালিয়ে গেল। মা ঠিকই বলেছেন। রাতে কখনও বাইরে থাকে না প্রমিত, বাইরে থাকলে সেট অফ রাখবে–কথাটা একদম ঠিক নয়। আবার আচমকা ওর মাথায় প্রশ্ন জেগে উঠল, আমাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য কি এমনটা করল?

    হ্যাঁ। এটাই তার উদ্দেশ। নিশ্চয় কূট চিন্তা নিয়ে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছে। ভাবনাটা শক্ত করে দিলো ওর মনের গিঁট। শাশুড়ির সঙ্গে আর কথা বলতে ইচ্ছে করছে না। আবার লাইনও কেটে দিতে পারছে না। প্রমিতের ওপর ছলকে পড়া রাগ ওর মায়ের ওপর ঝাড়তে চাইল না। চুপ করে রইল।

    বউমা, লাইনে আছো?

    জি।

    কী করব? ওর কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে কল করব?

    করুন।

    কারও তো নাম্বার জানা নেই। কার নম্বরে ফোন করব?

    আপনার ছেলের কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু নেই। সাধারণ বন্ধুও নেই। তার বন্ধু সে নিজেই। নিজের মধ্যেই ডুবে থাকে। নিজের কাজের ঘোরে থাকে। কাজই তার বন্ধু।

    ঠাণ্ডা মাথায় কথাটা বললেও কথার পিঠে ধারালো শান আছে। বুঝলেন শাশুড়ি। কথার পিঠে আর কথা না বাড়িয়ে বললেন, রাখি। বউমা। সে তোমাকে কল করলে আমাকে জানিয়ো। তিনি বউমার ওপর রাগ করলেন না। জানেন কথাটা ভুল বলেনি সে। কাজ-পাগল ছেলেটা সত্যিকারের কাজ-পাগলই। এটা দোষের কিনা কে জানে। তবে বুঝেছেন ছেলে বউ-বাচ্চার প্রতি সময় দিতে পারে না। কিন্তু সে যা করে সংসারের উন্নতির জন্যই করে। বউ-বাচ্চাকে স্বাচ্ছন্দ্যে রাখার জন্যই করে। আজেবাজে আড্ডায় থাকে না। বাজে কাজে সময় খরচ করে না। বউমার মনে জেদ থাকা স্বাভাবিক। নিশ্চয় এ জেদ পানি হয়ে যাবে। নিশ্চয় ছেলের স্বভাব একসময় বুঝবে বউমা। নিশ্চয় সব ঠিক হয়ে যাবে। লাইন কেটে ভাবতে পেরে স্বস্তি পেলেও ছেলের জন্য দুশ্চিন্তার ঘোর থেকে বেরুতে পারলেন না। প্রমিতের ঘরে ঢুকে ওর কোনো নোটবুক আছে কিনা খুঁজতে লাগলেন। ডায়েরিও। টেবিলের উপর খুঁজতে গিয়ে একটা অফিস ফাইলও পেয়ে গেলেন। আশ্চর্য হয়ে দেখলেন অফিসের ফাইলও বাসায় নিয়ে আসে ছেলে। এটা ঠিক নয়, জানেন তিনি। জানলেও বোঝেন কাজের বাড়তি চাপ সামাল দিতেই এমনটা করতে হয় ওকে। এ চাপ ওকে ক্ষতি করে তাও বুঝলেন। ফাইল ঘাটতে গিয়ে হঠাৎ বেরিয়ে এলো একটা চিরকুট। তাতে লেখা

    কথা বলুন। পাশে নাম। একটা মোবাইল নাম্বার। এটা কেমন নাম, এক্সবুম। নিশ্চয় ছদ্মনাম। সাংকেতিক শব্দের আড়ালে নিশ্চয় ডুবে আছে আসল নাম। তবু ওটাতে কল করার সিদ্ধান্ত নিয়ে মুঠোফোনে টুকে টাচস্ক্রিনে আলতো ছোঁয়া দিয়ে কল করে বসলেন। রিং হচ্ছে। সাড়া নেই অপর পাশে। কল এনগেজড সিগন্যাল ভেসে ওঠার পর থেমে গেলেন তিনি। আঙুলের কাজ থেমে থাকলেও আবার কল করার ইচ্ছা জেগে উঠল। থমকে আছে আঙুলের ডগা। মন থমকে নেই। সচল মনে ধাক্কা খেলেন। কল ব্যাক করেছে

    এক্সবুম। সেটের ভয়েস লাউড করে টেবিলে রাখলেন। একটা মেয়ে কণ্ঠ, কী! আসব!

    জবাব দিলেন না, সায়েরা আমিন, প্রমিতের মা। চুপ করেই রইলেন।

    শুনলাম তোমার বউ তোমাকে ছেড়ে চলে গেছে! কথাটা কি ঠিক?

    দ্বিতীয় প্রশ্নেরও জবাব দিলেন না সায়েরা আমিন।

    কী! চুপ করে আছো কেন? তুমি বললে আসব। না বললে আসব না। জোর করার বিষয় না তো!

    সায়েরা আমিনের মাথা ঘুরে উঠল। এত ভদ্র আর সজ্জন প্রমিত

    এক্সবুম নামে কার সঙ্গে জড়িয়েছে? কোনো অসৎ মেয়ের ফাঁদে পড়েনি তো ও! মন খেপে উঠলেও খারাপ কিছু চিন্তা করতে পারলেন

    তিনি। যুগ খারাপ। যুগের আবহ খারাপ জেনেও ছেলে খারাপ পথে গেছে? তাঁর মাথায় উদ্বেগের আগুন তুষের আগুনের মতো জ্বলে উঠল।

    ফোনসেট অফ করার জন্য হাত বাড়ানোর মুহূর্তেই সেট তুলে নিলেন হাতে।

    সঙ্গে সঙ্গে আবার কল এলো, এক্সবুম!

    এবার কল রিসিভ করে প্রশ্ন করলেন, কে আপনি?

    নারী কণ্ঠের প্রশ্ন শুনেই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল লাইনটা।

    কলার কে আবিষ্কারের চেয়েও বড় চিন্তা ঢুকে গেল মাথায়। ছেলে কি তাহলে

    এক্সবুমকেও কল করছে না? সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে!

    তিন

    বউমার কল পেয়ে উদ্বিগ্ন সায়েরা আমিনের রাত জাগার ক্লান্তি ঘুচে গেল। ফোন রিসিভ করেই প্রশ্ন করলেন, খবর পেয়েছো, বউমা? প্রমিত কি তোমাদের বাসায় গেছে?

    না, সে বাসায় ফিরেছে কিনা, জানার জন্য ফোন করেছি।

    তো, কী করব এখন?

    বুঝতে পারছি না।

    তাহলে চলো থানায় গিয়ে খোঁজ নিই।

    আপনি একা যাবেন?

    না। একা কেন? দুজনেই চল।

    আচ্ছা, আমি আসছি। আপনি রেডি থাকুন।

    সায়েরা আমিন শান্তি পেলেন। উদ্বেগের মাঝেও মনে শান্তি এলো দেখে কিছুক্ষণ চোখ বুজে থেকে ভাবলেন ওদের সম্পর্কে বড়ো ফাটল নিশ্চয়ই তৈরি হয়নি। মান-অভিমানের চাপে দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। নিশ্চয় এ দূরত্ব ঘুচে যাবে। সঙ্গে সঙ্গে মনে হলো

    এক্সবুমর কথা। তৃতীয়-জনের কাছে ভিড়ছে কেন ছেলে? এ ধরনের ঘেঁষা কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে। শাশুড়ি হয়েও বউমার দোষ না ধরে ছেলের দোষ ধরতে পারছেন দেখে নিজেও স্বস্তি পেলেন। বুঝে গেছেন এ মুহূর্তে বউমার জোরালো সাপোর্টের কোনো বিকল্প নেই। এ ভাবনার পেছনেও ছেলের স্বার্থ জড়িত–তাও চেতন মনে নাড়া দিল। ছেলেকে উদ্ধারে বউমার শান্ত মেজাজই যথেষ্ট। ভাবতে ভাবতে বাইরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে লাগলেন। প্রস্তুতি থেমে গেল ডোর বেলের শব্দ পেয়ে। দ্রুত দরজা খুলে দেখলেন

    উবার থেকে নামছে প্রমিত। এক অপরিচিত তরুণ তাকে গাড়ি থেকে নামাতে গিয়ে তাল হারিয়ে পড়ে গেলেন সড়কের পাশে। আরেকজন দরজার সামনে ডোর বেলের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।

    আপনি কি প্রমিত সাহেবের মা? পাশে দাঁড়ানো তরুণের প্রশ্ন শুনে উদ্বেগের ঘোরে থাকা অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে সায়েরা আমিন জবাব দিলেন, হ্যাঁ। ওর মা।

    মহাখালি ব্রিজের বড় পিলারের পাশে পড়ে ছিলেন উনি। ভোরে আমরা যাচ্ছিলাম মহাখালি বাসস্ট্যান্ডের দিকে। আমাদের গাড়ি ওই দিক দিয়ে যাচ্ছিল। ভাগ্য ভালো উবারের স্টার্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল পিলারের কাছে গিয়ে। ওনার কাতর ডাক শুনে তুলে নিয়েছি। কিছুটা শক্ত আছেন দেখে হাসপাতালে না নিয়ে বাসার ঠিকানা বলতে পারায় বাসায়ই নিয়ে এলাম।

    ও ভালো আছে তো!

    এখন ভালো। জ্ঞান আছে। কথা বলতে পারছেন। তবে শরীরটা বেশ দুর্বল। মনে হয় মলম পার্টির কবলে পড়েছিলেন, অজ্ঞান ছিলেন। সারারাত।

    মলম পার্টি?

    হ্যাঁ। তাই মনে হলো আমাদের। চোখে মলম ঢেলে অজ্ঞান করার সুগন্ধি মাখা রুমাল দিয়ে ওরা নাকে চেপে ধরে সব ছিনিয়ে নেয়। মনে হয় তেমন কিছু ঘটেছে প্রমিত সাহেবের সঙ্গে।

    কথা শুনে কিছুক্ষণ বোকার মতো দাঁড়িয়ে থাকলেও হঠাৎ ছুট দিলেন ছেলের দিকে। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে নিয়ে এলেন। ঘরের দিকে এগোতে এগোতে বললেন, আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। দয়া করে ঘরে আসুন।

    না। না। আমরা বসব না। আমাদের দেরি হয়ে গেল। ময়মনসিংহ যাব আমরা। ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আমরা।

    নিজেদের যাত্রা ভেঙে আমার ছেলেকে উদ্ধার করে এনেছে তোমরা। অনেক আদর আর দোয়া থাকল তোমাদের প্রতি। প্রথমে আপনি করে বললেও পরে সন্তানতুল্য ভেবে তুমি করে সম্বোধন করায় ওরা মাতৃস্নেহ পেয়ে খুশি হয়ে গেল। তারপরেও বলল, আন্টি, আমাদের যেতে হবে।

    সায়েরা আমিন পরম স্নেহে দুই তরুণের মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন। ওরা বেরিয়ে যাওয়ার পর ছেলের কাছে এলেন। চোখে-মুখে পানি দেওয়ার পর কিছুটা স্বস্তি লাগছে প্রমিতের। তারপরও কোনো কথা বলছে না ও। বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। ছাদের দিকে তাকিয়ে রইল।

    কী করবেন, কী বলবেন বুঝতে পারছেন না সায়েরা আমিন। একপলক তাকালেন ছেলের দিকে। কপালে হাত রাখলেন। কোনো প্রশ্ন নেই। মুখে কোনো শব্দ নেই। তবে স্বস্তি এসেছে তার মনে। সারা রাত উদ্বেগে কাটিয়েছেন, থানায় গিয়ে জিডি করার কথা ভেবেছেন। এখন ভাবছেন কী খাওয়াবেন ছেলেকে। হঠাৎ মনে হলো ছেলে সকালে গ্রিন টি পান করে। চায়ের পানি গরম করার জন্য কিচেনের দিকে এগিয়ে গেলেন তিনি।

    চার

    উবারে চড়ে এসেছে মিতু। সঙ্গে কন্যা রোদ্দুরও আছে। নামে রোদ্দুর হলেও কন্যার মুখে জমে আছে মেঘ। মিতুর চোখেমুখে মেঘ নেই। আছে উৎকণ্ঠা। ঝড়। মা-মেয়ে মেঘ আর ঝড় নিয়ে ঘরে ঢুকে চমকে উঠল। রোদ্দুর এক লাফে ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরল বাবাকে। মেয়ের আনন্দধ্বনিও মিতুর নতুন বোধটা টলাতে পারল না। ও ভেবে নিয়েছে শাশুড়ি মিথ্যা বলেছেন। কৌশলে ওকে আর রোদ্দুরকে বাসায় ফিরতে বাধ্য করেছেন। অথচ প্রতিজ্ঞা করে নিয়েছিল স্বামীর অবস্থা চেঞ্জ না হলে, ফিরবে না আর এ বাড়িতে। ওর বোধে জেগে ওঠা শাশুড়ির মিথ্যা ছলনা ক্ষুব্ধ করে তুলল ওকে। ক্ষোভ থেকে অনড় এক মনোভাব জেগে উঠল ওর মনে। শাশুড়িকে চা নিয়ে আসতে দেখেও কোনো কথা ফুটল না ওর মুখে।

    চা হাতে এগিয়ে এসে শাশুড়ি দেখলেন মিতুকে। হঠাৎ উচ্ছ্বসিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, তুমি এসে গেছে, বউমা?

    দেখতেই তো পাচ্ছেন আমাকে।

    রোদ্দুর আসেনি?

    আপনার কী মনে হয়, রোদ্দুরকে আমি রেখে আসতে পারি?

    না। তা নয়। কখনই রেখে আসবে না। জানি আমি।

    তো! প্রশ্ন করলেন কেন?

    বউমার কাট কাট কথা শুনে হতবাক হয়ে গেলেন সায়েরা আমিন। ছেলের দুর্দশার কথা বলতে ভুলে গেলেন। ধীরে ধীরে ঢুকলেন ওদের শোবার ঘরে। খাটে শুয়ে আছে প্রমিত। কাছে গিয়ে প্রশ্ন করলেন, এখন কেমন লাগছে, বাবা?

    রোদ্দুরকে দেখে ভালো লাগছে। রোদ্দুর বলল ওর মাও এসেছে। সে কোথায়, আম্মা?

    ওকে তো দেখলাম ঘরের বাইরে দাঁড়ানো। বোধ হয় রেগে আছে এখনও। নিশ্চয় তোমার সব কথা শোনার পর সহজ হয়ে যাবে।

    বলোনি? আমার কী হয়েছে জানে না সে?

    না, বলিনি। বলার সময় পেলাম কোথায়? ওরা তো এইমাত্র এলো বাসায়।

    শাশুড়ি ওদের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে দেখলেন যেখানে দাঁড়িয়েছিল সেখানে নেই বউমা। কোথায় গেল? চিন্তিত হয়ে খুঁজতে খুঁজতে বাসার বাইরে এলেন সায়েরা আমিন। বিস্ময় নিয়ে দেখলেন একটা সিএনজি অটোরিকশায় চড়ে বসেছে সে। একবার চিৎকার করে ডেকে বললেন, প্রমিত ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছিল। মরতে মরতে বেঁচে ফিরেছে। দুই তরুণ তাকে দিয়ে গেছে বাসায় কিছুক্ষণ আগে।

    সিএনজি অটো শব্দ ছেড়ে পেছন থেকে সাদা ধোঁয়া উড়িয়ে ছুটে গেল সামনে। সায়েরা আমিনের কথা তার কানেই ঢুকল না। এই ফাঁকে ছুটে এসেছিল রোদ্দুর। মাকে চলে যেতে দেখে চিৎকার জুড়ে দিল। তারপর চোখের পানি মুছতে মুছতে বাবার বুকে এসে শুয়ে পড়ল। কান্না জড়ানো গলায় বলল, মাম্মি চলে গেছে! কথা শেষ না করে আবারও হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল সে।

    রোদ্দুরের কান্নায় বুক ভারী হয়ে গেল প্রমিতের। মেয়েকে বুকের সঙ্গে জড়িয়ে সেও কাঁদতে লাগল। দরজায় দাঁড়িয়ে সায়েরা আমিনও চোখের পানি মুছলেন নিঃশব্দে। হাউস গভর্নেন্স, বিণা এসে সায়েরা আমিনের উদ্দেশে বলছে, খালাম্মা মোবাইল লন হাতে। মিতু আফারে বেবাক বুঝাইয়া কন। নিশ্চয় আফা ভুল বুঝছে। ভাবছে ভাইজান বাসায় আছিল, আপনি তারে মিছা কথা কইছেন।

    বিণার কথা শুনে বউমার চলে যাওয়ার বিষয়টা চমকে দিল শাশুড়িকে। এসেও চলে যাওয়ার এটাই প্রথম কারণ হতে পারে, বুঝতে পারলেন। আচমকা জেগে ওঠা ক্রোধের কারণে আগে-পিছে কিছু ভাবার সময় পায়নি বউমা। ওর প্রাণের টুকরো রোদ্দুরকেও নিতেও ভুলে গেছে। নিশ্চয় ভুল ভাবনায় আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিল সে। ঘোরের মধ্য থেকে বেরুতে পারেনি। আর তাই কোনো প্রশ্ন না করে নিজে মনে মনে যা চিন্তা করেছে, তার জন্য এমন আচরণ করে ফেলেছে। এমন ভাবনা কষ্ট আর উদ্বেগ কমিয়ে দিল। তখনই তিনি কল করলেন মিতুকে।

    মোবাইল সুইচ অফ। ঢুকছে না কল। কী ভয়াবহ ব্যাপার। আবার কল করলেন! বারবার। না বউমাকে ধরতে পারলেন না।

    চোখ মুছতে মুছতে রোদ্দুর এলো দাদুভাইয়ের কাছে। প্রশ্ন করল, কল ধরেছে, মাম্মি?

    না।

    আমারে দাও, দাদু। আমি কল করি।

    এখনো ভালো করে কল করতে পারে না ও। তবে মায়ের মোবাইল নম্বর মুখস্থ আছে। ফোনবুক থেকে নাম বের না করে, ডায়াল অপশনে গিয়ে ওর মায়ের মুখস্থ নম্বর টিপে ও কল করল। স্যরি মোবাইল সংযোগ দেওয়া যাচ্ছে না–এ কথার মানে জানে রোদ্দুর। আচমকা সে কাঁদতে লাগল আবার। ছুটে এসে আবার ওর বাপিকে জড়িয়ে ধরল।

    শরীরটা বেশ দুর্বল লাগছিল। উঠে বসে মাথা চক্কর খেয়ে শুয়ে মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলল, তোমার মাম্মি ফিরে আসবে। ভুল বুঝে চলে গেছে। ভুল কেটে গেলে মাথা ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। এখন গরম আছে। থাকুক। কিছুক্ষণ পর আমার টানে না হোক, তোমার টানে চলে আসবে।

    বাপির কথা শুনে মেয়ের মন শান্ত হয়ে গেল, তা না। তবে ওর কান্না থেমে গেল। শুয়ে রইল বাপির পাশে। হালকা শীত-শীত লাগছে। তাই নিজের গায়ের চাদরটা তুলে দিল ওর গায়ে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনা – মোহিত কামাল
    Next Article ক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    Related Articles

    মোহিত কামাল

    না – মোহিত কামাল

    August 11, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 11, 2026
    Our Picks

    ক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 11, 2026

    হ্যাঁ – মোহিত কামাল

    August 11, 2026

    না – মোহিত কামাল

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }